ক্যাটাগরি বগুড়া

Bogura district

  • বগুড়ায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের শিবিরের সংবর্ধনা

    বগুড়ায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের শিবিরের সংবর্ধনা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির বগুড়া জেলা পূর্ব শাখার উদ্যোগে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত তিন শতাধিক কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার সকালে শাজাহানপুর উপজেলার সাজাপুর কামিল মাদ্রাসা মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির বগুড়া জেলা পূর্ব শাখার সভাপতি শাহরিয়ার হাসান বিপ্লবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় পাঠাগার সম্পাদক হাবিবুল্লাহ খন্দকার।

    বগুড়া জেলা পূর্ব শাখার সেক্রেটারি তৌফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বগুড়া জেলা শাখার আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হক সরকার, বগুড়া জেলা জামায়াতের মহিলা বিভাগের সভানেত্রী ডা. মাসুদা করিম, জেলা জামায়াতের প্রচার সম্পাদক ও গার্ডিয়ান পাবলিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির বগুড়া মহানগর সভাপতি শফিকুল ইসলাম, শাজাহানপুর উপজেলা জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ মাওলানা মো. আব্দুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা শহিদুল ইসলাম, সারিয়াকান্দি উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার আরিফুল ইসলাম, বগুড়া মহানগর মজলিসুল মোফাসসিরিনের সভাপতি মাওলানা আব্দুস সালাম যুক্তিবাদী এবং সাজাপুর ফুলতলা কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল মান্নান।

    অনুষ্ঠানে বক্তারা কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে আগামী দিনের পথচলায় জ্ঞান, নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করার আহ্বান জানান। তারা বলেন, শিক্ষাজীবনে ভালো ফলাফলের পাশাপাশি চরিত্র গঠন এবং সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়াও জরুরি।

    আয়োজকরা জানান, বগুড়া জেলা পূর্ব শাখার আওতাধীন এলাকার এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত তিন শতাধিক কৃতি শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট ও উপহারসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

    অনুষ্ঠানে বগুড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, অভিভাবক এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • আদমদীঘিতে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    আদমদীঘিতে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় সান্তাহার রেলওয়ে ইয়ার্ড কলোনি এলাকায় ছাতিম গাছের ডাল থেকে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা গাছে লাশ ঝুলতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।

    মৃত এমডি বাঁধন (২৩) সান্তাহার পৌর শহরের ইয়ার্ড কলোনি মহল্লার মাসুদ রানার ছেলে।

    স্থানীয়দের দাবি, ঘটনাটি কেবল আত্মহত্যা নয়; পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে লাশ গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে।

    এ বিষয়ে আদমদীঘি থানার ওসি কামরুজ্জামান মিঞা জানান, লাশ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্ত শেষেই মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

  • বগুড়ায় দেড় বছরে ৯৩ এইচআইভি শনাক্ত, মৃত্যু ৯

    বগুড়ায় দেড় বছরে ৯৩ এইচআইভি শনাক্ত, মৃত্যু ৯

    বগুড়ায় উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে এইচআইভি সংক্রমণ। গত ১৯ মাসে ৯৩ জনের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের প্রায় ৮৭ শতাংশ পুরুষ। একই সময়ে মারা গেছেন ৯ জন। এর মধ্যে চলতি বছরের প্রথম সাত মাসেই মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। চিকিৎসকদের মতে, ঝুঁকিপূর্ণ যৌন সম্পর্কসহ নানা কারণে এইচআইভি সংক্রমণ বাড়ছে।

    শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের এইচআইভি টেস্টিং অ্যান্ড কাউন্সেলিং (এইচটিসি) সেন্টারের তথ্যানুযায়ী, গত ১৯ মাসে পরীক্ষা করা ২,১৬৪ জনের মধ্যে ৯৩ জনের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৮১ জন পুরুষ, ১০ জন নারী এবং দুজন তৃতীয় লিঙ্গের। এ সময়ে বগুড়া জেলার ৯২ জন এবং অন্য জেলার একজনের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে এইচআইভি সন্দেহে ৫৯৭ জন রেজিস্ট্রেশন করেছেন।

