ক্রীড়া

  • দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ের মাঝে মিরাজের দাপুটে সেঞ্চুরি

    দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ের মাঝে মিরাজের দাপুটে সেঞ্চুরি

    দুশ্চিন্তা ছিল অস্ট্রেলিয়ার পেসারদের নিয়ে। কিন্তু স্বাগতিকরা দাপট দেখালেন স্পিনে। অস্ট্রেলিয়া একাদশের হয়ে অফ-স্পিনার কোরি রকিচিওলি একাই ৬ উইকেট শিকার করে বাংলাদেশকে ধসিয়ে দেন। প্রথম দিনে ৭ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন ব্যাটিং বিপর্যয়ে ধুঁকছিল, তখন ব্যাট হাতে দ্যুতি ছড়ান মেহেদী হাসান মিরাজ। হাঁকান দারুণ এক সেঞ্চুরি। ১৪১ বলে ১১ ছক্কা ও ৪ চারের ওপর ভর করে ১০৯ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে অপরাজিত থেকে যান। তাতে অতিথিরা পেয়েছে সম্মানজনক স্কোর। মিরাজের সেঞ্চুরির ওপর ভর করে প্রথম ইনিংসে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৬৩ রানের পুঁজি গড়েছে বাংলাদেশ।

    অস্ট্রেলিয়া সফরের শুরুতে তিন দিনের একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশ দুর্দান্ত বোলিং করে। আক্রমণের মুখে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা পড়ে যায় ব্যাটিং বিপর্যয়ে। প্রথম দিনের চা বিরতি পর্যন্ত ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭৫ রান তুলে চাপে পড়ে গিয়েছিল সফরকারীরা।

    তার আগে ডারউইনের মারারা ওভালে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে শুরুতেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ। দলীয় মাত্র ৭ রানে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমকে সাজঘরে ফেরান হান্নো জ্যাকবস। ওপেনার তানজিদ বিদায় শূন্য রানে। এরপর সাদমান ইসলাম এবং মুমিনুল হক চাপ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও রানের গতি ছিল বেশ মন্থর।

    অধিনায়ক শান্ত ৫৩ বলে ৭টি বাউন্ডারির সাহায্যে ইনিংসের সর্বোচ্চ ৩৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন। সাদমান করেন ৪৭ বলে ৩১ রান। অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুমিনুল হক (১৬) ও টেস্টে অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা অমিত হাসান (১৫) উইকেটে থিতু হলেও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। মিডল অর্ডারে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন মুশফিকুর রহিম। লাঞ্চের আগেই চার উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। যথারীতি শুরুর ছয় ব্যাটসম্যান প্রথম ইনিংসে ব্যর্থ হন এই প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম দিন।

    অস্ট্রেলিয়ার হয়ে কোরি রকিচিওলি ২৪ ওভারে ৮৩ রান দিয়ে ৬টি উইকেট নেন। এছাড়া হান্নো জ্যাকবস, জাভিয়ার ক্রোন, ক্যাম্পবেল থম্পসন ও জারসিস ওয়াদিয়া ১টি করে উইকেট লাভ করেন।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর

    বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ২৬৩/১০, ৭৫.৫ ওভার

    (মিরাজ ১০৯*, শান্ত ৩৭, সাদমান ৩১, মুমিনুল ১৬, সৌম্য ১৬; রকিচিওলি ৬/৮৩, জ্যাকবস ১/২৮, ক্যাম্পবেল ১/২৬ ক্রোন ১/৪৮ ও ওয়াদিয়া ১/২৬)।

  • কূটনৈতিক চাপের মধ্যেই বিশ্বকাপের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু ইরানের

    কূটনৈতিক চাপের মধ্যেই বিশ্বকাপের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু ইরানের

    ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ আসরের পর্দা উঠছে ১১ জুন, যেখানে প্রথমবারের মতো ৪৮ দল অংশ নেবে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই আসরকে সামনে রেখে চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান জাতীয় ফুটবল দল।

    তবে এবারের বিশ্বকাপ অভিযানে মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে কূটনৈতিক উত্তেজনা এবং লজিস্টিক নিরাপত্তা ইস্যু।

    ১৩ মে (বুধবার) তেহরানের ঐতিহাসিক এঙ্গেলাব স্কোয়ারে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে জাতীয় দলকে বিদায় জানানো হয়। হাজারো সমর্থকের উপস্থিতিতে দলের নতুন জার্সি এবং একটি থিম সং উন্মোচন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে খেলোয়াড় ও সমর্থকদের মধ্যে মিশ্র আবেগ দেখা যায়। কেউ কেউ এই সফরকে শুধুই ফুটবল হিসেবে দেখলেও, অনেকের কাছে যুক্তরাষ্ট্রে ইরানের অংশগ্রহণকেই এক ধরনের প্রতীকী সাফল্য হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

    রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরএনএ জানায়, বিশ্বকাপের মূল পর্বের আগে কন্ডিশনিং ক্যাম্প করতে ইরান দল আগামী ১৮ মে তুরস্কের আনতালিয়ার উদ্দেশে রওনা দেবে। সেখানে তারা দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে, যার মধ্যে ২৯ মে গাম্বিয়ার বিপক্ষে একটি ম্যাচ চূড়ান্ত হয়েছে। এছাড়া টুর্নামেন্ট শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রেও একটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

    কূটনৈতিক জটিলতার কারণে ইরান ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তারা ভিসা ও যাতায়াত সংক্রান্ত সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন বলেও জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে ফিফা দুঃখ প্রকাশ করে আলাদা বৈঠকের আশ্বাস দিয়েছে।

    ফেডারেশন প্রধান মেহদি তাজ জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের কোনো রাজনৈতিক বিরোধ নেই এবং ইরান বিশ্বকাপে যাচ্ছে যোগ্যতা অর্জনের ভিত্তিতে। তিনি আরও বলেন, ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতে ও চার্টার্ড ফ্লাইটের ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা চলছে।

    আসন্ন বিশ্বকাপে ইরানকে গ্রুপ ‘জি’-তে বেলজিয়াম, মিশর ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে দেখা যাবে।

    তাদের প্রথম ম্যাচ ১৬ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে, এরপর ২১ জুন বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে দলটি। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ ২৬ জুন সিয়াটলে মিশরের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত হবে।

    বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক চাপ ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি খেলোয়াড়দের ওপর বাড়তি মানসিক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে অতীত অভিজ্ঞতা বলছে, এমন প্রতিকূলতা অনেক সময় ইরান দলের মধ্যে আরও ঐক্যবদ্ধ ও লড়াকু মনোভাব গড়ে তুলবে।

  • ‘হিলাল-ই-ইমতিয়াজ’ সম্মানে ভূষিত শহীদ আফ্রিদি

    ‘হিলাল-ই-ইমতিয়াজ’ সম্মানে ভূষিত শহীদ আফ্রিদি

    পাকিস্তানের ক্রিকেট কিংবদন্তি ও সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘হিলাল-ই-ইমতিয়াজ’-এ ভূষিত হয়েছেন। ক্রীড়াক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

    পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ভবনে (আইওয়ান-এ-সদর) আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি আফ্রিদির হাতে এ পদক তুলে দেন।

    ২০০৯ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে পাকিস্তানের ঐতিহাসিক সাফল্যে আফ্রিদির অসামান্য ভূমিকার কথা এ সম্মাননায় বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেট এবং ‘ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডস’-এ তার নেতৃত্বের অবদানের স্বীকৃতিও দেওয়া হয়েছে এ পদকের মাধ্যমে।

    সম্মাননা গ্রহণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন আফ্রিদি। তিনি লেখেন, রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে এ সম্মাননা গ্রহণ করা তার জন্য অত্যন্ত গর্বের। এটি কেবল তার একার অর্জন নয় বরং পুরো পাকিস্তানি জাতির অর্জন।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে সাধারণ মানুষের ভালোবাসা, প্রার্থনা এবং অকুণ্ঠ সমর্থনেরই প্রতিফলন এ পদক। উদার মনের এই ক্রিকেটার এ সম্মাননা উৎসর্গ করেছেন পাকিস্তানের বীর শহীদদের প্রতি।

    তিনি বলেন, ‘দেশের জন্য যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের ত্যাগের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে আমি এ পদক উৎসর্গ করছি’।সবশেষে তিনি পাকিস্তানের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির জন্য দোয়া করেন।

  • আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটার নাহিদ রানা

    আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটার নাহিদ রানা

    নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে অসাধারণ পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে এপ্রিল মাসের আইসিসি প্লেয়ার অব দ্য মান্থ নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পেসার নাহিদ রানা। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজে এই ডানহাতি পেসার মোট ৮ উইকেট শিকার করেন। এর আগের মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষেও তিনি সমান ৮ উইকেট নিয়ে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন।

    এই প্রথমবারের মতো আইসিসির মাসসেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি পেলেন নাহিদ। এর মাধ্যমে গত বছরের পর আবারও কোনো টাইগার ক্রিকেটার এই সম্মান অর্জন করলেন।

    পুরস্কার পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় নাহিদ জানান, নিউজিল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে ভালো পারফরম্যান্স করে আইসিসির মাসসেরা হওয়া তার জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। ঘরের মাঠে এমন সাফল্য সিরিজটিকে আরও বিশেষ করে তুলেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    সিরিজের শুরুতে প্রথম ওয়ানডেতে কিছুটা খরুচে হলেও দ্বিতীয় ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান এই পেসার। ওই ম্যাচে তিনি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয়বার পাঁচ উইকেট শিকার করেন। এরপর তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতেও গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয়ে বড় অবদান রাখেন তিনি। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণে সিরিজসেরার পুরস্কারও ওঠে তার হাতে।

