ক্যাটাগরি চাঁপাইনবাবগঞ্জ

Chapainawabganj district

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে গোসল করতে নেমে ৫ শিশুর মৃত্যু

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে গোসল করতে নেমে ৫ শিশুর মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার দেবিনগর ইউনিয়নের চর চাকলা এলাকায় মরা পাগলা নদীতে গোসল করতে নেমে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তবে এখন পর্যন্ত মৃত শিশুদের পরিচয় জানাতে পারেননি তিনি।

    ওসি একরামুল হোসাইন জানান, শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার দেবীনগর ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চর চাকলা এলাকায় মরা পাগলা নদীতে গোসল করতে নামে বেশ কিছু শিশু। গোসলের একপর্যায়ে পাঁচ শিশু পানিতে ডুবে যায়। পরে স্থানীয়রা নদীতে তল্লাশী চালিয়ে একে এক পাঁচ শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে।

    তিনি জানান, মৃত পাঁচ শিশুই চর চাকলা এলাকার বাসিন্দা।

    তিনি আরো জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে ৫ শিশুর মৃত্যু

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে ৫ শিশুর মৃত্যু

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার দেবীনগর ইউনিয়নের চরচাকলা গ্রামে মরানদীতে গোসল করতে নেমে পাঁচ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে জুমার নামাজের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলো- ওই এলাকার মাসুদ রানার মেয়ে সুমাইয়া (৯) ও আবিদা (৭)। তারাও ওই গ্রামের নেজাম উদ্দিনের মেয়ে সুমাইয়া (১২) ও সুরাইয়া (৯)। অন্যজন হলেন এই গ্রামের শরীফুল ইসলামের মেয়ে শরীফা (৮)।

    স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, পাঁচ শিশু একসঙ্গে নদীতে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে একজন পানিতে ডুবে যেতে থাকলে তাকে উদ্ধারে অন্যরা এগিয়ে যায়। এ সময় একে একে পাঁচ শিশুই পানিতে ডুবে যায়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। তারা সেখানে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

  • রোগাক্রান্ত ফেরিওয়ালা রশিদের আকুতি

    রোগাক্রান্ত ফেরিওয়ালা রশিদের আকুতি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে ছোট শিশুদের বই কাঁধে করে কখনো ট্রেনে, কখনো বাজারে, কখনো লঞ্চে, কখনো-বা রাস্তায় চলতে চলতে বয়সের ভার আর নানা রোগের বাসা বেঁধেছে শরীরে। বেঁচে থাকার তাগিদে এভাবেই ৪৮ বছর পার করেছেন আব্দুর রশিদ প্রামাণিক।

    এক সময়‌ যৌবন, শক্তি-সামর্থ্য, স্ত্রী-সন্তান, বাড়ি-ঘর সব ছিল। এখন কিছু নেই। শরীরে বাসা বেঁধেছে রোগ। ওষুধ কেনার পয়সা জোটে না। পরনে ময়লা লুঙ্গি আর শার্ট।

    সারাদিন ট্রেনে বা রাস্তা-ঘাটে বা বাজারে বই বিক্রি করে। পুঁজি বাদে আয় হয় ২০ থেকে ৩০ টাকা। অসুস্থ হলে আয় বন্ধ। না খেয়েই পড়ে থাকতে হয় যত্রতত্র।

    কাঁকনহাট রেলওয়ে স্টেশন থেকে ট্রেনে ওঠার পূর্ব মুহূর্তে ক্লান্ত অসুস্থ দেহ, হাতের বাম পাশে একটি কাপড়ের ব্যাগের ভেতর কয়েকটি বই নিয়ে ট্রেনের অপেক্ষা করছেন ভিটে-মাটি, স্ত্রী-সন্তানহারা রশিদ। চোখে পড়তেই তার কাছে ছুটে গিয়ে সালাম দিয়ে তার জীবনের গল্প জানতে চাইলে কোনো উত্তর না দিয়ে চশমার ফাঁক দিয়ে গড়িয়ে পড়ে পানি। কথাই বলতে পারছেন না তিনি। এক পর্যায়ে ডুকরে কেঁদে উঠে শুরু করেন অনেক কথা!

