ক্যাটাগরি বৃত্তি ও পড়াশুনা

  • মেধা, সততা ও দেশপ্রেম দিয়ে দেশ গড়তে হবে; ডা. ফরিদ এমপি

    মেধা, সততা ও দেশপ্রেম দিয়ে দেশ গড়তে হবে; ডা. ফরিদ এমপি

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    মেধা, সততা, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমকে কাজে লাগিয়ে ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনের সংসদ সদস্য ডা. মোসলেহ উদ্দীর ফরিদ।

    তিনি বলেন, শুধু মেধা দিয়ে জীবনে প্রকৃত সফলতা অর্জন সম্ভব নয়; মেধার সঙ্গে নৈতিকতা, সততা ও দায়িত্ববোধের সমন্বয় ঘটাতে হবে। অর্জিত জ্ঞান ও মেধাকে দেশের কল্যাণে কাজে লাগানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আদর্শিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।

    শুক্রবার সকালে যশোরের চৌগাছা পৌর শহরের মৃধাপাড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের হলরুমে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের চৌগাছা উপজেলা শাখা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

    ডা. ফরিদ বলেন, ভালো ফলাফল শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে একজন মানুষের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করে তার চরিত্র, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধের ওপর। তাই জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি দেশ ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চৌগাছা উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি এহসানুল কাদের ইমরোজ। উপজেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি আলফাজ হুসাইনের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কলেজ ক্যাম্পাস সম্পাদক ইউসুফ ইসলাহী।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ছাত্রশিবিরের যশোর জেলা সভাপতি ইসমাইল হোসেন, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা গোলাম মোরশেদ, সেক্রেটারি মাওলানা নুরুজ্জামান, সহকারী সেক্রেটারি মাস্টার কামাল আহমেদ, মাস্টার রহিদুল ইসলাম খান, উপজেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহিম ও আব্দুর রহমান।

    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে অর্নব বিশ্বাস পাপন ও তাজরিন নাহার অর্থি তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

    আয়োজকরা জানান, চলতি বছর চৌগাছা উপজেলার ৪১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১২৬ জন, ২১টি মাদ্রাসা থেকে পাঁচজন এবং কারিগরি বিভাগ থেকে তিনজনসহ মোট ১৩৪ জন শিক্ষার্থী এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জিপিএ প্রাপ্ত ১২০ জন শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন।

  • মেয়েদের উপবৃত্তি ফের চালুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ

    মেয়েদের উপবৃত্তি ফের চালুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের জন্য সার্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর সম্ভাব্যতা পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে বিদ্যালয় পর্যায়ে ‘মিড-ডে মিল’ বা দুপুরের খাবার কর্মসূচির কার্যকারিতা যাচাইয়ে দুটি জেলায় পাইলট প্রকল্প চালুরও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

    সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ‘প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট’ নিয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের চলমান কার্যক্রম, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে ট্রাস্টের ভূমিকা সম্পর্কে সরকারপ্রধানকে বিস্তারিত অবহিত করা হয়। এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে মেয়েদের জন্য চালু হওয়া সার্বজনীন উপবৃত্তি কর্মসূচির প্রভাব ও অর্জন নিয়ে আলোচনা হয়।

    ওই সময় মেয়েদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি ও শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা এবং বাল্যবিয়ে নিরুৎসাহিত করার ক্ষেত্রে এই কর্মসূচির ইতিবাচক প্রভাবের বিষয়গুলো উঠে আসে।
    এরই পরিপ্রেক্ষিতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের জন্য সার্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে সম্ভাব্য ব্যয়, উপকারভোগীর সংখ্যা, বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং প্রত্যাশিত সামাজিক ও শিক্ষাগত প্রভাব বিশ্লেষণ করে একটি সুস্পষ্ট প্রস্তাব প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
    পাশাপাশি, ছেলেদের শিক্ষায় উৎসাহিত করতে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে তাদেরও উপবৃত্তি দেওয়ার বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।

    বৈঠকে শিক্ষার মানোন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিদ্যালয় পর্যায়ে মিড-ডে মিল কার্যক্রমের ব্যবস্থাপনা, খাবারের পুষ্টিমান এবং শিশুদের জন্য নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা খাবার যেন পুষ্টিকর, নিরাপদ ও মানসম্মত হয় এবং কোনোভাবেই খাদ্যের মান নিয়ে আপস করা যাবে না।

    মিড-ডে মিল কার্যক্রম বাস্তবায়নে ব্যয়, ব্যবস্থাপনা দক্ষতা, স্থানীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ এবং খাবারের মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে দুটি বিকল্প পদ্ধতি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। উভয় পদ্ধতির কার্যকারিতা, বাস্তবায়নযোগ্যতা ও সম্ভাব্য ফলাফল যাচাইয়ের লক্ষ্যে পৃথক দুটি জেলায় প্রতিটি পদ্ধতির পাইলট প্রকল্প চালুর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

    বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

    জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    চলতি বছরের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ৮ ডিসেম্বর। এরপর ১০, ১৩ ও ১৫ ডিসেম্বর এ পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষাগুলো সকাল ১০ টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলবে। একইসঙ্গে পরীক্ষার্থীদের জন্য দেয়া হয়েছে ছয়টি বিশেষ নির্দেশনা।

    সুচি দেখুন

    রোববার (২৩ আগস্ট) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এ সূচি প্রকাশ করে।

    সূচি অনুযায়ী, ৮ ডিসেম্বর বাংলা, ১০ ডিসেম্বর ইংরেজি, ১৩ ডিসেম্বর গণিত ও ১৫ ডিসেম্বর বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে।পরীক্ষার্থীদের যেসব নির্দেশনা মানতে হবে- পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে; প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা নিতে হবে। বিজ্ঞান বিষয়ের জন্য দেড় ঘন্টা + বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের জন্য দেড় ঘন্টা সর্বমোট তিন ঘণ্টা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে; পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের থেকে হতে পরীক্ষা আরম্ভের কমপক্ষে সাত দিন পূর্বে সংগ্রহ করবে; পরীক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ উত্তরপত্রের OMR ফরমে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্তভরাট করবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না; পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন; কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোনসহ অন্য কোনো ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস সঙ্গে আনতে পারবেন না।

  • এইচএসসি পরীক্ষার সূচি পরিবর্তনের খবর ভুয়া: শিক্ষা বোর্ড

    এইচএসসি পরীক্ষার সূচি পরিবর্তনের খবর ভুয়া: শিক্ষা বোর্ড

    শিক্ষা ডেস্ক:

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তনের নামে ছড়িয়ে পড়া বিজ্ঞপ্তি ভুয়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি। এ নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    সোমবার (২১ জুলাই) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানু স্বাক্ষরিত এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির নামে ২৭ জুলাই ২০২৬ থেকে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে এমন দাবি করে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে ওই বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

    আরও বলা হয়, এ ধরনের ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম কিংবা বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

    পরীক্ষা-সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত, নির্দেশনা ও বিজ্ঞপ্তি শুধুমাত্র শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয় বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এ কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কোনো তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া বিশ্বাস বা শেয়ার না করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি। একই সঙ্গে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

  • বাংলাদেশকে ৫০০ শিক্ষাবৃত্তি দেবে সৌদি আরব

    বাংলাদেশকে ৫০০ শিক্ষাবৃত্তি দেবে সৌদি আরব

    শিক্ষা ডেস্ক:

    প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনের সঙ্গে আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া।

    বৈঠকে সৌদি সরকার বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে রাজনীতি ও অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে। বিশেষ করে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সৌদি আরব কীভাবে সহযোগিতা করতে পারে, সে বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছর ৫০০ শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। রাষ্ট্রদূত জানান, বিষয়টি ইতোমধ্যেই তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অবহিত করেছেন।

    বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির সুযোগ সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে প্রবেশকে আরও সহজ করা এবং এ ক্ষেত্রে বিদ্যমান নিয়মতান্ত্রিক জটিলতা দূর করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

    এ ছাড়া হজ ও ওমরাহ, দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টির বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সাথে রাষ্ট্রদূতের আলাপ হয়।

    বর্তমানে সৌদি আরবে বসবাসরত প্রায় ৩৮ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি সৌদি আরবের অর্থনীতি ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। একই সঙ্গে তাদের পা

    ঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে উভয় সরকার গুরুত্বারোপ করে।

    সাক্ষাতে সৌদি প্রতিনিধিদলের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন ভাইস অ্যাম্বাসেডর খালিদ সাঈদ এম. আল হাদাল এবং ডেপুটি হেড অব দ্যা কনসুলার সেকশন মুহাম্মদ ফাহাদ ধি. আল সুহাইমি।

  • প্রাথমিক বৃত্তি পেলেন ৭৯ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী

    প্রাথমিক বৃত্তি পেলেন ৭৯ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী

    শিক্ষা ডেস্ক:

    প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ এর ফলাফলে সারাদেশে মোট ৭৯ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে। যদিও নীতিমালা অনুযায়ী ৮২ হাজার ৫০০টি বৃত্তি প্রদানের সিদ্ধান্ত ছিল, বিভিন্ন কারণে শেষ পর্যন্ত ৩ হাজার ২৫৪টি বৃত্তি শূন্য থাকে।

