ছাদভিত্তিক

  • ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও গ্রিডে সরবরাহের তথ্য চায় সংসদীয় কমিটি

    ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও গ্রিডে সরবরাহের তথ্য চায় সংসদীয় কমিটি

    ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে কত বিদ্যুৎ যুক্ত হচ্ছে, তার বিস্তারিত তথ্য আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য সুপারিশ করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে কমিটির সদস্যদের উত্থাপিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর পরবর্তী বৈঠকে দিতে বলা হয়েছে।

    আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদীয় কমিটির প্রথম বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়। সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বৈঠকে জানানো হয়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বিদ্যুৎ বিভাগের ৪১টি চলমান উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে। এসব প্রকল্পে প্রকল্প সাহায্য ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকা, সরকারি অর্থায়ন (জিওবি) ৪ হাজার ৭১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩ হাজার ৩৮১ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

    বৈঠকে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ও প্রকৃত উৎপাদনের তথ্যও তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১২ হাজার ২২ মেগাওয়াট হলেও প্রকৃত উৎপাদন ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৬ হাজার ৯২৭ মেগাওয়াট, প্রকৃত উৎপাদন ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট। আর তরল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৬ হাজার ৪০৯ মেগাওয়াট হলেও প্রকৃত উৎপাদন ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াট।

    বৈঠকে আরও জানানো হয়, ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনকারী গ্রাহকেরা ২০৩০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা পাবেন।

    কমিটির সভাপতি মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও অংশগ্রহণ করেন সদস্য ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, রফিকুল ইসলাম হিলালী, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, মমতাজ আলো, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান এবং মো. আবুল হাসনাত।

    ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিমাণ আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করে কমিটি। এ ছাড়া কমিটির সদস্যদের উত্থাপিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরসহ লিখিত প্রতিবেদন পরবর্তী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়।

    বৈঠক শেষে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের উপস্থাপনায় জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের পেছনে অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও পরিকল্পনাহীনতার বিষয়টি স্বীকার করা হয়েছে। ক্যাপাসিটি চার্জের বিপুল ব্যয়ের কথাও উঠে এসেছে। তবে আগের তদন্ত কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়নি।

    তিনি বলেন, ক্যাপাসিটি চার্জ নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের পর একজন বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিটির সুপারিশ কী ছিল এবং তা বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা পরবর্তী বৈঠকে জানাতে বলা হয়েছে।

    সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের অগ্রগতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে কমিটি।

    নাজিবুর রহমান বলেন, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারের প্রণোদনা কর্মসূচির অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রণালয় সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেনি। কর্মকর্তারা প্রতিদিন দুই মেগাওয়াট করে সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার কথা জানালেও এর পক্ষে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। আগামী বৈঠকে এ বিষয়ে তথ্য দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী।

    জ্বালানির দাম নির্ধারণে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) প্রবিধান প্রণয়ন না হওয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন পাবনার সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান। তিনি বলেন, ২০০৩ সালের আইনের ৩৪ ধারায় গণশুনানির মাধ্যমে জ্বালানির দাম নির্ধারণ এবং এ জন্য প্রবিধান তৈরির বিধান রয়েছে। কিন্তু ২৩ বছরেও তা কার্যকর হয়নি।

    মন্ত্রণালয় থেকে প্রবিধানের খসড়া তৈরির কথা জানানো হলেও সেটি অনুমোদন না হওয়ার কারণ সম্পর্কে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি। এলপিজির দাম নির্ধারণ এবং সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে গণশুনানি হয়েছিল কি না, সে প্রশ্নও তুলেছে কমিটি।

    বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনাহীনতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে বলে মন্তব্য করেন নাজিবুর রহমান। তিনি বলেন, বৈশ্বিক সংকটকে ব্যবসায়িক সুযোগ হিসেবে ব্যবহারের প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। উচ্চমূল্যে স্পট মার্কেট থেকে জ্বালানি কেনার বিষয়েও জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

    দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা থাকলেও আগামী ছয় মাস, এক বছর বা দুই বছরের মধ্যে কোন কূপ থেকে গ্যাস পাওয়া সম্ভব, তার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই। নতুন রিগ কেনার পাশাপাশি সেগুলো পরিচালনার সক্ষমতা এবং সমুদ্রাঞ্চলে গ্যাস অনুসন্ধানের অগ্রগতিও নিশ্চিত করতে হবে।

    নাজিবুর রহমান বলেন, ‘দেশীয় কূপ খনন ও সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধানে অগ্রগতি নেই কেন, তার জবাব দিতে হবে। সংকট মোকাবিলায় সমন্বিত পরিকল্পনা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা প্রয়োজন।’

    বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও বিপুল ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, এ ধরনের ব্যয় বন্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা জানতে চেয়েছে কমিটি।

    এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জামায়াতের এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, একটি কোম্পানি দৈনিক ১ লাখ ৯০ হাজার ডলারে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তাব দিলেও শেষ পর্যন্ত দৈনিক ২ লাখ ৪২ হাজার ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। বিষয়টি তিনি আগেও সংসদে তুলেছিলেন।

