ক্যাটাগরি শরীয়তপুর

Shariatpur district

  • চাকরি পৌরসভায়, কাজ করেন প্রশাসকের বাসায়

    চাকরি পৌরসভায়, কাজ করেন প্রশাসকের বাসায়

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    শরীয়তপুরের নড়িয়া পৌরসভায় অফিস সহায়ক পদে চাকরি করেন রিতা রানী ও নাসিমা বেগম। পৌরসভার দাপ্তরিক কাজে সহায়তা করাই তাদের দায়িত্ব। তবে অভিযোগ উঠেছে, দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের পরিবর্তে তাদের দিয়ে নিয়মিত পৌর প্রশাসকের ব্যক্তিগত বাসায় বিভিন্ন কাজ করানো হচ্ছে।

    অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসকের বাসায় যেতে অনিচ্ছা প্রকাশ করলে দুই নারী কর্মচারীকে চাকরি হারানোর ভয় দেখানো হয়। এ অভিযোগ উঠেছে পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার ফিরোজ আহমেদের বিরুদ্ধে। তবে চাকরিচ্যুতির হুমকি দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।

    অভিযোগ অনুসন্ধান

    অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধানে জানা যায়, অফিস সহায়ক রিতা রানী প্রতিদিন সকালে পৌরসভা কার্যালয়ে এসে হাজিরা দেওয়ার পর চলে যান পৌর প্রশাসকের বাসায়। সেখানে প্রায় তিন ঘণ্টা অবস্থান করে দুপুর ১টার দিকে আবার পৌরসভায় ফেরেন তিনি।

    বিষয়টি সরেজমিনে যাচাই করতে নড়িয়া পৌরসভা কার্যালয়ে গিয়ে রিতা রানীকে পাওয়া যায়নি। পরে পৌরসভার কয়েকজন কর্মচারীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে অফিসে এসে হাজিরা দেন। এরপর প্রশাসকের বাসায় চলে যান। সেখানে কাজ শেষে দুপুর ১টার দিকে আবার কার্যালয়ে ফেরেন।

    স্বীকারোক্তি

    পরে দুপুর ১টার দিকে রিতা রানীকে পৌরসভা কার্যালয়ে ঢুকতে দেখা যায়। এ সময় কথা হলে তিনি প্রশাসকের বাসা থেকে কাজ করে ফেরার কথা জানান।

    সপ্তাহে কতদিন প্রশাসকের বাসায় যেতে হয়—জানতে চাইলে রিতা রানী বলেন, ‘প্রতিদিনই যেতে হয়।’

    পৌরসভার একাধিক কর্মচারীর অভিযোগ, রিতা রানীর পাশাপাশি আরেক অফিস সহায়ক নাসিমা বেগমকেও মাঝে মধ্যে প্রশাসকের বাসায় যেতে হয়। অর্থাৎ, তাদের দাপ্তরিক দায়িত্বের বাইরে ব্যক্তিগত বাসার কাজেও পাঠানো হচ্ছে।

    অন্য কর্মচারীদের অভিযোগ

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার এক কর্মচারী বলেন, প্রতিদিন রিতা রানীকে প্রশাসকের বাসায় কাজের জন্য পাঠানো হয়। তিনি যেতে না চাইলে চাকরি চলে যাওয়ার ভয় দেখানো হয়। মাঝে মধ্যে রিতা রানী ও নাসিমা বেগম দুজনকেই একসঙ্গে বাসায় কাজ করতে যেতে হয়।

    ওই কর্মচারীর দাবি, একজন অফিস সহায়ক দিনের বড় একটি সময় পৌরসভা কার্যালয়ের বাইরে থাকায় দাপ্তরিক কাজে অন্য কর্মচারীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।

    ‘স্যারের অনুরোধে পাঠাই’

    দুই নারী কর্মচারীকে প্রশাসকের বাসায় পাঠানোর অভিযোগের বিষয়ে নড়িয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার ফিরোজ আহমেদের সঙ্গে কথা হলে তিনি ক্যামেরার সামনে বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

    তবে তিনি বলেন, প্রশাসকের বাসায় স্থায়ীভাবে কাজের লোক রয়েছে। তিনি বলেন, ‘স্যারের এখানে কেউ থাকেন না। ছোট একটা মেয়ে নিয়ে থাকেন। তার বাসায় পার্মানেন্ট কাজের মানুষ আছে। তবুও মাঝে মধ্যে রিতা তার মেয়েকে একটু রাখতে যায়। স্যারের অনুরোধে আমি পাঠাই।’