    চিকিৎসাসংশ্লিষ্টরা বলছেন, অরক্ষিত ও ঝুঁকিপূর্ণ যৌন সম্পর্ক, পুরুষে পুরুষে যৌন সম্পর্ক, যৌনকর্মীদের মাধ্যমে সংক্রমণ, অনিরাপদ রক্ত গ্রহণ এবং ব্যবহৃত সুঁই-সিরিঞ্জ ভাগাভাগির মতো আচরণ থেকে এইচআইভি ছড়াতে পারে।

    শজিমেক হাসপাতালের এইচটিসি সেন্টারে প্রতিদিন গড়ে ১০-১৫ জন এইচআইভি পরীক্ষার জন্য নমুনা দিতে আসেন। পজিটিভ শনাক্ত হলে তাৎক্ষণিক কাউন্সেলিং করা হয়। আক্রান্তদের বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধও দেওয়া হয়।

    তরুণদের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য

    শজিমেক হাসপাতালের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ওয়াদুদুল তরফদার নাহিদ বলেন, আক্রান্তদের মধ্যে তরুণ ও কর্মক্ষম বয়সি মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। ঝুঁকিপূর্ণ যৌন আচরণ ও অরক্ষিত যৌন সম্পর্কসহ বিভিন্ন কারণে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের পাশাপাশি সার্জারি করা রোগীদেরও এইচআইভি পরীক্ষা করা জরুরি।

    সপ্তাহব্যাপী শজিমেক হাসপাতালের এইচটিসি সেন্টারে বিভিন্ন বয়সি কয়েকজনকে এইচআইভি পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়। তাদের মধ্যে নওগাঁর নজিপুরের এক দম্পতিও ছিলেন। মাদকাসক্ত কয়েকজনের শরীরেও এইচআইভি পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।

    সাত বছরে ৯ মৃত্যু

    গত ২০ আগস্ট জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে আহছানিয়া মিশনের উদ্যোগে আয়োজিত এইচআইভিবিষয়ক সেমিনারে সংক্রমণের আরো তথ্য উঠে আসে।

    সেমিনারে জানানো হয়, ২০১৯ সাল থেকে চলতি বছর পর্যন্ত সাত বছরে বগুড়ায় ৪,০৫২ জনের এইচআইভি পরীক্ষা করা হয়েছে। শুধু ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসে পরীক্ষা করা হয়েছে ১,৭৯৪ জনের। এ সময়ে ২৫ জনের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত এবং একজনের মৃত্যু হয়েছে। সাত বছরে মোট মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের।

    শজিমেক হাসপাতালের এইচটিসি সেন্টারের কাউন্সেলর আব্দুস সালাম বলেন, এইচআইভি পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার পর অনেক রোগী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।

    এইচটিসি সেন্টারের চিকিৎসক ডা. সুলতান ইবনে সাঈদ বলেন, এইচআইভি সংক্রমণের অন্যতম প্রধান কারণ অরক্ষিত ও ঝুঁকিপূর্ণ যৌন সম্পর্ক। নারী-পুরুষের পাশাপাশি পুরুষে পুরুষে যৌন সম্পর্কের মাধ্যমেও এটি ছড়াতে পারে। আক্রান্ত মায়ের কাছ থেকেও শিশুর শরীরে সংক্রমণ হতে পারে। গর্ভাবস্থা, সন্তান জন্মদানের সময় ও বুকের দুধের মাধ্যমেও শিশুর সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে।

    সচেতনতায় গুরুত্বচিকিৎসক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এইচআইভি নিয়ে সামাজিকভাবে ব্যাপক প্রচার ও সচেতনতা জরুরি। আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে চিকিৎসা ও কাউন্সেলিংয়ের আওতায় আনা গেলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর নিয়মিত পরীক্ষা নিশ্চিতের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা।

  • বগুড়ায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা পেল ৫ হাজার মানুষ

    বগুড়ায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা পেল ৫ হাজার মানুষ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    বগুড়ায় প্রায় পাঁচ হাজার সুবিধাবঞ্চিত নারী, পুরুষ ও শিশুকে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়েছে। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমানের উদ্যোগে আল-বাসার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এ চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।

    শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বগুড়া পৌর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত ক্যাম্পে জেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় পাঁচ হাজার মানুষকে চক্ষু পরীক্ষা, চিকিৎসকের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীদের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চশমা সরবরাহ করা হয়। পাশাপাশি ছানি রোগীদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    ক্যাম্পে শনাক্ত হওয়া ৫০০ ছানি রোগীর লেন্সসহ বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারের জন্য বগুড়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে আয়োজকরা জানান।

