ক্যাটাগরি ময়মনসিংহ

Mymensingh district

  • ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন

    ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন

    ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (মমেক) অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসপাতালের নতুন ভবনের তৃতীয় তলায় শিশু ওয়ার্ডে আগুন লাগে। এ সময় আগুনের আতঙ্কে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হলে কয়েকজন পড়ে গিয়ে আহত হন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহ সদর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জুলহাজ উদ্দিন।

    তিনি জানান, সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসপাতালের নতুন ভবনের তৃতীয় তলায় শিশু ওয়ার্ডে হঠাৎ আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। খবর পেয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ফায়ার স্টেশন থেকে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এ সময় ভবনের ভেতরে প্রচণ্ড ধোঁয়া জমে যায়।

    জুলহাজ উদ্দিন বলেন, আগুন লাগার পর রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হুড়োহুড়ি করে নিচে নামার সময় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় এবং কয়েকজন পড়ে গিয়ে আঘাত পান। তবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

    ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন খান জানান, প্রাথমিকভাবে হাসপাতালের লিফটের মেশিন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমও সচল আছে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলেও জানান তিনি।Google News Icon

  • ময়মনসিংহে ড্রাম ট্রাকচাপায় দুইজন নিহত

    ময়মনসিংহে ড্রাম ট্রাকচাপায় দুইজন নিহত

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ময়মনসিংহের ত্রিশালে বালুবাহী ড্রাম ট্রাকের চাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকসহ ২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন।

    সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহ-গফরগাঁও সড়কে উপজেলার কানিহারী তিরখী কালিরবাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক জসিম (৩৮) সদর উপজেলার ২৩নং ওয়ার্ডের সুতিয়াখালী এলাকার মো. মফিজ উদ্দিনের ছেলে।

    এছাড়া, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অজ্ঞাত এক যাত্রী নিহত হয়েছেন।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ থেকে গফরগাঁওগামী যাত্রীবাহী সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি তিরখী এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালুবাহী ড্রাম ট্রাক চাপা দেয়। এতে সিএনজিটি দুমড়ে-মুচড়ে ঘটনাস্থলেই চালক নিহত হন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত ৫ জনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

    ত্রিশাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনসুর আহমেদ জানান, ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া, হাসপাতালে নেয়ার পর আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • যুবলীগ নেতার গোডাউন থেকে ৩৫৫ কেজি সার জব্দ

    যুবলীগ নেতার গোডাউন থেকে ৩৫৫ কেজি সার জব্দ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ময়মনসিংহের গৌরীপুরে যুবলীগ নেতার গুদাম থেকে অবৈধভাবে মজুতকৃত ৩ শত ৫৫ কেজি সার জব্দ করেছে পুলিশ।

    রোববার দুপুড়ে উপজেলার পালুহাটি বাজারের ব্যবসায়ী যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম সুজন (৪৫) এর গোডাউন থেকে এসব সার জব্দ করা হয়। সুজন অচিন্তপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারন সম্পাদক। তিনি পালুহাটি গ্রামের মৃত ওয়াহেদ আলীর ছেলে।

    জানা যায়, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিস আফিয়া আমীন পাপ্পার নেতৃত্বে পালুহাটি বাজারে অভিযান চালায় গৌরীপুর থানা পুলিশ।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান- অবৈধ সার মজুদের খবর পেয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার (ভারপ্রাপ্ত ) কাওসার আহমেদসহ গৌরীপুর থানা পুলিশ নিয়ে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে এ অভিযান চালানো হয়েছে।

    জানা যায়, অভিযানের পূর্বেই খবর পেয়ে যুবলীগ নেতা সুজন গোডাউনে তালা দিয়ে পালিয়ে যান।

    উপজেলা কৃষি অফিসার (ভারপ্রাপ্ত ) কাওসার আহমেদ জানান- সুজন একজন খুচরা কীটনাশক ব্যবসায়ী, কিন্তৃ তিনি খোলা বাজারে সার বিক্রয় বা মজুত করার বৈধতা রাখেন না।

  • জীবিত মাকে মৃত দেখিয়ে ২১ শতক জমি বিক্রি!

