গোল্ডেন বুট

  • গোল্ডেন বুট ও বলের লড়াইয়ে এগিয়ে মেসি

    গোল্ডেন বুট ও বলের লড়াইয়ে এগিয়ে মেসি

    বয়স তার ৩৯। কিন্তু মাঠে লিওনেল মেসি যা করছেন, তাতে বয়সটাকে মনে হচ্ছে শুধুই সংখ্যা! এই আসরে যেন আরও বেশি জয়ের ক্ষুধা নিয়ে নেমেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে রোমাঞ্চকর এক সেমিফাইনালে মেসির জোড়া অ্যাসিস্টেই ফিরে আসার রূপকথার গল্প রচনা করেছে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের ৭ ম্যাচ শেষে গোল্ডেন বল ও বুটের লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন মেসিই।

    মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে, এখন পর্যন্ত দুজনেরই গোল ৮টি করে। দুজনেই আরও একটি করে ম্যাচ খেলবেন এই আসরে।

    বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার গোল্ডেন বুট জয়ের লড়াইয়ে এখন এগিয়ে মেসিই। কারণ, গোল সমান হলে অ্যাসিস্ট সংখ্যা হিসাব করা হয়। মেসি সেখানে এমবাপ্পের চেয়ে এক অ্যাসিস্টে এগিয়ে আছেন।

    এখন পর্যন্ত মেসির অ্যাসিস্ট ৪ টি, এমবাপ্পের ৩টি। গোল্ডেন বুটের মূল লড়াইটা হবে এই দুইজনের মধ্যেই। এছাড়াও এই দৌড়ে আছেন ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহাম ও হ্যারি কেইন। দুজনের গোলসংখ্যা ৬টি, অ্যাসিস্ট একটি। উসমান দেম্বেলের গোল ৫টি, অ্যাসিস্ট ২টি। স্পেনের মিকেল ওয়ারসাবালের গোল ৫টি, অ্যাসিস্ট ১টি। তারা সবাই খেলবেন আরও একটি ম্যাচ।

    গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে মেসির প্রতিদ্বন্দ্বী থাকলেও সেরা ফুটবলার বা গোল্ডেন বলের লড়াইয়ে মেসিই সবচেয়ে এগিয়ে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হলে তো বটেই, রানার্সআপ হলেও টুর্নামেন্টে অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সের কারণে রেকর্ড তৃতীয়বারের মতো টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার উঠতে পারে তার হাতেই। এর আগে ২০১৪ ও ২০২২ বিশ্বকাপে সেরা ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছিলেন মেসি।

  • গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সমানে মেসি-এমবাপ্পে-হালান্ড,

    গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সমানে মেসি-এমবাপ্পে-হালান্ড,

    ক্রীড়া ডেস্ক:

    ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ যত শেষের দিকে এগোচ্ছে, ততই জমে উঠছে গোল্ডেন বুটের লড়াই। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় বর্তমানে যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি, ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং নরওয়ের আর্লিং হালান্ড। তিনজনেরই গোলসংখ্যা ৭।

    মেসি এবারের বিশ্বকাপে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেন। এছাড়া অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে দুটি, জর্ডানের বিপক্ষে একটি এবং শেষ ষোলোর ম্যাচে কেপ ভার্দের বিপক্ষে একটি গোল করে নিজের গোলসংখ্যা সাতে উন্নীত করেন।

    অন্যদিকে এমবাপ্পে সেনেগালের বিপক্ষে দুটি গোল করেন। এছাড়া ইরাক, নরওয়ে ও প্যারাগুয়ের বিপক্ষে একটি করে এবং সুইডেনের বিপক্ষে জোড়া গোল করে তিনিও সাত গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন।

    নরওয়ের তারকা আর্লিং হালান্ড ইরাকের বিপক্ষে দুটি, সেনেগাল, ফ্রান্স ও জাপানের বিপক্ষে একটি করে এবং শেষ ষোলোর ম্যাচে ব্রাজিলের বিপক্ষে জোড়া গোল করে গোলসংখ্যা সাতে নিয়ে যান।

    গোলসংখ্যা সমান হলেও ফিফার টাইব্রেকিং নিয়ম অনুযায়ী আপাতত এগিয়ে রয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। কারণ গোল সমান হলে প্রথমে বিবেচনায় নেওয়া হয় অ্যাসিস্ট। এমবাপ্পের ঝুলিতে রয়েছে দুটি অ্যাসিস্ট, যেখানে মেসি ও হালান্ড এখনো কোনো অ্যাসিস্ট করতে পারেননি।

    ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, গোল ও অ্যাসিস্ট—দুটিই সমান হলে কম সময় মাঠে থেকে বেশি গোল করা ফুটবলারকে এগিয়ে রাখা হবে।

    এদিকে গোল্ডেন বুটের দৌড় থেকে এখনো ছিটকে যাননি ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইনও। তার গোলসংখ্যা ৬। কোয়ার্টার ফাইনালসহ সামনে আরও ম্যাচ থাকায় একটি গোল করলেই তিনি আবারও শীর্ষ লড়াইয়ে যোগ দিতে পারবেন।

    বিশ্বকাপের শেষ পর্যায়ে এসে গোল্ডেন বুটের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। একদিকে শেষ বিশ্বকাপে খেলতে নামা মেসির সম্ভাব্য রূপকথা, অন্যদিকে টানা দ্বিতীয় গোল্ডেন বুট জয়ের লক্ষ্যে এমবাপ্পে এবং প্রথম বিশ্বকাপেই ইতিহাস গড়ার স্বপ্নে হালান্ড। শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার কার হাতে উঠবে, তা নির্ধারণ হবে নকআউট পর্বের বাকি ম্যাচগুলোতে।