খুলনা

Khulna district

  • ডুমুরিয়ায় রঙিন বাঁধাকপি চাষে সাফল্য

    ডুমুরিয়ায় রঙিন বাঁধাকপি চাষে সাফল্য

    ডুমুরিয়া খুলনা‌ ‌‌ সবুজ পাতার ভেতর হলুদ,কোথাও পিংক-বেগুনি আবার কোথাও নীল রঙ। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, ফুটে আছে সুন্দর কোন ফুল। তবে এটা ফুল নয়, শীতকালীন সবজি ফুলকপি এবং বাঁধাকপির ক্ষেত। মনোরম এই দৃশ্য চোখে পড়বে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে।

    রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ওই গ্রামে ক্ষেত ঘুরে দেখা যায়- চাষ করা হলুদ, গোলাপি ও হালকা লাল রঙের বাহারি ফুলকপি এখন শোভা পাচ্ছে তার জমিতে। যা শুধু দৃশ্যমান সৌন্দর্যই ডুমুরিয়া বাজারে এনেছে বিপুল ‌ ক্রেতার সাড়া।

    কৃষি বিভাগের পাশাপাশি বিভিন্ন সকারি উদ্যোগে খুলনার বেশ কয়েকটি উপজেলায় বিস্তীর্ণ ক্ষেতজুড়ে রঙিন ফুলকপি ও বাঁধাকপির চাষ হচ্ছে। পোকা দমনেব্যবহার করা হচ্ছে জৈব বালাইনাশক ফরোমন ফাঁদ ও হলুদ ট্যাপ। ফলনও হচ্ছে বেশ ভালো। বাজারে ব্যাপক চাহিদা হওয়ায় ভালো দাম পাচ্ছেন কৃষকরা।জানা গেছে, চলতি মৌসুমে অন্যান্য সবজি চাষ করে যে লোকসান হয়েছে, সেই লোকসান পুষিয়ে নিতে পারছেন কৃষকরা। পাইকাররা এসে ক্ষেত থেকেই নিয়ে যাচ্ছেন ফুলকপি। স্থানীয় বাজারে প্রতি কেজি রঙিন ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। ফলে রঙিন ফুলকপি ও বাঁধাকপির সাফল্যে খুশি কৃষকরা।

    ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নের রঙিন বাঁধাকপি ফুলকপি চাষিরা বলছেন, সাদা কপি ১০ টাকায় বিক্রি হলেও এ কপি এখনও বাজারে প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নের খর্নিয়া গ্রামের সবজি চাষি আবু হানিফ মোড়ল‌ ২০ শতাংশ জমিতে চাষ করেছেন রঙিন ফুলকপি। তিনি পরীক্ষামূলকভাবে ১০০০/চারা প্রথমবারের মতো রঙিন বাঁধা চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন। চারা ছাড়াও বাধা চাষের জন্য প্রয়োজনীয় জৈব সার, কীটনাশক ও পরামর্শ দিয়ে তাকে সহযোগিতা করেছে উপজেলা কৃষি অফিস।

    আবু হানিফ মোড়লের মতো মৃতূ্ন‌্যজয় আরও চারজন রঙিন ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষীদের এনে দিয়েছে সাফল্য। সাদা ফুলকপি যেখানে বিক্রি হয় প্রতি পিস ১০ থেকে ১৫টাকায়, সেখানে তার চাষ করা রঙিন বাঁধাকপি ও্ ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। ইতোমধ্যেই ৭ হাজার টাকার ফুলকপি বিক্রি করেছেন ৫০ হাজার টাকা বিক্রি করেছে। তিনি আশা করছেন, বাকি ফসল থেকে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা আয় করবেন। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে চাষ করার পরিকল্পনাও রয়েছে তার।

    কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী আবু হানিফ মোড়ল‌ ও মৃত্যুঞ্জয় জৈব পদ্ধতিতে চাষ করেছেন এই রঙিন ফুলকপি। পোকামাকড় দমনের জন্য ব্যবহার করেছেন হলুদ ফাঁদ, যা কপিগুলোকে করেছে স্বাস্থ্যকর এবং বিষমুক্ত।

    বাজারের সবজি ব্যবসায়ী ‌আব্দুল‌ জলিল‌ বলেন, ‘এ কপির পুষ্টি এবং গুণাগুণ অনেক ভালো। রঙিন ফুলকপি বাজারে আসা মাত্রই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। দামও মিলছে আশানুরূপ।

    স্থানীয় ক্রেতা আকিরুল জানান, ২৫ টাকা দরে রঙিন ফুলকপি কিনেছেন তিনি। দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, খেতেও তেমনি সুস্বাদু। এর আগে দুইবার খেয়েছেন। তাই আবারও নিলেন।

    ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা বলেন, ‘এই রঙিন ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষে কৃষকরা আশানুরূপ ফলন ও বাজারমূল্য পেয়েছেন। রঙিন বাঁধাকপি ও ফুলকপির পুষ্টিগুণ সাদা ফুলকপির তুলনায় অনেক বেশি এবং এতে রয়েছে উচ্চমাত্রার অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এ বছর ডুমুরিয়া উপজেলায় ১১০ হেক্টর জমিতে ফুলকপি চাষ হয়েছে এবং এর মধ্যে ২৫ একর জমিতে রঙিন ফুলকপি চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বাজারে এর উচ্চ চাহিদা থাকায় আগামী বছর আরও বেশি কৃষক এই চাষে যুক্ত হবেন।’

    ডুমুরিয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ ক্ষেত জুড়ে ব্যতিক্রমী শীতকালীন সবজি রঙিন বাঁধাকপি ,ফুলকপি চাষ করেছেন কৃষকরা। কোনোটি হলুদ, কোনোটি পিংক-বেগুনি। আর এসব ফুলকপি কোনও প্রকার কীটনাশক ছাড়াই জৈব বালাইনাশক ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহারেই এই ফুলকপি করা হচ্ছে।

    কৃষক রাশেদুল ইসলাম বলেন ইউনাইটেড সিড কোম্পানির বীজ পেয়ে তিনি ১০শতক জমিতে এই রঙিন ফুলকপির চাষ করেছি। শুধুমাত্র জৈব বালাইনাশক ও ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহারেই চাষ করেছি এই ফুলকপি। বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকায় পাইকারি ব্যবসায়ীরা ক্ষেত থেকেই ফুলকপি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। দামও ভালো।’

    কৃষক ইমতিয়াজ বলেন, ‘প্রথমবারের মতো রঙিন ফুলকপির চাষ করেছি। ফলন বেশ ভালো হয়েছে। চাষে পোকা দমনে ফরোমন ফাঁদ ও হলুদ ট্যাপ ব্যবহার করে ২২ শতক জমিতে প্রায় দেড় হাজার কপি হয়েছে। এতে খরচ হয়েছে মাত্র ১২ হাজার টাকা। বাজারে প্রতিটি কপি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা দরে পাইকারি বিক্রি করছি। এ পর্যন্ত ৩০ হাজার টাকার কপি বিক্রি করেছি। আরও আছে। লোকজন রঙিন জাতের কপি কিনতে বেশ আগ্রহী। অল্প টাকা খরচ করে আমি বেশ লাভ পেয়েছি। আগামীতে আরও বেশি জমিতে এ জাতের কপির চাষ করব।’

    উপজেলার বরাতিয়া গ্রামের তাপস সরকার বলেন, ‘বাড়ির অদূরে জমিতে সাদা, গোলাপি, সবুজ, হলুদ- চার প্রকারের ফুলকপি এবং ব্রকলি, চায়নিজ ক্যাবেজ, রেড ক্যাবেজ, সাধারণ বাঁধাকপিসহ মোট ৫হাজার চারা লাগিয়েছি। ফলনও ভালো হয়েছে। বাজারজাত করে দামও ভালো পেয়েছি। কিন্তু অন্যান্য শীতকালীন সবজি চাষে আশানুরূপ দাম না পাওয়ায় অনেক আফসোস। তবে রঙিন ফুলকপি ও বাঁধাকপিতে লোকসান পুষিয়ে কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছি।’

    ছামিদুল আরও বলেন, এ বছরের জন্য বর্গা নিয়েছি ৬০ হাজার টাকায়। জমিতে বিভিন্ন জাতের ফুলকপি, বাঁধাকপি, আলু, রসুন, টমেটো লাগিয়েছি। এর মধ্যে ৪ হাজার রঙিন ফুলকপি-বাঁধাকপির চারা স্থানীয় এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বিনামূল্যে পেয়েছি। অবশিষ্ট চারাগুলো কিনতে হয়েছে প্রতি পিস ১ টাকা ৮০ পয়সা দরে। এর পর জমি প্রস্তুত, সার, কীটনাশক, শ্রমিকবাবদ খরচ হয়েছে প্রায় এক লাখ টাকা।’

    খুলনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় গত দুই বছর ধরে জেলায় রঙিন ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষ হচ্ছে। চাষ করে সফলতা পেয়েছেন অনেক কৃষক। বাজারে ভাল চাহিদা থাকায় আগামীতে বাণিজ্যিকভাবে রঙিন জাতের এই ফুলকপির চাষ বাড়বে। অন্য কৃষকরাও এ জাতের রঙিন ফুলকপি চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।’

    ক্ষেতে কোনো প্রকার কীটনাশক ও সার প্রয়োগ না করে কেবল জৈব পদ্ধতিতে বালাইনাশক ফরোমন ফাঁদ ও হলুদ ট্যাপ ব্যবহার। ফলনও বেশ ভালো। রঙিন ফুলকপি ভেষজগুণ সম্পন্ন একটি সবজি। স্বাদেও ভালো। সাধারণ ফুলকপির তুলনায় রঙিন ফুলকপিতে ২৫ শতাংশের বেশি ক্যারোটিন রয়েছে। যা ত্বক ও চোখকে ভালো রাখে। এটি কোলাজেন ধ্বংস করে। যা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এর মধ্যে ভিটামিন এ, সি এবং ক’সহ বিভিন্ন ধরণের ভিটামিন রয়েছে। এতে রয়েছে মিনারেলস, পটাসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ। সেই সাথে এ ফুলকপিতে প্রচুর পরিমাণে বেটা ক্যারোটিন যা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।’

  • ডুমুরিয়ায় অসময়ে সজিনায় ভরে গেছে।

    ডুমুরিয়ায় অসময়ে সজিনায় ভরে গেছে।

    খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি বাড়ির আঙ্গিনায় ২-৪টি সজনে গাছ রয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন সড়কের পাশে বেড়ে উঠেছে অসংখ্য সজনে গাছ। তাছাড়া ইদানীং অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে সজনের চাষ শুরু করেছেন। কোনো প্রকার বালাইনাশক প্রয়োগ এবং পরিচর্যা ছাড়া চাষ হয় বলে সজনের কোন উৎপাদন খরচ নেই। বাড়ির পাশে বা জমিতে ডাল পুঁতে রাখলেই ধীরে ধীরে শিকড় গজিয়ে উপযুক্ত গাছে পরিণত হয় এবং পরবর্তীতে সজনে দেয়।

    বাড়িতে তরকারীর চাহিদা পূরণের পাশাপাশি উৎপাদনকারীরা এসব সজনে বাজারে বিক্রি করে বাড়তি উপার্জন করে থাকেন। মৌসুমজুড়ে এসব সজনে ৫০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এ সবজি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি হয়।

    উপজেলার ডুমুরিয়া , খর্নিয়া,চুকনগর, আঠারো মাইল, টিপনা নতুন রাস্তাবাজার,সরাফপুর , বানিয়া খালি হাট থেকে এসব সজনে ব্যাপারীরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ে বিক্রি করেন।

    তরুণ উদ্যোক্তা গনি গাজী জানান, তিনি সজনের চাষ করেছেন। সজনে বিক্রির পাশাপাশি সজনের পাতা থেকে ভেষজ ওষুধ তৈরিই তার লক্ষ্য।

    তিনি জানান, সজনে গাছের বয়স ১০-১২ মাস হলেই তাতে সজনে ধরতে শুরু করে। একটি পরিণত গাছে ৮-১০ মণ পর্যন্ত সজনে ধরে। উৎপাদন খরচ একেবারেই কম বলে এ ফসল চাষ বেশ লাভজনক বলে তিনি জানান।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইউ এস আই ডাঃ কাজল মল্লিক বলেন, সজিনা পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি সবজি। ভিটামিন এ এর অভাব দূরীকরণে সজিনা অত্যন্ত উপযোগী একটি খাবার। এটি প্যারালাইসিস রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে থাকে। সজিনার মধ্যে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, জিংক ও সি আছে। এটি মানব দেহের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। সজিনা উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের অনেক উপকারী। তাছাড়া সজিনার একদিকে যেমন উপকারী, অন্যদিকে এ পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায়।

    ডুমুরিয়া উপজেলার এস এ পিপিও আলি হাসান বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বিগত কয়েক বছরের মধ্যে এ বছর সজনের সর্বোচ্চ ফলন হয়েছে। প্রতিটি বাড়িতেই প্রায় সজনে গাছ আছে। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের পরিকল্পিতভাবে সজনে ক্ষেত গড়ে তোলার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

    ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা জানান, পরিবেশবান্ধব ও অর্থকরী আঁশজাতীয় সবজি সজিনাকে বলা হয় ‘মিরাকল ট্রি’। এ গাছের পাতা, ফুল, ফল সবই খাওয়া যায়। সজিনা এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। যা মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি বাড়ির পাশে অনাবাদী ও পতিত জমিতে চাষ করা যায়। তাছাড়া ঠাণ্ডা-গরম, খরা সহিষ্ণু হওয়ায় এ গাছ বাংলাদেশের সর্বত্রই জন্ম নেয়। সজিনা গাছের তেমন কোন রোগবালাই নেই বললেই চলে।

    বাংলাদেশ অর্থনীতি

    তিনি জানান, আবহাওয়া অনুকূল থাকলে এবার উপজেলায় কমপক্ষে দুশ মেট্রিক টন সজনে উৎপাদিত হবে, বাজার দর হিসাবে যার মূল্য সর্বনিম্ন এক কোটি টাকা।

    https://googleads.g.doubleclick.net/pagead/ads?gdpr=0&client=ca-pub-6140828263407584&output=html&h=280&num_ads=1&adk=1988962500&adf=2288682361&abgtt=6&w=740&fwrn=4&fwrnh=100&lmt=1793366370&rafmt=1&armr=3&sem=mc&pwprc=4277122822&ad_type=text_image&format=740×280&url=https%3A%2F%2Fwww.bhorerkagoj.net%2Fagriculture%2F779751&fwr=0&pra=3&rh=185&rw=740&rpe=1&resp_fmts=3&aiof=14&asro=0&aimartd=4&aieuf=1&aicrs=1&fa=27&dt=1793366370575&bpp=1&bdt=2619&idt=0&shv=r20261028&mjsv=m202610270101&ptt=9&saldr=aa&abxe=1&cookie=ID%3D8e240e6e83610426%3AT%3D1793286993%3ART%3D1793366327%3AS%3DALNI_MY-ErKwo88heAXPAlK7ID2VR9RwCg&gpic=UID%3D000015c664d1d692%3AT%3D1793286993%3ART%3D1793366327%3AS%3DALNI_Majt64ozp01G5L0TI9tZ6lYBo9mIw&eo_id_str=ID%3D4a82c7005147a6d2%3AT%3D1793286993%3ART%3D1793366327%3AS%3DAA-AfjaScduMhRDmx4xymqfcr7l-&prev_fmts=0x0%2C300x250%2C740x280%2C740x280&nras=4&correlator=4005504535301&frm=20&pv=1&u_tz=360&u_his=6&u_h=1080&u_w=1920&u_ah=1032&u_aw=1920&u_cd=24&u_sd=1&adx=526&ady=3234&biw=1902&bih=871&scr_x=0&scr_y=612&eid=95404664%2C95405491%2C95405932%2C95406273%2C95407880%2C95408372%2C95405501%2C122881932&oid=2&pvsid=6520460423701286&tmod=942969073&uas=0&nvt=1&ref=https%3A%2F%2Fwww.bhorerkagoj.net%2Fagriculture&fc=1408&brdim=-7%2C47%2C-7%2C47%2C1920%2C0%2C1918%2C992%2C1902%2C871&vis=1&rsz=%7C%7Cs%7C&abl=NS&fu=128&bc=31&plas=277x686_l%7C277x686_r&bz=1.01&ifi=5&uci=a!5&btvi=3&fsb=1&dtd=337

    খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, দেশে সজনে সচারাচর দু’ধরনের হয়ে থাকে। মৌসুমী এবং বারমাসী। খুলনায় বারমাসী জাতের সজনের আবাদ কম হলেও এখন তা বেড়েছে। সজনে গাছের জন্য কোনো চাষাবাদ কিংবা রাসায়নিক সার প্রয়োগ করতে হয় না। তাই কৃষি বিভাগ থেকে চাষিদের মাঝে সজনের চারা বিতরণ করে সজনে চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

    খুলনা জেলার ডুমুরিয়ায় সজনে গাছের ডালগুলোতে সজিনায় ভরে গেছে। কৃষকরা সজিনার বাম্পার ফলনের আশা করছেন। অনাদরে-অবহেলায় রাস্তার ধারে, বসত-বাড়ির আঙ্গিনায়, মাঠে-ঘাটে বেড়ে উঠা হাজার হাজার সজনে গাছের ডালগুলো সজিনায় ভরে উঠেছে। এ বছর ডুমুরিয়া সুস্বাদু সবজি হিসাবে সমাদৃত আর ঔষধি গুণের কারণে ‘সুপার ফুড’ হিসাবে খ্যাত সজনের বাম্পার ফলনে খুশি সংশ্লিষ্টরা।

    খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি বাড়ির আঙ্গিনায় ২-৪টি সজনে গাছ রয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন সড়কের পাশে বেড়ে উঠেছে অসংখ্য সজনে গাছ। তাছাড়া ইদানীং অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে সজনের চাষ শুরু করেছেন। কোনো প্রকার বালাইনাশক প্রয়োগ এবং পরিচর্যা ছাড়া চাষ হয় বলে সজনের কোন উৎপাদন খরচ নেই। বাড়ির পাশে বা জমিতে ডাল পুঁতে রাখলেই ধীরে ধীরে শিকড় গজিয়ে উপযুক্ত গাছে পরিণত হয় এবং পরবর্তীতে সজনে দেয়।

    বাড়িতে তরকারীর চাহিদা পূরণের পাশাপাশি উৎপাদনকারীরা এসব সজনে বাজারে বিক্রি করে বাড়তি উপার্জন করে থাকেন। মৌসুমজুড়ে এসব সজনে ৫০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এ সবজি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি হয়।

    উপজেলার ডুমুরিয়া , খর্নিয়া,চুকনগর, আঠারো মাইল, টিপনা নতুন রাস্তাবাজার,সরাফপুর , বানিয়া খালি হাট থেকে এসব সজনে ব্যাপারীরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ে বিক্রি করেন।

    তরুণ উদ্যোক্তা গনি গাজী জানান, তিনি সজনের চাষ করেছেন। সজনে বিক্রির পাশাপাশি সজনের পাতা থেকে ভেষজ ওষুধ তৈরিই তার লক্ষ্য।

