মেহেরপুর

Meherpur district

  • শিমুলে রাঙা পথ, পলাশে বসন্তের আমেজ গাংনীতে

    শিমুলে রাঙা পথ, পলাশে বসন্তের আমেজ গাংনীতে

    প্রকৃতি থেকে এখনো পুরোপুরি সরেনি শীতের চাদর। রৌদ্রোজ্জ্বল মিষ্টি দিন গায়ে লাগে আলতোভাবে। পাতা ঝরা গাছে গজিয়েছে নতুন কুঁড়ি, কোকিলের কুহুতানে জেগে উঠছে চারপাশ। বাতাসে ভেসে আসছে নানা ফুলের ঘ্রাণ। এরই মধ্যে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার গ্রামাঞ্চলের রাস্তার ধারে ফুটে থাকা শিমুল ও পলাশ ফুলে রঙিন হয়ে উঠেছে প্রকৃতি।উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তার দুই পাশে সারি সারি শিমুলগাছে লাল ফুল ফুটে আছে। তবে পলাশগাছ তুলনামূলক কম। তেঁতুলবাড়িয়া, কল্যাণপুর, বামন্দী, করমদি, দেবীপুর, বালিয়াঘাট, হারাভাঙ্গাসহ বিভিন্ন গ্রামের সড়কে শিমুলের উপস্থিতি চোখে পড়ে বেশি। পলাশ দেখা যায় অল্প কয়েকটি স্থানে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শিমুল-পলাশের রঙে প্রকৃতি এখন অপরূপ সাজে সেজেছে। তবে পলাশগাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় আগের মতো দৃষ্টিনন্দন দৃশ্য আর দেখা যায় না।

    কল্যাণপুর গ্রামের ফয়সাল আহাম্মেদ বলেন, ‘আমাদের এলাকার রাস্তায় অনেক শিমুলগাছ রয়েছে। প্রায় প্রতিটি গাছে ফুল ফুটেছে। চারদিকে লাল আভা ছড়িয়ে পড়েছে। যদি পলাশগাছ বেশি থাকত, তাহলে দৃশ্য আরও মনোমুগ্ধকর হতো।’পথচারী রাজু আহমেদ বলেন, ‘পলাশী গ্রামের একটি পলাশগাছে পরিপূর্ণ ফুল ফুটেছে। দেখতে খুবই সুন্দর লাগে। কিন্তু পলাশগাছ খুব কম দেখা যায়। এই ফুল প্রকৃতিকে নতুন রূপ দেয়।’

    বামন্দী ইউনিয়নের পুকুরপাড়া গ্রামের রাসেল আহমেদ বলেন, উপজেলার বিভিন্ন সড়ক ও বাড়ির পাশে শিমুল ফুল ফুটেছে। রাস্তার ধারে আরও বেশি ফুলের গাছ লাগালে সৌন্দর্য বাড়বে।

    তেঁতুলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, এলাকায় পলাশগাছ খুব বেশি নেই। ধীরে ধীরে পলাশগাছ হারিয়ে যাচ্ছে। শিমুলগাছ রয়েছে বেশ কিছু। রাস্তার ধারে পলাশ ও শিমুলগাছ লাগালে পরিবেশ যেমন সুন্দর হবে, তেমনি প্রকৃতিও ফিরে পাবে তার রঙিন রূপ। তিনি নিজ উদ্যোগে পলাশগাছ লাগানোর চেষ্টা করবেন বলেও জানান।

    জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হামিম হায়দার বলেন, আগামী জুন-জুলাই মাসে বন বিভাগের পরিচালন ব্যয় থেকে প্রায় ২০ হাজার বনজ ও ফলদ গাছ লাগানো হবে। তবে রাস্তার ধারে ফুলের গাছ লাগানোর বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা নেই। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে এই উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে বলে তিনি জানান।