    তবে দুই কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

    একপর্যায়ে প্রকৌশলী বলেন, ‘স্যারের জন্য কিছু করলেও তিনি কখনো খুশি হন না। তিনি সবসময় আরও চাইতেই থাকেন।’

    প্রশাসকের সহজ স্বীকারোক্তি

    অভিযোগের বিষয়ে নড়িয়া পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাকি দাসের সঙ্গে কথা হলে তিনিও ক্যামেরার সামনে বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

    তবে পৌরসভার কর্মচারীকে নিজের বাসায় পাঠানোর কথা স্বীকার করেন তিনি।

    লাকি দাস বলেন, ‘আমি ছোট একটা বাচ্চা নিয়ে একা থাকি। আমার বাসায় পার্মানেন্ট কাজের লোক রয়েছে। তবে মাঝে মধ্যে রিতাকে আমার মেয়েকে একটু রাখার জন্য বাসায় পাঠাই।’

    অফিসের কর্মচারী দিয়ে ব্যক্তিগত বাসার কাজ করানো যায় কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা আমি পারি না। তবে মাঝে মধ্যে বাধ্য হয়ে নিতে হয়।’

    পরে তিনি বলেন, ‘এটা একটা ছোট বিষয়। যেহেতু আপনারা বলেছেন, তাকে আর বাসায় নেব না।’

    জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে নড়িয়া পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাকি দাস।

    বিষয়টাকে মানবিক বললেন: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

    এ বিষয়ে নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল কাইয়ুম খান বলেন, ‘বিষয়টা একটু মানবিক। তিনি এখানে একা থাকেন। বাসায় তার ছোট মেয়ে থাকে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘পৌরসভা আমার অধীনস্থ না। তাই এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে চাচ্ছি না। যদিও এসিল্যান্ড হিসেবে তিনি আমার সহকর্মী। সেই ক্ষেত্রে আমি তাকে বলতে পারি, যেন এ ধরনের কাজ সে আর না করে।’

    পৌরসভার কর্মচারীদের দাপ্তরিক দায়িত্বের বাইরে ব্যক্তিগত বাসার কাজে ব্যবহারের অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে প্রশাসকের বাসায় কর্মচারী পাঠানোর বিষয়টি স্বীকার করা হলেও, চাকরিচ্যুতির হুমকির অভিযোগ নিয়ে রয়েছে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য।

  • শরীয়তপুরে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন

    শরীয়তপুরে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন

    শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। নিহত আমির হোসেন সরদার (৪৫) উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের হলইপট্টি এলাকার বাসিন্দা। তিনি পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় ছিলেন।

    গতকাল মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১২টার দিকে ইদিলপুর ইউনিয়নের হলইপট্টি ৪ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পরিবারের ছোট ছেলে সোহেল সরদারের কিছু টাকা চুরির অভিযোগ ওঠে চতুর্থ ভাই জুয়েল সরদারের (২৭) বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রথমে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। বিষয়টি জানার পর বড় ভাই আমির হোসেন সরদার ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে তিনি জুয়েল সরদারকে শাসন করতে কয়েকটি চড় মারেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জুয়েল সরদার পেছন থেকে একটি কাঠ দিয়ে আমির হোসেনের মাথায় আঘাত করেন।

    গুরুতর আহত হয়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

    নিহতের বোন রাশিদা বেগম বলেন, ভাইদের ঝগড়া থামাতে গিয়েই আমার বড় ভাইয়ের প্রাণ গেল। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই। বড় ভাই হিসেবে শাসন করতে গিয়েই আজ তার প্রাণ গেল।

    নিহতের স্ত্রী লাইজু বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ছোট ভাই সোহেল আর মেজ ভাই জুয়েলের মধ্যে টাকা নিয়ে ঝগড়া হয়। আমার স্বামী তখন রাস্তার পাশে বসে মোবাইল দেখছিলেন। পরে বিষয়টি মীমাংসা করতে গেলে জুয়েল ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ পেছন দিক থেকে এসে কাঠ দিয়ে আমার স্বামীর মাথায় আঘাত করে। তখন আমার স্বামী শেষবারের মতো একটা কথাই বলেছিল, ‘আমাকে তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নে’।

    গোসাইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন বলেন, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত জুয়েল সরদার পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

    এ,আর,

  • শরীয়তপুরে ব্যবসায়ীকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা, দুই আসামির বাড়িতে পুলিশের অভিযান

    শরীয়তপুরে ব্যবসায়ীকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা, দুই আসামির বাড়িতে পুলিশের অভিযান

    শরীয়তপুরের ডামুড্যায় ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র দাসকে কুপিয়ে ও শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন দিয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর বাবা পরেশ চন্দ্র দাস বাদী হয়ে তিনজনের নামে মামলাটি করেন। এখন পর্যন্ত তাঁদের কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

    ভুক্তভোগী খোকন চন্দ্র দাস হামলায় অংশ নেওয়া দুজনের নাম বলেছেন। এ ছাড়া পুলিশের তদন্তে আরও একজনের নাম উঠে এসেছে। ওই তিনজনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন ডামুড্যার কনেশ্বর এলাকার সোহাগ খান (২৭), রাব্বি মোল্যা (২১) ও পলাশ সরদার (২৫)। ঘটনার পর থেকে তাঁরা আত্মগোপনে আছেন। পুলিশ দুজনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের বাবাদের আটক করে থানায় আনলেও পরে ছেড়ে দেয়।

    ফেরার সময় সন্ত্রাসীরা তাঁকে প্রথমে কুপিয়ে আহত করে। পরে তাঁর শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে রাতে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সংকটাপন্ন অবস্থায় এখন তাঁকে বার্ন ইউনিটের আইসিইউয়ে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

    এদিকে আহত খোকন হামলাকারী হিসেবে কনেশ্বর এলাকার বাবুল খানের ছেলে সোহাগ খান ও সামছুদ্দিন মোল্যার ছেলে রাব্বি মোল্যার নাম বলেছেন। ঘটনার পর কেউরভাঙা বাজারের ব্যবসায়ী ও তিলই গ্রামের বাসিন্দারা অভিযুক্ত দুজনকে আটকের দাবি জানালে তাঁদের বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তিদের না পেয়ে তাঁদের বাবাদের থানায় নেওয়া হয়। এ ছাড়া পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে ঘটনায় অংশ নেওয়া পলাশ সরদার নামের আরেকজনের নাম জানতে পেরেছে। গতকাল গভীর রাতে থানায় তাঁদের তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন খোকনের বাবা পরেশ চন্দ্র দাস। এরপর সোহাগ ও রাব্বির বাবাকে থানা থেকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

    খোকনের বাবা পরেশ চন্দ্র দাস বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা তার (খোকন) কাছ থেকে ছয় লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার পর হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে আহত করার পর শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। ঈশ্বরের অশেষ কৃপায় সে প্রাণে বেঁচে গেছে। জানি না কত দিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবে। এ ঘটনায় আমি থানায় মামলা করেছি। আমরা চাই, পুলিশ দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনু

  • গোপালগঞ্জে ১০ লাখ টাকাসহ আটক প্রকৌশলীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

    গোপালগঞ্জে ১০ লাখ টাকাসহ আটক প্রকৌশলীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

    গোপালগঞ্জে ১০ লাখ টাকাসহ সড়ক বিভাগের এক উপসহকারী প্রকৌশলীসহ তিনজনকে আটকের ১৮ দিন পর তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত রোববার (৪ জানুয়ারি) দুদকের গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সোহরাব হোসেন মামলাটি করেন। তবে বিষয়টি আজ মঙ্গলবার জানাজানি হয়।

    মামলায় তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন শরীয়তপুর সড়ক বিভাগের পিয়ন মোশারফ হোসেন (৬০) ও চালক মনির হোসেন বেপারী (৪০) এবং গোপালগঞ্জ সড়ক বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদুল ইসলাম (৩৩)।

  • শরীয়তপুরে একই অ্যাম্বুলেন্স চক্র, একই ‘কৌশলে’ জিম্মি, আবার রোগীর মৃত্যু

    শরীয়তপুরে একই অ্যাম্বুলেন্স চক্র, একই ‘কৌশলে’ জিম্মি, আবার রোগীর মৃত্যু

    শরীয়তপুরে একটি অ্যাম্বুলেন্স চক্রের কাছে জিম্মি রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা। গত বছরের আগস্টে অ্যাম্বুলেন্স ‘আটকে’ রাখায় এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছিল। ওই ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়। পরে চক্রের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হলেও রোগী জিম্মি করার ঘটনা বন্ধ হয়নি।