    তিনি জানান, সজনে গাছের বয়স ১০-১২ মাস হলেই তাতে সজনে ধরতে শুরু করে। একটি পরিণত গাছে ৮-১০ মণ পর্যন্ত সজনে ধরে। উৎপাদন খরচ একেবারেই কম বলে এ ফসল চাষ বেশ লাভজনক বলে তিনি জানান।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইউ এস আই ডাঃ কাজল মল্লিক বলেন, সজিনা পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি সবজি। ভিটামিন এ এর অভাব দূরীকরণে সজিনা অত্যন্ত উপযোগী একটি খাবার। এটি প্যারালাইসিস রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে থাকে। সজিনার মধ্যে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, জিংক ও সি আছে। এটি মানব দেহের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। সজিনা উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের অনেক উপকারী। তাছাড়া সজিনার একদিকে যেমন উপকারী, অন্যদিকে এ পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায়।

    ডুমুরিয়া উপজেলার এস এ পিপিও আলি হাসান বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বিগত কয়েক বছরের মধ্যে এ বছর সজনের সর্বোচ্চ ফলন হয়েছে। প্রতিটি বাড়িতেই প্রায় সজনে গাছ আছে। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের পরিকল্পিতভাবে সজনে ক্ষেত গড়ে তোলার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

    ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা জানান, পরিবেশবান্ধব ও অর্থকরী আঁশজাতীয় সবজি সজিনাকে বলা হয় ‘মিরাকল ট্রি’। এ গাছের পাতা, ফুল, ফল সবই খাওয়া যায়। সজিনা এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। যা মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি বাড়ির পাশে অনাবাদী ও পতিত জমিতে চাষ করা যায়। তাছাড়া ঠাণ্ডা-গরম, খরা সহিষ্ণু হওয়ায় এ গাছ বাংলাদেশের সর্বত্রই জন্ম নেয়। সজিনা গাছের তেমন কোন রোগবালাই নেই বললেই চলে।

    বাংলাদেশ অর্থনীতি

    খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, দেশে সজনে সচারাচর দু’ধরনের হয়ে থাকে। মৌসুমী এবং বারমাসী। খুলনায় বারমাসী জাতের সজনের আবাদ কম হলেও এখন তা বেড়েছে। সজনে গাছের জন্য কোনো চাষাবাদ কিংবা রাসায়নিক সার প্রয়োগ করতে হয় না। তাই কৃষি বিভাগ থেকে চাষিদের মাঝে সজনের চারা বিতরণ করে সজনে চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

  • খুলনায় কোম্পানি প্রতিনিধিকে গুলি করে ল্যাপটপ ছিনতাই

    খুলনায় কোম্পানি প্রতিনিধিকে গুলি করে ল্যাপটপ ছিনতাই

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    খুলনা নগরীতে সালমান (২৩) নামে এক কোম্পানির বিক্রয়কর্মীকে গুলি করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তার কাছে থাকা ল্যাপটপের ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যান দুর্বৃত্তরা।

    মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বেলা ১১টা ১০ মিনিটের দিকে নগরীর নিরালা আবাসিক এলাকার ১৭ নম্বর রোডে তামান্না টাওয়ারের দক্ষিণ পাশে নাসিম ট্রেডার্সের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

    আহত সালমান নিরালা আবাসিক এলাকার ১৭ নম্বর রোডের সবুজবাগ এলাকার বাসিন্দা জাহাঙ্গীরের ছেলে। তিনি একটি সিগারেট কোম্পানিতে কর্মরত রয়েছেন।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দুটি মোটরসাইকেলে চার দুর্বৃত্ত ঘটনাস্থলে এসে সালমানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে তার পেটের ডান পাশে গুলি লাগে। পরে দুর্বৃত্তরা তার কাছে থাকা ল্যাপটপের ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যান। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।

    এ ঘটনায় খুলনা সদর থানার ওসি মো: লোকমান হোসেন রিপনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

    ওসি বলেন, ‘কী কারণে সালমানকে গুলি করা হয়েছে, তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব হচ্ছে না। ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে।’ এ,আর

  • ডুমুরিয়ায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পিছনে মেরে ইজিবাইকের যাত্রী  নিহত, শিশু আহত

    ডুমুরিয়ায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পিছনে মেরে ইজিবাইকের যাত্রী নিহত, শিশু আহত

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    খুলনার ডুমুরিয়ায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের ধাক্কায় কল্যাণী অধিকারী (৫৯) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ইজিবাইক থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছে ঋতুপর্ণা অধিকারী (১০) নামে এক শিশু।

    শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের নরনিয়া বাস টার্মিনালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত কল্যাণী অধিকারী কেশবপুর উপজেলা সদরের সাহাপাড়া এলাকার আনন্দ অধিকারীর স্ত্রী এবং শিশু ঋতুপর্ণা একই এলাকার গোপাল অধিকারীর মেয়ে বলে জানা গেছে।

    পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে চুকনগর থেকে যাত্রী নিয়ে একটি ইজিবাইক কেশবপুর যাচ্ছিল। ইজিবাইকটি চুকনগর বাসস্ট্যান্ড থেকে ৫০০ মিটার দূরে নরনিয়া বাস টার্মিনাল এলাকায় পৌঁছালে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে ইজিবাইকে থাকা যাত্রী কল্যাণী অধিকারী ইজিবাইক থেকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এছাড়া শিশু ঋতুপর্ণা অধিকারীও ইজিবাইক থেকে পড়ে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

    খর্ণিয়া (চুকনগর) হাইওয়ে থানার ইনচার্জ সার্জেন্ট দিপু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঘটনার পরপরই দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি পালিয়ে যায়। তবে ইজিবাইকটি খর্ণিয়া (চুকনগর) হাইওয়ে থানা পুলিশের হেফাজতে আছে। এ,আর

  • খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় কেসিসির ট্রাকচালকের মৃত্যু

    খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় কেসিসির ট্রাকচালকের মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    খুলনা মহানগরীতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) ট্রাকচালক কামরুল ইসলামের (৪০) মৃত্যু হয়েছে।

    রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    এর আগে, শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর জয় বাংলা মোড়ে দু’টি ট্রাকের সংঘর্ষে তিনি গুরুতর আহত হন।

    নিহত কামরুল ইসলাম নগরীর শিববাড়ি মোড় এলাকার বাসিন্দা ইয়াকুব আলীর ছেলে।

    হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: হেলাল উদ্দিন জানান, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে কেসিসির ময়লার কনটেইনারবাহী একটি ট্রাক নিয়ে জয় বাংলা মোড় থেকে জিরো পয়েন্টের দিকে যাচ্ছিলেন চালক কামরুল ইসলাম। পথে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অপর একটি ট্রাকের সাথে ধাক্কা খায়। এতে কামরুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে খুমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রোববার সকালে তার মৃত্যু হয়।

    সড়ক দুর্ঘটনায় কামরুল ইসলামের আহত হওয়া এবং পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেসিসির যান্ত্রিক শাখার উপসহকারী প্রকৌশলী মো: সেলিমুল আজাদ।

    উল্লেখ্য, এর আগে গত ৮ অক্টোবর কেসিসির গ্যারেজে বর্জ্য কনটেইনারবাহী গাড়ির চাপায় আব্দুস সালাম (৪৮) নামে আরেক চালক নিহত হন। এ,আর

  • সুন্দরবনের ডাকাত আলিফ বাহিনীর ১৫ সদস্যের আত্মসমর্পণ

    সুন্দরবনের ডাকাত আলিফ বাহিনীর ১৫ সদস্যের আত্মসমর্পণ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    সুন্দরবনের ডাকাত আলিফ বাহিনীর ১৫ জন সদস্য এসআরবি-৬-এর কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এসআরবি-৬-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিস্তার আহমেদ।

    এর আগে, শুক্রবার (৯ অক্টোবর) তারা আত্মসমর্পণ করেন।

    বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন বাংলাদেশের অমূল্য প্রাকৃতিক সম্পদ সুন্দরবনকে নিরাপদ ও জলদস্যুমুক্ত রাখতে এসআরবি ফোর্সেস দীর্ঘদিন ধরে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। জেলে, বাওয়ালি, মৌয়ালসহ হাজার হাজার মানুষ জীবিকা নির্বাহের জন্য সরাসরি এই বনের উপর নির্ভরশীল। তবে দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে জলদস্যু ও বনদস্যুদের অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায় এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বনজীবী ও স্থানীয়দের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

    এসআরবি সূত্রে জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান ও সরকারের পুনর্বাসন উদ্যোগের ফলে পূর্ববর্তী সময়ে সুন্দরবনের বিভিন্ন জলদস্যু বাহিনীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য আত্মসমর্পণ করেছিল। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে নতুন দস্যুচক্রের তৎপরতা ও পূর্বে আত্মসমর্পণকারী কতিপয় দস্যুর পুনরায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। একইসাথে জেলে ও বনজীবীদের অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবি এবং অন্যান্য অপরাধমূলক তৎপরতার ঘটনাও সামনে আসে।

    এরই প্রেক্ষাপটে সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জলদস্যু ও বনদস্যুদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে এসআরবি-৬ গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম জোরদার করে। এসআরবি-৬ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক তৎপরতা, বনের প্রতিকূল পরিবেশ এবং অপরাধমূলক জীবনের অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর সদস্যরা অপরাধের পথ পরিহার করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার প্রত্যয় ব্যক্ত করে এবং আত্মসমর্পণের আগ্রহ প্রকাশ করে।

    এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সুন্দরবনে সক্রিয় জলদস্যু ‘আলিফ বাহিনীর’ অংশবিশেষ আব্দুল্লাহ গ্রুপের আটজন ও মজিদ গ্রুপের সাতজনসহ মোট ১৫ জন জলদস্যু এসআরবি-৬-এর কাছে আত্মসমর্পণ করে।

    ‘আলিফ বাহিনী’র ১৫ জন সদস্যের আত্মসমর্পণ সুন্দরবনের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল জেলে, বাওয়ালি, মৌয়াল ও অন্যান্য বনজীবীদের নিরাপদে জীবিকা নির্বাহের পরিবেশ আরো সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    এসআরবি-৬-এর মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আত্মসমর্পণকারী জলদস্যুদের বিষয়ে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক আদালতে সোপর্দ করা হবে। এ,আর

  • খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে হাজতির মৃত্যু

    খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে হাজতির মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিন্টু গাজী (৩৯) নামে এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দিবাগত রাত ২টা ১৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। চিকিৎসকের দেয়া মৃত্যুসনদ অনুযায়ী, তীব্র হার্ট অ্যাটাকের কারণে হৃদযন্ত্র ও শ্বাসযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

    মৃত মিন্টু গাজী সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার চাঁদনীমুখা এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম মো: আবদুর মান্নান গাজী।

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অসুস্থ হয়ে পড়লে বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে মিন্টু গাজীকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ১৯ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ২টা ১৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।

    চিকিৎসক মো: ইরফান জানান, তীব্র ও বিস্তৃত হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়েছে।

    মৃত্যুর পর মিন্টু গাজীর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ,আর

  • খুলনায় সাব-রেজিস্ট্রারকে তুলে নেয়ার অভিযোগ

    খুলনায় সাব-রেজিস্ট্রারকে তুলে নেয়ার অভিযোগ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    খুলনা মহানগরীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সাব-রেজিস্ট্রার তন্ময় কুমার মণ্ডলকে অফিস থেকে বের হওয়ার পর তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে দলিল লেখক, নকল নবিশ ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। প্রায় আধা ঘণ্টা পর তিনি নিজেই অফিসে ফিরে আসেন। তবে কে বা কারা তাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    সদর দলিল লেখক সমিতির সহ-সভাপতি বাহাউদ্দীন বলেন, তন্ময় কুমার মণ্ডল প্রতিদিন নিয়ম অনুযায়ী দুপুর ২টা থেকে ২টা ৩০ মিনিটের মধ্যে লাঞ্চে যান। আজও একই সময়ে লাঞ্চে যাওয়ার পর রেজিস্ট্রি অফিসের গেটের সামনে থেকে কে বা কারা তাকে রিকশায় করে তুলে নিয়ে গেছে বলে তারা শুনতে পান। পরপরই দলিল লেখক ও নকল নবিশরা পেছনে ছুটে যান। পরে জানতে পারেন রেজিস্ট্রি অফিসের পূর্বপাশের রাস্তা দিয়ে তন্ময় কুমার মণ্ডলকে নদীর ঘাটের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

    বাহাউদ্দীন জানান, পথে এক নারী তাদের বলেন, দুইটি রিকশায় করে তন্ময়কে নিয়ে যাওয়ার পর মোটরসাইকেলে উঠানো হয়েছে। তাকে ছাড়াতে গেলে ওই নারীকে ধাক্কাধাক্কি করা হয় বলেও তিনি জানান। তবে কে বা কারা তাকে নিয়ে গেছে এবং পরে কিভাবে তিনি ফিরে এসেছেন, তা তারা জানেন না।

    সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফারুক হোসেন বলেন, তিনি নিজের কক্ষে ছিলেন। লাঞ্চের জন্য বাসায় যাওয়ার আগে ওয়াশরুমে গেলে বাইরে চেঁচামেচি শুনতে পান ‘স্যারকে নিয়ে গেছে, স্যার চলে গেছে।’ পরে লোকজনের কাছ থেকে জানতে পারেন, সাব-রেজিস্ট্রারকে পাওয়া যাচ্ছে না।

    খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: লোকমান হোসেন বলেন, ৯৯৯-এ ফোন করে জানানো হয়, সদর সাব-রেজিস্ট্রারকে অফিস থেকে বের হওয়ার পর কে বা কারা নিয়ে গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও ডিবি টিম ঘটনাস্থলে যায়। তারা সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা, সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলা এবং তথ্য সংগ্রহ শুরু করে। ঘটনার প্রায় আধা ঘণ্টা পর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে ফিরে আসেন। তার সাথে কথা বলে জানা গেছে, একটি ডকুমেন্ট দেখার জন্য তাকে আশপাশের একটি জায়গায় যেতে হয়েছিল। তিনি লাঞ্চের জন্য রিকশায় করে বের হওয়ার পর কয়েকজন তাকে সাথে করে নিয়ে যায়। পরে কোনো আঘাত না করে তাকে ছেড়ে দেয়া হয় বলে সাব-রেজিস্ট্রার জানিয়েছেন।

    ওসি লোকমান হোসেন বলেন, সাব-রেজিস্ট্রার জানিয়েছেন, তিনি কোনো অস্ত্র দেখেননি। পুলিশও এখন পর্যন্ত সিসিটিভি ফুটেজে কোনো অস্ত্র দেখতে পায়নি। তিনি বলেন, ঘটনাটি মাত্র ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে ঘটেছে। আমরা সিসিটিভি ফুটেজসহ পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। এর পেছনে অন্য কোনো বিষয় আছে কি না, কিংবা আসলে কী ঘটেছে, তদন্তের পর তা বের করা হবে।

    সাব-রেজিস্ট্রার তন্ময় কুমার মণ্ডল বলেন, আমি সুস্থ শরীরে আপনাদের সামনে ফিরে এসেছি। কোনো রিকমেন্ডেশন বা নির্দিষ্ট কোনো দাবি-দাওয়া ছিল না। আমাকে বলা হয়েছিল, একটি ডকুমেন্ট দেখে দিতে, কেন বিষয়টি হচ্ছে না। ডকুমেন্টটি অন্য কোনো অফিসেরও হতে পারে। প্রথমে বিষয়টি তার কাছে অস্বাভাবিক মনে হয়েছিল। তাকে নদীর পাড়ের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলেও জানান তিনি। এ,আর

  • কয়রায় সবজির ক্ষেতে গাঁজা চাষ, ৪টি গাছসহ ১জন আটক

    কয়রায় সবজির ক্ষেতে গাঁজা চাষ, ৪টি গাছসহ ১জন আটক

    খুলনার কয়রায় মাছের ঘেরের পাড়ে শাক-সবজির আড়ালে গাঁজা চাষের অভিযোগে আব্দুল্লাহ মালি (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এ সময় ঘেরের পাড়ে রোপণ করা চারটি গাঁজা গাছ উদ্ধার করে জব্দ করে পুলিশ।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার একটি মাছের ঘেরে মাছ চাষের পাশাপাশি পাড়ে শাক-সবজির মধ্যে গাঁজার গাছ লাগিয়ে পরিচর্যা করা হচ্ছে—এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কয়রা থানা-পুলিশের একটি দল তদন্তে নামে। তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর রোববার দুপুর একটার দিকে ওই ঘেরে আকস্মিক অভিযান চালানো হয়।

    অভিযানকালে ঘেরের পাড়ে কৌশলে রোপণ করা চারটি বড় গাঁজা গাছের সন্ধান মেলে। পরে পুলিশ গাছগুলো উপড়ে জব্দ করে এবং ঘটনাস্থল থেকেই জড়িত থাকার অভিযোগে আব্দুল্লাহ মালিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

    কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশেদুল আলম জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চারটি গাঁজা গাছ উদ্ধারসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মাদকের বিস্তার রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • খুলনায় অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী রিফাত গ্রেফতার

    খুলনায় অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী রিফাত গ্রেফতার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    খুলনায় সন্ত্রাসী গ্রুপ ‘বি কোম্পানি’র সদস্য হিসেবে তালিকাভুক্ত চিংড়ি পলাশের বাড়ি থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ তার স্ত্রী টিকলি মাক্কি রানীকে (৩০) আটকের পর ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। পুলিশের বক্তব্য, তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে রিফাত তালুকদার (২২) নামে এক সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

    খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বলেন, গত বুধবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, কারাগারে বন্দি নগরীর শীর্ষ সন্ত্রাসী চিংড়ি পলাশের গোবরচাকার বাড়িতে যশোর থেকে আসা ২০-২২ বছর বয়সী কয়েকজন সন্ত্রাসী অবস্থান করছে। ওই সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তার বাড়ি ঘিরে ফেলে এবং বাড়ি থেকে রিফাত তালুকদার নামের এক যুবককে গ্রেফতার করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ওই বাড়ির একটি কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে তিনটি বিদেশী পিস্তল, ৯ রাউন্ড গুলি ও ৪টি ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার রিফাত তালুকদার যশোর শহরের শংকরপুর বাস টার্মিনাল এলাকার মো: ইদ্রিস তালুকদার ও নাসিমা বেগমের ছেলে। রিফাত তালুকদারের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে।

    এর আগে দুপুরে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া বলেছিলেন, অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় চিংড়ি পলাশের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গুলিসহ তার স্ত্রী টিকলি মাক্কি রানীকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেছিলেন, জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, স্বামী পলাশ গ্রেফতার হওয়ার পর দুই সন্তান নিয়ে তিনি ঢাকায় চলে যান। এরপর সেখানে একটি গার্মেন্টসে চাকরি নেন। স্বামীর সংসারে আর তিনি ফিরতে চাননি। পরে তার ভাশুর স্বামীর জামিনের মিথ্যা তথ্য দিয়ে তাকে খুলনায় নিয়ে আসেন। এর সাথে সে জড়িত নয়। পলাশের বাড়ি থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের ঘটনায় তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করা হবে।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর যশোর থেকে চিংড়ি পলাশকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। এখন সে কারাগারে রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ১২টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে সোনাডাঙ্গা থানায় আটটি হত্যা মামলা রয়েছে। এ ছাড়া মাদক, চাঁদাবাজি, মারামারি ও বিস্ফোরক আইনে মামলা রয়েছে। এ,আর

  • খাবার চুরির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে ‘পিটিয়ে হত্যা’

    খাবার চুরির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে ‘পিটিয়ে হত্যা’

    খাবার চুরির অভিযোগে বেধড়ক মারধরের ঘটনায় মো. আজমুল হোসেন (২২) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

    শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলরোড সংলগ্ন ইসলামনগর সড়কের একটি চার তলা ভবনের ছাদে তাকে মারধরের ঘটনা ঘটে।

