ক্যাটাগরি শেয়ারবাজার

  • আইপিওর পাশাপাশি ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের সুযোগ দিচ্ছে বিএসইসি

    আইপিওর পাশাপাশি ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের সুযোগ দিচ্ছে বিএসইসি

    দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে আগ্রহী কোম্পানিগুলোর জন্য আইপিওর পাশাপাশি ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। নতুন মূলধন প্রয়োজন এমন কোম্পানিগুলো বিদ্যমান নিয়ম মেনে আইপিওর মাধ্যমে বাজারে আসতে পারবে। আর নতুন মূলধনের প্রয়োজন নেই, তবে পুরোনো শেয়ারধারীদের শেয়ার অফলোডের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত হতে চায়—এমন প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির জন্য রাখা হচ্ছে ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের পথ।

    বুধবার বিএসইসির পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যেসব কোম্পানি আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে চায়, তাদের ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক অফার অব ইকুইটি সিকিউরিটিজ) রুলস ২০২৫’ অনুসরণ করে আবেদন করতে হবে। ইতোমধ্যে আইপিওর জন্য আবেদন করা কিংবা নতুন করে আবেদন করতে ইচ্ছুক কোম্পানিগুলোকে ভবিষ্যতে বিধিমালায় পরিবর্তন আসতে পারে—এমন কারণে তাদের আবেদন স্থগিত বা প্রক্রিয়া বিলম্বিত করার প্রয়োজন নেই।

    বিএসইসি জানিয়েছে, ভবিষ্যতে আইপিও-সংক্রান্ত বিধিমালায় কোনো সংস্কার, সংশোধন বা শিথিলতা আনা হলে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বর্তমানে আবেদন করা কোম্পানিগুলোও সেই সুবিধার আওতায় আসবে।

    অন্যদিকে, এমন কিছু প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি রয়েছে যাদের ব্যবসা পরিচালনা বা সম্প্রসারণের জন্য নতুন মূলধন সংগ্রহের প্রয়োজন নেই। তবে বিদ্যমান শেয়ারধারীরা তাদের হাতে থাকা শেয়ার অফলোড করে পুঁজিবাজারে কোম্পানিটির তালিকাভুক্তি চান। এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য ডাইরেক্ট লিস্টিংকে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করছে কমিশন।

    প্রস্তাবিত ডাইরেক্ট লিস্টিং ব্যবস্থায় কোম্পানিকে নতুন শেয়ার ইস্যু করে জনসাধারণের কাছ থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে হবে না। বরং বিদ্যমান শেয়ারধারীদের হাতে থাকা শেয়ার অফলোডের মাধ্যমেই স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকবে।

    এ জন্য ইতোমধ্যে ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক অফার অব ইকুইটি সিকিউরিটিজ) রুলস ২০২৬’-এর খসড়া তৈরি করেছে বিএসইসি। খসড়াটি জনমত আহ্বানের জন্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বিধিমালায় নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণকারী কোম্পানিগুলো ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের জন্য আবেদন করতে পারবে।

    বিএসইসির ভাষ্য, ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের প্রস্তাবিত কাঠামো কার্যকর হলে পুঁজিবাজারে নতুন ও সক্ষম কোম্পানির অংশগ্রহণ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে বিদ্যমান শেয়ারধারীদের শেয়ার অফলোডের সুযোগ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি বাজারের গভীরতা ও পরিধিও বাড়তে পারে।

    কমিশন জানিয়েছে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক অফার অব ইকুইটি সিকিউরিটিজ) রুলস ২০২৬’ খুব শিগগির গেজেট আকারে প্রকাশ করে কার্যকর করা হবে। ফলে প্রস্তাবিত ডাইরেক্ট লিস্টিং কাঠামোর আওতায় পড়তে পারে এবং পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে আগ্রহী কোম্পানিগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিএসইসি।

