ট্যাগ আবহাওয়া

  • দুই কারণে ভ্যাপসা গরম

    দুই কারণে ভ্যাপসা গরম

    দিনের শুরুতেই ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ দেশবাসী। সকাল থেকেই রোদের তেজও অনেক বেশি থাকে। আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলোর তথ্য বলছে, রাজধানীর আকাশের প্রায় ৭০ শতাংশ মেঘে ঢাকা থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা খুব বেশি নেই।

    সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ।

    আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ গণমাধ্যমকে বলেন, বর্ষা প্রায় শেষের দিকে। ফলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে এসেছে।

    আবহাওয়া অফিসের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, দেশের উত্তরাঞ্চলে কিছুটা বৃষ্টি হলেও দক্ষিণাঞ্চল একেবারেই নেই।

    আজ সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৪৮ মিলিমিটার। এছাড়া, রংপুরে ৪৩ শতাংশ, নারায়ণগঞ্জে ১৮, ঢাকায় ১৪, বাঘাবাড়ীতে ১৩ ও শ্রীমঙ্গলে ১২ শতাংশ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে এই সময়ে কেবল মোংলায় ২ ও যশোরে ১ শতাংশ বৃষ্টি হয়েছে।

    গতকাল সন্ধ্যায় ফেনী ও রামগতিতে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সে সময় ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ৩৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি।

    অধিদপ্তর আজ সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সবচেয়ে কম তাপমাত্রা ছিল বান্দরবানে ২৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি।

  • সাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

    সাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

    বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে সারাদেশে বৃষ্টি হচ্ছে। দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার বিকেলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া এক বুলেটিনে এ সতর্কবার্তা জানানো হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, লঘুচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

    বুলেটিনে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-উড়িষ্যা এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি একই এলাকায় অবস্থান করছে। লঘুচাপটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

    এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

    লঘুচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠতে পারে। তাই মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

  • দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস

    দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস

    আবারো দুঃসংবাদ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। দেশের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

    বুধবার দেশের সমুদ্র বন্দরসমূহের জন্য জারি করা বিশেষ আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, উত্তর উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম দিকে সরে গিয়ে বর্তমানে উত্তর উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ ঝাড়খন্ড এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশর উপকূলীয় এলাকায় বায়ু চাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। এর প্রভাবে সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার উপর দিয়ে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।’

    সেইসঙ্গে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

    এছাড়া, অপর একটি বিশেষ আবহাওয়া বুলেটিনে বলা হয়, রাজশাহী, পাবনা, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালি, নোয়াখালি, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    বুধবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এসব এলাকার নদী বন্দরসমূহকে ১ নম্বর (পুনঃ) ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

  • টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস, গভীর নিম্নচাপটির অবস্থা যেমন জানা গেল

    টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস, গভীর নিম্নচাপটির অবস্থা যেমন জানা গেল

    উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের গভীর নিম্নচাপটি দুর্বল হয়ে পড়েছে। তবে এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি ও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    এদিকে দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির আভাস মিললেও সিলেটের একটি পয়েন্টে এখনো নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

    আজ মঙ্গলবার আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু স্থানে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণেরও সম্ভাবনা রয়েছে।

    আগামীকাল বুধবার রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ দিন দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।

    আগামী বৃহস্পতিবার রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এ দিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    আগামী শুক্র ও শনিবারও একই ধরনের আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ সময় তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, নিম্নচাপের কেন্দ্রস্থল ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় থাকায় আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

    এদিকে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের আজকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের পর্যবেক্ষণাধীন পানি সমতল স্টেশনগুলোর মধ্যে বর্তমানে কেবল সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে পানির উচ্চতা আট সেন্টিমিটার কমেছে। একই সময়ে সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকার নদ-নদীর পানি কমেছে।

    আগামী দুই দিন পানি আরও কমতে পারে এবং তৃতীয় দিনে স্থিতিশীল থাকতে পারে। এতে আগামী তিন দিনের মধ্যে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সুনামগঞ্জের জারুকুল পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি এখনো সতর্কসীমায় রয়েছে।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা অববাহিকার নদ-নদীর পানি কমছে এবং আগামী তিন দিন এ ধারা অব্যাহত থাকতে পারে। গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকার নদীগুলোর পানি আগামী পাঁচ দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। উত্তরাঞ্চলের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের পানিও কমছে, যদিও ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা এখনো সতর্কসীমায় রয়েছে।

