হাম উপসর্গে মৃত্যু

  • হামের উপসর্গে আরো চার শিশুর মৃত্যু

    হামের উপসর্গে আরো চার শিশুর মৃত্যু

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরো চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যু নেই। শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত) নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৭৪ জনের। এ ছাড়া হামের উপসর্গ দেখা গেছে ৬৯৯ জনের।

    প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গে মারা গেছে ৬৮৯ জন। একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরো ৯৫ জনের। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৭৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে যে চারজনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে তিনজন সিলেট বিভাগের। আর একজন ঢাকা বিভাগের।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৭১০ জনে। তাদের মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী ১৪ হাজার ৩১৮ জন। একই সময়ে ৯৯ হাজার ২৪৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে ৯৫ হাজার ৫২৯ জন হাসপাতাল ছেড়েছে।

  • ২৪ ঘণ্টায় হামে আরো ৮ শিশুর মৃত্যু

    ২৪ ঘণ্টায় হামে আরো ৮ শিশুর মৃত্যু

    হামের প্রকোপ বেড়েই চলছে। দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১৭১ জনের মধ্যে হাম বা এর উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হাম পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ১৯৭ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে। একই সময়ে আরও ৯৭৪ জনের শরীরে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। ফলে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশে মোট ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৮ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে মোট ১৪ হাজার ১০৪ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে সারা দেশে মোট ৯৭ হাজার ৯১৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে এ পর্যন্ত ৯৪ হাজার ২৭৫ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

  • হামে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু

    হামে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর একই সময়ে হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ৯২০ এবং হাম শনাক্ত হয়েছে ১৭২ জনের। সব মিলিয়ে হামের নতুন রোগী পাওয়া গেল এক হাজান ৯২ জন। এনিয়ে সরকারি হিসেবে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট মারা গেছে ৭৭১ শিশু। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৫ শিশুর। বাকী ৬৭৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গে। এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ ২৮ হাজার ৭১ শিশু।

    বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৫ জুলাই সকাল ৮টা পর্যন্ত সন্দেহজনক হামের উপসর্গের রোগী পাওয়া গেছে এক লাখ ১৪ হাজার ১৬৪ শিশু। এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামের রোগী পাওয়া গেছে ১৩ হাজার ৯০৭ শিশু। এ সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৬ হাজার ৮৭৮ শিশু। হাম থেকে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯৩ হাজার ২৬০ শিশু।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে মারা যাওয়া ৫ শিশুর মধ্যে ঢাকা বিভাগের চারজন এবং একজন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা। একই সময়ে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৩৯৮ জন হাম উপসর্গের রোগী পাওয়া গেছে। এর মধ্যে হাম শনাক্ত হয়েছে ৬৫ শিশুর।

  • হাম ও উপসর্গে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু

    হাম ও উপসর্গে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু

    সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশু মারা গেছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৯৬৯টি শিশু।

    রোববার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেইসঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৬৪টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরো ৯৪টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৫৮টি শিশু মারা গেছে।

    এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৯০টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮৭৯। এই সময়ে ৮৪৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৪৩টি শিশু।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১১ হাজার ৪৮০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৫০০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৯৪ হাজার ৩৪০ রোগী, যাদের মধ্যে ৯০ হাজার ৬০৫ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

  • ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৭৮৬

    ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৭৮৬

    দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে নতুন করে আরও ৭৮৬ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে। শনিবার (১১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

  • হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ২৯

    হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ২৯

    গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে সারা দেশে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৬৫২ শিশু। আর নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৩ শিশুর। সব মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৭৪৫ জন। এছাড়াও হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ২৯ জন।

    শুক্রবার (১০ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

  • হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

    হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

    দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৪৬ শিশু হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ ছিল। তবে এই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

    প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৭৪৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৩ শিশু।

    স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছে ৯২ হাজার ৩১ শিশু। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৮৮ হাজার ৪১৯ শিশু।

    অধিদফতরের পরিসংখ্যান বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮ জন। এর মধ্যে ল্যাব টেস্টে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৩ হাজার ১৯৮ শিশুর।

  • ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু

    ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তিনজনই ঢাকা বিভাগে মারা গেছে।

    বুধবার (৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যু বেড়ে হয়েছে ৭৪৫। এরমধ্যে নিশ্চিত হামে ৯৩ জন ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৬৫২ জন মারা গেছে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত ১০৬ রোগী শনাক্ত হয়েছে। মোট শনাক্ত রোগী ১৩ হাজার ৭০ জন।

    অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৭৯৬ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে মোট সন্দেহভাজন রোগী সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ১৮০ জন।

  • হাম উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু: আক্রান্ত ১ হাজার ১০৬

    হাম উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু: আক্রান্ত ১ হাজার ১০৬

    দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১০৬ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। সোমবার (৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা, রাজশাহী ও সিলেটে একজন করে মোট ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে হামে কারও মৃত্যু হয়নি। সবমিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে সোমবার পর্যন্ত সারাদেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৭৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    এদিকে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৫৯ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ৯৪৭ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে সোমবার পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৬ হাজার ৫৬৫ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ১২ হাজার ৭৯১ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে সোমবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৮৯ হাজার ৭৩৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৮৬ হাজার ৬২ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

  • হাম উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু

    হাম উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু

    হামের উপসর্গ নিয়ে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১০৭ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।

    শুক্রবার ( ৩ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে সন্দেহজনক হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে ৯৬৮ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ৯৬১ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে শনাক্ত হয়েছে ১৩৯ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৪২৫ জন।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৭ হাজার ২৬২ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৫৪৩ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট মৃত্যু হয়েছে ৬৩৬ শিশুর। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

  • হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরো ৫ শিশুর

    হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরো ৫ শিশুর

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গ মিলিয়ে ১ হাজার ১১৯ জন শিশু আক্রান্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

    এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৩১ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরো ৯৩ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ, হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭২৪ শিশু মারা গেছে।

    এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ১৫৪ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৬৫। এই সময়ে ৯০২ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৭৭ শিশু।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২ হাজার ৯৯৩, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১২ হাজার ২৮৬। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৮৬ হাজার ৪১১ রোগী, যাদের মধ্যে ৮২ হাজার ৭৫৯ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

  • হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু

    হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু

    দেশে ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা) হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৬২৬ জন এবং নিশ্চিত হামে ৯৩ জন। সব মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭১৯।

    বুধবার (১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

    স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ২৪ ঘণ্টায় ৯৫১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। আর নিশ্চিত হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৬৭ জন।

    দেশে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২ হাজার ২৮ এবং ১২ হাজার ১৩২ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।

  • হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

    হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

    স্বস্থ্য ডেস্ক:

    হামের উপসর্গে সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৪ শিশু মারা গেছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৪৫ শিশু। এতে গত সাড়ে তিন মাসে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭১৬ জনে।

    সোমবার (২৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার (২৮ জুন) সকাল ৮টা থেকে সোমবার (২৯ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে এসব মৃত্যু ও আক্রান্তের ঘটনা ঘটে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১ হাজার ১৪৫ শিশুর মধ্যে ১৪১ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। বাকি ১ হাজার ৪ জন হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে গত প্রায় সাড়ে তিন মাসে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ৬২।

    সবশেষ মারা যাওয়া চার শিশুর মধ্যে দুজন ঢাকার, একজন সিলেটের এবং একজন ময়মনসিংহের বাসিন্দা।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ১ লাখ ২১১ শিশুর। একই সময়ে পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হয়েছে ১১ হাজার ৮৫১ শিশুর।

    এ সময়ের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৩ হাজার ৮০৬ শিশু। তাদের মধ্যে ৮০ হাজার ১৯৩ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৬২ শিশু। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ হাজার ৪১ জন।

  • হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু,

    হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু,

    দেশে হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয় শিশু মারা গেছে। এ সময় হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ৭৮৯ শিশু। হাম শনাক্ত হয়েছে ৪৫ শিশুর। ছয় শিশুর মধ্যে চারজনই মারা গেছে ময়মনসিংহে। এ ছাড়া ঢাকা ও খুলনায় দুই শিশু মারা গেছে।

    শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গে ৬১৫ শিশু মারা গেছে। নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৩ শিশু। এ পর্যন্ত মোট ৭০৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হাম শনাক্ত হয়েছে ৪ হাজার ৬৯৩ শিশুর শরীরে।

    এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২২ হাজার ৪৪২ শিশু। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ১৯ হাজার ১৮ শিশু বাড়ি ফিরেছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৯৮ হাজার ২৬৬ শিশুর। আর হাম শনাক্ত হয়েছে ১১ হাজার ৫৯৪ শিশুর। হাম ও হামের উপসর্গে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ ৯ হাজার ৮৬০ শিশু। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৭৮ হাজার ২৮৭ শিশু।

  • হামের প্রাদুর্ভাবে প্রায় ৭০০ শিশুমৃত্যু!

    হামের প্রাদুর্ভাবে প্রায় ৭০০ শিশুমৃত্যু!

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে আরো ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছে ৮৯৩ জন এবং নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৫২ জনের। এতে সব মিলিয়ে হামের নতুন রোগী পাওয়া গেল ৯৪৫ জন। এ নিয়ে সরকারি হিসাবে গত ১৫ মার্চ থেকে অর্থাৎ একশ তিনদিনে হাম ও হামের উপসর্গে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৭ হাজার ১৫০ জন এবং মোট মৃত্যু হয়েছে ৬৯৮ জনের। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৩ শিশুর। বাকী ৬০৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গে।

    বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৫ জুন সকাল ৮টা পর্যন্ত সন্দেহজনক হামের উপসর্গের রোগী পাওয়া গেছে ৯৬ হাজার ৬৫৩ জন। এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামের রোগী পাওয়া গেছে ১১ হাজার ৪৪২ জন। আর এ সময়ে সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮০ হাজার ৪৯৭ জন। হাম থেকে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৭৮৮ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৯ শিশুর মধ্যে সবাই ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা। আর ‘সন্দেহজনক’ আক্রান্তের মধ্যে সর্বোচ্চ ঢাকা বিভাগে রোগী পাওয়া গেছে ৩৪৮ জন। এর মধ্যে ৩৬ জনের নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত করা হয়েছে। বিভাগওয়ারি মৃত্যুর পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এখন পর্যন্ত হামে সবচেয়ে বেশি ৩১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৫৭ শিশু এবং সন্দেহজনক হাম মৃত্যু হয়েছে ২৬২ জনের। এরপরেই রয়েছে রাজশাহী বিভাগে নিশ্চিত হামে দুইজনসহ মোট ৯০ জন, সিলেটে তিনজনসহ ৭৮ জন, চট্টগ্রামে ১০ জনসহ ৬০ জন, বরিশালে ১৯ জনসহ ৫৮ জন, ময়মনসিংহে দুজনসহ ৫৭ জন, খুলনাতে হামের উপসর্গে ২৭ জন এবং রংপুর বিভাগে হামের উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

  • হাম উপসর্গে ৪ জনের মৃত্যু: আক্রান্ত ১ হাজার ১৭৪

    হাম উপসর্গে ৪ জনের মৃত্যু: আক্রান্ত ১ হাজার ১৭৪

    দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৬১ জনে।

    শুক্রবার (১৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রতিবেদনে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ১৭৪ জন হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন।

  • যে কারনে হামের অপ্রতিরোধ্য ভয়াবহতা

    যে কারনে হামের অপ্রতিরোধ্য ভয়াবহতা

    দেশে শিশুদের মধ্যে মহামারি আকারে হাম ছড়িয়ে পড়ার পর তিন মাস পেরিয়ে গেলেও পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। ফলে প্রতিদিনই জ্যামিতিক হারে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। খবর বিবিসি বাংলার।

    সরকারি হিসাব অনুযায়ী, হাম ও এই রোগের উপসর্গে সংক্রমণের সংখ্যা ইতোমধ্যে ৮৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে এবং প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ৬৫২ শিশু। দীর্ঘ সময় পরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় এবং এত বিপুলসংখ্যক শিশুর মৃত্যুর জন্য অব্যবস্থাপনা ও ভুল সিদ্ধান্তকেই দায়ী করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

    রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. বেনজির আহমেদ এই পরিস্থিতির তীব্র সমালোচনা করেছেন। তার মতে, সরকারের ‘মিস ম্যানেজমেন্ট’ বা অব্যবস্থাপনার কারণেই এত বেশি প্রাণহানি ঘটেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পরও হামকে ‘মহামারি’ ঘোষণা না করা এবং দেশজুড়ে ‘স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা’ জারি না করাটা সরকারের একটি বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।

    জরুরি অবস্থা জারি না করার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ডা. বেনজির আহমেদ জানান, মহামারি ঘোষণা করলে এটিকে নিজেদের ব্যর্থতা বা দুর্বলতা হিসেবে গণ্য করা হবে- এমন একটি অমূলক রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে সরকার এই সিদ্ধান্ত এড়াতে পারে। অথচ শুরুতেই যদি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আইসিইউ সুবিধা বাড়ানো যেত এবং ডাক্তার ও নার্সদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে একসঙ্গে সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণা করা হতো, তবে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা অনেক কম হতো।

    বাংলাদেশ থেকে প্রায় নির্মূল হয়ে যাওয়া হাম পুনরায় ফিরে আসার পেছনে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তুমুল বিতর্ক চলছে। বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এই সংক্রমণের জন্য বিগত আওয়ামী লীগ এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে দায়ী করেছেন। তিনি জানান, প্রতি চার বছর পর পর ‘এমআর টিকা’ ক্যাম্পেইন করার কথা থাকলেও ২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর পূর্ববর্তী সরকারগুলো তা করেনি, যার প্রভাব এখন দৃশ্যমান হচ্ছে। হামের প্রাদুর্ভাবের ক্ষেত্রে আগের দুই সরকারের দায় কতটুকু, তা জানতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে (ডব্লিউএইচও) একটি স্বাধীন তদন্ত করার অনানুষ্ঠানিক অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে জনস্বাস্থ্যবিদদের মতে, প্রাদুর্ভাবের পেছনে আগের সরকারের ভূমিকা থাকলেও গত তিন মাসে এটি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ার পূর্ণ দায় বর্তমান সরকারের।

    সরেজমিনে ঢাকার বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, সবখানেই হামের ওয়ার্ডগুলো রোগী দিয়ে প্রায় কানায় কানায় পূর্ণ। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রোগীর চাপ গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমতে শুরু করেছে।

    চিকিৎসকদের মতে, ঢাকার বাইরে থেকে আসা রোগীরা মূলত নিউমোনিয়ার মতো বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা (কমপ্লিকেশন) নিয়ে দেরিতে হাসপাতালে পৌঁছানোর কারণে তাদের বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়ছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুদের পরিবারগুলো চরম আর্থিক ও মানসিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দিনমজুর আব্দুল গণির মতো অনেক অভিভাবক ধার-দেনা করে সন্তানের চিকিৎসার খরচ জোগাচ্ছেন, আবার অনেকের প্রথম সন্তান হামে মারা যাওয়ার পর দ্বিতীয় সন্তানও একই লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে লড়ছে।

    বিশেষজ্ঞদের অব্যবস্থাপনার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এমএ মুহিত। তিনি দাবি করেন, বর্তমান সরকার রাষ্ট্রক্ষমতার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ১৫ দিন পর এই প্রাদুর্ভাব শুরু হয় এবং সরকার যথাসময়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কারণেই মৃত্যুর সংখ্যা হাজার হাজার না হয়ে তুলনামূলক কম রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের চেষ্টার কমতি নেই বলেও তিনি জানান।

    বর্তমানে সরকার দেশব্যাপী টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে ‘হার্ড ইমিউনিটি’ বা শক্তিশালী রোগপ্রতিরোধ বলয় গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছে। তবে দুই মাস আগে এই কর্মসূচি শুরু হলেও এখনো শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে আবার হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করায় সামনের দিনগুলোতে হাম পরিস্থিতির ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা সরকারের জন্য আরও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ ঢাকার আরও বেশকিছু হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, সবখানেই হামের ওয়ার্ডগুলোতে রোগি প্রায় কানায় কানায় পূর্ণ।

    বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইন্সটিটিউটের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, রোগির চাপ আরও অনেক বেশি ছিল। গত সপ্তাহ থেকে কিছুটা কমতে শুরু করেছে।

  • হাম ও হামের উপসর্গে ৩ মাসে ৬৪৮ জনের মৃত্যু

    হাম ও হামের উপসর্গে ৩ মাসে ৬৪৮ জনের মৃত্যু

    দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হাম-সংশ্লিষ্ট উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪৮ জনে।

    শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। তবে হামের উপসর্গ নিয়ে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে ৬৩ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সঙ্গে সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ৭৬৩ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯২ শিশু। একই সময়ে হাম সন্দেহে মারা গেছে আরও ৫৫৬ জন। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৪৮ জনে।

    একই সময়ে দেশে নিশ্চিত হাম আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০ হাজার ২৪৮। আর সন্দেহভাজন আক্রান্তের সংখ্যা ৮৪ হাজার ৮৯৯।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ১৫ মার্চের পর থেকে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৯ হাজার ৬০৬ জন। এদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৬৫ হাজার ৮৫২ জন।

  • হাম উপসর্গে আরও ১৩ শিশুর মৃত্যু

    হাম উপসর্গে আরও ১৩ শিশুর মৃত্যু

    হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) আরও ১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে মোট ৫১২ শিশুর মৃত্যু হলো।

    গত একদিনে সারাদেশে আরও এক হাজার ৯৬৭ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। আজ শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১৩ শিশুর মধ্যে একজনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়। বাকি ১২ শিশু হামের বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। এরমধ্যে বরিশালে হাম শনাক্ত হওয়া এক শিশু এবং হামের উপসর্গে আরও এক শিশুসহ ২ জন; ঢাকায় হামের উপসর্গে ৪, সিলেটে ৪, চট্টগ্রামে ২ ও ময়মনসিংহে হামের উপসর্গে এক শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম এবং হামের বিভিন্ন উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে মারা গেল ৫১২ শিশু। এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও এক হাজার ৯৬৭টি শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশজুড়ে মোট ৬২ হাজার ৫০৭ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। আক্রান্তদের মধ্যে তীব্র জটিলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় ৪৯ হাজার ৩৮৯ শিশু। হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর এ পর্যন্ত ৪৫ হাজার ১১টি শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে বাকি শিশুরা চিকিৎসাধীন।

    চিকিৎসকরা শিশুদের সুরক্ষায় দ্রুত হামের টিকা নিশ্চিত করার এবং কোনো লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন।

  • ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরো ৭ জনের মৃত্যু

    ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরো ৭ জনের মৃত্যু

    সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরো সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩৬৩ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৫৪ হাজার ৪১৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৫৫ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৪ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা সাত হাজার ৩০৫ জন।

    ১৫ মার্চ থেকে ১৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৯ হাজার ১৬০ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৯৬৮ জন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরো ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ১৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৩৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আরো এক জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ১৪ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

  • হাম ও হামের উপসর্গে আরো ৮ জনের মৃত্যু

    হাম ও হামের উপসর্গে আরো ৮ জনের মৃত্যু

    গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গে আরো আট জনের মৃত্যু হয়েছে। এবং নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৬১৫ জন।

    বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে সিলেট বিভাগে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে ময়মনসিংহ বিভাগে ২ জন ছাড়াও ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে হামের উপসর্গে একজন করে মোট ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বুধবার পর্যন্ত সারাদেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৪৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    এদিকে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১২৬ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ১ হাজার ৪৮৯ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বুধবার পর্যন্ত মোট ৫৩ হাজার ৫৬ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ৭ হাজার ১৫০ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বুধবার পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩৮ হাজার ৫৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদে

  • হাম উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু

    হাম উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু

    গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এসময়ে নতুন রোগী সনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৬৫৪ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, হামে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে গত দেড় মাসে সারা দেশে ৩২৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৫৪ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ২৬৩ জন।

    চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে গতকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৪২ হাজার ৯৭৯ শিশুর। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৯ হাজার ৮৩১ শিশু। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরেছে ২৬ হাজার ৩৬৮ শিশু। আজ নতুন করে সনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৬৫৪ জন রোগীর।