  • পরিত্যক্ত জমি থেকে আধুনিক খেলার মাঠ: সমাজসেবক তুহিনের অনন্য উদ্যোগ

    পরিত্যক্ত জমি থেকে আধুনিক খেলার মাঠ: সমাজসেবক তুহিনের অনন্য উদ্যোগ

    ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে যাত্রা শুরু করেছে একটি নিজস্ব ও আধুনিক খেলার মাঠ। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে গত ১৬ ডিসেম্বর বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মাঠটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও কার্যক্রম শুরু হয়।

    এর আগে উপজেলা পরিষদের নিজস্ব মাঠ না থাকায় জাতীয় দিবসের প্রধান অনুষ্ঠানগুলো স্থানীয় আরিফুজ্জামান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজন করা হতো। এবারই প্রথম উপজেলা পরিষদ চত্বরে নিজস্ব মাঠে বিজয় দিবস উদযাপিত হওয়ায় প্রশাসন ও এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

    উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, পরিষদের পুরোনো ভবনের পেছনে অবস্থিত একটি বড় নিচু জমি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল হক জায়গাটিকে ভরাট করে একটি আধুনিক খেলার মাঠে রূপান্তরের উদ্যোগ নেন এবং এ কাজে স্থানীয় সমাজসেবকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

    ইউএনওর আহ্বানে সাড়া দিয়ে তরুণ সমাজসেবক তাজমিনউর রহমান তুহিন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অর্থায়নে মাঠ নির্মাণের দায়িত্ব নেন। তিনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিদ্যাধর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মরহুম আলহাজ্ব আলী আহমেদ মৃধার ছেলে।

    হযরত শাহ্ জালাল মৎস্য অ্যান্ড ডেইরি ফার্মের স্বত্বাধিকারী এবং লেবাজ সোয়েটার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান তুহিন প্রায় এক মাস ধরে বিপুল পরিমাণ মাটি ভরাট করে জমিটিকে একটি সমতল ও দৃষ্টিনন্দন খেলার মাঠে রূপান্তর করেন। বর্তমানে মাঠটি সবুজ ঘাসে আচ্ছাদিত একটি মনোরম পরিবেশে পরিণত হয়েছে।

    ১৬ ডিসেম্বর এই মাঠেই সুশৃঙ্খলভাবে কুচকাওয়াজ ও ক্রীড়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যা নতুন মাঠে প্রথম বড় আয়োজন হিসেবে সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

    নতুন মাঠে প্রথম আয়োজন সফল হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে তাজমিনউর রহমান তুহিন বলেন, “তৎকালীন ইউএনও রফিকুল হকের অনুপ্রেরণায় আমরা এই উদ্যোগ নিই। আজ যখন দেখি আলফাডাঙ্গাবাসী এই মাঠে একত্রিত হয়ে বিজয় দিবস উদযাপন করছে, তখন সত্যিই ভালো লাগছে। এটি ভবিষ্যতে সবার জন্য একটি স্থায়ী মিলনকেন্দ্র হবে।”

    এই উদ্যোগের প্রশংসা করে আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মনিরুল হক সিকদার বলেন, “উপজেলা পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একটি খেলার মাঠের অভাব দীর্ঘদিনের সমস্যা ছিল। সমাজসেবক তুহিনের উদ্যোগে সেই সংকট দূর হয়েছে। এ ধরনের তরুণ উদ্যোগ সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে বড় ভূমিকা রাখে।”

    উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় সুধীজনদের মতে, নতুন এই খেলার মাঠটি ভবিষ্যতে খেলাধুলার পাশাপাশি সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

  • কালীগঞ্জে আন্তঃকলেজ ফুটবলে শহীদ নুর আলী কলেজ চ্যাম্পিয়ন

    কালীগঞ্জে আন্তঃকলেজ ফুটবলে শহীদ নুর আলী কলেজ চ্যাম্পিয়ন

    কালীগঞ্জে উষা আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টে শহীদ নুর আলী কলেজ ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। প্র

