লক্ষ্মীপুর

Lakshmipur district

  • পান বিক্রি হচ্ছে তিন ভাগের এক ভাগ দামে

    পান বিক্রি হচ্ছে তিন ভাগের এক ভাগ দামে

    লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে পানের উৎপাদন বাড়লেও বাজারে দাম কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। গত বছর যে পান ১২০ টাকায় বিক্রি হতো, এ বছর তা বিক্রি করতে হচ্ছে মাত্র ৪০ টাকায়। উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বাজারে বেচাকেনা জমজমাট থাকলেও প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় লাভের পরিবর্তে লোকসানের আশঙ্কা করছেন তারা।

    রায়পুরের হায়দরগঞ্জ বাজারে প্রতিদিন প্রায় ২০ লাখ টাকার পান কেনাবেচা হয়। মধ্যরাত থেকে বিভিন্ন এলাকার চাষিরা পান নিয়ে বাজারে আসেন। ভোরে শুরু হয় বেচাকেনা, যা চলে সকালজুড়ে। এ বাজারের পান স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি হাতিয়া, চট্টগ্রাম, ফেনী ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়।

    বাজারে পান বিক্রি করতে এসে হতাশা প্রকাশ করেন চাষি সাহেদ মাঝী। তিনি বলেন, “এত পান নিয়ে আসছি, বিক্রি করে বলদের পয়সাও হবে না।” তার কথায়, উৎপাদন খরচের তুলনায় বিক্রয়মূল্য কম হওয়ায় চাষিদের দুরবস্থার চিত্র উঠে এসেছে।

    চাষিরা জানান, এ বছর পানের সংক্রমণজনিত রোগের প্রকোপ তুলনামূলক কম থাকায় উৎপাদন বেড়েছে। তবে উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে বাজারদর না বাড়ায় তারা প্রত্যাশিত আয় পাচ্ছেন না। এতে চাষের খরচ তোলাও কঠিন হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

    পানচাষি বারেক উদ্দিন বলেন, শ্যামবাজার ও চাঁদপুরের মতো রায়পুরের হায়দরগঞ্জ বাজারেও ব্যাপক পরিসরে পানের বেচাকেনা হয়। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে পান কিনতে আসেন।

    রায়পুরে পানের বেচাকেনার উল্লেখযোগ্য কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে নতুন বাজার পানহাটা, হায়দরগঞ্জ বাজার ও ক্যাম্পেরহাট। এসব বাজারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে উঠেছে পানচাষি ও ব্যবসায়ীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। এখান থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পান সরবরাহ করা হয়।

    সংশ্লিষ্টদের মতে, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বাজারে নিয়মিত বেচাকেনা সত্ত্বেও দাম কম থাকায় চাষিরা আর্থিক সংকটে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে চাষিরা উপকৃত হবেন। পাশাপাশি এ অঞ্চলের পানকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও আরও গতিশীল হবে।

  • ফেসবুক  সাবেক স্ত্রীকে নিয়ে ভাগ্নের  পোস্ট, মামাকে হত্যা

    ফেসবুক সাবেক স্ত্রীকে নিয়ে ভাগ্নের পোস্ট, মামাকে হত্যা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সাবেক স্ত্রীকে নিয়ে ভাগ্নের একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে মামা ফজলে আলী হাজারীকে (৬০) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

    শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের বটতলী বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত ফজলে আলী চরকাদিরা ইউনিয়নের ছয় নম্বর ওয়ার্ডের বটতলী এলাকার বাসিন্দা। মেঘনা নদীর ভাঙনের শিকার হয়ে উপজেলার লুধুয়া ফলকন এলাকা থেকে স্থানান্তরিত হয়ে তিনি ওই এলাকায় বসতি স্থাপন করেন।

    জানা গেছে, প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে প্রায় দুই বছর আগে ফজলে আলীর ভাগ্নে দেলোয়ার মাহমুদের সাথে বটতলী এলাকার বাসিন্দা জামাল হোসেনের মেয়ে জেরিন আক্তারের বিয়ে হয়। কিন্তু কিছুদিন পর পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

    সম্প্রতি জেরিনের অন্যত্র বিয়ে হলে ফেনীতে কর্মরত সাবেক স্বামী দেলোয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জেরিনকে নিয়ে আবেগময় একটি পোস্ট দেন। এ নিয়ে জেরিনের আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।

    শুক্রবার রাতে জেরিনের স্বজনরা বটতলী বাজারে মামা ফজলে আলীর কাছে দেলোয়ারের ফেসবুক পোস্টের বিষয়ে অভিযোগ করেন। এ সময় ফজলে আলী বিষয়টি দেলোয়ার বাড়ি ফিরলে সমাধানের কথা জানান।

    কিন্তু এরই মধ্যে জেরিনের স্বজনরা ফজলে আলীর ওপর আকস্মিক হামলা করেন। তাদের এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষির আঘাতে গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা ফজলে আলীকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে ঢাকায় নেয়ার পথে রাতেই তার মৃত্যু হয়।

    খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

    নিহতের ছেলে মো: ফয়সাল বলেন, সামান্য ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে জেরিনের খালাতো ভাই মো: মাহফুজের নেতৃত্বে স্বজনরা হামলা চালিয়ে আমার বাবাকে মেরে ফেলেছে। ঘটনার পর হামলাকারীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। অন্যদিকে একটি প্রভাবশালী মহল বিষয়টি মীমাংসা করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

    তিনি আরো বলেন, আমি আমার বাবার হত্যার বিচার চাই। এজন্য আইনি পদক্ষেপের লক্ষ্যে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।

    এদিকে অভিযুক্ত মাহফুজসহ অন্যরা আত্মগোপনে থাকায় এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

    কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল আলম জানান, শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তদন্ত করে জড়িতদের গ্রেফতারসহ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এ,আর

  • রায়পুরে নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিনেই ১২ জেলে আটক

