ফেনী

Feni district

  • সোনাগাজীতে মাদককারবারির সঙ্গ থেকে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে হামলায় বাবার মৃত্যু

    সোনাগাজীতে মাদককারবারির সঙ্গ থেকে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে হামলায় বাবার মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ফেনীর সোনাগাজীতে মাদককারবারির সঙ্গ থেকে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে হামলায় মোহাম্মদ হানিফ (৫৫) নামে এক দিনমজুর নিহত হয়েছেন।

    মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পরিবার।

    নিহত মোহাম্মদ হানিফ চরচান্দিয়া ইউনিয়নের চরচান্দিয়া গ্রামের আবদুল আহাদের ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ রিয়াদ (২৫) নামে এক যুবককে আটক করেছে।

    পুলিশ, নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী জানায়, হানিফ মেয়ের বিয়ের খরচের জন্য ২০ হাজার টাকা ঘরের আলমারির মধ্যে রেখেছিলেন। তার ছেলে বখাটে মেহেরাজ স্থানীয় মাদককারবারিদের সাথে মিলে ওই টাকা চুরি করে নিয়ে খরচ করে ফেলে। বিষয়টি নিয়ে নিজের ছেলেকে শাসনের পাশাপাশি স্থানীয় মাদককারবারিদের সঙ্গ না দেয়ার জন্য নিষেধ করেন।

    এতে মাদককারবারিরা ক্ষুব্ধ হয়ে, গত ৯ অক্টোবর বাদ জুমা দুপুর ২টার দিকে জুমার নামাজ পড়ে বাড়িতে যাওয়ার পথে পূর্বে থেকে ওত পেতে থাকা মাদককারবারি বেলায়েত হোসেন মামুন, তার সহযোগী মো: শুভ ও রিয়াদসহ ৪-৫ জন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হানিফকে গুরুতর জখম করে।

    স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার তিনি মারা যান।

    সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আবুল হাসিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আসামিদের গ্রেফতারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’এ,আর

  • ফেনীতে বিজিবি অভিযানে ৯৫৭ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

    ফেনীতে বিজিবি অভিযানে ৯৫৭ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    সীমান্ত সুরক্ষা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ১০ মাসে ১৩টি ব্যাটেলিয়নে ৯৫৭ কোটি ১৩ লাখ ১৪ হাজার ৩২৮ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) আয়োজিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিবুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

    লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিবুল ইসলাম জানান, বিজিবি সরাইল রিজিয়নের দায়িত্বপূর্ণ প্রায় এক হাজার ২০৪ কিলোমিটার সীমান্তের চারটি সেক্টরের অধীন ১৩টি ব্যাটালিয়নের ২১১টি বিওপি সার্বক্ষণিক নজরদারি ও টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সদস্যদের কঠোর পরিশ্রম, গোয়েন্দা তৎপরতা ও ধারাবাহিক অভিযানের ফলে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত সরাইল রিজিয়নের ১৩টি ব্যাটালিয়নের অভিযানে ১১টি পিস্তল, সাতটি এয়ারগান, পাঁচটি পাইপগান, ৬২ রাউন্ড কার্তুজ, ১৯ কেজি উচ্চ বিস্ফোরক, ১১৭টি ডেটোনেটর ও ৭৭মিটার ডেটোনেটরের তার উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া মাদকবিরোধী অভিযানে ১৩টি ব্যাটালিয়ন মোট তিন লাখ ৪০ হাজার ৮১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১৪ হাজার ৯৬৭ কেজি গাঁজা, ৬৩ হাজার ৭৫৫ বোতল বিদেশী মদ, ১৬ হাজার ৬৮০ বোতল ফেনসিডিল ও কফ সিরাপ এবং চার লাখ ৩২ হাজার ৫১০ পিস বিভিন্ন ধরনের নেশাজাতীয় ট্যাবলেট জব্দ করেছে। এসময় আটক করা ৩৩৩ জন আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

    লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিবুল ইসলাম আরো বলেন, ‘প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় অবৈধ পাথর ও বালু উত্তোলন বিরোধী অভিযানেও সাফল্য পেয়েছে বিজিবি। এসব অভিযানে ১৬ হাজার ৮০০ ঘনফুট পাথর ও আট হাজার ২০০ ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়েছে।’

    শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ফেনী ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত পরশুরাম বক্স মাহমুদ উচ্চবিদ্যালয়ে একটি বেইজ ক্যাম্প স্থাপনসহ পাঁচটি প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।‘

    এছাড়া সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি, সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ এবং স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পূজা উদযাপন কমিটির সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে গুজব, উসকানিমূলক বক্তব্য ও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টির বিষয়ে সতর্ক নজরদারি রাখা হচ্ছে। এ,আর

  • ফেনীর জুলাই যোদ্ধা সাদ্দাম  ৭ দফা দাবিতে আমরণ অনশনে

    ফেনীর জুলাই যোদ্ধা সাদ্দাম ৭ দফা দাবিতে আমরণ অনশনে

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    চাঁদা দাবি, রেস্টুরেন্ট দখল, জোরপূর্বক নৃত্য করানো ও উলঙ্গ করে ভিডিও ধারণ করে বারবার হামলার বিচারসহ সাত দফা দাবিতে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আমরণ অনশন করছেন ফেনীর জুলাই যোদ্ধা সাদ্দাম হোসাইন।

    রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে তার মা এই অনশনে যোগ দিয়েছেন। এর আগে, শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল থেকে তিনি আমরণ অনশনে রয়েছেন।

    ভুক্তভোগী সাদ্দাম হোসাইনের দাবি, ‘আমি আমার দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত এবং ফেনী-১ আসনের এমপি রফিকুল আলম মজনু ভাইকে পর্যন্ত জানিয়েছি। ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবেদীনের ছেলে ইকবাল ভাটকেও জানিয়েছি। কিন্তু কোনো সমাধান পাইনি। বরং ওরা আমাকে বারবার হেনস্তা করেছে। আমার দখলকৃত দোকান উদ্ধারের চেষ্টা করলে হুমকি দিয়েছে। প্রশাসন থেকেও কোনো সহযোগিতা পাইনি।’

    তিনি বলেন, ‘আমার অবস্থা খারাপ। সময় যত যাচ্ছে, তত আমার শারীরিক অবস্থা খারাপ হচ্ছে। আমি দ্রুত আমার দাবির বাস্তবায়ন চাই। আমি এদের বিচার ও রেস্টুরেন্টের উদ্ধার চাই দ্রুত।’ এ,আর

  • ফেনীতে নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্র ইমনের সন্ধান চেয়ে মানববন্ধন

    ফেনীতে নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্র ইমনের সন্ধান চেয়ে মানববন্ধন

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ফেনী শহরের বিরিঞ্চি এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়ার নয় দিন পরও সন্ধান মেলেনি মাদরাসাছাত্র মাহফুজুর রহমান ইমনের।

    মঙ্গলবার দুপুরে শহরের ট্রাংক রোডের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে তার সন্ধানের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্বজন, সহপাঠী ও এলাকাবাসী।

    ইমন বিরিঞ্চি সুফিয়া নূরিয়া আলিম মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। সে স্থানীয় পঁচি ফকির বাড়ির শহীদুল ইসলাম সুজনের ছেলে।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, শহীদুল ইসলাম সুজন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। ছোট ছেলে ইমন পড়াশোনার পাশাপাশি বাবার অটোরিকশা নিয়ে বের হতো। অন্যদিনের মতো গত ২৮ সেপ্টেম্বর অটোরিকশা নিয়ে বের হওয়ার পর আর বাসায় ফেরেনি সে। এ ঘটনায় ফেনী মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। এর দুই দিন পর পুলিশ ফতেহপুর স্টার লাইন ফিলিং স্টেশনসংলগ্ন স্থান থেকে অটোরিকশাটি উদ্ধার করে।

    মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ইমনের বাবা শহীদুল ইসলাম সুজন, মা মোমেনা বেগম, ভাই মোশাররফ হোসেন জাবেদ, স্থানীয় সমাজকর্মী ছালাউদ্দিন মামুন, মাওলানা হাসান আহমদ, মাহফুজুর রহমান ও কামাল উদ্দিন মিন্টুসহ স্থানীয়রা।

    ইমনের মা মোমেনা বেগম বলেন, ‘আজ নয় দিন হয়ে গেছে। আমি এখনো আমার ছেলের খোঁজ পাইনি। আমার ছেলে মৃত হোক বা জীবিত হোক, আমার ছেলেকে ফিরিয়ে দিন।’

    ইমনের বাবা শহীদুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘গত নয় দিন সবার ধারে ধারে ঘুরতেছি, আমার ছেলের কোনো খোঁজ পাচ্ছি না। আমার ছেলে কোথায় আছে, কিভাবে আছে কিছুই জানি না। আমার ছেলে ফেরত চাই। কিছু চাই না, শুধু আমার ছেলেকে ফেরত দিন।’

    মেঝো ভাই মোশাররফ হোসেন জাবেদ বলেন, ‘নয় দিন হয়ে গেছে, আজ পর্যন্ত আমার ভাইকে পাইনি। মডেল থানায় জিডি করার পরও পুলিশ আমার ভাইয়ের খোঁজ এখনো দিতে পারেনি। প্রশাসন কোনো কাজ করছে না। আমরা অনুরোধ করবো আমার ভাইয়ের সন্ধান যেন দেয়া হয়। আমার ভাইকে আমরা ফেরত চাই।’ এ,আর

  • ফেনীতে ‘মিথ্যা’ গণধর্ষণ মামলা: জাল কবিরকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

    ফেনীতে ‘মিথ্যা’ গণধর্ষণ মামলা: জাল কবিরকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ফেনীতে গণধর্ষণসহ অর্ধশতাধিক মামলা দিয়ে হয়রানি এবং পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে পলাতক জাল কবিরকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

    সোমবার দুপুরে জেলা জজ কোর্ট প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি পালন করেন ফুলগাজী উপজেলার আমজাদহাট ইউনিয়নের উত্তর ধর্মপুর, কিল্লাদিঘী ও তালপাড়িয়ার বাসিন্দারা।

    মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, জাল কবির ও তার সহযোগীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে একটি ঘটনাকে গণধর্ষণ হিসেবে সাজিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এছাড়া অর্ধশতাধিক মামলা দিয়ে তাদের হয়রানি করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।

    ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, ছাগলনাইয়া সুবেদারি রাস্তার মাথায় মাস্টার ম্যানশনে আবদুর রহমানের ভাড়া বাসায় এক গৃহকর্মীর সাথে জাল কবিরের লোকজন আপসে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়ে পরে সেটিকে গণধর্ষণ হিসেবে সাজিয়ে মামলা করা হয়।

    তারা আরো জানান, গত বছরের জুলাইয়ে একটি গণধর্ষণ মামলায় জাল কবিরকে গ্রেফতার করা হলে তিনি পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যান।

    ভুক্তভোগী নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে জাল কবির চক্রের মামলায় জর্জরিত। এখানে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা বয়স্ক মানুষগুলো সবাই এ চক্রের মামলার শিকার। সর্বশেষ এ মামলার যখন কোনো কুল কিনারা পাচ্ছিল না আমাদের বিরুদ্ধে। তখন জাল কবিরের ভাই তাদের কাজের বুয়ার সাথে আপসে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে সাজানো গণধর্ষণ মামলা দেন। আমরা গত ১ অক্টোবর খালাস পেয়েছি।’

    মোহাম্মদ আবদুল লতিফ বলেন, ‘জাল কবির ও তার পুরো চক্র আমাদের সাথে প্রতারণা করে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে। আমরা মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছি। আমরা চাই, জাল কবিরকে গ্রেফতার করা হোক। সে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল। তাকে গ্রেফতার করা হলে কেউ আর এমন করার সাহস পাবে না।’

    আরেক ভুক্তভোগী জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘জাল কবির আমাদের হয়রানি করেছে। আমরা দীর্ঘ সময় ধরে হয়রানির শিকার হয়েছি। সে আমাদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছিল। আমরা চাই, জাল কবির ও তার ভাইকে গ্রেফতার করা হোক।’ এ,আর

  • দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও আইনশৃঙ্খলা অবনতির প্রতিবাদে ফেনীতে জামায়াতের বিক্ষোভ

    দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও আইনশৃঙ্খলা অবনতির প্রতিবাদে ফেনীতে জামায়াতের বিক্ষোভ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে ফেনীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

    শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জেলা আমির মুফতি আবদুল হান্নান।

    বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের বড় জামে মসজিদ থেকে শুরু হয়ে ট্রাংক রোড প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ আবদুর রহিম, সহকারী সেক্রেটারি ও প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট জামাল উদ্দিন, শহর আমির ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের শহর সেক্রেটারি এনামুল হক প্রমুখ।

    মুফতি আবদুল হান্নান বলেন, ‘তেলের দাম প্রতি লিটারে ২০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। অবিলম্বে জ্বালানি তেলের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। আজকে সারাদেশে একটি অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে আইনশৃঙ্খলার সর্বোচ্চ অবনতি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলার উন্নতি সাধনে সরকারকে অবিলম্বে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আর যদি ব্যর্থ হয় তাহলে দ্রুত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। তিনি একজন ব্যর্থ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’ এ,আর

  • ফেনী কলেজে ছাত্রশিবিরের সিরাত অলিম্পিয়াড, পুরস্কার বিতরণ

    ফেনী কলেজে ছাত্রশিবিরের সিরাত অলিম্পিয়াড, পুরস্কার বিতরণ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ফেনী সরকারি কলেজে ইসলামী ছাত্রশিবিরের আয়োজনে সিরাত অলিম্পিয়াড ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে চার শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।

    রোববার সকালে কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ফেনী জেলা আমীর মুফতি আবদুল হান্নান।

    ছাত্রশিবিরের কলেজ শাখার সভাপতি শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ফখরুল ইসলাম।

    ছাত্রশিবিরের কলেজ শাখার সেক্রেটারি তৌহিদুল ইসলাম মামুন অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেনী শহর শাখার সভাপতি শফিকুল ইসলাম ও জেলা সভাপতি ইমাম হোসেন আরমান। এছাড়া স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের শহর মিডিয়া বিষয়ক সম্পাদক ফখরুল ইসলাম পলাশ।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুফতি আবদুল হান্নান বলেন ‘রাসূল সা. জীবনী নিয়ে চর্চা হওয়া প্রয়োজন। রাসূল সা.-এর জীবনী নিয়ে আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। রাসূল সা. যে আদর্শ রেখে গেছেন তা কিয়ামত পর্যন্ত। রাসূল সা. এসেছেন দ্বীন কায়েমের জন্য। তিনি দ্বীনকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য লড়াই করেছেন।’

    তিনি বলেন, ‘আমরা আল্লাহর রাসূল সা.-এর জীবন অনুযায়ী নিজেদের গড়বো। আমাদের নিজেদের আল্লাহর কোরআন অনুযায়ী গড়তে হবে। আজকের তরুণ প্রজন্ম আগামীর নেতৃত্ব দিবে। এখানে তোমরা যারা আছো তোমরাই আগামীর ভবিষ্যত। তোমরা রাসূল সা.-এর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে নিজেদের গড়বে।’