    কমিশনের মতে, কোম্পানির ধরন ও প্রয়োজন বিবেচনায় তালিকাভুক্তির সুযোগ আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি দেশের পুঁজিবাজারে ভালো ও সক্ষম কোম্পানির অংশগ্রহণ বাড়াতে নীতিগত ও নিয়ন্ত্রক সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

  • বিএসইসি’র সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালো ডিএসই

    বিএসইসি’র সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালো ডিএসই

    দেশের স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে স্বাধীনভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণের মানদণ্ড নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের ক্ষমতা প্রদানের বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (ডিএসই)।

    বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) এ সংক্রান্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএসইসি’র এই পদক্ষেপকে দেশের পুঁজিবাজারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করে এটি বাজারের দক্ষতা বৃদ্ধি করবে ও বাংলাদেশের শেয়ারবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে সাহায্য করবে বলে জানিয়েছে ডিএসই।

    এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গত ১ জুলাই সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬৯-এর ধারা ২০ক-এর অধীনে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ যুগান্তকারী আদেশ জারি করেছে।

    এ আদেশের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের যথাযথ সুরক্ষা, বাজারে সুষ্ঠু, কার্যকর ও স্বচ্ছ লেনদেন নিশ্চিতকরণ, সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখা এবং দেশের পুঁজিবাজারের সার্বিক উন্নয়ন সহজতর করার লক্ষ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি. (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি. (সিএসই)-কে নিজস্ব প্রবিধান ও নীতিমালা অনুযায়ী বাজার নিয়ন্ত্রণ প্যারামিটারসমূহ স্বাধীনভাবে নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

    নতুন আদেশ অনুযায়ী, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) প্রাসঙ্গিক প্রবিধান, নীতিমালা এবং পরিচালনগত প্রয়োজনীয়তার আলোকে বাজার পরিচালনার বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণ প্যারামিটার নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের ক্ষমতা পাবে। তবে, এসব প্যারামিটারে কোনো পরিবর্তন আনা হলে সংশ্লিষ্ট স্টক এক্সচেঞ্জকে তা অবিলম্বে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-কে অবহিত করতে হবে এবং বাজারের সব অংশগ্রহণকারীর কাছে পরিবর্তনের বিষয়ে যথাযথভাবে প্রচার ও অবহিতকরণ নিশ্চিত করতে হবে।

    বিএসইসি বলেছে, এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হলো বিনিয়োগকারী সুরক্ষা জোরদার করা, একটি সুশৃঙ্খল লেনদেন পরিবেশ বজায় রাখা এবং দেশের পুঁজিবাজারের টেকসই উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য ন্যায্য, দক্ষ ও স্বচ্ছ লেনদেনকে উৎসাহিত করা।

  • শেয়ারবাজারে বড় উত্থান : ১,৩৭১ কোটি টাকার লেনদেন

    শেয়ারবাজারে বড় উত্থান : ১,৩৭১ কোটি টাকার লেনদেন

    সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক ও লেনদেন- উভয় ক্ষেত্রেই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।

    ডিএসইর বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, রোববার মোট ৩৯৪টি কোম্পানির ৪৪ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার ৭৮২টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট হাতবদল হয়েছে। এতে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৭১ কোটি ৩ লাখ ৮২ হাজার ৬৩৮ টাকা।

    দিন শেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৬৬ দশমিক ৯৪ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৭১৯ দশমিক ৭৬ পয়েন্টে অবস্থান করে। ডিএসই-৩০ সূচক ৩১ দশমিক ৪১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ১৬২ দশমিক ৫৭ পয়েন্টে। এছাড়া ডিএসইএস শরিয়াহ সূচক ১৩ দশমিক ৩১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৫৬ দশমিক ৯৬ পয়েন্টে পৌঁছেছে।

    লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২১৩টির শেয়ারদর বেড়েছে, ১৩৩টির কমেছে এবং ৪৮টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

    লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো বেক্সিমকো ফার্মা, এনসিসি ব্যাংক, আইটিসি, ডমিনেজ স্টিল, আইপিডিসি, ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, বিডি থাই, স্কয়ার ফার্মা এবং আরো একটি বেক্সিমকো ফার্মা সংশ্লিষ্ট সিকিউরিটি।

    দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো- বেক্সিমকো ফার্মা, দেশ গার্মেন্টস, ইন্দো-বাংলা ফার্মা, ফারইস্ট নিটিং, ক্রাউন সিমেন্ট, মিনেজ স্টিল, ইন্ট্রা লিজিং, আইটিসি, প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, মিডল্যান্ড ব্যাংক।

    দর কমার ক্ষেত্রে শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো- ড্যাফোডিল কম্পিউটারস, সিএপিএম আইবিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, ন্যাশনাল ফিডস, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, এসকে ট্রিমস, তুংহাই ইন্ডাস্ট্রিজ, জেনারেশন নেক্সট, রিজেন্ট টেক্সটাইল।

  • ইলন মাস্ক শেয়ারবাজারে ৩ দিনে হারালেন ৬০০ বিলিয়ন ডলার

    ইলন মাস্ক শেয়ারবাজারে ৩ দিনে হারালেন ৬০০ বিলিয়ন ডলার

    শেয়ারবাজারে দুর্দান্ত অভিষেকের পর টানা তিন দিন ধরে কমছে স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি শত শত বিলিয়ন ডলারের বাজারমূল্য হারিয়েছে। ইলন মাস্কের নেতৃত্বাধীন কোম্পানিটি প্রথমবারের মতো ইনভেস্টমেন্ট-গ্রেড বন্ড (বিনিয়োগ-যোগ্য বন্ড) বিক্রি করার ঘোষণা দেওয়ার পরই এই ধস নামে। মূলত নিজেদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতের উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণে বড় ধরনের ঋণ নেওয়ার অংশ হিসেবে এই বন্ড ছাড়ছে কোম্পানিটি।

    গতকাল সোমবার স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম ১৬ শতাংশ কমে ১৫৪.৬০ ডলারে নেমে বন্ধ হয়েছে। এটি কোম্পানিটি লেনদেন শুরু করার পর থেকে সর্বনিম্ন স্তর। এর ফলে গত তিন দিনে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম কমেছে মোট ২৩ শতাংশ। এই সময়ের মধ্যে স্পেসএক্স ৬০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বাজার মূল্য হারিয়েছে। বর্তমানে কোম্পানিটির মোট বাজার মূলধন ২ ট্রিলিয়ন ডলারের সামান্য ওপরে রয়েছে।

    জোন্সট্রেডিংয়ের প্রধান বাজার কৌশলবিদ মাইকেল ও’রুরকে বলেন, ‘বিক্রেতারা আবার নিয়ন্ত্রণে ফিরে এসেছেন। বিশ্বের যারা এটি কিনতে চেয়েছিলেন, তারা ইতোমধ্যে তা কিনে ফেলেছেন।’

    রেকর্ড ৭৫ বিলিয়ন ডলারের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও ছাড়ার পর স্পেসএক্সের প্রথম দিনগুলোর লেনদেনে ব্যাপক ওঠানামা দেখা গেছে। সাধারণত কম ফ্লোট (লেনদেনের জন্য থাকা শেয়ারের স্বল্পতা) এবং খুচরা বিনিয়োগকারীদের উচ্চ আগ্রহ থাকা নতুন আইপিওগুলোর ক্ষেত্রে এমন অস্থিরতা দেখা যায়। লেনদেনের প্রথম দিনে মোট শেয়ারের মাত্র ৪.২ শতাংশ বাজারে লেনদেনের জন্য উন্মুক্ত ছিল। তবে সোমবারের এই বড় লোকসানের পরও স্পেসএক্স বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম কোম্পানি হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে। বর্তমানে এর শেয়ারের দাম আইপিও মূল্য ১৩৫ ডলারের চেয়ে প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি রয়েছে।

