ট্যাগ জনপ্রশাসন

  • ৪ মন্ত্রণালয়-বিভাগে নতুন সচিব

    ৪ মন্ত্রণালয়-বিভাগে নতুন সচিব

    সরকার চারটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে নতুন সচিব পদায়ন করেছে। এর মধ্যে তিনজন অতিরিক্ত সচিবকে সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

    আজ বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ইয়াসমিন বেগমকে পদোন্নতি দিয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

    শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম বেঞ্জামিন রিয়াজীকে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগে এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত অতিরিক্ত সচিব ড. এ এন এম বজলুর রশীদকে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

    অন্যদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তিভিত্তিক সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হককে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সিনিয়র সচিব) পদে বদলি করা হয়েছে। তার স্থলে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের চুক্তিভিত্তিক সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব (চুক্তিভিত্তিক) করা হয়েছে।

    এদিকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলাকে পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত রাখা হয়েছে।

    এ ছাড়া পৃথক একটি প্রজ্ঞাপনে সরকারি চাকরির মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) নাসরীন জাহানকে অবসরে পাঠানো হয়েছে।

    আগামী ৫ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করবেন। একই সঙ্গে তাকে পরবর্তী এক বছরের জন্য অবসর-উত্তর ছুটি (পিআরএল) মঞ্জুর করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে জারি করা এসব আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হবে।

  • রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের জনবিভাগের সচিবসহ তিন সচিব পদে পরিবর্তন

    রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের জনবিভাগের সচিবসহ তিন সচিব পদে পরিবর্তন

    সরকারের তিন সচিব পদে রদবদল করা হয়েছে। এর মধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে ১১ দিন আগে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের জনবিভাগে সচিব হিসেবে বদলি করা রফিকুল আই মোহাম্মদকে আবারও বদলি করা হয়েছে। চুক্তিভিত্তিতে নিয়োজিত এই কর্মকর্তাকে এখন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব পদে বদলি করা হয়েছে।

    এ ছাড়া পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাৎ শওকত রশীদ চৌধুরীকে ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান (সচিব) করা হয়েছে। আর ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান এ জে এম সালাহউদ্দিন নাগরীকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের জনবিভাগের সচিব করা হয়েছে।

    আজ শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।

    এর আগে ১০ আগস্ট কৃষি মন্ত্রণালয় ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের জনবিভাগের সচিব পদে পরিবর্তন করেছিল সরকার। চুক্তি ভিত্তিতে নিয়োজিত কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব রফিকুল আই মোহাম্মদকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের জনবিভাগে সচিব (চুক্তিভিত্তিক) করা হয়েছিল। আর কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সেলিম খানকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে একই মন্ত্রণালয়ের সচিব করা হয়।

    অন্যদিকে সেদিন পৃথক প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের জনবিভাগের সচিব খান মো. নূরুল আমীনকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়।

  • শিগগির জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন, এগোচ্ছে গণমাধ্যম কমিশনেরও কাজ

    শিগগির জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন, এগোচ্ছে গণমাধ্যম কমিশনেরও কাজ

    সরকারের ১৮০ দিনের মতবিনিময়

    জনপ্রশাসনকে ঢেলে সাজাতে শিগগিরই ‘জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন’ গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। একই সঙ্গে প্রশাসনে আগের সরকারের দলীয় প্রভাবমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ‘মব কালচার’কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না বলে জানিয়েছেন সরকারের সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকেরা।

    আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র ‘শাপলা’য় সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তারা।

    জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠনে কিছুটা সময় লাগছে জানিয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, সংস্কার কার্যক্রমকে কার্যকর করতে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আগে যথাযথভাবে প্রস্তুত করা প্রয়োজন। প্রশাসনের ভেতরে থাকা বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত ও দূর করার পরই সংস্কার কমিশনকে কার্যকরভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে চান তারা। তিনি বলেন, প্রশাসনিক সংস্কার কমিশন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে কমিশনকে যারা সহযোগিতা করবেন, তাদের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও প্রস্তুতি দরকার। এসব কাজ শেষ করে শিগগিরই কমিশন গঠন করা হবে।

    প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে জনপ্রশাসন সংস্কারের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, সরকার সেই লক্ষ্য থেকে সরে আসেনি। বরং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইতিমধ্যে সংস্কারের কিছু কাজ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, আগের সরকারের দলীয় প্রভাবের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গা থেকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ প্রক্রিয়া ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে। তবে প্রশাসন সংস্কারের নামে এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না, যাতে দেশ ও জাতির ক্ষতি হয়-এমনটাও স্পষ্ট করেন তিনি। প্রশাসনকে দীর্ঘদিনের দলীয়করণের প্রভাব থেকে বের করে আনতে হবে বলেও জোর দিয়ে বলেন তিনি।