    প্রধান আলোচক ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘আল্লাহর রাসূল সা. আমাদের যেভাবে পথ দেখিয়েছেন আমরা আমাদের জীবনকে সেভাবে সাজাবো। আর সেভাবে সাজাতে হলে আল্লাহর পাঠানো কোরআন আমাদের তেলোয়াত করবো। আমরা রাসূল সা. যতগুলো বই আছে, লেখা আছে সব আমাদের পড়তে হবে। আমাদের বেশি বেশি অধ্যয়ন করতে হবে। আমাদের চালচলনে রাসূল সা.-এর আদর্শ থাকা উচিত।’

    অলিম্পিয়াডে অংশ নেয়া চার শতাধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫০ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। প্রথম পাঁচজনকে নগদ অর্থসহ পুরস্কার দেয়া হয়। এছাড়া ৫০ জনকে ক্রেস্ট ও গিফট ব্যাগ দেয়া হয়েছে। এ,আর

  • ফেনীতে ক্রাসিং মেশিনে লুঙ্গি পেঁচিয়ে মালিকের মৃত্যু

    ফেনীতে ক্রাসিং মেশিনে লুঙ্গি পেঁচিয়ে মালিকের মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ফেনীতে হলুদ-মরিচ ও চাল গুঁড়ো করার ক্রাসিংমিলের মেশিনের সঙ্গে পরনের লুঙ্গি পেঁচিয়ে আটকা পড়ে নুরুল ইসলাম ছুট্টু (৫৫) নামের এক ব্যবসায়ী ও মিল মালিকের মৃত্যু হয়েছে।

    সোমবার বিকেল ৩টার দিকে ফেনী শহরের মুক্ত বাজার এলাকার ‘খান সুপার মার্কেটে’ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত নুরুল ইসলাম ছুট্টু ফুলগাজী উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের উত্তর দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি খান সুপার মার্কেটের ‘হজরত শাহজালাল ক্রাসিংমিল’র প্রোপ্রাইটর ছিলেন।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে মিলের ভেতরে মেশিন চালু থাকা অবস্থায় কাজ করছিলেন নুরুল ইসলাম। এ সময় অসাবধানতাবশত তার পরনের লুঙ্গিটি চলন্ত মেশিনের ঘূর্ণায়মান অংশের সঙ্গে পেঁচিয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে তিনি মেশিনের সঙ্গে আটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।

    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফেনী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) সজল কান্তি দাস জানান, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। পরবর্তীতে কোনো অভিযোগ না থাকায় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • ফেনীতে অপহরণ-চাঁদাবাজি মামলায় বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা কারাগারে

    ফেনীতে অপহরণ-চাঁদাবাজি মামলায় বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা কারাগারে

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ফেনীর দাগনভূঞায় অপহরণ ও চাঁদাবাজির মামলায় জেলা ছাত্রদলের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি জামশেদুর রহমান ফটিককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

    বৃহস্পতিবার যুগ্ম-জেলা ও দায়রা জজ মো: জাহিদ হোসাইনের আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহাদাত হোসাইন মিনার জানান, জামশেদুর রহমান ফটিকের বিরুদ্ধে ফেনী মডেল থানায় অপহরণ ও চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে। তিনি ওই মামলার একমাত্র আসামি।

    তিনি জানান, জামিনে গিয়ে ফটিক অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে আদালত ওয়ারেন্ট ইস্যু করেন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি ফেনীর যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজিম নোমান জানান, ফটিকের বিরুদ্ধে অপহরণ ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১১টি মামলা রয়েছে।

  • ফেনীতে ২২ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি সানগ্লাস জব্দ

    ফেনীতে ২২ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি সানগ্লাস জব্দ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ফেনীর ফুলগাজী সীমান্তে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২২ লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ইউভি সানগ্লাস ও শাড়ি জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    মঙ্গলবার সকালে চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে এসব মালামাল জব্দ করা হয়।

    ৪ বিজিবি ফেনী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। একইসাথে সীমান্তে মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিহত, সীমান্তের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং যেকোনো ধরনের সীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবি সর্বদা সজাগ, সতর্ক ও তৎপর রয়েছে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘সীমান্ত নিরাপত্তা সুরক্ষা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিজিবি ভবিষ্যতেও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।’

  • ফ্ল্যাট থেকে গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার

    ফ্ল্যাট থেকে গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার

    ফেনীর পরশুরামে একটি ফ্ল্যাট থেকে ফারহানা আক্তার প্রিয়া (১৬) নামে এক গৃহকর্মীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলা গেট-সংলগ্ন কাদের টাওয়ারের তৃতীয়তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

    নিহত প্রিয়া নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার সেবারহাট এলাকার সাইফুল ইসলাম ও ফারজানা আক্তারের মেয়ে। পারিবারিক সমস্যার কারণে প্রায় তিন বছর আগে পরশুরামে একটি স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা জাহেদা আক্তার তিমুর বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে শুরু করে প্রিয়া।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে স্কুল থেকে ফিরে বাসার দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান জাহেদা আক্তার তিমু। অনেকক্ষণ ডাকাডাকি ও দরজায় ধাক্কাধাক্কি করেও সাড়া না পেয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় প্রিয়ার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

    পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে একটি ধাতব ‘লাভ’ আকৃতির বস্তু এবং ডায়েরির একটি পাতায় ইংরেজি অক্ষরে ‘কে+পি’ লেখা একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসব আলামতের সাথে মৃত্যুর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্তের আগে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

    গৃহকর্ত্রী জাহেদা আক্তার তিমু বলেন, সকালে স্কুলে যাওয়ার আগে প্রিয়াকে ভাত রান্না করে খেয়ে নিতে বলেছিলাম। তাকে আমি নিজের পরিবারের সদস্যের মতোই দেখতাম।

    পরশুরাম মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে। এটি আত্মহত্যা, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ বা প্ররোচনা রয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এরপর আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • সড়কে ধানের চারা রোপণ করে সংস্কারের দাবি

    সড়কে ধানের চারা রোপণ করে সংস্কারের দাবি

    ফেনীর পরশুরামে বেহাল সড়ক সংস্কারের দাবিতে অভিনব প্রতিবাদ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কর্দমাক্ত সড়কের মাঝখানে ধানের চারা রোপণ করে দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

    মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের দক্ষিণ কাউতলী গ্রামের প্রধান সড়কে এ ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি কাদায় পরিণত হয়। এতে শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষের চলাচলে ভোগান্তি বেড়ে যায়। পাশাপাশি রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ জরুরি সেবার যানবাহনও এই সড়কে যেতে অনীহা দেখায়।

    বাসিন্দারা জানান, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের প্রতিবাদ জানাতেই তারা রাস্তার মধ্যে ধানের চারা রোপণ করেছেন।

    স্থানীয় বাসিন্দা মহসিন মজুমদার বলেন, বৃষ্টি হলেই সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বর্ষা মৌসুমে পুরো রাস্তা কাদায় ভরে যায়। এতে শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাওয়া এবং রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

    আরেক বাসিন্দা মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, বহু বছর ধরে তারা এই সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। জনপ্রতিনিধিরা বিভিন্ন সময় আশ্বাস দিলেও বাস্তবে কোনো পরিবর্তন হয়নি। বর্তমানে সড়কের অবস্থা দেখে মনে হয় এটি যেন চাষের জমি।