    রায়পুরে নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিনেই ১২ জেলে আটক

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিনেই মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে ১২ জেলেকে আটক করা হয়েছে। এ সময় পাঁচ হাজার মিটার চায়না দুয়ারি জাল ও চারটি নৌকা জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) উপজেলার মেঘনা নদীর আজগর সওদাগরের চর এলাকায় উপজেলা মৎস্য অফিস ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের রায়পুর স্টেশনের সদস্যরা যৌথভাবে এ অভিযান চালান।

    আটককৃত জেলেরা হলেন—বিল্লাল মাল (৫২), খোকন (৩৮), হৃদয় গাইন (৩০), আবুল কালাম (৩৯), মোহাম্মদ আলী (৪০), মো: রাসেল (১৮), মনির মিঝি (৩২), সবুজ হাওলাদার (৩৬), আব্দুল জাব্বার (৩৭), কাদির সর্দার (৫০) ও তসলিম (২৮)।

    অপ্রাপ্তবয়স্ক একজনকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।

    অভিযানে জব্দ করা পাঁচ হাজার মিটার চায়না দুয়ারি জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। চারটি নৌকার বিষয়ে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে মৎস্য অফিস।

    মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে সরকার ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ করেছে। নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মৎস্য অফিস ও কোস্টগার্ড মেঘনা নদীতে অভিযান জোরদার করেছে।

    রায়পুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুল হাসনাইন বলেন, ‘মৎস্য সংরক্ষণ আইনে আটক জেলেদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তাদের কাছ থেকে দুই হাজার করে মোট ২২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এ ছাড়া অপ্রাপ্তবয়স্ক একজনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।’ এ,আর

  • রায়পুরে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

    রায়পুরে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।

    শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার ৮ নম্বর দক্ষিণ চরবংশী উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে চরবংশী এলকেএইচ উপকূল উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    মাস্টার লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম।

    তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের অর্জিত সাফল্য ধরে রেখে উচ্চশিক্ষায় মনোযোগী হতে হবে। জ্ঞান ও নৈতিকতার সমন্বয়ে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে হবে।’

    নিজেদের মেধা ও প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে সমাজ ও দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।

    প্রধান বক্তা ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের আমির মাস্টার রুহুল আমিন ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন রায়পুর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সাইয়্যেদ নাজমুল হুদা, সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আব্দুল আউয়াল রাসেল, ৮ নম্বর দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুল করিম, ২ নম্বর উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা যুব বিভাগের সেক্রেটারি মাওলানা হোসাইন, এলকেএইচ উপকূল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাস্টার মিজানুর রহমান, ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা সামছুদ্দিন সামদানী ও সহকারী সেক্রেটারি গাজী এম এ সিদ্দিক।

    পরে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়। এ,আর

  • রায়পুরে ইয়াবাসহ যুবককে আটক করে পুলিশে দিল জনতা

    রায়পুরে ইয়াবাসহ যুবককে আটক করে পুলিশে দিল জনতা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ইয়াবাসহ সাইফুল ইসলাম নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা।

    বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার বামনী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জবেদুল্লা চৌকিদার বাড়ির পাশ থেকে তাকে আটক করা হয়।

    আটক সাইফুল ওই ওয়ার্ডের জবেদুল্লা চৌকিদার বাড়ির বাসিন্দা।

    স্থানীয়রা জানায়, ইয়াবা বিক্রির অভিযোগে সাইফুলকে উপজেলা ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক শান্ত ইসলামের নেতৃত্বে স্থানীয় কয়েকজন ধাওয়া করে আটক করেন। পরে তার কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায় বলে দাবি করেন তারা।

    এ সময় স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল জামাল পাটোয়ারী নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ইয়াবা কিনেছেন বলে জানান দাবি স্থানীয়দের।

    খবর পেয়ে বামনী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাহারুল আলম ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাইফুলকে আটক করে।

    রায়পুর থানার ওসি নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তার সাথে আর কারা জড়িত, তা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ এ,আর

  • রায়পুরে স্কুল-মাদরাসায় যাওয়ার পথে নিখোঁজ ২ শিক্ষার্থী

    রায়পুরে স্কুল-মাদরাসায় যাওয়ার পথে নিখোঁজ ২ শিক্ষার্থী

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে স্কুল ও মাদরাসায় যাওয়ার পথে ষষ্ঠ শ্রেণির দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছে। রোববার সকালে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর চার দিনেও তাদের সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন দুই পরিবারের সদস্যরা।

    নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থী হলো-কেরোয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইয়াকুব আলী হাজী বাড়ির ব্যবসায়ী জাকির হোসেন ও গৃহিণী আমেনা বেগমের একমাত্র ছেলে আরাফাত সায়েম (১৪) এবং চরপাতা ইউনিয়নের গাজিনগর এলাকার প্রবাসী এমরান হোসেন ও গৃহিণী ফাহিমা আক্তারের একমাত্র ছেলে মো: ইকরামুল হাসান মিনহাজ (১৪)।

    আরাফাত সায়েম রায়পুর এল এম পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। আর ইকরামুল হাসান মিনহাজ রায়পুর আলিয়া কামিল মাদরাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।

    পরিবার সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয় সায়েম ও মিনহাজ। এরপর তারা আর বাড়িতে ফেরেনি। পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের সন্ধান পাননি।

    পরে সোমবার রাতে দুই শিক্ষার্থীর পরিবার রায়পুর থানায় পৃথক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। পাশাপাশি তাদের সন্ধান চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও পোস্ট দিয়েছেন স্বজনেরা।

    নিখোঁজ সায়েমের বাবা জাকির হোসেন ও মিনহাজের বাবা এমরান হোসেন বলেন, ‘রোববার সকালে তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর আর বাড়িতে ফেরেনি। আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেছি। কিন্তু কোথাও তাদের সন্ধান পাইনি। আমরা সন্তানদের ফিরে পেতে সবার সহযোগিতা চাই।’

    রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ‘সায়েম ও মিনহাজ নামে দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজের বিষয়ে পৃথক জিডি পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। তাদের উদ্ধারে পুলিশ চেষ্টা করছে।’

  • রায়পুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১০ পরিবারকে জামায়াতের সহায়তা প্রদান

    রায়পুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১০ পরিবারকে জামায়াতের সহায়তা প্রদান

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১০ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী লক্ষ্মীপুর জেলা শাখা। পুনর্বাসনে প্রতিটি পরিবারকে এক বান করে ঢেউটিন ও নগদ দুই হাজার টাকা করে সহায়তা দেয়া হয়েছে।

    সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের বাসাবাড়ি বাজারসংলগ্ন আশহক ব্যাপারি বাড়িতে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে এসব সহায়তা তুলে দেন লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের আমির মাস্টার রুহুল আমিন ভূঁইয়া।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন রায়পুর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আব্দুল আউয়াল রাছেল, সহকারী সেক্রেটারি ও ৪ নম্বর সোনাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কাসেম, সোনাপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাস্টার ইদ্রিস মিয়া, ঢাকাস্থ রায়পুর ফোরামের সভাপতি মাওলানা ইদ্রিস মাদানীসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

    সহায়তা দেয়ার সময় জামায়াতের আমির রুহুল আমিন ভূঁইয়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের দুর্দশার খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

    উল্লেখ্য, গত ৬ সেপ্টেম্বর ভোরে রায়পুর উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের বাসাবাড়ি বাজার এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ১১টি বসতঘর ও ছয়টি দোকান পুড়ে যায়। এতে ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হারিয়ে পরিবারগুলো নিঃস্ব হয়ে পড়ে। এ,আর

  • লক্ষ্মীপুরে বাসি খাবার বিক্রি, ৩ হোটেলকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

    লক্ষ্মীপুরে বাসি খাবার বিক্রি, ৩ হোটেলকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    লক্ষ্মীপুরে হোটেলে বাসি খাবার বিক্রিসহ বিভিন্ন অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা শহরে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও এসআরবির যৌথ অভিযানে এ জরিমানা করা হয় বলে জানান জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমধু চক্রবর্তী।

    অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নূরজাহান হোটেলের মালিক সাইফুল আলমকে পাঁচ লাখ, রাজমহল হোটেলের বিষ্ণু বণিককে চার লাখ ও মোহাম্মদীয়া হোটেলের মালিক নাজমা বেগমকে এক লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকদের এ অর্থদণ্ড দেন লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো: ওমর ফারুক।

    অভিযানে উপস্থিত ছিলেন এসআরবি নোয়াখালী ক্যাম্পের ডিএডি অমলেশ বাইন, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমধু চক্রবর্তী ও লক্ষ্মীপুর পৌরসভার নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক আব্দুল্লাহ হিল হাকিম।

    জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমধু বলেন, ‘বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও এসআরবির যৌথ অভিযানে তিনটি প্রতিষ্ঠানেই রান্নাঘরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি, পঁচা ও বাসি খাবার বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া নুরজাহান হোটেলে খাবার তৈরিতে নিষিদ্ধ কেওড়া জল ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে।’

    নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

  • রায়পুরে সাফল্যের স্বীকৃতি পেল জিপিএ-৫ ও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা

    রায়পুরে সাফল্যের স্বীকৃতি পেল জিপিএ-৫ ও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ এবং প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা দেয়া হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীর হাতে সম্মাননা তুলে দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় রায়পুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো: আবুল খায়ের ভূঁইয়া। সভাপতিত্ব করেন রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান কাউছার। অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া এবং প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ সময় প্রধান অতিথি কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি দেশ ও সমাজের কল্যাণে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতা কাজে লাগানোর আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

  • লক্ষ্মীপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে দাদা ও নাতি-নাতনির মৃত্যু

    লক্ষ্মীপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে দাদা ও নাতি-নাতনির মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    লক্ষ্মীপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

    রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার শাকচর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাচারিবাগ এলাকার ইব্রাহিম পাটওয়ারী বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    মৃতরা হলেন- ওই বাড়ির আবু সিদ্দিক (৭০) এবং তার ছেলে আব্দুল আজিজের শিশুপুত্র পিয়াস (৭) ও মেয়ে সুমি আক্তারের শিশুকন্যা পপি আক্তার (৮)।

    স্থানীয়রা জানান, বৃদ্ধ আবু সিদ্দিক তার দুই নাতি-নাতনিকে নিয়ে বাড়ির সামনের পুকুরে গোসল করতে যান। তিনি পানিতে নেমে ডুব দিলেও পানির নিচ থেকে আর উঠতে পারেননি। একপর্যায়ে তাকে পানির নিচে খুঁজতে গিয়ে পিয়াস ও পপিও ডুবে মারা যায়। ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা পর পুকুরের পানিতে তাদের ভাসতে দেখে স্থানীয়রা উদ্ধার করেন।

    স্বজনদের ধারণা, আবু সিদ্দিক পানিতে ডুব দিয়ে স্ট্রোক করে মারা গেছেন। তাকে খুঁজতে গিয়ে নাতি-নাতনিও পানিতে ডুবে মারা গেছে।

    লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। খুবই দুঃখজনক। ঘটনাস্থল পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • রায়পুরে মাদরাসায় ক্লাস নেয়ার সময় অসুস্থ হয়ে শিক্ষকের মৃত্যু

    রায়পুরে মাদরাসায় ক্লাস নেয়ার সময় অসুস্থ হয়ে শিক্ষকের মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মাদরাসায় ক্লাস নেয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ক্বারী ইব্রাহীম নামে এক শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার মধ্য সাগরদী এলাকার হযরত খাদিজাতুল কোবরা (রা:) দাখিল মাদরাসা প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।

    মাদরাসা সূত্রে জানা যায়, ক্বারী ইব্রাহীম মাদরাসায় ক্লাস নেয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

