ক্যাটাগরি নাটক

  • ইত্যাদি’র সংকলিত পর্বের প্রচার

    ইত্যাদি’র সংকলিত পর্বের প্রচার

    ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে প্রচারিত ‘ইত্যাদি’ ধারণ করা হয়েছিল পাহাড়ি সৌন্দর্যের রানী বান্দরবানে। আজ রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত হবে সেই বিশেষ পর্বটির কিছু অংশসহ ইত্যাদি’র কয়েকটি পর্ব থেকে নেয়া চমৎকার সব দৃশ্য দিয়ে সাজানো একটি সংকলিত পর্ব। উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন রোগে ভোগার পর প্রয়াত বরেণ্য অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামান ইত্যাদি’র বান্দরবান পর্বের একটি নাট্যাংশের মাধ্যমে প্রথম টিভি ক্যামেরার সামনে আসেন। তার সঙ্গে ছিলেন আরেকজন বর্ষীয়ান অভিনেতা মাসুদ আলী খান।

    এই নাট্যাংশটিই ছিল তাদের জীবনের শেষ অভিনয়। এই পর্বে রয়েছে— বান্দরবানের ইতিহাস, ঐতিহ্যের পাশাপাশি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত, দর্শনীয় ও পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় স্থানগুলোর ওপর তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন। রয়েছে পার্বত্য এলাকার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চঞ্চল কান্তি চাকমার ব্যক্তি উদ্যোগে বয়স্ক ভাতা চালুর ওপর প্রতিবেদন। গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার একটি শিক্ষক পরিবারের ওপর শিক্ষামূলক প্রতিবেদন। পৃথিবীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রসৈকতের পরিবেশের ওপর রয়েছে সচেতনতামূলক প্রতিবেদন। বাংলা ও মারমা গানের দু’জন প্রতিষ্ঠিত শিল্পী আঁখি আলমগীর এবং মান মান সিংয়ের কণ্ঠে রয়েছে অনুরাগের গান।

    এ ছাড়াও বান্দরবানের সবুজ-শ্যামল রূপ বৈচিত্র্য নিয়ে একটি গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেছেন বান্দরবানের ১১টি নৃগোষ্ঠী ও বাঙালি শিল্পীদের সমন্বয়ে শতাধিক নৃত্যশিল্পী। নানা সামাজিক অসঙ্গতি ও সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে ইত্যাদি’র বিভিন্ন পর্ব থেকে সংকলন করা বেশ কিছু বিদ্রƒপাত্মক নাট্যাংশসহ এবারো যথারীতি রয়েছে— নানি-নাতি, মামা-ভাগ্নে, দর্শকপর্ব ও চিঠিপত্র বিভাগ। ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। পর্বটি প্রচারিত হবে কেয়া কসমেটিকসের সৌজন্যে।

  • ভালোবাসার গল্পে ইয়াশ-নীহা

    ভালোবাসার গল্পে ইয়াশ-নীহা

    ‘নিয়তি’, ‘উইশ কার্ড’, ‘জনম জনম’ ও ‘অবুঝ পাখি’ নাটকে জুটি বেঁধে দর্শকের নজর কেড়েছেন ইয়াশ রোহান ও নাজনীন নীহা। এরই ধারাবাহিকতায় ভালোবাসার গল্প ‘মনের মতো মন’ নাটকে আবারও একসঙ্গে দেখা যাবে জনপ্রিয় এই জুটিকে। নাটকটি নির্মাণ করছেন ইমরাউল রাফাত। কাহিনির পাশাপাশি চিত্রনাট্যও লিখেছেন তিনি।

    নাটক প্রসঙ্গে নাজনীন নীহা বলেন, ‘কিছু গল্প দর্শকের মনে গভীরভাবে দাগ কাটে। এমন গল্পের শুরু থেকেই দর্শকের মনে শেষ পরিণতি জানার আগ্রহ তৈরি হয়। “মনের মতো মন” তেমনই একটি ভালোবাসার গল্প, যা দর্শকের প্রত্যাশা পূরণ করবে বলে আশাবাদী।’

