ভর্তি ও ফলাফল

  • এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ কাল

    এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ কাল

    চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।

    আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

    উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

    এছাড়া যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে ১৬১৪০ নম্বরে নির্ধারিত নিয়মে এসএমএস পাঠিয়ে মুহূর্তেই ফল জানা যাবে।

    গত ২ জুলাই সারা দেশে একযোগে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করে পরে তা নেওয়া হয়। ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, এ বছর ১১টি বোর্ডে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। এবার ছাত্রদের চেয়ে ২৬ হাজার ৬৪৫ জন বেশি ছাত্রী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন।

    সারা দেশে ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন।

    এ বছর দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৯ বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন অংশ নেন।

    এদিকে, আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ বা পুনর্মূল্যায়নের আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামী ১ নভেম্বর থেকে। শিক্ষার্থীরা অনলাইন পদ্ধতিতে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত দিকনির্দেশনা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

  • এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন

    এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন

    চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ৩১ অক্টোবর প্রকাশ করা হবে। মঙ্গলবার বিকেলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান ‘আমার দেশ’-কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ বিষয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলেও তিনি জানান।এর আগে ২৯ অক্টোবর এই ফল প্রকাশের কথা ছিল এবং এ বিষয়ে ২৬ অক্টোবর প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার কথা জানিয়েছিল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপান সফরে থাকায় বিষয়টি তাকে অবহিত করা সম্ভব না হওয়ায় তখন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা যায়নি। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি নিয়ে ফল প্রকাশের নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়।

    এদিকে আগামী ৩১ অক্টোবর ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি থাকলেও তা ফল প্রকাশের ক্ষেত্রে কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়। লিখিত পরীক্ষা ৮ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর। এ বছর নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেন।

  • এইচএসসির ফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার

    এইচএসসির ফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার

    এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) প্রকাশিত হবে।

    শনিবার (২৪ অক্টোবর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে আন্ত শিক্ষাবোর্ড।

    এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২ জুলাই।

    এবার নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন।

  • কলেজে ভর্তির সুযোগ চান এসএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা

    কলেজে ভর্তির সুযোগ চান এসএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা

    এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য চলতি বছর বিশেষ সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

    বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘এসএসসি ২০২৬ শিক্ষার্থী অধিকার আন্দোলন বাংলাদেশ’ ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে—চলতি বছর বিশেষ সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা আয়োজন, পরীক্ষার সিলেবাস ও মানবণ্টন প্রকাশ, পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সময় দিয়ে দ্রুত পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ এবং উত্তীর্ণদের একই শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নিশ্চিত করা।

    তাঁরা বলেন, কোনো একটি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া মানেই শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ শেষ হয়ে যাওয়া নয়। তাই শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিকতা রক্ষায় মানবিক ও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।

    শিক্ষার্থীদের দাবি, অনিবার্য কারণে চলতি বছর বিশেষ পরীক্ষা আয়োজন সম্ভব না হলে অকৃতকার্যদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ দিতে হবে। পাশাপাশি পরবর্তী বছর কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

    শিক্ষার্থীরা বলেন, তাঁরা কোনো নিয়মবহির্ভূত সুবিধা চান না; বরং নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ এবং এক বছর পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি থেকে মুক্তি চান। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় নীতিগত ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ কামনা করেন তাঁরা।

  • এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দুই মাসের মধ্যে

    এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দুই মাসের মধ্যে

    এসএসসি ও এইচএসসিসহ সমমানের পাবলিক পরীক্ষায় ফেল করা শিক্ষার্থীদের এক বছর অপেক্ষা না করিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে সরকার। এর অংশ হিসেবে এইচএসসি ও সমমানে ফেল করা শিক্ষার্থীদের দুই মাসের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

    বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান সোমবার সন্ধ্যায় একটি সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রকাশ করা হতে পারে। এ সময়ের মধ্যে যে কোনো এক দিন ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। এরপর দুই মাসের মধ্যে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য ফের পরীক্ষার আয়োজন করা হবে।

    শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আরো বলেন, এ নিয়ে আমরা বোর্ডে বৈঠক করেছি। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠকেও আমাদের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছি।

    সৈয়দ আক্তারুজ্জামান আরো বলেন, এইচএসসির ফল প্রকাশের পর ফেল করা ছাত্র-ছাত্রীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে পরীক্ষা নিতে প্রস্তুতি রয়েছে আমাদের।

    এর আগে গত শনিবার রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে একটি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, এসএসসি ও এইচএসসিতে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের এক বছর অপেক্ষা না করিয়ে তিন মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি সরকার ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে।

  • এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় জানালেন বোর্ড চেয়ারম্যান

    এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় জানালেন বোর্ড চেয়ারম্যান

    এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রকাশের কথা বলেছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি।

    এ প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর কথা তুলে ধরে সোমবার আন্তঃশিক্ষা বাংলাদেশ বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে যেকোনো একদিন ফলাফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের সম্মতি পাওয়া গেলে ফলাফল প্রকাশের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

    চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়ে ৮ অগাস্ট শেষ হয়। এবারের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবং মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হয়। বৈরি আবহাওয়ার কারণে কয়েকটি বোর্ডে কয়েক জেলায় পরীক্ষা পরে নেওয়া হয়।

  • সরকারি স্কুলে ভর্তিতে ১৩ শতাংশ কোটা

    সরকারি স্কুলে ভর্তিতে ১৩ শতাংশ কোটা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তিতে কোটাধারীদের জন্য ১৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ নিয়ে খসড়া ভর্তি নীতিমালা তৈরি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। নীতিমালা চূড়ান্ত হওয়ার পর এর ভিত্তিতেই ২০২৭ সালে সরকারি-বেসরকারি স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

    নীতিমালা চূড়ান্ত করতে মাউশিতে ইতোমধ্যে কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে। খসড়া যাচাই-বাছাই শেষে প্রস্তাবটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর মন্ত্রণালয়ে বৈঠকের মাধ্যমে চূড়ান্ত নীতিমালা জারি করা হবে।

    খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী, মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত কোটা পূরণ না হলে অবশিষ্ট আসনে মেধা তালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য আরও শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ আসন রাখার প্রস্তাব রয়েছে। ন্যূনতম যোগ্যতা পূরণ করলেই সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা এ সুবিধা পাবেন।

    যমজ ভাইবোনের জন্য ২ শতাংশ এবং সহোদরদের জন্য ৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে। কোনো আবেদনকারীর যমজ ভাইবোন বা সহোদর আগে থেকেই ওই প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করলে এ সুবিধা প্রযোজ্য হবে। নতুন করে আবেদন করা যমজ বা সহোদরদের ক্ষেত্রেও একই সুবিধা থাকবে।

    এ ছাড়া বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ২ শতাংশ আসন সংরক্ষণের প্রস্তাব রয়েছে।

    ষষ্ঠ শ্রেণিতে সরকারি প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের সুযোগ

    সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শুধু ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য মোট আসনের ১০ শতাংশ সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদিকে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কোটার ১৩ শতাংশের বাইরে আরও ১ শতাংশ আসন রাখার প্রস্তাব রয়েছে। লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের শিশুদের মূলধারার শিক্ষায় সম্পৃক্ত করতে নিকটস্থ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য এ কোটা রাখা হবে।

    ঢাকার স্কুলে ক্যাচমেন্ট এরিয়ায় ৪০ শতাংশ

    ঢাকা মহানগরীর সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে স্কুলসংলগ্ন এলাকার বা ক্যাচমেন্ট এরিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ আসন সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

    একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একই ক্যাচমেন্ট এরিয়ার আওতায় থাকলে শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তির আবেদন করতে পারবে।

    প্রথম থেকে পঞ্চমে লটারি, ষষ্ঠ থেকে নবমে পরীক্ষাপ্রস্তাবিত নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে লটারির মাধ্যমে। আর ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য নেওয়া হবে লিখিত পরীক্ষা।

    পরীক্ষায় বাংলা বিষয়ে ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এবং গণিতে ৪০ নম্বর থাকবে। সব মিলিয়ে পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরে।মাউশির মাধ্যমিক শাখার পরিচালক অধ্যাপক মো. সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ভর্তির নীতিমালা বর্তমানে খসড়া পর্যায়ে রয়েছে। এটি চূড়ান্ত হলে বিস্তারিত জানানো যাবে।

    মাধ্যমিক শাখার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, প্রতি বছরই স্কুল ভর্তিতে কিছু কোটা রাখা হয়। গত কয়েক বছরে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় শিক্ষার্থী পাওয়া যায়নি। এরপরও বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার কারণে খসড়া নীতিমালায় এ কোটা রাখা হয়েছে।

  • বরিশাল বোর্ডের ৮ কলেজের একাদশে মেলেনি কোনো শিক্ষার্থী

    বরিশাল বোর্ডের ৮ কলেজের একাদশে মেলেনি কোনো শিক্ষার্থী

    শিক্ষা ডেস্ক:

    চলতি ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণির ভর্তি প্রক্রিয়ায় দেশের অন্তত ১০টি কলেজে কোনো শিক্ষার্থী মেলেনি। এর মধ্যে আটটি প্রতিষ্ঠানই বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের।

    শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদন নিয়ে কলেজগুলোর যাত্রা শুরু হলেও পরবর্তীতে নানা জটিলতায় এগুলো এমপিওভুক্ত হতে পারেনি। এমপিওর আশায় বিনা বেতনে যোগ দেওয়া শিক্ষকরাও একপর্যায়ে অন্য প্রতিষ্ঠানে চলে যান। ফলে চরম শিক্ষকসংকটে থমকে যায় শিক্ষা কার্যক্রম। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন ওই আটটি কলেজের পরিণতিও শেষ পর্যন্ত একই দাঁড়িয়েছে।বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- বরগুনা সদর উপজেলার দক্ষিণ মনসাতলীতে বরগুনা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ, বেতাগীর কদভানু মেমোরিয়াল সেকেন্ডারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া সেকেন্ডারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পিরোজপুরের স্বরূপকাঠির পূর্ব জালাবাড়ি আদর্শ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও সেহাঙ্গল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পটুয়াখালী সদরের লোহালিয়া ইউনিয়নে পাজাখালী কলেজ, গলাচিপার পানপট্টি কলেজ এবং পিরোজপুরের কাউখালীর সায়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নে ইজিএস শিক্ষা নিকেতন। এর মধ্যে পাঁচটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে উন্নীত হয়েছিল, বাকি তিনটি কলেজ হিসেবেই প্রতিষ্ঠা হয়।

    অনুসন্ধানে জানা গেছে, বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান টানা কয়েক বছর চালু থাকার পর ২০২৩ থেকে ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীলদের দাবি—শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্ত না হওয়া এবং স্থানীয় দলীয় কোন্দলের কারণেই মূলত কলেজগুলো টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে পাঠদানের অনুমতি বাতিলের জন্য শিক্ষা বোর্ডে আবেদনও করা হয়। তবে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) তালিকায় হালনাগাদ তথ্য না থাকায়, এ বছরও উচ্চ মাধ্যমিকে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘শিক্ষার্থীশূন্য’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এমনই একটি প্রতিষ্ঠান বেতাগীর চান্দুখালী বাজারের বরিশাল-বরগুনা আঞ্চলিক সড়ক সংলগ্ন ‘কদভানু মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়’। ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দে উচ্চ মাধ্যমিকে উন্নীত করা হয়। তবে ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দে এসে একাদশে ভর্তি বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক শামীমা নাসরিন জানান, প্রতিবছর বিদ্যালয়টি থেকে প্রায় ১০০ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পাস করায় তাদের ওপর ভরসা করেই কলেজ শাখা চালু করা হয়েছিল। তবে শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে শেষ পর্যন্ত কলেজ শাখার কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন তারা।তবে স্থানীয়রা বলছেন ভিন্ন কথা। তারা বলেন, প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন বিদ্যালয়ের পাশেই নিজ নামে ডিগ্রি কলেজ