    পরবর্তীতে গুরতর আহত অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    নিহত আজমুল নগরীর নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাসা চুয়াডাঙ্গার দর্শনায়।

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টা ৩০ মিনিটের দিকে কয়েকজন যুবক গুরুতর আহত অবস্থায় আজমুলকে খুমেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

    ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা খুবির সাবেক এক শিক্ষার্থী বলেন, ওই ছাত্রকে (আজমল হোসেন) খাবারসহ বিভিন্ন জিনিস চুরির অভিযোগে ধরা হয়। এরপর তার কাছ থেকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য বের হচ্ছিল। তিনি রুম থেকে গেঞ্জি, শার্ট, প্যান্ট, জুতা এবং টাকা নেওয়ার কথাও স্বীকার করেছিল।

    তিনি বলেন, প্রথমে লাউডস্পিকারে ওই ছাত্রকে তার বাবার সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়। তখন আজমল তার বাবাকে জানায় যে, তিনি সেখানে থাকে এবং টাকা ও অন্যান্য জিনিস চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছে। তার বাবা তাকে জিজ্ঞাসা করেন, কেন তিনি এসবের মধ্যে গেছে। এরপর ফোনটি রিফাতের কাছে দেওয়া হয়। তিনি ওই ছাত্রের বাবাকে বলেন, আপনার ছেলে এই কাজ করছে, আপনার তো আসা উচিত। আপনি কালকে আসেন, এসে একটা ব্যবস্থা করেন। এখানে তো আর রাখা যাবে না। এরপর ফোনটি অন্য এক-দুজনের হাতেও চলে যায়।

    এদিকে মারধর শেষে নিহত আজমলের বাবার কাছে ফোন দিয়ে চুরির ক্ষতিপূরণ হিসেবে এক লাখ টাকা দাবি করেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

    নিহত ওই ছাত্রের বাবা কুতুবউদ্দিন বলেন, রাতে আমাকে কল দিয়ে জানায় এখানে একটা ঘটনা ঘটেছে। পরে ফোনেই এক লাখ টাকা চাওয়া হয় ক্ষতিপূরণ হিসেবে। পরে আমি বলি ঠিক আছে তোমাদের আন্ডারে রাখো। পরে আমি ফোনের পর ফোন দেই, কিন্তু ফোন ধরে না, পরে ফোন অফ পাই। সকালে ট্রেনে করে খুলনায় এসে সেখানে যাওয়ার পরে কয়েকজন বলে, চাচা আপনার ছেলেরে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। কিন্তু শিক্ষার্থীরা বলে আপনার ছেলে ছাদ থেকে লাফ দিয়েছে। মেসের ওরা বলল, চাচা আপনার ছেলে ২৫০ বেড হাসপাতালে আছে।

    হাসপাতাল সূত্র জানায়, রাত দেড়টার দিকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরিচয় দেওয়া কয়েকজন যুবক গুরুতর আহত অবস্থায় আজমলকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে নেওয়ার ১০-১৫ মিনিট পর তার মৃত্যু হয়।

    হাসপাতাল সূত্রের ভাষ্য, আজমলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। তার মাথার চুলও এক পাশ দিয়ে কাটা ছিল। মৃত্যুর পর তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা যুবকরা দ্রুত সেখান থেকে সটকে পড়েন।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো সালাউদ্দিন বলেন, ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের ঘটনায় আমাদের কোনো এখতিয়ার নেই। তবে আমরা পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের সহায়তা করছি এ বিষয়ে।

    হরিণটানা থানার ওসি ইকবাল হোসেন জানান, ঘটনাটি তারা জানতে পেরেছেন। লাশ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • কয়রায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী নিহত, আহত ৩

    কয়রায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী নিহত, আহত ৩

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    খুলনার কয়রায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় রফিকুল ইসলাম (৪৫) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় চালকসহ তিনজন আহত হয়েছেন।

    বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার বাগালী ইউনিয়নের ইসলামপুর চৌরাস্তা মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত রফিকুল ইসলামপুর চৌরাস্তা মোড়সংলগ্ন গোপিরায়ের বেড় এলাকার মরহুম জামিল উদ্দিন সানার ছেলে। আহতরা হলেন পাইকগাছা উপজেলার রাড়ুলী গ্রামের বিল্লাল গাজীর ছেলে মো: রায়হান গাজী, কাঠিপাড়া (বাঁকা) গ্রামের সন্দীপ মণ্ডলের ছেলে অন্তর মণ্ডল ও একই এলাকার আজিজ সরদারের ছেলে মো: হৃদয় হোসেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাইকগাছা উপজেলার বাঁকা বাজার এলাকা থেকে কয়েকজন মোটরসাইকেলে কয়রা উপজেলার উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের কাছারীবাড়িতে অনুষ্ঠিত বৃক্ষ মেলা দেখতে যাচ্ছিলেন। তারা ইসলামপুর চৌরাস্তা মোড় এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রফিকুলকে ধাক্কা দেয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন।

    পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রফিকুলকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা: সুজিত কুমার বৈদ্য বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই রফিকুলের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আহত তিনজনকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।’

    কয়রা থানার ওসি মো: রাশেদুল আলম জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

  • খুলনায় যুবককে গুলি করে হত্যা

    খুলনায় যুবককে গুলি করে হত্যা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    খুলনার দৌলতপুরে জলিল মুন্সি নামে এক যুবকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

    শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে থানার কুলিবাগান বটতলার অদূরে এ ঘটনা ঘটে।

    পাট শ্রমিক জলিল ওই এলাকার সাধু বাগানের দিলু মুন্সির ছেলে।

    পুলিশ জানায়, কুলিবাগান এলাকায় জলিলের বাবার একটি পানের দোকান আছে। সেখানে যাওয়ার জন্য এক যুবককে সাথে নিয়ে বাড়ি থেকে পৌনে ৮টার দিকে বের হন তিনি। কিছুক্ষণ পর তার মোবাইল ফোন বেজে ওঠে। ফোনে তর্কতর্কি হয়।

    এরপর বটতলা থেকে দুই গজ দূরে যাওয়া মাত্র একটি মোটরসাইকেলে আসা তিন ব্যক্তির সাথে তার কথা হয়। এক পর্যায়ে আগতদের একজন তাকে লক্ষ্য করে পরপর দু’টি গুলি করে। গুলি তার বুকের ডান পাশে ও পিঠের বাম পাশে বিদ্ধ হয়।

    স্থানীয়রা উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ঘটনাস্থল থেকে একটি তাজা গুলি উদ্ধার করে পুলিশ।

    কেএমপি উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) সুদর্শন কুমার রায় বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। কি কারণে বা কারা এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তা জানার চেষ্টা করছি।’

  • কয়রায় শ্বশুরবাড়ি থেকে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    কয়রায় শ্বশুরবাড়ি থেকে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    খুলনার কয়রায় শ্বশুরবাড়ি থেকে মো: খালিদ হাসান (২৫) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    শুক্রবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে উপজেলার গোবরা গ্রামের মো: তৈয়ব আলীর বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার মাত্র ১৭ দিন আগে ওই বাড়ির মেয়ে সানজিদা খাতুনের সাথে খালিদের বিয়ে হয়েছিল।

    নিহত খালিদ হাসান কয়রা সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর কয়রা গ্রামের মো: আব্দুর রহিম সরদারের ছেলে।

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে খালিদ তার স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছিলেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে খালিদের স্ত্রী টয়লেট থেকে ফিরে ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। দীর্ঘ সময় ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি জানালা দিয়ে ভেতরে তাকান। এ সময় তিনি স্বামী খালিদকে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে পুলিশে খবর দেন। পরে কয়রা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। তবে কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: রাশেদুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে শুক্রবার রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    তিনি জানান, এটি আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ বা রহস্য রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ তদন্ত করছে।

  • পাইকগাছায় নির্মাণাধীন রাস্তা ভেঙে লোকালয়ে প্রবেশ করছে লোনা পানি

    পাইকগাছায় নির্মাণাধীন রাস্তা ভেঙে লোকালয়ে প্রবেশ করছে লোনা পানি

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    চিংড়ী ঘেরের উত্তোলনকৃত লোনা পানির তোড়ে খুলনার পাইকগাছার লতা ইউনিয়নের তেঁতুলতলা-লতা সড়কের একাংশ ভেঙে গেছে। এতে সেখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

    উপজেলার শংকরদানা খেয়াঘাট থেকে কাটামারী বাজার ভায়া তালতলা খেয়াঘাট পর্যন্ত দুই দশমিক ৯৪ কিলোমিটার সড়কের তেঁতুলতলা অংশটি পানির চাপে ভেঙে গেছে। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার পাশাপাশি ওই অংশ দিয়ে লোনা পানি অভ্যন্তরের লোকালয়ে প্রবেশ করছে। বিস্তীর্ণ অঞ্চলের চলাচলের একমাত্র সড়কটি বিচ্ছিন্ন হওয়ায় গত চার দিন ধরে সেখানকার মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা পড়েছে বিপাকে।

    স্থানীয়রা জানান, উপজেলার নদী ও চিংড়ী ঘের অধ্যুষিত জনপদের দুই দশমিক ৯৪ কিলোমিটার দৈর্ঘের এই সড়কটি দুই কোটি ৪৯ লাখ ৪১ হাজার ৪৬৯ টাকা ব্যয়ে পুনর্নির্মাণ কাজ শুরু হয়। আমফান প্রকল্পের আওতায় পুনর্নির্মাণ কাজ পায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স জাকাতউল্লাহ অ্যান্ড ব্রাদার্স।

    ২০২৫ সালের ২৫ এপ্রিল কার্যাদেশ পেয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এর কার্যক্রম শুরু করে। যা শেষ হওয়ার কথা ছিল একই বছরের ১৪ অক্টোবরের মধ্যে। তবে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ধীরগতিতে কাজ শুরুর পর নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে পারেনি। এখন পর্যন্ত মাত্র ৩০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করেছে তারা।

    কাজ বিলম্বিত হওয়ার বিষয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের দাবি, প্রকল্প এলাকা অত্যন্ত দুর্গম ও প্রান্তিক পর্যায়ের হওয়ায় রাস্তার অন্যতম প্রধান উপকরণ বালুর যোগান মেটাতে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে কাঠামারী থেকে বোট ও পাইপ ফিটিংয়ের মাধ্যমে বালু আনতে হয়। মাঝপথে ড্রেজার ও মেশিনের ত্রুটিজনিত কারণে বালুভরাট কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

    ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, রাস্তার শেষ অংশের প্রায় দুই-তিন শ’ ফুট এলাকার বালুভরাট বাকি রয়েছে। এছাড়া শুরুর অংশের অন্তত এক কিলোমিটার এলাকায় সাববেইজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

    পানির তোড়ে রাস্তা ভেঙে যাওয়ার বিষয়ে তারা জানান, ওই স্থানে কালভার্ট নির্মাণের পরিকল্পনা ও অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকা হওয়ায় জোয়ারের অতিরিক্ত পানির চাপে সড়কের এ অংশ সহজেই আক্রান্ত হয়েছে।

    এদিকে স্থানীয়দের দাবি, শুষ্ক মৌসুমে কাজ না করে বর্ষা মৌসুমে কাজ করতে গিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার অজুহাতে প্রান্তিক জনপদের মানুষকে তারা এক প্রকার বন্দি জীবনযাপন করতে বাধ্য করেছে। সর্বশেষ জোয়ারের অতিরিক্ত পানির চাপে সড়কটি ধসে গিয়ে নদী ও ঘেরের লোনা পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে। এতে তাদের দুর্ভোগ রীতিমতো সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

    সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির মুখে পড়েছে জনপদের কোমলমতি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। পরনের পোশাক ভিজিয়ে, বই-খাতা মাথায় তুলে কোনোমতে ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হচ্ছে সড়কের ভাঙা অংশ। জরুরি চিকিৎসাসেবাসহ হাটে-বাজারে পণ্য পরিবহনে বিপাকে পড়ছেন কৃষক ও সাধারণ খামারিরা।

    স্থানীয়দের ক্ষোভ, ঘের মালিকদের পানি সরবরাহে অব্যবস্থাপনা ও জোয়ারে অতিরিক্ত পানির চাপ নির্মাণাধীন সড়ক ভাঙনের কারণ হলেও এর জন্য দায়ী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাজের দীর্ঘসূত্রতা।

    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল অধিদফতর জানায়, যান্ত্রিক ত্রুটিজনিত কারণে বালু সরবরাহ বিলম্বিত হওয়ায় এই সঙ্কট। তবে, অতিদ্রুত দ্বিগুণ গতিতে কাজ শুরু হবে।

    উপজেলা প্রকৌশলী মো: শাফিন শোয়েব বলেন, সড়কটির ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভাঙা অংশে রিং কালভার্ট বা বিকল্প বাঁধ দিয়ে পানি আটকানো এবং বালু ভরাট করে যাতায়াত উপযোগী করার কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কাজে অবহেলা সহ্য করা হবে না।

  • খুলনায় সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার বৃদ্ধি বিষয়ক সভা

    খুলনায় সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার বৃদ্ধি বিষয়ক সভা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    খুলনার কেডিএ নিউ মার্কেটে ‘বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার বৃদ্ধি’ শীর্ষক এক জনসচেতনতামূলক সভা শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন এবং ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কো, লি. খুলনার যৌথ আয়োজনে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

    ওই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেডিএ নিউ মার্কেট দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল গাফফার বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওজোপাডিকো লি-র তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো: আরিফুর রহমান।

    সভায় বক্তারা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং পরিবেশবান্ধব সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। বিশেষ করে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ বাসাবাড়িতে সৌর শক্তির সুফল কাজে লাগিয়ে জাতীয় বিদ্যুৎ অপচয় রোধে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।

  • খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সা: উদযাপন

    খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সা: উদযাপন

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সা: উদযাপন করা হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে এ উপলক্ষে খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) নগর ভবন চত্বরে মহানবী সা:-এর জীবন ও আদর্শের ওপর আলোচনা সভা, হামদ ও নাত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, মহানবী সা:-এর আদর্শ ধারণ, অনুসরণ ও অনুকরণ করা প্রয়োজন। তিনি ইসলাম ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছেন, দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করেছেন এবং আমাদের ধর্ম পালন শিখিয়েছেন।

    কেসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার মো: মনিরুজ্জামান রহিমের সঞ্চালনায় খুলনা সিটি করপোরেশন আয়োজিত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, সচিব মো: রেজা রশীদ, ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ কেসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

    মহানবী সা:-এর জীবন ও আদর্শের ওপর আলোচনা করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মো: আবদুল্লাহ, কেসিসির শিক্ষক সমিতির সভাপতি নাসির উদ্দিন কাশেমী, ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মো: গোলাম কিবরিয়া ও মাওলানা মো: মুসফিকুর রহমান।

    অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি হামদ-নাত প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

    এছাড়া পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সা: উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ শিশু অ্যাকাডেমি খুলনার যৌথ আয়োজনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রচনা, হামদ ও নাত প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    এ উপলক্ষে জেলার সব মসজিদে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং মসজিদ কমিটির সহযোগিতায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কর্তৃক মহানবী হযরত মুহম্মদ সা:-এর জীবনী, কর্ম ও শিক্ষা, ইসলামে শান্তি, প্রগতি, সৌহার্দ্য, সহিষ্ণুতা, বিশ্বভ্রাতৃত্ব, মানবাধিকার ও নারীর মর্যাদা ইত্যাদি বিষয়ের ওপর আলোচনা হয়। এছাড়া কেরাত, দোয়া মাহফিল, হামদ-নাত, কবিতা পাঠ, শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও মহানবী হযরত মুহম্মদ সা:-এর জীবনীর ওপর কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। শিশুদের জন্য হামদ-নাত, মহানবী সা:-এর জীবন ও কর্মভিত্তিক কবিতা, আলোচনা সভা ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

  • এলাকার আধিপত্য, মাদক কারবার ও শক্তি প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে  দুইটি হত্যা

    এলাকার আধিপত্য, মাদক কারবার ও শক্তি প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে দুইটি হত্যা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    খুলনা মহানগরীর লবণচরা থানার আশিবিঘা বালুর মাঠের কাছে পরপর এলাকার আধিপত্য, মাদক কারবার ও শক্তি প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে দুইটি হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছিল। নগরীর টুটপাড়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী আলামিন হাসান সাইফি গ্রেফতারের পর র‌্যারেব কাছে এমন তথ্য দিয়েছে।

    শনিবার (২২ আগস্ট) র‌্যাব-৬ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অধিনায়ক লে. কর্নেল নিস্তার আহমেদ।

    এর আগে গত শুক্রবার গোপালগঞ্জ জেলার মাঝিগাতী বাজারের ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে আলামিন হাসান সাইফি ও তার সহযোগী রাফিকুল ইসলাম রাকিবকে গ্রেফতার করা হয়। পরে সাগর আহম্মেদ নামে সাইফির আরেক সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় সাগর আহমেদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি শটগান, একটি পিস্তল, শটগানের এক রাউন্ড গুলি ও তিনটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়।

    র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল নিস্তার আহমেদ বলেন, ‘নগরীর টুটপাড়া, হরিণটানা ও লবণচরা এলাকার মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে খুলনার শীর্ষ দুই সন্ত্রাসী বাহিনী। টুটপাড়ার সন্ত্রাসী সাইফি গ্রেনেড বাবুর বি কোম্পানির হয়ে কাজ করে। অপরদিকে রফিক নগরীর অপর শীর্ষ সন্ত্রাসী পলাশ-রোহন বাহিনীর হয়ে ওই এলাকায় মাদকের কারবার করে। এ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তাদের দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের।’

    তিনি বলেন, “গত ১৯ আগস্ট নগরীর লবণচরা থানার আশিবিঘা এলাকায় মাত্র আড়াই ঘণ্টার ব্যবধানে দুই যুবক মো: মঞ্জুরুল ইসলাম ও মো: নাজমুল ইসলামকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পর ছায়া তদন্ত শুরু করে র‌্যাব-৬ এর সদস্যরা। তদন্তের একপর্যায়ে সন্ত্রাসী আলমিন হাসান সাইফি ও তার সন্ত্রাসী দলের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। এরপর তাকে গ্রেফতারে খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। পরে সোর্সের মাধ্যমে খবর পেয়ে গোপালগঞ্জের মাঝিগাতী রাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাইফি ও তার সহযোগী রাকিবকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাইফি ও রাকিব হত্যাকান্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। নিহত নাজমুল তার দলের সাথে সম্পৃক্ত ছিল। অন্যদিকে নিহত মঞ্জুরুল প্রতিপক্ষ ‘রোহান পলাশ’ গ্রুপের সাথে ছিল।”

    তিনি জানান, ‘সাইফির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তার দলের সদস্য নাজমুলকে সন্ত্রাসী রফিক আটক করে ভিডিও কলে রেখে কোপ দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাইফি ও তার দলের ১৫/১৬ জন প্রতিশোধমূলক আগ্নেয়াস্ত্র এবং দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আশিবিঘা এলাকায় গিয়ে প্রতিপক্ষের মঞ্জুরুলকে সামনে পেয়ে তাকে তার বাবার সামনেই গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করে।’

    তিনি বলেন, ‘ওই দুই হত্যাকাণ্ডে জড়িত বাকি আসামিরাদেরকেও দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।’

  • যশোর সীমান্তে ৬১৭ বোতল ভারতীয় এসকাফ সিরাপ জব্দ

    যশোর সীমান্তে ৬১৭ বোতল ভারতীয় এসকাফ সিরাপ জব্দ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬১৭ বোতল ভারতীয় নিষিদ্ধ এসকাফ সিরাপ জব্দ করেছে।

    বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে পুটখালী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    বিজিবি সূত্র জানায়, চোরাচালানবিরোধী নিয়মিত তৎপরতার অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় এসকাফ সিরাপগুলো পড়ে থাকতে দেখে জব্দ করা হয়।

    বিজিবি জানায়, সীমান্ত সুরক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি এবং টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসব সিরাপ জব্দ করা হয়।

    খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও অন্যান্য চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • খুলনায় পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি মামলায় ৬ জনের ১০ বছরের কারাদণ্ড

    খুলনায় পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি মামলায় ৬ জনের ১০ বছরের কারাদণ্ড

    খুলনায় পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি মামলায় ছয়জন আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি ছাড়া বাকীরা পলাতক রয়েছেন। এ মামলার অপর একজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

    মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) খুলনার জেলা ও দায়রা অতিরিক্ত চতুর্থ আদালতের জজ মো: খুরশীদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন।

    দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, মীর সেলিম, মাহাবুবুর রহমান, মো: লিটন দেওয়ান, নাসির গাজী ওরফে কাবিলা, কালাম ঢালী ও শামীম বিশ্বাস। মামলার অপর আসামি জিহাদুল বিশ্বাসকে খালাস দেয়া হয়েছে।

    এছাড়া মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত শামীমকে ৪১২ ধারায় অতিরিক্ত আরো ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। রায় প্রদানকালে মো: লিটন দেওয়ান ও নাসির গাজী ওরফে কাবিলা উপস্থিত ছিলেন।

    আদালতের সূত্র জানায়, গত ২০২৩ সালের ৪ এপ্রিল মামলার বাদী ডিম ব্যবসায়ী মো: রবিউল ইসলাম পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি বাজার থেকে দোকান বন্ধ করে রাত পৌনে ১২টার দিকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। এসময়ে তার সাথে কর্মচারী ছিলেন। তারা দু’জন উপজেলার নাসিরপুর গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে পৌঁছালে দুইটি মোটরসাইকেলে একজন পুলিশের পোশাক পরিহিত এবং বাকী তিনজন সিভিল পোশাক পরা অবস্থায় তার গতিরোধ করে।

    এরপর তারা তাকে জানায় যে, তার নামে গ্রেফতারী পরোয়ানা রয়েছে এবং তাদের সাথে থানায় যেতে বলে। তারা রবিউলকে মোটর সাইকেলে উঠিয়ে থানার দিকে না যেয়ে ডুমুরিয়া উপজেলার মাগুরখালীর দিকে রওনা হয়।

    তখন রবিউল কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে আসামিরা তাকে মৃত্যুর ভয় দেখায় এবং তার কাছ থেকে নগদ এক লাখ টাকা ও একটি দামি মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে তাকে ফেলে যায়। ঘটনার পরের দিন তিনি পাইকগাছা থানায় থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

    একই বছরের ৩০ জুলাই মামলার তদন্তকর্মকর্তা এসআই মো: শাহজুল ইসলাম সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

  • খুলনায় অস্ত্র মামলার আসামি রাকিব গ্রেফতার

    খুলনায় অস্ত্র মামলার আসামি রাকিব গ্রেফতার

    খুলনায় অস্ত্র মামলার আসামি ওয়াজিদ ইসলাম রাকিব (৩২) নামে এক সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (২৬ জুলাই) গভীর রাতে নগরীর বৈকালী এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়

    গ্রেফতার হওয়া রাকিব বৈকালী এলাকার দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী জাকির শেখের ছেলে

    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে শ্বশুরবাড়ি থেকে রাকিবকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র রাখাসহ চারটি মামলা রয়েছে।

    খুলনা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপ-পুলিশ কমিশনার মো: আহাদুজ্জামান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাকিবকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের সাথে জড়িত। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানিয়েছে, তার কাছে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। দেড়-দুই মাস আগে সেটি তার এক সহযোগী নিয়ে গেছে। তার সেই সহযোগীকে গ্রেফতার করে অস্ত্রটি উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, রাকিব ও তার বাবা জাকির শেখ নগরীর খালিশপুর থানার বৈকালী, বয়রা ও মুজগুন্নী এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে। অনেক দিন ধরে বাবা ও ছেলে মিলে কিশোর গ্যাং নিয়ে চাঁদাবাজি, মাদক, জমি দখল, ছিনতাই, ডাকাতিসহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। এমনকি রাকিব ও তার কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তার ওপরও হামলা করেছে। ছেলে-বাবার ভয়ে এলকার মানুষ মুখ খুলতে পারে না। রাকিব ও তার বাবা জাকিরের বিরুদ্ধে খালিশপুর ও সোনাডাঙ্গা থানায় হত্যা, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র রাখাসহ বিভিন্ন অপরাধে অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে।

    জানা যায়, জাকির শেখ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতাদের ছত্রছায়ায় মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, জমি দখলসহ নানা অপরাধ চালাতে থাকে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর জাকির শেখ ও তার ছেলে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

    ওই বছরের ৩ অক্টোবর জাকির শেখকে যৌথবাহিনী আটক করে। সেখান থেকে ছাড়া পেয়ে জাকির শেখ নিজেকে বিএনপির লোক দাবি করে এলাকায় আবারো সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালাচ্ছিল।

  • খুলনায় যুবককে প্রকাশ্যে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা

    খুলনায় যুবককে প্রকাশ্যে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা

    খুলনায় প্রকাশ্যে আরিফ শিকদার (২৪) নামে এক যুবককে গুলি করে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।

    সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে নগরীর লবণচরা থানার মাথাভাঙ্গায় খুলনা রিভারভিউ পার্কের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

    আহত আরিফ শিকদার ওই এলাকার আবুল কালাম শিকদার ছেলে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা ও পুলিশ জানায়, সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে আরিফ শিকদার খুলনা রিভারভিউ পার্কের সামনে দুই-তিনজন বন্ধুর সাথে কথা বলছিল। এ সময় দু’টি মোটরসাইকেলে হেলমেট পরিহিত ছয়জন দুর্বৃত্ত সেখানে এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। বুকের ডান পাশে গুলি লেগে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে আশপাশের লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় আরিফকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

    নগরীর লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশাররফ হোসেন জানান, দুপুরে দুই-তিন বন্ধুর সাথে কথা বলার সময় দু’টি মোটরসাইকেলে হেলমেট পরিহিত কয়েকজন দুর্বৃত্ত এসে আরিফকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিটি তার ডান বুকে লেগে স্লিপ করে চলে যায়। এরপর দুর্বৃত্তরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। পূর্ব শত্রুতা ও মাদককে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটতে পারে।

  • খুলনায় যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার

    খুলনায় যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার

    খুলনা মহানগরীর আড়ংঘাটা রেলস্টেশনের দক্ষিণ পাশের একটি মাছের ঘের থেকে ইমন (২১) নামে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সেখানকার বাসিন্দাদের সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।

    নিহত ইমন আড়ংঘাটা এলাকার বাসিন্দা সোবহান শেখের ছেলে।

    প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কে বা কারা তাকে হত্যার পর লাশ সেখানে ফেলে রেখে যায়।

    আড়ংঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: হালিমুর ইসলাম জানান, স্থানীয় বাসিন্দারা এক যুবককে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

    খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং পুলিশের ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে সম্ভাব্য সব সূত্রে যাচাই করা হচ্ছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

  • চার দিন পর খুবিতে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু, আন্দোলন অব্যাহত

    চার দিন পর খুবিতে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু, আন্দোলন অব্যাহত

    শিক্ষা ডেস্ক:

    দীর্ঘ চার দিনের অচলাবস্থার পর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) প্রশাসনিক কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে। তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তিন দফা দাবি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত ক্লাশ ও পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনের তালা খুলে দেওয়ায় রোববার (২৬ জুলাই) থেকে দাপ্তরিক কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে।

    শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনার পর আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনের তালা খুলে দেন। রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলমান তদন্ত ও জরুরি প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রাখার স্বার্থে শিক্ষার্থীরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    অন্যদিকে, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রশাসনিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করা তাদের উদ্দেশ্য নয়। তবে যৌন হয়রানি এবং বিজয়-২৪ হলের ছাত্রীদের গোপনে ভিডিও ধারণের ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের আগে কোনো শিক্ষার্থী ক্লাশ বা পরীক্ষায় অংশ নেবেন না।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দীন জানান, ২২ জুলাই রাতে বিজয়-২৪ হলে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীরা প্রধান ফটকসহ প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন। পরে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো নিয়ে প্রশাসন বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা শুরু করে এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

    এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ডিসিপ্লিনে বিভাগীয় প্রধানরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন। এসব সভায় যৌন হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবির প্রতি শিক্ষকরা সমর্থন জানান।

    পরে বিকাল সাড়ে ৪টায় উপাচার্যের সভাপতিত্বে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার, বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধান, ছাত্রবিষয়ক পরিচালক, প্রভোস্টসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করা হয়।

    পরবর্তীতে ওই আলোচনার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনের তালা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের দ্রুত ক্লাশে ফেরার আহ্বান জানিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবিগুলো বাস্তবায়নের আশ্বাসও পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

    উল্লেখ্য, দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এবং বিজয়-২৪ হলের ক্যান্টিনকর্মীর বিরুদ্ধে ছাত্রীদের গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগের বিচার দাবিতে শিক্ষার্থীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাশ-পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বর্জনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় প্রত্যাশিত অগ্রগতি না হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

    শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে রয়েছে—ভিডিও ধারণের অভিযোগে অভিযুক্ত ক্যান্টিনকর্মী ইমাম হাসানের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা, দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট হল প্রভোস্ট বডিকে জবাবদিহির আওতায় আনা, যৌন হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত বাংলা ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক রুবেল আনছার এবং অ্যাগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক রেজাউল ইসলামকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা এবং ‘স্পন্দন-২৪’ ক্লাবের নিবন্ধন বাতিল করা

  • খুবির নারী হলের ওয়াশরুমে মোবাইল রাখায়, ক্যান্টিন বয় আটক

    খুবির নারী হলের ওয়াশরুমে মোবাইল রাখায়, ক্যান্টিন বয় আটক

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) বিজয় ’২৪ হলের নারী শিক্ষার্থীদের ওয়াশরুমে গোপনে মোবাইল ফোন রাখার অভিযোগে হলের ক্যান্টিনে কর্মরত এক ব্যক্তিকে আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার রাতের এই ঘটনায় হলজুড়ে চাঞ্চল্য ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

    শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ওয়াশরুমে একটি সন্দেহজনক মোবাইল ফোন দেখতে পেয়ে তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখেন। পরে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে হলের ক্যান্টিনে কর্মরত ইমাম হাসান (পিতা: আসাদুজ্জামান) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেন তারা। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, তিনি প্রায় দুই বছর ধরে বিজয় ’২৪ হলের ক্যান্টিনে কর্মরত রয়েছেন।

    প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে হলের বিভিন্ন ব্লকের শিক্ষার্থীরা সেখানে জড়ো হন। পরে অভিযুক্তকে হলের ভেতরে আটকে রাখা হয় এবং বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। ঘটনার পর থেকে আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

    এদিকে, কয়েকজন শিক্ষার্থী দাবি করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিক ভিডিও পাওয়া গেছে। এছাড়া, তিনি দীর্ঘদিন ধরে হলের ওয়াশরুমের ভেন্টিলেটরের ফাঁক দিয়ে গোপনে ভিডিও ধারণ করতেন এবং সেসব ভিডিও বিভিন্ন টেলিগ্রাম গ্রুপে পাঠাতেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এই প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, নারী আবাসিক হলের মতো একটি সংরক্ষিত স্থানে এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

    শিক্ষার্থীরা আরও দাবি করেন, নারী আবাসিক হলে বহিরাগত ও বিভিন্ন সেবাদানকারী কর্মীদের প্রবেশে কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে হলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার, সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিজয় ’২৪ হলের প্রভোস্ট বলেন, ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে আমি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হবে।

    ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেক শিক্ষার্থী দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছেন।

  • খুবিতে প্রশাসনিক ভবনে তালা, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

    খুবিতে প্রশাসনিক ভবনে তালা, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) বিজয় ২৪ হলের নারী ওয়াশরুমে গোপনে মোবাইল ফোন রেখে ভিডিয়ো ধারণের অভিযোগে হলের ক্যান্টিন কর্মী ইমাম হাসানকে (২৪) আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা। গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টায় এ ঘটনা ঘটে।

    এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও ক্যাম্পাসে সার্বিক নিরাপত্তার দাবিতে বুধবার (২২ জুলাই) সকাল থেকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, হলের নারী ওয়াশরুমে একটি সন্দেহজনক মোবাইল ফোন দেখতে পেয়ে শিক্ষার্থীরা বিষয়টি খতিয়ে দেখেন। পরবর্তীতে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে হলের ক্যান্টিনে প্রায় দুই বছর ধরে কর্মরত ওই ক্যান্টিনের মালিকের ছেলে ইমাম হাসানকে আটক করা হয়।

    শিক্ষার্থীদের দাবি, অভিযুক্তের ব্যবহৃত মোবাইলে একাধিক গোপন ভিডিয়ো পাওয়া গেছে। অভিযোগ উঠেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে হলের ওয়াশরুমের ভেন্টিলেটরের ফাঁক দিয়ে গোপনে ভিডিয়ো ধারণ করতেন এবং তা বিভিন্ন টেলিগ্রাম গ্রুপে শেয়ার করতেন। ঘটনার বিষয়ে জানতেন তার স্ত্রীও। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়ে। পরে শিক্ষার্থীরা অভিযুক্তকে আটকে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবহিত করেন।

    যৌন হয়রানিমূলক অপরাধের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদাসীনতার অভিযোগ এনে এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে আজ ২৩ জুলাই (বুধবার) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদি চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশ করার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।

    এ সময়ে তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘটনার দীর্ঘ সময় পার হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এছাড়া অতীতে শিক্ষকদের দ্বারা শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির ঘটনাগুলোতেও কোনো সুষ্ঠু বিচার মেলেনি বলে অভিযোগ করেন তারা।

    এছাড়া তারা আজ যৌন হয়রানির ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পাসের সকল প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় আজ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক, বিভিন্ন পকেট গেট এবং প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন।

    বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বিজয় ’২৪ হলের প্রভোস্ট বলেন, ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ বিষয়ে মন্তব্য করা সমীচীন হবে না। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় তথ্য ও ব্যবস্থা গ্রহণ সম্পর্কে জানানো হবে।

  • খুলনায় এইডসে আট মাসে ১৭ জনের মৃত্যু

    খুলনায় এইডসে আট মাসে ১৭ জনের মৃত্যু

    খুলনায় উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে এইচআইভি সংক্রমণ। গত আট মাসে এইডসজনিত জটিলতায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৫৫ জনের শরীরে এইচআইভি সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে সমকামী পুরুষের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি (এআরটি) কর্নারের পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে।

    তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, নতুন শনাক্ত হওয়া ৫৫ জনের মধ্যে ৩৭ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নারী যৌনকর্মী সাতজন, পুরুষ যৌনকর্মী ছয়জন, পুরুষ সমকামী ২২ জন, ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারী এক নারী এবং অবৈধভাবে পার্টনার হিসেবে একসঙ্গে বসবাসকারী রয়েছেন আটজন। এছাড়া সাধারণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন ১১ জন, যার মধ্যে পাঁচজন পুরুষ ও ছয়জন নারী।

    খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এআরটি কর্নারের তথ্য অনুযায়ী, গত আট মাসে মোট ৭৩৫ জনের এইচআইভি পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৩৪ জন পুরুষ এবং ৩০১ জন নারী।

    মাসভিত্তিক মৃত্যুর পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত ডিসেম্বর মাসে খুলনার এক নারী রোগীর মৃত্যু হয়। জানুয়ারিতে মারা যান চারজন, যার মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী। মার্চে মারা যান তিনজন, যার মধ্যে দুজন পুরুষ ও একজন নারী।

    এপ্রিলে মারা যান দুজন, যাদের একজন যশোর এবং অন্যজন পিরোজপুরের বাসিন্দা। মে মাসে খুলনার এক নারী রোগীর মৃত্যু হয়, যিনি নিয়মিত ভারতে যাতায়াত করতেন। জুনে মারা যাওয়া একমাত্র ব্যক্তি ছিলেন যশোরের এক পুরুষ রোগী। এছাড়া জুলাই মাসেও কয়েকজনের মৃত্যুর তথ্য রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। সব মিলিয়ে আট মাসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ জনে।

    এআরটি সেন্টারের ডেটা সহকারী চিন্ময় দাস জানান, ২০১৭ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এআরটি কর্নারে মোট সাত হাজার ৭৭৩ জনের এইচআইভি পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯৬৪ জন এইচআইভি আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ৬০৩ জন পুরুষ, ৩৫৩ জন নারী এবং আটজন হিজড়া।

    তিনি জানান, মোট আক্রান্তদের মধ্যে নারী যৌনকর্মী ১১০ জন, পুরুষ যৌনকর্মী ৬৭ জন, পুরুষ সমকামী ২৪০ জন, হিজড়া আটজন, ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারী দুজন, সাধারণ জনগোষ্ঠীর ৪৫০ জন, নিয়মিত যৌনকর্মীদের কাছে যাতায়াতকারী ১৫ জন, অবৈধভাবে পার্টনার হিসেবে একসঙ্গে বসবাসকারী ৩৭ জন এবং বিদেশ ফেরত ২৬ জন।

    খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং এআরটি ফোকাল পার্সন ডা. মোহাম্মদ ইউনুস আলী বলেন, পতিতা পল্লি, ভাসমান যৌনকর্মী এবং হোটেলকেন্দ্রিক অনিরাপদ যৌন সম্পর্কে জড়িতদের নিয়মিত পরীক্ষার আওতায় আনতে হবে। যত বেশি মানুষকে পরীক্ষার আওতায় আনা যাবে, তত বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হবে এবং সংক্রমণের প্রকৃত চিত্রও স্পষ্ট হবে।

    খুলনার সিভিল সার্জন ডা. মাহফুজা খাতুন বলেন, সরকারি ব্যবস্থাপনায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এআরটি কর্নারে বিনামূল্যে এইচআইভি পরীক্ষা ও ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাও এ বিষয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, এই মরণ ব্যাধি প্রতিরোধে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।

    খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শেখ মোশারফ হোসেন বলেন, সরকার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এইচআইভি পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে। যত বেশি মানুষকে পরীক্ষার আওতায় আনা সম্ভব হবে, ততই সংক্রমণের প্রকৃত চিত্র উঠে আসবে। তবে সচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া এইচআইভি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, খুলনায় যেভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তা নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি সতর্কসংকেত।

  • খুলনায় পাঁচ দিনে তিনজনকে গুলি, ধরা পড়েনি কেউ

    খুলনায় পাঁচ দিনে তিনজনকে গুলি, ধরা পড়েনি কেউ

    খুলনা মহানগরীর তিন স্থানে পাঁচ দিনের ব্যবধানে তিনজনকে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। তিনজনেরই পায়ে গুলি লাগায় সবাই প্রাণে বেঁচে যান। গুলির ঘটনায় জড়িত কাউকে এখনও ধরতে পারেনি পুলিশ। মহানগরীতে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কে রয়েছেন মানুষ।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার সোনাডাঙ্গা থানার গল্লামারী আইডিয়াল নার্সিং হোম ক্লিনিকের সামনে ভাঙাড়ি ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম মানিককে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। গত বৃহস্পতিবার সকালে নগরীর লবণচরা থানার আশিবিঘা এলাকার একটি মাঠে রাতুল শেখ নামে যুবককে গুলি করা হয়। সর্বশেষ শুক্রবার রাতে খুলনা সদর থানার রূপসা বেড়িবাঁধ এলাকায় এক কিশোরীকে গুলি করা হয়। ওই কিশোরীর পুলিশের তালিকাভুক্ত এক শীর্ষ সন্ত্রাসীর সৎ বোন।

