ক্যাটাগরি ফেনী

Feni district

  • ফেনীতে ক্রাসিং মেশিনে লুঙ্গি পেঁচিয়ে মালিকের মৃত্যু

    ফেনীতে ক্রাসিং মেশিনে লুঙ্গি পেঁচিয়ে মালিকের মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ফেনীতে হলুদ-মরিচ ও চাল গুঁড়ো করার ক্রাসিংমিলের মেশিনের সঙ্গে পরনের লুঙ্গি পেঁচিয়ে আটকা পড়ে নুরুল ইসলাম ছুট্টু (৫৫) নামের এক ব্যবসায়ী ও মিল মালিকের মৃত্যু হয়েছে।

    সোমবার বিকেল ৩টার দিকে ফেনী শহরের মুক্ত বাজার এলাকার ‘খান সুপার মার্কেটে’ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত নুরুল ইসলাম ছুট্টু ফুলগাজী উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের উত্তর দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি খান সুপার মার্কেটের ‘হজরত শাহজালাল ক্রাসিংমিল’র প্রোপ্রাইটর ছিলেন।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে মিলের ভেতরে মেশিন চালু থাকা অবস্থায় কাজ করছিলেন নুরুল ইসলাম। এ সময় অসাবধানতাবশত তার পরনের লুঙ্গিটি চলন্ত মেশিনের ঘূর্ণায়মান অংশের সঙ্গে পেঁচিয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে তিনি মেশিনের সঙ্গে আটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।

    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফেনী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) সজল কান্তি দাস জানান, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। পরবর্তীতে কোনো অভিযোগ না থাকায় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • ফেনীতে অপহরণ-চাঁদাবাজি মামলায় বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা কারাগারে

    ফেনীতে অপহরণ-চাঁদাবাজি মামলায় বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা কারাগারে

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ফেনীর দাগনভূঞায় অপহরণ ও চাঁদাবাজির মামলায় জেলা ছাত্রদলের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি জামশেদুর রহমান ফটিককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

    বৃহস্পতিবার যুগ্ম-জেলা ও দায়রা জজ মো: জাহিদ হোসাইনের আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহাদাত হোসাইন মিনার জানান, জামশেদুর রহমান ফটিকের বিরুদ্ধে ফেনী মডেল থানায় অপহরণ ও চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে। তিনি ওই মামলার একমাত্র আসামি।

    তিনি জানান, জামিনে গিয়ে ফটিক অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে আদালত ওয়ারেন্ট ইস্যু করেন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি ফেনীর যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজিম নোমান জানান, ফটিকের বিরুদ্ধে অপহরণ ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১১টি মামলা রয়েছে।

  • ফেনীতে ২২ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি সানগ্লাস জব্দ

    ফেনীতে ২২ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি সানগ্লাস জব্দ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ফেনীর ফুলগাজী সীমান্তে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২২ লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ইউভি সানগ্লাস ও শাড়ি জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    মঙ্গলবার সকালে চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে এসব মালামাল জব্দ করা হয়।

    ৪ বিজিবি ফেনী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। একইসাথে সীমান্তে মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিহত, সীমান্তের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং যেকোনো ধরনের সীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবি সর্বদা সজাগ, সতর্ক ও তৎপর রয়েছে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘সীমান্ত নিরাপত্তা সুরক্ষা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিজিবি ভবিষ্যতেও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।’

  • ফ্ল্যাট থেকে গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার

    ফ্ল্যাট থেকে গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার

    ফেনীর পরশুরামে একটি ফ্ল্যাট থেকে ফারহানা আক্তার প্রিয়া (১৬) নামে এক গৃহকর্মীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলা গেট-সংলগ্ন কাদের টাওয়ারের তৃতীয়তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

    নিহত প্রিয়া নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার সেবারহাট এলাকার সাইফুল ইসলাম ও ফারজানা আক্তারের মেয়ে। পারিবারিক সমস্যার কারণে প্রায় তিন বছর আগে পরশুরামে একটি স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা জাহেদা আক্তার তিমুর বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে শুরু করে প্রিয়া।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে স্কুল থেকে ফিরে বাসার দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান জাহেদা আক্তার তিমু। অনেকক্ষণ ডাকাডাকি ও দরজায় ধাক্কাধাক্কি করেও সাড়া না পেয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় প্রিয়ার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

    পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে একটি ধাতব ‘লাভ’ আকৃতির বস্তু এবং ডায়েরির একটি পাতায় ইংরেজি অক্ষরে ‘কে+পি’ লেখা একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসব আলামতের সাথে মৃত্যুর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্তের আগে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

    গৃহকর্ত্রী জাহেদা আক্তার তিমু বলেন, সকালে স্কুলে যাওয়ার আগে প্রিয়াকে ভাত রান্না করে খেয়ে নিতে বলেছিলাম। তাকে আমি নিজের পরিবারের সদস্যের মতোই দেখতাম।

    পরশুরাম মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে। এটি আত্মহত্যা, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ বা প্ররোচনা রয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এরপর আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • সড়কে ধানের চারা রোপণ করে সংস্কারের দাবি

    সড়কে ধানের চারা রোপণ করে সংস্কারের দাবি

    ফেনীর পরশুরামে বেহাল সড়ক সংস্কারের দাবিতে অভিনব প্রতিবাদ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কর্দমাক্ত সড়কের মাঝখানে ধানের চারা রোপণ করে দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

    মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের দক্ষিণ কাউতলী গ্রামের প্রধান সড়কে এ ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি কাদায় পরিণত হয়। এতে শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষের চলাচলে ভোগান্তি বেড়ে যায়। পাশাপাশি রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ জরুরি সেবার যানবাহনও এই সড়কে যেতে অনীহা দেখায়।

    বাসিন্দারা জানান, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের প্রতিবাদ জানাতেই তারা রাস্তার মধ্যে ধানের চারা রোপণ করেছেন।

    স্থানীয় বাসিন্দা মহসিন মজুমদার বলেন, বৃষ্টি হলেই সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বর্ষা মৌসুমে পুরো রাস্তা কাদায় ভরে যায়। এতে শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাওয়া এবং রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

    আরেক বাসিন্দা মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, বহু বছর ধরে তারা এই সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। জনপ্রতিনিধিরা বিভিন্ন সময় আশ্বাস দিলেও বাস্তবে কোনো পরিবর্তন হয়নি। বর্তমানে সড়কের অবস্থা দেখে মনে হয় এটি যেন চাষের জমি।

    মাদরাসার শিক্ষার্থী নুরুল ইসলাম জানায়, বৃষ্টি হলে কাদা এড়িয়ে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক সময় জুতা হাতে নিয়ে রাস্তা পার হতে হয় এবং পিছলে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটে।

    মির্জানগর ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, সড়কটির দুরবস্থার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রকল্প অনুমোদন হলে টেকসই সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে।

    পরশুরাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতনু বড়ুয়া বলেন, তিনি সম্প্রতি দায়িত্ব নিয়েছেন। বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছে। সড়ক সংস্কারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ভাইয়ের প্রতারণায় ২ কোটি টাকা হারানোর অভিযোগ প্রবাসী ভাইয়ের

    ভাইয়ের প্রতারণায় ২ কোটি টাকা হারানোর অভিযোগ প্রবাসী ভাইয়ের

    ফেনীর দাগনভূঞায় দক্ষিণ আফ্রিকাপ্রবাসী আবুল মনছুর আহাদ অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘ ১৪ বছরের কষ্টার্জিত দুই কোটি ১৭ লাখ ৯৮ হাজার ৭৯ টাকা তার মেজো ভাই আত্মসাৎ করেছেন।

    বুধবার ফেনী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ তুলে ধরেন।

    মনছুর আহাদ উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ আবদুল নবী গ্রামের বাসিন্দা খায়েজ আহমদের ছেলে।

    লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি ফাস্টফুড ব্যবসা পরিচালনা করে উপার্জিত সব সঞ্চয় দেশে পাঠিয়েছেন। তার মেজো ভাই ওমর আলম ফরহাদের প্রতি বিশ্বাস রেখে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থ পাঠান। দেশে ফিরে তার জন্য ফ্ল্যাট, জায়গা এবং ব্যবসার জন্য হাইস গাড়ি কিনে দেয়ার আশ্বাসও দেয়া হয়েছিল।

    তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৩ সালে দেশে ফিরে দেখেন তার পাঠানো অর্থ দিয়ে ভাই নিজের নামে ফ্ল্যাট, ব্যবসা ও ওষুধের দোকান গড়ে তুলেছেন। কিন্তু তাকে কোনো সম্পদের মালিকানা কিংবা টাকার হিসাব দেয়া হয়নি। বারবার হিসাব চাইলে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়।

    আবুল মনছুর আহাদের দাবি, তিনি তার ভাইয়ের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে ৬২ লাখ ৮০ হাজার ১৪৮ টাকা এবং এনএ কনস্ট্রাকশনের হিসাবে ১ কোটি ৫৫ লাখ ১৩ হাজার ৭২৫ টাকাসহ মোট ২ কোটি ১৭ লাখ ৯৮ হাজার ৭৯ টাকা পাঠিয়েছেন।

    তিনি আরো জানান, দেশে ফেরার আগে তার হাতে লেখা টাকার হিসাবের একটি চিরকুট ভাইয়ের ছেলে খোরশেদ আলমের কাছে রেখে আসেন। দেশে ফিরে সেই হিসাবও তাকে দেয়া হয়নি। বরং পাওনা টাকা ও হিসাব চাইতে গেলে তাকে পৈত্রিক বাড়িতে যেতে নিষেধ করা হয় এবং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন।

    আবুল মনছুর আহাদ বলেন, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়-স্বজন ও বিভিন্ন মহলের মাধ্যমে একাধিকবার বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা করেও কোনো প্রতিকার পাননি। পরে বাধ্য হয়ে তিনি আইনের আশ্রয় নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি অর্থহীন, অসুস্থ ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

    সংবাদ সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে আবুল মনছুর আহাদ বলেন, ‘প্রবাসে জীবনের সোনালী সময়গুলো পরিবারের সুখের জন্য উৎসর্গ করেছি। আজ সেই কষ্টের উপার্জনের হিসাব চাইতে গিয়ে আমি অসহায় হয়ে পড়েছি। আমি শুধু আমার কষ্টার্জিত অর্থ ফেরত চাই, এর বেশি কিছু নয়।’

  • ফেনীতে গৃহবধূ কাজল হত্যাকাণ্ডে প্রতিবেশী যুবক গ্রেফতার

    ফেনীতে গৃহবধূ কাজল হত্যাকাণ্ডে প্রতিবেশী যুবক গ্রেফতার

    ফেনীর ফুলগাজীতে গৃহবধূ বিবি কুলসুম কাজল (৩৭) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দূর সম্পর্কের ভাগ্নে মো: আরিফুল ইসলামকে (৩১) গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

    সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে র‍্যাব-৭-এর স্কোয়াড্রন লিডার মিজানুর রহমান এ তথ্য জানান।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, আরিফ ঘটনার দিন দিবাগত রাত ৪টার দিকে ঋণের টাকা জোগাড়ের জন্য তার দূর সম্পর্কের মামি ভুক্তভোগী কাজলের বাসায় প্রবেশ করেন। এসময় তার হাতে থাকা কাটার নিয়ে তিনি গ্রিল বেয়ে ছাদে ওঠেন। ছাদের ঢেউটিন কেটে ঘরে প্রবেশ করে তিনি মুখ ঢেকে ফেলেন। পরে ভুক্তভোগী যখন দরজা খোলেন, তার জন্য ওঁৎপেতে থাকা আরিফ কাজলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং মুখ চেপে ধরেন। একপর্যায়ে হাত বাঁধার চেষ্টা করলে ভুক্তভোগী ও আরিফের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে কাজলকে দেওয়ালের সাথে ধাক্কা দেন আরিফ। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

    ব্রিফিংয়ে আরো জানানো হয়, প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের পর আরিফ নিজেকে দোষী বলে স্বীকারোক্তি দেন। জানান, তিনি ঋণের টাকার জন্য তার মামির বাসায় প্রবেশ করেন।

    আরিফকে সোমবার ভোরে ফুলগাজী উপজেলার উত্তর ধর্মপুর এলাকায় অভিযান পরিচালানা করে গ্রেফতার করা হয়।