    নবজাতক মৃত্যুর ওই ঘটনার পাঁচ মাসের মাথায় গত মঙ্গলবার সদর হাসপাতাল থেকে এক রোগীকে ঢাকায় নেওয়ার পথে দুই দফায় দেড় ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে। এতে ঢাকায় হাসপাতালে নেওয়ার আগেই ওই অ্যাম্বুলেন্সে থাকা রোগীর মৃত্যু হয় বলে পরিবারের অভিযোগ।

    গত বছরের ১৪ আগস্ট ওই নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় জেলা সিভিল সার্জনের গাড়িচালক আবু তাহের ও শরীয়তপুর স্বাস্থ্য বিভাগের সাবেক গাড়িচালক আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাঁরা অ্যাম্বুলেন্স চক্রের নেতৃত্বে রয়েছেন বলে অভিযোগ। এবার একই চক্রের সদস্য ও নবজাতক মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি সুমন খানের নেতৃত্বে অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখার ঘটনা ঘটল

    তৎপর অ্যাম্বুলেন্স চক্র

    শরীয়তপুরে ৫০ শয্যার ৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ২০ শয্যার ১টি থানা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ১০০ শয্যার ১টি জেলা সদর হাসপাতাল রয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলার হাসপাতালগুলো থেকে প্রতিদিন ৮০ থেকে ১০০ রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। জেলায় সরকারি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে মাত্র ৭টি।

    সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সরকারি অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে প্রতি মাসে ৫০ থেকে ৬০ জনের বেশি রোগী জেলার বাইরে বহন করা হয় না। অন্য রোগীদের বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ওপর নির্ভর করতে হয়।

    রোগীর স্বজন, চালক ও স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জেলার বিভিন্ন এলাকার ও হাসপাতালের রোগীদের ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় নেওয়ার কাজ করছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স চক্র। এ চক্রের ২৭টি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। চক্রটি নিয়ন্ত্রণ করছে শরীয়তপুর স্বাস্থ্য বিভাগের সাবেক গাড়িচালক আবদুল হাই মোল্যা ও সিভিল সার্জনের গাড়িচালক আবু তাহের দেওয়ান। আবু তাহেরের ছেলে রহিম দেওয়ান বাবার হয়ে কাজ করেন। এই তিনজনই নবজাতক মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি।

    চার হাজার টাকা ভাড়া দিতে হয়। আর ওই চক্রের অ্যাম্বুলেন্স নিলে ভাড়া দিতে হচ্ছে সাত–আট হাজার টাকা।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের একজন চালক প্রথম আলোকে বলেন, আগে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স চক্রের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্বাস্থ্য বিভাগের এক কর্মী ও আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক এক সংসদ সদস্যের চাচাতো ভাইয়ের হাতে। ২০২৫ সালের পর সেটি চলে যায় স্বাস্থ্য বিভাগের কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক গাড়িচালকের হাতে।

    ওই চালক আরও বলেন, শরীয়তপুর অ্যাম্বুলেন্স মালিক ও চালক কল্যাণ সমিতির নামে ওই চক্র অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া নিয়ন্ত্রণ করে। তারাই ঠিক করে দেয় কোন গাড়ি কখন রোগী তুলবে, কত ভাড়া নেওয়া হবে। এটার অন্যথা হলেই বিপত্তি।

    অভিযোগপত্রে পাঁচজনের নাম

    সিভিল সার্জনের গাড়িচালক তাহেরের একটি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। সেটি চালান তাঁর ছেলে রহিম।

    ঘটনায় তাহের, রহিমসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নবজাতকের বাবা নূর হোসেন সরদার। অন্য দুই আসামি হলেন স্বাস্থ্য বিভাগের সাবেক গাড়িচালক আবদুল হাই ও অ্যাম্বুলেন্সচালক বিল্লাল মুন্সি। পুলিশ তদন্ত শেষে গত ৩১ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। এতে ওই চার আসামি ছাড়াও চক্রের সদস্য সুমন খানের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    নূর হোসেন সরদার ঢাকায় থাকেন। তিনি বলেন, ‘আমি ছোটখাটো কাজ করি। মামলা পরিচালনা করার মতো আর্থিক সঙ্গতিও নেই। যদি সরকার মামলাটি চালায়, তাহলে হয়তো অপরাধীরা শাস্তি পাবে। আমিও চাই আমার সন্তানের মৃত্যুর জন্য দায়ীদের শাস্তি হোক।’

    নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সিভিল সার্জন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিলেন। কমিটি তদন্ত প্রতিবেদনও দাখিল করেছে। তবে স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো কর্মীর সংশ্লিষ্টতা পায়নি কমিটি।

    সিভিল সার্জনের গাড়িচালক আবু তাহের বলেন, ‘গত বছর যে মামলা হয়েছিল, তাতে আমরা জামিনে আছি। আর ওই ঘটনায় আমার সম্পৃক্ততা নেই, তা স্বাস্থ্য বিভাগের তদন্ত কমিটির কাছে জানিয়েছিলাম।’ তিনি কোনো অ্যাম্বুলেন্স চক্রের সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি করেন।

  • পদ্মা সেতুর টোল থেকে তিন হাজার কোটি টাকা আয়

    পদ্মা সেতুর টোল থেকে তিন হাজার কোটি টাকা আয়

    ৩০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পদ্মা সেতু থেকে ৪৩ মাসে টোল বাবদ আয় ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

    বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, ২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধনের পর থেকে আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত এই টাকা আয় হয়েছে।

    সব ধরনের যানবাহনের পদ্মা সেতু পারাপার করতে হলে টোল দিতে হয়। মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি, বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের জন্য ভিন্ন ভিন্ন টোল হার নির্ধারিত আছে।

    সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২২ হাজারের মতো যানবাহন চলাচল করে। প্রতিদিন গড়ে টোল আদায় হয় আড়াই কোটি টাকা। গত ডিসেম্বর মাসে প্রায় ৮২ কোটি টাকা টোল আদায় হয়েছে।

    মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুর সংযোগকারী দেশের দীর্ঘতম পদ্মা সেতু দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলকে রাজধানীর সঙ্গে যুক্ত করেছে। ওই অঞ্চলের ২১টি জেলার মানুষ এই সেতুর সুবিধা পাচ্ছেন।

    প্রায় চার বছর আগে চালুর পর থেকে সেতুটি দিয়ে যানবাহন পারাপারের সংখ্যা এবং আয় ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে সেতু কর্তৃপক্ষ।

    তারা বলছে, সেতুটি চালু হওয়ার ফলে যাতায়াতের সময় সাশ্রয় হওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং শিল্পজাত পণ্য পরিবহনে এসেছে বিশাল পরিবর্তন।

    পদ্মা সেতুর দুই প্রান্তে (মাওয়া ও জাজিরা) টোল প্লাজায় ইলেকট্রনিক টোল আদায় (ইটিসি) ব্যবস্থা চালু আছে। এই পদ্ধতিতে যানবাহন দাঁড় না করিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল পরিশোধ করা যায়। এর ফলে যানবাহনকে টোল প্লাজায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেনটিফিকেশন (আরএফআইডি) কার্ডের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল আদায়ের ফলে যাতায়াত আরও দ্রুত ও সহজতর হয়েছে।

    সেতু কর্তৃপক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে পদ্মা সেতুর টোল আদায়ের ‘মাইলফলক’ অর্জনের জন্য যানবাহনের মালিক, চালক, শ্রমিক, সেতুর দুই পারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, সেতুর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসহ সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।

    পদ্মা সেতু প্রকল্পে মোট ব্যয় হয় ৩০ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা। ২০০৭ সালে যখন পদ্মা সেতু

  • টাকা চাওয়ায় ফিলিং স্টেশনের কর্মীকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা, গাড়িমালিক সাবেক বিএনপি নেতা ও চালক আটক

    টাকা চাওয়ায় ফিলিং স্টেশনের কর্মীকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা, গাড়িমালিক সাবেক বিএনপি নেতা ও চালক আটক

    রাজবাড়ী সদর উপজেলার গোয়ালন্দ মোড়ে করিম ফিলিং স্টেশনে তেলের টাকা চাইতে যাওয়া শ্রমিককে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ভোররাত সাড়ে চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত রিপন সাহা (৩০) রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ইউনিয়নের সাহাপাড়ার পবিত্র সাহার ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ শুক্রবার বিকেলের দিকে সদর উপজেলার বড় মুরারীপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গাড়ি জব্দসহ মালিক আবুল হাসেমকে (সুজন) (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে। এ ছাড়া পুলিশ গাড়িচালক কামাল হোসেনকেও (৪৩) সদর উপজেলার বানিবহ নিজপাড়া গ্রাম থেকে আটক করেছে।

