ক্যাটাগরি সংগীত

  • একজন দর্শক থাকলেও গান গেয়ে যাব: জেমস

    একজন দর্শক থাকলেও গান গেয়ে যাব: জেমস

    গানের টানে তরুণ বয়সে ঘর ছেড়েছিলেন নগরবাউল জেমস। কালের পরিক্রমায় সেই তরুণটিই হয়ে ওঠেন দেশের রক আইকন, ভক্তদের প্রিয় ‘গুরু’। আজ এত বছর পরও সমানতালে মঞ্চ মাতিয়ে যাচ্ছেন জেমস। প্রায় দুই মাস ধরে ইউরোপে সংগীত সফরে রয়েছেন তিনি। পর্তুগাল, ইংল্যান্ড, সাইপ্রাস ও ইতালি ঘুরে জেমস এখন অবস্থান করছেন সুইডেনে।

    ৬ সেপ্টেম্বর সুইডেনের প্রবাসীদের গান শোনাবেন জেমস। এ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত গানটাই গেয়ে যেতে চান। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্যও দিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ কিছু বার্তা।

    আশির দশকের শুরুর দিকে চট্টগ্রামে ফিলিংস ব্যান্ডের গিটারিস্ট ও ভোকাল হিসেবে সংগীতে পথচলা শুরু জেমসের। ১৯৮৭ সালে প্রকাশিত হয় ব্যান্ডের প্রথম অ্যালবাম ‘স্টেশন রোড’। সেই থেকে সুরের জাদুতে মাত করে রেখেছেন কয়েকটি প্রজন্মকে। সংবাদ সম্মেলনে এ প্রসঙ্গ উঠতেই জেমসের স্বভাবসুলভ উত্তর, ‘যখনই মঞ্চে দাঁড়াই, মনে হয় সবাই আগেরই শ্রোতা। এর মধ্যে যে সময় বয়ে যাচ্ছে, জেনারেশন চেঞ্জ হচ্ছে—এটা খেয়ালই করিনি। এখন মনে হয় অনেকগুলো জেনারেশনকে হয়তো গান শোনাতে পারছি।’

    জেমস জানান, কোনো কিছু পাওয়ার আশায় তিনি গান করেননি। গেয়েছেন কেবল ভালোবেসে, নিজের আবেগ ও প্যাশন থেকে। নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের প্রতিও তাঁর একই পরামর্শ—কোনো কিছু পাওয়ার আশা নিয়ে সংগীতে না আসার।

    জেমস বলেন, ‘কোনো কিছু পাওয়ার জন্য সংগীত করার কোনো মানে হয় না। গান করতে হবে একদম প্যাশন থেকে, নেশা থেকে। কোনো প্রাপ্তির আশায় যদি কেউ মিউজিক করে, তবে আমি বলব—এখনই বন্ধ করে দাও। আমি মনে করি, কোনো কিছু পাওয়ার জন্য মিউজিক করা ঠিক না। মিউজিক করতে হবে নিজের প্রশান্তির জন্য। এর মাধ্যমে যদি কিছু অর্জন হয়, সেটা ভিন্ন কথা। আজ যদি আমি কোনো কিছু নাও পেতাম, তাহলেও গানই করে যেতাম।’

    শেষ পর্যন্ত গানকেই সঙ্গী করে বেঁচে থাকতে চান এই রক তারকা। জেমস বলেন, ‘সংগীত নিয়ে আলাদা কোনো ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নেই। গান গেয়ে যাব, শেষ পর্যন্ত গাইতেই চাই। এমনকি শেষে গিয়ে যদি দেখি মাত্র একজন দর্শকও আছে, আমি তাঁর জন্যও গান গেয়ে যাব।’

    সুইডেনের কনসার্ট দিয়েই শেষ হবে জেমসের দীর্ঘ ইউরোপ সফর। এরপর তিনি উড়াল দেবেন অস্ট্রেলিয়া। সেখানে ১২ সেপ্টেম্বর নিউ সাউথ ওয়েলসে আয়োজিত একটি বিশেষ কনসার্টে জেমসের পাশাপাশি এক মঞ্চে গাইবেন পশ্চিমবঙ্গের ফসিলস ব্যান্ডের রূপম ইসলাম।