    চিকিৎসা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি সাবেক এমপি মো. হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু। তিনি ক্যাম্পের কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসক ও রোগীদের সাথে কথা বলেন। পরে তিনি রোগীদের মধ্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চশমা বিতরণ করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন আল-বাসার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের বাংলাদেশ সেক্টরের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. আহমেদ তাহের হামিদ আলী, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আলী আজগর তালুকদার হেনা, জেলা বিএনপির নেতা ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল, যুগ্ম সম্পাদক শেখ তাহা উদ্দিন নাহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদ উল নবী সালাম, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন বগুড়ার নেতৃবৃন্দের মধ্যে ডা. শাহ মো. শাহজাহান আলী, ডা. আফসারুল হাবিব রোজ, আমিনুল হক দেয়ান সজল ও ডা. ইউনুস আলী, আল-নূর চক্ষু হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আবু সাঈদ, আল-বাসার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের ফ্রি ক্যাম্পিং ম্যানেজার মো. ওবায়দুজ্জামান, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ সুজন এবং গাবতলী উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আরিফুর রহমান মজনুসহ চিকিৎসকরা।

    আয়োজকরা জানান, আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে নিম্নআয়ের মানুষের একটি বড় অংশ সময়মতো প্রয়োজনীয় চক্ষু চিকিৎসা নিতে পারেন না। বিশেষ করে ছানি ও দৃষ্টিশক্তিজনিত সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের কাছে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো মানুষ যেন প্রয়োজনীয় চক্ষু চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন—এই মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

  • বগুড়ায় ১২০০ পিস ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

    বগুড়ায় ১২০০ পিস ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

    বগুড়ার নন্দীগ্রামে ১২০০ পিস ইয়াবাসহ রবিউল ইসলাম (৩৬) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১২। গ্রেপ্তার রবিউল নন্দীগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় রবিউলকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    সর্বশেষ বুধবার (২৬ আগস্ট) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

    এর আগে মঙ্গলবার রাতে উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের নুন্দহ-মুরাদপুর আঞ্চলিক সড়কের নুন্দহ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি উপজেলার নুন্দহ গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে। পরে এ ঘটনায় নন্দীগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করেছে র‌্যাব।

    মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, র‌্যাব-১২ একটি দল নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড এলাকায় টহলরত অবস্থায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিরা বাসস্ট্যান্ড থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা যোগে এক ব্যক্তি ইয়াবা নিয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে নুন্দহ গ্রামের দিকে যাচ্ছে। এ খবর পেয়ে র‌্যাব সদস্যরা নুন্দহ থেকে মুরাদপুরগামী পাকা সড়কের নুন্দহ এলাকায় চেকপোস্ট বসান। পরে রাত আনুমানিক ৯টা ৫মিনিটের দিকে একটি নম্বরবিহীন যাত্রীবাহী সিএনজিচালিত অটোরিকশায় চেকপোস্টে পৌঁছালে সেটি থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। অটোরিকশায় থাকা একমাত্র যাত্রী রবিউল ইসলামকে সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তার পরিহিত জিন্স প্যান্টের পকেট তল্লাশি করে ছয়টি পলিথিনের ব্যাগে রাখা ১২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক বিক্রির ৩ হাজার ১৫০ টাকাও জব্দ করা হয়।

    নন্দীগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান তারেক বলেন, আপনারা ইতোমধ্যে জেনেছেন যে আমরা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে মাদক কারবারিদের আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করতে সহযোগিতা করেছি। আমরা মাদকমুক্ত নন্দীগ্রাম চাই।

    রবিউলের সাংগঠনিক পরিচয় নিশ্চিত করে তিনি আরও বলেন, দল কোনো ব্যক্তির অপরাধের দায় নেবে না। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি জানার পর ইতোমধ্যে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    নন্দীগ্রাম থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, র‌্যাবের দেওয়া এজাহারের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার সকালে গ্রেপ্তার আসামিকে নন্দীগ্রাম থানা থেকে বগুড়া আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • কৃষকের শতাধিক কলাগাছ কেটে ফেলল দুর্বৃত্তরা