    স্থাপন করেছেন। এসএসসি পাস শিক্ষার্থীদের ওই কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি করানোয় বিদ্যালয়ের কলেজ শাখা শিক্ষার্থী সংকটে পড়ে। বিদ্যালয়ের কলেজ শাখায় সর্বশেষ ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দে পরীক্ষার্থী ছিল মাত্র একজন।

    কাঁঠালিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জলিলুর রহমান জানান, ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দে উচ্চ মাধ্যমিকে উন্নীত করা হয়। আশপাশের কিছু বিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রভাষক পদে বিনা বেতনে পাঠদান করাতেন। কিন্তু এমপিওভুক্ত না হওয়ায় ওই শিক্ষকরা যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। কলেজ কার্যক্রম টিকিয়ে রাখতে নিজেদের স্কুলের শিক্ষকরা উচ্চ মাধ্যমিকে ক্লাস শুরু করেছিলেন। এক পর্যায়ে ছাত্রীরাই বলতে শুরু করেন, স্কুলের শিক্ষকরা কেন কলেজে পড়াবেন। এ কারণে ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের পর আর শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়নি।স্বরূপকাঠির সেহাঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান জানান, ওই এলাকার সন্তান ঢাকার ব্যবসায়ী একেএম শামসুদোহা ফারুক ব্যক্তিগত প্রচারের উদ্দেশে দাতা সেজে বিদ্যালয়ে উচ্চ মাধ্যমিক শাখা শুরু করেন। তবে শিক্ষা বোর্ড থেকে কেবল পাঠদানের প্রাথমিক অনুমতি মিললেও অন্য কোনো স্বীকৃতি বা সহায়তা পাওয়া যায়নি। একপর্যায়ে পরিচালনা ব্যয় বহন করতে না পেরে দাতা কেটে পড়লে চার বছর আগে এর কলেজ শাখা বন্ধ হয়ে যায়। সর্বশেষ ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় সেখান থেকে মাত্র দুইজন অংশ নিয়ে একজন উত্তীর্ণ হন।একই উপজেলায় ১৯৫৩ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব জালাবাড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি কবে কলেজে উন্নীত হয়েছে, কেন বন্ধ হলো- এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে রাজি হননি প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় কুমার। এক পর্যায়ে তিনি বলেন, প্রায় ৩০ বছর আগে কলেজের কার্যক্রম চালু হলেও মাঝে কয়েকবার বন্ধ ছিল। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট ঘেঁটে দেখা গেছে, ২০১৪ থেকে ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ২১১ জনের মধ্যে ১৫৫ জন পাস করেন। সর্বশেষ ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দে ছয়জন পরীক্ষা দেন।স্বরূপকাঠির পাশে কাউখালীর ইজিএস শিক্ষা নিকেতনের প্রধান শিক্ষক তানভীর আহমেদ তার কলেজ শাখা বন্ধের জন্য গ্রামের স্থানীয় দলাদলিকে দায়ী করেন। তিনি জানান, একপক্ষ গ্রামে গ্রামে গিয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তি না হওয়ার জন্য বলে। পাঠদান অনুমতি বাতিলে তারাই বোর্ডে আবেদন করে। এসব কারণে তিন বছর ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয় না।

    পটুয়াখালী পাজাখালী কলেজটির অচলাবস্থার জন্য প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য শিক্ষককে দায়ী করেন প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ মো. আশরাফ আলী। ২০২২ খ্রিষ্টাব্দে এ কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি জানান, তিনি কয়েকবার তাবলিগ জামাতে গেলে কৌশলে শিক্ষকরা কলেজটিকে শিক্ষার্থীশূন্য করেন। ফলে তিন বছর ধরে কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি হয় না। স্থানীয় এমপির সুপারিশ নিয়ে আবারও কলেজটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    এ প্রসঙ্গে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম জানান, তিনি তিন মাস আগে যোগদান করেছেন। ফলে শিক্ষার্থীশূন্য উচ্চ মাধ্যমিক কলেজগুলোর বিষয়ে সব তথ্য এখনও তার জানা নেই। সবেমাত্র ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় এখন এসব প্রতিষ্ঠানের তালিকা তৈরি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার জন্য মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠানো হবে।

  • এইচএসএসি পরীক্ষার ফল নভেম্বরের মাঝামাঝি

    এইচএসএসি পরীক্ষার ফল নভেম্বরের মাঝামাঝি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    এইচএসএসি ও সমমান পরীক্ষার ফল নভেম্বরের মাঝামাঝি হতে পারে বলে জানা গেছে। ফল তৈরির প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

    মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) আন্ত:শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান দৈনিক শিক্ষাডটকমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, এইচএসসি পরীক্ষার ফল নভেম্বরের মাঝামাঝি দেয়ার চিন্তা করছি। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। এটার কাজ চলছে। আলাদা করে মেনশন করার মত পজিশন এখনো আসেনি।

    প্রসঙ্গত, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলতি বছরের ২ জুলাই থেকে শুরু হয়ে চলে ৮ আগস্ট পর্যন্ত। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৫ আগস্টে শেষ হলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা চলতি মাসের ৯ তারিখে শেষ হয়েছে।

    এ বছর সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরির মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ

  • একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় ধাপে ভর্তি আবেদন শুরু ২৭ সেপ্টেম্বর

    একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় ধাপে ভর্তি আবেদন শুরু ২৭ সেপ্টেম্বর

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবারো দ্বিতীয় ধাপে অনলাইনে আবেদন নেয়া হবে। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে এ আবেদন শুরু হয়ে চলবে ২৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। এ ধাপের ভর্তি কার্যক্রম চলবে ৫ থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত। এছাড়াও ফল প্রকাশ থেকে চূড়ান্ত ভর্তির সূচি জানানো হয়।

    সোমবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির লক্ষ্যে ফের ২য় ধাপে আবেদন গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ সবাইকে উল্লিখিত সময়সূচি অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আবেদন পদ্ধতি শিক্ষা বোর্ডগুলোর নির্ধারিত ভর্তি ওয়েবসাইট: (https://xiclassadmission.gov.bd) পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা অনুসরণ করতে হবে।

    সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কলেজে থাকা আসন সংখ্যা দেখে সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করতে হবে। ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে অনলাইনের মাধ্যমে ২য় ধাপে যে সব শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারবেন: যে সব শিক্ষার্থী আগে আবেদন করেনি বা আবেদন করেও কলেজ সিলেকশন পায়নি। যে সব শিক্ষার্থী চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছে কিন্তু কোনো কারণে নিশ্চায়ন করতে পারেনি কিংবা কলেজে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি হতে পারেনি।

    যে সব শিক্ষার্থী চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন কিন্তু ভুল কোটা নির্ধারণ করায় কলেজে ভর্তি হতে পারেনি। ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে অনলাইনের মাধ্যমে ২য় ধাপে ভর্তির আবেদন, ফল প্রকাশ, ভর্তি ও ক্লাস শুরু সংক্রান্ত সিডিউল: দ্বিতীয় ধাপে অনলাইন আবেদন ২৭ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল ১ অক্টোবর রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে।

    নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নির্বাচন নিশ্চায়নের সুযোগ থাকবে ফল প্রকাশের পর থেকে ৩ অক্টোবর রাত ৮টা পর্যন্ত। নিশ্চায়ন না করলে নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হবে। এরপর পছন্দক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল ৪ অক্টোবর রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম চলবে ৫ থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, প্রথম ধাপে আবেদন করেও কোনো কলেজে নির্বাচিত হননি—এমন শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় ধাপে আবেদনের ক্ষেত্রে অনলাইন আবেদন ফি ২২০ টাকা দিতে হবে না। তবে তাদের ভর্তি ওয়েবসাইটে লগইন করে কলেজ নির্বাচন বা এডিট সম্পন্ন করতে হবে। ২য় ধাপে আবেদনের সময় কোটা নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোটার যোগ্যতা বুঝে আবেদন করা এবং ফল প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন ফি জমা দেয়ার জন্য অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের ফের অনুরোধ করা যাচ্ছে।

  • জিপিএ-৫ পেয়েও ভর্তির জন্য কলেজ পায়নি ২২০৫ শিক্ষার্থী

    জিপিএ-৫ পেয়েও ভর্তির জন্য কলেজ পায়নি ২২০৫ শিক্ষার্থী

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে আবেদন করেও ২ হাজার ২০৫ জন শিক্ষার্থী কোনো কলেজে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়নি। সর্বোচ্চ ফল অর্জন করেও কেন তারা কলেজে আসন বরাদ্দ পেল না এবং তাদের ভর্তিপ্রক্রিয়া কীভাবে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    একাদশে ভর্তির জন্য এসএসসি পাশ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হয়। সেখানে সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে চয়েজ বা পছন্দক্রম দিতে পারে শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে এসএসসির ফল বিবেচনায় নিয়ে তাদের কলেজ মনোনয়ন দেওয়া হয়।

    উদাহরণস্বরূপ: কোনো শিক্ষার্থী যদি তার পছন্দের তালিকায় ১ নম্বরে রাখে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। তাহলে ওই কলেজে কতসংখ্যক আসন ফাঁকা রয়েছে এবং শিক্ষার্থীর ফলাফল অনুযায়ী অন্যদের চেয়ে তার অবস্থান কী, তা বিবেচনা করা হয়। যদি তার চেয়েও ভালো ফল বা বেশি নম্বর থাকা শিক্ষার্থীরা ভিকারুননিসা কলেজ পছন্দক্রমে দেয়, তাহলে তাকে ওই কলেজ বরাদ্দ দেওয়া হয় না। তার পছন্দক্রম ২ নম্বরে কোন কলেজ তা বিবেচনা করা হয়। এভাবে একের পর এক পছন্দক্রম বিবেচনায় নিয়ে এবং এসএসসির ফল বিশ্লেষণ করে একজন শিক্ষার্থীকে আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়।

    ভর্তি-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনেক শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়ায় তারা শুধু ভালো ২-৩টি কলেজ পছন্দক্রমে দেন। সেই কলেজগুলোতে তীব্র প্রতিযোগিতা হয়। সেখানে দেখা যায়, জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাড়া কেউ সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকছে না। এমনকি জিপিএ-৫ পেলেও নম্বর কম-বেশির কারণে কেউ পছন্দের কলেজ পায়, আবার কেউ পায় না। ঠিক এ কারণেই ২ হাজার ২০৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েও কলেজ পায়নি।

    শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই শিক্ষার্থীরাও ভর্তির সুযোগ পাবে। তবে আবেদনের সময় তারা কম কলেজে চয়েজ (পছন্দক্রম) দেওয়ায় এ সমস্যায় পড়েছে। পরবর্তীতে আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে তাদের পছন্দের কলেজে অথবা নতুন করে পছন্দক্রম নিয়ে তাদের জন্য আসন বরাদ্দ দেওয়া হবে।