  • মেহেরপুরে বিএনপির মনোনয়ন দ্বন্দ্বে পাল্টাপাল্টি হামলা

    মেহেরপুরে বিএনপির মনোনয়ন দ্বন্দ্বে পাল্টাপাল্টি হামলা

    মেহেরপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমজাদ হোসেনের মনোনয়ন পাওয়ায় বঞ্চিত প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে হামলা, পাল্টা হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।মঙ্গলবার দুপুরে গাংনী বাজারে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত সাবেক এমপি আমজাদ হোসেন ও জেলা বিএনপির সভাপতি জাবেদ মাসুদ মিল্টন পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।এ সময় গাংনী উপজেলা বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর করে মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি জাবেদ মাসুদ মিল্টনের সমর্থকরা। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে অন্তত ২০টি মোটরসাইকেল ও কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও গাংনী বাজারজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে।আমজাদ হোসেনের সমর্থকরা জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মেহেরপুর-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমজাদ হোসেন নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাসস্ট্যান্ড দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় মনোনয়ন বঞ্চিত জেলা বিএনপির সভাপতি জাবেদ মাসুদ মিল্টন পক্ষের সমর্থকরা অতর্কিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে আমজাদ হোসেন তার কার্যালয়ে আশ্রয় নিলে মিল্টনপন্থীরা গাংনী উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং কার্যালয়ের সামনে থাকা অন্তত ২০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।এদিকে হামলার খবর পেয়ে হাসপাতাল বাজার থেকে গাংনী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবলুর নেতৃত্বে আমজাদ হোসেন পক্ষের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে গাংনী বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আসে। এ সময় আমজাদ হোসেনপন্থী উত্তেজিত নেতাকর্মীরা জাবেদ মাসুদ মিল্টনের অফিসে হামলা চালায়। অবস্থা বেগতিক দেখে মিল্টনপন্থীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এতে গাংনী বাজারজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে দোকানপাট বন্ধ করে দেয়। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এরপরও আবার হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে; শেষ পর্যন্ত পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।চলমান এই ঘটনায় আমজাদ হোসেনের সমর্থকরা দুপুর ৩টার দিকে গাংনী বাজারে অতর্কিত হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে গাংনী উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশ করে তারা।এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি জাবেদ মাসুদ মিল্টন বলেন, ‘সংঘর্ষের ঘটনাটি দুঃখজনক। বিষয়টি আমি পরে জেনেছি। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।’গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বনি ইসরাইল বলেন, গাংনী শহরজুড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

  • মুজিবনগরে  বিশেষ স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

    মুজিবনগরে বিশেষ স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

    মেহেরপুরের মুজিবনগরে গুডনেইবারস বাংলাদেশ মেহেরপুর সিডিপির উদ্যোগে মেহেরপুর সিডিপি বল্লভপুর প্রজেক্ট অফিস প্রাঙ্গণে বিশেষ স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠানের সিডিপি ম্যানেজার বিপুল রেমার সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গাইনাকোলজিস্ট ডা: সিনথিয়া আফরিন সিমি এবং খাদ্য ও পুষ্টিবিদ ফজলে রাব্বি।হেলথ অফিসার আহসানুল হক সঞ্চালনায় ক্যাম্পেইনে আরও উপস্থিত ছিলেন, সিডিপির সিনিয়র এডমিন অফিসার উত্তম কুমার রায় এবং মেডিকেল অফিসার মেহেদী হাসান (সুইট)।ক্যাম্পেইনের মূল কার্যক্রম মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য বিষয়ে আলোচনা, পুষ্টিকর খাবারের উপকারিতা ও সুষম খাদ্যাভ্যাস বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।ক্যাম্পেইনে স্বল্পমূল্যে গাইনি রোগী দেখা এবং অপুষ্ট শিশুদের জন্য ডায়েট চার্ট প্রদান করা হয়ে।এছাড়াও কমিউনিটির জন্য ৩০% ছাড়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পুষ্টি প্যাকেজ সরবরাহ করা হয়ে।গুডনেইবারস বাংলাদেশ জানায়, এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে কমিউনিটির মধ্যে সুলভ সেবা, স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পুষ্টি জ্ঞান সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।

