চিত্রনায়িকা

  • নতুন রূপে অপু বিশ্বাস

    নতুন রূপে অপু বিশ্বাস

    ঢালিউড অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস তার নতুন সিনেমা ‘শিকার’-এর শুটিংয়ের কাজে বেশ কিছু দিন ধরে নেপালে ছিলেন। কাজের ফাঁকে ঘুরেছেন বেশ কয়েকটি দর্শনীয় স্থানেও। সেসব স্থানের তোলা ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনসহ ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে নানা মুহূর্ত শেয়ার করে নেন তিনি।

    মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) মধ্যরাতে অভিনেত্রী লাল রঙের একটি পোশাকে একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। সেখানে দেখা যায়, পাঁচটি ছবি প্রকাশ করেছেন অপু বিশ্বাস। রূপের পাশাপাশি তার পোশাকেও নান্দনিকতার ছাপ।

    এদিন নিজেকে ধরা দেন অভিনেত্রী। সেই রাতে হাস্যোজ্জ্বল ও ভিন্ন পোজে ক্যামেরাবন্দি হতে দেখা যায় অপু বিশ্বাসকে। রাতের আবহের সেই ছবিগুলো পোস্টের পর ক্যাপশনে অপু বিশ্বাস লিখেছেন— ‘শান্ত রাত, সুন্দর স্বপ্ন। শুভরাত্রি!’। অর্থাৎ তার এ নৈশবার্তায় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নির্মল প্রশান্তি ও সুন্দর স্বপ্নের শুভকামনা জানান এই ঢালিউড কুইন।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই পোস্টটি শেয়ার করার পরপরই তা নেটিজেনসহ শুভাকাঙ্ক্ষীদের নজর কাড়ে। লাইক, কমেন্ট ও শেয়ারের বন্যায় ভেসে যান অপু। তবে অপুর এ রহস্যময় পোস্টে মন্তব্যের ঘরে ভক্তদের ভালোবাসা ও প্রশংসার পাশাপাশি দেখা যায় নানা রসাত্মক ও কটাক্ষপূর্ণ মন্তব্যও, যা অপ্রত্যাশিত বলেও মনে করেন অভিনেত্রী।

  • শাবনূরের সঙ্গে বিয়ের দাবি যুবকের! নায়িকা বললেন ‘স্বপ্নের বাসর’ হয়েছিল

    শাবনূরের সঙ্গে বিয়ের দাবি যুবকের! নায়িকা বললেন ‘স্বপ্নের বাসর’ হয়েছিল

    কিছুদিন আগের এক সাক্ষাৎকার ঘিরে এবার চটলেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। কারণ, সেই সাক্ষাৎকারে রিজভী আহমেদ নামের একজন দাবি করেন তিনি শাবনূরকে ভালোবাসতেন, এমনকি তাঁদের বিয়েও হয়েছিল। শাবনূরের মতে, প্রেম–বিয়ে নিয়ে এসব তথ্য বানোয়াট। এমনকি মজা করে শাবনূর লিখেছেন, ‘তার এসব কথা শুনে মনে হচ্ছে, আমার সঙ্গে তার বাস্তবে কোনো বিয়ে নয়, হয়তো শুধু “স্বপ্নের বাসরই” হয়েছিল।’ ঘটনা কী, কেন চটেছেন শাবনূর?

    শাবনূর তাঁর অফিশিয়াল ফেসবুক আইডিতে তাঁর সঙ্গে প্রেমের অভিযোগ প্রসঙ্গে লিখেছেন, ‘অতি সম্প্রতি আরজে নীরবকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিজভী আহমেদ বলেছে, আমার প্রতি তার ভালোবাসার কথা সে নাকি কোনো দিন প্রকাশ করতে পারেনি। তবে মনে মনে নাকি আমাকে এতটাই ভালোবাসত যে আমাকে বিয়ে পর্যন্ত করতে চেয়েছিল এবং এখনো চায়! কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, প্রায় একই সময়ে “সময় টিভি”কে দেওয়া আরেকটি সাক্ষাৎকারে সে আবার দাবি করেছে, আমি নাকি তার এক্স গার্লফ্রেন্ড ছিলাম।’

    তবে ঘটনা শুধু এখানেই থেমে থাকেনি। এসব ঘটনায় বেশ হতভম্ব হয়েছেন এই নায়িকা। কারণ, সেই সাক্ষাৎকারে দাবি করা হয়েছে, রিজভীর সঙ্গে শাবনূরের বিয়ে হয়েছে। এ নিয়ে এই নায়িকা লিখেছেন, ‘সে আরও দাবি করেছে যে ২০১৬ সালে আমার সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল এবং ২০১৮ সালে আমাদের ডিভোর্স হয়েছে!’

