ট্যাগ অবসর

  • ফুটবল হারাল তার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ

    ফুটবল হারাল তার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ

    ক্রীড়া ডেস্ক:

    লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণায় স্তব্ধ হয়ে গেছে ফুটবল বিশ্ব। আর্জেন্টিনার হয়ে দুই দশকেরও বেশি সময়ের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের ইতি টানার খবরকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংবাদমাধ্যম দেখছে একটি যুগের সমাপ্তি হিসেবে।

    সোমবার সন্ধ্যায় আবেগঘন এক বার্তায় আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন মেসি। এই সিদ্ধান্ত তাঁকে কষ্ট দিচ্ছে বলে জানান এই ফরোয়ার্ড। তবে দেশের জন্য নিজের দেওয়ার মতো সবকিছুই দিয়ে ফেলেছেন বলে মনে করেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় সংবাদপত্র ওলে ২০২৬ সালের ৩১ আগস্টকে দেশটির ফুটবল ইতিহাসের একটি স্মরণীয় দিন হিসেবে দেখেছে। তাদের মতে, এই দিনেই মেসি আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করলেন নিজের অতুলনীয় উত্তরাধিকার।

    পত্রিকাটি মেসির বিদায়ী বার্তার ব্যক্তিগত আবহের কথাও তুলে ধরেছে। জাতীয় দলকে ভালোবাসতেন এবং সবসময়ই ভালোবাসবেন—এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে মেসি জানিয়েছেন, মাঠের খেলোয়াড় হিসেবে নয়, এবার বাইরে থেকে একজন সমর্থক হিসেবে তিনি আর্জেন্টিনার পাশে থাকবেন, সুখের সময়েও, কঠিন সময়েও।

    মেসির বিদায়ের পর আর্জেন্টিনার সামনে নতুন এক অধ্যায় শুরু হচ্ছে বলেও মনে করছে ওলে। তার অবসর শুধু একজন খেলোয়াড়ের বিদায় নয়, জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, নেতৃত্ব এবং কোচ লিওনেল স্কালোনির পরবর্তী দল নিয়েও নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

    স্প্যানিশ সংবাদপত্র মার্কা মেসির অবসরকে বিশ্বজুড়ে বোমা ফাটানো খবর বলে মন্তব্য করেছে। আর্জেন্টিনার হয়ে ২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটালেন তিনি। শিরোপা ও রেকর্ডে ভরা সেই যাত্রার পরিসংখ্যানও সহজে ছাপিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।

    আর্জেন্টিনার হয়ে ২০৭ ম্যাচে ১২৫ গোল করেছেন মেসি। জাতীয় দলের ইতিহাসে তিনিই সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা এবং সর্বোচ্চ গোলদাতা।

    কাতালান সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভো মেসিকে অভিহিত করেছে সেরাদের সেরা হিসেবে। তাদের মতে, ‘ফুটবল বিশ্বে বোমা ফাটানো খবর। সুন্দর এই খেলার ইতিহাসে অনেকের চোখে সর্বকালের সেরা ফুটবলার ৩৯ বছর বয়সী লিওনেল মেসি সদ্য আর্জেন্টিনার দলের হয়ে খেলা থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন।’

    ইতালির লা গাজেত্তা দেলো স্পোর্ত মেসির সিদ্ধান্তকে দেখেছে অন্য এক মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে। তাদের কাছে এটি ছিল বেদনাদায়ক তবে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত।

    মেসির বক্তব্য তুলে ধরে পত্রিকাটি লিখেছে, ‘আমার দেওয়ার মতো আর কিছু নেই, আর সামনে দারুণ কিছু তরুণ খেলোয়াড় আছে, যারা এখানে থাকার যোগ্য।’

    আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির শেষটা হয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এবং দুবারের কোপা আমেরিকা জয়ী হিসেবে। দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক শিরোপার অপেক্ষার পর ২০২১ সালে কোপা আমেরিকা জিতে আর্জেন্টিনার হয়ে বড় শিরোপার খরা কাটিয়েছিলেন তিনি। পরের বছর কাতার বিশ্বকাপ জিতে পূর্ণতা পায় তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার।

    ফরাসি সংবাদপত্র লেকিপ গুরুত্ব দিয়েছে মেসির দীর্ঘ আন্তর্জাতি ক্যারিয়ারকে। দুই দশকের বেশি সময় জাতীয় দলের সঙ্গে থাকার পর ৩৯ বছর বয়সে অবসরে যাচ্ছেন তিনি। সিদ্ধান্তটি এখনও তাঁকে ভেতর থেকে কষ্ট দেয় বলেও নিজের বার্তায় জানিয়েছেন মেসি।

    ফরাসি ওয়েবসাইট ফুট মার্কাতো লিখেছে, ‘মেসির অবসর আর্জেন্টাইন ফুটবলের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটাল।’ তাদের মতে, ফাইনালে একের পর এক হতাশার পর ২০২১ সালে মেসির শিরোপার খরা কাটানোই আর্জেন্টিনার সোনালি এক যুগের শুরু; যার চূড়ান্ত পরিণতি ২০২২ সালের বিশ্বকাপ জয়।

    ভারতের দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস আরও আবেগঘন ভাষায় মেসির বিদায়কে তুলে ধরেছে। তাদের শিরোনাম, ‘মেসি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিয়েছেন: ফুটবল তার আত্মার একটি অংশ হারাল।’

    আর্জেন্টিনার টিএনটি স্পোর্টস মেসিকে বিদায় জানিয়েছে, ‘তুমি একজন মহান, অধিনায়ক।’ খবরটি সরাসরি দর্শকদের জানাতে গিয়ে বিশ্লেষক পাবলো হিরালতকে চোখের জল সামলাতেও দেখা গেছে।

    ২০১৬ সালে প্রথমবার আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন মেসি। সেই ঘটনার স্মৃতি টেনে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান শিরোনাম করেছে, ‘মেসি আবার আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিয়েছেন।’ অন্যদিকে দ্য টেলিগ্রাফ লিখেছে, ‘আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুর্দান্ত এক ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটালেন মেসি।’জার্মানি

    র ‘বিল্ড’-এর শিরোনাম ছিল সংক্ষিপ্ত—‘ফুটবলে বিস্ময়: জাতীয় দল থেকে অবসর নিলেন মেসি।’ পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যম আ বোলা’ও একে বলেছে ‘ফুটবল বিশ্বে বোমা ফাটানো খবর’ এবং মেসির সিদ্ধান্তকে অভিহিত করেছে ‘একটি যুগের সমাপ্তি’ হিসেবে।

    জার্মান সংবাদপত্র ডি সাইট-এর মতে, স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের ৪৩ দিন পর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ করার ঘোষণা দিয়েছেন মেসি। তাদের তথ্য অনুযায়ী, ফাইনালের মাত্র দুই দিন পরই, ২১ জুলাই নিজের অবসরের বার্তাটি লিখেছিলেন তিনি। তবে সেটি প্রকাশের আগে অপেক্ষা করেন আরও কিছুদিন।

  • ফাইনালে নামার আগে অবসরের ইঙ্গিত দিলেন মেসি

    ফাইনালে নামার আগে অবসরের ইঙ্গিত দিলেন মেসি

    বিশ্বকাপের ফাইনালে মাঠে নামার আগেই নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা উসকে দিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন, যা অনেকের কাছেই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ইঙ্গিত হিসেবে ধরা হচ্ছে।

