ক্যাটাগরি হাইকোর্ট

  • ৮ মাসেই আপিল বিভাগে ১১ হাজার ও হাইকোর্টে ৮৭ হাজার মামলা নিষ্পত্তি

    ৮ মাসেই আপিল বিভাগে ১১ হাজার ও হাইকোর্টে ৮৭ হাজার মামলা নিষ্পত্তি

    আইন-আদালত ডেস্ক:

    মামলাজট নিরসন ও দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণে নজিরবিহীন গতি ফিরেছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে।

    ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসেই (জানুয়ারি–আগস্ট) আপিল বিভাগে ১১ হাজারের বেশি এবং হাইকোর্ট বিভাগে সাড়ে ৮৭ হাজারের বেশি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। একই সঙ্গে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতাসহ গুরুত্বপূর্ণ ডেথ রেফারেন্স মামলা নিষ্পত্তিতে বিশেষ বেঞ্চ গঠনের মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে।

    রবিবার সুপ্রিম কোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলামের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়আপিল বিভাগে নিষ্পত্তির নতুন নজির: পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত আপিল বিভাগে মোট ১১ হাজার ১৩৬টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। বিপরীতে নতুন মামলা দায়ের হয়েছে ৯ হাজার ১৩৯টি। ফলে দায়েরকৃত মামলার তুলনায় প্রায় ২ হাজার (১,৯৯৭টি) মামলা বেশি নিষ্পত্তি হয়েছে।

    বিগত পাঁচ বছরের (২০২১–২০২৫) গড় বার্ষিক নিষ্পত্তির সংখ্যা ছিল প্রায় ৬ হাজার ৯৬টি। অথচ ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসেই নিষ্পত্তি ছাড়িয়েছে ১১ হাজার। চলতি বছরের আট মাসের মোট ১৩২ কর্মদিবসে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৮৪টি করে মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে।এর মধ্যে জানুয়ারি মাসে ২,৭০৫টি, ফেব্রুয়ারি মাসে ২,৭২৪টি, মার্চে ১,১০৭টি, এপ্রিলে ১,৩২১টি, মে মাসে ৬৩৮টি, জুনে ১,৩২১টি, জুলাইয়ে ৬৮৭টি এবং আগস্টে ৬৩৩টি মামলা নিষ্পত্তি হয়।

    ফলে বছরের শুরুতে আপিল বিভাগে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৪১ হাজার ৫৫১টি থাকলেও আগস্ট শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৯ হাজার ৫৫৪টিতে।হাইকোর্ট বিভাগে বড় অগ্রগতি: হাইকোর্ট বিভাগেও মামলা নিষ্পত্তির গতিতে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা গেছে। বছরের প্রথম আট মাসে মোট ৮৭ হাজার ৫৯৬টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে, যা গড়ে প্রতি মাসে প্রায় ১০ হাজার ৯৫০টি। বিগত পাঁচ বছরের যেকোনো পূর্ণ বছরের নিষ্পত্তির তুলনায় চলতি বছরের এই আট মাসের নিষ্পত্তির সংখ্যা বেশি। বিশেষ করে ২০২৫ সালের পুরো বছরের (৫৫ হাজার ৭৫৬টি) তুলনায় চলতি বছরের আট মাসেই ৩১ হাজার ৮৪০টি বেশি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে।

    চলতি বছরের প্রথম কোয়ার্টারে (জানুয়ারি–মার্চ) ৭ হাজার ৭৩৯টি, দ্বিতীয় কোয়ার্টারে (এপ্রিল–জুন) ২৭ হাজার ৫৬০টি, জুলাই মাসে ৩২ হাজার ২১১টি এবং আগস্টে ২০ হাজার ৮৬টি মামলা নিষ্পত্তি হয়। এতে বছরের শুরুতে হাইকোর্টে থাকা ৬ লাখ ৫৯ হাজার ২৫৬টি বিচারাধীন মামলা থেকে ১২ হাজার ৯৮০টি কমে বর্তমানে তা ৬ লাখ ৪৬ হাজার ২৭৬টিতে নেমে এসেছে।ডেথ রেফারেন্স নিষ্পত্তিতে বিশেষ বেঞ্চ: নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) এবং সংশ্লিষ্ট আপিলগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্ট বিভাগে একটি বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে।


    চলতি বছরের জুন মাসে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী এই বিশেষ বেঞ্চ গঠন করেন। বেঞ্চটি গঠনের পর এ পর্যন্ত অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ২২টি ডেথ রেফারেন্স মামলা নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়েছে, যা দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা গুরুতর ফৌজদারি মামলার জট নিরসনে ভূমিকা রাখছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত বিচারিক সেবা নিশ্চিতকরণ এবং মামলাজট ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে এই অগ্রগতি ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। সুপ্রিম কোর্ট এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