    প্রকাশিত ফলে দেখা গেছে, প্রথম ধাপে মোট ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তির জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন। তবে জিপিএ-৫ পাওয়া ২ হাজার ২০৫ শিক্ষার্থী এবার কোনো কলেজে ভর্তির জন্য মনোনয়ন পাননি। বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত ২ সেপ্টেম্বর অনলাইনে একাদশ শ্রেণির ভর্তি আবেদন শুরু হয়। আবেদনগ্রহণ শেষ হয় ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। ভর্তি নির্দেশিকা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দ দিতে পেরেছেন। এবার মোট ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩৪ জন শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেন।

    ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর। এর আগে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরুর কথা ছিল। তবে পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ওইদিন দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকায় ক্লাস শুরুর তারিখ একদিন পিছিয়ে দেওয়া হয়।

  • এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে বাসায় ডেকে খাতায় লেখানোর অভিযোগ

    এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে বাসায় ডেকে খাতায় লেখানোর অভিযোগ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    এবারের এইচএসসি পরীক্ষার খাতায় মোবাইল নম্বর লিখে রেখে আসার পর খাতা পুনর্মূল্যায়নের নামে ঘুষ লেনদেনের এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনা ঘটেছে রাজশাহীতে। পরীক্ষার খাতায় নম্বর দেখে পরীক্ষার্থীকে সরাসরি ফোন দিয়ে ডাকেন সংশ্লিষ্ট পরীক্ষক। এরপর দুই হাজার টাকার বিনিময়ে ওই পরীক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বর ২৫ থেকে বাড়িয়ে ৫০ করে দেওয়া হয়। এমন আরো পরীক্ষার্থী জোগাড় করিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান ওই পরীক্ষক।

    জানা যায়, গত ১৪ আগস্ট সকালে রাজশাহী শহরের এক পরীক্ষকের বাসায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ওই ছাত্রের নাম মেহেদী হাসান। সে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বেলপুকুর আইডিয়াল ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগের পরীক্ষার্থী হিসেবে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।

    ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে মেহেদী হাসান নিজেই বিষয়টি স্বীকার করেছেন। সে জানায়, ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা ভালো না হওয়ায় কৌশল হিসেবে উত্তরপত্রের ভেতরে নিজের মোবাইল নম্বর লিখে দিয়ে এসেছিল। খাতা দেখার সময় নম্বরটি চোখে পড়লে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষক তাকে ফোন করে নিজের বাসায় ডেকে পাঠান।

    সেখানে যাওয়ার পর পরীক্ষক তাকে জানান, সে পরীক্ষায় মাত্র ২৫ নম্বর পেয়েছে। পাস করিয়ে দেওয়া এবং নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ার বিনিময়ে পরীক্ষকের হাতে দুই হাজার টাকা দেয় মেহেদী। টাকা পাওয়ার পর পরীক্ষক তাকে খাতায় লেখার সুযোগ করে দেন। লেখা শেষ হলে মেহেদীর প্রাপ্ত নম্বর ২৫ থেকে বাড়িয়ে ৫০ নম্বর হিসেবে খাতায় লিপিবদ্ধ করা হয়।

    পরীক্ষার্থী মেহেদী হাসান সেদিন রুহুল আমিন নামের অপর এক বন্ধুকে নিয়ে ওই পরীক্ষকের বাসায় গেলেও তার পরিচয় জানাতে পারেনি। তবে অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে এই পরীক্ষক সেকেন্দার আলী। তিনি রাজশাহী নগরের হাজী জমির উদ্দীন সাফিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজের ইংরেজির প্রভাষক। মেহেদীর সঙ্গে এই প্রভাষকের কথোপকথনের রেকর্ড শুনে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এনামুল হক মণ্ডল নিশ্চিত করেছেন, এটাই প্রভাষক সেকেন্দার আলী।

    দেখা করার আগে ওই পরীক্ষকের সঙ্গে মেহেদীর মোবাইলে কথা হয়। এতে শোনা যায়, সেকেন্দার আলী টাকা নিয়ে মেহেদীকে ডাকেন। বিষয়টি অভিভাবকদের জানাতেও নিষেধ করেন। মেহেদী বলেন, টাকা নিতে হলে তো অভিভাবককে জানাতে হবে। পরীক্ষক তখন বলেন, একজন ভিক্ষুকের কাছেও ২-১০-২০ হাজার টাকা থাকে। জবাবে মেহেদী বলেন, পরীক্ষক বলতে থাকেন, ‘না না ঠিক আছে। আরও ক্যান্ডিডেটদের নিয়ে আসো।’

    গত ১৪ আগস্ট সকালেই মেহেদী, ইমন আলী, সৌরভ, রুহুল, সোহাগ ও সামিসহ ছয়জন যায় রাজশাহীর বিনোদপুর বাজারে। কিছুক্ষণ পর একটি মোটরসাইকেলের পেছনে বসে আসেন পরীক্ষক। এরপর সেই পরীক্ষকের বাড়ি যায় তারা। তারপর বের করে দেন খাতা। মেহেদীর মোবাইল নম্বর লেখা খাতাটি সহজেই পাওয়া যায়, কিন্তু রুহুলের খাতা পাওয়া যায়নি। বাজারে অপেক্ষমাণ অন্য সহপাঠীদেরও খাতা পাওয়া যায়নি।

    ১৪ আগস্ট দুপুরেই মেহেদীর সঙ্গে এই প্রতিবেদকের কথা হয়। সে জানায়, মোটরসাইকেলে প্রায় ১০ মিনিটে পরীক্ষকের বাড়িতে পৌঁছায়। কিন্তু জায়গাটা চেনে না। খাতায় লেখা শেষে পরীক্ষক নিজেই তাদের বিনোদপুরে রেখে যান।

    মেহেদী জানায়, পরীক্ষক তাদের নাম জানাননি। বরং তার মোবাইল নিয়ে নিজের নম্বরটি ডিলিট করে দেন। মেহেদী বলেন, ‘খাতায় ২৫ মার্কস ছিল। স্যার ২ হাজার টাকা নিয়েছেন। খাতায় লিখতে দিলেন। যেগুলো ভুল লিখেছিলাম সেগুলো ঠিক করে দিয়েছি। আর যেটা লিখিনি, সেটা ফাঁকা জায়গায় লিখে দিয়েছি।’ এখন কত নম্বর হয়েছে জানতে চাইলে মেহেদী বলেন, ‘৫০ প্লাস হবে।’

    পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া একটি ছবিতে দেখা যায়, ১৪ আগস্ট পরীক্ষক যে মোটরসাইকেলে এসেছিলেন সেটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর রাজশাহী-হ ১৫-২৪০৫। রফিকুল ইসলাম সেন্টু চালিত মোটর সাইকেলটির মালিক তিনিই এবং সেন্টু ওই প্রভাষকের আত্মীয়। তার বাড়ি চারঘাট উপজেলার কাকালকাটি গ্রামে। ৫ সেপ্টেম্বর সেন্টুর বাড়ির সামনেই ওই মোটরসাইকেল পাওয়া যায়। ওই এলাকার এক ব্যক্তিকে ছবি দেখাতেই তিনি প্রভাষক সেকেন্দার আলীর পরিচয় নিশ্চিত করেন। তাঁর বাড়ি বেলঘরিয়া গ্রামে।

    তবে, সেকেন্দার আলীকে জানতে চাইলে পরীক্ষার্থীকে বাসায় নিয়ে টাকার বিনিময়ে লেখানোর অভিযোগ অস্বীকার করেন।

    হাজী জমির উদ্দীন সাফিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এনামুল হক মণ্ডল বলেন, অনেক আগে থেকে তাঁর কলেজের ইংরেজির প্রভাষক সেকেন্দার আলী এইচএসসির খাতা দেখেন। শিক্ষা বোর্ড যদি কোনো পদক্ষেপ নিতে বলে, তাহলে তিনি সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন।

    রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. শামীম আরা চৌধুরী বলেন, ‘এমন হলে তো খুবই ভয়াবহ ঘটনা। কোনোভাবেই বরদাশত করব না।’

  • ফুলবাড়ীতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের শিবিরের সংবর্ধনা

    ফুলবাড়ীতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের শিবিরের সংবর্ধনা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শতাধিক কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

    শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ফুলবাড়ী উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কুড়িগ্রাম জেলা সেক্রেটারি মোবাশ্বের রাশেদ্বীন। এ সময় জেলা ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক বাইজিদ খান, সাবেক ছাত্রনেতা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সালাম সুজা, ফুলবাড়ী উপজেলা সভাপতি মিরাজ হোসেন, সেক্রেটারি বেলাল হোসেন, ছাত্রশিবির রংপুর মহানগরের সাবেক প্রচার সম্পাদক সোহেল রানা ও কুড়িগ্রাম জেলার সাবেক প্রচার সম্পাদক আবদুল হালিম রানা উপস্থিত ছিলেন।

    বক্তারা কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ভালো ফলাফলের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, সততা ও দেশপ্রেম ধারণ করতে হবে। দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলে আদর্শ সমাজ ও সমৃদ্ধ দেশ নির্মাণে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তারা।

    অনুষ্ঠান শেষে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক, বই ও উপহার সামগ্রী তুলে দেন অতিথিরা। এ সময় ছাত্রশিবিরের উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী, স্থানীয় সুধীজন, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • এসএসসি পরীক্ষার খাতা চ্যালেঞ্জের ফল জানবেন যেভাবে

    এসএসসি পরীক্ষার খাতা চ্যালেঞ্জের ফল জানবেন যেভাবে

    শিক্ষা ডেস্ক:

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এর পুন:নিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফল আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় প্রকাশ করা হবে। তিন পদ্ধতিতে এই ফল জানা যাবে।

    বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) আন্ত:শিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। প্রথমত, নিজ নিজ শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হবে। দ্বিতীয়ত, আবেদনকারীর দেওয়া মোবাইল ফোন নাম্বারে এসএমএস পাঠানো হবে। এছাড়াও, https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd থেকেও ফল সংগ্রহ করা যাবে।

  • জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ

    জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া মেধাবী স্কাউট ও রোভার স্কাউট শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা বাজেট থেকে পাঁচ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    বুধবার সকালে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে ২০২৫ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া মেধাবী স্কাউটদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি যারা ভালো ফল করতে পারেনি, তাদের নিয়েও কাজ করতে হবে। আগামী শনিবার কচুয়ার পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসবেন বলেও জানান তিনি। স্কাউটিংয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, স্কাউটিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জনসেবা, নেতৃত্ব, মানুষের প্রতি ভালোবাসা এবং দেশের জন্য আত্মত্যাগের শিক্ষা পায়। এখান থেকেই ভবিষ্যতের নেতৃত্ব তৈরি হয়।

    খেলাধুলার মাধ্যমেও নেতৃত্বের গুণাবলি, নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা গড়ে ওঠে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তরুণদের মাদক ও অনৈতিকতা থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও স্কাউটিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    মন্ত্রী জানান, প্রাথমিক স্তর থেকেই খেলাধুলার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ড্রেস ও মিড-ডে মিলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কারিকুলামে চতুর্থ শ্রেণি থেকে স্পোর্টস কালচার, ‘লার্নিং হ্যাপিনেস’ ও কারিগরি শিক্ষা যুক্ত করা হচ্ছে। স্কাউটের জন্য পৃথক স্কিম নেওয়া হয়েছে এবং বিএনসিসির জন্যও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও আদর্শ ধরে রাখার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি অভিভাবক ও শিক্ষকদের সম্মান করতে হবে। জাতি গঠনে শৃঙ্খলা ও আদর্শকে সমুন্নত রাখতে হবে। আগামী বাংলাদেশ আজকের শিক্ষার্থীদের হাতেই গড়ে উঠবে।