    জীবিত মাকে মৃত দেখিয়ে ২১ শতক জমি বিক্রি!

    ভুয়া মৃত্যু সনদ ও ওয়ারিশান দিয়ে দলিল সম্পাদনের অভিযোগ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    জীবিত মাকে সরকারি কাগজপত্রে মৃত দেখিয়ে বসতভিটাসহ ২১ শতক জমি বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে তারই ছেলে আব্দুল জলিলের বিরুদ্ধে।

    ভুয়া মৃত্যু সনদ ও ওয়ারিশান সনদের ভিত্তিতে নান্দাইল সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমি রেজিস্ট্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।

    ঘটনাটি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নের রাজাবাড়িয়া গ্রামের। অভিযোগটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজাবাড়িয়া গ্রামের মরহুম জমসেদ আলীর ছেলে আব্দুল জলিল প্রায় সাত মাস আগে তার জীবিত মা রহিমাকে কাগজপত্রে মৃত দেখিয়ে বসতভিটাসহ ২১ শতক জমি প্রতিবেশী মজিবুর রহমানের কাছে বিক্রি করেন।

    সম্প্রতি মজিবুর রহমান লোকজন নিয়ে ওই জমি ও বাড়ির আশপাশের পানের বরজ ও পুকুর দখলে নেয়ার চেষ্টা করলে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে।

    পরে নান্দাইল সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে দলিলের নকল সংগ্রহ করা হলে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য—জীবিত রহিমাকেই কাগজপত্রে মৃত দেখিয়ে তার সম্পত্তি বিক্রি করা হয়েছে।

    দলিলের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি নান্দাইল সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ১১৫৪ ও ১১৫৫ নম্বরসহ তিনটি দলিলের মাধ্যমে মোট ২১ শতক জমি রেজিস্ট্রি করা হয়। জমির ক্রেতা পূর্ব রাজাবাড়িয়া গ্রামের মরহুম আমির হোসেনের ছেলে মজিবুর রহমান।

    দলিলের সাক্ষী হিসেবে স্বাক্ষর করেছেন একই গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে মো: হোসেন মিয়া। দলিলটি সম্পাদন করেন দলিল লেখক ঝন্টু সরকার।

    জীবিত নারীকে ‘মৃত’ বানানোর প্রমাণ মিলল সরেজমিনে

    শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজাবাড়িয়া গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দলিলে যাকে মৃত দেখানো হয়েছে সেই বৃদ্ধা রহিমা জীবিত। নিজের বাড়ির সামনে বসে থাকা ওই বৃদ্ধা ক্ষোভ ও অশ্রুসজল চোখে বলেন, ‘আমি তো মরছি না। তা অইলে কেরে আমারে মরা বানাইয়া জমি বেচছে? আমি এইডার কঠিন বিচার চাই।’

    এ সময় তার পাশে ছিলেন আব্দুল জলিলের স্ত্রী নাছিমা বেগম, ছোট ছেলে অলি মিয়া, ছোট ছেলের স্ত্রী হাফছা বেগম ও একমাত্র মেয়ে রোকিয়া বেগম।

    আব্দুল জলিলের স্ত্রী নাছিমা বেগম অভিযোগ করেন, তার স্বামী নিজের মাকে জীবিত রেখেও মৃত দেখিয়ে জমি বিক্রি করেছেন। তার দাবি, আব্দুল জলিল জুয়ায় আসক্ত। জুয়া খেলতে গিয়ে এর আগেও পরিবারের আরো জমি বিক্রি করেছেন তিনি।

    ছোট ছেলে অলি মিয়া বলেন, ‘তার বড় ভাই দীর্ঘদিন ধরে জুয়ায় আসক্ত এবং ধারদেনায় জড়িয়ে পড়েছেন।’ জুয়ার দেনা পরিশোধ করতেই মাকে মৃত দেখিয়ে গোপনে জমি বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    অলি মিয়া প্রশ্ন তোলেন, ‘মা যদি মারা না গিয়ে থাকেন, তাহলে তার ভুয়া মৃত্যু সনদ কে দিলো? সেই কাগজের ভিত্তিতে ওয়ারিশান সনদই বা কীভাবে হলো? আর এসব কাগজ দিয়ে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কীভাবে জমির দলিল রেজিস্ট্রি হলো?’