    এ তথ্য কোনোভাবেই সত্য নয় উল্লেখ করেন এই নায়িকা। এ নিয়ে সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমার প্রশ্ন হলো, সে তো ১৯৯৯ সাল থেকেই প্রায় ২৬-২৭ বছর ধরে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছে। তার দাবি অনুযায়ী, ওই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশেই আসেনি। অন্যদিকে আমি ২০১৬ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে কখনোই যুক্তরাজ্যে যাইনি। তাহলে আমার সঙ্গে তার বিয়েটা কোথায় হলো? কীভাবে হলো? এর প্রমাণই–বা কী? আরও মজার বিষয়, সে যে সময়ের কথা বলছে, তার অনেক আগে থেকেই আমি বিবাহিত ছিলাম। তার সঙ্গে সম্পর্ক তো দূরের কথা, তাকে আমি কখনো দেখেছি বলেও মনে পড়ে না, আমি তাকে চিনিই না। তার এসব কথা শুনে মনে হচ্ছে, আমার সঙ্গে তার বাস্তবে কোনো বিয়ে নয়, হয়তো শুধু “স্বপ্নের বাসর”-ই হয়েছিল!’

    এই অভিনেত্রীর ফেসবুক পোস্টে ভক্তরা মন্তব্য করে জানিয়েছেন, তাঁর পাশে রয়েছেন। কেউ কেউ লিখেছেন, ‘সত্যটা তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ।’ কেউ লিখছেন, ‘সত্য চাপা থাকে না।’ তবে শাবনূরকে ঘিরে অভিযোগ শুধু প্রেম–বিয়েতেই থেমে থাকেনি। সালমান শাহকে ব্ল্যাকমেলের মতো প্রসঙ্গও রয়েছে।

    এ নিয়ে শাবনূর লিখেছেন, ‘রিজভী আহমেদ প্রবল বিদ্বেষের সঙ্গে দাবি করেছে যে আমি নাকি সালমান শাহকে ব্ল্যাকমেল করতাম এবং তাঁর আত্মহত্যার জন্য আমাকে দায়ী করেছে। অথচ রিজভীর নাম আমি প্রথম শুনেছি সালমান শাহর মৃত্যুর পর, যখন সে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার ঘটনায় রাজসাক্ষী হয়েছিল। তাহলে প্রশ্ন হলো, সে কীভাবে এবং কোন ভিত্তিতে দাবি করছে যে আমি সালমান শাহকে ব্ল্যাকমেল করতাম?’
    শাবনূর আরও লিখেছেন, ‘রিজভী দাবি করছে, আমি নাকি কূটনামি করতাম বা সালমান ও তাঁর স্ত্রীর একের কথা অন্যের কানে লাগাতাম। এমন ভিত্তিহীন গুজব আরও কিছু অসৎ ব্যক্তি ছড়িয়েছে বলে শুনেছি। এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ ধরনের আচরণ কখনোই আমার স্বভাবের মধ্যে ছিল না। আমার পরিবারও আমাকে এমন শিক্ষা দেয়নি। আর এসব করার সময়ও আমার ছিল না। চলচ্চিত্র অঙ্গনের কেউই কোনো দিন বলতে পারবেন না যে আমি কারও সঙ্গে এমন কূটনামি করেছি।’

    শাবনূর লিখেছেন, ‘সালমান শাহর মৃত্যুকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে যে ব্যক্তি রাজসাক্ষী হয়েছিল, তার নাম এই রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ। এই ব্যক্তি অন্য একটি মামলায়, সালমান শাহর ছোট ভাই শাহরান চৌধুরীকে (বিল্টু) অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সালমান শাহ হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে রাজসাক্ষী হয়েছিল। ওই জবানবন্দিতে সে দাবি করে যে ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ১২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে সালমান শাহকে হত্যার পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নে আরও কয়েকজনের সঙ্গে সে জড়িত ছিল। তখন সে প্রায় ৯ মাস কারাগারে বন্দী ছিল। তার নিজের ভাষ্যমতে, কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হওয়ার কিছুদিন পরই সে যুক্তরাজ্যে দেশান্তরিত হয়।’