    বাংলাদেশ স্কাউটসের স্পেশাল ইভেন্টস বিভাগের উদ্যোগে প্রতিবছর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া মেধাবী স্কাউট ও রোভার স্কাউটদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ৫৮০ জন মেধাবী স্কাউট ও রোভার স্কাউটকে বুধবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।অনুষ্ঠানে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একটি করে মেডেল, অভিনন্দনপত্র ও নির্ধারিত যাতায়াত ভাড়া দেওয়া হয়। এ ছাড়া প্রত্যেককে অনলাইনে দুই হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের সভাপতি ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রধান জাতীয় কমিশনার ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ স্কাউটসের উপপ্রধান জাতীয় কমিশনার মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ।

  • জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের অ্যাওয়ার্ড দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের অ্যাওয়ার্ড দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    শিক্ষা ডেস্ক
    এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের অ্যাওয়ার্ড দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এবার এসএসসি পরীক্ষায় যারা জিপিএ-৫ পেয়েছেন তাদেরকে প্রধানমন্ত্রী অ্যাওয়ার্ড দেবেন। এই ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহ দেয়ার জন্য তাদেরকে উপহার হিসেবে ট্যাব দেয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আলাচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য শিক্ষামন্ত্রী একথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলন আরো বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে পড়াশোনায় আরো বেশি মনোযোগী হয় সেজন্যই তাদের উপহার দেয়া হবে।

  • ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

    ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    চলতি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সাত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

    প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ও মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)।

    সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও এমআইএসটির ভর্তি পরীক্ষা হবে চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে। আর রাজশাহী, জগন্নাথ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং কুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৫ ডিসেম্বর। ওই দিন আইবিএ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১২ ডিসেম্বর ‘এ’ ইউনিট, ১৯ ডিসেম্বর ‘বি’ ইউনিট, ২২ ডিসেম্বর চারুকলা ইউনিট এবং ২৬ ডিসেম্বর ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা নেওয়া হবে। ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে অনলাইনে আবেদন করা যাবে ১১ থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত।

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৮ জানুয়ারি। প্রথম দিন ‘বি’ ইউনিটের (ব্যবসায় শিক্ষা) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    ৯ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিটের (বিজ্ঞান) এবং ১৬ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিটের (মানবিক) পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রাথমিক আবেদন চলবে ১২ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত।

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি। প্রথম দিন ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে।

    এরপর ৮ জানুয়ারি ‘ই’ ইউনিট, ১৫ জানুয়ারি ‘বি’ ইউনিট, ২২ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিট এবং ২৩ জানুয়ারি ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তির আবেদন শুরু হবে ১৫ নভেম্বর দুপুর ১২টায়। আবেদন করা যাবে ১০ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ২৯ জানুয়ারি। ওই দিন ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা নেওয়া হবে। ৩০ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিট, ৩ ফেব্রুয়ারি ‘বি১’ ইউনিট, ৪ ফেব্রুয়ারি ‘বি২’ ইউনিট, ৫ ফেব্রুয়ারি ‘বি’ ইউনিট, ৬ ফেব্রুয়ারি ‘ডি’ ইউনিট এবং ৮ ফেব্রুয়ারি ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    ‘বি১’, ‘বি২’ ও ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য ইউনিটের পরীক্ষা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া রাজশাহী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে। চবিতে অনলাইনে আবেদন করা যাবে ১৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর। ১৭ ডিসেম্বর ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিট এবং ১৮ ডিসেম্বর ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

    তবে এসব সময়সূচির মধ্যে যেসব পরীক্ষা এখনো চূড়ান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিশ্চিত হয়নি, সেগুলো পরিবর্তিত হতে পারে। তাই ভর্তিচ্ছুদের সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ও অফিসিয়াল নোটিশ অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    কুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা ৮ জানুয়ারি

    খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৮ জানুয়ারি। এবার খুলনা, ঢাকা ও রাজশাহী- এ তিন বিভাগীয় শহরে একযোগে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।এমআইএসটির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৮ ডিসেম্বর

    ঢাকার মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৮ ও ১৯ ডিসেম্বর। ১৮ ডিসেম্বর ‘সি’ ইউনিট এবং ১৯ ডিসেম্বর ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

    এবার পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে দেশের সাতটি বিভাগীয় শহরে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। শহরগুলো হলো—ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ।

  • কলেজ ভর্তিতে থাকছে মাইগ্রেশনের সুযোগ

    কলেজ ভর্তিতে থাকছে মাইগ্রেশনের সুযোগ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    আসন্ন শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে মাইগ্রেশন সুবিধা বন্ধের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা আগের মতোই ভর্তিতে মাইগ্রেশনের সুযোগ পাবেন।

    শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, আগামী ২ সেপ্টেম্বর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হয়ে চলবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ভর্তি কার্যক্রম শেষ করে ২৩ সেপ্টেম্বর ক্লাস শুরুর প্রস্তাব করা হয়েছে। বিগত বছরগুলোতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীরা তিন ধাপে অনলাইনে একাদশে ভর্তির জন্য আবেদনের সুযোগ পেতো। তবে এ বছর প্রথম পর্যায়ে একবারই সুযোগ পাবে।

    শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, এবারও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হবে। কোনো ভর্তি পরীক্ষা হবে না। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হবে এবং শিক্ষার্থীদের ফলাফল, পছন্দক্রম ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনায় নিয়ে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে।

    কয়েক বছর ধরেই এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হচ্ছে। নির্ধারিত ফি দিয়ে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হয়। পরে ফলাফল, পছন্দক্রম ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনায় একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয়।

    বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কেন্দ্রীয়ভাবে একাদশ শ্রেণির অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে। এই পদ্ধতিতে কলেজ ও মাদ্রাসায় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোয় ভর্তি হয় পৃথক প্রক্রিয়ায়। ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদ্রাসায় এ পদ্ধতিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, আবেদনের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী ২ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভর্তি–ইচ্ছুক সবাইকে আবেদন করতে হবে। যারা ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছে, তাদেরও আবেদন করতে হবে। তবে পুনর্নিরীক্ষণে যাদের ফল পরিবর্তন হবে, তাদের পুনরায় আবেদনের সময় দেওয়া হবে। ১০ সেপ্টেম্বর পুনর্নিরীক্ষণে ফল প্রকাশ হওয়ার কথা।

    শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রস্তাব অনুযায়ী, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর যাদের পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তন হবে, তারা আবেদন করতে পারবে। এভাবে যাচাই–বাছাই শেষে ২০, ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর ভর্তির কাজ হবে। তারপর ২৩ সেপ্টেম্বর ক্লাস শুরু হবে।

    তবে যারা এ সময়ে ও প্রক্রিয়ায় কোনো কলেজ-মাদ্রাসা পাবে না বা প্রত্যাশিত কলেজ পাবে না অথবা কোনো কারণে আবেদন করতে পারবে না, ২৩ সেপ্টেম্বরের পরপর তাদেরও ভর্তির জন্য আবেদনের সুযোগ দেওয়া হবে।

    এ বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য ৪ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী প্রায় ১৩ লাখ আবেদন করেছে। এর মধ্যে ১০ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি আবেদন পড়েছে লিখিত (তত্ত্বীয়) পরীক্ষার উত্তরপত্রের জন্য। আর ব্যবহারিক পরীক্ষার খাতার জন্য আবেদন পড়েছে ২ লাখ ৩১ হাজারের বেশি।

    গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী ছিল। এর মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। অর্থাৎ প্রায় ৭ লাখ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি। সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে কলেজ ও মাদ্রাসা মিলিয়ে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। ফলে মোট আসনের অর্ধেকের বেশি এবার খালি থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

    তবে আসন বেশি থাকলেও জিপিএ-৫ পাওয়া সব শিক্ষার্থী তাদের পছন্দের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে না। কারণ, তুলনামূলক ভালো প্রতিষ্ঠানগুলোয় আসনসংখ্যা সীমিত। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন।

  • চবির ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

    চবির ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২৯ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে শুরু হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

    রোববার (২৩ আগস্ট) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ও ভর্তি কমিটির সচিব এস. এম. আকবর হোছাইন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এবার ভর্তি পরীক্ষা চট্টগ্রামের পাশাপাশি ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগীয় শহরেও অনুষ্ঠিত হবে।

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, C ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৯ জানুয়ারি, A ইউনিটের ৩০ জানুয়ারি, B ইউনিটের ৫ ফেব্রুয়ারি এবং D ইউনিটের পরীক্ষা ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া B1 উপ-ইউনিটের পরীক্ষা ৩ ফেব্রুয়ারি, B2 উপ-ইউনিটের ৪ ফেব্রুয়ারি এবং D1 উপ-ইউনিটের পরীক্ষা ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৬-২০২৭ ভর্তি পরীক্ষা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একই তারিখ ও সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। তবে B1, B2 ও D1 উপ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা আগামী ১৫ নভেম্বর ২০২৬ থেকে ১০ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

  • এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ

    এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফল আগামী নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি প্রকাশ করা হতে পারে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড সভাপতি এবং ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আক্তারুজ্জামান।

    তিনি বলেন, ইতিমধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা শেষ হয়েছে। আর চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর। পরিকল্পনা রয়েছে- আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ফল প্রকাশ করার। শিক্ষাবোর্ডগুলো এ পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করছে।

    গত ২ জুলাই চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে ফরম পূরণ করেছে। এবার সব শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা হয়েছে।

    আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের তত্ত্বীয় পরীক্ষা গত ৮ আগস্ট শেষ হয়েছে। তবে বন্যার কারণে স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো পরে অনুষ্ঠিত হওয়ায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর। এ বোর্ডের অধীন চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙামাটি ও কক্সবাজার জেলার পরীক্ষা ৮ জুলাই থেকে ২৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়েছিল।

    এদিকে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে গত ১৩ জুলাই এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের বিশেষ পরীক্ষা আগামী ২৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সকাল ১০টায় রাজধানীর বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এ পরীক্ষা নেওয়া হবে।

  • এসএসসির ১২ লাখ খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদন

    এসএসসির ১২ লাখ খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদন

    শিক্ষা ডেস্ক:

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীরা এ পর্যন্ত ১২ লাখ খাতা চ্যালেঞ্জের জন্য আবেদন করেছেন। সব শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে।

    সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকার শেরাটন হোটেলে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি)-এর উদ্যোগে এক অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন নিজেই এ তথ্য জানান।

    এ সময় শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন এবার খাতা চ্যালেঞ্জের জন্য অসংখ্য আবেদন পড়েছে। গতকাল আমি খোঁজ নিয়েছি। যে অবস্থা জেনেছি তাতে মনে হয় সব শিক্ষার্থীই খাতা পুনর্মূল্যায়ন করতে চায়। এভাবে তো হতে পারে না। তাই আমরা ভেবেছি খাতা পুনর্মূল্যায়নে নতুন নীতিমালা আনবো। জিপিএ কত পেলে পুনর্মূল্যায়ন করা যাবে, বা কি কি বিষয় থাকবে তা আমরা জানাবো।

    জানা গেছে, ১১ আগস্ট খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদন শুরু হয়। আজ ১৭ আগস্ট পর্যন্ত খাতা আবেদন করা যাবে। সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতিতে এবার অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীরা প্রতি বিষয়ে ১৫০ টাকা ফি দিয়ে খাতা চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন।

    ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলে সারাদেশে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী।