    আব্দুর রশিদ প্রামাণিক বলেন, ‘আমার জীবনে সাজানো সংসার ছিল। দারিদ্র্যতার কারণে পড়ালেখা তেমন করতে পারিনি। সংসারের হাল ধরতে আজ থেকে ৪৮ বছর পূর্বে শিশুদের বই ক্রয় করে ট্রেনে, হাটে বাজারে, স্টেশনে, পথে ঘাটে, লঞ্চে বিক্রি করে যা আয় করতাম বেশ ভালো চলে যেত। কিন্তু দিন যত যায় ততই কষ্ট আর দুঃখ চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে। দশ বছর হলো স্ত্রীর মৃত্যু হয়। এক ছেলে এক মেয়ে গার্মেন্টসে চাকরি করে। তারাও দুর্দিনে একটা পয়সা দিয়ে সহায়তা করে না। বসবাস করার মতো ঘর নেই। তিন মাস থেকে থাকি কাঁকনহাটের বাজারে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘এর আগে থাকতাম রাজশাহীতে। মানুষের দেয়া টাকায় কয়েকটি বই কিনে বিক্রি করি। বই বিক্রি করে সারা দিনে ২০ থেকে ৩০ টাকা আয় হয়। এতেই খেয়ে না খেয়ে চলে যায়। রোগে আক্রান্ত হয়ে গেছি। ওষুধ কেনার টাকা জুটাতে পারি না।’

    যোগাযোগের জন্য ফোন নাম্বার চাইলে তিনি জানান তার ফোন নেই।

    বই বিক্রি ছাড়া অন্য পেশায় কেনো যাননি প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘আমি শিশুদের খুব ভালোবাসি। তারা ছোট থেকে বিভিন্ন আকর্ষণীয় বই পড়ে বেড়ে উঠবে এমন আনন্দ থেকে এবং ছোট বাচ্চাদের শিক্ষার আলো দেখাতেই আমি এ পেশায় এসেছিলাম। এখন দেখি শিশুদের জন্য অনেক আধুনিক মানের বই বের হওয়াতে আগের মতো আর বই কেউ নিতে চায় না। সব মিলিয়ে আমি এখন জীবন্ত লাশ হয়ে গেছি। আমাকে দেখার মতো পৃথিবীতে কেউ নেই।’

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে আবারও পুশইনের চেষ্টা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে আবারও পুশইনের চেষ্টা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা রাধানগর ইউনিয়নের রোকনপুর সীমান্ত দিয়ে আবারও এক নারীকে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধায় ওই নারীকে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয় বিএসএফ।

    সোমবার (১৫ জুন) রাতে নওগাঁ ব্যাটালিয়নের (১৬ বিজিবি) রোকনপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ২২৫/৩-আর এর পাশ দিয়ে এ অপচেষ্টা চালায় বিএসএফ।

    ভারতের ৮৮ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের আর কে ওয়াদা ক্যাম্পের সদস্যরা মাছ ধরা জেলেদের সহায়তায় নৌকা যোগে ওই নারীকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নওগাঁ ব্যাটালিয়নের (১৬ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফুল ইসলাম মাসুম। তিনি জানান, বিজিবি ও স্থানীয়দের সহায়তায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে পুশইন প্রতিহত করা হয়। এ সময় ওই মহিলাকে পুশব্যাক করা হয়। তিনি সীমান্তের শূন্য লাইন বরাবর ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছিল। সীমান্ত পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সীমান্ত এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

    এর আগে একই সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ ১৩ জুন ভোরে ১৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা করে। সে চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয় বিজিবি সদস্যরা। পরে তাদের ফিরিয়ে নিয়ে যায় বিএসএফ।

    এ এম

  • ভ্রমণপিপাসুদের চাহিদা মেটায় ছোট সোনামসজিদ

    ভ্রমণপিপাসুদের চাহিদা মেটায় ছোট সোনামসজিদ

    ঐতিহ্য, ইতিহাস আর স্থাপত্যশৈলীর এক অপূর্ব মেলবন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জের ছোট সোনামসজিদ। দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে দিন দিন বাড়ছে এর কদর। শুধু ইতিহাসপ্রেমী নয়, প্রকৃতি ও সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহী ভ্রমণপিপাসুদের কাছেও এটি হয়ে উঠেছে আকর্ষণীয় গন্তব্য। তাই শুধু সারাদেশের মানুষ নয়, বিদেশ থেকেও আসছেন একনজর দেখতে।

