ট্যাগ ইসি

  • ইউপি নির্বাচনের তফসিল এ মাসেই, ভোট হবে ধাপে ধাপে

    ইউপি নির্বাচনের তফসিল এ মাসেই, ভোট হবে ধাপে ধাপে

    চলতি মাসের মধ্যেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বহুল প্রতীক্ষিত তফসিল ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে ব্যয় সংকোচন নীতি বজায় রাখতে এবং শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার কথা বিবেচনা করে এই নির্বাচন একসঙ্গে না হয়ে ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা হবে।

    রোববার আগারগাঁওয়ের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার এসব তথ্য জানান।

    তিনি জানান, দেশজুড়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের যে আবহ তৈরি হয়েছে, তার অংশ হিসেবে চলতি মাসের শেষেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা সম্ভব হবে। দেশের সব ইউনিয়নে একসঙ্গে নির্বাচন আয়োজন অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে বেশ কঠিন উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের ব্যয় সংকোচন নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ধাপে ধাপে সব ইউপিতে ভোটগ্রহণ করা হবে।

    আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাস শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময় উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার বলেন, সাধারণত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং শিক্ষকরাই প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন। তাই শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও পরীক্ষার পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে পরীক্ষার সময় বাদ দিয়ে হয় তার আগে, না হয় পরে ইউপি নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

    সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, রাজনীতিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অংশগ্রহণের বিষয়ে কমিশন থেকে সরাসরি নেতিবাচক পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

  • জামায়াতের দাবি নাকচ, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে ইসির ‘না’

    জামায়াতের দাবি নাকচ, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে ইসির ‘না’

    এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা শিক্ষাঙ্গনের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশের জন্য বড় অন্তরায়—এমনটাই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই শিক্ষকদের সরাসরি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার দাবি জানানো হলেও কমিশন এ বিষয়ে সরাসরি নেতিবাচক অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

    রোববার আগারগাঁওয়ের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার এ অবস্থানের কথা জানান।

    নির্বাচন কমিশনার জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা শিক্ষার সার্বিক পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। এর ফলে শিক্ষকদের নিরপেক্ষতা চরমভাবে লঙ্ঘিত হয় উল্লেখ করে ইসি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, শিক্ষাঙ্গনের গঠনমূলক পরিবেশ বজায় রাখতে এই অবস্থান থেকে সরে আসার কোনো সুযোগ নেই।

    জামায়াতের পক্ষ থেকে ইসির ওপর সরকারি চাপের অভিযোগ তোলা হয়েছিল। এই প্রসঙ্গে কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, নির্বাচন কমিশন সরকারের চাপে আছে—এমন ভিত্তিহীন দাবি তোলা মূলত কমিশনকে উল্টো চাপে রাখার একটি রাজনৈতিক কৌশল।

    সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার আসন্ন নির্বাচনগুলোর প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা তুলে ধরে জানান, উপ-নির্বাচনগুলোতে ভোটারদের প্রক্রিয়া সহজ করতে আইটি-সাপোর্টেড পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থার বড় ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারচুপি রোধে সব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের বডি ওর্ন ক্যামেরার সংখ্যা বহুগুণ বাড়ানোর পাশাপাশি যেকোনো বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন এবং ভোটকেন্দ্রের অবকাঠামোগত সমস্যা দূর করার মাধ্যমে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে কমিশন বদ্ধপরিকর।

  • স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে প্রস্তুত ইসি, মাঠে গড়াচ্ছে ভোট

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে প্রস্তুত ইসি, মাঠে গড়াচ্ছে ভোট

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে সব প্রস্তুতি গুছিয়ে এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী নভেম্বরে ছয় বা সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভোটের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে নির্বাচন উৎসব। এরপর ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকারের বাকি চার প্রতিষ্ঠান পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে সংস্থাটির।