    রফিকুল ইসলাম মানিককে গুলির ঘটনায় পরিবারের তরফে নগরীর সোনাডাঙ্গা থানায় মামলা হয়েছে। এজাহারে চাঁদা না দেওয়ায় মানিককে গুলি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। মামলায় স্থানীয় সন্ত্রাসী সোহায়েলসহ সাত থেকে আটজনকে আসামি করা হয়েছে।

    রাতুলের ওপর গুলির ঘটনায় তাঁর পরিবার মামলা করার সাহস পায়নি। এ ঘটনায় লবণচরা থানা পুলিশের এসআই বেলাল হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেন। কিশোরীকে গুলির ঘটনায়ও পরিবার গতকাল বিকেল পর্যন্ত মামলা করেনি। পুলিশ জানিয়েছে, পরিবার মামলা না করলে পুলিশই বাদী হয়ে মামলা করবে।

    ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ২৩ মাসে ৮৯টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে খুনের ঘটনা ঘটেছে ১৯টি। পুলিশ জানিয়েছে, ৩৪টি হত্যাকাণ্ডর সঙ্গে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী জড়িত।

  • জীবননগরে গৃহবধূ পিংকী হত্যার আসামি ঢাকা থেকে গ্রেফতার

    জীবননগরে গৃহবধূ পিংকী হত্যার আসামি ঢাকা থেকে গ্রেফতার

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সঙ্ঘটিত চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ পিংকী হত্যার আসামি প্রবাসী রাজন হোসেনকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    বুধবার (১৭ জুন) সকালে রাজধানী ঢাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে জীবননগর থানা পুলিশ।

    গ্রেফতার রাজন হোসেন উপজেলার ডুমুরিয়া গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে। তিনি হত্যাকাণ্ডের দুই মাস আগে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে আসেন। হত্যার পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

    নিহত গৃহবধূ পিংকী ডুমুরিয়া গ্রামের প্রান্তিক কৃষক সানোয়ার হোসেনের স্বামী পরিত্যক্তা ও একাধিক বিবাহিতা নারী এবং দুই সন্তানের জননী।

    দুই মাস আগে চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামে ঘুমন্ত অবস্থায় গৃহবধূ ববিতা খাতুন ওরফে পিংকীকে (২৭) এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন রাজন। পরে পরিবারের লোকজন তাকে জীবননগর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

    সেখান তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

    চিকিৎসাধীন অবস্থায় পিংকী পুলিশের কাছে জবানবন্দি দেন যে, তাকে রাজন এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। এ সময় রাজন হোসেনকে সে একটি লাথিও মারে বলে জবানবন্দিতে জানা যায়। মূলত রাজন হোসেনের দেয়া অনৈতিক প্রস্তাবে সাড়া না দেয়ায় তাকে কুপিয়ে আহত করা হয়।

    আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সদস্য মিন্টু রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অপরাধে প্রবাসফেরত রাজন হোসেনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা করেন নিহত পিংকীর মামা আনোয়ার হোসেন। মামলার পর থেকে রাজন হোসেন পলাতক ছিলেন। পুলিশ তাকে বুধবার দুপুরে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।

    জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, প্রবাসফেরত যুবক রাজন হোসেন গৃহবধূ ববিতা খাতুন ওরফে পিংকী হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। রাজন হোসেন ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন। তাকে বুধবার সকালে ঢাকায় গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

  • পাইকগাছার বেতাঙ্গী নদী থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার

    পাইকগাছার বেতাঙ্গী নদী থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার

    খুলনার পাইকগাছার লতা ইউনিয়নের বেতাঙ্গী নদী থেকে ব্রিঞ্চি মন্ডল (৮০) নামে এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) ভোরে ওই লাশ উদ্ধার করা হয়।

    নিহত ব্রিঞ্চি মন্ডল উপজেলার পটুলাখালী গ্রামের মরহুম মহেন্দ্র মন্ডলের ছেলে।

    থানা পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সোমবার ভোরে বেতাঙ্গী নদীর বাহিরবুনিয়া সরদার বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় ওই বৃদ্ধের লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা থানা পুলিশে খবর দেয়। পরে স্থানীয়রা তার পরিচয় শনাক্ত করে।

    নিহতের ছেলে উজ্জ্বল মন্ডল জানান, তার বাবা বেশ কিছুদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গতকাল রোববার (১৪ জুন) রাত ৯টার দিকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর ফেরেননি তিনি। পরে সোমবার সকালে লোকমুখে খবর পেয়ে বাবার লাশ শনাক্ত করেন উজ্জ্বল মন্ডল।

    পাইকগাছা থানা পুলিশ জানায়, ধারণা করা হচ্ছে নদীতে পড়ে গিয়ে তার মৃত্যু হতে পারে। সুরতহাল রিপোর্ট শেষে লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • কলারোয়ায় দিনমজুর সাগর হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন

    কলারোয়ায় দিনমজুর সাগর হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন

    সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার দক্ষিণ ভাদলী গ্রামের দিনমজুর সাগর (৩৩) হত্যার কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও বিচার প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবার।

    এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার, মামলা গ্রহণ, জড়িতদের গ্রেফতার এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে আজ রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মানবাধিকার সংগঠন ভার্ড-বাংলাদেশ আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বক্তারা অভিযোগ করেন, গত বছরের ৯ ডিসেম্বর সাগরকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ফেলে রাখা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১ ডিসেম্বর তার মৃত্যু ঘটে। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এখনো বিচারিক প্রক্রিয়ায় কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবার চরম হতাশার মধ্যে রয়েছে।

    মানববন্ধনে ভার্ড-বাংলাদেশের নির্বাহী চেয়ারম্যান এম.এস.এ রেজা বলেন, একজন অসহায় মানুষের মৃত্যু কোনোভাবেই উপেক্ষিত হতে পারে না। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।

    সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মো: মাহাবুব আলম আব্বাসী বলেন, বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা শুধু একটি পরিবারকেই কষ্ট দেয় না, এটি সমাজে বিচারহীনতার সংস্কৃতিকেও উৎসাহিত করে।

    এদিকে সাগর হত্যাকাণ্ডের অনুসন্ধানে নতুন করে উঠে এসেছে যশোর-বেনাপোল সীমান্তভিত্তিক একটি কথিত স্বর্ণ চোরাচালান ও অপরাধচক্রের নাম। বিভিন্ন রাজনৈতিক, গোয়েন্দা ও স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে অভিযোগ করা হচ্ছে, সীমান্ত এলাকায় স্বর্ণ চোরাচালান, হুন্ডি ব্যবসা, মাদক পাচার এবং প্রভাব বিস্তারের সাথে জড়িত একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে।

    Politics

    অভিযোগের তীর যশোরের শার্শা উপজেলার শহিদুল ইসলাম শহীদ ওরফে ‘গোল্ড শহীদ’, আনসারুল হক রানা, মেহেরুল্লাহ মেম্বার এবং গোল্ড নাসিরের দিকে। বেনাপোল সীমান্তের বিভিন্ন এলাকা ব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ পাচার হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে বলেও জানা গেছে।

    মানববন্ধনে বক্তারা আরো অভিযোগ করেন, গণমাধ্যমে একাধিকবার বিষয়টি প্রকাশ পেলেও সাগরের পরিবার এখনো কাঙ্ক্ষিত বিচার পায়নি। পাশাপাশি বিচার চাওয়ার কারণে পরিবার ও সম্ভাব্য সাক্ষীদের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে।

    বক্তারা সাগর হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত, মামলা গ্রহণ, জড়িতদের গ্রেফতার, ভুক্তভোগী পরিবার ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং তদন্ত প্রতিবেদন দ্রুত প্রকাশের দাবি জানান। একইসাথে সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনার দাবি জানানো হয়।

  • চৌগাছার সেই ‘ব্রাজিলবাড়ি’

    চৌগাছার সেই ‘ব্রাজিলবাড়ি’

    এম এ রহিম চৌগাছা থেকে,

    যশোরের চৌগাছায় আট বছর আগে ২০১৮ সালের বিশ্বকাপের সময় ব্রাজিলের পতাকার রঙে রাঙিয়ে ‘ব্রাজিলবাড়ি’ নাম দিয়েছিলেন ব্রাজিলভক্ত জামির হোসেন। গত আট বছর পর এখন চৌগাছা শহরের যে কাউকে জিজ্ঞেস করলে বলে দিতে পারবেন ব্রাজিলবাড়ির ঠিকানা। এই আট বছরে রং হয়তো কিছুটা মলিন হয়েছে, তবে ব্রাজিলের প্রতি ভালোবাসা একটু কমেনি ভক্ত জামির হোসেনের। আলোচিত এই ব্রাজিলবাড়িটি যশোরের চৌগাছা পৌর শহরের চৌগাছা-কোটচাঁদপুর সড়কের ইছাপুর বটতলায মোড়ে।

    জামির হোসেন চৌগাছা পৌরসভার পাঁচনমনা গ্রামের বাসিন্দা হলেও ইছাপুর বটতলায় নিজের বাসভবনে বসবাস করেন। ২০১৮ সালের বিশ্বকাপের সময় তাঁর দোতলা (এখন তিনতলা) বাড়িটি ব্রাজিলের পতাকার রঙে রাঙিয়ে ‘ব্রাজিলবাড়ি’ নাম দিয়েছিলেন। বাড়িটির নিচতলায় ওয়েভ ফাউন্ডেশন নামের একটি এনজিওর অফিস। দোতলায় জামির থাকেন তাঁর পরিবার নিয়ে। চৌগাছা পৌর শহরের যশোর বাসস্ট্যান্ডে ‘ফেমাস অটো’ নামে মোটরসাইকেল শো-রুমের পাশাপাশি টিভি-ফ্রিজের একটি শো-রুম রয়েছে জামির হোসেনের।

    জামির হোসেন জানান, তিনি ফুটবল ভালোবাসেন। ফুটবলে তাঁর ভালোবাসা ব্রাজিল। তাই ২০১৮ সালের বিশ্বকাপের আগে ব্রাজিলের পতাকার রঙে নিজের বাড়িটিকে রাঙিয়েছেন। এখনও বাড়িটিতে সেই রং আছে। শহরের সবাই তাঁর বাড়িকে ব্রাজিলবাড়ি হিসেবেই চেনেন।

    স্মৃতিচারণ করে জামির হোসেন বলেন, ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে ৭০ হাজার টাকা খরচ করে বাড়িটি ব্রাজিলের পতাকার রঙে রাঙিয়েছেন। পাশাপাশি ২০ হাজার টাকার ব্রাজিলের জার্সিও কিনেছিলেন। দল বেশিদূর যেতে পারেনি। তাই এখনও সেই সময়ের ৭৫টি জার্সি রয়েছে। এগুলো নিয়ে এবার শোভাযাত্রা হবে। দুশ থেকে তিনশ মোটরসাইকেল নিয়ে এ শোভাযাত্রা হবে।

    জামির হোসেন আরও বলেন, ফুটবল খেলায় জয়-পরাজয় থাকবে। তবে প্রত্যাশা থাকে উত্তেজনাপূর্ণ ভালো ফুটবল খেলার। শুধু ব্রাজিল নয়, আর্জেন্টিনাও ভালো ফুটবল খেলুক, এই প্রত্যাশা করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘ক্রিকেটে ভারত-পকিস্তান যেমন উত্তেজনা থাকে, তেমনি ফুটবলে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার উত্তেজনা থাকবে। তবে সেটি যেন কখনোই সংঘাতে পরিণত না হয়।’

    ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে গোটা যশোরের চৌগাছায় বিভিন্ন ফুটবল দলের সমর্থকদের মধ্যে শুরু হয়েছে উন্মাদনা। অনেক বাসাবাড়ির ছাদে, রাস্তার পাশে টানানো হয়েছে প্রিয় দলের পতাকা। কার চেয়ে কে বড় পতাকা টানাবে, এই প্রতিযোগিতাও শুরু হয়েছে।

  • ৫ বছর ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস পাবেন নড়াইলের কাশিপুর ইউনিয়নবাসী!

    ৫ বছর ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস পাবেন নড়াইলের কাশিপুর ইউনিয়নবাসী!

    ‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য’-এই চিরন্তন বাণীর জীবন্ত উদাহরণ হলেন নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নবাসী। এলাকার গরীব ও অসহায়সহ সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য পাঁচ বছর ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স (বিনামূল্য) সার্ভিস চালু করলেন কাশিপুর ইউনিয়নের গিলাতলা গ্রামের ব্যবসায়ী আতিকুল ইসলাম। এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগে খুশি ইউনিয়নবাসী।

    শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে কাশিপুর ইউনিয়নের এড়েন্দা হাট চত্বরে ফিতা কেটে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের উদ্বোধন করে তরুণ উদ্যোক্তা আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘এই সার্ভিসের (ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স) পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এনে দ্রুতই এলাকায় বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবার আয়োজন করব। এর আগে ঈদুল আযহার সময় ইউনিয়নের সুবিধাবঞ্চিত ৪০০ মানুষের মাঝে ১০ কেজি করে চাল, তেল, সেমাইসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করেছি। এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমার ভালোলাগা ও ভালোবাসা।’

    উদ্বোধন উপলক্ষে কাশিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিতরণ, বোর্ড স্থাপনসহ অ্যাম্বুলেন্সযোগে প্রচারণাও করা হয়েছে। এছাড়া দু’টি হটলাইন নাম্বার-০১৩৩১-৫০১০৭৮ এবং ০১৯৭৪-৪১৫৫৭৪ চালু করা হয়েছে।

    ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের মাধ্যমে নড়াইলের কাশিপুর ইউনিয়নের সব গ্রামের মানুষ রোগী নিয়ে ঢাকা, যশোর, খুলনা, নড়াইলসহ দেশের যে কোনো সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে যেতে পারবেন। আবার হাসপাতাল থেকে রোগী নিয়ে আসতে পারবেন বিনামূল্যে।

    গিলাতলা গ্রামের মতিয়ার রহমান মোল্যা, ইয়াসিন মোল্যা, পদ্মবিলা গ্রামের আব্দুল কাদের এবং কাশিপুর গ্রামের শহিদুল্লাহসহ ইউনিয়নবাসী জানান, এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ আগে কখনো দেখেননি তারা। এতে সবার মাঝে দারুণ সাড়া পড়েছে। অসুস্থতার সময়ে বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্স সেবা সত্যিকার অর্থে পরম পাওয়া। এতে অসহায় রোগীরা উপকৃত হবেন।

    এদিকে, শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হলেও দু’দিন আগে থেকেই এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ তথ্য জানিয়ে হিউম্যান রাইটস নড়াইল জেলা শাখার সহসভাপতি সোহেল রানা বলেন, ‘গত শুক্রবার কাশিপুর যুবসঙ্ঘের আয়োজনে ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা সমর্থকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচে কিফায়েত নামে একজন খেলোয়াড়ের পা ভেঙ্গে যায়। তাৎক্ষণিক লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে চিকিৎসকরা জানান, তাকে ঢাকায় নিতে হবে। এ সময় আমরা অ্যাম্বুলেন্সের জন্য দৌড়াদৌড়ি করি। এরপর আতিকুল ভাইয়ের বিনামূল্যের অ্যাম্বুলেন্স সেবার মাধ্যমে কিফায়েতকে ঢাকায় নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে এ সেবা পেয়ে খুশি ইউনিয়নবাসী।

    এদিকে আতিকুল ইসলামের ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের প্রশংসা করে কাশিপুর ইউনিয়ন পরিবার-পরিকল্পনা পরিদর্শক মশিউর রহমানসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ বলেন, অবশ্য এটি একটি প্রশংনীয় উদ্যোগে। মানুষ বিপদে পড়লে বা অসুস্থ হলে সবচেয়ে অসহায় বোধ করেন। এ মুহূর্তে এমন অ্যাম্বুলেন্স সেবা পেলে রোগীর পরিবার বিশ্বস্ত বা নির্ভরতার জায়গা খুঁজে পান। তাই আতিকুল ভাইয়ের মতো এমন মানবিক কাজে সমাজের অন্যান্য সামর্থ্যবানদেরও এগিয়ে আসা উচিত। এতে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়েও সুবিধাবঞ্চিত মানুষেরা উপকৃত হবেন। বিভিন্ন ধরণের সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

  • খুলনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা

    খুলনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা

    খুলনার দক্ষিণ লবনচর এলাকায় গাজী রফিক (৪৫) ওরফে ঢাকাইয়া রফিক নামে এক বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (১২ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে লবনচরার দশগেট এলাকায় নিজ বাসার অদূরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    নিহত গাজী রফিক দক্ষিণ লবনচরা মাথাভাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা ও রতন গাজীর ছেলে। তিনি বটিয়াঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য হিসেবে দলীয় রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত ছিলেন।

    পরিবার ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, রফিকের বড় ছেলে অভিমানে কয়েকদিন আগে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। শুক্রবার সকালে ছেলেকে খুঁজতে বের হন রফিক। একপর্যায়ে তাকে না পেয়ে বাড়ির পেছনের একটি ফাঁকা স্থানে বসে ছিলেন। এ সময় অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজন দুর্বৃত্ত সেখানে এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিটি তার তলপেটে বিদ্ধ হলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

    গুলির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে স্বজন ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    খবর পেয়ে খুলনা মহানগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন। হত্যার কারণ, পূর্বশত্রুতা কিংবা রাজনৈতিক কোনো বিরোধ এ ঘটনার পেছনে রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কেএমপির সহকারী কমিশনার (সিটিএসবি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ অবস্থান করছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। কী কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

    বি. এ

  • চৌগাছায় প্রতিপক্ষের হামলায় স্বামী নিহত, স্ত্রী আহত

    চৌগাছায় প্রতিপক্ষের হামলায় স্বামী নিহত, স্ত্রী আহত

    চৌগাছা সংবাদদাতা

    যশোরের চৌগাছায় প্রতিপক্ষের হামলায় জুয়েল রানা (৪০) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নিহতের স্ত্রী মায়া খাতুন।

    বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের মুক্তদাহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত জুয়েল রানা মুক্তদাহ গ্রামের ওদুদ খন্দকারের ছেলে।

    থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, জুয়েল রানা আওয়ামী লীগের কর্মী ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক মতবিরোধ নিয়ে জুয়েল রানার সাথে একই গ্রামের নজরুল ইসলাম মেম্বার, ইউসুফ আলী, কাশেম আলী ও বাবু রহমানদের দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। ঘটনার দিন দুপুরে জুয়েল রানা চৌগাছা-কোটচাঁদপুর সড়কের মুক্তদাহ মোড় নামক স্থানে একটি চায়ের দোকানে বসে রাজনৈতিক আলাপ করছিলেন।

    এ সময় রানা তার প্রতিপক্ষদের ব্যাপারে বাজে মন্তব্য করতে থাকেন। এতে প্রতিপক্ষের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে তার ওপর হামলা চালায়। হামলায় জুয়েল রানার দুই পা হাঁটুর নিচ থেকে ভেঙে মারাত্মক আহত হন তিনি। ঘটনার সময় প্রতিপক্ষের হাত থেকে স্বামীকে উদ্ধার করতে গিয়ে তার স্ত্রী মায়া খাতুনও আহত হন।

    স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে চৌগাছা সরকারি মডেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে স্ত্রী মায়া খাতুন প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন। তবে সেখানে জুয়েল রানার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে যশোর রেফার্ড করেন ডাক্তাররা। যশোর সদর হাসপাতালে নেয়ার পর সেখানকার জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎস জুয়েল রানাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। জিজ্ঞাসাবাদরে জন্য দু’জনকে আনা হয়েছে। আসামিদের আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যহত রয়েছে।

  • বেনাপোল বন্দরে ৬ কোটি টাকার জব্দকৃত ভারতীয় পণ্য উধাও!

