ট্যাগ এমপিও শিক্ষক

  • শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএর আগের পদ্ধতি বহাল

    শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএর আগের পদ্ধতি বহাল

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) শিক্ষক নিয়োগে তিন ধাপে পরীক্ষা নেয়ার আগের পদ্ধতি বহাল থাকবে বলে জানা গেছে। প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক—এই তিন ধাপে নিয়োগ পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তাব চূড়ান্ত করে পরিপত্র জারির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এই পরিপত্র জারির জন্য শিগগিরই মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

    মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে এ সংক্রান্ত সভায় এ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সভা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    সভায় সিলেবাস অনুমোদনের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে আলোচনা করা হয়, প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পর সরাসরি ভাইভা না নিয়ে প্রিলিমিনারি, লিখিত ও ভাইভা—এই তিন ধাপে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কিছু পরিবর্তন এনে পরিপত্রের সংশোধিত প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

    এর আগে, আজ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশের সংশোধিত অনুসরণীয় পদ্ধতি পরিপত্র আকারে জারি ও নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস অনুমোদনে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। সভাটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এনটিআরসিএসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • স্থানীয় নির্বাচনে এমপিও শিক্ষকদের প্রার্থীতার সুযোগ চায় জামায়াত

    স্থানীয় নির্বাচনে এমপিও শিক্ষকদের প্রার্থীতার সুযোগ চায় জামায়াত

    বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকদের (এমপিও) নির্বাচনে অযোগ্য করার ইসির প্রণীত বিধান বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক গোলাম পাওয়ার।

    মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাচন ভবনে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এই দাবি জানান তিনি। ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন গোলাম পারওয়ার।

    তিনি বলেন, এটা সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন। এটা বাতিল না হলে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারেন। প্রায় ৩০ হাজার এমপিও শিক্ষক চাকরি করছেন ।

    এছাড়া ইসির অতিরিক্ত সচিব পদে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যকে পদায়ন করায় তাকে অপসারণের জন্য সরকারকে অবহিত করার অনুরোধ জানান।

  • শনিবার শিক্ষকদের অবসর-কল্যাণের টাকা বিতরণ শুরু

    শনিবার শিক্ষকদের অবসর-কল্যাণের টাকা বিতরণ শুরু

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি শেষ হতে যাচ্ছে। আগামী শনিবার শুরু হচ্ছে অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা বিতরণ। এ উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    বৃহস্পতিবার এ অনুষ্ঠানের তথ্য এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তারেক রহমান টাকা বিতরণের বিষয়ে সম্মতি দেন।

    জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে এ সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও তা বাড়িয়ে ১ লাখ ২৩ হাজার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    এর আগে, গত ৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক বৈঠকে ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ দিতে সম্মতি দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক উপস্থিত ছিলেন।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ১ লাখ ২৩ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ দেওয়া হবে। অবসর সুবিধা বোর্ডের অর্থ পাবেন ৭০ হাজার ১১৯ জন শিক্ষক-কর্মচারী। আর কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ পাবেন ৫৩ হাজার ৪৭৭ জন আবেদনকারী। আগামী শনিবার (১৫ আগস্ট) অর্থ বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধামন্ত্রী তারেক রহমান।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আবেদনকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এজন্য মোট সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। অবসর সুবিধার প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা করে পাবেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। আর কল্যাণ ট্রাস্টের ২ লাখ ৩৯ হাজার টাকা পাবেন।

    জানা গেছে, শিক্ষকদের চাঁদা, ব্যাংকে জমা থাকা টাকার সুদ এবং সরকারের দেওয়া থোক বরাদ্দ ও বন্ড সুবিধার ভিত্তিতে এই টাকা দেওয়া হয়। অবসরসুবিধার জন্য চাকরিকালীন শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতনের ৬ শতাংশ প্রতি মাসে কেটে রাখা হয়। কল্যাণসুবিধার জন্য কাটা হয় আরও ৪ শতাংশ। ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত এই হারে চাঁদা নেওয়া হয়েছে। এর আগে অবসরসুবিধার জন্য ৪ শতাংশ এবং কল্যাণসুবিধার জন্য ২ শতাংশ হারে চাঁদা নেওয়া হতো।

    এছাড়া প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে বছরে ১০০ টাকা নেওয়া হয়। এর মধ্যে ৭০ টাকা অবসরসুবিধা ও ৩০ টাকা কল্যাণসুবিধা তহবিলে জমা হয়। বাকি অর্থ সরকার এবং জমা করা অর্থের সুদ থেকে সমন্বয় করা হয়।

  • এমপিও শিক্ষকদের জাতীয়করণসহ ৮ দাবি

    এমপিও শিক্ষকদের জাতীয়করণসহ ৮ দাবি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বৈষম্য নিরসনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণসহ ৮ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ‘সচেতন শিক্ষক সমাজ’।

    মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব দাবি জানান সচেতন শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুল আউয়াল।

    সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক নেতারা শিক্ষা খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বৈষম্য দূর করতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

    আটটি দাবি হলো- শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ, ৯ম জাতীয় পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তিকরণ, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে সরকারি শিক্ষকদের প্রেষণে নিয়োগ বন্ধকরণ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, শিক্ষা বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে আওয়ামী দোসরদের অপসারণ, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি না করা, শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরির বয়স ৬৫ বছরে উন্নীতকরণ, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দ্রুত বদলির ব্যবস্থাকরণ এবং শতভাগ উৎসব ভাতা ও সরকারি নিয়মে বাড়ি ভাড়া প্রদান এবং কল্যাণ-অবসরের টাকা দ্রুত প্রদানের ব্যবস্থা করা।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মো. মোকলেছুর রহমান, মোল্লা নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক আব্দুল হক, আব্দুল আউলিয়া, প্রভাষক হালাদার আবুল কালাম আজাদ, অধ্যাপক আব্দুল হাকিম, অধ্যাপক আব্দুল মফিজ, মো. বোরহান উদ্দিন, শাহাজ পারভীন, এএইসএম সাইদুজামন, মো. আজিজুল হক রাজা প্রমুখ।