    রোববার (১২ জুলাই) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা-২০২৬ অনুযায়ী, মোট ৮২ হাজার ৫০০টি বৃত্তির মধ্যে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি ছিল ৩৩ হাজার এবং সাধারণ বৃত্তি ৪৯ হাজার ৫০০টি। ট্যালেন্টপুল বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি এবং ২০ শতাংশ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারণ করা হয়। অন্যদিকে সাধারণ বৃত্তির ক্ষেত্রে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডভিত্তিক পাঁচটি করে মোট ৩৯ হাজার ৬০০টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের জন্য উপজেলাভিত্তিক ২০ শতাংশ বৃত্তি সংরক্ষণ করা হয়।

    মন্ত্রণালয় জানায়, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ এ সারাদেশের ৭৮ হাজার ৮১০টি বিদ্যালয় অংশ নেয়। এর মধ্যে সরকারি বিদ্যালয় ছিল ৬৫ হাজার ৬০৫টি এবং বেসরকারি

    বিদ্যালয় ১৩ হাজার ২০৫টি।

    পরীক্ষায় মোট নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৪৫ হাজার ৪১ জন। এর মধ্যে ছাত্র ২ লাখ ৫৬ হাজার ১১৭ জন এবং ছাত্রী ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৯২৪ জন। পরীক্ষায় অংশ নেয় ৪ লাখ ১৯ হাজার ৯৮২ জন, যা মোট নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীর ৬৫ দশমিক ১১ শতাংশ। উপস্থিতদের মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল ৩ লাখ ৪৪ হাজার ১২৭ জন এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের ৭৫ হাজার ৮৫৫ জন। উপস্থিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ছিল ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬৪১ জন (৩৯.৬৮ শতাংশ) এবং ছাত্রী ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪১ জন (৬০.৩২ শতাংশ)।

    প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেয়েছে ৩২ হাজার ৯৬৫ জন। এর মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ের ২৬ হাজার ৩৭৫ জন এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের ৬ হাজার ৫৯০ জন। এছাড়া সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে ৪৬ হাজার ২৮১ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ের ৩৬ হাজার ৪২০ জন এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের ৯ হাজার ৮৬১ জন।

    সব মিলিয়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৭৯ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৩৫ হাজার ৮৯২ জন (৪৫.২৯ শতাংশ) এবং ছাত্রী ৪৩ হাজার ৩৫৪ জন (৫৪.৭১ শতাংশ)।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা কেবল শিক্ষার্থীদের মেধা মূল্যায়নের একটি ব্যবস্থা নয়; বরং তাদের প্রতিযোগিতামূলক, সৃজনশীল ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, কারিগরি বিশেষজ্ঞ, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

  • প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ, যেভাবে জানা যাবে

    প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ, যেভাবে জানা যাবে

    শিক্ষা ডেস্ক:

    প্রকাশ পেয়েছে ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল। বৃত্তি পেয়েছে ৭৯ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী। রোববার দুপুর ১২টায় ফল প্রকাশ করা হয়।

    শিক্ষার্থীরা অনলাইন, এসএমএস এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিজেদের ফলাফল জানতে পারছে।

    যেভাবে জানা যাচ্ছে ফল: যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে মোবাইলের মেসেজ অপশনে DPE লিখে একটি স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, রোল নম্বর ১২৩৪৫৬ হলে লিখতে হবে DPE 123456 এবং পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে শিক্ষার্থীর নাম ও ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

    এ ছাড়া বিস্তারিত ফলাফল ও মার্কশিট দেখতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আইপিইএমআইএস (IPEMIS) ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা’ অপশন নির্বাচন করতে হবে। এরপর রোল নম্বর, জেলা ও উপজেলার তথ্য দিয়ে ‘সাবমিট’ বা ‘ফল দেখুন’ বাটনে ক্লিক করলেই ফলাফল দেখা যাবে।

  • কাল প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

    কাল প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। এই ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষ্যে রোববার দুপুরে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন উপস্থিত থাকবেন।

    এ বছর মোট ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ পাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বাকি ২০ শতাংশ পাবে বেসরকারি বা কিন্ডারগার্টেনের প্রার্থীরা। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ‘ট্যালেন্টপুল’ ও ‘সাধারণ গ্রেড’-এই দুই ভাগে আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়।

    পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া দেশের অন্য সব জেলায় ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত এই পরীক্ষা চলে। আর পার্বত্য তিন জেলা-রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে বিশেষ সময়সূচিতে ১৭ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা নেওয়া হয়।

    এ বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৬ লাখ ৪০ হাজারের কিছু বেশি। তার মধ্যে সাড়ে ৫ লাখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এবং ৯০ হাজার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (কিন্ডারগার্টেন) শিক্ষার্থী।