    ইসমাইল জবিউল্লাহ আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জনপ্রশাসন সংস্কার নিয়ে যে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছিল, সেটিও তারা পর্যালোচনা করেছেন। খুব শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কারের আনুষ্ঠানিক কমিশন গঠন করা হবে।

    ‘মব কালচার’ সহ্য করা হবে না

    অনুষ্ঠানে ‘মব কালচার’ প্রসঙ্গে ইসমাইল জবিউল্লাহ এটিকে অনভিপ্রেত হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, দেশের আইন অনুযায়ীই দেশ পরিচালিত হবে এবং কোনো ধরনের মব কালচার সহ্য করা হবে না। তিনি দাবি করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ের তুলনায় বর্তমানে মব কালচার নেই বললেই চলে। সরকার এ বিষয়ে জনগণকে আশ্বস্ত করতে চায়।

    এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভী বলেন, মব কালচারের মাত্রা অনেক কমে গেছে। দেশে আইনের শাসন যত শক্তিশালী হবে, মব কালচারও তত কমে আসবে।

    গণমাধ্যম কমিশন গঠনের কাজ এগোচ্ছে

    মতবিনিময় অনুষ্ঠানে আরেক প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানান, গণমাধ্যম কমিশন গঠনের কাজ এগিয়ে চলছে। তিনি বলেন, সরকারের সঙ্গে মতবিনিময়ে গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাবমুক্ত পরিবেশের প্রশংসা করেছেন। এই ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে গণমাধ্যম কমিশন গঠনের বিষয়ে সরকারও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং সেই বৈঠকের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। পরবর্তী ধাপে একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হবে। জাতীয় কর্মপরিকল্পনার একটি খসড়া তৈরি করার পর সেটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।

    সরকারের ১৮০ দিনের কর্মকাণ্ডের মূল্যায়ন করতে গিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, সরকারের প্রথম পর্যায়ের সময়টি নতুন কর্মসূচি বাস্তবায়নের চেয়ে আগের সরকারের রেখে যাওয়া ‘ধ্বংসস্তূপ’ মেরামত করে নতুন কর্মসূচি বাস্তবায়নের উপযোগী পরিবেশ তৈরিতেই বেশি ব্যয় হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার ১ হাজার ৮২৫ দিনের জন্য জনগণের ম্যান্ডেট পেয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ১৮০ দিন ধ্বংসস্তূপ মেরামতের কাজে ব্যয় হয়েছে। মেয়াদের পরবর্তী সময়ে পরিকল্পনাগুলো আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    চলতি অর্থবছরেই ৫ স্থানীয় নির্বাচন

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের পাঁচটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, এসব নির্বাচন আয়োজন করতে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। চলতি অর্থবছরের বাজেটে এ অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনও প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রস্তুতি শেষ হলে সমন্বিতভাবে মাঠপর্যায়ে নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু হবে।

    সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তর পর্বের আগে সরকারের ১৮০ দিনের কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন সাফল্যের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহাদী আমিন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনও বক্তব্য দেন।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ুবিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক এস এম আব্দুল আউয়ালসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

  • প্রশাসন ক্যাডারের ৫০ কর্মকর্তা হলেন এসিল্যান্ড

    প্রশাসন ক্যাডারের ৫০ কর্মকর্তা হলেন এসিল্যান্ড

    সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড পদে পরবর্তী পদায়নের লক্ষ্যে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ৫০ কর্মকর্তার চাকরি ভূমি মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করেছে সরকার। আজ বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

    এতে বলা হয়, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের এসব কর্মকর্তাদের সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদে পরবর্তী পদায়নের জন্য তাদের চাকরি ভূমি মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    এতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমি মন্ত্রণালয়ে যোগদানের নির্দেশনা দেওয়া হলো। তারা ঢাকা ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে মৌলিক ভূমি ব্যবস্থাপনা কোর্স সম্পন্ন করার পর ‘জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন কর্মচারীগণের পদায়ন নীতিমালা, ২০২২’ অনুসরণ করে তাদের এসিল্যান্ড পদে পদায়ন করা হবে।

    প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

    ৫০ কর্মকর্তার তালিকা নিচে দেওয়া হলো-

  • ঢাকায় নতুন কমিশনার, কুমিল্লা-সিলেটে নতুন ডিসি

    ঢাকায় নতুন কমিশনার, কুমিল্লা-সিলেটে নতুন ডিসি

    কুমিল্লার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মু. রেজা হাসানকে সিলেটের ডিসি পদে বদলি করেছে সরকার। অন্যদিকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রোজী আকতারকে কুমিল্লার ডিসি নিয়োগ দিয়ে আজ রোববার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    ২১ জুন সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়। তাঁকে বহালের দাবিতে সিলেটে মানববন্ধন হয়েছিল। সারওয়ার আলমের প্রত্যাহারের আদেশ বাতিল করে তাঁকে ডিসির পদে বহাল করা হবে বলেও গুঞ্জন ছিল।