    কৃষকের শতাধিক কলাগাছ কেটে ফেলল দুর্বৃত্তরা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    বগুড়ার শিবগঞ্জে রাতের আঁধারে কৃষক নয়ন প্রামানিকের শতাধিক কলাগাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    সোমবার (১৭ আগস্ট) রাতে উপজেলার পৌর এলাকার তেঘড়ি মহল্লায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও কৃষক নয়ন প্রামানিকের জমিতে এ ঘটনা ঘটে।

    ভুক্তভোগী জানান, চাম্পা জাতের কলাগাছগুলো অনেক যত্ন সহকারে লাগানো হয়েছিল। কিন্তু সোমবার রাতের কোনো এক সময় কে বা কারা শত্রুতাবশত শতাধিক গাছ কেটে বিনষ্ট করে। গাছগুলোতে কলা ধরেছিল। এতে প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্তের মাধ্যমে দুষ্কৃতকারীদের শাস্তির দাবি জানান তিনি।

    শিবগঞ্জ থানার কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুজ্জামান শাহীন বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত  ৭

    বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারানো যাত্রীবাহী একটি বাসের চাপায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে সাতজনে দাঁড়িয়েছে।

    শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে কাজের সন্ধানে দাঁড়িয়ে থাকা দিনমজুরদের ওপর বাসটি উঠে গেলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

    সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নিহত সাতজনেরই নাম-পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন- বগুড়া সদর উপজেলার ফাপোঁড় মধ্যপাড়ার বেল্লাল হোসেন (৪০), কাহালু উপজেলার নারহট্ট সরদার পাড়ার নুর মোহাম্মদ সরদার (৭৫), জয়পুরহাটের কালাই থানার মো: আনারুল ইসলাম (৫৫), পাঁচবিবি থানার আমিরুল (৪০), গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের আবু সাইদ (৪৫), একই উপজেলার নুর আলম (৪৫) এবং দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার মো: তাজিমুল (৪৭)।

    এদিকে, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের খোঁজখবর নিতে যান প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডাক্তার মনোয়ারুল কাদির বিটু।

    হাসপাতালের পরিচালককে সাথে নিয়ে রোগীদের দেখার পর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এই এক্সিডেন্টের খবরে অনেক উদ্বিগ্ন। আমি খবর পেয়েই দ্রুত এখানে ছুটে এসেছি। আহতদের মধ্যে অনেকের মাথায় ও পায়ে গুরুতর আঘাত রয়েছে। আইসিইউতে থাকা একজনের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক।’

    প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক আরো জানান, ‘যাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া সম্ভব, দেয়া হয়েছে। ওষুধপত্র যা লাগে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষই দেখবে এবং রক্তের প্রয়োজন হলেও সেটার জোগান এখান থেকে দেয়া হবে। প্রয়োজন অনুসারে রোগীদের ঢাকায় রেফার করা হবে। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনের সাথেও কথা হয়েছে, তারা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।’

    বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইব্রাহীম আলী বাসসকে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানা গেছে একটি মোটরসাইকেল আরোহীকে বাঁচাতে গিয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খুঁটিতে ধাক্কা দেয় এবং পরে শ্রমিকদের ওপর উঠে যায়।’

    ‘এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন এবং হাসপাতালে চারজন মারা যান। এ ঘটনায় জনগণের দাবির প্রেক্ষিতে সওজ কর্তৃপক্ষ স্পিডব্রেকার নির্মাণের কাজ শুরু করায় স্থানীয়রা সড়ক ছেড়ে দেন। বর্তমানে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।’

    ওসি আরো জানান, ‘দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।’

    বগুড়ার জেলা প্রশাসক মো: তৌফিকুর রহমান হাসপাতালে আহতদের দেখতে গিয়ে নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা এবং আহতদের ১৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দেন।

    একইসাথে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

  • বগুড়ায় ট্রাকের সঙ্গে পিকআপের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল ৪ জনের

    বগুড়ায় ট্রাকের সঙ্গে পিকআপের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল ৪ জনের