    এ ছাড়া চট্টগ্রাম অঞ্চলের মুহুরী নদীর পানি কিছুটা বেড়েছে, তবে গোমতী, ফেনী, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি কমেছে। আগামী এক দিন এসব নদীর পানি কিছুটা বাড়তে পারে, পরে তা স্থিতিশীল হতে পারে। একই সঙ্গে বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় নদ-নদীতে স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেশি জোয়ার অব্যাহত থাকতে পারে।

    বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, গভীর নিম্নচাপটি দুর্বল হলেও এর প্রভাবে আগামী দুই দিন মাঝারি থেকে মাঝারি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

  • ১০ জেলায় ঝড়ের আভাস

    ১০ জেলায় ঝড়ের আভাস

    দেশের ১০ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে শক্তিশালী ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    শুক্রবার (১২ জুন) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানা গেছে।

    এতে বলা হয়েছে—ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলার ওপর দিয়ে পূর্ব অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

    এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    বি. এ

  • টানা ৯ দিন বৃষ্টির আভাস

    টানা ৯ দিন বৃষ্টির আভাস

    আবহাওয়া পর্যবেক্ষক দল (বিডব্লিউওটি) জানিয়েছে, নতুন বৃষ্টি বলয় আসছে; আগামী ১২ বা ১৩ মে দেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে এ বৃষ্টি বলয় বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়ে বিডব্লিউওটি।

    বিডব্লিউওটি বলছে, বৃষ্টি বলয়ের প্রভাবে টানা ৯ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দফায় দফায় বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তীব্র বজ্রপাতের ঝুঁকি বাড়তে পারে। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়তে পারে রংপুর বিভাগ, ময়মনসিংহ বিভাগ ও সিলেট বিভাগ এলাকায়।

    বিডব্লিউওটি আরও জানায়, ১২ বা ১৩ মে দেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে এ বৃষ্টি বলয় বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। এরপর ১২ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত এটি সক্রিয় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বৃষ্টি টানা না হয়ে বিরতি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে।

    সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর বিভাগ, ময়মনসিংহ বিভাগ ও সিলেট বিভাগে বৃষ্টি বলয়টি সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকবে। একই সঙ্গে উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে তীব্র বজ্রপাতের প্রবল আশঙ্কার কথাও বলা হয়েছে।

    এছাড়া রাজশাহী বিভাগ, ঢাকা বিভাগ ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় মাঝেমধ্যে বৃষ্টি হতে পারে। যদিও এসব অঞ্চলে বড় পরিসরে বা দীর্ঘস্থায়ী বৃষ্টির সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    অন্যদিকে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে, বিশেষ করে খুলনা বিভাগ ও বরিশাল বিভাগ-এ এ বৃষ্টি বলয়ের প্রভাব তুলনামূলক কম থাকতে পারে। সেখানে আবহাওয়া প্রায় স্বাভাবিক থাকতে পারে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও বিচ্ছিন্নভাবে দু-একদিন হালকা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে, তবে তা বড় কোনো পরিবর্তন আনবে না।

  • চুয়াডাঙ্গার আম বাজারে আসবে ১৩ মে, ক্যালেন্ডার প্রস্তুত

    চুয়াডাঙ্গার আম বাজারে আসবে ১৩ মে, ক্যালেন্ডার প্রস্তুত

    আগামী ১৩ মে থেকে বাজারে আসবে চুয়াডাঙ্গার আম। এদিন থেকে আঁটি গুটি ও বোম্বাই আম সংগ্রহ শুরু হবে। আম সংগ্রহের সময়সূচি নির্ধারণে ক্যালেন্ডার প্রস্তুত করা হয়েছে।

    রোববার (১০ মে) দুপুর সাড়ে ৩টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ ক্যালেন্ডার চূড়ান্ত করা হয়। সভায় জেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ, আমচাষি ও ব্যবসায়ীরা অংশ নেন।

    সভায় জানানো হয়, পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন জাতের আম সংগ্রহের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আগামী ১৩ মে থেকে আঁটি, গুটি ও বোম্বাই জাতের আম সংগ্রহ করা যাবে। পর্যায়ক্রমে ২০ মে হিমসাগর, ২৫ মে ল্যাংড়া, ৫ জুন আম্রপালি, ১৫ জুন ফজলি, ২০ জুন হাড়িভাঙা, ২২ জুন ব্যানানা, ৩০ জুন আশ্বিনা, বারি-৪, ৫ জুলাই কাটিমন এবং ৩১ জুলাই থেকে গৌড়মতি আম সংগ্রহ শুরু হবে।

    সভা শেষে জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার বলেন, আম সংগ্রহের জন্য যে ক্যালেন্ডার নির্ধারণ করা হয়েছে, তা আম বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীদের অবশ্যই প্রতিপালন করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে অভিযুক্তদের জরিমানার আওতায় আনা হবে।