    আরো জানা যায়, ক্বারী ইব্রাহীম প্রায় ২০ বছর ধরে মধ্য সাগরদী হযরত খাদিজাতুল কোবরা (রা:) দাখিল মাদরাসায় শিক্ষকতা করে আসছিলেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি কোরআন শিক্ষাদানেও যুক্ত ছিলেন।

    সোমবার জোহরের নামাজের পর মধ্য সাগরদী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে লাশ তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর সোনাপুরের চর লরেঞ্চ এলাকায় নেয়া হয়। সেখানে জানাজা শেষে আসরের নামাজের পর পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

    মাদরাসার সুপার মাওলানা ইমরান বিন নাজির বলেন, ‘ক্বারী ইব্রাহীম দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর ধরে এই মাদরাসায় নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে শিক্ষকতা করেছেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে আমরা একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক ও ভালো মানুষকে হারালাম। তার মৃত্যুতে মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাই গভীরভাবে শোকাহত।’

    মাদরাসার সহ-সভাপতি ও রায়পুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ বলেন, ‘ক্বারী ইব্রাহীম ছিলেন একজন সৎ, দক্ষ ও দায়িত্বশীল শিক্ষক। কর্মস্থলে ক্লাস নেয়ার সময় তার এমন আকস্মিক মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তার মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। মহান আল্লাহ যেন তাকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার তৌফিক দেন।’

    মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন মাদরাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

  • লক্ষ্মীপুরে মাটি খুঁড়তেই পাওয়া গেল রকেট লঞ্চার

    লক্ষ্মীপুরে মাটি খুঁড়তেই পাওয়া গেল রকেট লঞ্চার

    লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে মাটি খুঁড়তেই পাওয়া গেল রকেট সাদৃশ্য বস্তু (রকেট লঞ্চার)। বুধবার সকালে উপজেলার আ স ম আব্দুর রব সরকারি কলেজের রাস্তার পাশে পানির লাইন স্থাপনের গর্ত খুঁড়তেই এগুলো দেখা যায়। উপ-প্রকৌশলী রিফাত হাসান বিষয়টি স্থানীয় থানায় অবগত করেন। এগুলো দেখতে উৎসুক জনতা ভিড় জমায়।

    রামগতি থানার কর্মকর্তা লিটন দেওয়ান জানান, পৌর সভার পানির লাইনের কাজ করতে গিয়ে মাটি খুঁড়তেই তিনটি রকেট লঞ্চার পাওয়া যায়।

    এগুলো দেখতে রকেট সাদৃশ্য বস্তু হলেও ভিতরে কী আছে বুঝা যাচ্ছে না। রকেট লঞ্চারগুলো উদ্ধার করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। রকেট লঞ্চার একধরনের সাময়িক আগ্নেয়াস্ত্র যা অনির্দেশিত বস্তু হিসেবে কাজ করে।

  • ঋণ শোধ হলো না, দুই ভাই ফিরলেন দুটি কফিনে

    ঋণ শোধ হলো না, দুই ভাই ফিরলেন দুটি কফিনে

    পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে জীবিকার সন্ধানে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন লক্ষ্মীপুরের দুই ভাই ফয়েজ আহমেদ সজীব (২৯) ও ফরহাদ হোসেন সুজন (২১)। কিন্তু প্রবাসের সেই স্বপ্ন সড়ক দুর্ঘটনায় থেমে গেল। সৌদি আরবের দাম্মামে প্রাণ হারানোর পর শেষ পর্যন্ত দুই ভাইকে ফিরতে হলো দুটি কফিনে। তাঁদের একসঙ্গে দাফনের মধ্য দিয়ে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়ে পুরো গ্রাম।

    আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার গনিপুর গ্রামের নিজ বাড়িসংলগ্ন কামারহাট মসজিদ মাঠে তাঁদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয় দুই ভাইকে। শেষবিদায়ে আত্মীয়স্বজন, এলাকাবাসী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

    নিহত ব্যক্তিরা হলেন চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার গনিপুর গ্রামের খলিফার বাড়ির বাসিন্দা আবদুল মালেকের দুই ছেলে সজীব ও সুজন। বড় ভাই সজীব দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের দাম্মামে খেজুরের ব্যবসা করতেন। চলতি বছরের শুরুতে ছোট ভাই সুজনকে কাজের সহযোগিতার জন্য সৌদি আরবে নিয়ে যান তিনি।

    পরিবার সূত্রে জানা যায়, ১৫ জুলাই রাতে খেজুরবোঝাই একটি পিকআপে করে বাগান থেকে ফেরার পথে তাঁদের গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাক-লরির সঙ্গে সজোরে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়।

    কাঁদতে কাঁদতে নিহত দুই ভাইয়ের বাবা আবদুল মালেক বলেন, ‘ঋণ করে দুই ছেলেকে সৌদি আরবে পাঠিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, তারা পরিশ্রম করে সংসারের অভাব ঘুচাবে, ঋণ শোধ করবে। কিন্তু সেই ঋণ এখনো শোধ হলো না। আমার দুই ছেলে আর নাই। এমন হবে, আমি কল্পনাও করি নাই।’

    দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে গতকাল সোমবার রাতে তাঁদের লাশ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। শেষবারের মতো একনজর দেখতে শত শত মানুষ ভিড় করেন। আজ জানাজায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিপুলসংখ্যক মুসল্লি অংশ নেন।

    লক্ষ্মীপুরের গ্রামের বাড়িতে আজ দুই ভায়ের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে গ্রামের লোকজন অংশ নেন। আজ সকালে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার গনিপুর গ্রামের কামারহাট মসজিদ মাঠেছবি: প্রথম আলো

    নিহত সজীবের স্ত্রী ও দুই বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে। পরিবারের প্রধান উপার্জনক্ষম দুই সদস্যকে হারিয়ে পরিবারটি এখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।

