ট্যাগ এসিল্যান্ড

  • ভূমি প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল, ৩৬ এসিল্যান্ডকে বদলি

    ভূমি প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল, ৩৬ এসিল্যান্ডকে বদলি

    ভূমি প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল করেছে সরকার। বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ৩৬ জন সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) বদলিপূর্বক পদায়নের জন্য বিভিন্ন বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে গত ২ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। জনস্বার্থে জারি করা এ সংক্রান্ত আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে জসিম উদ্দিনকে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর থেকে ঢাকা বিভাগে, তৌহিদ রেজাকে ঝিনাইদহের মহেশপুর থেকে ঢাকা বিভাগে এবং মো. মাসুদ রানাকে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ থেকে ঢাকা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    এছাড়া মো. আশরাফুল ইসলামকে বরগুনার আমতলী থেকে ঢাকা বিভাগে, সোহাগ মিলুকে পটুয়াখালীর বাউফল থেকে খুলনা বিভাগে, মো. সাইফুল ইসলামকে পটুয়াখালীর গলাচিপা থেকে রাজশাহী বিভাগে এবং প্রত্যয় হাশেমকে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থেকে চট্টগ্রাম বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    মহেশ্বর মন্ডলকে বরিশালের উজিরপুর থেকে খুলনা বিভাগে, রওশান কবিরকে নীলফামারীর ডিমলা থেকে রাজশাহী বিভাগে, রাফিউর রহমানকে কুড়িগ্রামের রৌমারী থেকে ঢাকা বিভাগে এবং মো. শাহরুখ আলম শান্তুতে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর থেকে ঢাকা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    দ্বিতীয় দফায় বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন—মাহামুদ হুসাইন রাজু। তাকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে খুলনা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে। নুসরাত জাহান অনন্যাকে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া থেকে রাজশাহী বিভাগে এবং এস এম আকাশকে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থেকে খুলনা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    এস এম নাজমুস সালেহীনকে ময়মনসিংহের তারাকান্দা থেকে রংপুর বিভাগে, আব্দুল আহাদকে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম থেকে খুলনা বিভাগে এবং তানভীর আহম্মেদকে রংপুরের পীরগঞ্জ থেকে রাজশাহী বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    এছাড়া ওমর শরীফ খানকে বরগুনার পাথরঘাটা থেকে খুলনা বিভাগে, আসিফ রায়হানকে পাবনার সাঁথিয়া থেকে ঢাকা বিভাগে, চৌধুরী আল মামুনকে সাতক্ষীরার দেবহাটা থেকে রাজশাহী বিভাগে এবং সামিউর রহমানকে কুড়িগ্রামের রাজারহাট থেকে ঢাকা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    মীর আল মনসুর শোয়াইবকে লালমনিরহাট সদর থেকে রাজশাহী বিভাগে, মো. শামীম রেজা সজীবকে ঝালকাঠির রাজাপুর থেকে ঢাকা বিভাগে, মজিবুর রহমানকে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল থেকে রাজশাহী বিভাগে এবং জাকারিয়া হোসেনকে সিলেটের গোয়াইনঘাট থেকে ময়মনসিংহ বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    সৈকত মন্ডলকে বরগুনার তালতলী থেকে খুলনা বিভাগে এবং রিজভী আহমেদ সবুজকে ঝালকাঠির নলছিটি থেকে ঢাকা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনের আরেক অংশে আরও ৯ জন সহকারী কমিশনারকে বদলি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মো. ইফতেখার আহমেদকে নীলফামারীর জলঢাকা থেকে খুলনা বিভাগে, আব্দুল্লাহ বিন জিয়াকে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ থেকে ঢাকা বিভাগে এবং মাহমুদুর রহমানকে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থেকে ময়মনসিংহ বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    পলাশ উদ্দিনকে নওগাঁর বদলগাছী থেকে ঢাকা বিভাগে, শপথ বৈরাগীকে পিরোজপুরের নাজিরপুর থেকে খুলনা বিভাগে এবং মো. বদরুজ্জামান রিশাদকে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী থেকে রাজশাহী বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    এ ছাড়া আসমাউল হুসনা পিংকিকে মাগুরার শ্রীপুর থেকে ঢাকা বিভাগে, আমিনুল হক তারেককে কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী থেকে ময়মনসিংহ বিভাগে এবং আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পটুয়াখালীর দশমিনা থেকে ঢাকা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মাঠ প্রশাসন), সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    মাঠ প্রশাসনে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদটি ভূমি ব্যবস্থাপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর, সরকারি জমি ব্যবস্থাপনা, ভূমি-সংক্রান্ত প্রশাসনিক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন দায়িত্ব মাঠপর্যায়ে পালন করেন এসব কর্মকর্তা।

