ক্যাটাগরি হবিগঞ্জ

Habiganj district

  • নবীগঞ্জে জামায়াতের উদ্যোগে সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল

    নবীগঞ্জে জামায়াতের উদ্যোগে সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস উপলক্ষে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেলে নবীগঞ্জ নতুন বাজার মোড়ে জামায়াতের উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্যোগে এ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

    উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আশরাফ আলীর সভাপতিত্বে মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা কাজী মুখলিছুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মো. শাহজাহান আলী।

    সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিলে প্রধান আলোচক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করেন মুফতি আলী হাসান ওসামা এবং বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা সেক্রেটারি কাজী মহসিন আহমদ এবং জেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি লায়েক আহমদ। মাহফিলের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন নবীগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা এমদাদুল হক।

    নবীগঞ্জ পৌর জামায়াতের জয়েন্ট সেক্রেটারি এহসানুল হাদী রুম্মান ও উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইদুল হক সাদিকের পরিচালনায় মাহফিলে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের তাওহিদী জনতা ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান, আজমিরীগঞ্জে ফ্লোর ধসে আহত ৫ শিশু শিক্ষার্থী

    ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান, আজমিরীগঞ্জে ফ্লোর ধসে আহত ৫ শিশু শিক্ষার্থী

    বিডি গ্লাবাল ডেস্ক,

    হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পিরোজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষের ফ্লোর ধসে চার ফুট নিচে পড়ে শিক্ষক রুমা আক্তারসহ পাঁচ শিশু শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। সোমবার দুপুর ১টার দিকে চতুর্থ শ্রেণির পাঠদান চলাকালে হঠাৎ শ্রেণিকক্ষের মেঝের একটি বড় অংশ ধসে পড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    দুর্ঘটনার পর পরই বিদ্যালয় ভবনের সামগ্রিক নিরাপত্তা ও নির্মাণকাজের মান নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি—শুধুমাত্র এই শ্রেণিকক্ষই নয়, ভবনের প্রায় সবকটি কক্ষের ফ্লোরই চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। মেঝের নিচে পর্যাপ্ত মাটি না দিয়ে ফাঁকা রেখে নির্মাণকাজ করায় এ ধরণের বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান শিক্ষকরা।

    শিক্ষক ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, দুপুরে চতুর্থ শ্রেণির পাঠদান চলছিল। ক্লাস চলাকালে এক শিক্ষার্থী মেঝের টাইলসে হঠাৎ ফাটল দেখা দেওয়ার বিষয়টি দায়িত্বরত শিক্ষককে জানায়। পরিস্থিতি বুঝে ওঠার আগেই মুহূর্তের মধ্যে ফ্লোরের একটি অংশ প্রায় চার ফুট নিচে ধসে পড়ে। এ সময় সেখানে উপস্থিত কয়েক শিশু শিক্ষার্থী সরাসরি ধসে যাওয়া গর্তে পড়ে আহত হয়। শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে গিয়ে শিক্ষক রুমা আক্তারও নিচে পড়ে গিয়ে আঘাত পান।

    পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দা ও অন্য শিক্ষকদের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

    আহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে—রাহিম বাদশা, আব্দুল মান্নান মিয়া, মোজাক্কির মিয়া ও আজিনুর মিয়া। এ ছাড়া এ ঘটনায় আরও এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

    ঘটনার বিবরণ দিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সবুতর নেসা বলেন, চতুর্থ শ্রেণির ক্লাস চলাকালে হঠাৎ ফ্লোরটি চার ফুট নিচে ধসে যায়। ফ্লোরের নিচে প্রয়োজনীয় মাটি না থাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমার বিদ্যালয়ের প্রায় সবকটি কক্ষের একই অবস্থা, পুরো ভবনটিই এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ধসে পড়ার পর অভিভাবকেরা আতঙ্কিত হয়ে সন্তানদের বাড়ি নিয়ে গেছেন। আগামীকাল থেকে শিক্ষার্থীরা আদৌ বিদ্যালয়ে আসবে কি না, তা নিয়ে আমরা সংশয়ে আছি।

    আহত শিক্ষক রুমা আক্তার বলেন, এক শিক্ষার্থী মেঝের ফাটল দেখা যাওয়ার কথা বলার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ফ্লোর ধসে পড়ে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আমিও নিচে পড়ে আঘাত পেয়েছি। ঘটনাটি খুবই আতঙ্কজনক ছিল।

    মেঝে ধসে পড়ার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক তৈরি হয়। বহু অভিভাবক দ্রুত বিদ্যালয়ে এসে নিজ সন্তানদের নিরাপদে বাড়ি নিয়ে যান। ভবনটির স্থাপত্য নিরাপত্তা পুরোপুরি যাচাই না করে পুনরায় পাঠদান শুরু করা হলে আরও বড় ধরনের প্রাণহানি বা দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন অভিভাবকেরা।

    আজমিরীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) জসিম উদ্দিন চৌধুরী জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত আছি। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে শিক্ষা কর্মকর্তা এবং এলজিইডির একজন প্রকৌশলীকে সরেজমিন পরিদর্শনের জন্য পাঠানো হয়েছে। তাঁদের তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনানুগ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • মুরগির খোঁয়াড়ের মাটির নিচ থেকে ১২২ পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার, নারী গ্রেপ্তার

    মুরগির খোঁয়াড়ের মাটির নিচ থেকে ১২২ পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার, নারী গ্রেপ্তার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    হবিগঞ্জের লাখাইয়ে বসতবাড়ির মুরগির খোঁয়াড়ের মাটির নিচে তল্লাশি চালিয়ে ১২২ পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় ৪৫০ গ্রাম গাঁজাসহ সালেহা বেগম ওরফে আবুনী (৪৫) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    গ্রেপ্তার সালেহা বেগম উপজেলার তেঘরিয়া উত্তর গ্রামের বাচ্চু মিয়ার স্ত্রী।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাত আনুমানিক ১০টা ১০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপপরিদর্শক (এসআই) মানিক সাহার নেতৃত্বে একদল পুলিশ সালেহা বেগমের বসতবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের একপর্যায়ে সন্দেহজনক মনে হলে ঘরের ভেতর মুরগির খোঁয়াড়ের মাটি খুঁড়ে একটি ডিব্বা উদ্ধার করা হয়। পরে ডিব্বাটি খুলে তল্লাশি চালিয়ে ভেতর থেকে ১২২ পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়, যার মোট ওজন ৪৫০ গ্রাম।

    ঘটনার বিষয়ে এসআই মানিক সাহা জানান, প্রত্যক্ষভাবে মাদক কারবারের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে সালেহা বেগমকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধারকৃত গাঁজা জব্দ করে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

    এদিকে বসতবাড়ির মুরগির খোঁয়াড়ের মাটির নিচে কৌশলে মাদক লুকিয়ে রাখার এই অভিনব ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মাটি খুঁড়ে মাদক উদ্ধারের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও নানা আলোচনা চলছে।

    লাখাই থানার ওসি জানান, মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এলাকায় মাদক সংরক্ষণ, কেনাবেচা ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।

  • চুনারুঘাটে ধানক্ষেত থেকে যুবকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,
    হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে সুজন মিয়া (৩৫) নামে এক যুবকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে স্থানীয়রা উপজেলার ১০ নম্বর মিরাশি ইউনিয়নের রাকি গ্রামের ধান ক্ষেতে লাশ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেন।

    সুজন উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের কালামন্ডল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রাকি গ্রামের রশিদ মিয়ার মেয়ের জামাই। বিয়ের পর থেকে স্ত্রী ও এক সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি এলাকায় বসবাস করছিলেন তিনি।

    এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম নয়া দিগন্ত কে বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আমরা খবর পাওয়ার সাথে সাথে এস আই গিয়াসউদ্দিনের নেতৃত্বে নিহতের লাশ উদ্ধার করেছি। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা এটি একটি হত্যাকান্ড।’

    এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে।

  • মাধবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিত্যক্ত ভবনে যুবকের পচাগলা মরদেহ

    মাধবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিত্যক্ত ভবনে যুবকের পচাগলা মরদেহ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরে একটি পরিত্যক্ত ভবন থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার দুপুরে খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত নিহত যুবকের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

    মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইমরুল হাসান জানান, আজ সোমবার সকালে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরে থাকা একটি পরিত্যক্ত ভবন পরিষ্কার করতে যান। এ সময় ভবনের ভেতরে লোহার হুকের সঙ্গে কাপড় প্যাঁচানো অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ ঝুলতে দেখেন তারা। মরদেহটি দীর্ঘদিনের পুরোনো হওয়ায় শরীরের বিভিন্ন স্থান থেকে মাংস খসে পড়েছিল। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। খবর পেয়ে মাধবপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

    মাধবপুর থানার এসআই প্রদীপ চন্দ্র সরকার জানান, মরদেহের অবস্থা দেখে ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় এক মাস আগে ওই যুবকের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

    মাধবপুর থানার ওসি সোহেল রানা জানান, মরদেহটি দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় পচে গেছে এবং শরীরের মাংস খসে পড়েছে। ফলে মরদেহটি অত্যন্ত বীভৎস অবস্থায় ছিল। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। নিহত যুবকের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

