বান্দরবান

Bandarban district

  • ১১২৫ হেক্টর জমিতে কলা চাষ

    ১১২৫ হেক্টর জমিতে কলা চাষ

    বান্দরবানের আলীকদমে পাহাড়ের ঢালে ঢালে বাড়ছে কলার আবাদ। কলা চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও বাঙালি সম্প্রদায়ের প্রান্তিক কৃষকেরা। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এখানকার কলা সরবরাহ করা হচ্ছে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুমিল্লা, চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। তবে সারসংকট, সরকারি প্রণোদনার অভাব ও যোগাযোগব্যবস্থার সীমাবদ্ধতায় এ খাতের সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারছেন না চাষিরা।

    উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ে বছরজুড়েই বাংলা, চাপা, সাগর, সরবি ও কাঁচকলার চাষ হয়। তবে আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত কলার ফলন বেশি পাওয়া যায়। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, শুধু রবিবারেই পানবাজার ও আমতলী নদীঘাট থেকে ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার ছড়া কলা দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়।চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের ভরিমুখ কর্মকারপাড়া এলাকার দুই তরুণ কৃষক মো. হাসান ও খুরশেদ আলম ১০ একর জমিতে কলা চাষ করেছেন। তাঁরা জানান, প্রতি সপ্তাহে ২০০ থেকে ২৫০টি কলার ছড়া বিক্রি করেন। ছড়াপ্রতি দাম পান ১৫০ থেকে ৫০০ টাকা। তবে প্রয়োজনীয় সার না পাওয়ায় উৎপাদন বাড়ানো যাচ্ছে না। পর্যাপ্ত সার সরবরাহ করা গেলে উৎপাদন দ্বিগুণ করা সম্ভব বলে মনে করেন তাঁরা।

    কলা পরিবহনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় লাভ কমছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরাও। চকরিয়ার ব্যবসায়ী মো. শামশুল আলম বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও টোলের খরচ বেড়ে যাওয়ায় কলা পরিবহনে ব্যয় বাড়ছে। অন্যদিকে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান বলেন, আকার ও গুণগত মানের কারণে পাহাড়ি কলার চাহিদা ভালো।

    কৃষকদের মতে, পর্যাপ্ত সার, সরকারি প্রণোদনা ও উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে আলীকদমে কলা চাষের পরিসর আরও বাড়ানো সম্ভব। এতে প্রান্তিক কৃষকদের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিও আরও গতিশীল হবে।

    উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর আলীকদমে মোট ১ হাজার ১২৫ হেক্টর জমি ও পাহাড়ের ঢালে কলার আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে বাংলা কলা ৬৭৭ হেক্টর, চাপা কলা ৩৫৪ হেক্টর, সাগর কলা ৫২ হেক্টর, সরবি কলা ২৭ হেক্টর এবং কাঁচকলার আবাদ হয়েছে ১৫ হেক্টর জমিতে।

    উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা বলেন, পাহাড়ের মাটিতে প্রাকৃতিকভাবেই কলাগাছ বেড়ে ওঠে। চারার আশপাশের জঙ্গল পরিষ্কার করা, মরা পাতা অপসারণ এবং অতিরিক্ত চারা কেটে ফেলার মতো পরিচর্যা করলেই ভালো ফলন পাওয়া যায়। সার ও কীটনাশক ছাড়াই চাষ করা হয় বলে এ কলার পুষ্টিগুণ অটুট থাকে এবং বাজারে চাহিদাও বেশি।

    তিনি আরও বলেন, উপজেলায় সারের চারজন ডিলার থাকলেও চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম। তবে সমন্বয়ের মাধ্যমে সব কৃষকের মধ্যে সার বিতরণের চেষ্টা চলছে।

  • লামায় ছাত্রদল ও যুবদলের মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী র‍্যালি

    লামায় ছাত্রদল ও যুবদলের মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী র‍্যালি

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    বান্দরবানের লামায় মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা যুবদল, পৌর যুবদল ও উপজেলা ছাত্রদলের যৌথ উদ্যোগে এ র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

    বান্দরবান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব জাবেদ রেজার নির্দেশনায় আয়োজিত র‍্যালিতে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। র‍্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

    এতে বান্দরবান জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মুর্শেদ বিন ওমর, জেলা যুবদলের সহসভাপতি কাশেম, জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শহিদুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাফায়েত রাশেল ও পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জামির হোসেনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

    আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সমাজ থেকে মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে রাখতে পরিবার, সমাজ ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোকে সচেতনতা তৈরিতে এগিয়ে আসতে হবে। এ,আর