  • মেহেরপুরে পদ্ম ফুল তুলতে গিয়ে একই পরিবারের তিনজনসহ চার শিশুর মৃত্যু

    মেহেরপুরে পদ্ম ফুল তুলতে গিয়ে একই পরিবারের তিনজনসহ চার শিশুর মৃত্যু

    মেহেরপুর সদর উপজেলার রাজনগর গ্রামের মশুরিভাজা বিলে পদ্মফুল তুলতে গিয়ে একই পরিবারের ৩ জনসহ চার ছাত্রীর মমান্তির্ক মৃত্যু হয়েছে।

    রবিবার সন্ধ্যায় স্থানীয়রা প্রথমে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে। একজন নিখোঁজ থাকায় পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম গিয়ে অপরজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

    নিহতরা হলো, আব্দুস সামাদের মেয়ে ফাতেমা (১৪) ও আফিয়া (১০)। এদের মধ্যে ফাতেমা মোমিনপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী এবং আফিয়া বারাদি তৃণমূল মডেল একাডেমির চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী। ইরাক প্রবাসী সাহারুল ইসলামের মেয়ে ও বারাদি তৃণমূল মডেল একাডেমির চুতর্থ শ্রেণীর ছাত্রী আলেয়া (১০), ইসাহাক আলীর মেয়ের আমঝুপি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী মিম (১৪)। নিহত সকলের বাড়ি রাজনগর গ্রামের মল্লিকপাড়ায়।

    স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে চারজনই একসঙ্গে মশুরিভাজা বিলে পদ্মফুল তুলতে মশুরিভাজা বিলে যায়। দীর্ঘক্ষণ তারা ফিরে না আসায় বিকালের দিকে পরিবারের লোকজন তাদের খুঁজতে বের হয়। বিলপাড়ে তাদের স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখে যে একজনের লাশ পানিতে ভাসছে। তারপর খোঁজাখুঁজির পর আরও দুটি মরদেহ দেখতে পায়। একজনের খোঁজ না পেয়ে মেহেরপুর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম সেখানে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করে। মমান্তিক এ খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার পরিবেশ শোকে ভারী হয়ে উঠেছে।

    মেহেরপুর ফায়ার সার্ভিস ইউনিটের টিম লিডার শামিম হোসেন জানান, পদ্মফুল তুলতে গিয়ে চারজন বিলে ডুবে যায়। স্থানীয়রা ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করে। একজনকে খুঁজে না পেলে আমাদের খবর দিলে আমরা ঘটনাস্থলে পৌছে বিলের একটি গর্তের মধ্যে থেকে বাকি জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    বারাদি পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই রেজাউল ইসলাম বলেন, দুপুর দেড়টার দিকে চারজন মশুরিভাজা বিলে পদ্মফুল তুলতে যায়। ফুল তুলতে গিয়ে তারা একটি গর্তে পড়ে নিখোঁজ হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে বিকাল ৫টা ২০ মিনিটে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

    মেহেরপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নিবার্হী কর্মকতার্ সুমাইয়া জাহান ঝুকার্সহ প্রশাসের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত পরিবারের খোজ খবর নিয়েছেন।

    অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: তরিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে নিহতদের দাফনের জন্য মরদেহ প্রতি ১০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।

    মেহেরপুর সদর থানার ওসি মেছবাহ উদ্দিন বলেন, নিহত চারজনের কেউ সাঁতার জানতো না। বিলে একেক যায়গায় একেক রকম গভিরতা। যেকারণে তারা বুঝতে না পেরে বিলে তলিয়ে গেছে। পরে তাদের খোঁজাখুজি করার পর স্থানীয়রা ও ফায়ার সার্ভিস তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।

  • বিআরটিসি বাসের ধাক্কায় মেহেরপুর পথচারী নিহত

    বিআরটিসি বাসের ধাক্কায় মেহেরপুর পথচারী নিহত

    মেহেরপুরে বিআরটিসি বাসের ধাক্কায় শরিফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। আজ রবিবার সকাল সাতটার দিকে মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা সড়কের শহরের ব্রাক অফিসের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শরিফুল ইসলাম শহরের মল্লিকপাড়া এলাকার খাদেমুল ইসলামের ছেলে।

    প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, সকালে শরিফুল ইসলাম মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা সড়ক পার হওয়ার সময় মেহেরপুর থেকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া বিআরটিসি বাস তাকে ধাক্কা দেয়। এসময় সড়ক ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌছে মরদেহটি উদ্ধার করেন।
    ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার শামীম হোসেন জানান, স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে এসে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
    মেহেরপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মেজবা উদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতলের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

  • ২৪০ টাকায় পেলন পুলিশের চাকরি!