    ধান অতিথি হিসেবে শনিবার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত নলডাঙ্গা ভূষণ স্কুল মাঠে সকালে পায়রা উড়িয়ে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন ঝিনাইদহ-৪ কালীগঞ্জ আসনের একাদশ সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। উদ্বোধনের আগে তিনি মাঠে উপস্থিত ৪ দলের খেলোয়াড়দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট উষার আয়োজনে ও উষা কেন্দ্রিয় নির্বাহী সংসদের পরিচালনায় ৪ কলেজ ফুটবল দলের অংশগ্রহণে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে আনোয়ার মকলেজ কলেজকে ২-০ গোলে হারিয়ে শহীদ নুর আলী কলেজ জয়ী হয়। ২য় ম্যাচে ট্রাইবেকারে ৪ -১ গোলের ব্যবধানে আবুবকর মকছেদ আলী কলেজ দলকে হারিয়ে সরকারি এম ইউ কলেজ জয়ী হয়। এরপর বিকাল ৩ টায় অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে এমইউ কলেজ ফুটবল একাদশকে ১ – ০ গোলে হারিয়ে নুর আলী কলেজ ফুটবল দল চ্যাম্পিয়ন হয়। বিজয়ী একাদশের আল জাসির ম্যান অব দি টুর্নামেন্ট বিবেচিত হয়।

    খেলার রেফারির দায়িত্বে ছিলেন, আব্দুর রাজ্জাক, মোমেনুল হক ও মারুফ হোসেন। খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেন প্রধান অতিথি সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় আলমগীর হোসেন ও নেপালে সাফ গেমসে ২০০ মিটার দৌড়ে স্বর্ণপদক প্রাপ্ত আল জাসির নামে কালীগঞ্জের দুই কৃতী সন্তান ক্রীড়াঙ্গনে অবদান রাখায় তাদেরকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

    এছাড়াও প্রাক্তন খেলোয়াড় নুরুল ইসলাম ও আমামুল হক খোকাকে মেডেল প্রদান করা হয়। এ সময়ে মাঠে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা শহিদুল ইসলাম সাইদুল ইসলাম, ইলিয়াস রহমান মিঠু, আনোয়ার হোসেন, অহেদ লস্কার, জবেদ আলী, উষা কেন্দ্রিয় সংসদের সভাপতি শিবলী রহমান পাভেল, সাধারণ সম্পাদক যোবায়ের আল মাহমুদ, ইবি শাখার সম্পাদক আশিকুর রহমান, উপদেষ্টা আশরাফ মন্ডল, সাধন দাদা, মোস্তফা মোর্শেদ তোতা, ক্রীড়া সংগঠক অজিত কুমার ভট্রাচার্য্য, আসাদুজ্জামান মুকুল প্রমুখ।

  • আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন মরক্কো

    আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন মরক্কো

    ক্রীড়া ডেস্ক:

    অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপের এবারের আসরের ফেভারিট ছিল আর্জেন্টিনাই। মরক্কোও কম যায়নি। তারাও সেমিফাইনালে লড়াই করে ফাইনালে উঠেছে। শিরোপা নির্ধারণী লড়াইয়েও দাপট দেখালো আফ্রিকার দেশটি। ১৮ বছর পর ফাইনালে উঠেও শিরোপা ছোঁয়া হলো না মেসিদের উত্তরসূরীদের। ২-০ গোলে জিতে অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি জিতলো মরক্কো।

    চিলির সান্তিয়াগোয় আর্জেন্টিনা হেরেছে ইয়াসির জাবিরির জোড়া গোলে। অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে তো বটেই, যেকোনো বয়সভিত্তিক বিশ্বকাপে মরক্কোর এটা প্রথম শিরোপা। দ্বিতীয় আফ্রিকান দেশ হিসেবে শিরোপা জিতল দেশটি। মহাদেশটির প্রথম দল হিসেবে ২০০৯ সালে এই শিরোপা জিতেছিল ঘানা।

    আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ১২ মিনিটেই লিড নিয়ে নেয় মরক্কো। জাবিরির গোল ঠেকাতে সামনে এগিয়ে গিয়ে ফাউল করেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক সান্তিনো বারবি। রিভিউ দেখে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষককে হলুদ কার্ড দেন রেফারি, মরক্কো পায় ফ্রি কিক। ১২ মিনিটে সেই ফ্রি কিক থেকেই দলকে এগিয়ে দেন জাবিরি।

    এরপর প্রথমার্ধের ২৯তম মিনিটে ফের এগিয়ে যায় মরক্কানরা। ডি বক্সের ডান প্রান্ত থেকে ২৯ মিনিটে মাম্মার তুলে দেওয়া বলে ভলি শটে জাল খুঁজে নেন জাবিরি।

    ফাইনালের ২টিসহ টুর্নামেন্টে জাবিরি মোট গোল করেছেন ৫টি, যা যৌথভাবে সর্বোচ্চ। তবে গোন্ডেন বুট জেতা হয়নি। তার সমান ৫টি করে গোল করেছেন কলম্বিয়ার নেইসার ভিল্লারিয়াল, ফ্রান্সের লুকাস মিকাল ও যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্জামিন ক্রেমাসকিও। মেসির ইন্টার মায়ামি সতীর্থ ক্রেমাসকি ২টি অ্যাসিস্ট করায় পুরস্কারটি তার ঝুলিতেই গেছে। গোল্ডেন বল পেয়েছেন মরক্কোর ওথমান মাম্মা।