    শত শত বছরের পুরোনো স্থাপনাটি যেমন নিখুঁত কারুকাজে পরিপূর্ণ; তেমনই এটি দাঁড়িয়ে আছে গৌরবময় অতীতের সাক্ষী হয়ে। সুলতানি আমলে নির্মিত মসজিদটি ঘিরে গড়ে উঠেছে পর্যটন সম্ভাবনার বিশাল ক্ষেত্র। ইতিহাসের পাতায় যার নাম ‘সুলতানি স্থাপত্যশৈলীর রত্ন’। যা চাঁপাইনবাবগঞ্জের অর্থনীতির সম্ভাবনাময় স্তম্ভ হয়ে উঠেছে। ছোট সোনামসজিদকে কেন্দ্র করে পূর্ণাঙ্গ ‘ঐতিহাসিক পর্যটন করিডোর’ গড়ে তোলার দাবি স্থানীয়দের। আশপাশেই আছে দারসবাড়ি মসজিদ, খনিয়া দিঘি মসজিদ, তোহাখানা প্রাসাদসহ বহু ঐতিহাসিক স্থাপনা।

    নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলা থেকে ছোট সোনামসজিদ দেখতে এসেছেন আয়েশা বেগম। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘অনেক দিনের ইচ্ছে ছিল ছোট সোনামসজিদ নিজ চোখে দেখবো। কিন্তু কোনো দিন হয়ে ওঠেনি। আজকে এসে দেখলাম। খুবই ভালো লাগলো।’পাকিস্তানের করাচি থেকে এসেছেন তারেক জামিল খান। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘গত ১০ দিন আগে বাংলাদেশে এসেছি। চারদিন ধরে রাজশাহীতে অবস্থান করছি। অনেক দিনের ইচ্ছে ছিল সোনামসজিদ দেখবো। বড় সোনামসজিদ ভারতে হওয়ায় দেখার সুযোগ হয়নি। তাই ছোট সোনামসজিদ দেখতে এসেছি। এখানে নামাজ আদায় করলাম।’তিনি বলেন, ‘পাথরের তৈরি মসজিদটি আয়তনে খুব বড় না হলেও শিল্পসৌন্দর্য নজর কেড়েছে। জানতে পারলাম, উত্তর-দক্ষিণে লম্বালম্বিভাবে নির্মিত মসজিদটির ছাদে আছে ১৫টি গম্বুজ—যার মাঝে তিনটি ‘চৌচালা’ ধাঁচের এবং বাকি ১২টি অর্ধগোলাকৃতির। চার কোণে আছে চারটি অষ্টকোণীয় মিনার। যা দেখে মুগ্ধ হয়েছি। নামাজ আদায় করে শান্তি পেলাম। কারণ দেওয়ালগুলো খুবই মোটা, ভেতরটা শীতল হয়ে আছে।’ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে স্ত্রীকে নিয়ে এসেছেন মাহবুব হক। তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যায় এসে দেখলাম ছোট সোনামসজিদে দুই শতাধিক মুসল্লি নামাজ আদায় করছেন। দেখে খুবই ভালো লাগলো। মসজিদের দেওয়ালে, দরজায়, জানালায় খচিত খোদাই ও নকশা আজও নজর কাড়ছে। দেখে মনে হচ্ছে, খুব যত্ন করে বানানো হয়েছে মসজিদটি।

    মসজিদটির অভ্যন্তরভাগে আছে তিনটি মেহরাব। যার মাঝখানেরটি অপেক্ষাকৃত বড় এবং পাথরের নিখুঁত কারুকার্যে অলংকৃত। মসজিদের ভেতরের দেওয়ালজুড়ে যে নিপুণ নির্মাণশৈলী দেখা যায়, তা বাংলার মধ্যযুগীয় শিল্পকলার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও আশপাশের জেলা থেকে প্রতিদিন শতাধিক দর্শনার্থী এখানে আসেন। কেউ আসেন ইতিহাস জানতে, কেউবা ফটোগ্রাফি করতে, কেউ আসেন পাথরের ছোঁয়া আর প্রকৃতির নীরবতায় সময় কাটাতে।