    ফলে একসঙ্গে ৩৬ জন সহকারী কমিশনারের বদলির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভূমি প্রশাসনে দায়িত্বের পুনর্বিন্যাস হলো।

    সরকারি আদেশ অনুযায়ী, বদলিকৃত কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। বিভাগীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের নতুন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনের ব্যবস্থা করা হবে।

  • ডেপুটি স্পিকারের স্বাক্ষর জালের অভিযোগে বরগুনার এসি ল্যান্ডের বিরুদ্ধে মামলা

    ডেপুটি স্পিকারের স্বাক্ষর জালের অভিযোগে বরগুনার এসি ল্যান্ডের বিরুদ্ধে মামলা

    জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের স্বাক্ষর ও অফিশিয়াল প্যাড জাল করে বদলি ঠেকানো এবং ঢাকায় কাঙ্ক্ষিত পদায়ন বাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে বরগুনা সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাওন মজুমদার সুমনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

    ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ উপবিভাগ-১-এর পরিচালক মো. মনির হোসেন।

    মামলায় বরগুনা সদরের এসি ল্যান্ড শাওন মজুমদারকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া এতে আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।

    মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সরকারি কর্মকর্তা শাওন মজুমদার ডেপুটি স্পিকারের জাল স্বাক্ষর ও সংসদ সচিবালয়ের অফিশিয়াল লেটারহেড প্যাড ব্যবহার করে একটি ভুয়া আধা-সরকারি পত্র (ডিও লেটার) তৈরি করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি এই জাল নথি ব্যবহার করে নিজের পছন্দমতো স্থানে বদলির চেষ্টা চালান।

    নথিপত্রে দেখা যায়, বরগুনা সদর থেকে শাওন মজুমদারকে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় বদলি করা হয়েছিল। জাল করা ওই ডিও চিঠিতে তাঁর সেই বদলির আদেশ বাতিল করে তাঁকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে পদায়ন করার অনুরোধ করা হয়।

    সংসদ সচিবালয় চিঠিটি পরীক্ষা করার পর পুরো বিষয়টি সামনে আসে। যাচাই-বাছাই শেষে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, সংসদ সচিবালয় থেকে এমন কোনো চিঠি কখনোই ইস্যু করা হয়নি।

    অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ভুয়া চিঠিটিতে ব্যবহৃত ডেপুটি স্পিকারের স্বাক্ষর, লেখার ভাষা, বিন্যাস এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সংসদ সচিবালয়ের মূল অফিশিয়াল রেকর্ডের সঙ্গে মেলেনি। প্রতারণামূলকভাবে সরকারের পদায়ন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতেই এ জালিয়াতি করা হয়েছে বলে মামলায় বলা হয়।

    মামলার বাদী এজাহারে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এই ঘটনার পেছনে কোনো সুসংগঠিত জালিয়াত চক্র জড়িত থাকতে পারে। তাই ঘটনার মূল রহস্য উদ্‌ঘাটনে একটি বিস্তৃত ও গভীর তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

    অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন, কম্পিউটার ও ই-মেইলের ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষা, নথিটির প্রিন্ট বা মুদ্রণের উৎস শনাক্তকরণ এবং সন্দেহভাজনদের যোগাযোগ ও আর্থিক লেনদেনের রেকর্ড খতিয়ে দেখার অনুরোধ করা হয়েছে।

    দণ্ডবিধির অধীন জালিয়াতি, ভুয়া নথি আসল হিসেবে ব্যবহার, প্রতারণা এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে। মামলার এজাহারের সঙ্গে প্রমাণ হিসেবে ভুয়া চিঠিটির অনুলিপি, সংসদ সচিবালয়ের প্রকৃত লেটারহেড প্যাডের নমুনা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় দস্তাবেজ জমা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

  • প্রশাসন ক্যাডারের ৫০ কর্মকর্তা হলেন এসিল্যান্ড

    প্রশাসন ক্যাডারের ৫০ কর্মকর্তা হলেন এসিল্যান্ড

    সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড পদে পরবর্তী পদায়নের লক্ষ্যে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ৫০ কর্মকর্তার চাকরি ভূমি মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করেছে সরকার। আজ বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

    এতে বলা হয়, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের এসব কর্মকর্তাদের সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদে পরবর্তী পদায়নের জন্য তাদের চাকরি ভূমি মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    এতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমি মন্ত্রণালয়ে যোগদানের নির্দেশনা দেওয়া হলো। তারা ঢাকা ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে মৌলিক ভূমি ব্যবস্থাপনা কোর্স সম্পন্ন করার পর ‘জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন কর্মচারীগণের পদায়ন নীতিমালা, ২০২২’ অনুসরণ করে তাদের এসিল্যান্ড পদে পদায়ন করা হবে।

    প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

    ৫০ কর্মকর্তার তালিকা নিচে দেওয়া হলো-