  • পাহাড়ে লেগেছে সোনালি রঙ

    পাহাড়ে লেগেছে সোনালি রঙ

    বান্দরবানে পাহাড়ে উৎপাদিত জুমের পাকা ধানে ঘ্রাণ ছড়াচ্ছে। গ্রামীণ সড়কের দুপাশে এবং দূরের সবুজ পাহাড়গুলোর ঢালে ঢালে শোভা পাচ্ছে জুমের পাকা ধানের সোনালি রঙ, দূর থেকে মনে হচ্ছে পাহাড়ে লেগেছে সোনালি রঙ।

    ইতোমধ্যে কোথাও কোথাও পাহাড়ে চাষ করা জুমের পাকা ধান ঘরে তুলতে কাটা শুরু করেছেন জুমিয়ারা। কোথাও জুমে উৎপাদিত সাথি ফসল ঘরে তোলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন পাহাড়িরা।

    কৃষি বিভাগ ও জুমিয়াদের তথ্যমতে, বান্দরবান জেলার সাতটি উপজেলায় প্রতি বছরই জুম চাষের পরিমাণ বাড়ছে। গত বছর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জুম চাষ হয়েছিল ৮ হাজার ২৬৭ হেক্টর। ফসল উৎপাদন হয়েছিল লক্ষ্যমাত্রা ১২ হাজার ৪৯৯ মেট্রিক টনের বেশি। এ বছর ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জুম চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৮৯৫ হেক্টর পাহাড়ি ঢালুতে। জুমে উৎপাদনের ফসলের পরিমাণ প্রায় ২০ হাজার মেট্রিক টনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

    এদিকে জুমের ভালো ফলনে জুমিয়া পরিবারদের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি। চোখের দৃষ্টি যতদূর যায়, সবুজ পাহাড়ের ফাঁকে ফাঁকে শোভা পাচ্ছে জুমের পাকা ধানের সোনালি রঙ। এ বছর সময়মতো বৃষ্টিপাত হওয়ায় জুমের ধান বপনে খুব বেশি সময়ের ব্যবধান হয়নি। ফলে অনেক এলাকায় জুমের ফলনও তুলনামূলক ভালো হয়েছে।

    তবে পাহাড়ি অঞ্চলে সব জায়গায় বৃষ্টিপাত সমান না হওয়ায় জুমের ধানও একই সময়ে পাকে না। যারা বৈশাখ মাসের শুরুতে প্রথম বৃষ্টির পর ধান বপন করতে পেরেছেন, তাদের জুমের ধান আগে কাটার উপযোগী হয়েছে।

    জুমের ধান পাকার সঙ্গে সঙ্গে কোথাও জুমচাষিরা ধান কাটতে শুরু করেছেন, আবার কোথাও ধান পাকার অপেক্ষায় রয়েছেন। পাকা ধান ও ফসল পাহারা দিতে অনেক জুমচাষি সপরিবারে জুমঘরে অবস্থান করছেন। কেউ ধান কাটার আগেই মিষ্টি কুমড়া, ভুট্টা, মারফা ও চিনালসহ বিভিন্ন সাথি ফসল সংগ্রহ করছেন। কেউবা পাকা ধান কাটার উপযুক্ত সময়ের অপেক্ষায়।

    সরেজমিন রোয়াংছড়ি উপজেলার তারাছা ইউনিয়নের যামিনীপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, জুমের পাকা ধান কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন জুমচাষিরা। ছোটবড় কেউই ঘরে বসে নেই। জুমের ফসল গড়ে তোলতে সপরিবারে উঠেছেন জুম খেতের পাহাড়ে।

    যামিনীপাড়ার বাসিন্দা রিং লট ম্রো সপরিবারে এবং শ্রমের বিনিময়ে কাজ করা আট নারী শ্রমিককে নিয়ে জুমের পাকা ধান কাটার কাজ করছেন।

    জুমচাষি ইয়াংরি ম্রো বলেন, এ বছর প্রায় তিন একর পাহাড়ি জমিতে তিন ‘আড়ি’ বীজের ধান রোপণ করে জুম চাষ করেছেন। এক আড়ি সমান প্রায় ১০ কেজি ধান। এবারের জুমের ফলন মোটামুটি ভালো হয়েছে। সময়মতো বৃষ্টি হওয়ায় ধানের ফলন ভালো হয়েছে। আগে সময়মতো রোদ-বৃষ্টি হলে জুমের ধান ভালো হতো। এখন সময়মতো রোদ-বৃষ্টি হয় না। প্রকৃতিও যেন উল্টো হয়ে গেছে। তারপরও এ বছর জুমের ভালো ফলনের আশাবাদী। তিন একর জুম থেকে এবার প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ আড়ি ধান পাওয়া যাবে আশা জুমচাষির। আরও ভালো হলে আড়াইশ আড়ি পর্যন্ত ধান পাওয়া সম্ভব।