    শাবনূর আরও লিখেছেন, ‘আশ্চর্যের বিষয়, সালমানের মৃত্যুর দীর্ঘ ২৯ বছর পর অল্প কিছুদিন আগে দুটি পৃথক সাক্ষাৎকারে সে দাবি করেছে, সালমান শাহর মৃত্যু হত্যা নয়, বরং আত্মহত্যা। শুধু তা–ই নয়, সে ওই আত্মহত্যার জন্য সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীকে দায়ী করেছে। পাশাপাশি সে প্রথমবারের মতো আমার বিরুদ্ধেও মিথ্যা অভিযোগ তোলে।’

  • মিমের ছবি দেখে প্রশংসায় ভাসালেন ভক্তরা

    মিমের ছবি দেখে প্রশংসায় ভাসালেন ভক্তরা

    জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ও মডেল বিদ্যা সিনহা মিম। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সরব তিনি। ফেসবুকে প্রায়শই নানা মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করে ভক্ত-অনুরাগীদের প্রশংসা কুড়াতে দেখা যায় ‘মালিক’ সিনেমার এই অভিনেত্রীকে।

    গেল শুক্রবার (১৭ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গোলাপি রঙের পোশাকে একগুচ্ছ ছবি আবারও অনুরাগীদের কাছে ধরা দেন জনপ্রিয় এই নায়িকা। ওই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে নেটিজেনরাও তাকে প্রশংসার সাগরে ভাসান। এসব ছবি দেখতে দেখতে ভক্তদের মন্তব্য ও অভিনেত্রী সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক—

    নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একগুচ্ছ ছবি সম্বলিত পোস্টের ক্যাপশনে ভালোবাসার ইমোজি দিয়ে মিম লিখেছেন, ‘গোলাপি রঙে রাঙা আমি, ভালোবাসায় ভরা মন।’ তবে ছবিগুলো কোনো ওয়েব সিরিজ নাকি সিনেমার দৃশ্যের, সে ব্যাপারে তিনি কিছুই জানাননি। ছবি: অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

    পোস্টটির মন্তব্যের ঘরে অনুরাগীরা অভিনেত্রীর সৌন্দর্যেরে প্রশংসায় পঞ্চমুখ। নানা বিশেষণে তারা প্রিয় অভিনেত্রীকে বর্ণনা করছেন। এই যেমন, সজীব নামের একজন লিখেছেন, ‘আমাদেরও একজন মিম আছেন, যিনি বলিউড–হলিউড, তামিল নায়িকাদের হার মানায়।’ ছবি: অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

    রিশা মনি নামের আরেক নেটিজেনের মন্তব্য, ‘সেরার যদি সেরা সুন্দরী নায়িকা যদি বর্তমানে বাংলাদেশে থাকে সেটা হচ্ছে মীম।’ ছবি: অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

    আরেক ব্যবহারকারীর মন্তব্য যেন বাকি সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে। প্রিয় তারকাকে নিয়ে একজন লিখেছেন, ‘বিদ্যা সিনহা সাহা মিম সৌন্দর্য, আভিজাত্য, প্রতিভা এবং এক মুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের অপূর্ব সমন্বয়ে আপনি সত্যিই এমন এক তারকা, যিনি বিশ্বের প্রতিটি কোণ আলোকিত করে তোলেন।’ ছবি: অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

    এদিকে, নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী শমী কায়সার প্রযোজিত একটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন মিম। সরকারি অনুদানে তৈরি সেই ছবির শুটিং ২০২৩ সালে শেষ হলেও মুক্তির কোনো খবর নেই। ছবির নাম ‘দিগন্তে ফুলের আগুন’।

    সর্বশেষ গেল ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় মিম অভিনীত চলচ্চিত্র ‘মালিক’। এতে তিনি অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভর বিপরীতে। যদিও দীর্ঘদিন পর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া ছবিটি আশানুরূপ সাড়া ফেলতে পারেনি। ছবি: অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