    ইয়াশ-নীহা জুটির পাশাপাশি নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সানজিদা হিমু, আজিজুল হাকিম, চিত্রলেখা গুহ, সাবেরী আলম, মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, কচি খন্দকার, নওশীন দিশা, গোলাম দস্তগীর সান, জয় শাহরিয়ার বাপ্পি প্রমুখ।

    খুব শিগগির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিএমভির ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাবে নাটকটি।

  • হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে ইউসিটিসি’র ড্রামা ক্লাবের মঞ্চে ‘নিমফুল’

    হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে ইউসিটিসি’র ড্রামা ক্লাবের মঞ্চে ‘নিমফুল’

    কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, চট্টগ্রাম (ইউসিটিসি’র) ড্রামা ক্লাব তার কালজয়ী নাটক ‘নিমফুল’ মঞ্চস্থ করেছে।

    আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ভবনের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ প্রযোজনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অভিনয়ের মাধ্যমে নাটকটির মানবিক আবেদন, গ্রামীণ জীবন ও সম্পর্কের সূক্ষ্ম আবেগ দর্শকদের সামনে প্রাণবন্তভাবে তুলে ধরেন। পুরো পরিবেশনা জুড়ে দর্শকদের উপস্থিতি ও আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

    নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন জুনায়েদ হোসেন জাওয়াদ (হেদায়েত চৌধুরী), ফারজানা মুন্সি সীমা (মদিনা), রিফাত হাসান (মাস্টার), ইমতিয়াজ ইমতি (ফজলু), সফল দাশ (কুদ্দুস), সাওয়াদ সামি (মনা ডাকাত), আরিয়ান (মনা ডাকাতের ছেলে), মারুফ চৌধুরী (হেডমাস্টার), সিয়াম (মেম্বার), জয়নাল (অর্নব দত্ত), তাওছিন আক্তার (সালেহার আম্মা) এবং উম্মে সামিহা (সালেহা)। প্রযোজনাটির নির্দেশনা দেন মায়া দত্ত।

    হেদায়েত চৌধুরী চরিত্রে অভিনয় করা জুনায়েদ হোসেন জাওয়াদ বলেন, ‘হুমায়ূন আহমেদের নাটকে অভিনয় করা আমাদের জন্য যেমন গর্বের, তেমনি বড় একটি দায়িত্বও। চরিত্রটিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে আমরা দীর্ঘদিন মহড়া করেছি। দর্শকদের ভালোবাসাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।’

    নাটকের নির্দেশক মায়া দত্ত বলেন, ‘হুমায়ূন আহমেদের নাটক শুধু বিনোদন নয়, মানুষের জীবন, সম্পর্ক ও সমাজকে নতুনভাবে ভাবতে শেখায়। নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের নিয়ে তাঁর নাটক মঞ্চস্থ করার মাধ্যমে আমরা তাঁর সৃষ্টির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে চেয়েছি।’

    নাটকটি দেখতে আসা এক দর্শক বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের অভিনয় ছিল আন্তরিক ও পরিণত। সীমিত আয়োজনের মধ্যেও তারা নাটকের আবহ সুন্দরভাবে তৈরি করতে পেরেছে। পুরো প্রযোজনা উপভোগ্য ছিল।’

    আরেক দর্শক জানান, ‘হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর নাটক মঞ্চস্থ করার উদ্যোগটি সত্যিই প্রশংসনীয়। এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।’

    অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত দর্শকরা অভিনয়শিল্পী ও নির্দেশককে অভিনন্দন জানান। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও বাংলা নাট্যসাহিত্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টিগুলো নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

  • কনা ও সজীবের ‘মন দাও’

    কনা ও সজীবের ‘মন দাও’

    ‘তুমি মন দাও না দাও/ আমি তোমাকেই ভালোবাসবো’- এমন রোমান্টিক কথা মালার একটি গান নিয়ে শ্রোতাদের কাছে এলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনা ও সজীব দাস। জামাল হোসেনের কথায় সম্প্রতি ‘মন দাও’ শিরোনামে গানটি রঙ্গন মিউজিকের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ হয়েছে। এর সুর-সংগীত পরিচালনা করেছেন সজীব দাস নিজেই। গানটিতে সজীবের সঙ্গে মডেল হয়েছেন অলংকার চৌধুরী। মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করেছেন সৈকত রেজা।