    বগুড়ার কাহালু উপজেলায় ট্রাক ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের কাহালু উপজেলার কাজীপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত চারজনের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি ময়মনসিংহ সদর উপজেলার রাঘবপুর গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে লুৎফর রহমান (৫০)। তিনি পেশায় মাছ ব্যবসায়ী। নিহত অপর তিনজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাঁরা পিকআপের চালক, হেলপার ও মাছ ব্যবসায়ী ছিলেন বলে জানা গেছে।

    কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, ময়মনসিংহ থেকে একটি পিকআপে করে মাছ নিয়ে কয়েকজন ব্যবসায়ী নওগাঁয় গিয়েছিলেন। ফেরার পথে শনিবার সকালে কাজীপাড়া এলাকায় অন্য একটি যানবাহনকে ওভারটেক করার সময় নওগাঁগামী একটি মালবাহী ট্রাকের সঙ্গে পিকআপটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

    তিনি জানান, সংঘর্ষে পিকআপের সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালক, হেলপার ও দুই মাছ ব্যবসায়ী নিহত হন।

    দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক ও তাঁর সহকারী পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে কাহালু থানা-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত যান দুটি সরিয়ে নেয় এবং নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে।

    ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, নিহত লুৎফর রহমানের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। নিহত অপর তিনজনের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।

  • বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর ফেরা হলো না, পুকুরে মিলল ৩ শিশুর মরদেহ

    বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর ফেরা হলো না, পুকুরে মিলল ৩ শিশুর মরদেহ

    বগুড়ার কাহালুতে পুকুরে ডুবে ভাই-বোনসহ তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার মুরইল ইউনিয়নের ভালতা গুচ্ছ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলো—ভালতা গুচ্ছ গ্রামের আসাদুল ইসলামের ছেলে জাকিরুল ইসলাম (৯) এবং ফারুক মণ্ডলের ছেলে ফাহিম (৮) ও মেয়ে সুরাইয়া (৫)।

    স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে তিন শিশু বাড়ি থেকে বের হয়। দুপুর পর্যন্ত বাড়িতে না ফেরায় স্বজনরা তাদের খোঁজ করতে থাকেন। দুপুর ১টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দা সালমা খাতুন পুকুরের পানিতে জাকিরুলের মরদেহ ভাসতে দেখে চিৎকার দেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    এদিকে ফাহিম ও সুরাইয়াকে খুঁজে না পেয়ে স্থানীয়রা পুকুরে তল্লাশি শুরু করেন। একপর্যায়ে মিন্টু প্রামাণিক পানিতে নেমে ফাহিমের মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে সুরাইয়ার সন্ধান না পেয়ে কাহালু ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পুকুর থেকে সুরাইয়ার মরদেহ উদ্ধার করেন।

    একসঙ্গে তিন শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    কাহালু থানার ওসি শফিকুল ইসলাম তিন শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।

  • বগুড়ায় চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই

    বগুড়ায় চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই

    বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলায় চালক আব্দুল মান্নানকে (৪৫) হত্যা করে তার সিএনজিচালিত অটোরিকশা ছিনতাই করেছে দুর্বৃত্তরা।

    সোমবার (২৯ জুন) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার দড়িপাড়া গ্রামের কৈ-খালি বিলের পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

    নিহত মান্নান জেলার গাবতলী উপজেলার মালিয়ানডাঙ্গা গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে এবং বগুড়া জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য।

    নিহতের পরিবার জানায়, প্রতিদিনের মতো রোববার (২৮ জুন) সকালে সিএনজি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন মান্নান। তিনি বগুড়া শহরের চেলোপাড়া স্ট্যান্ড থেকে সারিয়াকান্দি রুটে সিএনজি চালাতেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে সহকর্মীরা তাকে সর্বশেষ চেলোপাড়া স্ট্যান্ডে দেখেন। এরপর তিনি আর বাড়ি না ফেরায় সোমবার সকাল থেকে পরিবারের সদস্য ও সহকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে তাকে খোঁজাখুঁজি করেন।

    একপর্যায়ে সারিয়াকান্দির কৈ-খালি বিল এলাকায় স্থানীয়রা একটি লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি মান্নানের বলে শনাক্ত করেন।

    সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ফ ম আসাদুজ্জামান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের পর শ্বাসরোধে চালক মান্নানকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহতের মোবাইলফোনটিও তারা নিয়ে গেছে। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।