    তিনি আরও বলেন, আমে কোনো ধরনের রাসায়নিক বা ফরমালিন মেশানোর প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়মিত বাজার তদারকি করবে বলেও জানান তিনি।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার, আম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস মহলদারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

  • ৭ জেলায় বজ্রপাতের আশঙ্কা

    ৭ জেলায় বজ্রপাতের আশঙ্কা

    দেশের সাত জেলায় বজ্রপাত ও ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (৯ মে) সন্ধ্যার মধ্যে এসব এলাকায় কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পিরোজপুর, বরগুনা, নীলফামারী ও পঞ্চগড় জেলার কিছু স্থানে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি বা বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিশেষ করে বজ্রপাতের সময় ঘরের বাইরে না যেতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর তাদের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জানিয়েছে, এটি মূলত বজ্রপাত-সংক্রান্ত সতর্কবার্তা। বৃষ্টির শুরু, স্থায়িত্ব বা পরিমাণ নির্ধারণের উদ্দেশ্যে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি।

    কারণ, বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগে, চলাকালীন কিংবা বৃষ্টি শেষ হওয়ার পরও বজ্রপাতের শব্দ শোনা যেতে পারে। তাই সর্বশেষ বজ্রধ্বনি শোনার পর অন্তত ৩০ মিনিট পর্যন্ত বজ্রপাতের ঝুঁকি থাকতে পারে।

  • ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস

    ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস

    আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, ঢাকাসহ ৫ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকালে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, বিকাল ৪টা থেকে রাত ১টার মধ্যে ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসময় বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কাও রয়েছে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    এদিকে শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার নিয়মিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের বাকি অংশে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

  • চলতি মাসজুড়েই একাধিক তীব্র তাপপ্রবাহের আশঙ্কা

    চলতি মাসজুড়েই একাধিক তীব্র তাপপ্রবাহের আশঙ্কা

    দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এপ্রিলের শুরু থেকেই তাপপ্রবাহের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। গতকাল অন্তত ২৭ জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি মাসে এক থেকে দুটি তীব্র তাপপ্রবাহ আঘাত হানতে পারে, পাশাপাশি কয়েক দফা মৃদু ও মাঝারি তাপপ্রবাহও দেখা দিতে পারে।শনিবারও দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। তবে শরীয়তপুরসহ কিছু এলাকায় ইতিমধ্যে বৃষ্টি হয়েছে এবং রাজধানী সংলগ্ন এলাকাতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, রোববার থেকে ঝড়-বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে, যা সাময়িকভাবে তাপমাত্রা কমাতে পারে।

    গতকাল রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের সব জেলাসহ ঢাকাসহ মোট ২৭ জেলায় তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। তাপপ্রবাহে আক্রান্ত অন্য জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর, রাঙামাটি, বরিশাল ও পটুয়াখালী।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো এলাকায় তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলা হয়। ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি হলে তা মাঝারি, ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি হলে তীব্র এবং ৪২ ডিগ্রির বেশি হলে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়।

    গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর পরেই ছিল রাজশাহী, যেখানে তাপমাত্রা ওঠে ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে। রাজধানী ঢাকাতেও তাপপ্রবাহ অনুভূত হয়েছে; সেখানে তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা আগের দিনের তুলনায় বেশি।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে এক থেকে দুটি তীব্র তাপপ্রবাহের পাশাপাশি দুই থেকে চারটি মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে।

    আবহাওয়াবিদরা বলছেন, তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকলেও গরমের অনুভূতি বেশি থাকবে, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, ঢাকা, সিলেট ও বরিশালের কিছু এলাকায়।

    ২০২৪ সালে দেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম টানা তাপপ্রবাহ দেখা গেলেও এবার তেমন পরিস্থিতির সম্ভাবনা কম। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, চলতি মাসে একাধিক বজ্রঝড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা তাপপ্রবাহের তীব্রতা কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।

    এপ্রিল মাসে সাধারণত গড়ে ৯টি বজ্রঝড় হয়। পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ মাসে ৫ থেকে ৭ দিন হালকা থেকে মাঝারি এবং ১ থেকে ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখী হতে পারে। পাশাপাশি সাগরে ১ থেকে ২টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা থেকে নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়েরও আশঙ্কা রয়েছে।

    আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এখন তাপপ্রবাহের সময়সীমা বেড়ে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিস্তৃত হচ্ছে। ফলে তাপমাত্রা তুলনামূলক স্বাভাবিক থাকলেও গরমের তীব্রতা বেশি অনুভূত হতে পারে।

    জুন পর্যন্ত পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, এ সময়ের মধ্যে তিন থেকে চারটি তীব্র এবং ছয় থেকে আটটি মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ হতে পারে।