    স্থানীয় মানুষের ভাষ্য, সজীব ও সুজন ছিলেন অত্যন্ত ভদ্র, পরিশ্রমী ও সবার প্রিয়। তাঁদের অকালমৃত্যুতে শুধু একটি পরিবার নয়, শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো গনিপুর গ্রামে। জানাজা শেষে সজল চোখে দুই ভাইকে শেষবিদায় জানান স্বজন ও এলাকাবাসী।

    চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন নিপা বলেন, ‘একসঙ্গে দুই ভাইয়ের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।’

  • আমি এখন কাকে নিয়ে বাঁচব— মা ও তিন বোনের মরদেহের সামনে সিফাতের আর্তনাদ

    আমি এখন কাকে নিয়ে বাঁচব— মা ও তিন বোনের মরদেহের সামনে সিফাতের আর্তনাদ

    আমি এখন কাকে নিয়ে বাঁচব- মা ও তিন বোনের রক্তাক্ত মরদেহের সামনে দাঁড়িয়ে বারবার শুধু এই কথাটিই বলছেন জুনায়েদ ইসলাম সিফাত। যেন মুহূর্তেই হারিয়ে গেছে তার পৃথিবী। যে ঘরে ছিল মায়ের স্নেহ, তিন বোনের হাসি আর একসঙ্গে বেঁচে থাকার স্বপ্ন, সেই ঘরে এখন একা।

    লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভার গোডাউন রোডের একটি ভাড়া বাসায় ঘরে ঢুকে মা শাহিনুর বেগম (৩৮) ও তার তিন মেয়ে সায়মা আক্তার (২১), ইকরা আক্তার (১৭) এবং শিফা আক্তারকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে বৃহস্পতিবার। একই ঘটনায় গণপিটুনিতে নিহত হন প্রধান সন্দেহভাজন অন্তর মজুমদার (২৫)। একদিনে পাঁচ প্রাণহানির এই ঘটনা শোক ও আতঙ্কে স্তব্ধ করে দিয়েছে পুরো রায়পুরকে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ ও সিআইডিসহ একাধিক সংস্থা।

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত শাহিনুর বেগমের (৩৮) স্বামী কামাল ২০১৯ সালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারান। তারপর তিন মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে সংগ্রাম করে সংসার চালিয়ে আসছিলেন শাহিনুর। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হিসেবে সন্তানদের মানুষ করাই ছিল তার একমাত্র লক্ষ্য। সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্ন দেখতেন তিনি।

    কিন্তু বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সেই স্বপ্ন মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায়। ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শাহিনুর বেগম ও তার তিন মেয়ের ওপর হামলা চালানো হয়। ঘটনাস্থলেই শাহিনুর, সায়মা ও শিফার মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত ইকরাকে ঢাকায় নেওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়দের গণপিটুনিতে নিহত হন সন্দেহভাজন অন্তর মজুমদার।

    ঘটনার সময় পরিবারের একমাত্র ছেলে জুনায়েদ ইসলাম সিফাত কর্মস্থলে ছিলেন। তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ী ও রায়পুর বাজার কমিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম মুরাদের প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে এসে একসঙ্গে মা ও তিন বোনের রক্তাক্ত মরদেহ দেখে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন সিফাত।

    শুক্রবার লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঁচজনের ময়নাতদন্ত হয়। পরে শাহিনুর বেগম ও তার তিন মেয়ের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রায়পুরে তাদের প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। শাহিনুর ও তার তিন মেয়ের মরদেহ নেওয়ার কথা তাদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মরদেহ দাফন করা হবে।

    অন্যদিকে গণপিটুনিতে নিহত অন্তর মজুমদারের মরদেহ লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তার স্বজনের খবর দেওয়া হলেও তারা মরদেহ নিতে আসেননি।

    ঘটনার পর থেকে স্থানীয়দের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। অনেকে বলছেন, একই সময়ে চারজনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা একজন মানুষের পক্ষে কঠিন। তাদের দাবি, ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কিনা, সেটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন। তবে পুলিশ এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে না পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছে।

    রায়পুর বাজার কমিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম মুরাদ বলেন, ‘এ ধরনের নির্মম হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সাধারণ মানুষের ধারণা, একজনের পক্ষে একই সঙ্গে চারজনকে হত্যা করা কঠিন। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য বের করে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে।’

    ঘটনার পরপরই পুলিশ, সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মনিরুজ্জামানও ঘটনাস্থল ঘুরে তদন্তে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। পোশাকধারী ও সাদা পোশাকের পুলিশ সদস্যরা সমন্বিতভাবে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে একটি বিশেষ তদন্ত দলও ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখছে।

    নিহতদের স্বজন রায়পুর থানায় একটি হত্যা মামলার এজাহার দিয়েছেন। রায়পুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিন মিয়া বলেন, ‘ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি। ঘটনাস্থল থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।’

  • লক্ষ্মীপুরে ৩ মেয়েসহ মাকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে অভিযুক্ত নিহত

    লক্ষ্মীপুরে ৩ মেয়েসহ মাকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে অভিযুক্ত নিহত

    লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে তিন মেয়েসহ মাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গণপিটুনি দিলে তিনিও মারা গেছেন।

    আজ বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত আশংকাজনক অবস্থায় থাকা সবাই একে একে মারা যান।

    নিহতরা হলেন মা শাহিনুর বেগম (৩৮), তার বড় মেয়ে সায়মা আক্তার (২১), মেজো মেয়ে ইকরা আক্তার (১৭) ও ছোট মেয়ে শিফা আক্তার (৯)। এ ছাড়া গণপিটুনিতে অভিযুক্ত অন্তর মজুমদারও মারা গেছেন। অন্তর নোয়াখালী সুবর্ণচর এলাকার কার্তিক মজুমদারের ছেলে। তিনি রায়পুরের ভ্রাম্যমাণ ফল ব্যবসায়ী ছিলেন।