    দলিল লেখক বলছেন, ‘দায়িত্ব আমার নয়’

    অভিযোগের বিষয়ে দলিল লেখক ঝন্টু সরকার বলেন, ‘আমাকে মৃত্যু সনদ ও ওয়ারিশান দেয়া হয়েছে। সেগুলো দেখেই দলিল সম্পন্ন করেছি। যাচাই করার দায়িত্ব আমার নয়।’

    স্থানীয় ইউপি সদস্য মো: হামিদুলের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি মৃত্যু সনদ ও ওয়ারিশান দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘আসলে আমার ভুল হয়ে গেছে। এখন বিষয়টি দেখছি।’

    এদিকে ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের ওপর নানা ধরনের চাপ ও হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

  • ভালুকায় বজ্রপাতে মাটির দেয়াল ধসে শিশুর মৃত্যু

    ভালুকায় বজ্রপাতে মাটির দেয়াল ধসে শিশুর মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ময়মনসিংহের ভালুকায় নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে ঘুমিয়ে ছিল আয়েশা আক্তার নামে চার বছরের এক শিশু। এ সময় বজ্রপাতে মাটির ঘরের দেয়াল ধসে তার মৃত্যু হয়েছে। এতে তার বাবা সিদ্দিক গুরুতর আহত হয়েছেন।

    রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার ধীতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিরুনীয়া গ্রামের সিদ্দিকুর রহমান ও ফারজানা আক্তার দম্পতি তাদের মেয়ে আয়েশা আক্তারকে নিয়ে ধীতপুর এলাকায় তার নানা মন্তাজের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। রোববার সকালে বাড়িতে একটি মাটির ঘরে বাবা সিদ্দিক তার শিশুকন্যাকে নিয়ে ঘুমিয়েছিলেন। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে মাটির দেয়াল ধসে বাবা ও শিশুর ওপর পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই শিশুটির মৃত্যু হয় এবং বাবা সিদ্দিক গুরুতর আহত হন। আহত সিদ্দিককে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ধীতপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হালিম উদ্দিন সরকার রিপন। তিনি বলেন, নিহত শিশুর বাবা সিদ্দিক নিজেও অসুস্থ, তাই স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে তার শ্বশুর বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

  • ‎ঈশ্বরগঞ্জে অবৈধ সার মজুদ, ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

    ‎ঈশ্বরগঞ্জে অবৈধ সার মজুদ, ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উচাখিলা বাজারে অবৈধভাবে সার মজুদের দায়ে এক খুচরা সার বিক্রেতাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অভিযানে বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় অপর এক সার ব্যবসায়ীকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে উচাখিলা বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    অভিযানকালে খুচরা সার বিক্রেতা নুর এ আলমের গোডাউন থেকে বিভিন্ন ধরনের ৬৩৬ বস্তা সার জব্দ করা হয়। জব্দ করা সারের মধ্যে ৩৯১ বস্তা ইউরিয়া, ১৬০ বস্তা ডিএপি ও ৮৫ বস্তা এমওপি সার রয়েছে। পরে জব্দ করা সার উচাখিলা ইউনিয়নের মূল সার ডিলার শামছুল হকের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হয়।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সার অবৈধভাবে মজুদ রাখার অপরাধে সার (ব্যবস্থাপনা) আইন, ২০০৬-এর ১২ ধারায় উচাখিলা ইউনিয়নের ভাই ভাই ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী ফজলুল হকের ছেলে নুর এ আলমকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    অপরদিকে, একই বাজারের খুচরা সার ব্যবসায়ী শ্যামল চন্দ্র সাহা বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় একই আইনে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    অভিযান চলাকালে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রিপা রাণী চৌহান অপরাধের বিষয়টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে উপস্থাপন করেন এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণে সহায়তা করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমান।

    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমান জানান, কৃষকদের জন্য সরকার নির্ধারিত মূল্যে পর্যাপ্ত সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রশাসন নিয়মিতভাবে বাজার মনিটরিং করছে। অবৈধভাবে সার মজুদ করে কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি, অতিরিক্ত দামে বিক্রি কিংবা বৈধ কাগজপত্র ছাড়া সার ব্যবসা পরিচালনার কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। কৃষকদের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান ও তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

