ছাত্র দল

  • ছাত্রদলের হামলার ঘটনায় অজ্ঞাত মামলা, সাংবাদিকদের ক্ষোভ

    ছাত্রদলের হামলার ঘটনায় অজ্ঞাত মামলা, সাংবাদিকদের ক্ষোভ

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে হল প্রশাসন। সোমবার (৫ অক্টোবর) মতিহার থানায় শহীদ জিয়াউর রহমান হলের উপ-রেজিস্ট্রার মনির হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

    তবে হামলার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা মামলা হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকেরা। এছাড়া বিকেল ৪টার মধ্যে তাদের গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম দিয়েছেন তারা।

    মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কবির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘একটি অজ্ঞাতনামা মামলা করা হয়েছে। আমরা মামলাটি নিয়েছি। এ বিষয়ে কাজ শুরু হয়েছে। আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

    রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. গাজিউর রহমান বলেন, ‘মতিহার থানায় একটি মামলা হয়েছে। রাবির শহীদ জিয়াউর রহমান হলের উপ-রেজিস্ট্রার মনির হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে উল্লেখ করে তিনি মামলাটি করেছেন। এর সঙ্গে যারা জড়িত, যদি প্রাথমিকভাবে এগুলো প্রমাণিত হয়, তাহলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

    তবে হামলার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা মামলা হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকেরা। এছাড়া বিকেল ৪টার মধ্যে তাদের গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম দিয়েছেন তারা। তাদের দাবি, হামলার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

    এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে রাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি আশিকুল ইসলাম ধ্রুব বলেন, ‘এখানে প্রত্যেকেই চিন্তিত। হামলার সব ফুটেজ আমাদের কাছে রয়েছে, সারা দেশের মানুষও তা দেখেছে। কারা এ ঘটনায় জড়িত, তা আয়নার মতো পরিষ্কার। ইতোমধ্যে তাদের নাম, পদবি ও পরিচয়সহ সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তাই অজ্ঞাতনামা মামলা করার কোনো প্রশ্নই আসে না। আমাদের দাবি, হামলায় জড়িত প্রত্যেকের নাম উল্লেখ করে মামলা করতে হবে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে।’

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি ইরফান তামিম বলেন, ‘হামলার ঘটনায় কারা জড়িত, সেটা নিয়ে কোনো অস্পষ্টতা নেই। ঘটনার ভিডিও ফুটেজ রয়েছে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে জড়িতদের নাম-পদবি-পরিচয়ও প্রকাশিত হয়েছে। এর পরও অজ্ঞাতনামা মামলা করা অত্যন্ত হতাশাজনক। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাদের নাম উল্লেখ করে মামলা করতে হবে এবং দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।’

    উল্লেখ্য, রোববার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে চার সাংবাদিক গুরুতর আহতসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।

  • গ্রেফতার ছাত্রলীগ নেতার মুক্তির জন্য ছাত্রদল নেতার তদবির

    গ্রেফতার ছাত্রলীগ নেতার মুক্তির জন্য ছাত্রদল নেতার তদবির

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের উপজেলা সভাপতি পদপ্রার্থী হামিদুর রহমান তায়েফ সরকারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    সোমবার (২২ জুন) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে উপজেলার কনিকাড়া ব্রিজসংলগ্ন পৌর মেয়র মার্কেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এদিকে, গ্রেফতারের পর তার মুক্তির জন্য ছাত্রদলের পক্ষ থেকে তদবির বা সুপারিশ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    গ্রেফতার তায়েফ নবীনগর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কলেজপাড়া এলাকার কাতারপ্রবাসী তোফায়েল সরকারের ছেলে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তায়েফ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পোস্টার ও ব্যানার বিভিন্ন স্থানে লাগানোর একটি ভিডিও ভাইরাল হলে তিনি এলাকায় আলোচনায় আসেন।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, গ্রেফতারের পর তায়েফকে থানা হাজত থেকে মুক্ত করার জন্য উপজেলা ছাত্রদলের একটি অংশ তদবির চালিয়েছে। তবে এ বিষয়ে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম বলেন, মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।তবে কোন মামলায় তায়েফকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি তিনি।