  • সাবিনা ইয়াসমিন একটি কণ্ঠ, একটি ইতিহাস

    সাবিনা ইয়াসমিন একটি কণ্ঠ, একটি ইতিহাস

    বাংলা গানের ইতিহাসে কিছু কণ্ঠ শুধু গান গায় না, হয়ে ওঠে এক ইতিহাস। সেই কণ্ঠগুলোর অন্যতম সাবিনা ইয়াসমিন। দীর্ঘ কয়েক দশকের সংগীতজীবনে অসংখ্য গান দিয়ে তিনি ছুঁয়েছেন মানুষের হৃদয়। দেশাত্মবোধক গান, চলচ্চিত্রের গান, আধুনিক কিংবা লোকগান–গানের নানা ধারায় তাঁর স্বতন্ত্র উপস্থিতি বাংলা সংগীতকে সমৃদ্ধ করেছে।

    আজ এই বরেণ্য কণ্ঠশিল্পীর জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় তাঁকে স্মরণ করছেন সংগীতপ্রেমীরা।

    শৈশব থেকে গানের সঙ্গে সাবিনা ইয়াসমিনের সখ্য। সংগীতনির্ভর পরিবারে বেড়ে ওঠার কারণে ছোটবেলা থেকে তিনি পেয়েছেন গানের পরিবেশ। অল্প বয়সে তাঁর কণ্ঠের মাধুর্য নজর কাড়ে। এরপর ধীরে ধীরে পেশাদার সংগীতজগতে শুরু হয় তাঁর পথচলা। সময়ের সঙ্গে সে কণ্ঠ হয়ে ওঠে বাংলাদেশের মানুষের অতিপরিচিত ও প্রিয় এক কণ্ঠ।

    চলচ্চিত্রের গানে সাবিনা ইয়াসমিনের অবদান বিশেষভাবে স্মরণীয়। ষাটের দশক থেকে শুরু করে পরবর্তী কয়েক দশক পর্যন্ত বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে তাঁর কণ্ঠে অসংখ্য গান জনপ্রিয়তা পেয়েছে। রোমান্টিক গান থেকে বিরহ, জীবনবোধ থেকে দেশপ্রেম–প্রতিটি আবেগকে তিনি নিজের কণ্ঠে এমনভাবে ধারণ করেছেন, যা শ্রোতার মনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলেছে। তাঁর গাওয়া দেশাত্মবোধক গানগুলোও বাংলা গানের ভান্ডারের অমূল্য সম্পদ। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, দেশ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা কিংবা স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা–এসব অনুভূতি তাঁর কণ্ঠে পেয়েছে গভীর আবেগ ও শক্তি। ফলে তাঁর গান শুধু বিনোদনের বিষয় হয়ে থাকেনি; বরং অনেক গান হয়ে উঠেছে বাঙালির আবেগ ও ইতিহাসের অংশ।

    সাবিনা ইয়াসমিনের কণ্ঠের অন্যতম বৈশিষ্ট্য তাঁর আবেগ ও স্বচ্ছতা। উচ্চকিত না হয়েও কীভাবে একটি গানকে গভীরভাবে শ্রোতার কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, তাঁর গায়কিতে তার অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে। শব্দের সঠিক উচ্চারণ, সুরের প্রতি বিশ্বস্ততা এবং গানের ভাবকে ধারণ করার ক্ষমতা তাঁকে সমসাময়িক অনেক শিল্পীর চেয়ে আলাদা করে তুলেছে।

    সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পেয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার স্বাধীনতা পুরস্কারসহ নানা সম্মাননা। চলচ্চিত্রের গানে অবদানের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও অর্জন করেছেন একাধিকবার। তবে পুরস্কার-সম্মাননার সংখ্যার চেয়েও বড় তাঁর অর্জন-প্রজন্মের পর প্রজন্মের শ্রোতার ভালোবাসা। সাবিনা ইয়াসমিনের কণ্ঠে গাওয়া বহু গান আজও নতুন প্রজন্মের কাছে সমান আবেদন তৈরি করে। সময় বদলেছে, সংগীতের ধরন বদলেছে, শ্রোতার রুচিতেও এসেছে নানা পরিবর্তন। তাঁর গান হারিয়ে যায়নি; বরং নতুন করে আবিষ্কৃত হয়েছে বারবার। পুরোনো দিনের শ্রোতার স্মৃতিতে যেমন তাঁর গান অমলিন, তেমনি তরুণ প্রজন্মও তাঁর কণ্ঠের জাদুতে মুগ্ধ। একজন শিল্পীর সবচেয়ে বড় সাফল্য হয়তো এখানে–সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁর সৃষ্টি মানুষের মনে বেঁচে থাকে।

    সাবিনা ইয়াসমিন সেই বিরল শিল্পীদের একজন। তাঁর কণ্ঠে যে গান একসময় রেডিও, টেলিভিশন কিংবা চলচ্চিত্রের পর্দা পেরিয়ে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছেছিল, সেই গান আজও শোনা হয় একই মুগ্ধতায়। জন্মদিনে তাই সাবিনা ইয়াসমিনকে শুধু একজন বরেণ্য কণ্ঠশিল্পী হিসেবে নয়, বাংলা গানের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে স্মরণ করা যায়। তাঁর গান প্রেম, বিরহ, আনন্দ, বেদনা, দেশ ও মানুষের গল্প বলে। সেই গল্পের আবেদন সময়ের সঙ্গে ফুরিয়ে যাওয়ার নয়। সুরের ভুবনে তাঁর পথচলা দীর্ঘ হোক। তাঁর কণ্ঠে গাওয়া গান প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দিক বাংলা গানের সৌন্দর্য।

    জন্মদিনে বরেণ্য এই শিল্পীর প্রতি রইল গভীর ভালোবাসা।

  • ইমরান-পড়শীর যে গান ছাড়াল ১০০ মিলিয়ন

    ইমরান-পড়শীর যে গান ছাড়াল ১০০ মিলিয়ন

    ৯ বছর আগে, ২০১৭ সালে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ইমরান মাহমুদুল ও সাবরিনা পড়শীর দ্বৈত কণ্ঠে একটি গান গেয়েছিলেন। সে সময় শ্রোতারা খুব একটা ইউটিউব কেন্দ্রিক না হলেও আজ অনেকদিন পর এসে সেই গান স্পর্শ করল এক দারুণ মাইলফলক। ইউটিউবে ১০০ মিলিয়ন ভিউ অর্থাৎ ১০ কোটি বার দেখা হয়েছে গানটি।

    গানটির নাম ‘জনম জনম’। ইমরান-পড়শী জুটির প্রথম ডুয়েট এটি। সময়ের ব্যবধানে তারা জুটি বেঁধে বহু গান করলেও পুরোনো এই গানটি এখনও শুনছেন শ্রোতারা।

    শুক্রবার দুপুরে গানটির এমন অর্জন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দেন গায়ক ইমরান মাহমুদুল। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে লেখেন, ‘আমার মিউজিক ক্যারিয়ারে পড়শীর সঙ্গে এটাই ছিল প্রথম কোনো ডুয়েট গান। দেখতে দেখতে গানটি ১০ কোটিরও বেশি ভিউ পার করেছে।’

    ইমরান লেখেন, ‘যদিও গানটি ইউটিউবের যুগের গান নয়, তারপরও সময় ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আজও গানটি শ্রোতাদের ভালোবাসা পাচ্ছে এটাই সত্যিই আনন্দের।’

    গানটি লিখেছেন জনপ্রিয় গীতিকার রবিউল ইসলাম জীবন। সহশিল্পীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ইমরান আরও লেখেন, রবিউল ইসলাম জীবনের কথায়, আমার সুর ও সংগীতে ‘জনম জনম’ গানটি ছিল পড়শীর তৃতীয় একক অ্যালবামের গান। সেই অ্যালবামের সবচেয়ে জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে এটিও ছিল অন্যতম। গানটির সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও ভালোবাসা। ‘জনম জনম’ এভাবেই বেঁচে থাকুক শ্রোতাদের ভালোবাসায়।