    ইসি সূত্র বলছে, এরই মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার প্রস্তুতিও প্রায় শেষ করেছে ইসি। ১৫ সেপ্টেম্বর তপশিল ঘোষণার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। আর নভেম্বরের শেষভাগে প্রথম ধাপের নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হবে। সব ধাপের ভোট গ্রহণ আগামী বছরের শেষ নাগাদ শেষ হতে পারে।
    এর আগে গত ২ আগস্ট স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের তরফে ইসিতে পাঠানো চিঠিতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়। সরকারের এমন নির্দেশনা পেয়ে

    নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু করে ইসি।

    দেশে মোট ইউনিয়ন পরিষদ সংখ্যা চার হাজার ৫৮১টি। এর মধ্যে চলতি বছর তিন হাজার ৯৮১টি ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ শেষ বা নির্বাচন উপযোগী হবে। যেগুলোর নির্বাচন ২০২১ ও ২০২২ সালে হয়েছিল। আর বাকিগুলো ২০২৭ ও ২০২৮ সালের দিকে নির্বাচন উপযোগী হবে। ধাপে ধাপে নির্বাচন উপযোগী সব ইউনিয়নে ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আইনে আছে, ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে সাধারণ নির্বাচন আয়োজনের বিধান রয়েছে।

    ইসি কর্মকর্তারা জানান, সর্বশেষ অনুষ্ঠিত সাত ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের অনুরূপ পরিকল্পনা করছে ইসি। ২০২১ সালের ২১ জুন ও ২০ সেপ্টেম্বর দুই ভাগে বিভক্ত প্রথম ধাপের নির্বাচনে বরিশাল বিভাগের চারটি জেলা ছাড়াও রংপুর, বগুড়া, খুলনা ও বাগেরহাটের মোট ৩৬৭টি ইউনিয়নে ভোট হয়। এবারও প্রথম ধাপে এসব ইউনিয়ন দিয়েই ভোটের তপশিল সাজানোর বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে ইসির।

    এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ সমকালকে বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য ইসির সব প্রস্তুতি আছে। ১৫ সেপ্টেম্বর তপশিল ও নভেম্বরে ভোট শুরুর বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই আমরা এগোচ্ছি। এ নিয়ে সরকারের সঙ্গেও যোগাযোগ হচ্ছে।

    ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন কয় ধাপে হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগে যত ধাপে হয়েছে মোটামুটি সেভাবেই হবে। কোনো ইউনিয়ন পরিষদে মামলা ও সীমানা নির্ধারণ নিয়ে জটিলতা থাকলে সেগুলোতে নির্বাচন হবে না।

    ১৫ সেপ্টেম্বরে তপশিল ঘোষণার ইঙ্গিত দিয়ে আরেক নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ছয় বা সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে ইসির।

    ইসির যত প্রস্তুতি
    স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে ইসির প্রস্তুতির শেষ ধাপে আইন-বিধি এবং আচরণ বিধিমালা সংস্কারের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। গত মাসেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইন এবং স্থানীয় সরকারের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা আচরণ বিধিমালার খসড়া চূড়ান্ত করে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠিয়েছিল ইসি। সেখান থেকে অনুমোদন হয়ে এগুলো গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে।

    স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকাও চূড়ান্ত হয়েছে। দেশে মোট ভোটার আছেন ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩ জন। ভোটার স্থানান্তরের আবেদন দেওয়ার শেষ সময় ৭ সেপ্টেম্বর ও নিষ্পত্তির শেষ সময় ১০ সেপ্টেম্বর বেঁধে দিয়েছে ইসি। এর পরই ভোটার তালিকা মুদ্রণে যাবে।

    সারাদেশে সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্রের তালিকাও আগেই তৈরি করে রেখেছে ইসি। গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের চেয়ে স্থানীয় নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা দুই থেকে তিন হাজার বেশি হতে পারে। মোট ৪২ হাজার ৭৬১টি কেন্দ্রে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট নেওয়া হয়। তবে এবার একসঙ্গে দুটি ভোটের জটিলতা না থাকায় গড়ে প্রতি দুই হাজার ভোটারের জন্য একটি করে কেন্দ্র রাখার পরিকল্পনা রয়েছে ইসির।