    স্থানীয় জুমচাষি রিং লট ম্রো বলেন, পুলিশে চাকরি করার পর চলতি বছরের জুন মাসে অবসর নিয়েছেন রিং লট ম্রো। অবসরের পর বসে না থেকে বাপ-দাদার ঐতিহ্যবাহী পেশা জুম চাষে ফিরেছেন। ‘জুমে শুধু ধান হয় না। বেগুন, মারফা, তিল, যব, ভুট্টা, চিনাল, মরিচ, রোজেলাসহ ৩০-৩৫ ধরনের সাথি ফসল হয়। বাজার থেকে শুধু লবণ আর নাপ্পি (এক ধরনের শুঁটকি) কিনলেই চলে। জুম যেন আমাদের জন্য একটি বাজারের মতো, প্রয়োজনীয় অনেক সবজি এখান থেকেই পাওয়া যায়।

    নারী শ্রমিক সংডং ম্রো বলেন, জুম না করলে আমরা কী খাব? জুম করতেই হবে। প্রতি বছর আমরা জুম চাষ করি। এটা আমাদের ঐতিহ্য।

    তিনি জানান, জুমে ধানের পাশাপাশি মিষ্টি কুমড়া, মারফা, বেগুন, ভুট্টা, তিল, মরিচ, ঢেঁড়সসহ ৩০-৩৫ ধরনের সাথি ফসল উৎপাদন করা হয়। এসব সাথি ফসল নিজেদের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারে বিক্রি করে কিছু অর্থও আয় করেন জুমচাষিরা।

    জুমিয়াদের দাবি, জুম চাষ মূলত প্রকৃতি ও মৌসুমের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা একটি দীর্ঘ কৃষি প্রক্রিয়া। প্রতি বছর নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে পরবর্তী বছরের জুম চাষের জায়গা নির্বাচন করা হয়। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে নির্ধারিত পাহাড়ি এলাকায় জঙ্গল কাটা শুরু হয়। কাটা জঙ্গল রোদে শুকানোর পর মার্চ-এপ্রিল মাসে নির্দিষ্ট জায়গায় ‘ফায়ারিং লাইন’ তৈরি করে আগুন দিয়ে জঙ্গল পোড়ানো হয়। এরপর পুরো এপ্রিল মাসজুড়ে জুমের জায়গা পরিষ্কার করে ধান ও সাথি ফসল বপনের জন্য প্রস্তুত করা হয়।

    প্রথম বৃষ্টির অপেক্ষায় থাকেন জুমচাষিরা। বৈশাখের শুরুতে কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি হলে জুমে ধানসহ বিভিন্ন সাথি ফসলের বীজ বপন করা হয়। যারা প্রথম বৃষ্টির পর দ্রুত বীজ বপন করতে পারেন, তাদের জুমের ধান আগে পাকে। আর যারা কিছুটা দেরিতে বপন করেন, তাদের ধানও দেরিতে কাটার উপযোগী হয়।

    সাধারণত আগস্টের শেষ অথবা সেপ্টেম্বরের শুরুতে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় জুমের ধান কাটা শুরু হয়। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরজুড়ে চলে ধান কাটা, মাড়াই ও শুকানোর কাজ। ধান শুকানোর পর জুমঘর থেকে মূলঘরে ধান স্থানান্তর করা হয়।

    এরপর ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাহাড়ি জনপদে ঘরে ঘরে চলে জুমের ধানের নবান্ন উৎসব। নতুন ধানের ভাত ও নানা ঐতিহ্যবাহী খাবারের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয় এই উৎসব।

    পাহাড়ের ঢালে ঢালে এখন তাই চলছে ধান কাটার উৎসব। সোনালি ধানের শীষে ভরে উঠছে জুমঘর। বছরের দীর্ঘ শ্রমের ফসল ঘরে তোলার আনন্দে ব্যস্ত পাহাড়ের মানুষ। প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকা জুমচাষিদের কাছে এই ধান শুধু খাদ্য নয়—এটি তাদের জীবন, জীবিকা ও প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা ঐতিহ্যের অংশ।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে বান্দরবান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ তৌফিক আহমেদ নূর বলেন, এবার জেলায় প্রায় ১১ হাজার ৮৯৫ হেক্টর জমিতে জুমের আবাদ হয়েছে। জুমে ধানের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সাথি ফসলও উৎপাদন হয়ে থাকে।

    এ বছর জুমের ফলন ভালো হওয়ার আশা করা যাচ্ছে। তবে পার্বত্য অঞ্চল হওয়ায় সব জায়গায় সমানভাবে বৃষ্টিপাত হয় না। ফলে একেক এলাকার ফলন একেক রকম হয়। রোয়াংছড়ি, রুমা, থানচি ও আলীকদম উপজেলার দুর্গম এলাকায় ইতোমধ্যে জুমের পাকা ধান কাটা শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য উপজেলাতেও ধান কাটা শুরু হবে। জুম চাষে উৎপাদন বাড়াতে স্থানীয় জাতের পাশাপাশি উন্নত ও হাইব্রিড জাতের ধান উৎপাদনে জুমচাষিদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।

  • নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিজিবির অভিযান : ২ লাখ ৪৬ হাজার ইয়াবা, পিস্তল ও গুলি উদ্ধার

    নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিজিবির অভিযান : ২ লাখ ৪৬ হাজার ইয়াবা, পিস্তল ও গুলি উদ্ধার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিজিবি)-এর একটি বিশেষ অভিযানে আড়াই লাখের কাছাকাছি পিস ইয়াবা, একটি বিদেশী পিস্তল এবং ৫ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

    কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধীনস্থ ঘুমধুম বিওপির একটি আভিযানিক দল গোপন গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, কতিপয় মাদককারবারী মিয়ানমার থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা এবং অবৈধ অস্ত্র-গোলাবারুদের একটি বড় চালান বাংলাদেশে পাচার করার পরিকল্পনা করছে।

    এই তথ্যের ভিত্তিতে রোববার (৯ আগস্ট) আনুমানিক রাত ১১টার দিকে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর মেহেদী হাসান আশিকের নেতৃত্বে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।

    অভিযানের একপর্যায়ে সোমবার (১০ আগস্ট) রাত ১২:১৫ টার (০০.১৫ টা) দিকে সীমান্ত পিলার-৩১ এর নিকটবর্তী ‘নয়াপাড়া’ নামক স্থানে কয়েকজন চোরাকারবারীকে সীমান্ত অতিক্রম করে আসতে দেখে বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করেন।

    বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা সাথে থাকা ১টি বিদেশী পিস্তল, ৫ রাউন্ড গুলি এবং ২ লাখ ৪৬ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট ফেলে কৌশলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় অস্ত্র, গুলি ও মাদকদ্রব্যগুলো উদ্ধার করেন।

    উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও ইয়াবার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে বিজিবি সূত্রে জানানো হয়েছে।

    অভিযান সম্পর্কে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম জানান, ‘বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন সীমান্ত সুরক্ষা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ কার্যক্রম দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘বিজিবির এ ধরনের কার্যকর তৎপরতায় সীমান্তবর্তী জনসাধারণের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ ও আস্থা আরো সুদৃঢ় হচ্ছে। সীমান্ত সুরক্ষা ও মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

  • বান্দরবানে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলা শুরু

    বান্দরবানে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলা শুরু

    ‘করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বান্দরবানে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলা ২০২৬।

    বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে বান্দরবান জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আয়োজনে বান্দরবান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালকের কার্যালয় প্রাঙ্গনে ফিতা কেটে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো: সানিউল ফেরদৌস।

    পরে উপ-পরিচালকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধনী উপলক্ষে এক সভার আয়োজন করা হয়।

    এ সময় বান্দরবান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আবু নঈম মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন জেলা প্রশাসক মো: সানিউল ফেরদৌস।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো: ওহাবুল ইসলাম খন্দকার সহ বিভিন্ন চাষিরা।

    সভা শেষে শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন চাষীর হাতে বিনামূল্যে চারা বিতরণ করেন অতিথিরা।

  • কুরুকপাতা বৌদ্ধ বিহার উদ্বোধন উপলক্ষে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

    কুরুকপাতা বৌদ্ধ বিহার উদ্বোধন উপলক্ষে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

    আলীকদমের দুর্গম এলাকায় কুরুকপাতা বৌদ্ধ বিহার উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্ট/২০২৫-এর ফাইনাল খেলা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আলীকদম সেনা জোনের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত এ টুর্নামেন্টে বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৪টি দল অংশগ্রহণ করে।

    শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

    রোমাঞ্চকর ফাইনাল খেলায় কুরুকপাড়া যুব একাদশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে এবং কালিয়ারছড়া একাদশ রানার্সআপ হিসেবে নির্বাচিত হয়। ফাইনাল শেষে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেনদনপাড়া আর্মি ক্যাম্পের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ মুরতাসিম ফুয়াদ।

    আলীকদম সেনা জোনের পক্ষ থেকে চ্যাম্পিয়ন দলকে ৫ হাজার টাকা ও একটি ফুটবল এবং রানার্সআপ দলকে ৩ হাজার টাকা ও একটি ফুটবল পুরস্কার হিসেবে প্রদান করা হয়। টুর্নামেন্টটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে স্থানীয় জনগণের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল।

    এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজনের মাধ্যমে পার্বত্য এলাকায় সামাজিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য আরও জোরদার হবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন।

  • অবৈধ ভাবে পাহাড় কাটার দায়ে প্রশাসনের অভিযানে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

    অবৈধ ভাবে পাহাড় কাটার দায়ে প্রশাসনের অভিযানে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