  • ময়মনসিংহে চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় তরুণী গ্রেফতার, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

    ময়মনসিংহে চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় তরুণী গ্রেফতার, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ময়মনসিংহ নগরীতে পশু চিকিৎসক মো: আশিকুর রহমানকে চেম্বারে ঢুকে মারধর, ভাঙচুর ও টাকা লুটের অভিযোগের মামলায় আফরিন রশিদ সেঁজুতি (২০) নামে এক তরুণীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    রোববার (২৩ আগস্ট) নগরের আকুয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তালহাজুর রহমানকে ইতোমধ্যে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নগরের জিলা স্কুলের পাশের একটি গলিতে ‘ডক্টরস পেট কেয়ার’ নামে চেম্বার পরিচালনা করেন পশু চিকিৎসক ডা: আশিকুর রহমান। সেখানে পোষা প্রাণীর চিকিৎসার পাশাপাশি বিভিন্ন উপকরণ বিক্রি করা হয়। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কয়েকজন তার চেম্বারে ঢুকে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেছেন চিকিৎসক। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর ও চেম্বারে ভাঙচুর করা হয়।

    ঘটনার ১ মিনিট ৪৮ সেকেন্ডের একটি সিসিটিভি ফুটেজ পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ফুটেজে এক নারীকে চিকিৎসককে জুতা দিয়ে মারধর করতে দেখা যায়। এ সময় পাশে থাকা ছাত্রদল নেতা তালহাজুর রহমান মোবাইল ফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন এবং একপর্যায়ে তিনিও চিকিৎসকের ওপর চড়াও হন বলে অভিযোগ।

    চিকিৎসককে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তার কর্মী ঈশান আহমেদ, ঈশানের স্ত্রী তাওহিয়া আক্তার এবং চিকিৎসকের স্ত্রী সাজনিন তাসনিন সিদ্দিকীকেও মারধর ও টানাহেঁচড়া করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। হামলার সময় চেম্বারের সিসিটিভি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় বলেও অভিযোগ করেন চিকিৎসক।

    এ ঘটনায় চেম্বারের ক্যাশ বাক্স থেকে ৩ লাখ ২০ হাজার ১৫০ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার ক্ষতি করা হয়েছে বলে দাবি ডা: আশিকুর রহমানের।

    শনিবার (২২ আগস্ট) তিনি কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তালহাজুর রহমান, আফরিন রশিদ সেঁজুতি, সাকিবসহ অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।

    এদিকে, হামলার কারণ নিয়ে ভুক্তভোগী চিকিৎসক বলেন, চাঁদা দাবির পাশাপাশি ব্যক্তিগত বিরোধও থাকতে পারে। প্রায় এক বছর আগে একটি বিড়ালের মৃত বাচ্চা প্রসবের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আফরিন রশিদ সেঁজুতির সাথে তার বিরোধ তৈরি হয়েছিল। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্য এক চিকিৎসককে নিয়ে লেখালেখির পেছনে তার হাত রয়েছে—এমন ভুল ধারণা থেকেও তার ওপর হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।

    পুলিশ জানায়, শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘পোষা বিড়াল মারা যাওয়ায় ময়মনসিংহে পশু চিকিৎসকের ওপর হামলা’ শিরোনামে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি জেলা পুলিশের নজরে আসে। এরপর কোতোয়ালি মডেল থানার একটি দল তদন্ত শুরু করে। ভিডিও পর্যালোচনা, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও স্থানীয়ভাবে অনুসন্ধানের মাধ্যমে হামলায় জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় আফরিন রশিদ সেঁজুতিকে শনাক্ত করে রোববার আকুয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

    ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো: আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি পুলিশের নজরে আসার পর ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হয়। প্রযুক্তির সহায়তা ও স্থানীয়ভাবে অনুসন্ধানের মাধ্যমে হামলার ঘটনায় জড়িত একজনকে শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

    তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো ধরনের সহিংসতার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর।’