    ঢাকার নতুন বিভাগীয় কমিশনার

    গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুজ্জামান মিঞাকে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

  • ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, ১৫২১ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

    ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, ১৫২১ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

    ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এতে মোট ১ হাজার ৫২১ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে ক্যাডার পদে ১ হাজার ৩২০ ও নন-ক্যাডার পদে ২০১ জন।

    আজ রোববার বিকেলে পিএসসির জনসংযোগ শাখা থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

  • এনএপিডির নতুন মহাপরিচালক খাইরুল কবীর মেনন

    এনএপিডির নতুন মহাপরিচালক খাইরুল কবীর মেনন

    জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির (এনএপিডি) নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের (পরিবহন পুল) পরিবহন কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. খাইরুল কবীর মেনন।

    তাকে সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়ার পর এই পদে পদায়ন করে বুধবার (১৭ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

    অন্যদিকে, এনএপিডির বর্তমান মহাপরিচালক (সচিব) মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামকে অবসরে যাওয়ার সুবিধার্থে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে।

  • জনপ্রশাসনে বাড়তি বরাদ্দ ৫৫হাজার কোটি টাকা, নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর

    জনপ্রশাসনে বাড়তি বরাদ্দ ৫৫হাজার কোটি টাকা, নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর

    সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নে এবার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অর্থবছরের শুরু অর্থাৎ আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নবম বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের কথা বললেন তিনি।

    আজ বৃহস্পতিবার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি কর্মচারীরা বিগত প্রায় ১১ বছর যাবৎ একই বেতনকাঠামোতে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। ইতিমধ্যে মূল্যস্ফীতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করার ঘোষণা দিচ্ছি।’

    অষ্টম বেতনকাঠামো অনুযায়ী সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা; আর সর্বোচ্চ বেতনকাঠামো ৭৮ হাজার টাকা (নির্ধারিত)। নবম বেতন কাঠামোয় সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ রয়েছে।

    নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনায় গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি তিন ধাপে বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে। আগামী অর্থবছর থেকে এ সুপারিশই বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

    নবম বেতন কমিশনের সুপারিশ জমা দেওয়ার সময় কমিশনপ্রধান জাকির আহমেদ খান জানিয়েছিলেন, প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন করতে বাড়তি ১ লাখ ৬০০০ কোটি টাকার দরকার পড়বে।

    কত বরাদ্দ

    প্রতিবছরের ‘বাজেট সংক্ষিপ্ত-সারে বিবরণী-২খ’ নামে একটি অংশ থাকে, যা আছে এবারও। এতে দেখানো হয় ‘পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয়ের অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ’। এ বিশ্লেষণে অফিসারদের বেতন, কর্মচারীদের বেতন ও ভাতাদি—এই তিন ভাগে বরাদ্দের হিসাব দেওয়া হয়। আগামী অর্থবছরের জন্য তিন ভাগে এ হিসাব দেওয়া আছে ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ হিসাব মোট ৮৫ হাজার ৬৫১ কোটি টাকা। সেই হিসাবে বাড়ল ৪ হাজার ১৮৫ কোটি টাকা।

    এদিকে বিবরণী-৪–এ আছে ‘পরিচালন ব্যয়ের অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ’। এতেও একইভাবে হিসাব দেওয়া আছে তিন ভাগে। এ বিবরণী অনুযায়ী আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য বেতন-ভাতা বাবদ বরাদ্দ দেখানো আছে আরেকটু কম অর্থাৎ ৮৯ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা। এ বিবরণীতে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এর মোট পরিমাণ ৮৪ হাজার ৭৩৯ কোটি টাকা।

    তাহলে অর্থমন্ত্রী যে আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের ঘোষণা দিলেন, সেই টাকা তাহলে কোথায় বরাদ্দ দেখানো আছে? অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাজেট প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া গেছে। এটা আছে মূলত বাজেট সংক্ষিপ্ত-সারের বিবরণী ২ ক-এর মধ্যে। এ অংশে পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের সম্পদের ব্যবহার দেখানো আছে।

    সম্পদের ব্যবহার অংশে ‘জনপ্রশাসন-নিট’ বাবদ আগামী অর্থবছরের জন্য বরাদ্দ রাখা আছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা। অথচ চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ বরাদ্দ ৮৬ হাজার ৮৬২ কোটি টাকা। সে হিসাবে বরাদ্দ বাড়ল ৫৪ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা।

    অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, এই ৫৪ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা থেকে অন্তত ৪৪ হাজার কোটি টাকা থাকছে সরকারি কর্মচারী, এমপিওভুক্ত শিক্ষক এবং পেনশনধারী ব্যক্তিদের জন্য নতুন বেতনকাঠামোর আংশিক বাস্তবায়নে।