    পরিবেশ সংরক্ষণ ও পাহাড় ধস প্রতিরোধে আলীকদম উপজেলায় অবৈধ পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সেনাজোন ও উপজেলা প্রশাসন। এ অভিযানে পাহাড় কাটার দায়ে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন জোন সদর থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে পাহাড়তলী পাড়া এলাকায় ক্যাপ্টেন মো. হিরবল উম্মা হামিমের নেতৃত্বে রাত ১২টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত এ অভিযান চলে।অভিযানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মমনজুর আলম নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

    এই সময় স্কেভেটর দিয়ে অবৈধভাবে পাহাড় কেটে মাটি উত্তোলনের দায়ে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৪(ঙ) ধারায় দুইজনকে মোট ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া পাহাড় কাটায় ব্যবহৃত তিনটি ছোট ট্রাক ও একটি স্কেভেটরের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে প্রতিটি যানবাহনের জন্য ১ লাখ টাকা করে মোট ৪ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়।

    অভিযুক্ত ব্যক্তি ও আটক যানবাহনগুলো আলীকদম থানা পুলিশের সহায়তায় থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানা পরিশোধ না করলে যানবাহনগুলো জব্দ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

    আলীকদম জোন কমান্ডার জানান, পাহাড়ের নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। সেনা জোন ও প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্থানীয় জনগণ ও বিভিন্ন মহল সাধুবাদ জানিয়েছে।

  • নাইক্ষ্যংছড়িতে প্রায় ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

    নাইক্ষ্যংছড়িতে প্রায় ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

    বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনস্থ নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) সীমান্ত নাফনদী ঘেঁষা দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান দমন, মাদক প্রতিরোধ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে দীর্ঘদিন ধরে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে আসছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুর আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের দিকে ব্যাটালিয়ন সদরের একটি বিশেষ টহলদল বড় জামছড়ি এলাকার পাহাড়ি পথ থেকে মালিকবিহীন পড়ে থাকা ৯ হাজার ৮৫০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার সিজার মূল্য ধরা হয়েছে ২৯ লাখ ৫৫ হাজার টাকা।বিজিবি সূত্রে জানা যায়, টহলদল সীমান্তবর্তী বড় জামছড়ি এলাকায় সন্দেহজনক নড়াচড়া লক্ষ্য করে অভিযান চালায়। টহলের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারীরা ইয়াবার ব্যাগটি ফেলে পাহাড়ি ঝোপঝাড়ের ভেতর পালিয়ে যায়। পরে এলাকাটি তল্লাশি করে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস কে এম কফিল উদ্দিন কায়েস বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার রোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আমাদের টহলদল নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারি ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া প্রণয়নের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

  • বান্দরবানে ৯৫ শতাংশ হোটেল আগাম বুকড

    বান্দরবানে ৯৫ শতাংশ হোটেল আগাম বুকড

    বান্দরবানের প্রায় ৯৫ শতাংশ হোটেলের আগাম বুকিং হয়ে গেছে। ১৬-২৫ ডিসেম্বর জেলায় ব্যাপক পর্যটক সমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জেলা সদরের হোটেল মালিকদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়।

    পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, বছরজুড়ে কম-বেশি প্রকৃতিপ্রেমী ভ্রমণ পিপাসু পর্যটকরা ভিড় জমান পাহাড়কন্যা খ্যাত এ অপরূপা বান্দরবানে। বিশেষ ছুটির দিন ও শীত মৌসুমে তা বাড়ে কয়েকগুণ। অদ্ভুত কারণে গত কয়েক বছর জেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার কারণে পর্যটক সমাগম কমে গিয়েছিল। তবে বর্তমানে সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে কোনো প্রকার বিধিনিষেধ না থাকায় জেলায় পর্যটকের সমাগম বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে ভ্রমণে এসে আবাসন নিশ্চিত করতে ১৬-২৫ ডিসেম্বরের জন্য ৯৫ শতাংশ আগাম হোটেল বুকড করে নিয়েছে ভ্রমণ প্রত্যাশীরা।হোটেল গ্র্যান্ড ভ্যালির ম্যানেজার আক্কাছ উদ্দিন বলেন, ‘হোটেলে ৪৫টি কক্ষ রয়েছে। এরমধ্যে আগামী ১৬-২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত কক্ষগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশ আগাম বুকিং নিয়ে রেখেছে ভ্রমণ প্রত্যাশীরা।’হোটেল হিল্টনের ম্যানেজার তপন বড়ুয়া বলেন, ‘তাদের হোটেলেও ওই দিনগুলোতে প্রায় ৮০ শতাংশ বুকিং হয়ে গেছে।’হিলভিউ হোটেলের ম্যানেজার মাসুদ পারভেজ বলেন, ‘বর্তমানেও তাদের হোটেলের ৪০ শতাংশ কক্ষে পর্যটক রয়েছে। তবে ১৬-২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ আগাম বুকিং নিয়ে রেখেছে ভ্রমণ প্রত্যাশীরা।’হোটেল গার্ডেন সিটির মালিক মো. জাফর বলেন, চলতি মাসজুড়ে তাদের হোটেলে ভাল পর্যটকের সাড়া পেয়েছিলেন। মাসের আগামী দিনগুলোতেও গড়ে ৭০-৮০ শতাংশ কক্ষ আগাম বুকিং নিয়ে রেখেছে ভ্রমণ প্রত্যাশীরা।বান্দরবান হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দিন বলেন, চলতি ডিসেম্বরে পর্যটন খাত নতুন করে গতি পেয়েছে। তিনি আশা করছেন, আগাম বুকিংয়ের এ প্রবণতা স্থানীয় পর্যটন ও আবাসন খাতের পূর্বের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • লামা আলীকদম উপজেলায় সাধারণ ভোটারদের চাই জনপ্রিয় জননেতা জাবেদ রেজা ভাইকে