    এরই মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বার্ষিক পরীক্ষাসহ অন্য পরীক্ষা নভেম্বরের আগেই অথবা দ্রুততম সময়ে শেষ করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে নির্দেশনা পাঠিয়েছে ইসি। স্কুল ভবনগুলোকে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার এবং শিক্ষকদের নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুবিধার জন্যই এমন নির্দেশনা পাঠানো হয়।

    ভোটের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সংশ্লিষ্ট তিনটি বাহিনী পুলিশ, বিজিবি এবং আনসার ও ভিডিপি প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক শেষ করেছে ইসি। পুলিশপ্রধানের (আইজিপি) সঙ্গে বৈঠককালে সারাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদন চেয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। এই প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে। এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা নেই ইসির।

    সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ও ভোট গ্রহণ সামগ্রী আগেই মজুত রাখা হয়েছিল। স্থানীয় নির্বাচনে সেগুলোর ব্যবহার হবে। এ ছাড়া সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মালাপত্রও কিনে রেখেছে ইসি। সংসদের পর যাতে দ্রুত স্থানীয় সরকারের কিছু প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন করা যায়, সে জন্যই এসব মালাপত্র আগেই কেনা হয়েছিল। কেননা নির্বাচনী মালাপত্র কেনার প্রক্রিয়া শেষ করতে কয়েক মাস লাগে।

    ইসি সূত্র বলছে, সংসদ নির্বাচনের আগে ছোট হোসিয়ান ব্যাগ ও গানি ব্যাগ প্রতিটি এক লাখ ১৫ হাজার পিস, বড় হোসিয়ান ব্যাগ ৭৫ হাজার পিস, মার্কিং সিল ১৭ লাখ ৫০ হাজার পিস এবং অফিসিয়াল সিল আট লাখ ৪০ হাজার পিসসহ অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রী কেনা হয়। ওইসব সামগ্রী মজুত রাখা হয়েছে স্থানীয় নির্বাচনের জন্য।

    স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতির ব্যাপারে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ গত সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, নভেম্বরে স্থানীয় নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে ইসির প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। যে কোনো সময় তপশিল ঘোষণা হবে।

  • স্থানীয় সরকার নির্বাচন; ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোটার স্থানান্তরের সুযোগ রেখেছে ইসি

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন; ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোটার স্থানান্তরের সুযোগ রেখেছে ইসি

    ভোটার এলাকা পরিবর্তন করতে চাইলে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। এসব আবেদন ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তির জন্য মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    আজ বুধবার ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব নাসির উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। দেশের সকল উপজেলা/থানা ও রেজিস্ট্রেশন কর্মকর্তাকে এই চিঠি পাঠানো হয়।

    চিঠিতে বলা হয়, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন উপলক্ষে আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার স্থানান্তরের আবেদন দাখিল, ইস্যুকরণ ও দাখিলকৃত আবেদনগুলো নিষ্পত্তিকরণ সংক্রান্তে বিস্তারিত সময়সূচি নির্বাচন কমিশন নির্ধারণ করেছে।

    সময়সূচি অনুযায়ী- আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার স্থানান্তরের জন্য আবেদন দাখিলের শেষ তারিখ আগামী ৭ সেপ্টেম্বর। দাখিলকৃত আবেদন ইস্যুকরণের শেষ তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর। আর আবেদন নিষ্পত্তির শেষ তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর।

    চিঠিতে আরও বলা হয়, সময়সূচি অনুযায়ী স্থানান্তরের আবেদনসমূহ নিষ্পত্তিকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো।

    পরে ইসি কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ভোটার এলাকা স্থানান্তরের জন্য ইতোমধ্যে স্ব স্ব নির্বাচন অফিসে বেশ কিছু আবেদন জমা পড়েছে। এখন স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে ইসির পক্ষ থেকে নতুন করে ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন ও নিষ্পত্তির জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হল। এটা একটি চলমান প্রক্রিয়া।