    ২০১৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি জি-সিরিজের ইউটিউব চ্যানেলে অফিসিয়াল ভিডিও আকারে প্রকাশ করা হয় গানটি। ভিডিওটি পরিচালনা করেছিলেন রম্য খান। অডিও ক্যাসেট ও সিডির যুগ পেরিয়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও গানটি একইভাবে সফল, তা বলাই বাহুল্য।

    এদিকে, ইমরানের পোস্টের কমেন্ট সেকশনে শুভেচ্ছা এবং পুরানো স্মৃতি প্রকাশ করছেন ভক্ত-অনুরাগীরা। গানটির গীতিকার রবিউল ইসলাম জীবন নিজেও ইমরানকে ভালোবাসার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। মন্তব্য ঘরে এক ভক্ত লিখেছেন, ‘নোকিয়া ফোনে শুনতাম গানটা, এখনো সেই আগের মতো ইউটিউবে শুনি সেম ফিল পাই।’

  • স্কুলে সংগীত শিক্ষক নিয়োগে মন্ত্রিপরিষদের অসম্মতি

    স্কুলে সংগীত শিক্ষক নিয়োগে মন্ত্রিপরিষদের অসম্মতি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদ সৃষ্টির বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম জানতে চান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০২৫ অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে যেই বিতর্ক সহকারী শিক্ষক সংগীত পদটি সৃষ্টি করা হয়েছে; তার বর্তমান অবস্থা কী?

    রোববার, ১৪ই জুন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন লিখিত উত্তরে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত বিষয়ের শিক্ষক পদটি সৃজনের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে অসম্মতি প্রদান করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, গত কয়েকমাস ধরে সংগীত শিক্ষক নিয়োগ প্রশ্নে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দল ভিন্ন ভিন্ন দাবি ও অবস্থান জানিয়ে আসছে।

  • প্রাথমিক শিক্ষায় যুক্ত হচ্ছে সংগীত ও নাট্যকলা

    প্রাথমিক শিক্ষায় যুক্ত হচ্ছে সংগীত ও নাট্যকলা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা এবং চারু ও কারুকলাকে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ২০২৮ খ্রিষ্টাব্দে নতুন কারিকুলামের আওতায় বিষয়গুলো পূর্ণাঙ্গভাবে প্রাথমিক শিক্ষায় যুক্ত করা হবে। ২০২৭ খ্রিষ্টাব্দে থেকে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ‘শিল্প ও সংস্কৃতি’ পাঠ্যবই চালু করা হবে।

    আজ বুধবার (১০ জুন) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সভায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত, নৃত্যকলা, নাট্যকলা ও চারুকলা বিভাগের শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।

    শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের শিক্ষা-দর্শন অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তোলা হবে, যাতে তারা একদিকে বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে বিকশিত হতে পারে, অন্যদিকে ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতাও অর্জন করে।

    শিল্প, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষা শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি জানান।

    ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্যকলা ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষা সম্প্রসারণের ফলে বিপুলসংখ্যক বিশেষায়িত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের প্রয়োজন হবে। এতে সংগীত, নৃত্যকলা, চারুকলা, নাট্যকলা ও ক্রীড়া বিষয়ে শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

    আগামী পাঁচ বছরে এ খাতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

  • গ্রামপুলিশে নিয়োগ: পরীক্ষা জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় ৩৮ পরীক্ষার্থীর সবাই বাদ

    গ্রামপুলিশে নিয়োগ: পরীক্ষা জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় ৩৮ পরীক্ষার্থীর সবাই বাদ

    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় চারটি ইউনিয়নে গ্রামপুলিশের (মহল্লাদার) শূন্য পদে নিয়োগ দিতে বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এতে অংশ নেওয়া ৩৮ জন প্রার্থীর একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। লিখিত পরীক্ষায় শুদ্ধভাবে জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় প্রার্থীদের সবাই বাদ পড়েছেন বলে জানা গেছে।