    ঢাকার নতুন বাজার এলাকা থেকে চাঁপাইনবাগঞ্জে বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন স্বজল আহমেদ। তিনি বিকেলবেলায় ছোট সোনামসজিদ দেখতে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা তো ইতিহাস বইয়ে পড়ে এসেছি ছোট সোনামসজিদ সম্পর্কে। আজ বাস্তবে এসে যেন ইতিহাসকে ছুঁয়ে দেখলাম। খুবই ভালো লাগছে।’

  • সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে ৯০০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি

    সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে ৯০০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ৯০০ মেক্টিক টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার।

    সোমবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনামসজিদ উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক সমীর চন্দ্র ঘোষ। তিনি বলেন, ৩০টি অনুমোদনপত্রের বিপরীতে সোনামসজিদ বন্দরে দিয়ে ৯০০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে আমদানি শুরু হয়েছে। এর আগে রোববার সন্ধ্যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর গিয়ে ভারতের মোহদীপুর থেকে দুটি ট্রাকে ৬০ টন পেঁয়াজ স্থলবন্দরে প্রবেশ করে। এতে স্থানীয় খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ২০-৩০ টাকা কমে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
    সবশেষ ৯ সেপ্টেম্বর ভারত থেকে সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ এসেছিল বলে জানান সমীর চন্দ্র ঘোষ।

  • বিএনপি প্রার্থী   সরকার গঠন করলে আমি যা বলবো তাই আইন, তাই আল্লাহর হুকুম

    বিএনপি প্রার্থী সরকার গঠন করলে আমি যা বলবো তাই আইন, তাই আল্লাহর হুকুম

    ‘দুইদিন পরেতো ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠন করবে। তখন কথা বলার মানুষই থাকবে না। আমি যা বলবো তাই আইন, আল্লাহর হুকুম’ বলে মন্তব্য করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির শিল্প-বাণিজ্য বিষয়ক সহ-সম্পাদক সাবেক এমপি আমিনুল ইসলাম।

    মঙ্গলবার বিকেল থেকে তার এই বক্তব্যের ৪২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

    ভাইরাল ওই ৪২ সেকেন্ডের ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা গেছে, ‘এটাকে শক্ত হাতে দমন করতে হবে, মন মানসিকতা দিয়ে। সবখানে হাজি (আমিনুল ইসলাম) করে দিবে তা না। আপনাদেরও দায়িত্ব আছে। বিল আছে, বিল তো কেউ উঠিয়ে নিয়ে বাইরে চলে যাবে, কারোও ক্ষমতা আছে। ফের আগের নিয়মে চলবে। যা ভাগ করে দিয়েছি তার বাইরে একটা সুচ লড়বে না। ভোটের আগে এগ্লা (এগুলো) লিয়ে (নিয়ে) আর বসবো না। এক দুই মাসের জন্য সমস্যা হবে না। আল্লাহর ওপর ভরসা করেন আগামী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকার গঠন করবে। তখন কথা বলার মানুষই থাকবে না। আমি যা বলবো তাই আইন, আল্লাহর হুকুম। তাই এখন ভয় করতে হবে না।’

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গোমস্তাপুর উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নে কয়েকটি মৌজা নিয়ে ছোট বিল্লা-বড় বিল্লা নামে একটি বিল আছে। যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দ্বন্দ্ব বিরাজমান এবং বিলটির উপর হাইকোর্টে মামলা চলমান আছে। এছাড়া বিলটি থেকে সরকার প্রতি বছর রাজস্বও হারাচ্ছেন। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পর বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলামের বাড়িতে রাধারনগর ইউনিয়ন বিএনপির নেতা ও কর্মীদের নিয়ে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উঠান বৈঠকে বিএনপির নেতা কর্মীদের মাঝে বিলটি নিয়েই বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বক্তব্যের এক পর্যায়ে এমন বিতর্কিত বক্তব্য
    নাচোল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের খোকন বলেন, আমিনুল হাজির এমন বক্তব্যে আমরা চরমভাবে বিব্রত। তিনি দলীয় আদর্শ থেকে এমন বক্তব্য দিতে পারে না। আমরা বিষয়টি কেন্দ্রে জানাবো।