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে ইতোমধ্যে ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করেছে ইসি। দেশে মোট ভোটার আছেন ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩ জন। স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে অবশ্যই তাকে সংশ্লিষ্ট এলাকার (সিটি/উপজেলা/ জেলা/ইউনিয়ন/পৌরসভার) ভোটার হতে হবে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা মুদ্রণের আগে ভোটার স্থানান্তরের কাজ চলছে।

    চলতি মাসে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। বছর শেষে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে ভোট শুরু হতে পারে।

  • ঠাকুরগাঁও-১সহ ১১ সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে ইসির গেজেট প্রকাশ

    ঠাকুরগাঁও-১সহ ১১ সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে ইসির গেজেট প্রকাশ

    নতুন গঠিত উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ঠাকুরগাঁও-১ সহ ১১টি সংসদীয় আসনের সীমানা নিয়ে নতুন গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর ফলে কাগজে কলমে আসন সীমানায় সংশোধন হলেও বাস্তবে কোনো পরিবর্তন আসবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

    আসনগুলো হচ্ছে—ঠাকুরগাঁও-১, বগুড়া-২, পিরোজপুর-১, ময়মনসিংহ-১০, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ ও ৪, কুমিল্লা-৩, লক্ষ্মীপুর-২ ও ৩, চট্টগ্রাম-২ এবং কক্সবাজার-১। আজ রোববার এ গেজেট প্রকাশ করে ইসি।

    ইসির গেজেট অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামের ছেড়ে দেওয়া আসন ঠাকুরগাঁও-১। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনে রুহিয়া ও ভুল্লী উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সদর উপজেলা ভেঙে এ দুটি উপজেলা গঠন করা হয়। গত মে মাসে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) সভায় এ দুটি উপজেলা অনুমোদন দেওয়া হয়।

    বগুড়া-২ আসনে শিবগঞ্জের পাশাপাশি মোকামতলা উপজেলাকেও যুক্ত করা হয়েছে। মোকামতলা উপজেলা গত মে মাসে নিকার বৈঠকে অনুমোদন পায়।

    ময়মনসিংহ-১০ আসনে গফরগাঁও উপজেলার সঙ্গে নবগঠিত দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা যুক্ত করা হয়েছে। এ উপজেলাটি গত জুলাই মাসে নিকার বৈঠকে অনুমোদন পায়।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে আখাউড়া উপজেলার বরিশল ইউনিয়ন পরিষদকে যুক্ত করা হয়েছে। এ ইউনিয়ন পরিষদ বাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসন গঠন করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়ন থেকে ৬টি গ্রাম আলাদা করে আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করে নতুন এই বরিশল ইউনিয়ন গত মে মাসে অনুমোদন দেওয়া হয়।

    কুমিল্লা-৩ আসনে মুরাদনগর উপজেলার সঙ্গে বাঙ্গরা উপজেলাকে যুক্ত করা হয়েছে। গত জুলাই মাসে নিকার বৈঠকে বাঙ্গরা উপজেলা অনুমোদন দেওয়া হয়। চট্টগ্রাম-২ আসনে ফটিকছড়ি উপজেলার সঙ্গে নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা যুক্ত করা হয়েছে। কক্সবাজার-১ আসনে নবগঠিত মাতামুহুরি উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

  • ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক; রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে যে আলোচনা হলো- জানালেন সিইসি 

    ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক; রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে যে আলোচনা হলো- জানালেন সিইসি 

    জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বৈঠক করেছেন। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে এই বৈঠকে আলোচনা হয় বলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে।

    বৈঠক শেষে সিইসি সাংবাদিকদের জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত আছে কমিশন। দিনক্ষণ এখনও ঠিক হয়নি।

    সিইসি জানান, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। এ–সংক্রান্ত আইনে নির্বাচনের আগে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে পরামর্শক্রমে দিনক্ষণ ঠিক করার কথা বলা আছে। সে জন্য নির্বাচন কমিশন ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে। জাতীয় সংসদ অধিবেশন থাকলে এ নির্বাচন একভাবে হবে, আর না থাকলে আরেক ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে। এ বিষয়ে প্রাথমিকভাবে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তবে নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এটি চূড়ান্ত হলে জানানো হবে।