  • কামিল পরীক্ষার ফল প্রকাশ

    কামিল পরীক্ষার ফল প্রকাশ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইআবি) অধীনে অনুষ্ঠিত কামিল মাস্টার্স পরীক্ষা-২০২৪-এর ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।

    সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল ১০টায় এই ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

    ফল পেতে শিক্ষার্থীদের http://result.iau.edu.bd/- এ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।

    গত ৪ মে সারাদেশে একযোগে কামিল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সারাদেশে সব পরীক্ষা কেন্দ্রে নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে পরীক্ষা কেন্দ্র নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে ইআবি কর্তৃপক্ষ। এ বছর পরীক্ষায় সারাদেশের মোট ৫১টি কেন্দ্রে আল কোরআন এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ, আল হাদিস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ, দাওয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ, আল ফিকহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ, আরবি ভাষা ও সাহিত্য এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ে এক বছর মেয়াদি কামিল (মাস্টার্স) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত দিনে দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং ২৩ মে এ পরীক্ষা শেষ হয়েছে।

  • এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জে চারদিনেই তিন লাখের বেশি আবেদন

    এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জে চারদিনেই তিন লাখের বেশি আবেদন

    শিক্ষা ডেস্ক:

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ফলে অসন্তুষ্টদের খাতা চ্যালেঞ্জের অনলাইন আবেদন গ্রহণ চলছে। এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে গত ১১ আগস্ট থেকে। গত চারদিনে ৩ লাখ ১২ হাজার খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদন করা হয়েছে।

    শনিবার (১৫ আগস্ট) আন্ত:শিক্ষা সমন্বয় কমিটির এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, খাতা চ্যালেঞ্জের জন্য, ১৪ আগস্ট রাত ১১টা পর্যন্ত তিন লাখের ওপর আবেদন পড়েছে। আমরা গতকাল শুক্রবার হওয়া সত্ত্বেও এ আপডেট চেক করেছি। শেষ যখন জেনেছি ৩ লাখ ১২ হাজারের মত।

    পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী।

    এ পরীক্ষার ফলে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীদের খাতা চ্যালেঞ্জের সুযোগ রাখা হয়েছে। ১১ আগস্ট খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদন শুরু হয়। ১৭ আগস্ট পর্যন্ত খাতা আবেদন করা যাবে। সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতিতে এবার অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীরা প্রতি বিষয়ে ১৫০ টাকা ফি দিয়ে খাতা চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন।

    ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলে সারাদেশে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী।

    ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক চিঠিতে বলা হয়, https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd -এ গিয়ে নির্ধারিত স্থানে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর পূরণ করতে হবে এবং বোর্ড ড্রপ ডাউন থেকে বোর্ড নির্বাচন করতে হবে।

    অতঃপর সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর মোবাইল নম্বর দিতে হবে। পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশিত হলে এই নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয় ভিত্তিক ফল দেখা যাবে। এক বা একাধিক বিষয়ে ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য বিষয়গুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি প্রযোজ্য হবে।

    দ্বিপত্র বিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয়পত্রের আবেদন করতে হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে দেয়া ফি-এর পরিমাণ দেখা যাবে। বিকাশ, নগদ, সোনালী সেবা-এর মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে। ফি পরিশোধের বিস্তারিত ধাপগুলো উপরেউল্লেখিত পোর্টালের ‘হেয়া’ বাটনে ক্লিক করে দেখে নেওয়া যাবে। ফি পরিশোধ করে আবেদনের পোর্টালে এসে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।উল্লেখ্য যে, ফি দিয়ে একবার আবেদন জমা দেওয়ার পরে আরও বিষয় যুক্ত করতে চাইলে একইভাবে তা করা যাবে। তবে এক্ষেত্রে নতুনভাবে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। এছাড়া ফি পরিশোধের আগেই যদি আবেদন পরিবর্তন বা পরিমার্জনের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে নির্বাচিত বিষয়গুলো (যেগুলোর জন্য এখনও ফি প্রদান করা হয়নি) প্রত্যাহার করা যাবে এবং নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে। তবে একবার ফি জমা দিলে আবেদনকৃত বিষয়গুলো আর বাতিল করা যাবে না এবং কোন অবস্থাতেই ফি ফেরত দেয়া হবে না। ম্যানুয়াল কোন আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

  • ২৫ বছরের কোন বছর কত ছিল এসএসসি’র জিপিএ-৫

    ২৫ বছরের কোন বছর কত ছিল এসএসসি’র জিপিএ-৫

    শিক্ষা ডেস্ক:

    মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়েছে । তাতে দেখা গেছে, আগের বছরগুলোর তুলনায় এ বছর পাস ও জিপিএ-৫ পাওয়ার হার, দু’টোই কমেছে।

    বাংলাদেশের এসএসসি ও এইচএসসিসহ পাবলিক পরীক্ষাগুলোয় ২০০০-এর শুরুর দিকে পাস করা এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল হাতে গোনা।

    কিন্তু সেই চিত্র নাটকীয়ভাবে বদলে যায় গত ২৫ বছরে। বিশেষ করে ২০১৪ সাল থেকে প্রতি বছর সর্বোচ্চ গ্রেড জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে; এই সংখ্যা লাখের ঘর ছাড়িয়ে যেতো। এমনটা জানা যাচ্ছে তথ্য-পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে।

    যদিও শিক্ষাবিদরা বলছেন, যদি দেশের সব শিক্ষার্থীও পরীক্ষায় পাস করে, তাহলেও বলা যাবে না যে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা গুণগত-মান অর্জন করেছে। কারণ এই মান নির্ভর করে শিক্ষাদান পদ্ধতি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুযোগ-সুবিধা এবং মানসম্মত শিক্ষকের ওপর।

    তাদের মতে, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার ক্ষেত্রে এগুলোর ঘাটতি রয়ে গেছে। কিন্তু তারপরও গত ২৫ বছরে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা এত কীভাবে বেড়েছে? আর কোন কোন ক্ষেত্রে যোগ্যতার মাপকাঠি হিসেবে এসএসসির ফল বিবেচনা করা হয়?

    উনিশ বছরের মাঝে সর্বনিম্ন পাসের হার

    বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে প্রথম কোনো পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ হলো।

    সোমবার প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার এই ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, এবার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে , যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। সর্বশেষ এর চেয়ে কম পাসের হার ছিল ২০০৭ সালে, যখন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সম্মিলিত পাসের হার ছিল ৫৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

    ২০০৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৩২ হাজার ৬৪৬ জন শিক্ষার্থী।

    আর, এ বছর পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন।

    গত বছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করেছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল এক লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন।

    সে হিসেবে, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর মাধ্যমিকে পাশের হার ও জিপি-৫, দু’টোই কমেছে।

    উল্লেখ্য, এ বছর ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি নিয়মিত ও অনিয়মিত শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে ফরম পূরণ করেছিলেন।

    এর মধ্যে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, দাখিলে তিন লাখ চার হাজার ২৮৬ জন এবং এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে এক লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন।

    তবে ফরম পূরণ করেও পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন সাড়ে ৩৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী।

    এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় গত ২১শে এপ্রিল, শেষ হয় গত ২৪শে মে।

    ছিয়াত্তর জন থেকে দুই লাখের বেশি

    বাংলাদেশে ২০০১ সালে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সনাতন পদ্ধতিতে নম্বর দেওয়ার পরিবর্তে গ্রেড পদ্ধতি চালু করা হয়। শুরুর দিকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল খুবই কম।

    গ্রেড পদ্ধতি চালুর আগে আশি নম্বর পেলে বলা হতো লেটার মার্কস। কিন্তু ওই বছর থেকে এটিকে বলা হয় জিপিএ-৫।

    স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়া প্রতিবেদন থেকে গত ২৫ বছরের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গ্রেড পদ্ধতি শুরুর বছরে মাত্র ৭৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিলো।

    পরের বছর, ২০০২ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিল৩৩০ জন শিক্ষার্থী। ২০০৩ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে হয় এক হাজার ৩৯২।

    এরপর থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে।

    ২০০৪ সালে এই সংখ্যা দাঁড়ায় আট হাজার ৫৯৭ জনে। ২০০৫ সালে ১৭ হাজার ৬৩১ জন এবং ২০০৬ সালে ২৪ হাজার ৩৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়।

    পরবর্তী বছরগুলোতে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরও বাড়ে।

    ২০০৭ সালে জিপিএ-৫ পায় ২৫ হাজার ৭৩২ জন শিক্ষার্থী। পরের বছর ২০০৮ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪১ হাজার ৯১৭ জনে এবং ২০০৯ সালে আরও বেড়ে হয় ৪৫ হাজার ৯৩৪ জন।

    ২০১০ সালে এই সংখ্যা এক লাফে বেড়ে ৫২ হাজার ১৩৪ জনে পৌঁছায়।

    ২০১১ সালে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৬২ হাজার ২৪৪ জন। ২০১২ সালে তা কিছুটা বেড়ে হয় ৮২ হাজার ২১২ জন এবং ২০১৩ সালে ৯১ হাজার ১২২ জন।

    এরপর ২০১৪ সালে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রথমবারের মতো লাখের ঘরে চলে যায়। সে বছর মোট এক লাখ ৪২ হাজার ২৭৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়।

    পরের বছর ২০১৫ সালে এক লাখ ১১ হাজার ৯০১ জন জিপিএ-৫ পায়। ২০১৬ সালে পায় এক লাখ নয় হাজার ৭৬১ জন শিক্ষার্থী। ২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে পায় যথাক্রমে এক লাখ চার হাজার ৭৬১ জন, এক লাখ ১০ হাজার ৬২৯ জন ও এক লাখ পাঁচ হাজার ৫৯৪ জন।

    ২০২০ সালে করোনা মহামারীর বছরে এই সংখ্যা ছিল এক লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮। ২০২১ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় এক লাখ ৮৩ হাজার ৩৪০ জনে, সেবার অটোপাশ দেওয়া হয়েছিল।

    এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি জিপিএ-৫ আসে ২০২২ সালে। ওই বছর দুই লাখ ৬৯ হাজার ৬০২ জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ এই গ্রেড অর্জন করে।এরপর অবশ্য সংখ্যাটি টানা কমেছে। ২০২৩ সালে জিপিএ-৫ পায় এক লাখ ৮৩ হাজার ৫৭৮ জন, ২০২৪ সালে এক লাখ ৮২ হাজার ১২৯ জন এবং ২০২৫ সালে এক লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। আর এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী।

    এসএসসি’র ফল কেন গুরুত্বপূর্ণ

    বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে পরবর্তী ধাপের শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল গুরুত্বপূর্ণ।

    আবার কিছু চাকরি ও কারিগরি শিক্ষায় প্রবেশের ক্ষেত্রেও ন্যূনতম ফলের শর্ত রয়েছে।

    এসএসসির ফলের সবচেয়ে সরাসরি প্রভাব পড়ে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে।

    কারণ বর্তমানে একাদশ শ্রেণির ভর্তি প্রক্রিয়া অনলাইনে পরিচালিত হয়। এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় পাওয়া জিপিএ ও মোট নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি হয় এবং শিক্ষার্থীর পছন্দের তালিকা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে কলেজে আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়।

    ফলে একজন শিক্ষার্থীর ফল যত ভালো, পছন্দের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগও তত বেশি।

    বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রেও শুধু এইচএসসি নয়, এসএসসির ফল বিবেচনায় নেওয়া হয়।

    বাংলাদেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণে এসএসসি ও এইচএসসির জিপিএর শর্ত থাকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত মেধাক্রম তৈরিতেও এই দুই পরীক্ষার ফল থেকে নম্বর যোগ করা হয়।