    তবে এ বক্তব্যের বিষয়ে একাধিকবার আমিনুল ইসলামকে কল করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

  • মহাসড়কে জব্দের পর ১৪ হাজার লিটার তেল আত্মসাতের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

    মহাসড়কে জব্দের পর ১৪ হাজার লিটার তেল আত্মসাতের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের খাদ্যপণ্য প্রস্তুত ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান আদর্শ গ্রুপের ১৩ হাজার ৯৫০ লিটার পাম তেল জব্দের পর তা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও এক উপপরিদর্শকের (এসআই) বিরুদ্ধে। জব্দ করা তেলের দাম ২৩ লাখ ২১ হাজার ২৫০ টাকা।

    গতকাল শনিবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান আদর্শ গ্রুপ অব কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. সাদিকুল ইসলাম।

    অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই তেল অন্য একটি মামলার চোরাই পণ্য হিসেবে জব্দ করে আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টির সত্যতা আদালতই যাচাই করবে।

    সাদিকুল ইসলামের অভিযোগ, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে তাঁদের নিজস্ব ট্রাকে ১৩ হাজার ৯৫০ লিটার (৭৫ ড্রাম) পাম তেল চাঁপাইনবাবগঞ্জে আনা হচ্ছিল। পথে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল এলাকায় রায়গঞ্জ থানা-পুলিশ ট্রাকসহ তেল জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় ওসি মাসুদ রানার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি মালামালের প্রমাণপত্র দিতে বলেন। পরে ক্রয়কৃত মালামালের মেমোর ফটোকপি থানায় জমা দেওয়া হয়, তবে ওসি তা বিবেচনায় নেননি। পরে তিনি জানান, আদালতের মাধ্যমে ট্রাক ও তেল ফেরত নিতে হবে।

    সাদিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘২৫ নভেম্বর সিরাজগঞ্জের আদালতে গিয়ে জানতে পারি ট্রাকটি অন্য একটি মামলায় জব্দ করা হয়েছে। তবে ট্রাকে থাকা পাম তেল কোথাও জব্দ তালিকায় নেই।’ তিনি বলেন, ২৬ নভেম্বর রায়গঞ্জ থানার ওসি মাসুদ রানা ও এসআই ফিরোজসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তেল ও ট্রাক আত্মসাতের অভিযোগে সিরাজগঞ্জের আমলি আদালতে মামলা করা হয়েছে। ট্রাকটি যমুনা সেতুর টোল প্লাজা পার হওয়ার সিসিটিভি ফুটেজ তাঁর কাছে আছে।

    অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে রায়গঞ্জ থানার ওসি (সদ্য বদলি) কে এম মাসুদ রানা বলেন, ওই ট্রাকে যে তেল পাওয়া গেছে, তা একটি চোরাই গোডাউন থেকে লোড করা হয়েছে। পুলিশ তেলসহ ট্রাকটি জব্দ করে আদালতে জমা দিয়েছে। এখন আদালতই সত্য-মিথ্যা যাচাই করবে।

    একই দাবি করেছেন রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, পাম তেল আত্মসাতের অভিযোগ অবান্তর। তেল আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই। অন্য একটি ডাকাতি মামলার তেল একটি চোরাই গুদাম থেকে লোড করা হয়েছিল। তা জব্দ দেখিয়ে আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।

  • চাল বিক্রেতা থেকে বড় উদ্যোক্তা প্রতিবন্ধী তরিকুল

    চাল বিক্রেতা থেকে বড় উদ্যোক্তা প্রতিবন্ধী তরিকুল

    স্কুলে ভর্তি হয়েও দ্বিতীয় শ্রেণির গণ্ডি পেরোতে পারেননি চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার মোকরামপুরের আলীনগর গ্রামের তরিকুল ইসলাম। তারপর শৈশবেই পোলিও রোগে আক্রান্ত হয়ে শরীরের একটি অংশের কার্যক্ষমতা হারান। সেই থেকে চলতে–ফিরতে ক্রাচ তাঁর নিত্যসঙ্গী।