  • খাদেম রহমত আলী হত্যায় ২ জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল, খালাস ৫

    খাদেম রহমত আলী হত্যায় ২ জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল, খালাস ৫

    রংপুরের সুরেশ্বরী মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় জামাআতুল মুজাহেদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) ২ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৫ জনকে খালাস দিয়েছে আদালত।

    রোববার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

    ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় সাত জেএমবি জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন রংপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার। এছাড়া ছয়জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানারও আদেশ দেওয়া হয়।

    মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— জেএমবির রংপুর অঞ্চলের কমান্ডার মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী (৩৩), সদস্য ইছাহাক আলী (৩৪), লিটন মিয়া ওরফে রফিক (৩২), সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রাহুল (৩০), সরওয়ার হোসেন সাবু ওরফে মিজান (৩০), উত্তরাঞ্চলের কমান্ডার বিজয় ওরফে আলী ওরফে দরজি (৩০), চান্দু মিয়া (২০)।

    খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন জেএমবির সদস্য আবু সাঈদ (৩০), তৌফিকুল ইসলাম সবুজ (৩৫), সাদাত ওরফে রতন মিয়া (২৩), জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে রাজিব গান্ধী (২৬), বাবুল আখতার ওরফে বাবুল মাস্টার (৩৫) ও রাজিবুল ইসলাম মোল্লা ওরফে বাদল ওরফে বাঁধন (২৫)।

    ১৩ আসামির মধ্যে দুজন পলাতক রয়েছেন। তাঁরা হলেন চান্দু মিয়া (২০) ও রাজিবুল ইসলাম মোল্লা ওরফে বাদল ওরফে বাঁধন (২৫)।

    আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে বাড়ি ফেরার সময় রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চৈতার মোড়ে মাজার শরিফের খাদেম রহমত আলীকে (৬০) এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরদিন ১১ নভেম্বর তার ছেলে শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন।তদন্ত শেষে পুলিশ ওই মামলায় ১৪ জেএমবির সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দাখিল করেন। যার মধ্যে আসামি পঞ্চগড়ের নজরুল ইসলাম ওরফে বাইক হাসান ২০১৬ সালের ১ আগস্ট রাতে রাজশাহীতে এবং কুড়িগ্রামের সাদ্দাম হোসেন ২০১৭ সালের ৫ জানুযারি ঢাকায় বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। শুনানি শেষে বিচারক নিহত দুই জঙ্গিকে বাদ দিয়ে ১২ জনের নামে অভিযোগ গঠন করেন।

  • হামে শিশু মৃত্যু: ড. ইউনূসসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণে রুল

    হামে শিশু মৃত্যু: ড. ইউনূসসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণে রুল

    আইন-আদালত

    হামে আক্রান্ত এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবারকে কেন ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

    আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে ড. ইউনূসসহ সংশ্লিষ্ট ছয়জনকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

  • শিশু আছিয়া হত্যা-ধর্ষণ: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল

    শিশু আছিয়া হত্যা-ধর্ষণ: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল

    মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। সোমবার ডেথ রেফারেন্স ও আসামির করা আপিলের শুনানি শেষে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

    এর আগে গত ২৪ আগস্ট হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শেষ হয়। পরে রায়ের জন্য ২৫ আগস্ট দিন ধার্য করা হলেও ওইদিন রায় ঘোষণা না করে সোমবার দিন ধার্য করা হয়।

    আদালতে হিটু শেখের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক শুনানি করেন।

    যেভাবে ঘটে নির্মম ঘটনা
    মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৫ মার্চ রাতে মাগুরা সদর উপজেলার নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের শিশু আছিয়া। রমজানের ছুটিতে সেখানে বেড়াতে গিয়েছিল শিশুটি।

    অভিযোগ অনুযায়ী, শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখ তাকে ধর্ষণের পর হত্যার চেষ্টা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
    এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ চার আসামিকেই গ্রেপ্তার করে।

    ১৩ কার্যদিবসে শেষ হয় বিচার

    ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। ২৩ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। ২৭ এপ্রিল শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষ্য দেন। ৭ মে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

    মাত্র ১৩ কার্যদিবসে মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়। একই বছরের ১৩ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার শেষ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়।

    পরে ১৭ মে রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান। রায়ে শিশু আছিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