    সিইসি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে, তা জানানো হয়েছে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে। সংসদ সচিবালয় এ নির্বাচনের ভোটার তালিকা দেবে, এ জন্য নির্বাচন কমিশন চিঠিও দিয়েছে।

    ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে ইসির বৈঠক

    ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে ইসির বৈঠক

    তিনি বলেন, ‘সাতক্ষীরা–৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়নি। এ আসনের বিষয়ে সংসদ সচিবালয় পদক্ষেপ নিতে বললে কমিশন ব্যবস্থা নেবে।

    বৈঠকে অন্যদের মধ্যে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও তাহমিদা আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে সোমবার এ বিষয়ে ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত একটি চিঠি সংসদ সচিবের কাছে পাঠানো হয়। চিঠিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শুক্রবার নিজ পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদের দফা ২-এর বিধান অনুসারে, রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগের কারণে এই পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে তা পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে।’

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ এর ৫ ধারার (২) ও (৩) উপ-ধারার বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য স্পিকারের সাথে আলোচনাক্রমে নির্বাচন কমিশনকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপশিল সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে ঘোষণা করতে হবে। এ বিষয়ে স্পিকার কর্তৃক নির্ধারিত সুবিধাজনক তারিখ ও সময়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাক্ষাতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

  • রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার জন্য স্পিকারের কাছে সময় চাওয়া হবে: ইসি সিনিয়র সচিব

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার জন্য স্পিকারের কাছে সময় চাওয়া হবে: ইসি সিনিয়র সচিব

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার জন্য স্পিকারের কাছে সময় চাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। আজ রোববার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

    নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সিইসি। সেই মোতাবেক ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন।

    এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বিষয়ে আজ রোববার (২৬ জুলাই) সিইসির কার্যালয়ে সব নির্বাচন কমিশনার ও সিনিয়র সচিব অনির্ধারিত বৈঠক করেন। সেখানে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আইন নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। এরপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তফসিল ঘোষণার পরবর্তী কার্যক্রম ঠিক করতে স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক করা হবে।

    নিয়ম অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়। যার জন্য সংসদ সচিবালয় থেকে ভোটার তালিকা তথা সংসদ সদস্যদের নাম ইসি সচিবালয়ে পাঠানো হবে। যার ভিত্তিতে ইসি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা করবে। এরপর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। এসব বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসি বৈঠক করবে।

    সংসদ সচিবালয়ের আইন শাখা সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল সোমবার সাক্ষাতের জন্য স্পিকারের দপ্তরে চিঠি দেবে নির্বাচন কমিশন।

    রেওয়াজ অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন কায়সার কামাল। এর আগে ২০০২ সালে তৎকালীন স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার সরকার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলে তৎকালীন ডেপুটি স্পিকার আখতার হামিদ সিদ্দিকী ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন।

    ২০১৩ সালে রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান মারা গেলে প্রথমে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির হন তৎকালীন সংসদের স্পিকার আবদুল হামিদ, পরে তিনি দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হন। ওই সময় ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন তৎকালীন ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী।

  • স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বছর; ইসির জন্য বরাদ্দ ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা

    স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বছর; ইসির জন্য বরাদ্দ ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা

    আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের জন্য ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এই বরাদ্দের সিংহভাগ ব্যয় করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট প্রস্তাব করেন। যেখানে অন্যান্য খাতের মতো নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জন্যও বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে।

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে ইসি এর আগে সরকারের কাছে ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা চেয়েছিল। তবে বাজেটে প্রাথমিক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। যার মধ্যে পরিচালন ব্যয় ৩ হাজার ৬৪৩ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন ব্যয় ৭৫৭ কোটি টাকা রাখা হয়েছে। আর ইসির অনুরোধের বিপরীতে বাজেট বরাদ্দ ঘাটতি রয়েছে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা।

    বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জন্য প্রাথমিকভাবে ২ হাজার ৯৫৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। যা সংশোধিত বাজেটে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৩৪৬ কোটি টাকা। এবার সাংবিধানিক এই সংস্থার জন্য প্রাথমিক বরাদ্দ ১ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা বেড়েছে। গত বছরের তুলনায় প্রাথমিক বরাদ্দ বৃদ্ধির এই হার ৪৮ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

    সরকারের নির্দেশনায় ইসি আগামী অক্টোবরে ইউনিয়ন পরিষদের ভোট দিয়ে প্রথম দফার স্থানীয় সরকার নির্বাচন কার্যক্রম শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকারের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪ হাজার ৫৮১ ইউনিয়ন পরিষদ, ৬১ জেলা পরিষদ, ৪৯৫ উপজেলা পরিষদ, ৩৩০ পৌরসভা এবং ১৩ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন পদ নির্বাচন উপযোগী রয়েছে। আগামী অর্থবছরজুড়েই এসব নির্বাচন আয়োজনের বিপুল ব্যয় মেটাতেই এবারের বাজেটে প্রস্তাবিত বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    অবশ্য বিদায়ী অর্থবছরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের জন্য বরাদ্দ হওয়া ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকার মধ্যে ২ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অর্থবছর শেষে কমিশন রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ৮৯৪ কোটি টাকা ফেরত দেবে।

    নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ প্রস্তাবিত বাজেট বরাদ্দের বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের বলেন, স্বাভাবিকভাবেই আসন্ন অর্থবছরের এই বরাদ্দ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচনের সাথে সম্পর্কিত। কমিশন বরাদ্দকৃত তহবিলের সর্বোত্তম ব্যবহার করবে।

  • ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে নির্বাচনের তফশিল

    ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে নির্বাচনের তফশিল

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ডিসেম্বর মাসের প্রথমার্ধে ঘোষণা করা হবে। তফশিল ঘোষণার ১০ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে পর্যবেক্ষকদের তালিকা দাখিল করতে হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

    নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে দিনব্যাপী সংলাপে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় নির্বাচন ভবনে এই সংলাপ শুরু হয়। সংলাপের বক্তব্যে নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ এ কথা বলেন।

    এছাড়া নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য যাদের নিয়োগ দেওয়া হবে, তারা যেন রাজনীতি ও কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত না থাকেন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

    মো. সানাউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে স্বচ্ছ নির্বাচন হবে ২০২৬ সালে। এর ব্যত্যয় যে করতে চাইবে, তাকে ন্যূনতম ছাড় দেওয়া হবে না। আগামী সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে। ভোটার উপস্থিতি বেশি হবে।

    পর্যবেক্ষকদের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, কোনো পর্যবেক্ষক ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করতে পারবে না। পর্যবেক্ষকদের তালিকা তফশিল ঘোষণার ১০ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হবে।

    পর্যবেক্ষকদের দায়িত্বের সময়সীমা নির্ধারণ করে নির্বাচন কমিশনার জানান, নির্বাচনের আগের দিন, নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচনের পরের দিন— এই তিনদিন পর্যবেক্ষকরা তাদের দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া, ভুয়া পর্যবেক্ষকদের চিহ্নিত ও ঠেকানোর জন্য নির্বাচন কমিশন এবার কঠোর পদক্ষেপ নিতে চলেছে। পর্যবেক্ষকদের পরিচয়পত্রে কিউআর কোড (QR Code) ব্যবহার করা হবে, যা জালিয়াতি প্রতিরোধে সহায়তা করবে জানান তিনি।

  • চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট- ইসি

    চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট- ইসি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী ৩১শে আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। মঙ্গলবার বিকেলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ এ কথা জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, আগামী ১০ই আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর যাচাই বাছাই শেষে ৩১শে আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

    এর আগে গত ২১শে জুলাই ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ চলতি মাসেই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা জানিয়েছিলেন।

    এছাড়া ভোটারের তালিকায় এবার ৪৪ লাখ ৬৬ হাজার নতুন ভোটার যুক্ত হওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।