জরিমানা

  • বালোগুনের নিষেধাজ্ঞা মওকুফে জরিমানা গুনছে যুক্তরাষ্ট্র

    বালোগুনের নিষেধাজ্ঞা মওকুফে জরিমানা গুনছে যুক্তরাষ্ট্র

    ক্রীড়া ডেস্ক:

    লাল কার্ডের কারণে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা থেকে শেষ মুহূর্তে রেহাই পেলেও আর্থিক শাস্তি এড়াতে পারেননি যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুন। বিশ্বকাপে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে বিতর্কিত লাল কার্ডের ঘটনায় তাকে ৪০ হাজার মার্কিন ডলার (প্রায় ৩০ হাজার পাউন্ড) জরিমানা করেছে ফিফা। সেই জরিমানার অর্ধেক বহন করবে যুক্তরাষ্ট্র ফুটবল ফেডারেশনও।

    বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর আগে ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি বালোগুনের এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা এক বছরের জন্য স্থগিত করে। ফলে তিনি বেলজিয়ামের বিপক্ষে মাঠে নামেন। তবে আর্থিক শাস্তির সিদ্ধান্ত বহাল রাখে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা।

    ফিফার এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ডিসিপ্লিনারি কোডের দুটি পৃথক ধারা ভঙ্গের দায়ে মোট ৪০ হাজার ডলার জরিমানা করা হয়েছে। এর অর্ধেকের দায় বহন করবে যুক্তরাষ্ট্র ফুটবল ফেডারেশন।

    বালোগুনের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত হওয়ার সিদ্ধান্ত ঘিরে বিশ্ব ফুটবলে বড় বিতর্কের জন্ম হয়েছে। বেলজিয়াম ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এবং উয়েফা প্রকাশ্যে এর বিরোধিতা করেছে। এমনকি অভিযোগ ওঠে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার পরই সিদ্ধান্ত বদলানো হয়।এই বিতর্কের জেরে মুখ খুলেছেন ইনফান্তিনোও। তিনি দাবি করেন, ফিফার বিচারিক সংস্থাগুলো সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং তাদের সিদ্ধান্তে সভাপতির কোনো হস্তক্ষেপ নেই।

    ইনফান্তিনো বলেন, ‘আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোন পেয়েছিলাম, যেমন বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারি কর্মকর্তা ও ফুটবল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকেও বিভিন্ন বিষয়ে ফোন পাই। আমি শুধু জানিয়েছি যে বিষয়টি স্বাধীন বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে এবং সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট কমিটি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘কখনো আমি ডিসিপ্লিনারি কমিটির সিদ্ধান্তে একমত হই, কখনো হই না। কিন্তু সবসময় তাদের স্বাধীনতাকে সম্মান করি। ব্যক্তিগত মতামত এখানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।’বালোগুনের শাস্তি স্থগিত হওয়ার ঘটনায় ফুটবল বিশ্বে আলোচনা এখনো থামেনি। তবে নিষেধাজ্ঞা এড়ালেও বড় অঙ্কের জরিমানা দিয়ে বিতর্কিত এই অধ্যায়ের মূল্য চুকাতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের এই ফরোয়ার্ডকে।

  • চুয়াডাঙ্গায় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান: দুই প্রতিষ্ঠানকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা

    চুয়াডাঙ্গায় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান: দুই প্রতিষ্ঠানকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা

    চুয়াডাঙ্গা(১১-০৬-২৬)

    চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ফার্মপাড়া ও বেলগাছি রেলগেট এলাকায় জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তদারকিমূলক অভিযানে দুটি বেকারি ও খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার ১১ জুন সকাল ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা মিনিট পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে বিভিন্ন বেকারি ও খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম তদারকি করা হয়।

    অভিযানকালে দেখা যায়, কিছু প্রতিষ্ঠান অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও সংরক্ষণ করছে। এছাড়া অনুমোদন ছাড়াই বিএসটিআইয়ের লোগো ব্যবহার করে পণ্য বাজারজাত করার অভিযোগও পাওয়া যায়।

    এ সময় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৩ ধারায় ফার্মপাড়া এলাকার মো: হারুন অর রশিদ এর প্রতিষ্ঠান মেসার্স নূর ফুড প্রোডাক্টসকে ২৫ হাজার টাকা এবং বিটু ইসলাম এর প্রতিষ্ঠান মেসার্স সাকিল চানাচুরকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে মোট ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

    একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠান দুটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে ত্রুটিগুলো সংশোধন করে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

    অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান। এ সময় সার্বিক সহযোগিতা করেন জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. গোলাম ফারুক এবং জেলা আনসার ব্যাটালিয়নের একটি দল।

    ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ ও জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • চুয়াডাঙ্গায় ভেজাল খাদ্য উৎপাদনের অভিযোগে অভি ফুড প্রোডাক্টসকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

    চুয়াডাঙ্গায় ভেজাল খাদ্য উৎপাদনের অভিযোগে অভি ফুড প্রোডাক্টসকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল লবণ ও টেক্সটাইল কালার ব্যবহারের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গার অভি ফুড প্রোডাক্টস নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়।