    ২৪০ টাকায় পেলন পুলিশের চাকরি!

    মেহেরপুরে পুলিশ নিয়োগ পরীক্ষায় যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি পেয়ে জেলার সাধারণ পরিবারে বয়ে যাচ্ছে খুশির জোয়ার। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সময়ে পুলিশে নিয়োগ নিয়ে নানা ধরনের অভিযোগ থাকলেও এবারের নিয়োগ ছিল সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ।

    মাত্র ২৪০ টাকা খরচ করে ৯ জন যুবক চাকরি পেয়েছেন পুলিশের কনস্টেবল পদে। তাদের মধ্যে আছেন ভ্যানচালক, কৃষক, দিনমজুর পরিবারের সন্তানেরা। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রমাণ করেছে—সত্যিকারের যোগ্যতা থাকলেই সরকারি চাকরির স্বপ্ন পূরণ সম্ভব।
    মেহেরপুর মুজিবনগর উপজেলার বাগোয়ান গ্রামের ভ্যানচালক মিন্টু মোল্লার পরিবারের খুশি এখন সবার মুখে মুখে। তার ছেলে মাজহারুল ইসলাম পুলিশের চাকরি পেয়েছেন। শুক্রবার সকাল থেকে মিন্টু মোল্লা অপেক্ষা করছিলেন পুলিশ লাইনের মূল ফটকের সামনে। কিছুক্ষণ পর ছেলে দৌড়ে এসে বাবাকে জড়িয়ে ধরলেন। দুজনের চোখে-মুখে ঝলমল করছিল গর্ব আর আনন্দ।

    মিন্টু মোল্লা জানান, তিনি সারাজীবন ভ্যান চালিয়ে সংসার চালিয়েছেন। সেই ভ্যানেই ছেলে মাজহারুলকে স্কুলে নিয়ে গেছেন। কখনো ভেবেও দেখেননি, তার ছেলে একদিন পুলিশের চাকরি পাবে। তিনি বলেন, আমার জীবনের কষ্ট বৃথা যায়নি। আজকের এই দিন দেখার জন্যই এতদিন পরিশ্রম করেছি।

    মাজহারুল বলেন, মাত্র ২৪০ টাকা খরচ করে চাকরি পেয়েছি। এখন থেকে পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে নেব। প্রথম বেতন হাতে পেলে সেই টাকা বাবার হাতে তুলে দেব। বাবাই আমাকে অক্লান্ত পরিশ্রম করে পড়াশোনা করিয়েছেন। তাই বাবার সাথে সুখ-দুঃখ ভাগ করে নিতে চাই সারাজীবন।
    মেহেরপুর শহরের দিঘীরপাড়ার কৃষক আক্কাস আলীর ছেলে রুমমানও চাকরি পেয়ে উচ্ছ্বসিত। রুমমান বলেন, তাদের পরিবার অভাব-অনটনে দিন কাটিয়েছে। বাবার সীমিত আয়ে সংসার চালানোই কঠিন ছিল। এখন চাকরি পাওয়ার পর পরিবারের কষ্ট অনেকটা লাঘব হবে।

    তিনি জানান, পুলিশে চাকরি করা আমার স্বপ্ন ছিল। পরিবারের কষ্ট কমাতে চাই। আল্লাহর অশেষ রহমতে এবার সেই সুযোগ এসেছে। এখন কঠোর পরিশ্রম করে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করব।

    শুধু মাজহারুল বা রুমমান নয়, এবারের নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্ত ৯ জন যুবকের গল্প প্রায় একই রকম। কারো বাবা দিনমজুর, কারো বাবা কৃষক। অনটন, কষ্ট আর সংগ্রামের মাঝেই তারা বড় হয়েছেন। তাদের সবার অভিন্ন বক্তব্য—টাকা-পয়সা খরচ করতে হয়নি, যোগ্যতার মাধ্যমেই তারা চাকরি পেয়েছেন।