    নাজিবুর রহমান বলেন, প্রথম বৈঠক হওয়ায় মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত নিয়ে প্রস্তুত ছিলেন না। পরবর্তী বৈঠকের আগে কমিটির সদস্যরা তাঁদের প্রশ্নগুলো মন্ত্রণালয়কে জানাবেন, যাতে কর্মকর্তারা যথাযথ প্রস্তুতি নিয়ে আসতে পারেন।

    তিনি বলেন, সংসদীয় কমিটির লক্ষ্য হলো মন্ত্রণালয়ের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং সংসদকে কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করা। কমিটিগুলো যেন শুধু আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না থেকে জনগণের পক্ষে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, সে জন্য মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে।’

    বিদ্যুৎ খাতে দেওয়া ২ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকার ক্যাপাসিটি চার্জের ফরেনসিক অডিট, ডিজেলের মজুত বৃদ্ধি এবং এলপিজির বাজারে সরকারের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। একই সঙ্গে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন এবং জ্বালানি খাতে আমদানি নির্ভরতা কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

    বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও বলেন, দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৯ হাজার মেগাওয়াট হলেও উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ১৪ হাজার ১২৫ মেগাওয়াট। অথচ এ পর্যন্ত ২ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হয়েছে। ২০১০ সালের বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইনের অধীনে এ ব্যয়ের ফরেনসিক অডিট হওয়া প্রয়োজন।

    তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রকৃত উৎপাদন সক্ষমতার ভিত্তিতে ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হবে। সক্ষমতার অতিরিক্ত ব্যয়, ভর্তুকি ও ওভারহোলিং চার্জ অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি করছে।’

    ডিজেলের মজুত মাত্র ৩১ দিনের উল্লেখ করে হাসনাত বলেন, গ্রামীণ কৃষি, যোগাযোগ ও অর্থনীতি ডিজেলের ওপর নির্ভরশীল। সরবরাহে বিপর্যয় ঘটলে গ্রামীণ অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই ডিজেলের মজুত কীভাবে বাড়ানো যায়, তা জানতে চেয়েছে কমিটি।

    এলপিজির বাজারে সরকারের নজরদারির অভাবের অভিযোগ করে তিনি বলেন, সরকার নির্ধারিত দাম প্রায় ১ হাজার ৮০০ টাকা হলেও বাজারে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকায়। তাঁর ভাষায়, ‘এলপিজির দাম ১ হাজার ৮০০ টাকা খাতায়-কলমে আছে, কিন্তু বাজারে ২ হাজার ৫০০ টাকা। কার্যত বাজারে সরকার অনুপস্থিত।’

    সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ দিনে যুক্ত হয়েছে মাত্র ৬০ মেগাওয়াট।

    তিনি বলেন, ‘লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ১২ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। এই হারে চললে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৭২০ মেগাওয়াট পাওয়া যাবে।’ এ জন্য সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের মাসিক অগ্রগতি এবং সৌর প্যানেল ও ইনভার্টার আমদানির জন্য খোলা ঋণপত্রের (এলসি) হিসাব চেয়েছে কমিটি।

    সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, ৫০ মেগাওয়াটের একটি ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে আনুমানিক ১৫০ কোটি টাকা খরচ হওয়ার কথা থাকলেও মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৫০ কোটি টাকার বেশি। পরবর্তী বৈঠকে প্রতিটি প্রকল্পের ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব দিতে বলা হয়েছে।

    জ্বালানি খাতে আমদানি নির্ভরতা কমানোর কথা বলা হলেও মহেশখালী ও পায়রায় নতুন এলএনজি ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা এ লক্ষ্যকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি। ২০৩০ সালের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা, সর্বোচ্চ চাহিদা, গ্যাস-কয়লা-সৌর ও পারমাণবিক বিদ্যুতের অনুপাত এবং অলস তেলভিত্তিক কেন্দ্র বন্ধের সময়সীমা জানতে চেয়েছে কমিটি।

    দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে গুরুত্ব দিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উৎস থেকে জ্বালানি আহরণ বাড়াতে হবে। অল্প সময়ে ৩২টি কূপ খননের বিষয়ে প্রচারিত তথ্যেরও ব্যাখ্যা চেয়েছেন তিনি। কোনগুলো অনুসন্ধান কূপ আর কোনগুলো উন্নয়ন কূপ, তা স্পষ্ট করার দাবি জানান তিনি।

    এ ছাড়া অতিরিক্ত ও ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, কোনো কোনো গ্রাহকের নামে ৩ কোটি থেকে ৭ কোটি টাকা পর্যন্ত বিল এসেছে। এসব অনিয়মের বিষয়েও কমিটিতে আলোচনা হয়েছে।

    সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা যথাযথ প্রস্তুতি নিয়ে আসেননি বলে অভিযোগ করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘সরকারের এই কমিটিগুলো যেন চা-সিঙ্গারা কমিটি না হয়, বরং কার্যকর কমিটি হয়।’

    জনগণের অর্থে গঠিত সংসদীয় কমিটিগুলোকে কার্যকর করা এবং মন্ত্রণালয়ের জবাবদিহি নিশ্চিত করার চেষ্টা করবেন জানিয়ে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতের সেবা ও ব্যবস্থাপনা আগামী দিনে সরকারের জনবান্ধব হওয়ার অন্যতম নির্ণায়ক হবে।