    গানটি প্রসঙ্গে গীতিকার জামাল হোসেন বলেন, ‘মন দাও নিরেট ভালোবাসার গান। ভালোবাসা কোন যুক্তি মানে না। এ অনেকটা বাঁধন হারা। সত্যিকার ভালোবাসা অপর পক্ষের সাড়ার অপেক্ষায় থাকে না- এক তরফা ভালোবেসে যায়। ভালোবাসার গানের আবেদন চিরন্তন। এ গান প্রেমিক মনে নাড়া দিবেই।

    সজীব দাস চমৎকার সুর ও সংগীত আয়োজন করেছে। কনা ও সজীব গেয়েছেও দারুন। সৈকত রেজার ভিডিও ও মডেল অসাধারন। আশা করি গানটি দর্শক শ্রোতার মনে দোলা দিতে সক্ষম হবে।’

    সজীব দাস বলেন, ‘কনা আপার সঙ্গে নাটকে আমার বেশ কিছু গান শ্রোতারা ভালোভাবে গ্রহন করেছেন। অনেকেই নাটকের বাইরেও আমাদের গান চেয়েছেন। তাই শ্রোতাদের কথা ভেবেই এই গানটি করেছি।’

    উল্লেখ্য, কনা ও সজীবের কণ্ঠে ‘যদি মনটা চুরি করি’, ‘তোমার মায়ায়’, ‘তোমার হতে চাই’সহ আরও বেশ কিছু গান বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

  • আজ থেকে ‘গৃহযুদ্ধ’

    আজ থেকে ‘গৃহযুদ্ধ’

    বাশার সাহেব একজন সফল ব্যবসায়ী। ঢাকা শহরে তার গাড়ি-বাড়ি, টাকা-পয়সার অভাব নেই। তবে এসবই তার শ্বশুরের কাছ থেকে পাওয়া। তাই ঘরজামাই হিসেবে বউকে ভয় পেয়ে চলে সে। বউ জুলেখা তাকে কড়াকড়ি নজরে রাখে। বাশার সাহেব কোনো মেয়ের দিকে তাকালেও সেটা নিয়ে তুমুল ঝগড়া বেঁধে যায় ঘরে।

    এর মধ্যেই হঠাৎ গ্রাম থেকে তাদের বাসায় আসে কুদ্দুস, তার মা জামেলা ও তার বোন রাবেয়া। কুদ্দুস নিজেকে বাশার সাহেবের ছেলে হিসেবে দাবি করে, কুদ্দুসের মা নিজেকে বাশার সাহেবের স্ত্রী হিসেবে দাবি করে। বাশার সাহেবের সম্পত্তির ভাগের জন্যই তারা ঢাকায় এসেছে বলে সাফ জানিয়ে দেয়। এরপর বাড়ির মধ্যে শুরু হয় লঙ্কাকাণ্ড। এমন গল্প নির্মাণ হয়েছে ধারাবাহিক নাটক ‘গৃহযুদ্ধ’।

    মহিন খানের রচনা ও পরিচালনায় নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সালাউদ্দিন লাভলু, চিত্রলেখা গুহ,আরফান আহমেদ, শেলী আহসান, রকি খান, ফাতেমা-তুজ-জোহরা, সাব্বির অর্ণব, হায়দার আলী, জুলফিকার চঞ্চল, সীমান্ত আহমেদ, হানিফ পালোয়ান,জ্যোতি ইসলাম, অনন্যা ইসলাম, সুমাইয়া অর্পা, হিরা মনি, রিমু রোজা খন্দকার প্রমুখ।

    নির্মাতা জানান, আজ শনিবার থেকে ‘গৃহযুদ্ধ’ প্রচার হবে বৈশাখী টেলিভিশনে। সপ্তাহের প্রতি শনি, রবি ও সোমবার রাত ৮টা ৪০ মিনিটে দেখা যাবে এটি।