    লামা আলীকদম উপজেলায় সাধারণ ভোটারদের চাই জনপ্রিয় জননেতা জাবেদ রেজা ভাইকে

    লামা আলীকদম উপজেলায় সাধারণ ভোটারদের চাওয়া হয়ে দাঁড়িয়েছে দুঃসময়ের জাবেদ রেজা। দলের দুঃসময়ে সাধারণ মানুষের খবর বিপদ আপদে ছুটে যাওয়া যেন ভুলতে পারছে না সাধারণ মানুষ।দলের হাই কমান্ড কে সাধুবাদ জানিয়েছে সাধারণ ভোটাররা। তারা বলেন জনাব সাচিং প্রু জেরির বর্তমান সময়ে হলেও প্রতিহিংসা বাদ দিয়ে দলের জনপ্রিয় জননেতা জাবেদ রেজা ভাইকে সাথে নিয়ে মাঠে কাজ করা । অন্যতাই বান্দরবানের ৩০০ নং সংসদ আসনটি হুমকির মুখে দাঁডাবে বলে মন্তব্য করেছেন সাধারণ মানুষ। তারা বলেন ঐক্যবদ্ধ হয়ে যদি বান্দরবানে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম চলে এই ৩০০ নং আসন টি একমাত্র বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির হবে ।জাবেদ রেজা গত ১৭ বছরে দেশে ভোটাধিকার সহ মানুষের মৌলিক অধিকার না থাকার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, এ অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এ দেশে কোন ধরণের ভোটাধিকার সহ মানুষের মৌলিক অধিকার ছিলনা ।সুতরাং সময় এসেছে সবাই ঐক্যবদ্ধ্য হয়ে মিলে মিশে যদি কাজ করি তাহলে এ আসনটি আমাদের হবে নিশ্চিত।

  • বান্দরবানে শ্লীলতাহানির অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

    বান্দরবানে শ্লীলতাহানির অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

    বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে রাতের আঁধারে ঘরে প্রবেশ করে এক বিধবা মহিলাকে শ্লীলতাহানি অভিযোগে রুপম কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা (৩৫) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।গতকাল বুধবার (১০ নভেম্বর) রাতে প্রায় সাড়ে ৯টা দিকে ৩ নং আলেক্ষ্যং ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ড নাতিং ঝিরি পূর্ণবাসন পাড়া এ ঘটনা ঘটে। আটক রুপম কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা ওয়াগয় পাড়া বাসিন্দার কালা পেদা তঞ্চঙ্গ্যা ছেলে।
    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তিন মাস আগে ভিকটিমের স্বামী অস্বাভাবিকভাবে মারা যান। পরে নাতিং ঝিরি পূর্ণবাসন পাড়ায় শ্বাশুড়ি ও দু’সন্তানকে নিয়ে থাকেন ওই মহিলা। সেই সুযোগে রুপম কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা রাতের আঁধারে ওই বিধবা মহিলাকে শ্লীলতাহানি করতে যায়। এসময় ভিকটিমের চিৎকারের শব্দ শুনে প্রতিবেশিরা এগিয়ে এসে অভিযুক্তকে ঘটনাস্থল থেকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে পুলিশে খবর দিয়ে রোয়াংছড়ি থানায় পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন।

    রোয়াংছড়ি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুভ্র মুকুল ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত রুপম কান্তি তঞ্চঙ্গ্যার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতনের দায়ে মামলা করে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা দিকে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • বান্দরবানের রুমায় জঙ্গলে মিলল বম যুবকের লাশ