    যেমন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের জন্য দুই পরীক্ষার জিপিএ’র যোগফল বিজ্ঞান শাখায় ন্যূনতম আট, আর মানবিক ও বাণিজ্য শাখায় ন্যূনতম সাড়ে সাত হওয়া জরুরি।

    আবার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) বা মেডিক্যালে পড়ার আবেদন করতে হলে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মোট জিপিএ ১০ থাকতে হবে।

    এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা সরকারি ও বেসরকারি বৃত্তিও পেয়ে থাকে।

    এদিকে, যারা সাধারণ উচ্চশিক্ষার বদলে কারিগরি শিক্ষা নিতে চান, তাদের ক্ষেত্রেও এসএসসির ফল গুরুত্বপূর্ণ। কারিগরি বোর্ডে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা পর্যায়ের ভর্তির আবেদনের জন্য এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ দুই দশমিক পাঁচ থাকতে হয়। যদিও কোর্স অনুযায়ী ফলাফলের চাহিদা কখনও কখনও বাড়তে বা কমতে পারে।

    আবার, সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তির জন্য প্রার্থীর সামগ্রিক জিপিএ এবং গণিতে আলাদা জিপিএ তিন বা তার বেশি প্রয়োজন হতে পারে।

    তবে শিক্ষাখাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশে শিক্ষাজীবনের তুলনায় কর্ম জীবনের সংস্পর্শ কম। ফলে কর্মজীবনে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের সরাসরি ভূমিকা ‘সীমিত’। তারপরও কিছু চাকরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে এটি যোগ্যতার মাপকাঠি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

    যেমন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিতে অনেক ক্ষেত্রেই এসএসসি ও এইচএসসিতে ন্যূনতম ফলের শর্ত দেওয়া থাকে। আবার, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির বিভিন্ন চাকরিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে এসএসসি বা সমমানের সনদ চাওয়া হয়।

    তবে প্রায়ই আলোচনায় থাকা বাংলাদেশে সরকারি কর্ম কমিশন বা বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্যে এসএসসি পরীক্ষার ন্যূনতম কোনো ফলাফল থাকা জরুরি নয়।

    যেমন, ৫০ তম বিসিএস পরীক্ষার জন্য দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতেও এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জন্য সুনির্দিষ্ট ফলাফল চাওয়া হয়নি। তবে বলা হয়েছে, “কোনো প্রার্থীর শিক্ষা জীবনে একাধিক তৃতীয় বিভাগ/শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ থাকলে তিনি যোগ্য বিবেচিত হবেন না।”

    এর বাইরে এসএসসির সনদ অনেকের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন চাকরি, লাইসেন্স বা সনদ পাওয়ার ক্ষেত্রে এর প্রয়োজন হতে পারে।

    বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও কোনো কোনো প্রবাসী কর্মীর শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র হিসেবে এসএসসি বা সমমানের সনদ ব্যবহৃত হয়।

    ফলে এসএসসির ফলের সবচেয়ে বড় প্রভাব পরবর্তী ধাপের শিক্ষায় দেখা গেলেও, উচ্চশিক্ষা থেকে শুরু করে বৃত্তি, কারিগরি শিক্ষা এবং নির্দিষ্ট কিছু চাকরিতেও এর প্রভাব থেকে যায়।

    পাশের হার ও সর্বোচ্চ গ্রেডের সংখ্যা কমছে কেন?

    গত ২৫ বছরের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় ২০১০ সালের পর থেকে এসএসসি’র পাশের হার ও জিপিএ-৫ এর সংখ্যা ক্রমশই বেড়েছে।

    তবে গত বছর থেকে, অর্থাৎ ২০২৫ সাল থেকে এই হার অনেকাংশে কমে গেছে। দুই বছর ধরে এই যে পাশের হার ও জিপিএ ৫ এর সংখ্যা কমছে, নানাভাবে ব্যাখ্যা করছেন বিশ্লেষকেরা।

    শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের কারও কারও মতে, দুই বছর ধরে যথার্থ মূল্যায়ন হয়েছে বলেই ফলাফলে প্রকৃত চিত্র উঠে এসেছে।

    তবে ফলাফলের এই পরিবর্তনের পেছনে আরও বেশ কিছু কারণের কথা বলছেন তারা।

    যেমন– খাতা মূল্যায়নে কড়াকড়ি, বারবার কারিকুলাম পরিবর্তনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে ঘাটতি, শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম, কিংবা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান বলেন, “মূল্যায়নকে একটা ব্র্যান্ডিং-এর মাঝে নিয়ে গেছি আমরা। মূল জায়গায় কেউ হাত দিচ্ছে না। আমাদের দেশের শিক্ষা খাতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়। প্রতিষ্ঠানগুলো (বোর্ড/এনসিটিবি) নিজেরা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। সরকার যা বলে, সেটাই করে।”

    ‘অতীতে রাজনৈতিক বিবেচনায় বাড়িয়ে দেখানোর প্রবণতা ছিল’

    অধ্যাপক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে এখন কলেজ, সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা অনেক এবং এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো থাকার কারণে ফলাফলের পরিসংখ্যান বদলে যায়।

    “কলেজে আসন ফাঁকা থাকবে, সেজন্য আমি পাস করিয়ে দিবো? পাশের হার না বাড়লে ইউনিভার্সিটিগুলো ছাত্র পাবে কোথায়? এই পরিসংখ্যানই রেজাল্ট ঘুরিয়ে দেয়। তাই, এই রেজাল্ট দিয়ে শিক্ষার্থীরা কতটুকু শিখছে, তা নিয়ে আমি আস্থা রাখতে পারি না।”

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. এস এম হাফিজুর রহমান শিক্ষাপদ্ধতি ও শিক্ষকদের সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

    একই সাথে তিনি এ-ও জানান, সকল শিক্ষার্থী যদি জিপিএ-৫ পায়, তাহলে তিনি খুশি হবেন। “কিন্তু যে লেভেলে তারা পাস করছে, ওই লেভেলের সামর্থ্য যেন তারা অর্জন করতে পারে।”

    জিপিএ-৫ ও পাসের হার বাড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “আমরা খাতা দেখার ব্যাপারে নমনীয়তার কথা শুনি। হয়তো কারিকুলাম ছোট করা হয়েছে, প্রশ্নের ধরন চেঞ্জ হয়েছে। তবে যারা এ+ পাওয়ার, তারা ঠিকই পাচ্ছে। কেউ কেউ হয়তো পলিসিগত ইস্যুর কারণে বেশি পেয়ে যাচ্ছে।”

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ মনিনুর রশিদ বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, অতীতে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিজেদের সফলতা দেখাতে পাশের হার ও জিপিএ-৫ বাড়িয়ে দেখানোর প্রবণতা ছিল।

    “মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ওভার মার্কিং বা আন্ডার মার্কিং ইস্যুতে ধিরে ধিরে একটি সঠিক জায়গায় আসার চেষ্টা করবে সরকার। এ বছর পাশের হার যতটা হয়েছে সামনের বছর এই হার এর থেকেও কম হতে পারে,” বলেছিলেন অধ্যাপক মোহাম্মদ মনিনুর রশিদ।

  • এসএসসিতে পাস করতে না পেরে ৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

    এসএসসিতে পাস করতে না পেরে ৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

    শিক্ষা ডেস্ক:

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায়, চট্টগ্রামের বাকলিয়ায়, শেরপুরের নকলায়, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ও চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় একজন করে শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে। সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত এসব ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সন্তানদের হারিয়ে কাঁদছেন তাদের বাবা-মা।

    রাজশাহীতে একজনের মৃত্যু

    রাজশাহীর বাগমারায় এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে এক ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। কারিনা পাল নামের ওই ছাত্রী সোমবার এসএসসির ফল প্রকাশের পর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।

    কারিনা পাল উপজেলার ১১ নম্বর গনিপুর ইউনিয়নের মহব্বতপুর গ্রামের কাঞ্চন কুমার পালের মেয়ে। সে চাঁন্দেরআড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে চলতি বছর বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল। মেয়ের মৃত্যুর খবরে কাঁদছেন বা-মা। মৃত্যুর খবর পেয়ে তার বাড়িতে যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুর রহমান, গনিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান রঞ্জু প্রমুখ।

    জানা যায়, এসএসসির ফল প্রকাশের পর কারিনা জানতে পারে রসায়ন ও পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে ফেল করেছে। পরে নিজ ঘরে ঢুকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে মায়ের শাড়ি গলায় পেঁচিয়ে ফাঁস দেয়। উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।

    চাঁন্দেরআড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আ. আউয়াল বলেন, ‘কারিনা ছাত্রী হিসেবে ভালো ছিল। কী কারণে তার ফলাফল খারাপ হয়েছে, তা বলা কঠিন। ফলাফল খারাপ হতেই পারে; তাই বলে জীবন শেষ করে দেওয়া কোনও সমাধান নয়। সে চাইলে পরবর্তীতে আবার পরীক্ষায় অংশ নিতে পারতো।’

    বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।’

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে একজনের মৃত্যু

    শিবগঞ্জে এসএসসিতে ইংরেজিতে অকৃতকার্য হয়ে বিষপানে হালিমা খাতুন (১৬) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার দুপুরে ফল প্রকাশের পর এ ঘটনা ঘটে। হালিমা খাতুন উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের পুরাতন উনিশবিঘী গ্রামের তরিকুল ইসলামের মেয়ে। সে চাকপাড়া আদর্শ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল।

    স্বজন, পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সোমবার এসএসসির ফল প্রকাশের পর হালিমা জানতে পারে ইংরেজি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে। অন্য সব বিষয়ে উত্তীর্ণ হলেও একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় হতাশ হয়ে বিষপান করে। উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান স্বজনরা।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিক্যাল অফিসার ডা. শাহরিনা ইসলাম বলেন, ‘বেলা ২টা ৪০ মিনিটের দিকে হালিমাকে হাসপাতালে আনা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।’

    শিবগঞ্জ থানার ওসি মতিউর রহমান বলেন, ‘এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার পর বিষপানে ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’

    কুষ্টিয়ায় একজনের মৃত্যু

    কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে তানিয়া জাহান (১৬) নামে এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। সোমবার রাতে উপজেলার বাহাদুরপুর কুচিয়ামোড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তানিয়া জাহান কুচিয়ামোড়া গ্রামের আজাহারুল ইসলামের মেয়ে। সে বাহাদুরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

    পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয় তানিয়া। ফল প্রকাশের পর হতাশ হয়ে রাতে নিজ ঘরে ওড়না দিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসককে খবর দিলে ওই শিক্ষার্থীকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

    ভেড়ামারা থানার ওসি মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান বলেন, ‘লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।’

    চট্টগ্রামে একজনের মৃত্যু

    চট্টগ্রামে এসএসসিতে অকৃতকার্য হয়ে আদনানুজ্জামান নিহাল (১৯) নামে এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। মঙ্গলবার সকালে নগরের বাকলিয়া থানার কালামিয়া বাজার এলাকার নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।

    আদনানুজ্জামান নিহাল পূর্ব বাকলিয়া সিটি করপোরেশন বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেয়। সে কালামিয়া বাজার এলাকার মো. আনিসুজ্জামানের ছেলে। সোমবার ফল প্রকাশের পর পাঁচ বিষয়ে অকৃতকার্য হয়। এরপর পরিবারের সদস্যদের অগোচরে নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দেয়।

