এমপিও শিক্ষক

  • নতুন পে-স্কেলে শিক্ষকদের বেতন প্রাপ্তির সম্ভাব্য সময়

    নতুন পে-স্কেলে শিক্ষকদের বেতন প্রাপ্তির সম্ভাব্য সময়

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন পাবেন। জানা গেছে, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পৃথক গেজেট জারির মাধ্যমে এমপিওভুক্ত জনবলকে নতুন বেতন কাঠামোয় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

    অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ২০১৫ সালে ৮ম পে-স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য পৃথক গেজেট দ্রুত জারি করা হয়েছিল। তবে ওই সময় তাদের নতুন বেতন স্কেল বাস্তবায়ন করতে ছয় মাস সময় লেগেছিল। ফলে এবারও কিছুটা সময় লাগছে। তবে ৮ম পে-স্কেলের মতো এত দীর্ঘ সময় লাগবে না।

    এদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নবম পে-স্কেল পাবেন বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।

    তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা যেন দ্রুত নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন পান। এ জন্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়নিত আলোচনা হচ্ছে। হয়তো কিছুটা দেরি হবে। তবে শিক্ষকরাও নতুন পে-স্কেলে বেতন পাবেন।

    জানা গেছে, নতুন পে-স্কেলের আওতায় এমপিওভুক্ত ৬ লাখ ২ হাজার ৩৫৯ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে আনতে অতিরিক্ত ১৩ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় হবে ১২ হাজার ৫১৮ কোটি টাকা। বাকি অর্থ প্রয়োজন হবে পেনশন খাতে।

  • মাসের শুরুতেই বেতন পাচ্ছেন এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা

    মাসের শুরুতেই বেতন পাচ্ছেন এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা

    মাসের শুরুতেই বেতন পাওয়ার দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হতে যাচ্ছে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের। দায়িত্ব নেওয়ার পর শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন মাসের শুরুতেই বেতন দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। ছয় মাসের মধ্যেই সেই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

    মাউশি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সেপ্টেম্বর মাসের বেতন-ভাতার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। বুধবার বেতনের ডাটা আইবাসে পাঠানো হবে। সব প্রক্রিয়া শেষ হলে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) শিক্ষক-কর্মচারীরা সেপ্টেম্বরের বেতন-ভাতা পেতে পারেন।

    মাউশির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী মাসের শুরুতেই বেতন দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আশা করছি, এবার ১ অক্টোবরই শিক্ষকরা বেতন-ভাতা পাবেন।’

    এর আগে আগস্ট মাসের বেতন-ভাতা ৩ সেপ্টেম্বর পেয়েছিলেন প্রায় পৌনে চার লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী। মাসের শুরুতে বেতন পাওয়ায় বাড়িভাড়া, সন্তানদের শিক্ষা ব্যয়সহ অন্যান্য খরচ পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিচালনা করা সহজ হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

  • এমপিও শিক্ষকদের বদলি: সভায় এডিট-ডিলিট নিয়ে আলোচনা

    এমপিও শিক্ষকদের বদলি: সভায় এডিট-ডিলিট নিয়ে আলোচনা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ফল প্রকাশ নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে সভায় বদলির ফল প্রকাশের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। শিক্ষকদের থাকা বিভিন্ন সমস্যা ও এডিট-ডিলিট অপশন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে আরো কয়েকটি সভা করতে হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

    সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. কে এম এ এম সোহেল এবং টেলিটকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।

    সভা সূত্রে জানা গেছে, সভায় এডিট ও ডিলিট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এ ব্যাপারে মতামত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

    বদলি কার্যক্রমের উদ্বোধন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বদলি কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন কিনা তা এখন নীতিগত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

    সভা সূত্র আরো জানায়, শিক্ষকদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে দৈনিক শিক্ষাডটকমে যেসব প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। সেসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শিক্ষকদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    এর আগে গতকাল রোববারও এ সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকালকের সভা সূত্র জানায়, শিক্ষকদের বদলির সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে টেলিটক ব্রিফ করছে। নানা সমস্যা আলোচনা হয়েছে। ফল প্রকাশে কী কী জটিলতা রয়েছে তা-ও আলোচনা হয়েছে।এদিকে স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ফল চলতি মাসের প্রকাশের কথা থাকলেও সেটি হচ্ছে না। আগামী অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ফল প্রকাশ করা হতে পারে বলে জানা গেছে। তবে সব শেষে সামগ্রিক বিষয়ে জানা যাবে।