    বেনাপোল বন্দরে ৬ কোটি টাকার জব্দকৃত ভারতীয় পণ্য উধাও!

    বেনাপোল স্থলবন্দরে কাস্টমস কর্তৃক জব্দ করা প্রায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস, বেবিওয়্যার ও প্রসাধনী সামগ্রী রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    অভিযোগ উঠেছে, জব্দকৃত দামি পণ্য সরিয়ে সেখানে নিম্নমানের দেশীয় পণ্য রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় একটি ফৌজদারি মামলা করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

    কাস্টমস সূত্র জানায়, গত ১২ মার্চ যশোরের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সাফা ইমপেক্স ভারত থেকে একটি চালান আমদানি করে। আমদানি নথিতে বেকিং পাউডার ঘোষণা করা হলেও কাস্টমসের কায়িক পরীক্ষায় প্রায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস, বেবিওয়্যার ও প্রসাধনী সামগ্রী পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ২ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার ৫১৫ টাকার রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে কাস্টমস চালানটি জব্দ করে বন্দর কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রাখে।

    জব্দকৃত চালানটির ম্যানিফেস্ট নম্বর ৬০১২০২৬০০১০০১৬৩৩৩। সিএন্ডএফ অ্যাজেন্ট হিসেবে চালানটি গ্রহণ করে বেনাপোলের মেসার্স হুদা এন্টারপ্রাইজ। পরে চালানটি বেনাপোল স্থলবন্দরের ৩৭ নম্বর শেডে বন্দরের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়। আমদানি নথিতে পণ্য হিসেবে বেকিং পাউডারের ঘোষণা দেয়া হলেও কাস্টমসের কায়িক পরীক্ষায় সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র উঠে আসে। পরীক্ষাকালে ১০৮ কার্টনে ঘোষণা বহির্ভূত প্রায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় দামি শাড়ি, থ্রিপিস, বেবিওয়্যার, ফেসওয়াশ, ক্রিম, লোশনসহ বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী পাওয়া যায়।

    কাস্টমস কর্মকর্তাদের ধারণা, স্থলবন্দরের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে বন্দরের ভেতরের কারো সহযোগিতা ছাড়া এমন দুঃসাহসিক চুরি ও জালিয়াতি সম্ভব নয়। ইতোমধ্যে বন্দর কর্তৃপক্ষকে প্রায় আড়াই কোটি টাকার রাজস্ব পরিশোধে চরমপত্র দিয়েছে কাস্টমস।

    পরবর্তীতে অভিযোগের ভিত্তিতে গত ২ জুন পুনরায় চালানটি পরীক্ষা করে দেখা যায়, জব্দকৃত ভারতীয় পণ্যের পরিবর্তে সেখানে দেশীয় নিম্নমানের পণ্য রাখা হয়েছে। কাস্টমস কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমান জানান, উদ্ধার হওয়া পণ্যের কার্টনে দেশীয় বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের নাম এবং দেশীয় সংবাদপত্র ও কুরিয়ার সার্ভিসের আলামত পাওয়া গেছে, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে পণ্যগুলো দেশের ভেতর থেকেই সেখানে আনা হয়েছে।

    বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমান বলেন, আমদানি করা ভারতীয় দামি পণ্যের পরিবর্তে যে দেশীয় পণ্য পাওয়া গেছে, সেগুলো বাংলাদেশী বসুন্ধরা ও মেঘনা শিল্প গ্রুপের বিভিন্ন কোম্পানির নাম মুদ্রিত কার্টনে রাখা ছিল। এছাড়া দেশীয় সংবাদপত্রে মোড়ানো এবং বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিসের স্টিকারযুক্ত পিপি বস্তাও পাওয়া গেছে। এসব আলামত প্রমাণ করে পণ্যগুলো দেশের ভেতর থেকেই সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় একটি ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে।

    বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (ট্রাফিক) মো: শামীম হোসেন জানান, বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। শেড ইনচার্জকে প্রত্যাহার করে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, প্রথমে মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানির মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয় এবং পরে জব্দকৃত পণ্য সরিয়ে প্রমাণ নষ্টের চেষ্টা করা হয়েছে। পুরো ঘটনায় সঙ্ঘবদ্ধ একটি চক্রের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।

  • চুয়াডাঙ্গায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলার এজাহারভুক্ত আসামিসহ গ্রেফতার ৪

    চুয়াডাঙ্গায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলার এজাহারভুক্ত আসামিসহ গ্রেফতার ৪

    বিডি টািইমস ডেস্ক,

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত মামলার এক আসামিসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    বুধবার (১০ জুন) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।

    গ্রেফতারদের মধ্যে রয়েছেন আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম।

    পুলিশ জানিয়েছে, তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

    এদিকে পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে আরো তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন আলমগীর মণ্ডল (৩০), মো: আকরাম হোসেন (২৯) ও মো: আখের আলী (৫৫)। তাদের বিরুদ্ধে জীবননগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

  • নড়াইলে পুকুরে ডুবে আপন দুই ভাইয়ের মৃত্যু

    নড়াইলে পুকুরে ডুবে আপন দুই ভাইয়ের মৃত্যু

    নড়াইল প্রতিনিধি

    নড়াইল পৌরসভার ভাটিয়া এলাকায় পুকুরের পানিতে ডুবে আপন দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

    এরা হলো-ভাটিয়া গ্রামের দিনমজুর মাজেদুল শেখের দুই বছরের শিশুপুত্র ওমর ফারুক এবং তার বড় ভাই পাঁচ বছরের শিশুপুত্র আবু বক্কার। খেলার ছলে বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে মারা যায় তারা। এ সময় তার মা ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। তিনি ঘুম থেকে উঠে ঘরে সন্তানদের না দেখে বাড়ির পাশে খোঁজাখুজি শুরু করেন। এরপর বাড়ির পাশের পুকুরে খোঁজার এক পর্যায়ে তাদের সন্ধান পান। তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

    নড়াইল জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক অলোক কুমার বাকসী জানান, এখানে আসার আগেই শিশু দু’টির মৃত্যু হয়েছে।
    এদিকে, শিশু ওমর ফারুক ও আবু বক্কারের মৃত্যুতে তাদের পরিবার, আত্মীয়-স্বজনসহ প্রতিবেশিদের মাঝে শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে। #

  • নড়াইলের লোহাগড়ায় প্রতিপক্ষের বাড়িঘর ভাঙচুর ও চাঁদা দাবির অভিযোগ

    নড়াইলের লোহাগড়ায় প্রতিপক্ষের বাড়িঘর ভাঙচুর ও চাঁদা দাবির অভিযোগ

    নড়াইল প্রতিনিধি

    নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের ঈশানগাতী গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নাজমুল ইসলামের বাড়িতে হামলা ও বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া চাঁদা দাবি ও নারীদের মারধর করে মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এর আগে গত সোমবার দুপুরে বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

    ওই গ্রামের মিজানুর মোল্যা ও তার ভাই তরিকুল ইসলাম এবং ফাতেমা বেগম তুলির বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্থরা।

    ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নড়াইলের ঈশানগাতী মৌজার ১২৯৭ দাগের সাড়ে চার শতাংশ জমির মধ্যে দুই শতাংশ জমি নিয়ে একই গ্রামের ফাতেমা বেগম তুলি ও ত্রা স্বামী মিজানুর মোল্যা এবং মিজানুরের ভাই তরিকুল ইসলামের সঙ্গে একই গ্রামের সৈয়দ কামরুজ্জামানের স্ত্রী সালেহা মেগম ও ছেলে নাজমুল ইসলামের বিরোধ চলে আসছে।

    এ বিরোধ নিয়ে আদালতে মামলা হলে জমির মালিকানার রায় পান ভুক্তভোগী নাজমুল ইসলাম। তবে এ রায়কে উপেক্ষা তরিকুল ইসলামের পরিবার দুই শতাংশ জমি দখলের চেষ্টা করেন।

    এর জের ধরে গত সোমবার (৮ জুন) দুপুরে তরিকুল ইসলামের পরিবারসহ তাদের লোকজন প্রবাসী নাজমুল ইসলামের পরিবারের ওপর হামলা ও বাড়িঘর ভাঙচুর চালায়। এছাড়া নাজমুল ইসলামের চাচাতো বোন হাসিবা আক্তারকে মারধর করে তার কাছে থাকা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

    ভুক্তভোগী নাজমুলের মা সালেহা বেগম, তার চাচা সৈয়দ আহাদসহ তাদের পরিবারের সদস্যরা বলেন, দেশি অস্ত্র নিয়ে আমাদের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে আমাদের হুমকি দিয়ে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে। আমরা এসব ঘটনার বিচার চাই।

    এ ব্যাপারে অভিযুক্ত তরিকুল ইসলামসহ তার পরিবার জানায়, ষড়যন্ত্র করে তাদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করা হয়েছে। এর আগেও তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

    এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। #

  • নড়াইলে সরকারি জমি থেকে ৩৫টি মেহগনি গাছ কর্তন, কঠোর ব্যবস্থার আশ্বাস প্রশাসনের

    নড়াইলে সরকারি জমি থেকে ৩৫টি মেহগনি গাছ কর্তন, কঠোর ব্যবস্থার আশ্বাস প্রশাসনের

    নড়াইল প্রতিনিধি

    নড়াইল সদর উপজেলার ভদ্রবিলা ইউনিয়নের দিঘলিয়া এলাকায় সরকারি জমি থেকে ৩৫টি মেহগনি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    বগুড়া গ্রামের বিল্লা মোল্লার ছেলে সাইফ উদ্দিন মোল্লা গত তিনদিন ধরে মূল্যবান গাছগুলো কেটে বিক্রির চেষ্টা করছিল।

    খবর পেয়ে গাছগুলো জব্দ করেছে প্রশাসন।

    দিঘলিয়া গ্রামের শামীম মোল্যাসহ অনেকে জানান, ১৬ শতক সরকারি জমি থেকে সাইফ উদ্দিন গত শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত তিনদিন ধরে ৩৫টি মেহগনি গাছ কেটে বিক্রির চেষ্টা চালায়। গাছগুলোর মূল্য প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা।

    বিষয়টি প্রশাসনকে জানানোর পর গাছগুলো জব্দ করেছে।

    তবে, কিছু গাছ অভিযুক্ত সাইফ উদ্দিন সরিয়ে ফেলেছে বলে অভিযোগ গ্রামবাসীর। ঘটনার পর সাইফ উদ্দিন গা ঢাকা দিয়েছেন।

    এ ব্যাপারে নড়াইল সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে এইচ তাসফিকুর রহমান বলেন, সরকারি জায়গা থেকে গাছকাটার খবর পেয়ে ইউনিয়ন নায়েবকে আমি ঘটনাস্থলে পাঠায়। গাছগুলো জব্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

  • চুয়াডাঙ্গার জয়রামপুর ও আনছারবাড়ীয়া স্টেশন সংস্কার, সকল ট্রেন  স্টপেজের দাবি জাতীয় সংসদে

    চুয়াডাঙ্গার জয়রামপুর ও আনছারবাড়ীয়া স্টেশন সংস্কার, সকল ট্রেন  স্টপেজের দাবি জাতীয় সংসদে

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    চুয়াডাঙ্গার জয়রামপুর ও আনছারবাড়ীয়া স্টেশন সংস্কারও সকল ট্রেন স্টপেজের জন্য মহান জাতীয় সংসদে জোর দাবি জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা -২ আসনের ( দর্শনা- দামুড়হুদা ও জীবননগর) নির্বাচিত সংসদ সদস্য রুহুল আমিন এমপি ।

    ৭১ বিধি নোটিশে সম্পুরক প্রশ্নোত্তর কালে বলেন, ১৮৬২ সালে প্রথম দর্শনা দিয়ে রেল যোগাযোগ শুরু হয়। ওই সময়েই জয়রামপুর স্টেশন চালু হয়। অনেক পরে আনসার বাড়িয়া স্টেশন ও চালু হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় বিগত সরকারের আমলে কোন এক দুষ্ট চক্রের কারণে স্টেশন দুটিতে রেল স্টপেজ বন্ধ হয়ে যায়। তিনি বলেন, আনসার বাড়িয়া ও জয়রামপুরের নিকটে কোন ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকায় ছাত্রদেরকে যন্ত্রচালিত নসিমন, করিমনও ভডভডে নামক এলাকার যানবহনে চড়ে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ আসতে হয়। আসার পথে অনেক সময় সড়ক দুর্ঘটনায় কবলে পড়ে অকালেই তাদেরকে পঙ্গু হতে হয়, এতে তাদের বাবা-মার স্বপ্ন অল্প দিনেই নিভে যায়।তাই তিনি এলাকার অভিভাবকদের ছেলে মেয়েদের উচ্চ শিক্ষা অর্জন করার কথা মাথায় রেখেই রোববার জাতীয় সংসদে মাননীয় স্পিকার এর কাছে এই দুটি স্টেশনে ট্রেন স্টপেজের জন্য জোর জানান।

  • দামুড়হুদার দর্শনায় ধর্ষণের ঘটনার আপোষ মীমাংসা করার অভিযোগ বিএনপি ও ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে

    দামুড়হুদার দর্শনায় ধর্ষণের ঘটনার আপোষ মীমাংসা করার অভিযোগ বিএনপি ও ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা থানা ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক রিয়েল ইসলাম লিওন (৩০) এক নারী সাথে ধর্ষণ, প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় বিএনপি ও ছাত্রদল উচ্চ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ আপোষ মীমাংসা করার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাতে অভিযোগকারী ওই নারী ও ছাত্রদল নেতা রিয়েল ইসলাম লিওনের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া যায়।

    সোমবার ওই নারী কে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ধর্ষণ, অর্থ আত্মসাৎ ও ধারাবাহিক হুমকির অভিযোগ এনে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার মাত্র ৪ দিনের মাথায় শুক্রবার রাতে সেই অভিযোগের বিষয়ে আর কোনো আইনগত পদক্ষেপ না নেওয়ার আবেদন করেছেন ওই নারী। ঘটনাটি নিয়ে চুয়াডাঙ্গা ও ঢাকার সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

    ১ জুন সোমবার ঢাকা মহানগর পুলিশের মোহাম্মদপুর থানায় জিডি সূত্রে জানা গেছে, দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা কেরু এলাকার বাসিন্দা রিয়েল ইসলাম লিওন রাসেল ওই নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলে বিয়ের আশ্বাস দেন। দীর্ঘদিন তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়েছেন এবং বিভিন্ন সময় মোবাইল ফোনে হুমকি দিয়েছেন। অভিযোগে অভিযুক্তের মোবাইল নম্বর ও ঠিকানাও উল্লেখ করা হয়। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান আবেদনকারী।

    তবে ঘটনার নাটকীয় মোড় আসে শুক্রবার ২০২৬ ভুক্তভোগী ওই নারী পুনরায় মোহাম্মদপুর থানায় আরেকটি লিখিত আবেদন করে। তিনি জানান, গন্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি আপস-মীমাংসা হয়েছে। রিয়েল ইসলাম লিওন রাসেলের বিরুদ্ধে তার আর কোনো অভিযোগ নেই। একইসঙ্গে তিনি ভবিষ্যতেও এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ করবেন না বলেও আবেদনপত্রে উল্লেখ করেন।

    আরও বলেন, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে তিনি পূর্বে দায়ের করা জিডির ভিত্তিতে আর কোনো আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে ইচ্ছুক নন। ফলে জিডিটি রেকর্ডে থাকলেও পরবর্তী কার্যক্রম থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

    এদিকে রিয়াল ইসলাম লিওনের বিরুদ্ধে এত গুরুতর অভিযোগ দায়েরের পর অল্প সময়ের ব্যবধানে অভিযোগ প্রত্যাহারের আবেদন করায় স্থানীয় মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অভিযোগের পেছনের বাস্তবতা কী, অভিযোগগুলো কতটুকু সত্য ছিল, কিংবা কী পরিস্থিতিতে আপস-মীমাংসা হলো এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা-সমালোচনাচলছে।

    মোহাম্মদপুর থানার ডিউটি অফিসার শেখ তামিম আহম্মেদ (বিপি নং-৯৩২৩২৪৬২৬৭) জিডি গ্রহণ করেন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

    এ বিষয়ে ঢাকা মোহাম্মদপুর থানার ওসি তদন্ত রকিবুজ্জামান বলেন, থানায় এই ধরনের জিডি অনেকেই করে। আপনি তদন্ত কর্মকর্তার সাথে কথা বলেন বলে জানিয়েছেন ।

    বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে জনমনে কৌতূহল ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হলেও অভিযোগ ও পাল্টা অবস্থানের সত্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থার। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা।

    এ বিষয়ে রিয়েল ইসলাম লিওন বলেন আমার পক্ষে দলের উচ্চ পর্যায়ের দুইটি সিনিয়র গ্রুপ কাজ করেছে। মেয়ের পরিবারের সাথে আপোষ মীমাংসা করা হয়েছে। মেয়ে নিজে জিডি প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করে।

    এ বিষয়ে ভুক্তভোগী নারী জানান, আমার পারিবারের সাথে বিএনপির নেতৃবৃন্দের বসে এবিষয়টি আপস মীমাংসা করা হয়েছে। অপরাধী যেই হোক আল্লাহ বিচার করবে। আমি আমার অভিযোগের জিডি প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করেছি।

    চুয়াডাঙ্গা জজ কোর্টের (পিপি) আইনজীবী মারুফ সরোয়ার বাবু বলেন, ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগ থানায় জিডি অথবা মামলা হলে আপস-মীমাংসার নিষ্পত্তিযোগ্য নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের ভিত্তিতে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কার্যক্রম চলবে।

    চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাজাহান খান বলেন, বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা হয়েছে। আপসের বিষয়ে আমি জানিনা।

    এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিল্টন বলেন, এ ঘটনাটি শুনেছি। এ বিষয়ে দর্শনা পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ মীমাংসার জন্য পরামর্শ দিলে দিতে পারে। তবে এর সাথে রাজনৈতিক কোন সম্পর্ক নেই।

  • চুয়াডাঙ্গায় ঝড়ের রাতে বিদ্যুৎহীন সদর হাসপাতাল, মোবাইলের আলোয় চিকিৎসা; তত্ত্বাবধায়কের বিরুদ্ধে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ

    চুয়াডাঙ্গায় ঝড়ের রাতে বিদ্যুৎহীন সদর হাসপাতাল, মোবাইলের আলোয় চিকিৎসা; তত্ত্বাবধায়কের বিরুদ্ধে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    চুয়াডাঙ্গায় ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে মোবাইল ফোনের টর্চের আলোয় চিকিৎসা সেবা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

    বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাত ৮টার দিকে হাসপাতালের এমন চিত্র চোখে পড়ে, যা জরুরি স্বাস্থ্যসেবার মান ও হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

    জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শুরু হওয়া ঝড়-বৃষ্টির পর চুয়াডাঙ্গা শহর ও আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর আলমডাঙ্গার নান্দাবারে বজ্রপাত ও ঘোড়ামারা ব্রিজ এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়।

    হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, নতুন ভবন পুরোপুরি অন্ধকারে নিমজ্জিত। পুরোনো ভবনে জেনারেটর চালু থাকলেও নতুন ভবনে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হয়নি। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে এমন পরিস্থিতি বিরাজ করে। পরে নতুন ভবনে জেনারেটর চালু করা হলেও জরুরি বিভাগের কক্ষে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা হয়নি।

    এ অবস্থায় কাটা-ছেঁড়া ও আহত রোগীদের চিকিৎসা দিতে চিকিৎসকদের মোবাইল ফোনের টর্চের আলো ব্যবহার করতে দেখা যায়। অন্তত চারজন রোগীকে টর্চের আলোয় সেলাই ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

    রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, একটি জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এমন পরিস্থিতি অত্যন্ত হতাশাজনক। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মতো স্বাভাবিক দুর্যোগ মোকাবিলায় হাসপাতালের প্রস্তুতি ও জেনারেটর ব্যবস্থাপনা নিয়ে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

    এ বিষয়ে জানতে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার-এর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে হাসপাতালের এমন অব্যবস্থাপনা ও জরুরি বিভাগের বিদ্যুৎ সংকট সম্পর্কে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    ঝড়ের রাতে বিদ্যুৎহীন হাসপাতালে মোবাইলের আলোয় চিকিৎসা দেওয়ার ঘটনায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহলের দাবি, ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে হাসপাতালের জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ ও জেনারেটর ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর এবং জবাবদিহিমূলক করা হোক।

  • চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন শরীফুজ্জামান শরীফ

    চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন শরীফুজ্জামান শরীফ

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    রাজনীতির মাঠে দীর্ঘদিনের ত্যাগ, সংগ্রাম ও সাংগঠনিক নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শরীফুজ্জামান শরীফকে চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

    বৃহস্পতিবার (৪ জুন) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

    স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব খন্দকার ফরহাদ আহমদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মোঃ শরীফুজ্জামান শরীফ চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। প্রচলিত আইন, বিধি-বিধান ও সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

    নিয়োগের খবর প্রকাশের পর জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে অসংখ্য পোস্ট দিতে দেখা যায়। নেতাকর্মীদের অনেকে এ নিয়োগকে ‘ত্যাগের স্বীকৃতি’ ও ‘জনমানুষের নেতার প্রাপ্য সম্মান’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

    চুয়াডাঙ্গার রাজনৈতিক অঙ্গনে শরীফুজ্জামান শরীফ দীর্ঘদিন ধরে একটি পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য নাম। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রাম, দলীয় কার্যক্রম এবং সাংগঠনিক সংকট মোকাবিলায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে তিনি দলীয় পরিমণ্ডলের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছেও আস্থাভাজন নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

    জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে তাঁর নিয়োগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, তাঁর অভিজ্ঞতা, নেতৃত্বগুণ ও জনসম্পৃক্ততা জেলা পরিষদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার করবে। বিশেষ করে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, জনসেবামূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং স্থানীয় সরকারের সমন্বিত উন্নয়ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

    এদিকে নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর শরীফুজ্জামান শরীফকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তাঁরা আশা প্রকাশ করেছেন, তাঁর নেতৃত্বে চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদ জনকল্যাণমুখী ও উন্নয়নবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

  • কয়রায় গরুবোঝাই নছিমন উল্টে ব্যবসায়ী নিহত, আহত ৩

    কয়রায় গরুবোঝাই নছিমন উল্টে ব্যবসায়ী নিহত, আহত ৩

    খুলনার কয়রায় গরুবোঝাই নছিমন উল্টে মিজানুর রহমান নামে এক গরু ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত মিজানুর রহমান উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের খিরোল গ্রামের মাওলানা সামছুর রহমানের ছেলে। এ সময় তার ছেলে আব্দুল্যাহসহ (৭) আরো দু’জন আহত হয়েছেন। তারা হলেন একই গ্রামের আতিয়ার রহমান ঢালী (৪৭) ও আবুল সানা (৬০)। বর্তমানে তারা উপজেলার জায়গীর মহল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে মিজানুর রহমান গরুবোঝাই নছিমন নিয়ে বাগালী জেআইবি ক্লাব মাঠের গরুর হাটে যাচ্ছিলেন। এ সময় ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছালে নছিমনটি উল্টে যায়। এতে মিজানুর ঘটনাস্থলেই মারা যান।

    কয়রা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

  • চুয়াডাঙ্গায় ১৩ মে থেকে আম সংগ্রহ শুরু

    চুয়াডাঙ্গায় ১৩ মে থেকে আম সংগ্রহ শুরু

    চুয়াডাঙ্গা জেলায় চলতি মৌসুমে ৩০ হাজার ৮৪২ টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ১৩ মে (৩০ বৈশাখ) থেকে জেলার বিভিন্ন জাতের আম সংগ্রহ শুরু হবে। রোববার (১০ মে) বিকেল সাড়ে ৩টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে আম সংগ্রহের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়। সভায় জেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ, আম বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা অংশ নেন।

    জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহারের সভাপতিত্বে ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্ভিদ সংরক্ষণ) মিঠু চন্দ্র অধিকারী, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) কৃষ্ণ রায়, চুয়াডাঙ্গা জেলা আম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস মহলদার, জেলা কৃষি বিপণনের মাঠ ও বাজার পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মামুনুল হাসান এবং সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনিছুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা।

    কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলার ২ হাজার ২০৩ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে।

    নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, ১৩ মে থেকে আঁটি, গুটি, বোম্বাই, খিরসাপাতি ও গোপালভোগ; ২০ মে থেকে হিমসাগর; ২৫ মে থেকে ল্যাংড়া; ৫ জুন থেকে আম্রপালি (বারি আম-৩); ১৫ জুন থেকে ফজলি; ২০ জুন থেকে হাঁড়িভাঙ্গা; ২২ জুন থেকে ব্যানানা; ৩০ জুন থেকে আশ্বিনা (বারি আম-৪); ৫ জুলাই থেকে কার্টিমন এবং গৌড়মতি (বারি আম-১২) জাতের আম সংগ্রহ শুরু হবে।

    সভায় জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার জানান, কোনো অবস্থাতেই অপরিপক্ব আম বাজারজাত করা যাবে না। এছাড়া আম পাকানো ও সংরক্ষণে ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

    তারা আরো জানান, অবৈধ উপায়ে আম পাকানো বা মজুদ করা হলে ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯’ এবং ‘নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩’ অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার বলেন, “নির্ধারিত সময়সূচির আগে কেউ অপরিপক্ব আম সংগ্রহ করতে পারবেন না। নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

  • পাইকগাছায় লতায় সড়ক উন্নয়ন কাজে ধীরগতিতে জনদুর্ভোগ!

    পাইকগাছায় লতায় সড়ক উন্নয়ন কাজে ধীরগতিতে জনদুর্ভোগ!

    খুলনার পাইকগাছার দুর্গম পল্লী লতার শংকরদানা খেঁয়াঘাট (নির্মাণাধীন ব্রিজ) কাঠামারী বাজার ভায়া তেঁতুলতলা কারপেটিং সড়ক নির্মাাণে ঠিকাদারের অবহেলা ও শম্ভুক গতিতে এক পশলা বৃষ্টিতেই জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। খুলনার পাইকগাছার দুর্গম পল্লী লতার শংকরদানা খেঁয়াঘাট (নির্মাণাধীন ব্রিজ) কাঠামারী বাজার ভায়া তেঁতুলতলা কারপেটিং সড়ক নির্মাাণে ঠিকাদারের অবহেলা ও শম্ভুক গতিতে এক পশলা বৃষ্টিতেই জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। ২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ২ হাজার ৯শ’ ৪০ মিটার কারপেটিং রাস্তা নির্মাণে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান শুরুতে বেড কার্টিয়ের পর কিছু অংশে বালু ফিলিং করলেও সিংহভাগ ফেলে রাখায় চলতি বর্ষা মেসৈুমে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে সড়কে সরু খালের সৃষ্টি হয়েছে। এতে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের চলাচলে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয় ভুক্তভোগীরা অতি দ্রুত উন্নয়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।

    উপজেলা প্রকৌশল অধিদফতর সূত্র জানায়, আম্ফান প্রকল্পের আওতায় পাইকগাছা উপজেলার লতা ইউনিয়নের শংকরদানা খেঁয়াঘাট (নির্মাণধীন ব্রিজ) হতে তেঁতুলতলা হয়ে কাঁঠামারি বাজার অভিমুখে ২ হাজার ৯শ’ ৪০ মিটার কারপেটিং রাস্তা নির্মাণে ২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়। টেন্ডারে প্রকল্পটির কার্যাদেশ পেয়ে চুয়াডাঙ্গার জাকাউল্লাহ অ্যান্ড ব্রাদার্স লিমিটেড নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু করেছে।

    স্থানীয়রা জানান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পে বেড কার্টিয়ের পর একাংশে বালুভরাট করলেও অপর অংশ ফেলে রাখায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘ দিন প্রকল্পটি ফেলে রাখায় বৃষ্টি ও জোয়ারে স্লুইচগেট’র পানি চুইয়ে রাস্তার বেডে ঢুকে পরিণত হয়েছে সরু খালে। এ অবস্থায় বিস্তির্ণ জনপদের স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীসহ সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ রীতিমতো চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।

    এ ব্যাপারে প্রকল্প এলাকায় অবস্থানরত ঠিকাদারের রোলার চালক টিটন বিশ্বাস জানান, তারা প্রকল্প এলাকায় অবস্থান করলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল না হওয়ায় প্রকল্প অভ্যন্তরে রোলার ঢুকাতে পারছেন না, বিধায় কাজ চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

    ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য বিজন কুমার হালদার ভোগান্তির কথা উল্লেখ করে বলেন, রাস্তার কিছু অংশে বালু ভরাট করা হলেও বৃষ্টিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা নাজুক থাকায় সেখানে রোলার ঢুকতে পারছে না বিধায় কাজে অসুবিধা হচ্ছে।

    এ বিষয় পাইকগাছা উপজেলা প্রকৌশল অধিদফতরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, মানুষের ভোগান্তি যেন না হয় সেজন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে পানি নিষ্কাশনের তাগিদ দেয়া হয়েছে। পরিবেশ ভাল হলে প্রকল্প কাজ অতি দ্রুত এগিয়ে নেয়ারও আশ্বাস দেন তিনি।

  • ফুলতলায় জামায়াত সমর্থকের বাড়িতে আগুন

    ফুলতলায় জামায়াত সমর্থকের বাড়িতে আগুন

    খুলনা-৫ আসনের ফুলতলায় এক জামায়াত সমর্থকের বাড়িতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। জামায়াতে ইসলামীর অভিযোগ, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের লোকজন ঘরটিতে আগুন লাগিয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ রোববার বিকেলে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী।

    গতকাল দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার ১ নম্বর আটরা-গিলাতলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মশিয়ালী গ্রামের আকুঞ্জিপাড়ার বাসিন্দা শোকর আকুঞ্জির বাড়িতে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগুন দেখতে পেয়ে তাঁরা ছুটে যান। সকলে মিলে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুনে শোকর আকুঞ্জির একটি কাঠের জ্বালানি রাখার ঘর পুড়ে গেছে।

    খানজাহান আলী থানা জামায়াতে ইসলামীর আমির সৈয়দ হাসান মাহামুদ টিটো বলেন, খুলনা-৫ আসনে বিএনপি-আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এলাকার দাঁড়িপাল্লার সমর্থকদের হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল। তারাই মূলত এই আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে।

    এদিকে খবর পেয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল খুলনা-৫ আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনীয় ঐক্য সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার ঘটনাস্থলে যান। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে খানজাহান আলী থানার এসআই রুবেল বলেন, ক্ষতিগ্রস্তরা মামলা করলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • দখলদারদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়-মিয়া গোলাম পরওয়ার

    দখলদারদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়-মিয়া গোলাম পরওয়ার

    শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে খুলনা-৫ আসনের ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা, ডুমুরিয়া উপজেলা আমীর মাওলানা মোক্তার হোসেন, উপজেলা নায়েবে আমীর গাজী সাইফুল্লাহ ও মাওলানা হাবিবুর রহমান, জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম আল ফয়সাল, সরদার আবদুল ওয়াদুদ, উপজেলা হিন্দু কমিটির সেক্রেটারি অধ্যক্ষ দেব প্রসাদ মণ্ডল, আটলিয়া ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা মতিয়ার রহমান, ইউনিয়ন সেক্রেটারি হাফেজ মঈন উদ্দিন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী গবেষণা সম্পাদক ওবায়দুর রহমান, ডুমুরিয়া পশ্চিম ছাত্রশিবিরের সভাপতি হামিদুল হাসান লিমন, শোভনা ইউনিয়ন সভাপতি মোসলেম উদ্দিন, মাগুরখালী ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা আব্দুস সোবাহান, মাগুরখালী ইউনিয়ন সেক্রেটারি সোহরাব হোসেন, মাগুরখালী হিন্দু কমিটির সেক্রেটারি বিকানন্দ বৈরাগী, ইউনিয়ন আমীর শেখ আবুল হোসেন, ইউনিয়ন সেক্রেটারি মাওলানা মজিবুর রহমান, আটলিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আলাউদ্দিন আলা, মাওলানা বাহারুল ইসলাম, মাওলানা বেলাল হোসেন, হাফেজ বেলাল হোসেন প্রমুখ।

    তিনি বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটের কারণে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া খর্ণিয়া ইউনিয়নের আঙ্গারদহা গ্রামের কৃষ্ণ কুন্ডু, রাজু কুন্ডু ও গপি কুন্ডুর বসতবাড়িতে যান। এ সময় তিনি তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং সান্ত্বনা দেন।

    সেক্রেটারি জেনারেল আরও বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাস টেনে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, লাঙ্গল, নৌকা, ধানের শীষ—সব প্রতীকের দলই রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে, এমনকি সামরিক শাসনও এসেছে। কিন্তু কোনো দলের কোনো নেতা বা সরকার প্রধান বুক চিতিয়ে বলতে পারেননি যে, তারা দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও জুলুমমুক্ত শাসন দিয়েছেন। প্রত্যেক আমলেই এ দেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে—কঠোর মন্তব্য করেন তিনি।

    নিজের সংসদ সদস্য থাকার সময়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি এমপি নির্বাচিত হওয়ার সময় ডুমুরিয়াকে ভয়াবহ সন্ত্রাসকবলিত এলাকা হিসেবে পেয়েছিলাম। সন্ধ্যার আগে মানুষ ঘরে ঢুকে পড়ত। প্রতিদিন লাশ, গুম, হাত-পা কাটার আতঙ্কে মানুষ রাত কাটাত। আল-হামদুলিল্লাহ আমার ৫ বছরে সন্ত্রাসকবলিত সেই ডুমুরিয়াকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে পেরেছিলাম। নির্বাচনের আগে দেওয়া দুটি অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, একটি ছিল সন্ত্রাস দমন, অন্যটি ছিল শতভাগ স্বচ্ছ উন্নয়ন।

    তিনি দাবি করেন, এমপি থাকাকালে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করেছেন এবং কোনো কাজের বিনিময়ে কারও কাছ থেকে এক টাকাও নেননি। এক কাপ চাও নয়—এ দাবি করে তিনি বলেন, উন্নয়নকাজের পূর্ণ হিসাব ইউনিয়ন ও খাতভিত্তিকভাবে বই আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মন্দির, রাস্তা, বিদ্যুৎ, টিউবওয়েল, শ্মশান—সব কাজেই স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    বর্তমান নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে তিনি অভিযোগ করেন, আবারও দুর্নীতিবাজদের ক্ষমতায় ফেরানোর ষড়যন্ত্র চলছে। এমপি বানানো হবে একজনকে, কিন্তু তিনি থাকবেন ঢাকা বা লন্ডনে। আর এলাকায় তার সাগরেদরা চাঁদাবাজি, মাস্তানি ও ঘের দখল চালাবে—বলেন তিনি। এক প্রার্থীর বিরুদ্ধে হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ, আদালতে ১৩ বছরের সাজা এবং হাওয়া ভবনের সংশ্লিষ্টতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

    সন্ত্রাস দমনে নিজের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, যৌথ বাহিনী গঠন করে বহু সন্ত্রাসীকে জেলে পাঠানো হয়েছে; কেউ পালিয়েছে, কেউ এলাকা ছেড়েছে। এ সময় কিছু নিরীহ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাদের রক্ষায় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করার কথাও তিনি জানান।

    তিনি বলেন, সাড়ে সাত বছর কারাবন্দি থাকার কারণে তিনি একাধিক নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি, এমনকি ভোট দেওয়ার সুযোগও পাননি। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে আসন্ন নির্বাচন নিরপেক্ষ হলে জনগণ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    শেষে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “বিবেক দিয়ে বিচার করুন—কে দুর্নীতিমুক্ত, কে মানুষের ক্ষতি করেনি, কে সন্ত্রাস দমন করেছে। চাঁদাবাজ ও দখলদারদের হাতে আর ক্ষমতা দেওয়া যাবে না। ভোটের আমানত সৎ মানুষের হাতেই তুলে দিন।

  • খুলনায় আদালত চত্বরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত ২

    খুলনায় আদালত চত্বরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত ২

    সন্ত্রাস ও খুনের জনপদ হিসেবে পরিচিত খুলনায় আবারো রক্ত ঝরেছে। দুর্বৃত্তরা দিনদুপুরে আদালতপাড়ায় গুলি করে ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই যুবককে। নিহতরা হলেন, নতুন বাজার চর মসজিদ গলির বাসিন্দা মো. মান্নাফ হাওলাদারের ছেলে মো. হাসিব হাওলাদার। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক সম্পৃক্তার অভিযোগ আছে। আরেকজন হলেন রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের ইজাজ শেখের ছেলে মো. রাজন।

    রোববার (৩০ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে খুলনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের মেইন গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।খুলনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সামনে খুলনা সার্কিট হাউজের অবস্থান। জনাকীর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সদস্যের উপস্থিতিতে এমন ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনায় জনমনে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রাজন ও হাসিব মহানগর দায়রা জজ আদালতে একটি মামলায় হাজিরা দিতে এসেছিলেন। হাজিরা শেষে বের হয়ে মেইন রোডে আসামাত্রা আগে থেকে অবস্থান নেয়া ৩/৪ জন তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে একজন মাথায় গুলি লাগলে রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে। তার মাথা থেকে মগজ বের হয়ে যায়। এরপরও দুর্বৃত্তরা তাদের চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।ঘটনার সময় আদালত ভবনের তৃতীয় তলা থেকে একজন দেখতে পান, গুলি ও কুপিয়ে দুইজনকে জখম করার পর ৩/৪ জন দৌড়ে ফরেস্ট অফিসের দিকে চলে যাচ্ছেন।অপর এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, একটি মামলায় হাজিরা দিতে ৬ জন এসেছিলেন। এর মধ্যে চারজনের জামিন না-মঞ্জুর হয়। এই দুইজন জামিন নিয়ে বেরিয়ে আসামাত্র মেইন রোডে হামলার শিকার হন।খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া) ত.ম. রোকনুজ্জামান আমার দেশকে বলেন, দুর্বৃত্তরা আদালত এলাকায় গুলি করে দুইজনকে হত্যা করেছে। কী কারণে এই হামলা এবং কারা জড়িত তা খুঁজে বের করতে পুলিশ কাজ করছে।