    এ,আর

  • ট্রাক-লরি ও সিএনজি অটোরিকশার ত্রিমুখী সংঘর্ষ, নিহত ২

    ট্রাক-লরি ও সিএনজি অটোরিকশার ত্রিমুখী সংঘর্ষ, নিহত ২

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে তেলবাহী লরি-বালুবাহী ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার ত্রিমুখী সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। রোববার (৯ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বেজুরা সেতু এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন- মাধবপুর উপজেলার রতনপুর গ্রামের রিপন মিয়া (২৭) ও পশ্চিম মাধবপুর এলাকার নাসির উদ্দিনের ছেলে আবুল খায়ের (৫০)।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুর ১টার দিকে বেজুরা সেতুর ওপর একটি তেলবাহী লরি ও বালুবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বালুবাহী ট্রাকটি পাশের একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার ওপর আছড়ে পড়ে। এতে ট্রাকে থাকা রিপন মিয়া ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রী আবুল খায়ের ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

    খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তারা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। পরে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানায় নিয়ে যায়।

    মাধবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফারুক মিয়া জানান, তেলবাহী লরি ও বালুবাহী ট্রাকের সংঘর্ষের পর ট্রাকটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার ওপর উঠে যায়। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

    শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শুভ রঞ্জন চাকমা জানান, নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • চোখ হারানো আলিফকে দেখতে হাসপাতালে খেলাফত মজলিসের আমির

    চোখ হারানো আলিফকে দেখতে হাসপাতালে খেলাফত মজলিসের আমির

    সম্প্রতি হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় ছাত্রদলের হামলায় এক চোখ হারানো আলিফ চৌধুরীকে দেখতে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে যান খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ।

    বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) হাসপাতালে গিয়ে তিনি অসুস্থ আলিফের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করেন।

    এ সময়ে খেলাফত মজলিসের আমিরের সাথে সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মো: আবদুল জলিল, ইসলামী যুব মজলিস সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সোহাইল আহমদ, শ্রমিক মজলিস কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা খালেদ সানোয়ার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল

    হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল

    জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ও সংসদে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, এনসিপি নেতা সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, এনসিপি নেতা সারজিস আলমকে বহনকারী গাড়ি বহরকে হবিগঞ্জে আসার পথে বিভিন্ন স্থানে পুলিশ বাধা প্রদান করেছে।

    এদিকে এনসিপির শীর্ষ নেতাদের হবিগঞ্জে প্রবেশে বাধা দেয়ার ঘটনায় বুধবার সন্ধা ৬টার দিকে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে হবিগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে এনসিপি নেতাকর্মীরা।

    এনসিপির বিক্ষোভ মিছিলটি হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার সামনে থেকে শুরু হয়ে বেবী স্ট্যান্ড হয়ে কোর্ট স্টেশনে গিয়ে শেষ হয়।

    উত্তেজনার মধ্যে শহরের শায়েস্তানগরস্থ বিএনপির জেলা অফিস, হবিগঞ্জ সার্কিট হাউজসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোর করেছে পুলিশ।

    অপরদিকে, মৌলভীবাজার থেকে একটু একটু করে তারা হবিগঞ্জের পথে এগিয়ে আসছেন। মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জের বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দিতে আসার পথে এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপিসহ শীর্ষ নেতাদের গাড়ি বহরকে প্রথমে শ্রীমঙ্গলে আটকে দেয় পুলিশ।

    সারজিস আলম বলতে থাকেন- হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারী করা হয়েছে মৌলভী বাজারে নয়। তখন তাদেরকে আরেকটু অগ্রসর হওয়ার সুযোগ দেয়া হয়। গাড়ি বহর নিয়ে আসা হয় হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার সীমান্তের চা কন্যা খ্যাত শ্রীমঙ্গলের চা- কন্যা মোড়ালের কাছে। সেখানে এনসিপি নেতাদের গাড়ি বহরকে আটকে দেয় পুলিশ। সেখান থেকে গাড়ি বহর নিয়ে আসা হয় হবিগঞ্জ জেলার রশিদপুর চা বাগানের মুছাই পাহাড়ের কাছে। সেখানে বালুর ট্রাক দিয়ে এনসিপি নেতাদের হবিগঞ্জে প্রবেশে বাধা প্রদান করে পুলিশ।

    বিএনপি অফিসের সামনে দায়িত্ব পালন করাকালে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল হক জানান, শহরের পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। উৎসুক জনতা রাস্তায় ভিড় করছে। সার্বিক দিক বিবেচনায় শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

    সার্কিট হাউজের নিরাপত্তায় থাকা সদর থানা পুলিশের সেকেন্ড অফিসার ধ্রুবেশ জানান, ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে কেউ শহরে মিছিল সমাবেশ করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সে প্রস্তুতি পুলিশের রয়েছে।

    এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি তার ফেইসবুক পেইজে লিখেছেন ‘হবিগঞ্জের পথে ৪র্থ ব্যারিকেডের মুখে এনসিপি নেতৃবৃন্দ’।