    মাদরাসার শিক্ষার্থী নুরুল ইসলাম জানায়, বৃষ্টি হলে কাদা এড়িয়ে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক সময় জুতা হাতে নিয়ে রাস্তা পার হতে হয় এবং পিছলে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটে।

    মির্জানগর ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, সড়কটির দুরবস্থার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রকল্প অনুমোদন হলে টেকসই সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে।

    পরশুরাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতনু বড়ুয়া বলেন, তিনি সম্প্রতি দায়িত্ব নিয়েছেন। বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছে। সড়ক সংস্কারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ভাইয়ের প্রতারণায় ২ কোটি টাকা হারানোর অভিযোগ প্রবাসী ভাইয়ের

    ভাইয়ের প্রতারণায় ২ কোটি টাকা হারানোর অভিযোগ প্রবাসী ভাইয়ের

    ফেনীর দাগনভূঞায় দক্ষিণ আফ্রিকাপ্রবাসী আবুল মনছুর আহাদ অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘ ১৪ বছরের কষ্টার্জিত দুই কোটি ১৭ লাখ ৯৮ হাজার ৭৯ টাকা তার মেজো ভাই আত্মসাৎ করেছেন।

    বুধবার ফেনী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ তুলে ধরেন।

    মনছুর আহাদ উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ আবদুল নবী গ্রামের বাসিন্দা খায়েজ আহমদের ছেলে।

    লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি ফাস্টফুড ব্যবসা পরিচালনা করে উপার্জিত সব সঞ্চয় দেশে পাঠিয়েছেন। তার মেজো ভাই ওমর আলম ফরহাদের প্রতি বিশ্বাস রেখে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থ পাঠান। দেশে ফিরে তার জন্য ফ্ল্যাট, জায়গা এবং ব্যবসার জন্য হাইস গাড়ি কিনে দেয়ার আশ্বাসও দেয়া হয়েছিল।

    তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৩ সালে দেশে ফিরে দেখেন তার পাঠানো অর্থ দিয়ে ভাই নিজের নামে ফ্ল্যাট, ব্যবসা ও ওষুধের দোকান গড়ে তুলেছেন। কিন্তু তাকে কোনো সম্পদের মালিকানা কিংবা টাকার হিসাব দেয়া হয়নি। বারবার হিসাব চাইলে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়।

    আবুল মনছুর আহাদের দাবি, তিনি তার ভাইয়ের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে ৬২ লাখ ৮০ হাজার ১৪৮ টাকা এবং এনএ কনস্ট্রাকশনের হিসাবে ১ কোটি ৫৫ লাখ ১৩ হাজার ৭২৫ টাকাসহ মোট ২ কোটি ১৭ লাখ ৯৮ হাজার ৭৯ টাকা পাঠিয়েছেন।

    তিনি আরো জানান, দেশে ফেরার আগে তার হাতে লেখা টাকার হিসাবের একটি চিরকুট ভাইয়ের ছেলে খোরশেদ আলমের কাছে রেখে আসেন। দেশে ফিরে সেই হিসাবও তাকে দেয়া হয়নি। বরং পাওনা টাকা ও হিসাব চাইতে গেলে তাকে পৈত্রিক বাড়িতে যেতে নিষেধ করা হয় এবং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন।

    আবুল মনছুর আহাদ বলেন, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়-স্বজন ও বিভিন্ন মহলের মাধ্যমে একাধিকবার বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা করেও কোনো প্রতিকার পাননি। পরে বাধ্য হয়ে তিনি আইনের আশ্রয় নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি অর্থহীন, অসুস্থ ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

    সংবাদ সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে আবুল মনছুর আহাদ বলেন, ‘প্রবাসে জীবনের সোনালী সময়গুলো পরিবারের সুখের জন্য উৎসর্গ করেছি। আজ সেই কষ্টের উপার্জনের হিসাব চাইতে গিয়ে আমি অসহায় হয়ে পড়েছি। আমি শুধু আমার কষ্টার্জিত অর্থ ফেরত চাই, এর বেশি কিছু নয়।’

  • ফেনীতে গৃহবধূ কাজল হত্যাকাণ্ডে প্রতিবেশী যুবক গ্রেফতার

    ফেনীতে গৃহবধূ কাজল হত্যাকাণ্ডে প্রতিবেশী যুবক গ্রেফতার

    ফেনীর ফুলগাজীতে গৃহবধূ বিবি কুলসুম কাজল (৩৭) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দূর সম্পর্কের ভাগ্নে মো: আরিফুল ইসলামকে (৩১) গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

    সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে র‍্যাব-৭-এর স্কোয়াড্রন লিডার মিজানুর রহমান এ তথ্য জানান।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, আরিফ ঘটনার দিন দিবাগত রাত ৪টার দিকে ঋণের টাকা জোগাড়ের জন্য তার দূর সম্পর্কের মামি ভুক্তভোগী কাজলের বাসায় প্রবেশ করেন। এসময় তার হাতে থাকা কাটার নিয়ে তিনি গ্রিল বেয়ে ছাদে ওঠেন। ছাদের ঢেউটিন কেটে ঘরে প্রবেশ করে তিনি মুখ ঢেকে ফেলেন। পরে ভুক্তভোগী যখন দরজা খোলেন, তার জন্য ওঁৎপেতে থাকা আরিফ কাজলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং মুখ চেপে ধরেন। একপর্যায়ে হাত বাঁধার চেষ্টা করলে ভুক্তভোগী ও আরিফের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে কাজলকে দেওয়ালের সাথে ধাক্কা দেন আরিফ। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

    ব্রিফিংয়ে আরো জানানো হয়, প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের পর আরিফ নিজেকে দোষী বলে স্বীকারোক্তি দেন। জানান, তিনি ঋণের টাকার জন্য তার মামির বাসায় প্রবেশ করেন।

    আরিফকে সোমবার ভোরে ফুলগাজী উপজেলার উত্তর ধর্মপুর এলাকায় অভিযান পরিচালানা করে গ্রেফতার করা হয়।

    উল্লেখ্য, শুক্রবার দিবাগত রাতে ফুলগাজীর আমজাদ হাট ইউনিয়নের দক্ষিণ তালবাড়িয়ায় ঘরের টিন কেটে ঢুকে গৃহবধূ কাজলকে হত্যা করা হয়।

  • ফেনীতে পিকআপ-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

    ফেনীতে পিকআপ-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

    ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন ফেনী-পরশুরাম সড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মুরগিবোঝাই পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে দু’জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ছয়জন।

    শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন— উপজেলার পাঠানগড়ের কাজী আজাদের স্ত্রী ওয়াহিদা আক্তার জুহা (২০) ও ফুলগাজী সদর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে সিএনজিচালক মোহাম্মদ কাউসার (২৫)।

    ফুলগাজী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মিজানুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ফেনী জেনারেল হাসপাতাল নেয়া হয়। তবে পথে সিএনজিচালক কাউসার ও যাত্রী জুহা মারা যান। আহত অন্যরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    তিনি আরো জানান, নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দু’টি জব্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

  • ফুলগাজীতে টিন কেটে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা

    ফুলগাজীতে টিন কেটে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা

    ফেনীর ফুলগাজীতে ঘরের চালের টিন কেটে ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (২৬ ‍জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার আমজাদহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ তালবাড়িয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত গৃহবধূর নাম কাজল আক্তার (২৬)। তিনি দক্ষিণ তালবাড়িয়ার কুয়েত প্রবাসী নুরুল আমিনের স্ত্রী।

    নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা আধাপাকা ঘরের টিনের চাল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা প্রবাসীর স্ত্রী কাজল আক্তারের হাত-পা বেঁধে মাথায় ও গলায় আঘাত করে তাকে হত্যা করে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ সময় ঘরে তার তিন সন্তান ঘুমন্ত অবস্থায় ছিল।