  • আগামী কাল প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

    আগামী কাল প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

    শিক্ষা ডেস্ক:
    প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল আগামী কাল বৃহস্পতিবার প্রকাশ করা হবে। ফল প্রকাশের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী সেদিন সকাল ১০টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    তথ্য জানান প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের প্রশাসন বিভাগের উপপরিচালক (সংস্থাপন) এ এস এম সিরাজুদ্দোহা এ তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী কাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বৃত্তির ফল ঘোষণা করা হবে। এদিকের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ৬৬ হাজার এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ১৬ হাজার ৫০০টি বৃত্তি বরাদ্দ রাখা হয়েছে। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর অনুপাতে সরকারি বিদ্যালয়ে প্রতি আটজনের মধ্যে একজন এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ে প্রায় সাড়ে পাঁচজনের মধ্যে একজন শিক্ষার্থী বৃত্তি পাওয়ার সুযোগ পাবে।

    দুই ক্যাটাগরিতে বৃত্তি দেওয়া হবে। ট্যালেন্টপুলে (মেধাবৃত্তি) ৩৩ হাজার এবং সাধারণ কোটায় ৪৯ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে।

    বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুলে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা মাসে ৩০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মাসে ২২৫ টাকা করে পাবে। এছাড়া, উভয় শ্রেণির শিক্ষার্থী বছরে এককালীন ২২৫ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবে। পঞ্চম শ্রেণি উত্তীর্ণ হওয়ার পরবর্তী দুই বছর তারা এই সুবিধা ভোগ করতে পারবে।

    ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা অনলাইনে এবং মোবাইল ফোনের এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন। অনলাইনে আইপিইএমআইএস পোর্টালে ফল প্রকাশ করা হবে। এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানার পদ্ধতি পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।

  • যশোর বোর্ডে দ্বিতীয় দিনে অনুপস্থিত ২০০৯, বহিষ্কার দুই

    যশোর বোর্ডে দ্বিতীয় দিনে অনুপস্থিত ২০০৯, বহিষ্কার দুই

    শিক্ষা ডেস্ক:

    যশোর বোর্ডে দ্বিতীয় দিনে অনুপস্থিত ২০০৯, বহিষ্কার দুই

    যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এসএসসি বাংলা (আবশ্যিক) ২য় পত্র পরীক্ষায় ২০০৯ জন পরীক্ষার্থীর অনুপস্থিতি ও ২ জনের বহিষ্কার কেবল একটি দিনের পরিসংখ্যান নয়—এটি বড় এক বাস্তবতার ইঙ্গিত। ২৯৯টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৪৭১ জনের মধ্যে অংশ নেয় ১ লাখ ৩৩ হাজার ৪৬২ জন, যা অংশগ্রহণ সন্তোষজনক হলেও অনুপস্থিতির সংখ্যা উদ্বেগ তৈরি করছে।

    এই পরিস্থিতিকে সাম্প্রতিক সময়ের বৃহত্তর প্রেক্ষাপট থেকে আলাদা করে দেখা কঠিন। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দীর্ঘ সময় শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা, ক্লাস-পরীক্ষা বিঘ্ন, এবং শিক্ষার্থীদের রাজপথমুখী কর্মসূচি শিক্ষার ধারাবাহিকতায় বড় ধাক্কা দিয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়জুড়ে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হওয়া, দাবি-দাওয়াকে কেন্দ্র করে আন্দোলন, এমনকি অটো পাসের মতো সিদ্ধান্ত—এসবের প্রভাব শিক্ষার্থীদের মনস্তত্ত্ব ও পরীক্ষাভিত্তিক প্রস্তুতিতে স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

    শিক্ষাবিদরা বলছেন, দীর্ঘদিনের পড়াশোনার ঘাটতি শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসে প্রভাব ফেলেছে। ফলে অনেকেই পরীক্ষায় অংশ নিতে দ্বিধায় পড়ছে বা প্রস্তুতির অভাবে অনুপস্থিত থাকছে। একই সঙ্গে কিছু ক্ষেত্রে অসদুপায়ের আশ্রয় নেওয়ার প্রবণতাও বাড়তে পারে, যার প্রতিফলন বহিষ্কারের ঘটনায় দেখা যায়।

    পরিসংখ্যান বলছে, খুলনায় ১৮ হাজার ২৫১, যশোরে ১৮ হাজার ৫৭১, কুষ্টিয়ায় ১৬ হাজার ৩৫১সহ বিভিন্ন জেলায় উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ থাকলেও অনুপস্থিতির এই বড় সংখ্যা শিক্ষা ব্যবস্থার ভেতরের দুর্বলতাকে সামনে আনছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে শিক্ষার মান, মূল্যায়ন ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের দক্ষতা—সবকিছুর ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়বে। তাই কেবল পরীক্ষা নেওয়াই নয়, শিক্ষাঙ্গনে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, নিয়মিত পাঠদান নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থীদের আস্থা পুনর্গঠন এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।