    লিওনেল মেসি পুরো আর্জেন্টিনা দলের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে লিখেছেন, ‘একটা পরিবার। গত কিছু বছরে কয়েকটা খেতাব জয়ই শুধু নয়, পুরো যাত্রা পথটাই ছিল অসাধারণ। এই দলের সঙ্গে প্রতিদিনের পথ চলা, একসঙ্গে লড়াই করা, কঠিন মুহূর্তে ঘুরে দাঁড়ানো সবকিছুই। প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করেছি আমরা। আমার প্রত্যেক সতীর্থ, দলের সব টেকনিক্যাল স্টাফ এবং সেই সমস্ত মানুষকে ধন্যবাদ, যাঁরা আমাদের জাতীয় দলকে পরিবারের মতো ধরে রাখতে প্রতিদিন পরিশ্রম করেন। রবিবার যাই হোক না কেন, এই দলটা এমন একটা গল্প লিখে ফেলেছে, যেটা আমরা কখনও ভুলব না। গল্পটা কেউ মুছে দিতেও পারবে না।’

    তিনি লিখেন, ‘চলো আর্জেন্টিনা। আমরা ইতিমধ্যেই বিশেষ কিছুর সাক্ষী হয়েছি। সেমিফাইনালে জাতীয় সঙ্গীত বেজে ওঠার মুহূর্ত থেকেই আমরা অনুভব করতে পারছিলাম। জানি, সমর্থকরা যে কোনও ম্যাচের থেকে বেশি ওই ম্যাচ জিততে চেয়েছিল। প্রথমত, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল। দ্বিতীয়ত, জিততে পারলে আরও একটা বিশ্বকাপ ফাইনাল। এর তাৎপর্য অপরিসীম। আমি জানি আর্জেন্টিনার মানুষ কতটা খুশি হয়েছেন। আমার মা, পরিবারের অন্যেরা আমাকে মানুষের উদ্‌যাপনের ছবি পাঠিয়েছেন। আর্জেন্টিনাবাসীকে এই আনন্দটা দিতে পেরে আমি খুশি এবং গর্বিত।’

    বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে মেসি বলেছেন, ‘এক বছর ধরে প্রস্তুতি নিয়েছি। কঠোর অনুশীলন করেছি। নিজেকে শারীরিক ভাবে সর্বোচ্চ জায়গায় রাখতে সর্বস্ব দিয়েছি। এই মুহূর্তে শুধু উপভোগ করতে চাই। গত বিশ্বকাপ জয় বা অন্য কোনও ট্রফির কথা বলছি না। এই দল সব সময় নিজেদের সেরাটাই দেয়। এই দল কারও কাছে ঋণী নয়। আমাদের এই দল কখনও চেষ্টা করা বন্ধ করে দেয় না। আমরা আমাদের ফুটবল এবং দৃঢ় সংকল্প নিয়ে মাঠে নেমেছিলাম। শেষ পর্যন্ত আমরা আরও একটা বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠেছি।’

    এ নিয়ে তৃতীয়বার আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ ফাইনালে তুললেন মেসি। ২০১৪ সালে রানার্স হয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল তাকে। সেবার জার্মানির কাছে হেরে যায় তার আর্জেন্টিনা। গত বিশ্বকাপ মেসিকে হতাশ করেনি। হাড্ডাহাড্ডি ফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আর্জেন্টিনা। এ বার সামনে স্পেন।

  • অবসর নিয়ে এবার ভোল পাল্টালেন মার্তিনেস

    অবসর নিয়ে এবার ভোল পাল্টালেন মার্তিনেস

    টানা দুই বিশ্বকাপ জয়ের দ্বারপ্রান্তে এখন আর্জেন্টিনা। আগামীকাল নিউজার্সিতে স্পেনকে হারালেই তৃতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপ ধরে রাখার কীর্তি গড়বে আলবিসেলেস্তেরা। আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনালের আগে যখন এমিলিয়ানো মার্তিনেস সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছেন, তখন এসেছে তাঁর অবসরের প্রসঙ্গ।