    অন্যদিকে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আসার পর তালহাজুর রহমানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি গোবিন্দ রায়।

    এ ঘটনায় গ্রেফতার আফরিন রশিদ সেঁজুতির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। হামলার সাথে জড়িত অন্যদেরও দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী চিকিৎসক।

  • ময়মনসিংহে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রে ঠেলা জালে ধরা পড়ল ইলিশ

    ময়মনসিংহে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রে ঠেলা জালে ধরা পড়ল ইলিশ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ময়মনসিংহ জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে ঠেলা জালে অবিশ্বাস্যভাবে ইলিশ মাছ ধরা পড়েছে।

    আজ শুক্রবার সকালে জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মরিচার চর এলাকায় স্থানীয় এক ব্যক্তি নিকটবর্তী ব্রহ্মপুত্র নদে ঠেলা জাল দিয়ে ছোট মাছ ধরতে গেলে জালে অন্যান্য ছোট মাছের সাথে একটি ইলিশ মাছও ধরা পড়ে। ইলিশটি ৬ থেকে ৭ শ’ গ্রাম ওজনের। মাছটি দেখতে একটু লম্বাটে।

    ইলিশ মাছ সাগর ও দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদীর মাছ হিসেবে পরিচিত বলে ব্রহ্মপুত্র নদে এই মাছ দেখে অনেকেই হতবাক হয়েছেন।

    ইলিশ মাছটি ব্রহ্মপুত্রে কিভাবে এলো এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ও মৎস্য বিজ্ঞানী ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ বলেন, ‘ইলিশ ডিম দেয়ার জন্য সাগর থেকে মেঘনা নদীসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন নদ-নদীতে পরিভ্রমণ করে। মেঘনা নদীর সাথে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সংযোগ থাকায় সাম্প্রতিক অতিবর্ষণে হয়তো পথ ভুলে ইলিশ মাছটি এখানে চলে এসেছে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘ব্রহ্মপুত্র নদে ইলিশ মাছের খাবার উপযোগী প্লাঙ্কটনের উপস্থিতি কম থাকায় এই মাছটি খেতে মেঘনার ইলিশের মতো এতটা সুস্বাদু হওয়ার কথা নয়।’

  • ত্রিশালে বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

    ত্রিশালে বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ময়মনসিংহের ত্রিশালে বাড়ির পাশের পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ত্রিশাল ইউনিয়নের সতেরো পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত শিশুরা হলো- সতেরো পাড়া এলাকার তরিকুল ইসলামের ছেলে মো. ফারহান (৪) ও আশরাফুল ইসলামের ছেলে মো. মাশরাফি (৫)।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুর আড়াইটার দিকে বাড়ির উঠানে খেলছিল ফারহান ও মাশরাফি। একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত তারা পাশের পুকুরে পড়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করে পুকুর থেকে দুজনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

    এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ।

    ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা প্রক্রিয়াধীন।

  • আমার বাপেরে ওরা ১৫ জনে কোপাইছে আর আমরা দুই ভাই ওরে কোপাইছি’

    আমার বাপেরে ওরা ১৫ জনে কোপাইছে আর আমরা দুই ভাই ওরে কোপাইছি’

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ময়মনসিংহ নগরের মাসকান্দা এলাকায় মোহাম্মদ রাব্বি নামের এক তরুণকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় আবদুল খালেক (২৭) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১৪। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাতে নগরের রঘুরামপুর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-১৪ ময়মনসিংহের কোম্পানি কমান্ডার মো. সামসুজ্জামান এ তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলন শেষে ছবি তোলার সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশে বিভিন্ন কথা বলেন গ্রেপ্তার আবদুল খালেক। এ সময় নিজের বাবাকে কুপিয়ে আহত করার প্রতিশোধ নিতে রাব্বিকে তিনি কুপিয়ে হত্যা করেছেন বলে জানান।

    ময়মনসিংহে কম্পিউটার দোকানের কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা, অভিযুক্তদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ
    সাংবাদিকদের উদ্দেশে আবদুল খালেক বলতে থাকেন, ‘শিক্ষিত মানুষ আমি। আমার কি কথা আছিল এইনো আওয়ার? আপনাগর কাজ যদি আপনারা সঠিক করতাইন, তাইলে আমার এইন আগুন লাগত না, বুঝ্ছইন না। সন্ত্রাসী মারছি, আমার বাপেরে কোপাইছে, আমিও কোপাইছি।’