    নিহতের ভাসুর মাস্টার ইসমাঈল ফজরের নামাজ পড়তে ঘর থেকে বের হলে গোঙ্গানির শব্দ শুনে চিৎকার করেন। এ সময় বাড়ির লোকজন পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠায়।

    ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এম মিজানুর রহমান জানান, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কী কারণে ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • ফেনীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত

    ফেনীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী অংশের লেমুয়া হাফেজিয়া রাস্তার মাথায় মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বাবা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় আরো একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতরা হলেন, সোনাগাজী উপজেলার বক্তার মুন্সি বাজার সংলগ্ন রাজাপুর গ্রামের মো: নুরুল হুদার ছেলে নুরুল আলম (৪৬) ও তার ছেলে মোহাম্মদ নীরব (২৫)। নুরুল আলম ফেনী ডায়াবেটিক হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সচালক ছিলেন।

    এছাড়া ফেনী সদর উপজেলার লেমুয়া ইউনিয়নের সিরাজ মিয়ার ছেলে আফজাল হোসেন (৩৫) গুরুতর আহত হন।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের স্বজনরা জানায়, নুরুল আলম মঙ্গলবার সকালে ভাগ্নে আফজালের মোটরসাইকেলে নিজ ছেলে নিরবসহ লেমুয়ায় বোনের বাড়িতে দাওয়াতে যাচ্ছিলেন। এসময় তাদের মোটরসাইকেলটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের লেমুয়া হাফেজিয়া এলাকায় পৌঁছালে রাস্তায় ইউটার্ন নেয়ার সময় চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা দাউদকান্দি এক্সপ্রেস বাসের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে তারা তিনজনই পিষ্ট হন।

    তাৎক্ষণিক আশপাশের লোকজন এসে তাদের উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নুরুল আলমকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত নিরব ও আফজালকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। সেখানে নেয়ার পথে নীরবের মৃত্যু হয়।

    ফেনী ডায়াবেটিক হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সোহেল রানা বলেন, ‘রাতে অ্যাম্বুলেন্সে ডিউটি শেষে নুরুল আলম মোটরসাইকেল করে লেমুয়ায় তার বোনের বাড়িতে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। এতে নুরুল আলম ও তার ছেলে নীরবের মৃত্যু হয়।’

    মহিপাল হাইওয়ে থানার ওসি আসাদুল ইসলাম বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় প্রথমে একজন এবং পরে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জেনেছি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • মানসিক অসুস্থ মা আটকে রেখেছিলেন দুই শিশুকন্যাকে, ৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে উদ্ধার

    মানসিক অসুস্থ মা আটকে রেখেছিলেন দুই শিশুকন্যাকে, ৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে উদ্ধার

    ফেনীতে নিজ কক্ষের ভেতরে ছুরি হাতে দুই শিশুকন্যাকে (বয়স ১০ বছর ও ২ বছর) আটকে রাখা এক মানসিক অসুস্থ মাকে ঠেকিয়ে শিশুদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে এক প্রতিবেশীর ফোনকলের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (১১ মে) রাতে ফেনী সদর থানার মধ্যম মধুপুর এলাকায় এ উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হয়।

    সোমবার রাতে মধ্যম মধুপুর এলাকার এক বাসিন্দা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান, তার প্রতিবেশী এক নারী মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি তার দুই শিশুকন্যাকে একটি কক্ষে আটকে রেখেছেন এবং হাতে ছুরি নিয়ে তাদের মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছেন। প্রতিবেশীরা অনেক চেষ্টা করেও ঘরের দরজা খুলতে ব্যর্থ হন। ভেতর থেকে শিশুদের আর্তচিৎকার ও কান্নাকাটি শুনে আতঙ্কিত হয়ে তারা দ্রুত পুলিশের সহায়তা চান।

    ৯৯৯ কল সেন্টার থেকে কলটি গ্রহণ করেন কনস্টেবল জান্নাত এবং তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি ফেনী সদর থানা ও ফেনী সদর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনকে অবহিত করেন। পুরো বিষয়টি সমন্বয় করেন ৯৯৯ পুলিশ ডিসপাচার এসআই ইন্দু জ্যোতি রায়।

    সংবাদ পাওয়ার পরপরই ফেনী সদর থানার একটি দল এবং ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে তারা কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। অত্যন্ত সতর্কতার সাথে মা’কে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ১০ বছর ও দুই বছর বয়সী শিশু দু’টিকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

  • সরকারি জমিতে দেশের প্রথম পিপিপি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হচ্ছে ফেনীতে

    সরকারি জমিতে দেশের প্রথম পিপিপি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হচ্ছে ফেনীতে

    চট্টগ্রামের মীরসরাই ও ফেনী অঞ্চলে গড়ে ওঠা জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে সরকারি জমিতে দেশের প্রথম পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। এ লক্ষ্যে বেজা ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) মধ্যে আজ একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন বেজার নির্বাহী বোর্ডের সচিব ও সরকারের যুগ্ম সচিব ড. জুলিয়া মঈন এবং বিপিডিবির সচিব আফরোজা সুলতানা।

    বেজা বৃহস্পতিবার (৭ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ফেনীর সোনাগাজীতে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভেতরে বেজার মালিকানাধীন প্রায় ৪১২ একর জমিতে এই বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। সরকারি অব্যবহৃত জমিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটিকে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত ‘গাইডলাইনস ফর ডেভেলপমেন্ট অব রিনিউএবল এনার্জি প্রজেক্টস ইউজিং ল্যান্ড ওনড বাই গভর্নমেন্ট এজেন্সিজ আন্ডার পিপিপি মডালিটি, ২০২৬’-এর আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। গত ৭ এপ্রিল নতুন এ গাইডলাইন অনুমোদন দেয় সরকার।

    এর আগে, ২০২৫ সালের ৬ মার্চ অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভায় প্রকল্পটি পিপিপি পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়। পরে চলতি বছরের ২ এপ্রিল বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সভায় ফেনীর সোনাগাজীতে বেজার জমিতে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রকল্পটিকে নতুন গাইডলাইনের আওতায় একটি ‘পাইলট প্রকল্প’ হিসেবে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    গাইডলাইন অনুযায়ী, সরকারি জমিতে পিপিপি পদ্ধতিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ‘কন্ট্র্যাক্টিং অথরিটি’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। অন্যদিকে, জমির মালিক সংস্থা হিসেবে থাকবে বেজা।

    বেজার মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন ও সবুজ জ্বালানির ব্যবহার বাড়বে। একইসাথে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং সরকারি জমির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

    সংস্থাটি আরো জানিয়েছে, প্রকল্পটির সম্ভাবনা, বিনিয়োগ আগ্রহ ও অংশীদারত্বের সুযোগ নিয়ে দেশী-বিদেশী উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে শিগগিরই একটি ‘মার্কেট সাউন্ডিং’ কর্মশালা আয়োজন করা হবে। এ প্রকল্পে ব্যাটারি স্টোরেজ সিস্টেমসহ আধুনিক প্রযুক্তিগত সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।

    অনুষ্ঠানে বেজা, বিপিডিবি ও পিপিপি কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • জামায়াতে ইসলামী রক্ত দিয়ে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবে : শামীম সাঈদী

    জামায়াতে ইসলামী রক্ত দিয়ে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবে : শামীম সাঈদী