  • নবম পে-স্কেল: এমপিও শিক্ষকদের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন শিগগিরই

    নবম পে-স্কেল: এমপিও শিক্ষকদের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন শিগগিরই

    শিক্ষা ডেস্ক:

    নবম জাতীয় পে-স্কেলের আওতায় সরকারি শিক্ষকরা নতুন বেতন কাঠামোর সরাসরি সুবিধা পাচ্ছেন। অর্থাৎ আজ প্রকাশিত গেজেটি সরকারি শিক্ষকরা অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন। অপরদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য আলাদা প্রজ্ঞাপন শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।

    আজ শনিবার নবম পে-স্কেলের জারি করা গেজেটে এসব বিষয় উঠে এসেছে। গেজেটের গায়ে ১৭ সেপ্টেম্বর লেখা থাকলেও আজ শনিবার বিকেলে এটি হাতে পাওয়া গেছে।

    আজ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ইতোমধ্যে ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ গেজেট জারি হয়েছে।

    প্রকশিত গেজেটে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে প্রজ্ঞাপন জারি করে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

    জানা গেছে, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কার্যকর করা হয়েছে। তবে ধাপে ধাপে এর পূর্ণ বাস্তবায়ন করা হবে। এ ক্ষেত্রে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বাড়তি মূল বেতনের ৪০ শতাংশ পাবেন। একই সময়ে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাড়তি মূল বেতনের ৫০ শতাংশ পাবেন। এই অর্থ গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে।

    এরপর ২০২৭ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নতুন বেতন কাঠামোর পরবর্তী ধাপ কার্যকর হবে। এ সময়ে নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা বাড়তি মূল বেতনের ৭০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৭৫ শতাংশ হারে বেতন পাবেন।

    ২০২৭ খ্রিষ্টাব্দের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামোর বেতন বৃদ্ধির পুরো অংশ বা শতভাগ কার্যকর হবে। যেহেতু নতুন বেতন কাঠামো চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে, তাই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ওই তারিখ থেকে প্রাপ্য বর্ধিত বেতনের বকেয়া অর্থও পাবেন।প্রজ্ঞাপনে নতুন বেতন কাঠামোর বিভিন্ন ভাতা কার্যকরের সময়ও নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন বেতন কাঠামোর অন্যান্য সব ধরনের ভাতা পাওয়া শুরু করবেন। একইভাবে পেনশন সুবিধাভোগীরাও নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় যাবতীয় সুবিধা পাবেন।নতুন বেতন কাঠামোতে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। ১ম থেকে ১০ম গ্রেড পর্যন্ত কর্মকর্তাদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। অন্যদিকে, ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে।

  • শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএর আগের পদ্ধতি বহাল

    শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএর আগের পদ্ধতি বহাল

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) শিক্ষক নিয়োগে তিন ধাপে পরীক্ষা নেয়ার আগের পদ্ধতি বহাল থাকবে বলে জানা গেছে। প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক—এই তিন ধাপে নিয়োগ পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তাব চূড়ান্ত করে পরিপত্র জারির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এই পরিপত্র জারির জন্য শিগগিরই মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

    মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে এ সংক্রান্ত সভায় এ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সভা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    সভায় সিলেবাস অনুমোদনের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে আলোচনা করা হয়, প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পর সরাসরি ভাইভা না নিয়ে প্রিলিমিনারি, লিখিত ও ভাইভা—এই তিন ধাপে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কিছু পরিবর্তন এনে পরিপত্রের সংশোধিত প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

    এর আগে, আজ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশের সংশোধিত অনুসরণীয় পদ্ধতি পরিপত্র আকারে জারি ও নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস অনুমোদনে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। সভাটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এনটিআরসিএসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • স্থানীয় নির্বাচনে এমপিও শিক্ষকদের প্রার্থীতার সুযোগ চায় জামায়াত

    স্থানীয় নির্বাচনে এমপিও শিক্ষকদের প্রার্থীতার সুযোগ চায় জামায়াত

    বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকদের (এমপিও) নির্বাচনে অযোগ্য করার ইসির প্রণীত বিধান বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক গোলাম পাওয়ার।

    মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাচন ভবনে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এই দাবি জানান তিনি। ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন গোলাম পারওয়ার।