    নিহত রাব্বি (২৫) নগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের জেলা পরিষদ হাইস্কুল রোডের মোড়লবাড়ি এলাকার মোবারক হোসেনের ছেলে। তিনি মাসকান্দা এলাকার আকাশ কম্পিউটারে চাকরি করতেন। গতকাল হত্যাকাণ্ডের পর সন্ধ্যায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বাড়িঘরে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

    নিজের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার কথা তুলে ধরে আবদুল খালেক বলেন, ‘আমার বাড়িঘর পুড়াইছে, লুটপাট করছে কে? কোনো আইনের লোক তো বাঁচাইতে পারল না। যেইডি নিরীহ, হেইডির ওপরেই জুলুম; সবলগোরে পাইতো না। আমি বাইরইতে পারলে তাদের কপালে শনি আছে, যারা আমার বাড়িঘর পুড়াইছে।’

    নিহত রাব্বির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে খালেক আরও বলেন, ‘হে (রাব্বি) প্রত্যেক দোকান থাইকা ২০০ টাকা করে চাঁদা তুলত। যারা না দিত, হেরেই মাইরা বইতো। আমি কখনো চাঁদাবাজি করি নাই। আমার এলাকায় গিয়া জিজ্ঞেস করে দেখেন। মারছি আমরা দুই ভাইয়েই। আঙ্গর বেশি লোক লাগে নাকি, আঙ্গর কি কইলজা নাই? আমার বাপেরে ওরা ১৫ জনে মিইল্লা কোপাইছে আর আমরা দুই ভাইয়ে মিইল্লা ওরে কোপাইছি।’

    এর আগে সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব জানায়, গতকাল দুপুরে মাসকান্দা এলাকায় আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয়ের সামনে রাব্বির ওপর একদল ব্যক্তি দেশি অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। হামলা থেকে বাঁচতে রাব্বি পাশের একটি দোকানে আশ্রয় নিলে হামলাকারীরা সেখানে ঢুকে তাঁকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। তাঁকে বাঁচাতে তাঁর ভাই মুহাম্মদ রিয়াদ এগিয়ে এলে তাঁকেও কুপিয়ে আহত করা হয়। পরে রাব্বিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    র‍্যাবের কোম্পানি কমান্ডার মো. সামসুজ্জামান বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর র‍্যাব সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার আট ঘণ্টার মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত আবদুল খালেককে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আবদুল খালেক হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পূর্বশত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে রাব্বিকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে তিনি বড় একটি দা বা হাঁসুয়া ব্যবহার করেছেন বলেও জানিয়েছেন।

    র‍্যাব জানায়, ২০১৮ সালে রাব্বির পক্ষের লোকজন খালেকের বাবা ফজলুল হককে মারধর করেছিলেন এবং তাঁর একটি হাত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছিল বলে খালেক দাবি করেছেন। ওই ঘটনার জেরে তাঁদের মধ্যে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ছিল। এ ছাড়া রাব্বির পক্ষের লোকজন এলাকায় ভবন নির্মাণসহ বিভিন্ন কাজে চাঁদা দাবি করতেন বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন। এসব ক্ষোভ থেকে তিনি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। তবে খালেকের এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি র‍্যাব। অন্য কোনো পক্ষের বিরোধ বা সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

    মো. সামসুজ্জামান জানান, প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি চারজনের জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁদের পেছনে আরও ৮ থেকে ১০ জনের একটি গ্রুপ থাকতে পারে। অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ঘটনার আগের দিন দুই পক্ষের মধ্যে একটি সালিস হয়েছিল বলেও র‍্যাবের কাছে তথ্য এসেছে। তবে ওই সালিস চাঁদাবাজি-সংক্রান্ত বিরোধের কারণে হয়েছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গতকাল রাতে নিহত ব্যক্তির বাবা মোবারক হোসেন বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করা হয়েছে। র‍্যাব একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।