    প্রয়াত জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে ও পিরোজপুর-২ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী শামীম সাঈদী বলেছেন, আগামী নির্বাচন অবশ্যই সুষ্ঠু হতে হবে। আমরা ব্যালট বাক্স ছিনতাই, রাতের ভোট বা কেন্দ্র দখলের নির্বাচন চাই না। জনগণের অংশগ্রহণে একটি নিরপেক্ষ ভোট চাই। কৃষক যেমন মাঠে ঘাম ঝরিয়ে ফসল ফলায়, তেমনি জামায়াতে ইসলামী রক্ত দিয়ে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবে।

    শুক্রবার বিকেলে ফেনীর ফুলগাজী বালিকা বিদ্যালয় মিলনায়তনে পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলা জামায়াতের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ওলামা ও সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    শামীম সাঈদী বলেন, আওয়ামী লীগ ইসলামের পতাকা মুছে ফেলতে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যায়ের কার্যালয় পর্যন্ত হামলা-ভাঙচুর চালিয়েছে এবং নেতাকর্মীদের নামে অসংখ্য মিথ্যা মামলা দিয়েছে। তারা জামায়াতের প্রয়াত আমির অধ্যাপক গোলাম আজম, মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, মাওলানা এটিএম ইউছুফ, মাওলানা আজহার, কাদের মোল্লা ও মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ অসংখ্য নেতাকে বিচারের নামে অবিচার করেছে। তিনি বলেন, যে ট্রাইব্যুনালে আমাদের নেতাদের বিরুদ্ধে অন্যায় বিচার করা হয়েছে, আজ সেই ট্রাইব্যুনালেই তাদের বিচার হবে।

    তিনি আরও বলেন, আমার বাবা শহীদ দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ইসলামের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। অন্যায় ও নিপীড়নের মধ্যেও তিনি ইসলামী আদর্শে অটল ছিলেন। আমরা তার আদর্শ ও ত্যাগের পথ অনুসরণ করব।

    এ সময় তিনি ফেনী-১ আসনে জামায়াতে ইসলাম মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য অ্যাডভোকেট এসএম কামাল উদ্দিনের পক্ষে ঘরে ঘরে গিয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জন্য ভোট প্রার্থনার আহ্বান জানান

    সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেনী-১ আসনের জামায়াত প্রার্থী অ্যাডভোকেট এসএম কামাল উদ্দিন এবং ফেনী জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মুফতি আবদুল হান্নান।

    জেলা মসজিদ মিশনের সভাপতি মাওলানা নুর মোহাম্মদের সভাপতিত্বে এবং ফুলগাজী উপজেলা জামায়াতের আমির মো. জামাল উদ্দিন চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন পরশুরাম উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আবদুল হালিম, ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান পদে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাওলানা সামছুল হক, পরশুরাম উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট এমদাদ হোসেন এবং ফুলগাজী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মো. আবুল কালাম শামীম প্রমুখ।

    সমাবেশে ওলামা, স্থানীয় সুধীজন, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃত্বে শাহাদাত, দিদার, ফয়সাল

    ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃত্বে শাহাদাত, দিদার, ফয়সাল

    ফেনীতে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটির নির্বাচনে দৈনিক ফেনীর সময় সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন সভাপতি ও এটিএন নিউজ জেলা প্রতিনিধি দিদারুল আলম সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক রূপালী বাংলাদেশ জেলা প্রতিনিধি আজিজ আল ফয়সাল প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

    রোববার সন্ধ্যায় ইউনিটির নির্বাচনি তপশিল অনুযায়ী, চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশে সবকটি পদে একক প্রার্থী থাকায় নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন খাঁন শাহাদাত-দিদারের নেতৃত্বাধীন ১৯ সদস্যবিশিষ্ট প্যানেলের প্রত্যেককে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেন।

    কমিটির অন্যরা হলেন- সহসভাপতি দৈনিক স্টার লাইন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মাঈন উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেশ টিভি জেলা প্রতিনিধি তোফায়েল আহমেদ নিলয় ও জি টিভির জেলা প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন ফরায়েজী, কোষাধ্যক্ষ দেশ রূপান্তর ও ইউএনবির জেলা প্রতিনিধি মো. শফি উল্লাহ রিপন, দপ্তর সম্পাদক সাপ্তাহিক নীহারিকা নির্বাহী সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, সাহিত্য সম্পাদক আমার সংবাদ জেলা প্রতিনিধি মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আমার কাগজ জেলা প্রতিনিধি মো. আলাউদ্দিন, ক্রীড়া সম্পাদক সাপ্তাহিক ফেনীর প্রত্যয় বার্তা সম্পাদক তানজিদ উদ্দিন শুভ ও প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক ভোরের দর্পন প্রতিনিধি হাবীব উল্যাহ মিয়াজী।

    এ ছাড়াও কার্যনির্বাহী সদস্যগণ হলেন, সাপ্তাহিক ফেনীর আলো সম্পাদক শুকদেব নাথ তপন, দৈনিক ফেনী সম্পাদক আরিফুল আমিন রিজভী, দৈনিক নয়াপয়গাম সম্পাদক এনামুল হক পাটোয়ারী, দৈনিক যুগান্তর জেলা প্রতিনিধি যতন মজুমদার, দৈনিক ফেনীর সময় নির্বাহী সম্পাদক আলী হায়দার মানিক, দৈনিক ইনকিলাব জেলা প্রতিনিধি মো. ওমর ফারুক ও দৈনিক বণিক বার্তা জেলা প্রতিনিধি নুর উল্যাহ কায়সার।

  • পরশুরামে বিজয় দিবসে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাল বিএনপি

    পরশুরামে বিজয় দিবসে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাল বিএনপি

    মহান বিজয় দিবসে বিলোনিয়া স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন পরশুরাম উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি, যুবদল,ছাত্রদল ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র আহ্বায়ক ও ফেনী-১ নির্বাচনী এলাকার সাংগঠনিক সমন্বয়ক রফিকুল আলম মজনুর নেতৃত্ব মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে ফুল দিয়ে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পরশুরাম পৌরসভার সাবেক মেয়র আবু তালেব, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম, বিএনপির সদস্য সচিব ইব্রাহিম খলিল মনি, পৌর বিএনপির আহবায়ক কাজী ইউসুফ মাহফুজ, সদস্য সচিব মাহবুবুল হক মাহবুব, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শামসুল আলম শাকিল,যুগ্ন আহবায়ক জহিরুল ইসলাম জহির, আবুল খায়ের লিটন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আতাহার হোসেন চৌধুরী পাপরুল, সদস্য সচিব কামরুল হাসান চৌধুরী বাবু সহ যুবদল, ছাত্রদল ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র আহ্বায়ক ও ফেনী-১ নির্বাচনী এলাকার সাংগঠনিক সমন্বয়ক রফিকুল আলম মজনু বলেন

    বিজয় দিবসকে যারা কালো দিবস বলছে তারা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছিল। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীদের সাথে আঁতাত করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল। সেই পরাজিত শক্তি এখন বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ, বিজয় দিবস,স্বাধীনতা দিবসসহ নানা জাতীয় দিবসের বিরোধিতা করছে।

  • ফেনীতে বিভাগীয় ইজতেমায় জুমার নামাজে মুসল্লির ঢল

    ফেনীতে বিভাগীয় ইজতেমায় জুমার নামাজে মুসল্লির ঢল

    ফেনীতে বিভাগীয় ইজতেমায় একসঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করলেন হাজারো মুসল্লি। নামাজ শেষে মোনাজাতে মুসলিম উম্মার শান্তি, সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা হয়।

    শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) ফেনী-ছাগলনাইয়া সড়কের বিরিঞ্চি ব্রিকফিল্ড সংলগ্ন মাঠে বৃহৎ এ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হ‌য় ইজতেমার কার্যক্রম।‌আয়োজক সূত্রে জানা যায়, ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লির সমাগমের সব ধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগত মুসল্লিদের জন্য রাণীরহাট এলাকায় মাঠজুড়ে শামিয়ানা টাঙানো, পানির লাইন ও বিদ্যুৎ সংযোগ, সাইকেল গ্যারেজসহ বিভিন্ন অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। বিশাল আয়তনের এ মাঠে দূর-দূরান্ত থেকে আসা ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা শামিয়ানার নিচে অবস্থান নিয়েছেন। চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলা ছাড়াও ভারত, মরক্কো, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মালেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মেহমানরা এতে অংশ নেন।জেলার সর্ববৃহৎ এ জুমার নামাজে ইমামতি করেন তাবলিগ জামাতের কাকরাইল মসজিদের ইমাম মাওলানা আনাস বিন মোজাম্মেল।এর আগে সকালে বয়ান করেন মাওলানা সাদ অনুসারীদের আমির, তাবলিগ জামাতের আহলে শুরা ও কাকরাইল মসজিদের শীর্ষ মুরুব্বি সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম।মাওলানা নুর উদ্দিন নামের তাবলিগ জামাতের এক মুরুব্বি বলেন, চট্টগ্রাম বিভাগের ১১টি জেলা, বিভিন্ন দেশের মেহমান ছাড়াও শুক্রবার স্থানীয়ভাবে ইজতেমায় মুসল্লিদের ঢল নামে। বিশেষ করে বিশাল ময়দানে একত্রে জুমার নামাজ আদায়ে মুসল্লিরা একত্রিত হন। মাঠে পৌরসভার সহযোগিতায় পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, মুসল্লিদের সেবায় দুই শতাধিকের বেশি স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত রয়েছেন। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এ বিভাগীয় ইজতেমা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

    এমে কে

  • ফেনীতে রূপালী ব্যাংক থেকে গ্রাহকের ১৯ লাখ টাকা উধাও!

    ফেনীতে রূপালী ব্যাংক থেকে গ্রাহকের ১৯ লাখ টাকা উধাও!

    ফেনীর সোনাগাজীতে রূপালী ব্যাংকের একই পরিবারের তিন গ্রাহকের হিসাব থেকে তাঁদের অজান্তে ১৯ লাখ ৩৩ হাজার টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ওই টাকা ভিন্ন কয়েকটি ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয়। রূপালী ব্যাংকের সোনাগাজীর আমির উদ্দিন মুন্সিরহাট শাখা থেকে এই টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনার দুই সপ্তাহের বেশি সময় পার হলেও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ গ্রাহককে টাকা ফেরত দিতে পারেনি। ক্ষুব্ধ গ্রাহকেরা ব্যাংকের ফটকে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেছেন।ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রূপালী ব্যাংকের সোনাগাজীর আমির উদ্দিন মুন্সিরহাট শাখার গ্রাহক আবুল বশরের হিসাব থেকে ৩৩ হাজার টাকা, তাঁর বড় ছেলে মনসুর আলমের হিসাব থেকে ১৮ লাখ ৫ হাজার টাকা ও ছোট ছেলে ইফতেখার আলমের হিসাব থেকে ৯৫ হাজার টাকা ইসলামী ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ও রূপালী ব্যাংকের কয়েকটি শাখার বিভিন্ন হিসাবে স্থানান্তর (ট্রান্সফার) করা হয়।ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক আবুল বশর প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার চার ছেলে মালয়েশিয়াপ্রবাসী। আমার একটি ও আমার দুই ছেলের আরও দুটি অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে তিনটি অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা সরানোর ঘটনায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এ ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের যোগসাজশ থাকতে পারে। ব্যাংক ম্যানেজার আমাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেছেন, লুট হওয়া ছয় লাখ টাকা ফেরত আনা হয়েছে, যা আদৌ সত্য নয়। আমাকে বিগত এক মাস টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে হয়রানি করা হচ্ছে।’রূপালী ব্যাংক আমির উদ্দিন মুন্সিরহাট শাখার ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার) দিদারুল আলম বলেন, ‘তিনটি অ্যাকাউন্ট থেকে ট্রান্সফার হওয়া টাকাগুলো অ্যাপসের মাধ্যমে ট্রান্সফার করা হয়েছে। অ্যাপসের লেনদেন হেড অফিস সরাসরি তদারকি করে। এই লেনদেনে আমি বা আমার শাখার কারও দায় নেই। বিষয়টি তদন্তের পর্যায়ে আছে। আমরা থানা-পুলিশকেও এ বিষয়ে সহযোগিতা করছি।’ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকেরা সোনাগাজী মডেল থানায় গতকাল রাতে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলে জানান। তবে আজ বুধবার দুপুরে সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, তাঁরা কোনো জিডি পাননি। তবে প্রতিবেদকের হাতে থাকা জিডির কপিতে সোনাগাজী মডেল থানার ডিউটি অফিসার পদুমুত্তর বড়ুয়ার স্বাক্ষর রয়েছে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল আলম বলেন, রূপালী ব্যাংক আমির উদ্দিন মুন্সিরহাট শাখায় গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক থানায় অভিযোগ দিতে এসেছিলেন। তাঁকে একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও তিনি জমা দেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • বিপ্লব ও সংহতি দিবসে দাগনভূঞায় বিএনপির পরিচ্ছন্নতা অভিযান

    বিপ্লব ও সংহতি দিবসে দাগনভূঞায় বিএনপির পরিচ্ছন্নতা অভিযান

    ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে দাগনভূঞার জায়লস্কর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গন ও আশপাশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করে জায়লস্কর ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন। শুক্রবার সকালে ফেনী জেলা ছাত্রদলের সহসাধারণ সম্পাদক ও ৮নং জায়লষ্কর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক এমদাদ হোসেন মিলনের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জায়লস্কর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা বাবুল মেম্বার, কামরুল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন কিরন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য জাহিদুল ইসলাম জাহেদ, জেলা ছাত্রদলের সদস্য শরিফুল ইসলাম শরিফ, ইউনিয়ন যুবদল সম্মেলন কমিটির সদ্য সাবেক সদস্য মো: হাসান, অনিক, মামুন, এমাম, জুয়েল, অন্তর, খুরশিদ,হান্নানসহ বিএনপি অঙ্গ সংগঠন নেতৃবৃন্দ।এমদাদ হোসেন মিলন বলেন, ফেনী-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আকবর হোসেন এর নির্দেশনায় বিপ্লব দিবসে আমাদের এই কার্যক্রম। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন মাটি ও মানুষের নেতা তারই ধারাবাহিকতায় আমরা এটি করেছি।তাছাড়া এখন দাগনভূঞায় ডেঙ্গু উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে তাই ময়লা আবর্জনা মুক্ত রাখতে এটি ভূমিকা রাখবে।

  • সোনাগাজীতে শিশুর হাতে বন্দুক—ফেসবুকে ছবি

    সোনাগাজীতে শিশুর হাতে বন্দুক—ফেসবুকে ছবি

    ফেনীর সোনাগাজীতে এক শিশুর হাতে বন্দুক নিয়ে নাড়াচাড়ার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধমে ছড়িয়ে পড়েছে। শিশুটির সৌদিপ্রবাসী মামা তাঁর ফেসবুক আইডিতে বন্দুক হাতে ভাগনের ছবি পোস্ট করেন। তিনি ক্যাপশনে লেখেন—‘এটা আমার বড় বাগিনা (ভাগনে), ওর হাতে…এ বয়সে খেলনার পিস্তল থাকার কথা, আর অথচ ওর হাতে এখন অরজিনিয়াল পিস্তল’।