    এদিকে ঘটনাস্থলে অভিযুক্তকে গণপিটুনি দেওয়ার সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টাকালে উত্তেজিত জনতার ইট-পাটকেলে পুলিশের ৬-৭ জন সদস্য আহত হয়েছেন।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শাহীনুরদের বাড়ি কুমিল্লায় জেলায়। প্রায় ১২-১৪ বছর ধরে রায়পুরে ভাড়া বাসায় থাকেন। দীর্ঘ কয়েকবছর ধরে শাহীনুর তার সন্তানদের নিয়ে ঘটনাস্থলে আমির হোসেন মাস্টারের বাসায় ভাড়া থাকেন। ২০১৯ সালে তার স্বামী মো. কামাল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। এরপর থেকে ৩ মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে শাহীনুর ওই বাসায় বসবাস করে আসছেন।

    আজ সকালে তিন মেয়েসহ শাহীনুরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত অন্তরকে গণপিটুনি দেয়।

    অন্যদিকে, আহত অবস্থায় সবাইকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিলে চিকিৎসকরা শাহীনুর, তার মেয়ে সায়মা ও শিফাকে মৃত ঘোষণ করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মেজো মেয়ে ইকরাও বিকেলে মারা যায়।

    ঘটনায় অভিযুক্ত অন্তরকে উত্তেজিত জনতা গণপিটুনি দিলে আশঙ্কা অবস্থায় সদর হাসপাতাল নিলে সেও মারা যায়৷ এদিকে ঘটনাস্থলে উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার সময় উত্তেজিত জনতা ইট-পাটকেল ছুঁড়লে ৬-৭ জন পুলিশ সদস্য আহত হন।

    শাহীনুরের একমাত্র ছেলে সিফাত হোসেন রায়পুর বণিক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম মুরাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। মুরাদ বলেন, সিফাতের মা ও ৩ বোনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সকালে সে কাজে আসায় সেও (সিফাত) কিছুই জানতো না। ঘটনাটি জানার পর থেকে সেও আতঙ্কগ্রস্ত। সে কারও সাথে কথা বলার অবস্থাতে নেই।

    রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বাহারুল আলম বলেন, হাসপাতালে পাঁচজনকে আহত অবস্থায় আনা হয়েছে। এরমধ্যে দুই মেয়ে ও তাদের মা মারা গেছেন। তার এক মেয়েকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে সেও মারা যায়। এ ছাড়া অভিযুক্ত একজনকে গণপিটুনি দিয়ে আহত করা হয়। তার মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। সদর হাসপাতালে সেও মারা গেছে।

    সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুর সার্কেল) মো. আব্দুর রাশেদ বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে উত্তেজিতরা ইট-পাটকেল ছুঁড়লে আমাদের ৬-৭ জন সদস্য আহত হন।’

    বাড়ির মালিক ও প্রতিবেশীদের বরাতে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক বলেন, ঘাতক অন্তর তার স্ত্রীসহ প্রায় দেড় বছর ঘটনাস্থলে বাসা ভাড়া থাকতেন। প্রায় ৭-৮ মাস আগে সে বাসা ছেড়ে চলে যায়। হয়তো পূর্বপরিচিত হওয়ায় সকালে অন্তর এ বাসায় আসেন। এরপর সে ঘটনাটি ঘটায়। রাণী নামে এক প্রতিবেশী অন্তরকে ওই বাসায় দেখে এখানে আসার কারণ জানতে চায়ন। তখন অন্তর বলেন, তিনি পানির পাইপ ঠিক করতে এসেছেন। রাণী এটা বিশ্বাস না করে কলাপসিবল গেট আটকে দিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের খবর দেয়। তিনি পদক্ষেপটি না নিলে ঘটনাটি হয়তো উদ্‌ঘাটন করাই সম্ভব হতো না। এরপরও ঘটনাটি তদন্ত চলছে। তবে কী কারণে তাদেরকে হত্যা করা হয়েছে তা বলতে পারেনি পুলিশ।

  • কমলনগরে মেয়াদোত্তীর্ণ দই বিক্রির দায়ে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

    কমলনগরে মেয়াদোত্তীর্ণ দই বিক্রির দায়ে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

    লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মেয়াদোত্তীর্ণ ও ভেজাল দই বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    সোমবার (১ জুন) দুপুরে উপজেলার চরলরেন্স বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ দণ্ড দেয়া হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আরাফাত হোসাইন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

    আদালত সূত্র জানা যায়, চরলরেন্স বাজার এলাকার ব্যবসায়ী নুরনবী ও নুরউদ্দীন দীর্ঘদিন ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ ও ভেজাল দই বিক্রি করে আসছিলেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে দুপুরে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে ঘটনার সত্যতায় মেয়াদোত্তীর্ণ দইসহ হাতেনাতে আটক করার পর তাদের এই জরিমানা করা হয়।

    ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী বাবুল দধি বিতানের মালিক নুর উদ্দিনকে ২০ হাজার টাকা ও অপর ব্যবসায়ী নুরনবীকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়। একইসাথে জব্দ করা মেয়াদোত্তীর্ণ দই। পরে জনস্বার্থে ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয় সেগুলো।

    অভিযান চলাকালে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো: রিয়াজ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

    উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আরাফাত হোসাইন জানান, ভোক্তা অধিকার রক্ষা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান চালানো হয়েছে। আগামীতেও সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান থাকবে।

  • লক্ষ্মীপুরে জামায়াত প্রার্থীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

    লক্ষ্মীপুরে জামায়াত প্রার্থীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

    লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের আমির ও লক্ষ্মীপুর-২ আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী এসইউএম রুহুল আমিন ভুঁইয়ার পক্ষে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন করা হয়েছে। এতে দিনব্যাপী ৫ শতাধিক মেডিসিন, শিশু, চর্ম ও যৌন, চক্ষু ও ডায়াবেটিক রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হবে।

    শনিবার সকালে সদর উপজেলার রসুলগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চররুহিতা ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে দিনব্যাপী এ আয়োজন করা হয়েছে।