    ‘মালিক’ মুক্তির পর জুনে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে মুক্তি পেয়েছে ওয়েব ফিল্ম ‘লাইফলাইন’। কাজী আসাদ পরিচালিত এ ছবিতে অভিনয় করে বেশ আলোড়ন তোলেন এই অভিনেত্রী। ছবি: অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

  • প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চাইলেন চিত্রনায়িকা

    প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চাইলেন চিত্রনায়িকা

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে নির্বাচন করে পরাজিত হয়েছেন চিত্রনায়িকা পলি। অভিযোগ তোলেন নির্বাচনে তাকে হারানোর জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হয়েছে এবং পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অর্থের প্রভাব ছিল স্পষ্ট।

    গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত শিল্পী সমিতির নির্বাচনে শিবা শানু-জয় চৌধুরী প্যানেল থেকে আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন পলি। এ পদে বিজয়ী হয়েছেন পারভেজ চৌধুরী আবির। তিনি পেয়েছেন ২৭২ ভোট, আর পলি পেয়েছেন ১৪৪ ভোট।

    নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর গুলশানে নিজ বাসায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পলি বলেন, ‘আমাকে হারানোর জন্য লাখ লাখ টাকা খরচ করা হয়েছে। আমি শুরু থেকেই বলে আসছি, প্রকৃত শিল্পীরা কখনো টাকা ছিটিয়ে নির্বাচন করেন না। এবারের নির্বাচনে প্রকৃত শিল্পীরাই হেরেছেন। রোজিনা আপা, নূতন আপা, রিনা খান আপা, মুক্তির মতো প্রকৃত শিল্পীরা পরাজিত হয়েছেন। তাদের সঙ্গে আমিও রয়েছি।’

    নির্বাচনে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তুলে তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পলির ভাষ্য, ‘যারা টাকা দিয়েছে এবং যারা টাকা নিয়েছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হোক। আমি ঢাকা-১৭ আসনের একজন ভোটার। দেশের জনগণের ভোটেই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন, সেখানে আমারও একটি ভোট রয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আমি এই ঘটনার বিচার চাই।’

    নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রসসঙ্গে পলি জানান, এবারের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার কোনো পরিকল্পনা ছিল না তার। তবে শিবা শানু-জয় চৌধুরী প্যানেলের প্রার্থী সনি রহমানের অনুরোধে তিনি নির্বাচনে অংশ নেন।

    বলেন, ‘আমাকে প্যানেলে নেওয়ার পর থেকেই নানা ধরনের নাটক শুরু হয়। শুরুতে একজন নায়িকাকে প্যানেলে নেওয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়, পরে শুরু হয় চাঁদাবাজি। নির্বাচনী খরচের কথা বলে আমার কাছে সহযোগিতা চাওয়া হয়। আমি প্রথমে তিন লাখ টাকা দিই। পরে শিল্পীদের বিভিন্ন সহযোগিতার জন্য আরও দুই লাখ টাকা খরচ করি। এটি ভোট কেনার জন্য নয়, বিভিন্ন হেল্পারের খরচ হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। নায়িকা জলি নিজেও আমাকে জানিয়েছে, সেও টাকা এনে দিয়েছে।’

    সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলে পলি বলেন, ‘যে দেশে ১৫ বছর পর একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে, সেখানে শিল্পী সমিতিতে কেন সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না? যারা নির্বাচনে টাকা ছিটিয়ে নোংরামি করেছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। প্রয়োজন হলে রিমান্ডে নিয়ে তদন্ত করা হোক, যাতে প্রকৃত সত্য সবার সামনে আসে।’

    সবশেষে নায়িকা বলেন, ‘এখন শিল্পী সমিতির ওই চেয়ার নিয়ে আমার কোনো আগ্রহ নেই। আমি শুধু চাই সত্যটা প্রকাশ হোক। তা না হলে প্রকৃত শিল্পীরা ফাইটার ও নাচের শিল্পীদের কাছে জিম্মি হয়ে থাকবে। ভবিষ্যতে প্রকৃত শিল্পীরা আর শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী হবেন না।’