  • আবারও রাজের নাটকে জাহিদ হাসান

    আবারও রাজের নাটকে জাহিদ হাসান

    দীর্ঘদিন পর নির্মাতা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের পরিচালনায় ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন অভিনেতা জাহিদ হাসান। তাঁদের নতুন এই নাটকের নাম ‘পথহারা মন’। প্রেমের গল্প নিয়ে নির্মিত এ নাটকে আরও অভিনয় করছেন খাইরুল বাসার, তানজিম সাইয়ারা তটিনী, দীপা খন্দকার, ডা. এজাজুল ইসলাম ও মনিরা মিঠু।

    নাটকটি প্রসঙ্গে নির্মাতা রাজ জানান, ‘পথহারা মন’ মূলত ভালোবাসা, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং মানুষের চিরায়ত আবেগের গল্প। দর্শক যেন খুব সহজে নিজেদের জীবনের কিছু মুহূর্ত এই নাটকে খুঁজে পান, সেভাবেই গল্পটি পর্দায় ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

    জাহিদ হাসানকে নিয়ে সবশেষ ২০১৮ সালে ‘ছেলেমানুষি’ নামে সাত পর্বের একটি ধারাবাহিক নাটক পরিচালনা করেছিলেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ, যা বৈশাখী টিভিতে প্রচারিত হয়েছিল।

    দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে কাজ করা প্রসঙ্গে রাজ বলেন, ‘দীর্ঘ বিরতির পর জাহিদ ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি খুব আনন্দিত। তাঁর সহজাত অভিনয় দক্ষতা নাটকটিকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। একই সঙ্গে অভিজ্ঞ ও তরুণ প্রজন্মের একঝাঁক প্রতিভাবান শিল্পীর সমন্বয়ে দারুণ একটি টিম পেয়েছি।’

    অভিনেতা জাহিদ হাসান বলেন, ‘রাজের সঙ্গে আমার কাজের অভিজ্ঞতা সব সময়ই চমৎকার। অনেক দিন পর আবারও তাঁর নির্দেশনায় কাজ করছি, এটা সত্যি আনন্দের। নাটকের গল্প খুব ভালো। শুটিংয়ের পরিবেশও দারুণ উপভোগ করছি।’

    ঢাকার উত্তরার বিভিন্ন লোকেশনে ১০ জুলাই থেকে পথহারা মন নাটকের শুটিং চলছে। আজ মঙ্গলবার এর চিত্রায়ণ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। নাটকটির গল্প লিখেছেন জাকিয়া হোসেন তৃষা, যৌথভাবে পাণ্ডুলিপি তৈরি করেছেন আসাদ জামান ও নির্মাতা রাজ। সিনেমাওয়ালা ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাবে নাটকটি।

  • তাদের ‘পথহারা মন’

    তাদের ‘পথহারা মন’

    দীর্ঘদিন পর নির্মাতা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় কাজ করলেন অভিনেতা জাহিদ হাসান। তাদের নতুন নাটকটির নাম ‘পথহারা মন’। প্রেমের গল্প নিয়ে নির্মাণাধীন এই নাটকে আরও অভিনয় করছেন খায়রুল বাসার, তানজিম সাইয়ারা তটিনী ও দীপা খন্দকার। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে থাকছেন ডা. এজাজুল ইসলাম ও মনিরা আক্তার মিঠু।

    নির্মাতা রাজ জানান, ‘পথহারা মন’ মূলত ভালোবাসা, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং মানুষের আবেগের গল্প। দর্শক যেন নিজেদের জীবনের কিছু মুহূর্ত এই নাটকে খুঁজে পান, সেভাবেই গল্পটি লেখা।

    জাহিদ হাসানকে নিয়ে সর্বশেষ ২০১৮ সালে ‘ছেলেমানুষি’ নামে সাত পর্বের একটি ধারাবাহিক নাটক পরিচালনা করেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। এটি প্রচার হয়েছে বৈশাখী টিভিতে।

    রাজ বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর জাহিদ ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি খুব আনন্দিত। তার অভিনয় দক্ষতা নাটকটিকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। একই সঙ্গে অভিজ্ঞ ও তরুণ শিল্পীদের সমন্বয়ে দারুণ একটি টিম পেয়েছি।’