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে তেঁতুলিয়া উপজেলা পরিষদ হলরুমে নিয়োগে বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা প্রশাসন জানায়, তেঁতুলিয়া উপজেলার তিরনইহাট, তেঁতুলিয়া সদর, শালবাহান ও দেবনগর ইউনিয়ন পরিষদে পাঁচটি মহল্লাদার পদে গ্রামপুলিশ নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়। কমপক্ষে অষ্টম শ্রেণি পাস যোগ্যতার ওই পদে নিয়োগ পেতে আগ্রহী ৩৮ জন আবেদন করেছিলেন। পরীক্ষার শুরুতে প্রার্থীদের শারীরিক যোগ্যতা যাচাই শেষে মেধা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে প্রার্থীদের জাতীয় সংগীত লিখতে দেওয়া হয়। এজন্য সময় নির্ধারণ করা হয় ১৫ মিনিট। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থীই সম্পূর্ণ ও শুদ্ধভাবে জাতীয় সংগীত লিখতে পারেননি। শুদ্ধভাবে জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় তাদের সবাইকে বাদ দেওয়া হয়।

    নিয়োগ বাছাই কমিটিতে তেঁতুলিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম আকাশ, তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম, উপজেলা এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী ইদ্রিস আলী খান এবং উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।

    তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নিয়োগ কমিটির সভাপতি আফরোজ শাহীন খসরু বলেন, শারীরিক যোগ্যতা যাচাই শেষে নিয়োগ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রার্থীদের মেধা যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায়, কোনো প্রার্থীই আমাদের জাতীয় সংগীত সঠিকভাবে লিখতে পারেননি। চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণ জ্ঞান ও দেশপ্রেমের প্রাথমিক ধারণা থাকা আবশ্যক। জাতীয় সংগীতের মতো মৌলিক বিষয়ে প্রার্থীদের এমন অজ্ঞতা উপস্থিত কর্মকর্তাদের হতবাক করেছে। দ্রুততম সময়ে পুনরায় ওই নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।

  • জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় নিয়োগ পরীক্ষায় সকল প্রার্থীই বাদ

    জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় নিয়োগ পরীক্ষায় সকল প্রার্থীই বাদ

    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় গ্রাম পুলিশ নিয়োগের বাছাই পরীক্ষায় শুদ্ধভাবে জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় ৩৮ জন প্রার্থীর একজনও উত্তীর্ণ হতে না পারায় সবাইকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই নিয়োগ ও বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, তেঁতুলিয়া উপজেলার তিরনইহাট, তেঁতুলিয়া, শালবাহান ও দেবনগর ইউনিয়ন পরিষদের পাঁচটি মহল্লাদার পদে গ্রাম পুলিশ নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়। এতে মোট ৩৮ জন প্রার্থী আবেদন করেন। পরীক্ষার শুরুতে প্রার্থীদের শারীরিক যোগ্যতা যাচাই করা হয়। এরপর নিয়োগ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মেধা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে সকল প্রার্থীদের জাতীয় সংগীত লিখতে দেয়া হয়। এ জন্য সময় নির্ধারণ করা হয় ১৫ মিনিট। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থীই সম্পূর্ণ ও শুদ্ধভাবে জাতীয় সংগীত লিখতে পারেনি। ফলে অংশ নেয়া প্রার্থীরা উত্তীর্ণ না হওয়ায় নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেনি নিয়োগ বাছাই কমিটি। প্রার্থীরা উত্তীর্ণ না হওয়ায় পরবর্তীতে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলে জানা যায়।

    নিয়োগ বাছাই কমিটিতে উপস্থিত ছিলেন তেঁতুলিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস.এম আকাশ, তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম, এলজিইডি’র উপজেলা প্রকৌশলী ইদ্রিস আলী খান এবং উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা।

    এ বিষয়ে তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নিয়োগ কমিটির সভাপতি আফরোজ শাহীন খসরু বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, শারীরিক যোগ্যতা যাচাই শেষে নিয়োগ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রার্থীদের মেধা যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায়, অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে কোনো প্রার্থীই আমাদের জাতীয় সংগীতটি সঠিকভাবে লিখতে পারেননি। চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণ জ্ঞান ও দেশপ্রেমের প্রাথমিক ধারণা থাকা আবশ্যক।