  • ১৪৪ ধারার মধ্যেই হবিগঞ্জে  যাচ্ছেন নাহিদ-হাসনাত

    ১৪৪ ধারার মধ্যেই হবিগঞ্জে যাচ্ছেন নাহিদ-হাসনাত

    মঙ্গলবার হবিগঞ্জে এনসিপির জুলাই পদযাত্রায় হামলার প্রতিবাদে সেখানেই বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল এনসিপি। ওই কর্মসূচিতে যোগ দিতে এরই মধ্যে হবিগঞ্জের পথে রয়েছে দলটির নেতারা।

    মঙ্গলবার রাতে এনসিপি এই কর্মসূচি ঘোষণার পর একই স্থানে বিএনপি ও ছাত্রদল কর্মসূচি ঘোষণা করায় হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।

    তবে প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করলেও কর্মসূচি পালন করতে সেখানে যাচ্ছেন এনসিপির নেতারা।

    এই কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে রয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহসহ দলটির সিনিয়র নেতারা।

    আর আগে থেকেই সেখানে আছেন নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

    এনসিপির মিডিয়া উপ কমিটির সদস্য ইয়াসির আরাফাত জানান, কর্মসূচি পালনের উদ্দেশ্যে এনসিপি নেতারা এখন খুব কাছাকাছি রয়েছেন।

    ১৪৪ ধারার মধ্যে কীভাবে কর্মসূচি পালন করবেন এমন প্রশ্নের জবাবে আরাফাত বলেন, ‘আহ্বায়কসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সেখানে পৌঁছানোর পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

    মঙ্গলবার হবিগঞ্জ শহরে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’র কর্মসূচি চলাকালে ও শেষে ফেরার পথে কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার অভিযোগ ওঠে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।

    পরে সারজিস আলমসহ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতাকে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনাও ঘটে। পরে রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় হবিগঞ্জ ছাড়েন তারা।

    এরপরই বুধবার হবিগঞ্জে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করায় সেখানে ১৪৪ ধারা জারির পর জেলাটিতে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

  • সিলেটে চা বাগানে অনিদিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু

    সিলেটে চা বাগানে অনিদিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু

    ডেক্স নিউজ : বকেয়া বেতন, রেশন, পূজার উৎসব বোনাসসহ ৭ দফা দাবীতে হবিগঞ্জের ৪টি চা বাগান অনিদিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছে চা শ্রমিকরা।

    আজ সোমবার (২৫ মে) সকাল থেকে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের দেউন্দি, লালচান, মৃতিঙ্গা ও মাধবপুরের নোয়াপাড়া চা বাগানে কর্মবিরতি শুরু শ্রমিকরা।

    চা শ্রমিকরা জানান, কয়েক সপ্তাহ ধরে নিয়মিত তলবি (সাপ্তাহিক বেতন) পাচ্ছেন না ৪ বাগানের শ্রমিকরা। ফলে বাগানের প্রায় ৫ হাজার শ্রমিক চরম সংকটে পড়েছেন। পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন শ্রমিকরা। এতে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে বাগানজুড়ে। ফলে শ্রমিকদের বেতন, ঈদ বোনাস ও অন্যান্য সুবিধা পরিশোধ নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

    এদিকে, গত ৬ মে বিভাগীয় শ্রম দপ্তর শ্রীমঙ্গলে মালিক,শ্রমিক ও শ্রম অধিদপ্তরের ত্রিপাক্ষিক একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।এতে সিদ্ধান্ত হয় দ্রুত শ্রমিকদের সকল বকেয়া পরিশোধ করার জন্য। এছাড়াও বর্ষা শুরু আগে জরাজীর্ণ ঘর সংস্কার, শ্রম আইন অনুযায়ী চিকিৎসার ব্যবস্থা করা,বকেয়া বেতন, রেশন, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও সাপ্তাহিক তলব প্রদান করার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্ত মালিকপক্ষ সিদ্ধান্ত পূরণ না করায় দেঊন্দি কোম্পানির ৪টি বাগানের শ্রমিকরা আজ থেকে কর্মবিরতি শুরু করে। সকাল থেকে শ্রমিকরা বাগান ও ফ্যাক্টরিতে না গিয়ে নাট্য মন্দিরের অবস্থান নেন।

    এ ব্যাপারে দেউন্দি চা বাগানের পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি আপন সাঁওতাল বলেন – দেউন্দি কোম্পানির অধীনে ৪টি বাগান রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চা শ্রমিকরা অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে। মালিকপক্ষ ২০২২ সাল থেকে শুধু সব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু কার্যকর কোন পদক্ষেপ নেয়নি।

    এমনকি গত ৬ তারিখ শ্রীমঙ্গলে সভার সিদ্ধান্তও তারা বাস্তবায়ন করেনি। তাই বাধ্য হয়ে শ্রমিকরা আজ থেকে অনিদিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছে। আমাদের ৭ দফা দাবি না মানা পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে।

    এ এম