    জাহিদ হাসান বলেন, ‘রাজের সঙ্গে আমার কাজের অভিজ্ঞতা সবসময়ই ভালো। অনেকদিন পর আবারও তার পরিচালনায় কাজ করছি, এটা আমার জন্য আনন্দের। গল্পটি খুব আন্তরিক। আমার অভিনীত চরিত্রটিও বেশ চ্যালেঞ্জিং। শুটিংয়ের পরিবেশও দারুণ।’

    ঢাকার উত্তরায় গত ১০ জুলাই থেকে ‘পথহারা মন’র শুটিং চলছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এর কাজ সম্পন্ন হবে। গল্পটি লিখেছেন জাকিয়া হোসেন তৃষা। পাণ্ডুলিপি তৈরি করেছেন আসাদ জামান ও নির্মাতা রাজ। শিগগিরই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবে সিনেমাওয়ালা চ্যানেলে মুক্তি পাবে নাটকটি।

  • নৃত্যানুষ্ঠান: নাচের ছন্দে ও তালে হবে বর্ষা উদ্‌যাপন

    নৃত্যানুষ্ঠান: নাচের ছন্দে ও তালে হবে বর্ষা উদ্‌যাপন

    নাচের ছন্দে ও তালে বর্ষা উদ্‌যাপন করবে অর্থী আহমেদ ড্যান্স একাডেমি। ১৭ জুলাই ঢাকার চারুকলার বকুলতলায় আয়োজন করা হবে বর্ষার নৃত্য উৎসব ‘ঘনঘটা ২’। অর্থী আহমেদ ড্যান্স একাডেমির সঙ্গে অনুষ্ঠানটির যৌথ আয়োজনে থাকছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। নির্দেশনা দিচ্ছেন নৃত্যশিল্পী অর্থী আহমেদ। এ বছর একুশে পদক পাওয়ার পর এটি হতে যাচ্ছে অর্থী আহমেদ নির্দেশিত প্রথম প্রযোজনা।

    গত বছর একই স্থানে ‘ঘনঘটা’ আয়োজন করেছিল অর্থী আহমেদ ড্যান্স একাডেমি। অর্থী আহমেদের নির্দেশনায় অংশ নিয়েছিলেন ১৮ থেকে ৭০ বছর বয়সী ১১০ শিল্পী। বছর ঘুরে এবারও একই স্থানে আয়োজন করা হচ্ছে বর্ষার নৃত্য উৎসব ‘ঘনঘটা ২’।

    ১৭ জুলাই বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে শুরু হবে আয়োজন। খোলা আকাশের নিচে আয়োজিত এই পরিবেশনায় অংশ নেবেন ৩ থেকে ৭০ বছর বয়সী ৩০০ জনের বেশি শিল্পী। তাঁদের মধ্যে আছেন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বিজ্ঞানী, গবেষক, সাংবাদিক, শিক্ষক, সমাজকর্মী, গৃহিণী ও শিক্ষার্থীসহ নানা পেশার, নানা শ্রেণির মানুষ।

    আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঘনঘটা শুধু একটি নৃত্য প্রযোজনা নয়, বরং এটি নতুন করে শুরু করার উৎসব; যেখানে বয়স কোনো বাধা নয়, আর মনের ভেতরে চেপে রাখা স্বপ্নকে ডানা মেলতে দেওয়া হয়। বর্ষার দিনটিকে বরণ করে নিতে আমাদের সঙ্গে যোগ দিন। ছাতাটি ঘরে রেখেই আসুন, তার বদলে সিক্ত হোন বৃষ্টির গান, নাচ ও কবিতায়।

    আয়োজকেরা আরও জানিয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক সময়ের বন্যা পরিস্থিতি মাথায় রেখে অনুষ্ঠানস্থলে থাকবে জাগো ফাউন্ডেশনের ডোনেশন বুথ। যেখানে আগত অতিথিরা বন্যার্তদের সহায়তায় সরাসরি ডোনেশন দিতে পারবেন।

    অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে দর্শকদের সাদা, নীল বা সবুজ রঙের শাড়ি-পাঞ্জাবি পরে আসার অনুরোধ জানিয়েছে আয়োজকেরা।