উন্নয়ন

  • বিরোধীদের আসনের তদারকিতে বিএনপির নারী এমপি কেন, ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    বিরোধীদের আসনের তদারকিতে বিএনপির নারী এমপি কেন, ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তদারকির দায়িত্ব কেন সংরক্ষিত আসনের সরকারদলীয় নারী এমপিদের দেওয়া হয়েছে, এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় সংসদে তা ব্যাখ্যা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সরকারের যে নিয়ম আছে, সে নিয়ম অনুযায়ীই এগোচ্ছেন।

    বুধবার সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেমের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ বিষয়ে ব্যাখ্যা তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকে বিরোধী দলের সদস্য মীর আহমদ প্রশ্নে বলেন, ‘বহুল প্রচারিত পত্রিকায় জানতে পেরেছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সরকারদলীয় মহিলা এমপিদের বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের এলাকায় উন্নয়ন তদারকি করার দায়িত্ব দিয়েছেন। আরও বলা হয়েছে, এসব উন্নয়নে ডিও লেটার ইস্যু করতে পারবেন সরকারদলীয় মহিলা এমপিগণ।’

    গত ৭ জুন সমকালে এ-সংক্রান্ত খবর প্রকাশ হয়েছিল। এতে বলা হয়, এর আগের দিন বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় সংরক্ষিত আসনের দলীয় ৩৬ নারী এমপিকে বিরোধী দলের জেতা ৭৯ আসনের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

    ব্যারিস্টার আরমান নামে পরিচিত মীর আরমান বলেন, ‘এ তথ্য থেকে আমাদের মধ্যে এই বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে যে, এ কাজ কি তাঁদের এ জন্য দেওয়া হচ্ছে যাতে আমরা যারা বিরোধীদলীয় এমপি আছি, আমাদের এলাকায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে আমাদের কোনো হক থাকবে না? এটা নিশ্চিত করার জন্যই কি এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে? দয়া করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের সামনে পরিষ্কার করবেন।’

    জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি এবং বিরোধী দল থেকে যে সকল নারীকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে, সংবিধানে বা আইনে নির্দিষ্টভাবে তাঁদের কোনো আসন নেই। আপনার বা আমার যে কোনো নির্দিষ্ট আসন আছে, সেরকম নির্দিষ্ট কোনো আসন তাঁদের নেই। খুব স্বাভাবিকভাবেই আমরা আমাদের রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক যে কাঠামো, তার ভিত্তিতে দলীয় অবস্থান থেকে কিছু জায়গা তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট করেছি, যেখানে তাঁরা কাজ করবেন।

    ব্যারিস্টার আরমানের উদ্দেশে সরকারপ্রধান বলেন, আপনার নির্বাচনী এলাকায় একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে আপনার সম্পূর্ণ হক আছে যে, আপনি আপনার এলাকার উন্নয়নের ব্যাপারে ভূমিকা রাখতে চান। যেহেতু এই সংসদ নারী সদস্যদের নির্বাচিত করেছেন, খুব স্বাভাবিকভাবেই তাঁদেরও একই রকমভাবে হক আছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই আমরা সরকারের যে নিয়ম আছে, সেই নিয়ম অনুযায়ী এগোচ্ছি। আপনার এলাকার যদি কোনো উন্নয়নের বিষয়ে আমার সহযোগিতা করার কিছু থাকে, জানাবেন।

  • নগরবাড়ী নদীবন্দরে আধুনিক টার্মিনালের উদ্বোধন

    নগরবাড়ী নদীবন্দরে আধুনিক টার্মিনালের উদ্বোধন

    পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার নগরবাড়ী নদীবন্দরে আধুনিক টার্মিনাল কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করেছেন নৌপরিবহণ এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। শনিবার (৭ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে আনুষঙ্গিক সুবিধাদিসহ নদীবন্দর নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নির্মিত এই টার্মিনাল কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করা হয়।বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দেলোয়ারা বেগম; জেলা পরিষদ মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম।নগরবাড়ীতে আনুষঙ্গিক সুবিধাদিসহ নদীবন্দর নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পটি রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত বৃহত্তর উত্তরবঙ্গের সঙ্গে নৌপরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়নে নগরবাড়ী এলাকায় উন্নত ও আধুনিক বন্দর অবকাঠামো সুবিধাদি নির্মাণের লক্ষ্যে ২০১৮ সালের ২০ জুন অনুমোদন দেওয়া হয়। ওই বছরের ১ জুলাই নির্মাণকাজ শুরু হয়, যা শেষ হয় ২০২৫ সালের ৩০ জুনে। এ প্রকল্পে মোট হয়েছে ৫৫৬.৯০৭ কোটি টাকা। যমুনা নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত নগরবাড়ীর ঐতিহ্যবাহী ঘাটে দেশের বিভিন্ন এলাকা হতে নৌপথে মূলত সার, সিমেন্ট, পাথর, বালি, কয়লাসহ অন্যান্য মালামাল উঠানামা করে সড়কপথে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় পরিবাহিত হয়ে থাকে। ঘাটটি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত আরিচা নদীবন্দর দ্বারা পরিচালিত হতো। ১৯৯৮ সালে যমুনা সেতু প্রতিষ্ঠিত হবার পূর্বে বাংলাদেশে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা, পদ্মা নদীর দ্বারা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে আরিচা-দৌলতদিয়া এবং আরিচা-নগরবাড়ী নামে ফেরিঘাট ২টি যথাক্রমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে নৌ চলাচলে আরিচা নদীবন্দরের আওতায় পরিচালিত হতো।

  • সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে মানবতার কল্যাণে এগিয়ে যাচ্ছে অরাজনৈতিক সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মাদারগঞ্জ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ জামালপুর।

    সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে মানবতার কল্যাণে এগিয়ে যাচ্ছে অরাজনৈতিক সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মাদারগঞ্জ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ জামালপুর।

    সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে মানবতার কল্যাণে এগিয়ে যাচ্ছে অরাজনৈতিক সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মাদারগঞ্জ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ জামালপুর।মাদারগঞ্জের কৃতীসন্তান ইতালি প্রবাসী মো. সবুজ আলীকে মাদারগঞ্জ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণা করা হয়েছে।

    ১ ফেব্রুয়ারি (রোববার) বিকাল ৪টায় বালিজুড়ী বাজারে প্রধান কার্যালয় থেকে বাংলাদেশে অবস্থানরত উপদেষ্টা কমিটির সদস্যরা এবং কার্যনির্বাহী সদস্যরা উপস্থিত থেকে এবং সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিভিন্ন দেশ থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

    শুরুতেই পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাউছার আহমেদ। মাদারগঞ্জ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ জামালপুরের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম রুবেলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এবাদুল ইসলাম রবিনের সঞ্চালনায় উপদেষ্টা সদস্য ও কমিটির সদস্যরা বক্তব্য রাখেন।

    প্রধান উপদেষ্টার নাম ঘোষণা করেন মাদারগঞ্জ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম। সর্বসম্মতিক্রমে ইতালি প্রবাসী মো. সবুজ আলীকে মাদারগঞ্জ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ জামালপুরের প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণা করা হয়।