    বাকলিয়া থানার ওসি মো. জাহেদুল কবির বলেন, ‘বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ওই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় ওই ছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে স্বজনরা জানিয়েছেন। আমরাও বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।’

    শেরপুরে একজনের মৃত্যু

    শেরপুরের নকলায় এসএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় নিজ ঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে দিয়ামনি অন্তি (১৬) নামে এক পরীক্ষার্থী। সোমবার রাতে উপজেলার চন্দ্রকোণা ইউনিয়নের চরবাছুর আলগী গ্রামের সরকার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

    দিয়ামনি চন্দ্রকোনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। সে চরবাছুর আলগী গ্রামের দুলাল মিয়া মেয়ে। তিন মেয়ের মধ্যে সবার ছোট অন্তিকে হারিয়ে শোকে স্তব্ধ তার পরিবার।

    পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোমবার এসএসসির ফল প্রকাশিত হলে অকৃতকার্য হওয়ায় সারাদিন মন খারাপ করে ঘরে বসেছিল। রাতে ঘরের আড়ায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। রাত ৩টার দিকে বাবা-মা ওই ঘরে গেলে ঝুলে থাকা অন্তির লাশ দেখতে পান। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তারা।

    নকলা থানার ওসি রিপন চন্দ্র গোপ বলেন, ‘এসএসসি পরীক্ষায় চার বিষয়ে অকৃতকার্য হয় অন্তি। পরিবার জানিয়েছে লজ্জা ও ক্ষোভে আত্মহত্যা করেছে। লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

    গোপালগঞ্জে একজনের মৃত্যু

    গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পর অভি বিশ্বাস (১৭) নামের এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। সোমবার দুপুরে কাশালিয়া ইউনিয়নের বেদগ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    অভি বিশ্বাস উপজেলার কাশালিয়া ইউনিয়নের বেদগ্রামের গোপাল বিশ্বাসের ছেলে। সে বেদগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর মানবিক বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।

    পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর অভি জানতে পারে, সে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। এরপর সে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে নিজ ঘরে আত্মহত্যা করে। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করেন।

    মুকসুদপুর থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, খবর পেয়ে মুকসুদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    চাঁদপুরে একজনের মৃত্যু

    চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল শুনেই মৃত্যু হয়েছে চেড়িয়ারা স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী শামীমা আক্তার মুন্নির। সে এসএসসি পরীক্ষায় দুই বিষয় অকৃতকার্য হয়েছে। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    মুন্নির মৃত্যু নিয়ে এলাকায় নানামুখী গুঞ্জন রয়েছে- অনেকেই জানান ফলাফল মেনে নিতে না পেরে মুন্নি আত্মহত্যা করেছে; তবে পরিবারের দাবি স্ট্রোক করে মৃত্যু হয়েছে।

    মৃত শামীমা আক্তার মুন্নি চেড়িয়ারা ষষ্ঠী বাড়ির শামীম হোসেনের মেয়ে। তার চাচা ইকবাল হোসেন জানান, ঘটনার সময় বাসায় কেউ ছিল না। মুন্নি অসুস্থ হলে আমরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    চেড়িয়ারা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ নাজির আহমেদ জানান, মুন্নি এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় মানবিক শাখা থেকে অংশ নিয়ে দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা খাতুন বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। এটি দুঃখজনক। তবে কোনও শিক্ষার্থীকে এ ধরনের পদক্ষেপ না নিয়ে লেখাপড়ার প্রতি মনোযোগী হওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।

  • একাদশে ভর্তি আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর

    একাদশে ভর্তি আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর

    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে এবারও পরীক্ষা নেই। ফলাফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে। আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে। ১০ নভেম্বরে মধ্যে ভর্তির কার্যক্রম শেষ করে আগামী ১২ নভেম্বর একাদশ শ্রেণিতে ক্লাশ শুরু হবে।

    কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ এবং মেধা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, খসড়া সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন গ্রহণের সময় রাখা হয়েছে। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) সেটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। যদি সেটি ঠিক থাকে, তাহলে সে অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু হবে।

    সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে (কলেজ ও মাদ্রাসা) ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। গতবার ভর্তি হয়েছিল মোট আসনের ৫৮ দশমিক ৭ শতাংশ। অর্থাৎ খালি ছিল ৪১ দশমিক ৩ শতাংশ। এ বছর পাশের হার আরও কমেছে। ফলে আসনসংখ্যা আরও বেশি শূন্য থাকবে।

    তবে মোট আসন খালি থাকলেও জিপিএ-৫ পেয়েও অনেকে তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে না। কারণ, তুলনামূলক ভালো প্রতিষ্ঠানে আসন কম। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন।

    গত কয়েক বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলা ফলের ভিত্তিতেই একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে শুধু কলেজ ও মাদ্রাসায় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি পৃথক প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়। ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদ্রাসায় এই পদ্ধতিতেই একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়।

    বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে।

  • ৩১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি

    ৩১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। সারা দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। অথচ নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এবার গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।

    সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

    এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। সামগ্রিক ফলাফলে পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ হলেও ৩১২টি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল হয়েছে শূন্য। অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই ন্যূনতম পাস নম্বর অর্জন করতে পারেনি।

    চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার্থী ছিল।

    ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর পরীক্ষায় মোট পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১.৬৩, কুমিল্লা বোর্ডে ৬৫.৪২, রাজশাহী বোর্ডে পাশের হার ৬৩.৬৭ , যশোর বোর্ডে ৬৬. ২৭, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫৯.৪৮, সিলেট বোর্ডে ৫৮.৬৩, দিনাজপুর বোর্ডে ৫৮.৫, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫৭.৩৯।

  • এসএসসি ও সমমানের ফল সকাল ১০টায়, পরীক্ষার্থীরা পাবে যেভাবে

    এসএসসি ও সমমানের ফল সকাল ১০টায়, পরীক্ষার্থীরা পাবে যেভাবে

    শিক্ষা ডেস্ক:

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আজ সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় প্রকাশ করা হবে। এ আয়োজনের উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    ফল প্রকাশ উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। একই সময়ে অনলাইন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ফোনের এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফল উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে নিজ নিজ বোর্ডের পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করবেন।

    বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, সোমবার সকাল ১০টায় একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে নিজ নিজ বোর্ডের ফল পাওয়া যাবে।

    এছাড়া অভিন্ন দুটি ওয়েবসাইট— eduboardresult.gov.bd ও educationboardresults.gov.bd থেকেও ফলাফল জানা যাবে। পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফল সংগ্রহ করতে পারবেন।

    মুঠোফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানার সুযোগ থাকছে। এ জন্য মেসেজ অপশনে গিয়ে ‘SSC’ লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর এবং আরেকটি স্পেস দিয়ে পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের এসএমএসের ফরম্যাট হবে ‘SSC DHA ROLL YEAR’। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষার্থীদের জন্য ‘SSC MAD ROLL YEAR’ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের ‘SSC TEC ROLL YEAR’ লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। প্রতিটি এসএমএসের জন্য ১ টাকা ৩৯ পয়সা চার্জ দিতে হবে। এ চার্জের মধ্যে সব ধরনের কর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছেন। এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন।

    অন্যদিকে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় ফরম পূরণ করেছেন ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।

    এদিকে ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আগামীকাল ১১ আগস্ট থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির শনিবারের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফল প্রকাশের পর ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন নেওয়া হবে। আবেদন প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

    শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রকাশিত ফল সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করতে হবে। প্রতিষ্ঠানগুলো ওয়েবসাইটের ‘Result’ কর্নারে গিয়ে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ‘ইআইআইএন’ ব্যবহার করে ফল ডাউনলোড করে প্রকাশ করতে পারবে।

    এ ছাড়া পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর কমন ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফল সংগ্রহ করতে পারবেন। এসএমএসের মাধ্যমেও ১৬১৪০ অথবা ১৬২২২ নম্বরে ফল জানা যাবে।

  • কাল এসএসসি ফল প্রকাশ, রেজাল্ট জানবেন যেভাবে

    কাল এসএসসি ফল প্রকাশ, রেজাল্ট জানবেন যেভাবে

    শিক্ষা ডেস্ক:

    চলতি বছরের এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ১০ আগস্ট সোমবার প্রকাশ করা হবে। ফল প্রকাশের পর পরীক্ষার্থীরা তিনটি পদ্ধতিতে নিজেদের ফল জানতে পারবেন। শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট, মোবাইলের এসএমএস এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিটের মাধ্যমে ফল দেখার সুযোগ থাকবে।

    বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    ওয়েবসাইটে ফল দেখার নিয়ম

    প্রথমে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট educationboardresults.gov.bd-এ প্রবেশ করতে হবে। এরপর পরীক্ষার ধরন হিসেবে SSC/Dakhil নির্বাচন করে পরীক্ষার বছর দিতে হবে। পরে সংশ্লিষ্ট বোর্ড, রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখে ক্যাপচা পূরণ করতে হবে। সবশেষে Submit-এ ক্লিক করলে ফলাফল দেখা যাবে।

    এসএমএসে এসএসসি ফল

    মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর রোল নম্বর ও পরীক্ষার বছর লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।

    উদাহরণ:
    SSC jas 123456 2026

    কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরতি এসএমএসে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

    দাখিল পরীক্ষার্থীদের জন্য ফল জানতে আগে প্রিরেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে Dakhil লিখে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর, রোল নম্বর ও বছর উল্লেখ করে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।

    উদাহরণ:
    Dakhil MAD 123456 2026

    ফল প্রকাশের পর প্রিরেজিস্ট্রেশন করা মোবাইল নম্বরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফল পাঠানো হবে।

    কারিগরি শিক্ষার্থীরা এসএমএসে SSC লিখে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর, রোল নম্বর ও বছর দিয়ে 16222 নম্বরে পাঠালে ফল জানতে পারবেন।

    উদাহরণ:
    SSC TEC 123456 2026

    প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফল দেখার পদ্ধতি

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পূর্ণাঙ্গ রেজাল্ট শিট পেতে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজাল্ট কর্নারে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর দিতে হবে। এরপর প্রতিষ্ঠানটির ফলাফলের তালিকা ডাউনলোড করা যাবে।

    ফলে ১০ আগস্ট ফল প্রকাশের পর পরীক্ষার্থীরা নিজেদের সুবিধা অনুযায়ী ওয়েবসাইট, এসএমএস কিংবা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিটের মাধ্যমে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষার ফল সংগ্রহ করতে পারবেন।

  • এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু ১১ আগস্ট

    এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু ১১ আগস্ট

    শিক্ষা ডেস্ক:

    চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবে আগামী সোমবার (১০ আগস্ট)। ফল প্রকাশের পর কোনো পরীক্ষার্থী অসন্তুষ্ট বা খারাপ ফল করলে তা চ্যালেঞ্জের সুযোগ রয়েছে।

    আর এজন্য ফল প্রকাশের পরদিন; অর্থাৎ ১১ আগস্ট থেকে ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু হবে। অনলাইনের মাধ্যমে এই আবেদন করা যাবে আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত।

    শনিবার (৮ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

    এতে বলা হয়, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ এর ফল প্রকাশের পর পুনর্নিরীক্ষণের জন্য ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন নেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে আবেদন প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানা যাবে।

    আগামী সোমবার (১০ আগস্ট) আনুষ্ঠানিকভাবে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। পরীক্ষার্থীরা এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন। পাশাপাশি সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটেও ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

    গত ২১ এপ্রিল থেকে দেশজুড়ে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। যা শেষ হয় ২০ মে। এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ছাত্র ও ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী।