    রকেট, স্যাটেলাইট এবং এআই খাতের এই বৃহৎ প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্রথম বন্ড ইস্যু থেকে অন্তত ২০ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহের চেষ্টা করছে বলে গত সপ্তাহে ব্লুমবার্গ জানিয়েছে। এ ছাড়া স্পেসএক্স গত সোমবার রিফ্লেকশন এআই নামের একটি এআই স্টার্টআপকে কম্পিউটিং রিসোর্স বা তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধা দেওয়ার জন্য কোটি কোটি (মাল্টিবিলিয়ন) ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

    গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইলন মাস্কের এক্সএআই অধিগ্রহণের মাধ্যমে স্পেসএক্স কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের সঙ্গে যুক্ত হয়। এই কারণে তাদের এই লিস্টিং বা তালিকাভুক্তির বিষয়টি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের কৌতূহল ছিল। কারণ তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যানথ্রোপিক পিবিসি এবং ওপেনএআই উভয় কোম্পানিই চলতি বছরের মধ্যে বাজারে আসার পরিকল্পনা করছে। বাজারে আসার সময় তাদের সম্ভাব্য বাজার মূল্য ১ ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

    ভান্ডা রিসার্চের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক ইতিহাসের যেকোনো আইপিও-র তুলনায় স্পেসএক্সের (যার আনুষ্ঠানিক নাম স্পেস এক্সপ্লোরেশন টেকনোলজিস কর্পোরেশন) খুচরা বা রিটেইল লেনদেন ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী। এই ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা প্রথম পাঁচ কার্যদিবসে নেট ৪০৫ মিলিয়ন ডলারের শেয়ার কিনেছেন।

  • ডিএসইতে লেনদেন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে

    ডিএসইতে লেনদেন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে

    সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার পুঁজিবাজারে সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন কমেছে। তবে ডিএসইতে লেনদেন এক হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

    ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, রবিবার ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ২১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৬৩৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে শরিয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট কমে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ২ পয়েন্ট বেড়ে যথাক্রমে ১ হাজার ১৪৮ ও ২ হাজার ১৪৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

    এদিন ডিএসইতে ১ হাজার ২ কোটি ৪৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে প্রায় ১৯৫ কোটি টাকা কম। আগের দিন ডিএসইতে ১ হাজার ১৯৭ কোটি ২১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছিল।

    রবিবার ডিএসইতে ৩৯৬টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৭১টি কোম্পানির, কমেছে ২৯৮টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৭টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দর।

    অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১০৪ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৩৫৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

    এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২২৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ৬৯টির, কমেছে ১৩৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর।

    রবিবার সিএসইতে ৩০ কোটি ৪০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ৫৩ কোটি টাকা কম। আগের দিন সিএসইতে ৮৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছিল।

  • ডিএসইতে সূচকের ঊর্ধ্বগতি, লেনদেন ১১৯৭ কোটি টাকা

    ডিএসইতে সূচকের ঊর্ধ্বগতি, লেনদেন ১১৯৭ কোটি টাকা

    সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের ঊর্ধ্বগতির মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। আজ ডিএসইতে মোট ৩৯৬টি কোম্পানির ৪৩ কোটি ৮৩ লাখ ২৮ হাজার ৩১৩টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল এক হাজার ১৯৭ কোটি ২১ লাখ ১৫ হাজার ২৬৭ টাকা।

    বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৩৯ দশমিক ৭৬ পয়েন্ট বেড়ে পাঁচ হাজার ৬৬১ দশমিক ৩৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এছাড়া ডিএসই-৩০ সূচক ৩০ দশমিক ৭ পয়েন্ট বেড়ে দুই হাজার ১৪৩ দশমিক ১২ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক (ডিএসইএস) ১৪ দশমিক পাঁচ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ১৫০ দশমিক ৪৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

    লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৭৬টির শেয়ারদর বেড়েছে, ১৮৫টির কমেছে এবং ৩৫টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

    লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো বেক্সিমকো ফার্মা, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, আইপিডিসি, রবি আজিয়াটা, এনসিসি ব্যাংক, ন্যাশনাল ফিড, বিডি থাই, ব্র্যাক ব্যাংক, বিডি থাই ফুড এবং এপেক্স স্পিনিং।

    দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো ফার্স্ট জনতা মিউচুয়াল ফান্ড, ট্রাস্ট ব্যাংক প্রথম মিউচুয়াল ফান্ড, এলআর গ্লোবাল মিউচুয়াল ফান্ড-১, গ্রিন ডেল্টা মিউচুয়াল ফান্ড, এপেক্স স্পিনিং, আইএফআইসি ব্যাংক প্রথম মিউচুয়াল ফান্ড, ক্রাউন সিমেন্ট, এবিএল প্রথম মিউচুয়াল ফান্ড, এমবিএল প্রথম মিউচুয়াল ফান্ড এবং এনসিসি ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড-১।

    অন্যদিকে দর পতনের শীর্ষে ১০ কোম্পানি হলো শ্যামপুর সুগার, বেক্সিমকো লিমিটেড, রিজেন্ট টেক্সটাইল, পিপলস লিজিং, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, বিডি থাই ফুড, আজিজ পাইপস, মেঘনা পেট, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট এবং নিউলাইন।

  • শেয়ারবাজারে দরপতন

    শেয়ারবাজারে দরপতন

    দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমায়, বাজারে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে।

    দিনভর লেনদেনে ডিএসইতে মোট ৩৯১টি কোম্পানির ২৪ কোটি ৭২ লাখ ৭৬ হাজার ৪৩৩টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট হাতবদল হয়।

    এতে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৭৬৭ কোটি ৬৮ লাখ ৩১ হাজার ৮৪০ টাকা।

    সূচকের মধ্যে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৮ দশমিক ৮৬ পয়েন্ট কমে ৫,২৪৮ দশমিক ৩৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

    ডিএসই-৩০ সূচক আট দশমিক ০৮ পয়েন্ট কমে ২,০০৯ দমমিক ০৯ পয়েন্টে ও শরিয়াহ সূচক (ডিএসইএস) এক দশমিক ৯২ পয়েন্ট কমে ১,০৫৮ দশমিক ৫১ পয়েন্টে নেমে আসে।

    লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১০৮টির, কমেছে ২১৬টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৭টির শেয়ার।

    লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে ছিল মুন্নু সিরামিকস, ডমিনেজ স্টিল, মালেক স্পিনিং, টেকনো ড্রাগ, জিকিউ বলপেন, তৌফিকা ফুড, সিটি ব্যাংক, বেক্সিমকো ফার্মা, উত্তরা ব্যাংক ও মীর আখতার।

    দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে মুন্নু সিরামিকস, মোজাফফর হোসেন স্পিনিং মিলস, সিলকো ফার্মা, সিকদার ইন্স্যুরেন্স, এপেক্স স্পিনিং, সায়হাম টেক্সটাইল, টেকনো ড্রাগ, মালেক স্পিনিং, এপেক্স ট্যানারি ও জেএমআই হাসপাতাল।

    অন্যদিকে দর পতনের শীর্ষ ১০ কোম্পানির তালিকায় রয়েছে ফারইস্ট ফাইন্যান্স, ইন্ট্রাকো রিসোর্সেস, প্রিমিয়ার লিজিং, ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স, বিআইএফসি, হামিদ ফেব্রিক্স, প্রাইম ফাইন্যান্স, বিডি ওয়েল্ডিং, তাকাফুল ইন্স্যুরেন্স ও কেপিসিএল। বাসস