ট্যাগ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

  • প্রতিটি ইউনিয়নে স্থায়ী খেলার মাঠ হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

    প্রতিটি ইউনিয়নে স্থায়ী খেলার মাঠ হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

    খেলাধুলাকে দেশের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দিতে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে স্থায়ী খেলার মাঠ তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। একই সঙ্গে উপজেলা পর্যায়ে চলমান মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ দ্রুত শেষ করা হবে বলেও জানান তিনি।

    শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকালে শরীয়তপুরের সখিপুরের হাবিবউল্লা কলেজ মাঠে শরীয়তউল্লাহ হাবিব স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ‘হাবিবউল্লা চোকদার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’-এর ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গড়ে উঠবে। দেশের তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রতিটি ইউনিয়নে স্থায়ী খেলার মাঠ তৈরির পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ দ্রুত শেষ করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গড়ে উঠবে। এর মাধ্যমে আমরা বিশ্বাস করতে চাই, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সমৃদ্ধশালী ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।

    অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শফিকুর রহমান কিরণ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাইদ আহমেদ আসলাম, শরীয়তপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সরদার একেএম নাসির উদ্দিন কালু, পুলিশ সুপার রওনক জাহান ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু বকর সিদ্দিক।

    ফাইনাল খেলাকে ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। বিপুলসংখ্যক দর্শক মাঠে উপস্থিত হয়ে খেলাটি উপভোগ করেন।

  • লাখ টাকা ভাতা নিয়ে ‘খেপ’ খেলা যাবে না

    লাখ টাকা ভাতা নিয়ে ‘খেপ’ খেলা যাবে না

    জাতীয় দলের ফুটবলার হিসেবে সরকারের কাছ থেকে নিয়মিত ক্রীড়া ভাতা পাচ্ছেন খেলোয়াড়রা। দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার পাশাপাশি ক্লাব ফুটবলেও তারা পেশাদার চুক্তির অধীন।

    এরপরও অনেকে স্থানীয় পর্যায়ের ‘খেপ’ ম্যাচ খেলতে যান। আর এ নিয়েই এবার প্রশ্ন উঠেছে খেলোয়াড়দের পেশাদার আচরণ ও দায়িত্ববোধ নিয়ে।

    সম্প্রতি জাতীয় দলের কয়েকজন ফুটবলারের বিভিন্ন এলাকার খেপ ম্যাচে অংশ নেওয়ার বিষয়টি এরই মধ্যে আলোচনায় এসেছে। টাঙ্গাইল ও ঝিনাইদহে গিয়ে এমন ম্যাচে জাতীয় দলের বর্তমান খেলোয়াড়দের দেখেছেন বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

    গতকাল রাতে কালশীতে সাংবাদিকদের একটি ফুটবল ম্যাচ দেখতে গিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন সাবেক এই তারকা ফুটবলার।

    যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমার প্রশ্নটা হচ্ছে সেই প্লেয়ারদের কাছে এবং আমি বাফুফের কাছেও প্রশ্নটা রাখব, যেখানে আমরা খেলোয়াড়দেরকে পেশাগত স্বীকৃতি বাবদ ক্রীড়াভাতা প্রদান করছি, সরকার তাদের মাসিক ভাতা দিচ্ছে, তো সেই ক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের খেপ খেলতে যাওয়াটা কতটুকু সমীচীন হয়েছে এবং দেশের প্রতি যে একটু আগে বলছিলাম যে কমিটমেন্টের অভাব, যে তার নিজের প্রতি যে কমিটমেন্টের অভাব সেটার কিন্তু বহিঃপ্রকাশ ইতিমধ্যে পেয়েছি।’

    প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি ব্যস্ততার কারণে এখন পর্যন্ত আমাদের বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতির সাথে কথা বলতে পারিনি, তবে আমি দ্রুতই তার সাথে হয়তোবা দু–এক দিনের ভেতরে কথা বলব যে যেই খেলোয়াড়েরা বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে খেপ খেলেছে, সেই বিষয় নজরে এনে তাদেরকে সতর্ক করা, আমরা প্রথম অবস্থায় সতর্ক করতে চাই, তারপর আমরা হয়তোবা ব্যবস্থা নেওয়ার চিন্তা করব।’