    তবে মামলার অপর তিন আসামি—নিহত শিশুর বোনের স্বামী সজীব শেখ (১৯), সজীবের ছোট ভাই (১৭) এবং সজীবের মা জাহেদা বেগম (৪০)—কে খালাস দেন আদালত।

    হাইকোর্টে আসে ডেথ রেফারেন্স

    ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কোনো আদালত মৃত্যুদণ্ড দিলে তা কার্যকর করার আগে উচ্চ আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন। এ কারণে বিচারিক আদালতের রায়ের পর মামলার নথি ২০২৫ সালের ২১ মে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

    পরবর্তী সময়ে নথি যাচাই-বাছাই শেষে পেপারবুক প্রস্তুতের জন্য তা বিজি প্রেসে পাঠানো হয়। পেপার বুক প্রস্তুত হওয়ার পর ৮ জুন হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এরপর ডেথ রেফারেন্স ও আসামির আপিল শুনানির জন্য হাইকোর্টের বিশেষায়িত বেঞ্চের কার্যতালিকায় ওঠে। দীর্ঘ শুনানি শেষে সোমবার হাইকোর্ট হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় দেন।

  • কাবিননামায় আগের বিয়ের তথ্য চেয়ে হাইকোর্টে রিট

    কাবিননামায় আগের বিয়ের তথ্য চেয়ে হাইকোর্টে রিট

    বিয়েতে তথ্য গোপন ও প্রতারণা রোধে কাবিননামায় বর-কনের আগের ও বিদ্যমান বিয়ে, সন্তান এবং সরকারি পরিচয়পত্রের তথ্য উল্লেখ বাধ্যতামূলক করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান জনস্বার্থে রিট আবেদনটি করেছেন। এতে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব এবং নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শককে বিবাদী করা হয়েছে। রিটে বলা হয়েছে, বর্তমানে ব্যবহৃত বাংলাদেশ ফরম নম্বর ১৬০১ বা ‘ফরম ঘ’-কাবিননামায় বর ও কনে উভয়ের আগের ও বিদ্যমান বিয়ে, সাবেক স্বামী বা স্ত্রী, বিয়ে ও তালাক নিবন্ধনের তথ্য, সন্তান এবং আগের সম্পর্ক থেকে সৃষ্ট ভরণপোষণ, অভিভাবকত্বসহ চলমান আইনগত দায়দায়িত্ব সমভাবে প্রকাশ ও যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা নেই। বর্তমান কাবিননামায় বরের বিদ্যমান স্ত্রী এবং সালিশি পরিষদের অনুমতির বিষয়ে কিছু তথ্য চাওয়া হলেও তার আগের সব বিয়ে, তালাক, সাবেক স্ত্রী ও সন্তানদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উল্লেখের বাধ্যবাধকতা নেই। একইভাবে কনের ক্ষেত্রেও পূর্ববর্তী বৈবাহিক ইতিহাস যাচাইয়ের সমতাভিত্তিক ব্যবস্থা অনুপস্থিত।

    আবেদনে বলা হয়, এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে পরবর্তী বিয়েতে আবদ্ধ হওয়ার সুযোগ থাকায় প্রতারণা ও পারিবারিক বিরোধ সৃষ্টি হচ্ছে। এতে বিয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ব্যক্তি স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। একই সঙ্গে বিদ্যমান স্বামী বা স্ত্রী এবং সন্তানদের অধিকারও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    রিটে কাবিননামা সংশোধন করে বর-কনে উভয়ের আগের ও বিদ্যমান সব বিয়ের তথ্য, আগের বা বিদ্যমান বিয়ের সন্তানদের তথ্য, চলমান ভরণপোষণ, অভিভাবকত্ব ও অন্যান্য আইনগত দায় এবং জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা পাসপোর্ট নম্বর অন্তর্ভুক্ত এবং যাচাইযোগ্য করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

    এসব তথ্য অন্তর্ভুক্ত না করে কাবিননামা হালনাগাদে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না এবং নাগরিকদের পারিবারিক জীবন সুরক্ষায় ফরমটি সংশোধনের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না। এ মর্মে রুল জারির আবেদন করা হয়েছে।

  • শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় মঙ্গলবার

    শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় মঙ্গলবার

    মাগুরায় আট বছরের শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে বলে জানা গেছে।

    সোমবার (২৪ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে রায়ের জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেছেন। আদালতে আসামিপক্ষে রয়েছেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে রয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক। গত বছরের ৫ মার্চ রাতে মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় শিশুটি। বোনের শ্বশুর হিটু শেখ মেয়েটিকে শুধু ধর্ষণই করেননি, হত্যারও চেষ্টা চালান।

    পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যু হয় আট বছর বয়সী শিশুটির। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে তাদের সবাইকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
    ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল আলোচিত এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ২৭ এপ্রিল। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ২৯ জন সাক্ষ্য দেন।

    গত বছরের ৭ মে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মাত্র ১৩ কার্যদিবসে শেষ হয় আলোচিত এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম। এক বছর আগে ১৩ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসানের আদালতে মামলার শেষ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে একই বছরের ১৭ মে রায় ঘোষণা করা হয়।

  • রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফশিল স্থগিত চেয়ে রিটের আদেশ মঙ্গলবার

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফশিল স্থগিত চেয়ে রিটের আদেশ মঙ্গলবার

    সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফশিল স্থগিত চেয়ে রিটের ওপর মঙ্গলবার আদেশ দেবেন হাইকোর্ট।

    সোমবার (১৭ আগস্ট) বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।

    এর আগে গত বৃহস্পতিবার এই রিট করেন আইনজীবী মো. ইউনুছ আলী আকন্দ। রিটের পক্ষে শুনানি করেন তিনি নিজেই।

    রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মামুন চৌধুরী ও আখতার হোসেন মো. আব্দুল ওয়াহাব।

    সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘কোনো নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী মনোনীত হয়ে কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি (ক) ওই দল হতে পদত্যাগ করেন, অথবা (খ) সংসদে ওই দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন, তা হলে সংসদে তার আসন শূন্য হবে; তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোনো নির্বাচনে সংসদ সদস্য হওয়ার অযোগ্য হবেন না।’আইনজীবী জানান, ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেন না; ফলে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ব্যাহত হয়।

  • মোদির যোগব্যায়ামে  সরকারি কর্মচারীদের উপস্থিতি বাধ্যমূলক নয়,হাইকোর্ট

    মোদির যোগব্যায়ামে সরকারি কর্মচারীদের উপস্থিতি বাধ্যমূলক নয়,হাইকোর্ট

    কলকাতার রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে আগামী রোববার আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মচারীদের উপস্থিত থাকতে হবে বলে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল। বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে যায় সরকারি কর্মচারীদের একটি সংগঠন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্ট শুক্রবার জানিয়েছেন, সরকারি কর্মচারীদের যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক নয়।

    ভারতের প্রাচীন যোগব্যায়ামকে দেশের ভেতরে ও বাইরে জনপ্রিয় করতে ক্ষমতায় আসার পরেই বড় ভূমিকা নিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী রোববার (২১ জুন) বিশ্ব যোগব্যায়াম দিবস। প্রতিবারই এই দিনে প্রকাশ্যে যোগ চর্চা করেন মোদি। ভারতের প্রচারমাধ্যম বড় করে তা প্রচার করে।

    পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুত্ববাদী বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর এবার কলকাতার প্রধান সড়ক রেড রোড সাত দিন বন্ধ করে হাজার হাজার মানুষকে নিয়ে যোগব্যায়ামের পরিকল্পনা করেছিল শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার। জলে ও স্থলে দুই জায়গাতেই যোগব্যায়ামের বিশাল পরিকল্পনা নিয়েছিল সরকার। এ কারণেই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বলা হয়েছিল।

    বিজ্ঞপ্তিটি চ্যালেঞ্জ করে আদালতে যায় বামফ্রন্টের সরকারি কর্মচারী সমিতি। আবেদনকারীদের পক্ষে উপস্থিত প্রবীণ আইনজীবী সিপিআইএম দলের সাবেক সংসদ সদস্য বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য যুক্তি দেন, যোগব্যায়ামে অংশগ্রহণের জন্য সরকার নির্দেশ দিতে পারে না।

    বিকাশরঞ্জন বলেন, ‘আমি যা করতে পছন্দ করি না, সরকার আমাকে তা করার নির্দেশ দিতে পারে না। এটি ঐচ্ছিক হওয়া উচিত।’ আদালত যখন মন্তব্য করেন, যোগব্যায়াম যেকোনো জায়গায় করা যেতে পারে।। তখন প্রবীণ আইনজীবী উত্তর দেন, ‘আমি মোটেও এটি করতে চাই না।’

    রাজ্য সরকারের পক্ষে উপস্থিত হয়ে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য আদালতকে বলেন, এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কর্মচারীদের কেবল অনুষ্ঠানে অংশ নিতে উৎসাহিত করা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল রেড রোডের যোগব্যায়াম অনুষ্ঠানে বৃহত্তম অংশগ্রহণ করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস গড়া।

    বিল্বদল বলেন, বিজ্ঞপ্তিটি কেবলই একটি আবেদন ছিল এবং যাঁরা অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।