    সামাজিক মাধ্যমে বন্দুক হাতে শিশুর ছবি প্রকাশ হলে শুরু হয় তোলপাড়। কয়েক ঘণ্টা পর ফেসবুকের ওই পোস্ট আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে অনেকে ছবি ও স্ক্রিনশট রেখে দেন।

    ঘটনা জানতে শিশুর বাবাকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমার সন্তান তার নানার বাড়ি থাকতে কে বা কারা তার হাতে বন্দুক দিয়ে ছবি ধারণ করলেও সেটি জানা ছিল না। তার মামা পোস্ট করার পর বিষয়টি জানতে পারি। আমার শ্যালকের কাছে ফোন করলেও সে ধরেনি।’

    শিশুটির বাবা আরও বলেন, ‘আমার সন্তানের হাতে বন্দুক তুলে দিয়ে সেটি ফেসবুকে প্রচার করে তার স্বাভাবিক জীবন হুমকির মধ্যে ফেলেছে।’

  • সহজ শর্তে ঋণের প্রলোভন, সর্বস্ব হারাল শতাধিক গ্রাহক

    সহজ শর্তে ঋণের প্রলোভন, সর্বস্ব হারাল শতাধিক গ্রাহক

    ফেনীর ছাগলনাইয়ায় সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অন্তত শতাধিক মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি প্রতারক চক্র। রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঋণ বিতরণের কথা থাকলেও দুপুর গড়াতেই এনজিওটির কর্মীদের আর খুঁজে পাওয়া যায় না। ফলে প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে উপস্থিত অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন।

    প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল ‘সমাজ কল্যাণ উন্নয়ন সংস্থা’। তবে এ ধরনের কোনো সংস্থার বৈধ অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সংস্থাটি সাধারণ মানুষের হাতে যে সঞ্চয় বইগুলো দিয়েছেন তাতে প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা রয়েছে প্রধান কার্যালয় ঢাকার ডি-ব্লক মিরপুর-২, ১২১৬ ।

    ভুক্তভোগীরা জানান, গত দুই দিন ধরে একদল লোক এনজিও পরিচয়ে এলাকায় ঘুরে ঘুরে সদস্য সংগ্রহ করছিল। মাত্র ২০০ টাকার বিনিময়ে, পাশাপাশি ১১ হাজার টাকা জমা দিলে ১ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হচ্ছিল। শর্ত ছিল এই ঋণ দুই বছরের মধ্যে সহজ কিস্তিতে পরিশোধ করা যাবে।

    ভুক্তভোগী পৌরসভার বাঁশপাড়া গ্রামের রত্না বেগম বলেন, ১৬ লাখ টাকা ঋণ দেবে বলে ৫৩ হাজার টাকা নিয়ে যায় আমার কাছ থেকে। রাধানগর ইউনিয়নের মো. টিপু বলেন, আমার কাছ থেকে ২২ হাজার, জেসমিন জাহানের থেকে ২২ হাজার, হিছাছরার আনজুম আরার ৬০ হাজার টাকাসহ আরও শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকা নিয়ে থানা পাড়া সামছুল হক ম্যানশনে তাদের অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। বিকেল ৪টার সময় শতাধিক জনকে ঋণ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গিয়ে দেখি অফিস তালাবদ্ধ, কেউ নেই।

    একই এলাকার সুমন বলেন, এ প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে আমি এখন দিশাহারা। এদিকে গ্রাহকরা এনজিওটির ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরগুলোতে একাধিকবার ফোন দিলেও সব নম্বরই বন্ধ পাওয়া গেছে। ফলে ভুক্তভোগীদের পক্ষে আনজুম আরা বেগম বাদী হয়ে ছাগলনাইয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

    ছাগলনাইয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবুল বাশার বলেন, ভুয়া এনজিও খুলে অনেক মানুষ থেকে টাকা হাতে নিয়েছে বলে এক ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। আমরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি।

  • বিতর্কিতদের নিয়ে এনসিপির কমিটি

    বিতর্কিতদের নিয়ে এনসিপির কমিটি

    ফেনীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদ্য ঘোষিত জেলা কমিটিকে ঘিরে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ফেনী প্রেসক্লাবে কমিটি ঘোষণার এক দিনের মাথায় সংবাদ সম্মেলন করেন কমিটিতে স্থান পাওয়া একাংশের নেতারা।

    এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কমিটিতে যুগ্ম সদস্য সচিব পদ পাওয়া আবদুল কাইয়ুম সোহাগ। এসময় উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জোবায়ের, ফজলে এলাহী সায়েমসহ অন্যরা।সংবাদ সম্মেলনে আবদুল কাইয়ুম সোহাগ অভিযোগ করে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভাবনা ও সাংগঠনিক বিধি উপেক্ষা করে জেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি গঠনে তৃণমূলের মতামত নেওয়া হয়নি। আন্দোলনের অগ্রভাগে থাকা অনেককে বাদ দিয়ে নতুন মুখ দিয়ে কমিটি করা হয়েছে। এমনকি চাঁদা ও ঘুষ সংক্রান্ত অভিযোগ থাকা দুই ব্যক্তিকেও কমিটিতে রাখা হয়েছে, যা জুলাই চেতনার পরিপন্থী। বিষয়টি কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীলদের জানালেও কোনো সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি। বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে নতুন কমিটি গঠন করা হোক।আরেক যুগ্ম সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জোবায়ের বলেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ও ৫ আগস্ট পরবর্তী এনসিপির কার্যক্রমে অগ্রভাগে থাকা সাবেক সমন্বয়ক আব্দুল আজিজ ও সক্রিয় সদস্য তাহমিদুল ইসলামকে কমিটিতে না রাখায় আমরা ক্ষুব্ধ। এনসিপির কার্যক্রম মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে হলে প্রকৃত আন্দোলনকারীদের জায়গা দিতে হবে। কেন্দ্রীয় নেতারা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে আশা করি।প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে আহ্বায়ক করা হয় জাহিদুল ইসলাম সৈকতকে এবং শাহ ওয়ালী উল্লাহ মানিককে সদস্য সচিব করা হয়।

  • মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে  ফেনীর ডিসি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট

    মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে ফেনীর ডিসি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট

    খেলায় জেলার ছয়টি উপজেলার দল অংশ নিচ্ছে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বেলুন উড়িয়ে ও পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করেন ফেনী জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম। উদ্বোধনী খেলা ফেনী সদর ও ফুলগাজী উপজেলার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।

    আয়োজক সূত্রে জানায়, টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন দলকে দেওয়া হবে এক লাখ টাকা। রানার্স-আপ দল পাবেন ৫০ হাজার টাকা। অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দল পাবে ২০ হাজার টাকা। টুর্নামেন্টের ক গ্রুপে রয়েছে পরশুরাম, সদর ও ফুলগাজী উপজেলা, আর খ গ্রুপে আছে ছাগলনাইয়া, সোনাগাজী ও দাগনভূঞা উপজেলা। টুর্নামেন্টের প্রতিটি দল দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে প্রথমে লীগ পর্ব খেলবে। লীগ পর্ব শেষ করে সেমি-ফাইনাল ও ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ২৫ অক্টোবর ফাইনাল খেলার মাধ্যমে টুর্নামেন্টটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। প্রতি ম্যাচে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচন করা হবে এবং দুই হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এছাড়া টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়, সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং সেরা গোলকিপারকে যথাক্রমে পাঁচ হাজার টাকা দেওয়া হবে।