    বুধবার (১০ জুন) দুপুর ২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করে এ জরিমানা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা শহিদুল ইসলাম।

    অভিযান সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, খাদ্যপণ্যে ইন্ডাস্ট্রিয়াল লবণ ও টেক্সটাইল কালার ব্যবহারসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় নমুনা সংগ্রহ করে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।

    পরে এসব অপরাধে অভি ফুড প্রোডাক্টসের মালিক অভিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

    সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা শহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযানকালে বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় আইনানুগ ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করা হয়েছে।

    অভিযানে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সাধন সরকার, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর নার্গিস জাহান এবং চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পুলিশের একটি টিম অংশ নেয়।

  • চার ইটভাটায় ২০ লাখ টাকা জরিমানা, গুঁড়িয়ে দেওয়া হল আরও ২টি

    চার ইটভাটায় ২০ লাখ টাকা জরিমানা, গুঁড়িয়ে দেওয়া হল আরও ২টি

    পরিবেশ রক্ষা ও আইন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থান নিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। এরই অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় পরিচালিত এক অভিযানে একাধিক অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মোট ২০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে এবং দুটি ইটভাটা সম্পূর্ণরূপে ভেঙে ফেলা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে পরিবেশ অধিদপ্তর ঠাকুরগাঁও জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

    অভিযানে নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইং-এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজওয়ান-উল-ইসলাম (সিনিয়র সহকারী সচিব)। প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ঠাকুরগাঁও জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. তামিম হাসান।

    জানাযায়, দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই পীরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালিত হচ্ছিল। এতে আশপাশের কৃষিজমি, গাছপালা ও জনস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছিল। স্থানীয়ভাবে একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে পরিবেশ অধিদপ্তর এ অভিযান পরিচালনা করে।

    সহকারী পরিচালক মো. তামিম হাসান জানান, ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) অনুযায়ী এম বি বি ব্রিকস এবং মেসার্স ডি স্টার ব্রিকস নামের দুটি অবৈধ ইটভাটা সম্পূর্ণরূপে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

    এছাড়া এম বি বি ব্রিকস, মেসার্স ডি স্টার ব্রিকস, এস বি এস ব্রিকস এবং মেসার্স এম বি এস ব্রিকস এই চারটি ইটভাটার প্রতিটির বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা করে মোট ২০ লাখ টাকা জরিমানা ধার্য ও তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।

    তিনি আরও বলেন, এসব ইটভাটা অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি কেটে ব্যবহার করছিল, যা কৃষির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। একই সঙ্গে ইট পোড়ানোর ফলে সৃষ্ট ধোঁয়া ও ক্ষতিকর গ্যাস বায়ুদূষণ বাড়িয়ে তুলছিল, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের শ্বাসকষ্টসহ নানা স্বাস্থ্য ঝুকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

    অভিযান চলাকালে দুটি ইটভাটা সম্পূর্ণভাবে ভেঙে ফেলার দৃশ্য স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে আনে। দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ দূষণের শিকার হওয়া এলাকাবাসী এ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের উদ্যোগ নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানান।

    পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিবেশের ক্ষতি করে এমন যেকোনো অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে জনস্বার্থে পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    অভিযানে সার্বিক সহায়তা প্রদান করেন পুলিশ, আনসার ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। তাদের সহযোগিতায় পুরো অভিযান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।

  • অবৈধ ভাবে পাহাড় কাটার দায়ে প্রশাসনের অভিযানে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

    অবৈধ ভাবে পাহাড় কাটার দায়ে প্রশাসনের অভিযানে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

    পরিবেশ সংরক্ষণ ও পাহাড় ধস প্রতিরোধে আলীকদম উপজেলায় অবৈধ পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সেনাজোন ও উপজেলা প্রশাসন। এ অভিযানে পাহাড় কাটার দায়ে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন জোন সদর থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে পাহাড়তলী পাড়া এলাকায় ক্যাপ্টেন মো. হিরবল উম্মা হামিমের নেতৃত্বে রাত ১২টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত এ অভিযান চলে।অভিযানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মমনজুর আলম নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

    এই সময় স্কেভেটর দিয়ে অবৈধভাবে পাহাড় কেটে মাটি উত্তোলনের দায়ে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৪(ঙ) ধারায় দুইজনকে মোট ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া পাহাড় কাটায় ব্যবহৃত তিনটি ছোট ট্রাক ও একটি স্কেভেটরের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে প্রতিটি যানবাহনের জন্য ১ লাখ টাকা করে মোট ৪ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়।

    অভিযুক্ত ব্যক্তি ও আটক যানবাহনগুলো আলীকদম থানা পুলিশের সহায়তায় থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানা পরিশোধ না করলে যানবাহনগুলো জব্দ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

    আলীকদম জোন কমান্ডার জানান, পাহাড়ের নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। সেনা জোন ও প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্থানীয় জনগণ ও বিভিন্ন মহল সাধুবাদ জানিয়েছে।