    শরীরের একাংশের কার্যক্ষমতা হারিয়েও দমে যাননি তরিকুল। কঠোর চেষ্টা ও উদ্যমে তিনি হয়ে উঠেছেন একজন সফল উদ্যোক্তা। স্থানীয়ভাবে অনেকের জন্য অনুকরণীয়। তরিকুল এখন ফিন্টু সুপার অটো রাইস মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)। তাঁর অধীন কাজ করেন ছয়জন মহাব্যবস্থাপক আর ২০০ কর্মচারী। বর্তমানে দুটি অটো রাইস মিলের মালিক তিনি।

    সমাজের চোখে প্রতিবন্ধী এই ব্যবসায়ীর ডাকনাম ফিন্টু। এই নামেই নামকরণ করেন নিজের প্রতিষ্ঠানের। তাঁর চালকল কারখানা অবস্থিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের এনায়েতপুর গ্রামে। এই চালকলের প্রতিদিনের উৎপাদনক্ষমতা তিন হাজার মণ। তাঁর চালকলে উৎপাদিত চাল দেশের দক্ষিণাঞ্চলে অত্যন্ত সুপরিচিত। ‘ফিন্টু রাইস’ ব্র্যান্ড হিসেবে একনামে বিক্রি হয়। এই চালের চাহিদা এতটাই বেশি যে স্থানীয় চালের চেয়ে প্রতিবস্তা ২০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হয়। বিশেষ করে কুষ্টিয়া, রাজবাড়ী, কিশোরগঞ্জ, ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও কানাইপুর; মাদারীপুরের টেকেরহাট, বরিশাল, ঝিনাইদহ, কালীগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা, আলমডাঙ্গা এসব এলাকায় এই চাল বেশি বিক্রি হয়। কুষ্টিয়া ও কিশোরগঞ্জে প্রতিদিন দুই ট্রাক করে চাল যায়। নারায়ণগঞ্জে যায় প্রতিদিন এক থেকে তিন ট্রাক, ঝিনাইদহে সপ্তাহে তিন থেকে পাঁচ ট্রাক। কালীগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা, আলমডাঙ্গায়ও যায় এই চাল।

    সম্প্রতি কথা হয় ৬০ বছর বয়সী তরিকুল ইসলামের সঙ্গে। শৈশবে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা জয় করে কীভাবে একজন সফল উদ্যোক্তা হয়ে ওঠেন, সেই গল্প তিনি শোনান আলাপকালে। গল্পে গল্পে জানা যায়, শৈশবে গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন প্রথম শ্রেণিতে; কিন্তু প্রথম শ্রেণির পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন। তরিকুল বলেন, যখন পরীক্ষায় পাস করতে পারলাম না, তখন বাবা বললেন, তোকে দিয়ে লেখাপড়া হবে না। বাবার এই কথার পর লেখাপড়া আর বেশিদূর এগোয়নি। শুরু হলো জীবনযুদ্ধ। শৈশবেই যুক্ত হয়ে যান ব্যবসার সঙ্গে, তা–ও কিছু না জেনে, না বুঝে।

    তরিকুল জানান, সেই ছোটবেলাতেই প্রতিদিন ১০ কেজি চাল নিয়ে ট্রেনে করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে পাবনার ঈশ্বরদীতে যেতেন তিনি। সেই চাল বিক্রি করে আবার ফিরে আসতেন। প্রতিদিন চাল বিক্রি করে পাঁচ থেকে আট টাকা লাভ হতো। তখন ঈশ্বরদীতে ফুটপাতের দোকানে প্রতি প্লেট ভাত বিক্রি হতো আট আনায়। এভাবে একটু একটু করে বিক্রি বাড়তে থাকে। ঈশ্বরদীর পরে কুষ্টিয়ায় গিয়ে চাল বিক্রি শুরু করেন তিনি। হঠাৎ একদিন যাত্রীবাহী ট্রেনে অবৈধভাবে চাল পরিবহনের অভিযো