    আরেক সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত পুলিশ কনস্টেবল অমিত হাসান জানান, আগে চাকরি পেতে ঘুষ লাগত এমন অভিযোগ ছিল প্রচুর। এবারের নিয়োগ প্রক্রিয়া সেই ধারণা বদলে দিয়েছে। এতে যোগ্য তরুণরা উৎসাহিত হয়েছেন।

    মেহেরপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, এবারের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন ছাড়াই যোগ্য প্রার্থীদের নির্বাচিত করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, আমরা কেবল যোগ্যতা আর মেধাকেই প্রাধান্য দিয়েছি। এজন্যই সাধারণ পরিবার থেকে আসা ছেলে-মেয়েরা চাকরি পেয়েছে। পুলিশের দায়িত্ব হলো জনগণের আস্থা অর্জন করা। সেই আস্থা অর্জনের প্রথম শর্ত হলো স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া।
    মোট ৫৫৫ জন প্রার্থী এবারের কনস্টেবল পদে আবেদন করেছিলেন। লিখিত, মৌখিক, শারীরিক ও স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অংশ নেন তারা। সবশেষে যোগ্য বিবেচিত হয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন মাত্র ৯ জন। যারা নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের অধিকাংশই মেহেরপুরের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে আসা তরুণ।

  • শীতের সবজিতে ভরেগেছে মেহেরপুরে মাঠ

    শীতের সবজিতে ভরেগেছে মেহেরপুরে মাঠ

    মেহেরপুরে শীতের সবজিতে ভরে উঠেছে কৃষকের মাঠ। শীতের আগমনি বার্তার সাথে সাথে হরেক রকমের শীতের সবজিতে ভরে যাচ্ছে গ্রামীন বাজার গুলো।

    জেলার মাঠজুড়ে চাষ হচ্ছে ফুলকপি, বাধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, সিম, করলা, টমেটোসহ নানান আগাম জাতের সবজি। ভোর হলেই কৃষকরা ফসল পরিচর্যায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন। আবার কেউ ফসল বাজারজাতকরণের প্রস্তুতি নেন।

    জেলার সাহারবাটি মাঠের চাষি হাফিজুর রহমান বলেন, এ বছর ১৫ বিঘা জমিতে শীতকালীন আগাম জাতের বাধাকপি ও ফুলকপি চাষ করেছি। আগাম জাতের সবজি হওয়ায় বাজারে দাম ভালো পাওয়া যাচ্ছে। ফলনও ভালো হয়েছে। প্রতি কেজি ফুলকপি ১২০ টাকা ও বাধাকপি ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে খরচের তুলনায় লাভ ভালো হবে। তাই এই সকল সবজি চাষে অনেক চাষিদের আগ্রহ বেশি।

    একই মাঠের লাউ চাষি সেলিম রেজা বলেন, এক বিঘা জমিতে লাউ লাগিয়েছি। ফলন ভালো হয়েছে। প্রতিদিনই জমি থেকে প্রায় চারশ পিস লাউ উত্তোলন করা হচ্ছে। বাজারে প্রতি পিস লাউ ৩০-৩৫ টাকায় পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। এতে খরচের তুলনায় লাভ ভালো হচ্ছে।

    এছাড়া এই মাঠের বিভিন্ন সবজি ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্নস্থানে বাজারজাত করা হয়। তবে জেলার মটমুড়া মাঠের শিম চাষি রাকিব অভিযোগ করে বলেন, সার-বিষের দাম বেশি হওয়ায় উৎপাদন খরচ বেশি হচ্ছে। আবহাওয়া অনূকুলে না থাকায় সবজিতে বেশি পরিমাণে সার ও বিষ স্প্রে করা হচ্ছে। তবে ফলন ভালো হওয়ায় বাজারে ভালো দামে বিক্রয় হচ্ছে। প্রতি কেজি শিম বাজারে পাইকারি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে।

    মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সনজীব মৃধা বলেন, আমরা সবসময় কৃষকদের পাশে রয়েছি। এ বছর উৎপাদন খরচ বেশি হলেও আগাম শীতকালীন সবজির চাষ ভালো হওয়ায় কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন। চলতি বছর জেলাতে ২ হাজার ২৮০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন আগাম জাতের সবজি চাষ হয়েছে এবং উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। এসব সবজি জেলার চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বরিশালসহ দেশের বিভিন্নস্থানে সরবরাহ করা হবে।

  • গাংনী সমবায় দিবস পালন

    গাংনী সমবায় দিবস পালন

    “সাম্য ও সমতায় দেশ গড়বে সমবায়” প্রতিপাদ্যে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় পালন করা হয়েছে ৫৪ তম জাতীয় সমবায় দিবস।

    এ উপলক্ষে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় গাংনী উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ কের একটি র‌্যালী।

    পরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা সমবায় অফিসার আবু হাসেমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার হোসেন।

    বিশেষ অতিথি মেহেরপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম সোনা। এসময় অন্যেদের মধ্যে বক্তব্যে রাখেন, চাঁদপুর সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম, গাংনী উপজেলা বিএনপির সংগঠনিক সম্পাদক আব্দাল হক, ডিজিটাল বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি তোফায়েল হোসেন প্রমুখ।গ্রন্থনা:অধ্যক্ষ মহসীন আলী আঙ্গুঁর ,সম্পাদক ও প্রকাশক, মুজিবনগর খবর ডট কম,মেহেরপুর।

  • মেহেরপুরের আমদহে অ্যাড. কামরুল হাসানের লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ

    মেহেরপুরের আমদহে অ্যাড. কামরুল হাসানের লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র কেন্দ্র ঘোষিত ৩১ দফা দাবি প্রচারের অংশ হিসেবে মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার মহাজনপুর ইউনিয়নের কোমরপুর বাজারে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    গতকাল বুধবার বিকেল ৫টার দিকে জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল হাসানের নেতৃত্বে এ কর্মসূচি পরিচালিত হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি বাজারের সাধারণ মানুষের হাতে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা দাবি সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করেন এবং এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য আলমগীর খান ছাতু, জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক লিটন, সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ফয়েজ মোহাম্মদ, মুজিবনগর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আমিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক হাজী মশিউর রহমান, পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এহান উদ্দিন মনা, মহাজনপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আলফাজ উদ্দিন কালু ও সাধারণ সম্পাদক সোনা গাইন, আমদহ ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি ইলিয়াস হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন, মুজিবনগর যুবদলের সদস্য সচিব আনারুল ইসলাম, বাগোয়ান ইউনিয়নের সভাপতি রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবে মেহেরপুর জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ধাপে ধাপে একই ধরনের গণসংযোগ ও প্রচারণা চালানোর ঘোষণা দেন জেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ।

  • মেহেরপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ঔষধ বিতরণ

    মেহেরপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ঔষধ বিতরণ

    মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সাহারবাটী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে ঔষধ ও স্বাস্থ্য উপকরণসহ আসবাবপত্র বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণকৃতগুলাের মধ্যে রয়েছে-এন্টাসিড ট্যাবলেট ২৮বক্স, মেট্রোনিডাজল ট্যাবলেট ২৪ বক্স, নাপা এক্সট্রা ১৬ বক্স,ওরস্যালাইন ১৬ বক্স,হিস্টাসিন ১০ বক্স,চেয়ার ৬টি, টেবিল ১টি,বিপি মেশিন ৪টি ওওয়েট মেশিন- ২টি।

    বুধবার দুপুর ২টার দিকে সাহারবাটী ইউনিয়ন পরিষদে বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
    ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে এসব বিতরণ করেন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আসমাতারা।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন পরিষদের সচিব ফয়সাল আহম্মেদ, ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক আশিইল ইশরাক,স্যাকমাে আমির হামজা,স্বাস্থ্য কর্মী নাজমুন নাহার ও নাহিদা আক্তারসহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য-সদস্যাবৃন্দ।