    চররুহিতা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ওমর ফারুকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের জামায়াতের প্রার্থী রুহুল আমিন ভুঁইয়া।

    রুহুল আমিন ভূঁইয়া বলেন, জামায়াত ইসলাম মানবিক সেবায় নিয়োজিত একটি আদর্শ ইসলামী সংগঠন। আমাদের ভিশনের শুরুর লাইনটি হলো মানবতার সেবা। মানবতার সেবা, দেশ পরিচালনায় যোগ্যতা অর্জন এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এই তিনটি কথা নিয়েই জামায়াত ইসলামীর ভিশন। এরমধ্যে শুরুটাই হলো মানবতার সেবা।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন রায়পুর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল আউয়াল রাসেল, আলিফ মীম হাসপাতালের চেয়ারম্যান আমির হোসেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন জেলা কমিটির সহ সেক্রেটারি আবুল বাশার, চররুহিতা ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আলী আহমেদ, রসুলগঞ্জ বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি শামছুল আলম রিটু প্রমুখ।

  • কবরস্থানে মিললো নতুন ৬ আগ্নেয়াস্ত্র

    কবরস্থানে মিললো নতুন ৬ আগ্নেয়াস্ত্র

    নোয়াখালীর একটি কবরস্থান থেকে নতুন ৫টি রাইফেল ও একটি এলজি উদ্ধার করেছে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ। রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নের চন্দ্রগঞ্জ পূর্ব বাজারে এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল অভিযান চালায় চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ। এসময় একটি কবরস্থান থেকে কাগজে মোড়ানো ৬টি প্যাকেটে উদ্ধার করা হয়। প্যাকেটে ৫টি রাইফেল ও ১টি এলজি ছিল।
    চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়জুল আজিম নোমান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুরের সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়। অভিযানের সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। অস্ত্রগুলো জব্দ দেখানো হয়েছে। এই অস্ত্র কার তা জানা যায়নি। জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।গত ১ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুরের পশ্চিম চন্দ্রগঞ্জ বাজারে একটি ওয়ার্কসপে অস্ত্র তৈরির সন্ধান মিলে। পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে একটি পিস্তল ও অস্ত্র তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম উদ্ধার করে।

  • ওয়ার্কশপের আড়ালে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি, যুবক গ্রেফতার

    ওয়ার্কশপের আড়ালে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি, যুবক গ্রেফতার

    লক্ষ্মীপুরে ওয়ার্কশপ ব্যবসার আড়ালে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করার ঘটনায় নুর উদ্দিন জিকু নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাঙ্গামাটির চন্দ্রঘোনা থানাধীন গহীন অঞ্চল থেকে লক্ষ্মীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে গ্রেফতার করে।

    জানা গেছে, গ্রেফতার জিকু নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়ারপুর ইউনিয়নে জগদীশপুর গ্রামের আব্দুল গোফরানের ছেলে ও লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিম বাজারের নোহা অটো ট্রেডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের মালিক।

    জেলা পুলিশ জানায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমীর দিক নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহাদাত হোসেন টিটোর নেতৃত্বে রাঙ্গমাটির চন্দ্রঘোনা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরিকারক নুরউদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি চন্দ্রগঞ্জ থানায় অস্ত্র আইনে দায়েরকৃত মামলার পলাতক আসামি ছিল। ১ ডিসেম্বর দুপুরে তার ওয়ার্কশপ থেকে ১টি দেশীয় অস্ত্র ও বিপুল অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। ওয়ার্কশপের আড়ালে তিনি সেখানে অস্ত্র তৈরি করতো। ওইদিন তার বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়। তবে তিনি পালিয়ে থাকায় তখন তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। ৬ দিন পর ৭ ডিসেম্বর সকালে গোয়েন্দা তথ্যেরভিত্তিতে নোয়াখালীর জগদীশপুর গ্রামের নুর উদ্দিনের বাড়ির কবরস্থান থেকে ৫টি দেশীয় ১ নলা বন্দুক ও একটি এলজি উদ্ধার করা হয়। অস্ত্রগুলো তার ওয়ার্কশপে প্রস্তুতকৃত। অস্ত্রগুলো নতুন ছিল।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, ওয়ার্কশপের আড়ালে নুরউদ্দিন আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করতো। তার দোকান ও বাড়ির কবরস্থান থেকে অস্ত্র, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে। ওই মামলায় অভিযান চালিয়ে তাকে রাঙ্গামাটি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

  • মাছ-মুরগি-তরকারি রান্নায় গরুর চর্বি, জরিমানা ৫০ হাজার

    মাছ-মুরগি-তরকারি রান্নায় গরুর চর্বি, জরিমানা ৫০ হাজার

    লক্ষ্মীপুরে হোটলে মুরগি-মাছসহ তরকারি রান্নায় জমিয়ে রাখা গরুর চর্বি ব্যবহার করায় হোটেল মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। হোটেলে পচা ও বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগেরও সত্যতা মিলেছে।

    বুধবার বিকেলে বিসমিল্লাহ হোটেলে এ অভিযান পরিচালনা করে ভোক্তা অধিকার ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।এদিকে একই মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার দায়ে একতা ফার্মেসি নামে এক দোকানিকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    অভিযানে জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমুধু চক্রবর্তী ও জেলা ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক নুর হোসেন উপস্থিত ছিলেন। ভোক্তা অধিকার ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, হাসপাতালের সামনে বিসমিল্লাহ্ হোটেলে গরুর জমানো চর্বির তেল দিয়ে মাছ, মুরগির মাংসসহ বিভিন্ন তরকারি রান্নায় ব্যবহার করা হতো। এছাড়াও হোটেল থেকে মেয়াদ উত্তীর্ণ পাউরুটিসহ ফ্রিজ থেকে বাসি মাছ ও মাংস জব্দ করা হয়। এসব ঘটনায় হোটেল মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এসময় পচা ও বাসি খাবারসব বিভিন্ন মালামাল জব্দ করে বিনষ্ট করা হয়েছে।নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমুধু চক্রবর্তী বলেন, হাসপাতালে থাকা রোগী ও তাদের স্বজনরা এ হোটেলে খাবার খায়। কিন্তু হোটেলটির পরিবেশ নোংরা, ফ্রিজে বাসি খাবার সংরক্ষণ করা হয়েছিল। তাছাড়া গরুর চর্বির জমানো তেল দিয়ে রান্না করা হয়। এছাড়া একটি ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়া গেছে। দুই দোকানিকে জরিমানাসহ ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