    আবুল হাসেম সদর উপজেলার বড় মুরারীপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রাজবাড়ী জেলা বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি। পেশায় একজন প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার।

    স্টেশনের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখে যায়, ভোররাত সাড়ে চারটার দিকে কালো রঙের ল্যান্ড ক্রুজার জিপ গাড়ি (ঢাকা মেট্রো ঘ-১৩-৩৪৭৬) পাম্পে এসে তেল নেয়। গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে আছেন শ্রমিক রিপন সাহা ও গাড়িমালিক আবুল হাসেম। কিছুক্ষণ অবস্থানের পর আবুল হাসেম গাড়িতে উঠে বসেন। এরপর গাড়িটি টান দিলে সঙ্গে সঙ্গে রিপনও দৌড় দেন। এ সময় তাঁকে চাপা দিয়েই গাড়িটি চলে যায়।

    রাজবাড়ীর আহ্লাদিপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ভোররাতের দিকে গোয়ালন্দ মোড় করিম ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নিয়ে টাকা না দিয়ে কালো রঙের গাড়িটি চলে যাচ্ছিল। টাকার জন্য রিপনও পিছু নিয়ে দৌড় দিয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক পর্যন্ত যান। পাম্পের আরেক শ্রমিক জাকির হোসেন তাঁদের পেছনে দৌড় দেন। তিনি ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক পর্যন্ত গিয়ে দেখেন, রিপনের মাথা ও মুখ থেতলানো মরদেহ মহাসড়কে পড়ে আছে। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

  • ‘ভোট হবে, কোনো সন্দেহ নেই এবং সংস্কার প্রশ্নে সবাইকে “হ্যাঁ” ভোট দিতে হবে’

    ‘ভোট হবে, কোনো সন্দেহ নেই এবং সংস্কার প্রশ্নে সবাইকে “হ্যাঁ” ভোট দিতে হবে’

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট অনুষ্ঠিত হবে—এ নিয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। সরকার, নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল, ভোটার—সবাই এ নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত। এ ছাড়া সংস্কার প্রশ্নে সবাইকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে বলে জানান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, পানিসম্পদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। ২০ জানুয়ারি রাজবাড়ী শহরের শহীদ খুশি রেলওয়ে আযাদী মাঠে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ র‌্যালির উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন তিনি। বিস্তারিত দেখুন ভিডিও প্রতিবেদনে—

  • চাঁদা আদায়ের অভিযোগে শ্রমিক ইউনিয়নের দুই নেতা আটক

    চাঁদা আদায়ের অভিযোগে শ্রমিক ইউনিয়নের দুই নেতা আটক

    শরীয়তপুর-মাদারীপুর আঞ্চলিক সড়কে ট্রাক থামিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে জেলা ট্রাক, ট্যাংক-লরি ও কাভার্ডভ্যানচালক শ্রমিক ইউনিয়নের দুই নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।

    গতকাল দুপুরে শরীয়তপুর-মাদারীপুর আঞ্চলিক সড়কের আঙ্গারিয়া বাইপাস এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

    আটকৃতরা হলেন- শরীয়তপুর জেলা ট্রাক, ট্যাংক-লরি ও কাভার্ডভ্যানচালক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ হাওলাদার এবং একই সংগঠনের সদস্য নারায়ণ পোদ্দার।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল থেকেই আঙ্গারিয়া বাইপাস এলাকায় শ্রমিক ইউনিয়নের নাম ব্যবহার করে ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র ট্রাক থামিয়ে প্রতি ট্রাক থেকে ৫০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করছিলেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা চাঁদা তোলার বৈধতা জানতে চান। কিন্তু কোনো অনুমতিপত্র দেখাতে না পারায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে খবর পেয়ে আঙ্গারিয়া পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুইজনকে আটক করে। এসময় চাঁদা আদায়ের রশিদ ও আদায়কৃত নগদ অর্থ জব্দ করা হয়।

    এ বিষয়ে আঙ্গারিয়া পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক মতিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করেন।