    এদিকে,বিতরণকৃত এসব ঔষধ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র এবং কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের মানুষ স্বাস্থ্য সেবা পাবে।

  • মেহেরপুরে ইজিবাইক চালক হত্যায় একজনের মৃত্যুদন্ড

    মেহেরপুরে ইজিবাইক চালক হত্যায় একজনের মৃত্যুদন্ড

    মেহেরপুর প্রতিনিধি

    মেহেরপুর সদর উপজেলার শোলমারী গ্রামের ইজিবাইক চালক জামাল হোসেন হত্যা মামলার একমাত্র আসামি বাচ্চু মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড (ফাঁসি) দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    সোমবার (২৮ জুলাই) দুপুরে মেহেরপুরের জেলা ও দায়রা জজ এস এম নাসিম রেজা এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত বাচ্চু মিয়া সদর উপজেলার শোলমারী গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে।

    মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০২২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মেহেরপুর সদর উপজেলার নতুন শেখপাড়া এলাকার একটি লিচু বাগান থেকে জামাল হোসেনের (৫৪) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি পেশায় একজন ইজিবাইক চালক ছিলেন। ঘটনার পরদিন নিহতের ছোট ভাই আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে মেহেরপুর সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে শোলমারী গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে বাচ্চু মিয়াকে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা (পরিদর্শক) মেছবাহ উদ্দিন আহমেদ। মামলার অভিযোগত্র, দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি শেষে আদালত আসামি বাচ্চু মিয়াকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

    মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সাইদুর রাজ্জাক এবং আসামি পক্ষে এহান উদ্দিন মনা আইনজীবীর দায়িত্ব পালন করেন। আদেশ ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাইদুর রাজ্জাক বলেন, ‘আদালতের এই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। জামাল হত্যার বিচার পেয়ে তার পরিবার স্বস্তি পাবে বলে আশা করছি।”

    অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এহান উদ্দিন মনা বলেন, ’আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করব।’

    রায় ঘোষণার সময় আসামি বাচ্চু মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে পুলিশি পাহারায় তাকে মেহেরপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

  • মেহেরপুরে জামায়াতের নির্বাচনী দায়িত্বশীল প্রশিক্ষণ কর্মশালা

    মেহেরপুরে জামায়াতের নির্বাচনী দায়িত্বশীল প্রশিক্ষণ কর্মশালা

    মেহেরপুর প্রতিনিধি

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মেহেরপুর-১ ও ২ আসনের নির্বাচনী দায়িত্বশীলদের প্রশিক্ষন কর্মশালা মেহেরপুর জেলা শাখার আয়োজনে মেহেরপুর পৌর কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইকবাল হোসেনের পরিচালনায় সভাপতিত্ব করেন মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও মেহেরপুর জেলা আমীর মাওঃ তাজউদ্দীন খান। প্রধান প্রশিক্ষক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের যশোর কুষ্টিয়া অঞ্চলের টিম সদস্য ডঃ আলমগীর বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-২আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও চুয়াডঙ্গা জেলা আমীর এ্যাডঃ রুহুল আমিন। আরও উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওঃ মাহাবুবু-উল আলম, মেহেরপুর জেলা নির্বাচন পরিচালক জারজিস হুসাইন, মেহেরপুর-২ আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী নাজমুল হুদা, মেহেরপুর-১ আসন নির্বাচনী কমিটির সদস্য সচিব খাইরুল বাসার, জেলা রাজনৈতিক সেক্রেটারী কাজী রুহুল আমীন, শ্রমিকল্যান ফেডারেশন মেহেরপুর জেলা সভাপতি আব্দুর রউফ মুকুল, মেহেরপুর সদর জামায়াত আমীর মাও, সোহেল রানা, মুজিবনগর উপজেলা আমীর মাও, খানজাহান আলী,মেহেরপুর পৌর জামায়াত আমীর সোহেল রানা ডলার, গাংনী উপজেলা জামায়াত আমীর ডাঃ রবিউল ইসলাম, গাংনী পৌর জামায়াতের আমীর আহসান উল্লাহ প্রমুখ।