  • সংকটে হাবুডুবু খাচ্ছে লক্ষ্মীপুর বিসিক শিল্পনগরীর সম্ভাবনা

    সংকটে হাবুডুবু খাচ্ছে লক্ষ্মীপুর বিসিক শিল্পনগরীর সম্ভাবনা

    লক্ষ্মীপুরে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনে (বিসিক) গড়ে ওঠেনি আশানুরূপ শিল্প-কারখানা। বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠার ২৮ বছর পরও বিভিন্ন সংকটে হাবুডুবু খাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। প্লট বরাদ্দ নিলেও অর্ধেক প্রতিষ্ঠানই উৎপাদনে যেতে পারেনি। অথচ মেঘনাপাড়ের এ জনপদে সস্তা শ্রম, দেশের ২১ জেলার সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ব্যাপক কৃষিপণ্য উৎপাদন হয়। বিসিকে পরিকল্পিত উন্নয়ন হলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে বদলে যাবে এ এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান, এমনটাই আশা স্থানীয়দের।এদিকে বিসিক এলাকায় গ্যাস-পানি সংকট, ভেতরের অংশে সড়ক খানাখন্দে ভরপুর, অপরিকল্পিত ড্রেনেজে ব্যবস্থা, লোডশেডিং, বাতিহীন ল্যাম্পপোস্ট ও নিরাপত্তা প্রাচীর না থাকা উদ্যোক্তাদের সমস্যার অন্যতম কারণ। এসব বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেও কার্যকর সুফল আসছে না বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, লক্ষ্মীপুর শহরে বাঞ্ছানগর এলাকায় ১৬ একর জমিতে ১৯৯৭ সালে শিল্পায়নের মাধ্যমে বেকার সমস্যা সমাধান ও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হয়। ২০০০ সাল থেকে প্লট বরাদ্দ হয়। এরমধ্যে তিন স্তরে ৫৪টি শিল্প ইউনিটের জন্য ৯৯টি প্লট বরাদ্দ হয়। বর্তমানে ৩০টি ইউনিট চালু রয়েছে।

    লক্ষ্মীপুর-রায়পুর আঞ্চলিক মহাসড়ক থেকে বিসিকের দিকে একটু এগুলেই দেখা যায় বেশ কয়েকটি বড় গর্তে পানি জমে আছে। ভেতরে রাস্তা, ড্রেনেজ সমস্যা প্রকট। সড়কে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত; মালামাল পরিবহনে ট্রাক-পিকআপ ভ্যানসহ যানবাহন চলছে হেলেদুলে। ধুলাবালিতে একাকার। ড্রেনে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ জমে মশা-মাছির দাপট চলছে। বর্ষা এবং সামান্য বৃষ্টি হলে ভেতরে হাঁটু পানি জমে থাকে। ভেতরে ২০-২৫টি প্লট খালি রয়েছে। সেখানে আশপাশের লোকজন গরু-ছাগল চরায়। এছাড়া সীমানা প্রাচীর না থাকায় চুরি-ছিনতাইসহ অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। এখানে উল্লেখযোগ্য অয়েল মিল, বেকারি, চকলেট তৈরি, সয়াবিন প্রক্রিয়াকরণ, অটোরাইস মিল ও মবিল রিপ্যাকিং মিল রয়েছে।

    পশ্চিম লক্ষ্মীপুর এলাকার নারী শ্রমিক ফাতেমা বেগম জানান, বিসিকে তিনি প্রতিদিন হেঁটে আসেন। মাঝেমধ্যে রিকশা নিলেও ভেতরে আসতে চান না রিকশাচালক। একটু বৃষ্টি হলে হাঁটুপানি মাড়িয়ে আসা-যাওয়া করতে হয়।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক তরুণ উদ্যোক্তা জানান, এখানে পরিবেশ অনুকূলে রয়েছে। তবে সহজে আশানুরূপ ব্যাংকঋণ পাওয়া যায় না। অনেক সময় শ্রমিকের বেতন দিতেও হিমশিম খেতে হয়। এ অবস্থায় লোকসানের কারণে ফ্যাক্টরি বন্ধ রেখেছেন।

  • লক্ষীপুরে অর্ধশতাধিক বিএনপি নেতা-কর্মীর জামায়াতে যোগদান

    লক্ষীপুরে অর্ধশতাধিক বিএনপি নেতা-কর্মীর জামায়াতে যোগদান

    লক্ষ্মীপুরে অর্ধশতাধিক কর্মী–সমর্থক নিয়ে বিএনপি নেতা হোসেন আহমেদ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) রাতে সদর উপজেলার চররুহিতা ইউনিয়নের নবীগঞ্জ বাজার এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি জামায়াতে যোগ দেন।

    হোসেন আহমেদ চররুহিতা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে চররুহিতা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর ওমর ফারুক, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় জামায়াত নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    জামায়াত নেতা ওমর ফারুক বলেন, ‘হোসেন আহমেদ অর্ধশতাধিক কর্মী–সমর্থক নিয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছেন।’

    নতুন সদস্য হোসেন আহমেদ বলেন, ‘শেখ হাসিনার পতনের পরও আমি বিএনপি করতাম। পরে বুঝেছি, বিএনপির সঙ্গে ইসলামী আদর্শের কোনো সম্পর্ক নেই। একজন মুসলিম হিসিবে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য জামায়াতে যোগ দিয়েছি।