    তিনি বলেন, এটা সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন। এটা বাতিল না হলে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারেন। প্রায় ৩০ হাজার এমপিও শিক্ষক চাকরি করছেন ।

    এছাড়া ইসির অতিরিক্ত সচিব পদে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যকে পদায়ন করায় তাকে অপসারণের জন্য সরকারকে অবহিত করার অনুরোধ জানান।

  • শনিবার শিক্ষকদের অবসর-কল্যাণের টাকা বিতরণ শুরু

    শনিবার শিক্ষকদের অবসর-কল্যাণের টাকা বিতরণ শুরু

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি শেষ হতে যাচ্ছে। আগামী শনিবার শুরু হচ্ছে অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা বিতরণ। এ উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    বৃহস্পতিবার এ অনুষ্ঠানের তথ্য এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তারেক রহমান টাকা বিতরণের বিষয়ে সম্মতি দেন।

    জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে এ সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও তা বাড়িয়ে ১ লাখ ২৩ হাজার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    এর আগে, গত ৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক বৈঠকে ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ দিতে সম্মতি দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক উপস্থিত ছিলেন।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ১ লাখ ২৩ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ দেওয়া হবে। অবসর সুবিধা বোর্ডের অর্থ পাবেন ৭০ হাজার ১১৯ জন শিক্ষক-কর্মচারী। আর কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ পাবেন ৫৩ হাজার ৪৭৭ জন আবেদনকারী। আগামী শনিবার (১৫ আগস্ট) অর্থ বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধামন্ত্রী তারেক রহমান।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আবেদনকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এজন্য মোট সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। অবসর সুবিধার প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা করে পাবেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। আর কল্যাণ ট্রাস্টের ২ লাখ ৩৯ হাজার টাকা পাবেন।

    জানা গেছে, শিক্ষকদের চাঁদা, ব্যাংকে জমা থাকা টাকার সুদ এবং সরকারের দেওয়া থোক বরাদ্দ ও বন্ড সুবিধার ভিত্তিতে এই টাকা দেওয়া হয়। অবসরসুবিধার জন্য চাকরিকালীন শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতনের ৬ শতাংশ প্রতি মাসে কেটে রাখা হয়। কল্যাণসুবিধার জন্য কাটা হয় আরও ৪ শতাংশ। ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত এই হারে চাঁদা নেওয়া হয়েছে। এর আগে অবসরসুবিধার জন্য ৪ শতাংশ এবং কল্যাণসুবিধার জন্য ২ শতাংশ হারে চাঁদা নেওয়া হতো।

    এছাড়া প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে বছরে ১০০ টাকা নেওয়া হয়। এর মধ্যে ৭০ টাকা অবসরসুবিধা ও ৩০ টাকা কল্যাণসুবিধা তহবিলে জমা হয়। বাকি অর্থ সরকার এবং জমা করা অর্থের সুদ থেকে সমন্বয় করা হয়।

  • এমপিও শিক্ষকদের জাতীয়করণসহ ৮ দাবি

    এমপিও শিক্ষকদের জাতীয়করণসহ ৮ দাবি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বৈষম্য নিরসনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণসহ ৮ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ‘সচেতন শিক্ষক সমাজ’।

    মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব দাবি জানান সচেতন শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুল আউয়াল।

    সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক নেতারা শিক্ষা খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বৈষম্য দূর করতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

    আটটি দাবি হলো- শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ, ৯ম জাতীয় পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তিকরণ, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে সরকারি শিক্ষকদের প্রেষণে নিয়োগ বন্ধকরণ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, শিক্ষা বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে আওয়ামী দোসরদের অপসারণ, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি না করা, শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরির বয়স ৬৫ বছরে উন্নীতকরণ, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দ্রুত বদলির ব্যবস্থাকরণ এবং শতভাগ উৎসব ভাতা ও সরকারি নিয়মে বাড়ি ভাড়া প্রদান এবং কল্যাণ-অবসরের টাকা দ্রুত প্রদানের ব্যবস্থা করা।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মো. মোকলেছুর রহমান, মোল্লা নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক আব্দুল হক, আব্দুল আউলিয়া, প্রভাষক হালাদার আবুল কালাম আজাদ, অধ্যাপক আব্দুল হাকিম, অধ্যাপক আব্দুল মফিজ, মো. বোরহান উদ্দিন, শাহাজ পারভীন, এএইসএম সাইদুজামন, মো. আজিজুল হক রাজা প্রমুখ।