    মার্তিনেসের অবসরের প্রসঙ্গ ফের এল তাঁর ২০২৪ সালে একটা কথার ওপর ভিত্তি করে। কাতার বিশ্বকাপ জয়ের দুই বছর পূর্তিতে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছিলেন, ‘আমি যদি দুটি বিশ্বকাপ জিতি, তাহলে অবসর নেব।’ স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের আগে অবসর নিয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তা উড়িয়ে দিয়েছেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক।

    অবসর নিয়ে কথাবার্তা যে হয়নি, ব্যাপারটা তা নয়। তবে আপাতত আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক বর্তমানে বাঁচতে চান। আপাতত আগামীকালের ফাইনালে নিয়েই তিনি ভাবছেন। স্পেনের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালের আগে আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক আজ বলেন, ‘হ্যাঁ, সেটা (অবসরের প্রসঙ্গ) এএফএর অনুশীলন মাঠে নিকোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনার সময় এসেছিল। কিন্তু আগে আমাদের জিততে হবে। এখন আমার পুরো মনোযোগ শুধু সেটাতেই (ফাইনাল)।’

    ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সৌদি আরবের কাছে হারের পর জয়রথ ছুটছে আর্জেন্টিনার। ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’ টানা ১৩ ম্যাচ জিতেছে আলবিসেলেস্তেরা। মূল ম্যাচ তো বটেই, টাইব্রেকারে গড়ালে মার্তিনেস রীতিমতো বাজপাখি হয়ে যান। যাঁকে ভেদ করে গোল দেওয়া প্রতিপক্ষ দলগুলোর জন্য রীতিমতো কঠিন হয়ে যায়। গত বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনাল এবং ফ্রান্সের বিপক্ষে ফাইনাল—এই দুই ম্যাচে পেনাল্টিতে মার্তিনেস-বীরত্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আর্জেন্টিনা।

    এবারের বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে একের পর এক রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ জিতলেও কোনোটাতে আর্জেন্টিনা টাইব্রেকারে যায়নি। স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের আগে মার্তিনেস বলেন, ‘গত বিশ্বকাপের তুলনায় এই বিশ্বকাপটা অনেক বেশি উপভোগ করছি। সৌদি আরবের বিপক্ষে ম্যাচের পর আমি খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। আমার দিকে খুব বেশি শট আসেনি। তবু তারা গোল করেছিল। আমি কেবল পেনাল্টি শুটআউটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পেরেছিলাম। আমার মনে হয় এখন পা দিয়ে (বল নিয়ন্ত্রণ ও পাস দেওয়ার ক্ষেত্রে) আরও ভালো খেলছি। রোববার মাঠে নামব। আমাকে আপনারা হাসিমুখেই দেখতে পাবেন।’

    ফিফা গত রাতে নিশ্চিত করেছে আগামীকাল হতে যাওয়া ফাইনালে আর্জেন্টিনা-স্পেনের জার্সি। দুই দলই হোম জার্সি পরে খেলবে। তবে দুই দলকে আলাদা করে চেনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।আর্জেন্টিনা তাদের ঐতিহ্যবাহী আকাশি-সাদা ডোরাকাটা জার্সির সঙ্গে সাদা শর্টস ও সাদা মোজা পরবে। এই জার্সি পরে ১৯৭৮, ১৯৮৬ ও ২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপ জিতেছিল আলবিসেলেস্তেরা। এদিকে স্পেন লাল জার্সির সঙ্গে নেভি ব্লু (গাঢ় নীল) শর্টস ও মোজা পরে খেলবে। স্প্যানিশরা ২০১০ সালে একই জার্সি পরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

    নিউজার্সিতে আগামীকাল স্পেন দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিততে মাঠে নামবে। এর আগে ২০১০ সালে একবারই ফাইনাল খেলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল স্প্যানিশরা। আর্জেন্টিনা নামবে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে। আলবিসেলেস্তেরা রোববার চ্যাম্পিয়ন হলে তৃতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখার কীর্তি গড়বে স্কালোনির দল। এর আগে ইতালি-ব্রাজিলের ছিল এমন কীর্তি।