    বিয়ের কথা বলতে গিয়ে কিছুটা বিষণ্ন হয়ে পড়েন তরিকুল। কিছুক্ষণের মধ্যে নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন, বিয়ের পরপরই বাবা দুই মণ ধান ও পাঁচটি ঢেউটিন দিয়ে আলাদা করে দিলেন। এরপর শুরু হলো জীবনের প্রকৃত লড়াই। তরিকুলের মনের মধ্যে শুধু ব্যবসার চিন্তা। সেই চিন্তা থেকে বাবার দেওয়া দুই মণ ধান বিক্রি করে কিনলেন আম; কিন্তু সেই আম বিক্রি করে ২০ টাকা লোকসান গুনতে হলো। লোকসানের পর ভাবলেন, বাড়িতে নতুন বউ, লোকসানের কথা বললে মন খারাপ করতে পারে। তাই লোকসানের কথা ভুলে মাছ কিনে বাড়ি ফিরলেন হাসতে হাসতে। আমের ব্যবসার এক লোকসানেই আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন তিনি। এ অবস্থা দেখে ঘনিষ্ঠ বন্ধু আতাউর রহমান দুই হাজার টাকা ধার দিলেন কিছু একটা করতে। সেই টাকা দিয়ে প্রথম মুদিদোকান খোলেন তরিকুল। কারণ, আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, যেভাবেই হোক ব্যবসায় করবেন তিনি। এভাবেই চলল কয়েক বছর। ১৯৯১ সালে আবার পুঁজিসংকটে। বাড়িঘরও নেই। এ সময় গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ২ হাজার টাকা ঋণ পেলেন। নগদ হাতে পেলেন ১ হাজার ৮৫০ টাকা। এর মধ্যে ১ হাজার ৮০০ টাকা দিয়ে একটি গরু কিনলেন। সাত-আট মাস পর গরুটা ৩ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি করলেন। গরু বিক্রির ৩ হাজার ৬০০ টাকার সঙ্গে দোকানের জমানো ৪০০ টাকা যোগ করে মোট ৪ হাজার টাকা নিয়ে শুরু করলেন আতপ চালের ব্যবসা।

    তরিকুল জানান, ব্যবসায়ীরা চাল নিয়ে কোথায় বিক্রি করেন, কেউ কাউকে বলেন না। একদিন এক ব্যবসায়ী ঠিকানা দিলেন কুষ্টিয়ার বড়বাজারের ব্যবসায়ী প্রবীর বাবুর। চাল নিয়ে তাঁর কাছে গেলেন। তখন বিকেল হয়ে গেছে। প্রবীর বাবু চাল না কিনে ফিরিয়ে দিলেন তাকে। তিনি ঘুরতে থাকলেন কুষ্টিয়ার বড়বাজারে এ–দোকান, ও–দোকান। একপর্যায়ে এক ব্যবসায়ী তাঁর চাল কিনতে রাজি হলেন। সেই থেকে কুষ্টিয়ায় তাঁর চালের ব্যবসা শুরু। তরিকুলের মতে, এখন কুষ্টিয়ার চালের বাজারে যদি ১০০ বস্তা চাল বিক্রি হয়, তার মধ্যে ৯০ বস্তাই ‘ফিন্টু রাইস’, অর্থাৎ তরিকুলে চালকলের চাল। তরিকুল বলেন, ‘কোনো ভেজাল চাল বিক্রি করি না। তাই আমার চালের চাহিদা বেশি।’

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বাংলাদেশিকে হত্যা করল বিএসএফ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বাংলাদেশিকে হত্যা করল বিএসএফ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাখেরআলী সীমান্তে তসির আলী (২৮) নামের এক বাংলাদেশি যুবককে হত্যা করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

    বুধবার ভোররাতে জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার বাখেরআলী সীমান্তের ওপারে বাহুড়া ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা গুলি চালিয়ে ওই যুবককে হত্যা করে বলে জানা গেছে।

    জানা যায়, ঘটনাস্থলেই ওই যুবকের মৃত্যু হয়। পরে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। ভারতের জঙ্গিপুর থানার পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

    নিহত তসির আলী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের বাখেরআলী পশ্চিমপাড়ার ইব্রাহিমের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তসির আলী গরু চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, তসির আলী তিনদিন ধরে নিখোঁজ ছিল। ওপারে নদীতে লাশ ভাসতে দেখে পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে গেছে। তবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে সেটি নিশ্চিত নই। ঘটনাটি বিএসএফকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে লাশ ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলছে।