ক্যাটাগরি শেরপুর

Sherpur district

  • নালিতাবাড়ী ১৬৪ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ

    নালিতাবাড়ী ১৬৪ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,
    মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে শেরপুরের নালিতাবাড়ী সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ১৬৪ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    মঙ্গরবার (৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলার কাটাবাড়ীনামক স্থানে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    বিজিবি জানায়, মঙ্গরবার ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালানবিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার কাটাবাড়ীনামক স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ১৬৪ বোতল ভারতীয় মদ আটক করতে সক্ষম হয় বিজিবি।

    আটককৃত ভারতীয় মদের আনুমানিক মূল্য দুই লাখ ৪৬ হাজার টাকা।

    ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলার আন্তর্জাতিক সীমান্ত রক্ষা এবং যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিজিবি দিনরাত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

    সীমান্তে মাদক, চোরাচালানসহ সব ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

  • ডুবন্ত শিশুকে উদ্ধারে দুই বোনের নদীতে ঝাঁপ, প্রাণ গেল একজনের

    ডুবন্ত শিশুকে উদ্ধারে দুই বোনের নদীতে ঝাঁপ, প্রাণ গেল একজনের

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    শেরপুরের নকলায় মৃগী নদীতে ডুবে যাওয়া এক শিশুকে উদ্ধার করতে গিয়ে লামিয়া আক্তার (১৪) নামে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় তার জমজ বোন সামিয়া আক্তার প্রাণে বেঁচে গেলেও অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেরপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের চরমধুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    মারা যাওয়া লামিয়া আক্তার চরমধুয়া গ্রামের সেলিম রেজার মেয়ে। সে চরমধুয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

    নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার দুপুরে লামিয়া ও তার জমজ বোন সামিয়া ব্রহ্মপুত্রের শাখা মৃগী নদীতে গোসল করতে যায়। এ সময় তারা সিজদা (৮) নামে এক শিশুকে নদীর পানিতে ডুবে যেতে দেখে। তাকে উদ্ধারে দুই বোনই পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। একপর্যায়ে তারা সিজদাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও লামিয়া পানিতে ডুবে যায়।

    পরে স্থানীয়রা চেষ্টা চালিয়ে লামিয়াকে উদ্ধার করে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় সামিয়া আক্তারও অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেরপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

  • নলিতাবাড়িতে বাজি জেতা মহিষ ফেরত দিলেন বিএনপি সমর্থক

    নলিতাবাড়িতে বাজি জেতা মহিষ ফেরত দিলেন বিএনপি সমর্থক

    শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের নির্বাচনী ফলাফলকে কেন্দ্র করে কলসপাড় ইউনিয়নের উত্তর নাকশী গ্রামে ঘটে যাওয়া ব্যতিক্রমী ‘মহিষ বাজি’ এবার পেল এক মানবিক পরিণতি। মানবিক বিবেচনায় বাজিতে জেতা মহিষটি শেষ পর্যন্ত মালিকের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছেন বিএনপি সমর্থক মো. আব্দুল মান্নান।

    শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নিশ্চিত করেন কলসপাড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবদুল মজিদ। মহিষের মালিকের কষ্ট দেখে হৃদয়ে আঘাত অনুভূত হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

    নির্বাচনের আগে উত্তর নাকশী গ্রামের আব্দুল মান্নান ও বালুঘাটা গ্রামের আমির হোসেনের মধ্যে অভিনব এক বাজি ধরা হয়। শর্ত ছিল দাঁড়িপাল্লা প্রতীক জয়ী হলে আব্দুল মান্নান দেবেন ৬টি মহিষ, আর ধানের শীষ প্রতীক জয়ী হলে আমির হোসেন দেবেন ১টি মহিষ।

    ভোট গণনা শেষে বেসরকারি ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীক বিজয়ী হওয়ায় বাজিতে পরাজিত হন আমির হোসেন। পূর্বনির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী শুক্রবার দুপুরে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে মহিষটি বুঝে নেন আব্দুল মান্নান। মহিষ নিয়ে বিজয় মিছিলের আদলে গ্রামে প্রবেশ করলে এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার কৌতূহলী ভিড় জমে সেই দৃশ্য দেখতে। তবে আনন্দের সেই মুহূর্ত বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

    স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মহিষটি ছিল আমির হোসেনের পরিবারের অন্যতম আয়ের উৎস। মহিষ হারানোর পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। পরিবারের আর্থিক কষ্ট ও জীবিকার অনিশ্চয়তার বিষয়টি সামনে আসতেই বদলে যায় পরিস্থিতি।

    এলাকাবাসী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আব্দুল মান্নান ও আমির হোসেন সম্পর্কে ওরা আত্মীয়, নির্বাচনের আগে তারা মহিষ নিয়ে বাজি ধরেছিল। আমির হোসেন বাজিতে হেরে যাওয়ার পর আব্দুল মান্নান বিএনপির সমর্থক লোকজন নিয়ে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে মহিষটি নিয়ে আসেন এরপর তিনি মানবিক বিবেচনা করে ফেরত দিয়ে দেন। এতে করে আমরা এলাকাবাসী ব্যাপক খুশি হয়েছি।

    আব্দুল মান্নান বলেন, বাজি ছিল নিছক আনন্দের জন্য, কিন্তু কারও জীবিকা বিপন্ন হোক তা তিনি চান না। এরপর গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে মহিষটি আমির হোসেনের হাতে ফিরিয়ে দেন তিনি। তার এই সিদ্ধান্তে উপস্থিত সবাই সাধুবাদ জানান।

    আমির হোসেন বলেন, নির্বাচনের আগে আমরা দুজন মাঠে মহিষ চড়াইতে গিয়ে কথার এক পর্যায়ে বাজি ধরি। নির্বাচনের পর বাজিতে আমি হেরে গেলে আমার প্রতিশ্রুতি মোতাবেক তাকে একটি মহিষ দিয়ে দেই। পরবর্তীতে উনি আমার প্রতি দয়া ও অনুগ্রহ করে, উনার মনোবল বড় বিদায় আমার প্রতি খুব ভালোবেসে মহিষটি ফেরত দেন, এতে করে আমি তার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।

    উল্লেখ্য, শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে বেসরকারি ফলাফলে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুরী বিজয়ী হয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক উত্তাপের মাঝেও এমন মানবিকতার দৃষ্টান্ত এলাকাবাসীর কাছে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। আনন্দের বাজি শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠেছে সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও মানবতার অনন্য উদাহরণ।

  • শেরপুরে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি

    শেরপুরে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি

    শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠিয়ে মো. জাহিদুল হক মনির নামের এক ইউপি সদস্য ও সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রোববার (১৫ মার্চ) দিবাগত রাত প্রায় ১১টার দিকে ঝিনাইগাতী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং–৭১৪) করেছেন তিনি।

    ডেস্ক নিউজঃ

    মনির ঝিনাইগাতী সদর ইউনিয়ন পরিষদের ১নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের শেরপুর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া ঝিনাইগাতী ক্ষুদ্র বণিক সমবায় সমিতির লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের কোষাধ্যক্ষের দায়িত্বসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি।

    জিডি সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল ৭টা ৫২ মিনিটের দিকে তার ব্যবহৃত ০১৭৭৮৯১৯০০০ নম্বরে ০৯৬১০৯৭৩০২৮ নম্বর থেকে একটি বার্তা পাঠানো হয়। বার্তায় লেখা ছিল, ‘মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হও মনির। তুমি খুব তাড়াতাড়ি খুন হবা।’ এ ধরনের হুমকি পাওয়ার পর তিনি নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

    ভুক্তভোগী মো. জাহিদুল হক মনির বলেন, ‘একজন জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিক হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক ও জনস্বার্থমূলক বিষয় নিয়ে কাজ করার কারণে কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করছে। অজ্ঞাত নম্বর থেকে আমাকে এ ধরনের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এতে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করে থানায় জিডি করেছি।’

    ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, হুমকির ঘটনায় সাংবাদিক ও ইউপি সদস্য থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। এ ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এদিকে, এ ঘটনায় স্থানীয় মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

  • শেরপুরে নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার

    শেরপুরে নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার

    শেরপুরে একটি কলাবাগান থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২০ মার্চ) দুপুরে পৌর শহরের মোবারকপুর কইন্যাপাড়া এলাকার একটি কলাবাগান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহটির মাথা থেকে কোমর পর্যন্ত থাকলেও, কোমরের নিচের অংশ কাটা ছিল।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে লোকজন কলাবাগানে গেলে নারীর খণ্ডিত মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা বলেন, অজ্ঞাত ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহটির কোমর থেকে মাথা পর্যন্ত খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়। বাকি অংশ সেখানে ছিল না। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।

  • শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ

    শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ

    শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) স্থগিত আসনের নির্বাচনে বৈধ প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। আজ রোববার (১৫ মার্চ) সকালে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রতীক বরাদ্দ করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।

    এ সময় জামায়াত প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান মাসুদকে প্রতীক হিসেবে দাঁড়িপাল্লা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর আগে বিএনপি প্রার্থী মো. মাহমুদুল হক রুবেলকে ধানের শীষ ও বাসদ (মার্ক্সবাদী) প্রার্থী মিজানুর রহমানের মাঝে কাঁচি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

    এ নির্বাচনে পাঁচজন বৈধ প্রার্থী থাকলেও তাঁদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবু তালেব মো. সাইফুদ্দিন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বাদশা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ায় মোট তিনজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।প্রতীক বরাদ্দকালে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জহিরুল হকসহ বিএনপি এবং জামায়াতের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    পরে প্রার্থী ও তাঁদের কর্মী-সমর্থকসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে আচরণ বিধিমালা প্রতিপালন-বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ বিভাগের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা শাহিনুর ইসলাম প্রামাণিক। ওই সময় তিনি সবাইকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

    উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাতিল হয়। পরে আগামী ৯ এপ্রিল এই আসনে নির্বাচনের ভোট গ্রহণের পুনঃতফসিল ঘোষণা করে ইসি। প্রয়োজন না থাকায় এই আসনে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে না বলে জানা গেছে।

  • ঈদে বাড়ি যাওয়ার পথে মাদ্রাসাছাত্র নিহত

    ঈদে বাড়ি যাওয়ার পথে মাদ্রাসাছাত্র নিহত

    শেরপুরের নকলায় ঈদের ছুটিতে বাড়িতে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে নাজিফ (১২) নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনসহ আহত হয়েছেন আরও চারজন। একটি যাত্রীবাহী বাস সিএনজিচালিত অটোরিকশায় চাপা দেওয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

    ডেস্ক নিউজঃ

    সোমবার দুপুরে ঢাকা-শেরপুর মহাসড়কের নকলা কুর্শা বাইপাস মোড় এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নাজিফ জামালপুর সদর উপজেলার মাস্টারবাড়ি এলাকার পুলিশ কনস্টেবল নজরুল ইসলামের ছেলে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নাজিফের মা সুমি আক্তার (৩৭), ভাই নাহিদ (৮), বোন নওশিন (১৫) ও সিএনজি চালক (৪৮)।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নজরুল ইসলাম ময়মনসিংহের তারাকান্দি থানায় পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত। ঈদ উপলক্ষে তার স্ত্রী ও সন্তানরা সিএনজি অটোরিকশায় করে ময়মনসিংহ থেকে জামালপুর গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। বেলা পৌনে ১২টার দিকে নকলা উপজেলার কুর্শা বাইপাস মোড়ে ঢাকাগামী একটি বেপরোয়া গতির যাত্রীবাহী বাস আরেকটি বাসকে ওভারটেক করতে গিয়ে অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় নাজিফ। দুর্ঘটনায় নজরুলের স্ত্রী সুমি আক্তার, দুই সন্তান ও অটোরিকশা চালক গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে সুমি আক্তার ও নাহিদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্য দুজনকে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ঘাতক বাসটি আটক করা হয়েছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই ঘটনায় পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

  • শেরপুর-৩ আসনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী

    শেরপুর-৩ আসনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী

    জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে বাতিল হওয়া শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বাদশা।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন।

    এর আগে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেন আমিনুল ইসলাম বাদশা। এতে শেরপুর-৩ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের একক প্রার্থীসহ মোট ৪ জন বৈধ প্রার্থী রইলেন।

    বৈধ প্রার্থীরা হলেন- বিএনপি প্রার্থী, সাবেক সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবু তালেব মো. সাইফুদ্দিন ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের (মার্কসবাদী) প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান। আগামী ১৫ মার্চ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর হতে প্রচারণায় নামবেন প্রার্থীরা।

    এর আগে বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম বাদশা বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। পরে ৯ মার্চ আমিনুল ইসলাম বাদশার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে কেন্দ্রীয় বিএনপি।

    জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ১৫ মার্চ প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা শুরু করতে পারবেন। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা নির্বাচন অফিস।

  • আ. লীগ নেতা চন্দন কুমার পালের জামিন বাতিল

    আ. লীগ নেতা চন্দন কুমার পালের জামিন বাতিল

    শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সিনিয়র সহসভাপতি ও সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার পালের জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় জামিনে মুক্ত আসামি চন্দন কুমার পালের পক্ষে করা আবেদন শুনানি না করায় তা নামঞ্জুরক্রমে এ আদেশ দেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান ভুঁইয়া।

    এসময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন দায়রা আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান। তাকে সহায়তা করেন স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট আশরাফুন্নাহার রুবী ও কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক জিয়াউর রহমান।

    জামিন বাতিল ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান।

    এদিকে আওয়ামী লীগ নেতা চন্দন পালের জামিন ইস্যুতে বিচারক ও পিপির অপসারণসহ ৮ দফা দাবিতে এদিন সকাল থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী এবং হতাহত পরিবারের সদস্যরা আদালত চত্বর ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শনসহ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

    এসময় জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মাহামুদুল হাসান রাকিব, এনসিপি নেতা রাশেদুল হাসান দেওয়ান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা শাহনূর রহমান সায়েম, মোর্শেদ জিতুসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলার পর তারা কর্মসূচি স্থগিত করেন।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ নেতা চন্দন কুমার পাল সম্প্রতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হতাহতের ৬ মামলায় উচ্চ আদালত থেকে এবং সর্বশেষ আরো একটি মামলায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর জেলা দায়রা আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়ে পরদিন জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান। আজ ২০ অক্টোবর ছিল সেই মামলার পরবর্তী ধার্য তারিখ।

    আওয়ামী লীগ নেতা চন্দন কুমার পালের মুক্তির খবর জানাজানি হলে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। গুঞ্জন ওঠে, তিনি জামিনে মুক্তির পর দেশত্যাগ করেছেন।

    বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন-পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের পর গত ৬ অক্টোবর সকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জুলাইযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা আদালত, পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রধান গেটে অবস্থান নিয়ে অবরোধ করেন।

    • পরবর্তী সময় ওই দিন বিকেলে চন্দন কুমার পালের দেশত্যাগের আশঙ্কায় তার পাসপোর্ট জব্দ ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের পিপি বিশেষ আবেদন করেন। সেই বিষয়ে শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে চন্দন কুমার পালের পাসপোর্ট জব্দ ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।