    উল্লেখ্য, শুক্রবার দিবাগত রাতে ফুলগাজীর আমজাদ হাট ইউনিয়নের দক্ষিণ তালবাড়িয়ায় ঘরের টিন কেটে ঢুকে গৃহবধূ কাজলকে হত্যা করা হয়।

  • ফেনীতে পিকআপ-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

    ফেনীতে পিকআপ-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

    ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন ফেনী-পরশুরাম সড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মুরগিবোঝাই পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে দু’জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ছয়জন।

    শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন— উপজেলার পাঠানগড়ের কাজী আজাদের স্ত্রী ওয়াহিদা আক্তার জুহা (২০) ও ফুলগাজী সদর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে সিএনজিচালক মোহাম্মদ কাউসার (২৫)।

    ফুলগাজী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মিজানুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ফেনী জেনারেল হাসপাতাল নেয়া হয়। তবে পথে সিএনজিচালক কাউসার ও যাত্রী জুহা মারা যান। আহত অন্যরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    তিনি আরো জানান, নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দু’টি জব্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

  • ফুলগাজীতে টিন কেটে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা

    ফুলগাজীতে টিন কেটে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা

    ফেনীর ফুলগাজীতে ঘরের চালের টিন কেটে ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (২৬ ‍জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার আমজাদহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ তালবাড়িয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত গৃহবধূর নাম কাজল আক্তার (২৬)। তিনি দক্ষিণ তালবাড়িয়ার কুয়েত প্রবাসী নুরুল আমিনের স্ত্রী।

    নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা আধাপাকা ঘরের টিনের চাল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা প্রবাসীর স্ত্রী কাজল আক্তারের হাত-পা বেঁধে মাথায় ও গলায় আঘাত করে তাকে হত্যা করে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ সময় ঘরে তার তিন সন্তান ঘুমন্ত অবস্থায় ছিল।

    নিহতের ভাসুর মাস্টার ইসমাঈল ফজরের নামাজ পড়তে ঘর থেকে বের হলে গোঙ্গানির শব্দ শুনে চিৎকার করেন। এ সময় বাড়ির লোকজন পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠায়।

    ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এম মিজানুর রহমান জানান, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কী কারণে ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • ফেনীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত

    ফেনীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী অংশের লেমুয়া হাফেজিয়া রাস্তার মাথায় মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বাবা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় আরো একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতরা হলেন, সোনাগাজী উপজেলার বক্তার মুন্সি বাজার সংলগ্ন রাজাপুর গ্রামের মো: নুরুল হুদার ছেলে নুরুল আলম (৪৬) ও তার ছেলে মোহাম্মদ নীরব (২৫)। নুরুল আলম ফেনী ডায়াবেটিক হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সচালক ছিলেন।

    এছাড়া ফেনী সদর উপজেলার লেমুয়া ইউনিয়নের সিরাজ মিয়ার ছেলে আফজাল হোসেন (৩৫) গুরুতর আহত হন।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের স্বজনরা জানায়, নুরুল আলম মঙ্গলবার সকালে ভাগ্নে আফজালের মোটরসাইকেলে নিজ ছেলে নিরবসহ লেমুয়ায় বোনের বাড়িতে দাওয়াতে যাচ্ছিলেন। এসময় তাদের মোটরসাইকেলটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের লেমুয়া হাফেজিয়া এলাকায় পৌঁছালে রাস্তায় ইউটার্ন নেয়ার সময় চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা দাউদকান্দি এক্সপ্রেস বাসের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে তারা তিনজনই পিষ্ট হন।

    তাৎক্ষণিক আশপাশের লোকজন এসে তাদের উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নুরুল আলমকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত নিরব ও আফজালকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। সেখানে নেয়ার পথে নীরবের মৃত্যু হয়।

    ফেনী ডায়াবেটিক হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সোহেল রানা বলেন, ‘রাতে অ্যাম্বুলেন্সে ডিউটি শেষে নুরুল আলম মোটরসাইকেল করে লেমুয়ায় তার বোনের বাড়িতে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। এতে নুরুল আলম ও তার ছেলে নীরবের মৃত্যু হয়।’

    মহিপাল হাইওয়ে থানার ওসি আসাদুল ইসলাম বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় প্রথমে একজন এবং পরে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জেনেছি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।