    বান্দরবানের রুমায় জঙ্গলে মিলল বম যুবকের লাশ

    বান্দরবানের রুমা উপজেলার পাইন্দু ইউনিয়নের ময়ূরপাড়া এলাকার জঙ্গল থেকে লালরাম সাং বম (৩৫) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার বিকেলে উদ্ধার করা লাশটি আজ মঙ্গলবার ময়নাতদন্ত শেষে বম সোশ্যাল কাউন্সিলের (বিএমসি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে ময়ূরপাড়ার উত্তর-পশ্চিম দিকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরের জঙ্গলে লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, তিন থেকে চার দিন আগে তাঁকে হত্যা করে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে। লাশে পচন ধরেছে।স্থানীয় বম জনগোষ্ঠীর লোকজন লাশটি লালরাম সাং বমের বলে শনাক্ত করেন। তাঁর বাড়ি রেমাক্রিপ্রাংসা ইউনিয়নের কেওক্রাডং পাহাড় পেরিয়ে মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা চুংসংপাড়ায়। চুংসংপাড়া থেকে ময়ূরপাড়ার দূরত্ব প্রায় ৫০ কিলোমিটার। স্থানীয় লোকজন জানান, লালরাম সাং বম ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন।বান্দরবানের সিভিল সার্জন মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরী বলেন, লাশের মাথা ও ঘাড়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এসব আঘাতেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাওয়ার্দ্দী বলেন, স্থানীয় লোকজনের সংবাদে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে প্রায় গলিত লাশটি উদ্ধার করে। শনাক্তের পর চুংসংপাড়ায় তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ওই এলাকায় মুঠোফোন নেটওয়ার্ক না থাকায় যোগাযোগ করা যায়নি। পরে ময়নাতদন্ত শেষে লাশটি বম সোশ্যাল কাউন্সিলের নেতাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। কে বা কারা এবং কেন তাঁকে হত্যা করেছে, তা এখনো জানা যায়নি।

  • বান্দরবানে মোটরসাইকেলে বাসের ধাক্কায় নিহত ২

    বান্দরবানে মোটরসাইকেলে বাসের ধাক্কায় নিহত ২

    বান্দরবানে মোটরসাইকেলে বাসের ধাক্কায় দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন। বৃহস্পতিবার বিকেলে বাইতুল ইজ্জত এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন, বান্দরবান পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা নাজমুল (৩০), যিনি মফিজুর রহমানের ছেলে ও পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের মাছ ব্যবসায়ী তৌহিদ (২৫)। তারা দুইজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। অপর আরোহী কাদেরকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে কেরানিহাট আশশেফা হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে চট্টগ্রামে রেফার্ড করেন।দুর্ঘটনার বিষয়ে কেরানিহাট আশশেফা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. ইব্রাহিম বলেন, দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে মোটরসাইকেলের তিন আরোহীকে নিয়ে আসেন। তাদের দুইজন ঘটনাস্থলেই মারা গিয়েছেন, অপর একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রামে রেফার্ড করা হয়েছে।

  • থানচি সীমান্তে বিজিবির উদ্যোগে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা

    থানচি সীমান্তে বিজিবির উদ্যোগে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা

    বান্দরবানের থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নের দুর্গম বুলুপাড়ায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    আলীকদম ব্যাটালিয়ন (৫৭ বিজিবি) কর্তৃক নির্মিত বিদ্যালয়টি উদ্বোধন করেন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মেহেদী।উদ্বোধন শেষে তিনি বিদ্যালয়ের প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থীর হাতে বই, খাতা, কলম, পেনসিল, রাবারসহ শিক্ষা সহায়ক উপকরণ এবং চকলেট-বিস্কুট তুলে দেন।অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মেহেদী বলেন, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের দুর্গম পার্বত্য সীমান্ত এলাকায় দায়িত্ব পালনকারী আলীকদম ব্যাটালিয়ন সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি নৃ-গোষ্ঠী ও পাহাড়ি-বাঙালি জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। ‘অপারেশন উত্তরণ।’ কর্মসূচির আওতায় এই ব্যাটালিয়ন চিকিৎসাসেবা, খাদ্য ও পোশাক বিতরণ, শীতবস্ত্র প্রদান, অগ্নিকাণ্ড ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ সহায়তাসহ নানা মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে, যা পাহাড়ে শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে ভূমিকা রাখছে।তিনি আরও বলেন, সীমান্তবর্তী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুরা যাতে শিক্ষার আলো পায়— সেই লক্ষ্যেই বুলুপাড়ায় বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও আমাদের মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই বিদ্যালয়টি বুলুপাড়া এলাকার তিনটি পাড়ার প্রায় ৫০টি পরিবারের ৭০-৮০ জন শিক্ষাবঞ্চিত শিশুকে শিক্ষার সুযোগ এনে দেবে। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে থাকা এসব শিশুর জন্য বিদ্যালয়টি নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে।বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার এ উদ্যোগকে ‘মহতী ও সময়োপযোগী’ উল্লেখ করে স্থানীয় জনগোষ্ঠী, জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক, কারবারি ও হেডম্যানরা বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাঁদের ভাষ্যে— দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে বিজিবি শুধু একটি নিরাপত্তা বাহিনী নয়, বরং মানবিক সহায়তা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের নির্ভরযোগ্য অংশীদার।উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিজিবির বিভিন্ন পদবির সদস্য, স্থানীয় কারবারি, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

    মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

    বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের বাইশারী শাহ নুরুদ্দিন দাখিল মাদ্রাসার সুপার নুরুল হাকিমের (৫৬) বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধনে যাওয়ার পথে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে অভিযুক্ত সুপার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (৭ ডিসেম্বর) মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলে মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নিতে বাইশারী বাজার থেকে মাদ্রাসার দিকে যাওয়ার সময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের একটি মিছিলে হামলা চালানো হয়। এতে ৪-৫ জন শিক্ষার্থী আহত হন। আহতদের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।এই ঘটনায় গত সোমবার (৮ ডিসেম্বর) আহত এক শিক্ষার্থীর মা রাবেয়া আক্তার বাদী হয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।থানায় দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, মাদ্রাসার নবম ও দশম শ্রেণির কয়েকজন ছাত্রীকে সুপার নুরুল হাকিম বিভিন্ন অজুহাতে শরীরে স্পর্শ করতেন। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীরা বাসায় এসে অভিভাবকদের জানালে মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির কাছে অভিযোগ করা হয়, তবে সেখানে সন্তোষজনক বিচার পাওয়া যায়নি। এরই ধারাবাহিকতায় মানববন্ধনে যাওয়ার সময় হামলার ঘটনা ঘটে।বাদী রাবেয়া আক্তার বলেন, আমরা ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। আমার সন্তান ছেলে, তাই যৌন হয়রানির বিষয়টি সরাসরি জানি না। তবে হামলার বিচার চাই।তবে অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার নুরুল হাকিম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বয়স প্রায় ৬০। ৩০ বছরের শিক্ষকতা জীবনে কখনো এমন অভিযোগ ওঠেনি। এই প্রতিষ্ঠানে ২৫ বছর ধরে সেবা দিয়ে তিলে তিলে এটিকে বড় করেছি। এখন একটি পক্ষ আমার বিরুদ্ধে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে ষড়যন্ত্র করছে।এদিকে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহাবুব উল ইলাহিকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।তদন্ত কমিটির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অল্প সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নবম ও দশম শ্রেণির কিছু ছাত্রী হাতে মেহেদি দিয়ে আসলে সুপার তাদের হাত ধরে শাসন করতেন, যা অনাকাঙ্ক্ষিত। তবে যৌন হয়রানির অভিযোগের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বাতেন জানান, হামলার ঘটনায় একটি অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, যৌন হয়রানির অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা এখনো প্রতিবেদন জমা দেয়নি। হামলার বিষয়টিও আলাদাভাবে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।

    এম কে

  • আলীকদমে মাইন বিস্ফোরণ

    আলীকদমে মাইন বিস্ফোরণ

    বান্দরবানের আলীকদম উপজেলা সীমান্তের শূন্যরেখায় মাইন বিস্ফোরণে এক বাংলাদেশি আহত এবং মিয়ানমারের এক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

    মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় পোয়ামুহুরী সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে হটাওমগপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    আহত বাংলাদেশি যুবকের নাম ম্যাংসার মোরং (৩০)। তিনি আলীকদমের কুরুকপাতা ইউপির গর্জনপাড়া এলাকার শাংওয়ান মোরংয়ের ছেলে। অপরদিকে নিহত মিয়ানমারের নাগরিকের নাম মেনথ্যাং (৪০)। তিনি দেশটির নতুন পাড়া এলাকার তাংলাইয়ের ছেলে বলে জানা যায়।

    স্থানীয় ও বিজিবি সূত্রে জানা যায়, জুম খেত দেখতে যাওয়ার সময় আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা স্থল মাইন বিস্ফোরণের কবলে পড়েন তারা। এতে ঘটনাস্থলে থেকে আহত অবস্থায় বাংলাদেশি যুবক ম্যাংসার মোরং ফিরতে পারলেও ঘটনাস্থলেই নিহত হন মিয়ানমারের নাগরিক মেনথ্যাং। ঘটনাটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরে হটাওমগপাড়া এলাকায় ঘটেছে।

    কুরুকপাতা ইউপি চেয়ারম্যান ক্রাতপুং ম্রো জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। ঘটনাস্থলটি অত্যন্ত দুর্গম এলাকায় হওয়ায় সেখানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।