  • তেরখাদায় ককটেল বিস্ফোরণ

    তেরখাদায় ককটেল বিস্ফোরণ

    তেরখাদা উপজেলায় চারটি বোমা সদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই দিন উপজেলার মধুপুর এলাকায় এক ইউপি সদস্যের বাড়ির সামনে পরপর তিন দফা বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটেছে। এসব ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে তেরখাদা সদর ইউনিয়নের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকার আব্দুর রউফ ফকিরের বাড়ির পাশে তিনটি লাল রঙের কৌটা পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় ওয়ালিদ নামের এক যুবক। প্রতিদিনের মতো কোচিং করাতে যাওয়ার পথে সকাল সোয়া ৬টার দিকে তিনি ঘরের সানসেটের ওপর লাল কৌটাগুলো দেখতে পান। কাছ থেকে দেখেই তাঁর সন্দেহ হয় এগুলো বোমা হতে পারে। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে তেরখাদা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কৌটাগুলো উদ্ধার করে। পরে বাইপাস সড়কের পাশে কচু গাছের নিচে আরও একটি লাল কৌটা দেখতে পান এক পথচারী নারী। সেটিও উদ্ধার করে পুলিশ।

    অপরদিকে,গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের পারহাজিগ্রাম কাটাশিয়া বাজার এলাকায় ইউপি সদস্য বেল্লাল মোল্লার বাড়ির প্রবেশপথে তিন দফা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রথম বিস্ফোরণের পর আশপাশের লোকজন ছুটে এলে কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এরপর আরও দুটি বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে।

    তেরখাদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, “পরিত্যক্ত অবস্থায় মোট চারটি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। এগুলো পানিতে ভিজিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।”

    তিনি আরও জানান, ঘটনাটির উৎস ও উদ্দেশ্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

  • যশোর শিক্ষাবোর্ডে পঞ্চাশ কলেজের স্বীকৃতি স্থগিত

    যশোর শিক্ষাবোর্ডে পঞ্চাশ কলেজের স্বীকৃতি স্থগিত

    শর্ত অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করতে না পারায় ৫০ কলেজের একাডেমিক স্বীকৃতি স্থগিত করেছে যশোর শিক্ষা বোর্ড। কলেজের অধ্যক্ষরা অনলাইনে একাডেমিক স্বীকৃতি নবায়ন করার আবেদন করলে এটি স্থগিত করা হয়। বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর এসএস তৌহিদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    যশোর শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, বোর্ডের আওতাধীন ৫৮৬ কলেজের একাদশ শ্রেণিতে আসন ২ লাখ ২১ হাজার ৯৪। এই আসনে ভর্তি হয় ১ লাখ ২৮ হাজার ১৪৪ শিক্ষার্থী। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে বোর্ডের ভর্তির শর্ত ছিলো প্রত্যেকটি কলেজে সর্বনিম্ন ১০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হতে হবে। কিন্তু ৫০টি কলেজে ২ থেকে সর্বোচ্চ ৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে। যে কারণে তাদের একাডেমিক স্বীকৃতি স্থগিত করা হয়েছে।

    বোর্ডের উপ-কলেজ পরিদর্শক মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি ওই ৫০টি কলেজ কর্তৃপক্ষ একাডেমিক স্বীকৃতি নবায়ন করতে বোর্ডে অনলাইন আবেদন করেন। নবায়ন করার আগে ভর্তির তথ্য যাচাইকালে জানানো হয়, কলেজগুলো আমাদের শর্ত অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারেনি। এ কারণে তাদের একাডেমিক স্বীকৃতি স্থগিত করা হয়েছে। পরর্তীতে তাদের একাডেমিক কার্যক্রম বাতিল হবে কীনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

    এ ব্যাপারে বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর এসএম তৌহিদুজ্জামান জানান, বোর্ডে শর্ত অনুযায়ী যেসব কলেজ শিক্ষার্থী ভর্তি করতে ব্যর্থ হচ্ছে, সেসব কলেজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ৫০টি কলেজ বোর্ডের শর্ত অনুযায়ী কম শিক্ষার্থী ভর্তি করায় একাডেমিক স্বীকৃতি স্থগিত করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির কার্যক্রম শেষ হলে একই পদক্ষেপ নেয়া হবে। যেসব কলেজে শর্ত অনুযায়ী কম শিক্ষার্থী ভর্তি হবে, ওইসব কলেজের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে শিক্ষকদের সম্মানের স্বার্থে কলেজের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না।

    আর খান

  • প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে আবেদন শুরু

    প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে আবেদন শুরু

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। প্রথম ধাপে যাদের ছয় বিভাগ থেকে বেছে নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগের জন্য ১০ হাজার ২১৯টি সহকারী শিক্ষক পদে আবেদন আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

    আজ শনিবার (৮ নভেম্বর) থেকে আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন, যা চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এজন্য ফরম পূরণের নির্দেশনা পাওয়া যাবে টেলিটকের ওয়েবসাইটে (http://dpe.teletalk.com.bd)। সেখানে থাকা নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

    সহকারী শিক্ষকের এসব পদে বেতন হবে ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেলের ত্রয়োদশ গ্রেডে। এসব পদে নিয়োগের জন্য প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা হবে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ (৪ স্কেলে ন্যূনতম ২ দশমিক ২৫ ও ৫ স্কেলে ন্যূনতম ২ দশমিক ৮) স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি।

    তবে শিক্ষা জীবনে কোনো স্তরে তৃতীয় বিভাগ অথবা সমমানের জিপিএ অথবা তৃতীয় শ্রেণি অথবা সমমানের সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য হবে না।

  • খুলনায় বিএনপি অফিসে হামলা-গুলি, স্কুল শিক্ষক নিহত

    খুলনায় বিএনপি অফিসে হামলা-গুলি, স্কুল শিক্ষক নিহত

    খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) আইটি গেট সংলগ্ন স্থানীয় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে গুলি ও বোমা হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা । এতে গুলিতে স্কুল শিক্ষক ইমাদুল হক (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি বছিতলা নুরানি হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক। এর আগে তিনি ইউসুফ স্কুলে শিক্ষকতা করতেন।

    এছাড়া যোগীপোল ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য মামুন শেখসহ (৪৫) আরো দুই জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত অন্যরা হলেন—বেল্লাল খান (৫৫) ও মিজানুর রহমান (৫৮)। তাদের চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    জানা যায়, রোববার রাত ৯টার দিকে বিএনপি নেতা মামুন শেখ স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে অফিসে বসেছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা হঠাৎ অফিস লক্ষ্য করে পরপর দুটি বোমা ও চার রাউন্ড গুলি ছুড়ে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। এতে মাদ্রাসার শিক্ষক ইমাদুল হক, মামুন, বিল্লাল ও মিজানুর রহমান গুরুতর আহত হন৷ পরে তাদেরকে স্থানীয় নেতাকর্মীরা দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইমাদুল হক মারা যান। তিনি এশার নামাজের পর ওই বিএনপির অফিসে ওয়াজ মাহফিলের টাকা কালেকশন করার জন্য সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

    কেএমপির এসি (মিডিয়া) মো. শফিকুল ইসলাম জানান—সন্ত্রাসীদের গুলিতে ও বোমা হামলায় তিনজন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক রয়েছে বলে জানতে পেরেছি ৷ পুলিশ ঘটনাস্থলে আছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। অভিযুক্তদের এখনো শনাক্ত করা যায়নি। পুলিশ কাজ করছে।

    সুত্র: দৈনিক আমার দেশ

  • নভেম্বরে গণভোট দিয়েই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন দিতে হবে: গোলাম পরওয়ার

    নভেম্বরে গণভোট দিয়েই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন দিতে হবে: গোলাম পরওয়ার

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে নভেম্বরে গণভোট দিয়েই ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে।

    শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকালে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাধীনতা চত্বরে ডুমুরিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর হিন্দু কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত হিন্দু সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথাগুলো বলেন

    গোলাম পরওয়ার বলেন, স্বাধীনতার পর যারাই দেশ চালিয়েছে, তারা সবাই হিন্দুদের ব্যবহার করে শুধুমাত্র নিজেদের ভাগ্যোন্নয়ন করেছে। এবার হিন্দুদের ভাগ্যোন্নয়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নে প্রয়োজন ইসলামী সরকার। তিনি আরও বলেন, যারা দাড়িপাল্লার জোয়ার দেখে হিন্দুদের ভয়-হুমকি দিচ্ছে, তাদের হুমকিতে এবার হিন্দুরা ভয় পাবে না। হিন্দুদের কেউ বাধা দিলে জনগণ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

    তিনি বলেন, ৫৪ বছর যারা দেশ চালিয়েছে, সেই মাস্তান, দখলদার, চাঁদাবাজরা সরকারের সংস্থাগুলোকে ব্যবহার করে হিন্দুদের শোষণ করেছে। জামায়াত দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে দেশ থেকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখলদার উৎখাত করা হবে ইনশাআল্লাহ।

    সেক্রেটারি জেনারেল আরও বলেন, দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। আমরা সেই পরিবর্তন আনতে চাই। লাঙলের শাসন দেখেছি, ধানের শীষের শাসন দেখেছি, নৌকার শাসনও দেখেছি। একটি দলই বাকি আছে, সেটি হচ্ছে জামায়াতের দাড়িপাল্লা। দেড় হাজার জীবন, ৪০ হাজারের আহতের মধ্য দিয়ে চব্বিশের (২৪ সালের) পরিবর্তনের বার্তা ঢাবি, চবি, রাবি, জাবিসহ সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দিয়েছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনেও সেই বার্তা দেশবাসী দেখাবে ইনশাআল্লাহ।

    উপজেলা হিন্দু কমিটির সভাপতি বাবু কৃষ্ণ নন্দীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি অধ্যক্ষ দেব প্রসাদ মন্ডলের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি ও অতিরিক্ত জিপি অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের, শোভনা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মো. মোসলেম উদ্দিন, শরাফপুর সর্বজনীন পূজা মন্দিরের ঘোসাই সাধু প্রমথ গাইন, ডুমুরিয়া উপজেলা হিন্দু কমিটির সহ-সভাপতি ডা. হরিদাস মন্ডল, কানাই লাল কর্মকার ও প্রভাষক প্রশান্ত কুমার মন্ডল, কোষাধ্যক্ষ গৌতম কুমার মন্ডল, পল্লীশ্রী মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ সুভাষ সরদার, মাগুরখালী ইউনিয়ন সহ-সভাপতি সুজিৎ কুমার সরকার, ডুমুরিয়া সার্বজনীন পূজা মন্দির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আপোষ সিংহ প্রমুখ।

  • চালু হয়েছে খুলনার আধুনিক কারাগার

    চালু হয়েছে খুলনার আধুনিক কারাগার

    চালু হয়েছে খুলনার আধুনিক কারাগার। শনিবার (১ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় কারাগারটি চালু করা হয়। এ সময় কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তিনটি প্রিজন ভ্যানে করে বন্দিদের নতুন কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

    জেলা কারাগারের প্রথম ১০০ কয়েদিকে নতুন করাগারে গোলাপ ও রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

    বন্দিদের নতুন কারাগারে স্বাগত জানান, খুলনা বিভাগীয় কারা অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) মো. মনির আহমেদ, খুলনা জেলা কারাগারের জেল সুপার নাসির উদ্দিন প্রধান, ডেপুটি জেল সুপার আব্দুল্লাহ হেল আল আমিন, জেলার মুহাম্মদ মুনীর সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

  • খুলনায় বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে আহত ৫

    খুলনায় বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে আহত ৫

    খুলনার রূপসা উপজেলায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) উপজেলার কাজদিয়া বাজারে ওবায়েদ ফার্মেসির সামনে এই সংঘর্ষ হয়। এতে পাঁচজন আহত হয়েছেন।

    আহতরা হলেন- শান্ত শেখ, শাহজাহান ইমরান (৩৭), শাহাজাদা (৪১), মেহেদী হাসান বুলু (৩৮), জাহিদুল ইসলাম জাহিদ (৩৫) ও ইমরান শেখ (৩০)। আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খুলনা-৪ আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পারভেজ মল্লিক আলাদা আলাদা গণসংযোগ চালিয়ে আসছেন। বৃহস্পতিবার নির্বাচনী প্রচারণায় পারভেজ মল্লিকের রূপসা উপজেলার কাজদিয়া বাজারে আসার কথা ছিল। খবর পেয়ে যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক ছাত্রনেতা শান্ত শেখের নেতৃত্বে তার অনুসারীরা বাজারে অবস্থান নেন। এ সময় বিএনপির প্রতিপক্ষ গ্রুপের কয়েকজন সদস্য তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে উভয় গ্রুপের পাঁচজন আহত হন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে

    রূপসা থানার ওসি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

  • অসময়ের তরমুজ চাষে বেল্লালের বাজিমাত

    অসময়ের তরমুজ চাষে বেল্লালের বাজিমাত

    অসময়ে তরমুজ চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন তরমুজ চাষি বেল্লাল।

    বছর ছয়েক আগেও খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার সুরখালি ইউনিয়নের এই চাষি অন্যের জমিতে দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন। পরিবারে বাবা, মা, স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ছিল তার টানাটানির সংসার। একার আয়ে সংসার চালানো ছিল বেশ কষ্টসাধ্য। কিন্তু অসময়ে তরমুজ চাষ করে বাজিমাত করেছেন তিনি। ঘেরে মাছ চাষের পাশাপাশি অসময়ে তরমুজ চাষ করে তার ভাগ্য বদলেছে।


    শুরুতে নিজের দুই বিঘা জমিতে তিনি তরমুজের চাষ শুরু করেন। লাভের মুখ দেখায় পরের বছর আরও কিছু জমি বর্গা নিয়ে চাষের ব্যপ্তি বাড়ান। দিন দিন আয় বাড়তে থাকে তার। তারপর অন্যেদের দেখাদেখি অফসিজনে তরমুজ চাষের সিদ্ধান্ত নেন। আরও কিছু জমি যুক্ত করে মাছের ঘের তৈরি করে চার পাড়ে মাচা করে শুরু করেন তরমুজ চাষ।

    দেখা যায়, ঘেরের পাড়ে পানির ওপর বাঁশের খুঁটির ওপর নেট দিয়ে মাচা তৈরি করা। মাচায় ঝুলছে সারি সারি তরমুজ। প্রত্যেকটি তরমুজ নেটের ব্যাগে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুকুরে রয়েছে নানান জাতের দেশি মাছ। পথের পাশে লাগিয়েছেন করলা, পুঁইশাক, লাউসহ নানান জাতের সবজি।

    বেল্লাল বলেন, অফসিজন তরমুজ চাষে পরিশ্রম তুলনামূলক কম। সিজনের তরমুজ বিলের ভিতর চাষ করায় পানি সেচ করতে হয়, যেটা ব্যয়বহুল ও কষ্টসাধ্য। কিন্তু ঘেরের পাড়ে তরমুজে এই পানি সেচের কাজটা করা লাগে না।

    তিনি বলেন, এক বিঘা জমিতে গড়ে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়। ১ লাখ টাকারও বেশি তরমুজ বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে। এ সিজনে অন্তত ৬ লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি হওয়ার প্রত্যাশা তার। ইতোমধ্যে দুই লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি করেছেন।

    তরমুজ চাষি বিল্লাল বলেন, আগে শুধু মৌসুমে তরমুজ চাষ করতাম। এখন অফসিজন তরমুজ চাষ শুরু করেছি। প্রতিটা তরমুজ ৩.৫ কেজি থেকে ৬ কেজি পর্যন্ত হচ্ছে। সিজনের তরমুজ থেকে এখনকার তরমুজের স্বাদ অনেক বেশি। শহর থেকে পাইকাররা ক্ষেতে এসে ১৮০০-১৯০০ টাকা মণ দরে কিনে নিচ্ছে। এতে খরচ বাদ দিয়েও ভালো লাভ হচ্ছে।

    বেল্লাল এখন সচ্ছল। তার ইচ্ছেগুলো পূরণ করতে পারবেন বলে প্রত্যাশা তার। ছেলে মেয়েদের ভালো স্কুলে পড়াতে ভাবতে হবে না তাকে। বেল্লালের স্বপ্ন আগামী বছর তার ক্ষেতের পরিসর আরও বাড়াবে। বাড়বে আয়ও।

    উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, খুলনার আবহাওয়া ও মাটি অফসিজন তরমুজ চাষের জন্য উপযোগী। জেলার সবচেয়ে বেশি তরমুজ চাষ হয় বটিয়াঘাটায়। এ বছর অফসিজন তরমুজ চাষে কৃষি অফিস থেকে সার, বীজসহ বালাই নাশক সরবারহ করা হয়েছে। বেল্লালের মত তরমুজ চাষিদের আমরা প্রশিক্ষণও দিচ্ছি। কৃষি অফিস কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

  • ৮ শিক্ষার্থীর ১৩ শিক্ষক, তবুও পাশ করেনি কেউ!

    ৮ শিক্ষার্থীর ১৩ শিক্ষক, তবুও পাশ করেনি কেউ!

    তেরখাদা উপজেলার আদর্শ শিক্ষা নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আট শিক্ষার্থী এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তবে তারা কেউ পাস করেনি। আদর্শ শিক্ষা নিকেতন স্কুল এন্ড কলেজটি ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমতি প্রাপ্ত হয়। প্রতিষ্ঠানটি ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ১১ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করে। ওই ১১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৮ জন শিক্ষার্থী ২০২৫ সালের এইচ এস সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৮ জনই অকৃতকার্য হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ১৩ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন।

    তেরখাদা সদর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে আদর্শ শিক্ষা নিকেতন স্কুল এন্ড কলেজটি। অবকাঠামোর দিক থেকে ভালো থাকলেও শিক্ষার্থী ভর্তির আগ্রহ একেবারে নাজুক।

    আদর্শ শিক্ষা নিকেতন স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক উদ্ধব কুমার মোহান্ত বলেন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত কলেজে না আসা ও আগ্রহ কম থাকায় ফলাফলের এমন বিপর্যয় হয়েছে।

  • রূপসায় স্বাস্থ্য বিষয়ক সমন্বয় সভা

    রূপসায় স্বাস্থ্য বিষয়ক সমন্বয় সভা

    রূপসায় স্বাস্থ্য বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্রাক স্বাস্থ্য কর্মসুচি জলবায়ু পরিবর্তন প্রকল্পের আওতায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    ব্রাকের আয়োজনে ২২ অক্টোবর বুধবার সকাল ১০ টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই সভা হয়।

    অনুষ্ঠানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মাজেদুল হক কাওসার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথীর বক্তৃতা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শামিম। বিশেষ অতিথীর বক্তৃতা করেন ব্রাকের খুলনা জেলা ব্যাবস্থাপক মোঃ শফি কামাল, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ হিমেল, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জিএম আসাদুজ্জামান, রূপসা থানার সেকেন্ড অফিসার সাব ইন্সেপেক্টর লাইজু।

    ব্রাক এর কর্মকর্তা আকাস মাহামুদ হৃদয়ের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাকারিয়া, নার্স ইনচার্জ নুর নাহার, প্রধান স্বাস্থ্য সহকারি তপতি সরকার, উপ সহকারি মেডিকেল অফিসার হিরামুন নাহার, মেডিকেল টেকনোলোজিষ্ট ল্যাব রনি প্রমুখ।