    রাজ্য সরকারের এই বক্তব্য গ্রহণ করে হাইকোর্ট বিষয়টির নিষ্পত্তি করেন। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা তাঁর পর্যবেক্ষণে বলেন, সরকারি নির্দেশটি যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য কর্মচারীদের প্রতি একটি সাধারণ আবেদন মাত্র, এটি বাধ্যতামূলক নয়। ব্যক্তিগত কারণে কেউ উপস্থিত হতে না পারলে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক পদক্ষেপের কথা ভাবা হয়নি।

    আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের এখন যোগব্যায়ামের অনুষ্ঠানে না গেলেও চলবে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টিকে বিজেপির জন্য একটা বড় ধাক্কা বলে অনেকে উল্লেখ করেছেন।

  • আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট

    আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট

    রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী।

    আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টে অ্যাডভোকেট ইউনূছ আলী আকন্দ রিটটি দায়ের করেন।

    আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, এই রিট দায়েরের সাথে আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো সম্পর্ক নেই।

    এর আগে, গত ১১ জুন রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করে সরকার। স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হাসপাতালটি আগামী ৩০ দিনের মধ্যে বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ পাবে।

    গত ২৭ মে ভোরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। তাদের বয়স ছিল এক থেকে তিন দিন। এই নবজাতকদের নামও রাখা হয়নি। ফলে তাদের মায়ের নামে চিহ্নিত করা হচ্ছিল। এ ঘটনায় অবহেলাজনিত কারণে মৃত্যুর অভিযোগ এনে রমনা থানায় মামলা করেন মৃত এক নবজাতকের বাবা হাবিবুর রহমান।

    ঘটনা তদন্তে দ্রুত তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ৩০ মে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন জানান, তদন্ত কমিটি ৩ জুন পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেবে।

    ঘটনা তদন্তে অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও। তারা এই তদন্ত প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশের ঘোষণাও দিয়েছিল। পরে তারা সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে জানায়, প্রতিবেদনটি প্রকাশ না করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হবে।

  • আইনজীবীর পোশাকে হাইকোর্টে মমতা !

    আইনজীবীর পোশাকে হাইকোর্টে মমতা !

    বৃহস্পতিবার সকালে বেলা ১১টার কিছু আগে হঠাৎ হাইকোর্ট চত্বরে যান তৃণমূলনেত্রী। আইনজীবীদের মতো কালো শামলা পরে আদালত চত্বরে হাজির হন তিনি। বৃহস্পতিবার ভোট-পরবর্তী অশান্তির একটি মামলার শুনানি ছিল প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের এজলাসে। সেখানে শুনানি করেন তিনি বলে জানান ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার।

    নির্বাচনের আগে গিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টে। এবার নির্বাচনের পর হাইকোর্টে হাজির হলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এবার তাকে দেখা গেল আইনজীবীর বেশে। হাইকোর্ট চত্বরে তিনি পৌঁছালে তাকে ঘিরে উৎসুক সমর্থকদের ভিড় জমে।

    হাইকোর্ট চত্বরের বাইরে মমতার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সঙ্গে লিখেছে, ‘আরও একবার তিনি দেখিয়ে দিলেন, কেন তিনি বাকিদের চেয়ে আলাদা। দরকারের সময়ে কখনো তিনি পশ্চিমবাংলার মানুষকে একা ছেড়ে দেন না। সত্য, ন্যায়বিচার এবং সাংবিধানিক মূল্যবোধের জন্য লড়াই তিনি থামান না। অতুলনীয় সাহস এবং প্রত্যয়কে সঙ্গী করে তিনি বারবার ঘৃণার রাজনীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।’

    এদিকে প্রধান বিচারপতির এজলাসে তৃণমূলনেত্রী মমতা বলেন, “প্রথম বার কলকাতা হাইকোর্টে সওয়াল করছি। ১৯৮৫ সালে বার কাউন্সিলে আমার নাম নথিভুক্ত হয়। তার পর থেকে সদস্যপদ রিনিউ করেছি। ভোটের পরে শিশু, নারী, মুসলিম কাউকে রেয়াত করা হচ্ছে না। বিবাহিত মহিলাদের ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন এসব অভিযোগ আসছে। ঘর, বাড়ি লুট করছে, আগুন জ্বালাচ্ছে। পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। আদালতের অনুমতি পেলে এই অভিযোগগুলো অতিরিক্ত হলফনামায় উল্লেখ করব। রাজ্যের মানুষকে বাঁচান। এটা কোনো বুলডোজার রাজ্য নয়। এটা পশ্চিমবঙ্গ, প্লিজ রাজ্যবাসীকে বাঁচান।”