  • ১০ আগস্টই এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

    ১০ আগস্টই এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে।

    এ ছাড়া আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার ব্যবস্থা থাকছে না। লটারির মাধ্যমে প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। এ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম লটারির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে।

    তবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অন্যান্য সব শ্রেণিতে আগের মতোই ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

  • ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১২ ডিসেম্বর

    ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১২ ডিসেম্বর

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের পরীক্ষা আগামী ১৯ ডিসেম্বর শনিবার, বিজ্ঞানের ১২ ডিসেম্বর শনিবার, ‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের পরীক্ষা ২৬ ডিসেম্বর শনিবার, চারুকলা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান ও অঙ্কন) আগামী ২২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার এবং ‘আইবিএ ইউনিট’-এর ভর্তি পরীক্ষা ৫ ডিসেম্বর শনিবার অনুষ্ঠিত হবে।রোববার (২ আগস্ট) ঢাবির নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সভায় সভাপতিত্ব করেন।

    আইবিএ ইউনিট’ ছাড়া সব ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সকাল ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে বারোটা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। আইবিএ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। ‘চারুকলা ইউনিট’ এবং ‘আইবিএ ইউনিট’ ব্যতীত অন্য ৩টি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ঢাকাসহ ৮টি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম আগামী ১১ নভেম্বর দুপুর ১২টায় শুরু হবে। ২৫ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হবে।

    সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ৫টি ইউনিটের মাধ্যমে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিটগুলো হচ্ছে- ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট’, ‘বিজ্ঞান ইউনিট’, ‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট’, ‘চারুকলা ইউনিট’ এবং ‘আইবিএ ইউনিট’।

    বিভাগীয় কেন্দ্রগুলো হচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

    সভায় চারুকলা ইউনিট এবং আইবিএ ইউনিট ছাড়া অন্যান্য ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৬০ নম্বরের MCQ এবং ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। চারুকলা ইউনিটের পরীক্ষায় ৪০ নম্বরের MCQ এবং ৬০ নম্বরের অঙ্কন পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আইবিএ ইউনিটের পরীক্ষায় ৭০ নম্বরের MCQ এবং ৩০ নম্বরের বর্ণনামূলক পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। চারুকলা ইউনিটের MCQ পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট এবং অঙ্কন/লিখিত পরীক্ষার জন্য ৬০ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আইবিএ ইউনিটের MCQ পরীক্ষার জন্য ৯০ মিনিট এবং বর্ণনামূলক পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

    অন্যান্য ইউনিটের MCQ পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় মোট ১২০ নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে। এরমধ্যে ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ এবং মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার ফলের ওপর থাকবে ২০ নম্বর।

    ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীদের ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে ২০২১ থেকে ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত মাধ্যমিক/সমমান এবং ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

    পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ‘বিজ্ঞান ইউনিট’-এর জন্য মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.৫ থাকতে হবে। তবে উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের মানবিক ও বাণিজ্য শাখার শিক্ষার্থীরাও এই ইউনিটে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৭.৫ এবং আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.০ থাকতে হবে।

    ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট’-এর জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৭.৫ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.০ থাকতে হবে। তবে উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান ও বাণিজ্য শাখার শিক্ষার্থীরাও এই ইউনিটে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল বিজ্ঞান শাখার জন্য ন্যূনতম ৮.০, আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.৫ এবং বাণিজ্য শাখার জন্য ন্যূনতম ৭.৫, আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.০ থাকতে হবে।

    ‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট’-এর জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৭.৫ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.০ থাকতে হবে। তবে উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান ও মানবিক শাখার শিক্ষার্থীরাও এই ইউনিটে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল বিজ্ঞান শাখার জন্য ন্যূনতম ৮.০, আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.৫ এবং মানবিক শাখার জন্য ন্যূনতম ৭.৫, আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.০ থাকতে হবে।

    ‘চারুকলা ইউনিট’-এর জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৬.৫ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.০ থাকতে হবে।

    সভায় ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষায় বিজ্ঞান ইউনিটের ক্ষেত্রে ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষার্থীদের কারিকুলাম অনুযায়ী আলাদা প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।সভায় ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ক্লাস ২০২৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ মার্চ শুরুর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

  • ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা বিভাগীয় শহরে, আবেদন শুরু ১১ নভেম্বর

    ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা বিভাগীয় শহরে, আবেদন শুরু ১১ নভেম্বর

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম আগামী ১১ নভেম্বর দুপুর ১২টায় শুরু হবে। ২৫ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হবে।

    রোববার (২ আগস্ট) ঢাবির নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সভায় সভাপতিত্ব করেন।সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ৫টি ইউনিটের মাধ্যমে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিটগুলো হচ্ছে- ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট’, ‘বিজ্ঞান ইউনিট’, ‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট’, ‘চারুকলা ইউনিট’ এবং ‘আইবিএ ইউনিট’।

    সভায় ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। সময়সূচি অনুযায়ী ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট’-এর ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৯ ডিসেম্বর শনিবার, ‘বিজ্ঞান ইউনিট’-এর ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১২ ডিসেম্বর শনিবার, ‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট’-এর ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২৬ ডিসেম্বর শনিবার, ‘চারুকলা ইউনিট’-এর ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান ও অঙ্কন) আগামী ২২ ডিসেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার এবং ‘আইবিএ ইউনিট’-এর ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৫ ডিসেম্বর শনিবার অনুষ্ঠিত হবে। ‘আইবিএ ইউনিট’ ছাড়া সকল ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সকাল ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে বারোটা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। ‘আইবিএ ইউনিট’-এর ভর্তি পরীক্ষা সকাল ১০:০০টা থেকে দুপুর ১২:০০ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। ‘চারুকলা ইউনিট’ এবং ‘আইবিএ ইউনিট’ ব্যতীত অন্য ৩টি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ঢাকাসহ ৮টি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে। বিভাগীয় কেন্দ্রসমূহ হচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

    সভায় চারুকলা ইউনিট এবং আইবিএ ইউনিট ছাড়া অন্যান্য ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৬০ নম্বরের MCQ এবং ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। চারুকলা ইউনিটের পরীক্ষায় ৪০ নম্বরের MCQ এবং ৬০ নম্বরের অঙ্কন পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আইবিএ ইউনিটের পরীক্ষায় ৭০ নম্বরের MCQ এবং ৩০ নম্বরের বর্ণনামূলক পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। চারুকলা ইউনিটের MCQ পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট এবং অঙ্কন/লিখিত পরীক্ষার জন্য ৬০ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আইবিএ ইউনিটের MCQ পরীক্ষার জন্য ৯০ মিনিট এবং বর্ণনামূলক পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

    অন্যান্য ইউনিটের MCQ পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় মোট ১২০ নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে। এরমধ্যে ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ এবং মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার ফলাফলের উপর থাকবে ২০ নম্বর।

    ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীদের ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে ২০২১ থেকে ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত মাধ্যমিক/সমমান এবং ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

    পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ‘বিজ্ঞান ইউনিট’-এর জন্য মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.৫ থাকতে হবে। তবে উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের মানবিক ও বাণিজ্য শাখার শিক্ষার্থীরাও এই ইউনিটে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৭.৫ এবং আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.০ থাকতে হবে।

    ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট’-এর জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৭.৫ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.০ থাকতে হবে। তবে উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান ও বাণিজ্য শাখার শিক্ষার্থীরাও এই ইউনিটে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল বিজ্ঞান শাখার জন্য ন্যূনতম ৮.০, আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.৫ এবং বাণিজ্য শাখার জন্য ন্যূনতম ৭.৫, আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.০ থাকতে হবে।

    ‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট’-এর জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৭.৫ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.০ থাকতে হবে। তবে উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান ও মানবিক শাখার শিক্ষার্থীরাও এই ইউনিটে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল বিজ্ঞান শাখার জন্য ন্যূনতম ৮.০, আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.৫ এবং মানবিক শাখার জন্য ন্যূনতম ৭.৫, আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.০ থাকতে হবে।

    ‘চারুকলা ইউনিট’-এর জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৬.৫ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.০ থাকতে হবে।

    সভায় ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষায় বিজ্ঞান ইউনিটের ক্ষেত্রে ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষার্থীদের কারিকুলাম অনুযায়ী আলাদা প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    সভায় ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ক্লাস ২০২৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ মার্চ শুরুর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

  • ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা মানবণ্টন প্রকাশ

    ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা মানবণ্টন প্রকাশ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। চারুকলা ইউনিট এবং আইবিএ ইউনিট ছাড়া অন্যান্য ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৬০ নম্বরের MCQ এবং ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। চারুকলা ইউনিটের পরীক্ষায় ৪০ নম্বরের MCQ এবং ৬০ নম্বরের অঙ্কন পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আইবিএ ইউনিটের পরীক্ষায় ৭০ নম্বরের MCQ এবং ৩০ নম্বরের বর্ণনামূলক পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। চারুকলা ইউনিটের MCQ পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট এবং অঙ্কন/লিখিত পরীক্ষার জন্য ৬০ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আইবিএ ইউনিটের MCQ পরীক্ষার জন্য ৯০ মিনিট এবং বর্ণনামূলক পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

    অন্যান্য ইউনিটের MCQ পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় মোট ১২০ নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে। এরমধ্যে ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ এবং মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার ফলের ওপর থাকবে ২০ নম্বর।

    রোববার (২ আগস্ট) ঢাবির নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সভায় সভাপতিত্ব করেন।

    কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের পরীক্ষা আগামী ১৯ ডিসেম্বর শনিবার, বিজ্ঞানের ১২ ডিসেম্বর শনিবার, ‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের পরীক্ষা ২৬ ডিসেম্বর শনিবার, চারুকলা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান ও অঙ্কন) আগামী ২২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার এবং ‘আইবিএ ইউনিট’-এর ভর্তি পরীক্ষা ৫ ডিসেম্বর শনিবার অনুষ্ঠিত হবে।

    আইবিএ ইউনিট’ ছাড়া সব ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সকাল ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে বারোটা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। আইবিএ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। ‘চারুকলা ইউনিট’ এবং ‘আইবিএ ইউনিট’ ব্যতীত অন্য ৩টি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ঢাকাসহ ৮টি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম আগামী ১১ নভেম্বর দুপুর ১২টায় শুরু হয়ে চলবে ২৫ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

    সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ৫টি ইউনিটের মাধ্যমে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিটগুলো হচ্ছে- ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট’, ‘বিজ্ঞান ইউনিট’, ‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট’, ‘চারুকলা ইউনিট’ এবং ‘আইবিএ ইউনিট’।

    বিভাগীয় কেন্দ্রগুলো হচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

    ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীদের ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে ২০২১ থেকে ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত মাধ্যমিক/সমমান এবং ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

    পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ‘বিজ্ঞান ইউনিট’-এর জন্য মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.৫ থাকতে হবে। তবে উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের মানবিক ও বাণিজ্য শাখার শিক্ষার্থীরাও এই ইউনিটে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৭.৫ এবং আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.০ থাকতে হবে।

    ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট’-এর জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৭.৫ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.০ থাকতে হবে। তবে উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান ও বাণিজ্য শাখার শিক্ষার্থীরাও এই ইউনিটে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল বিজ্ঞান শাখার জন্য ন্যূনতম ৮.০, আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.৫ এবং বাণিজ্য শাখার জন্য ন্যূনতম ৭.৫, আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.০ থাকতে হবে।

    ‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট’-এর জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৭.৫ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.০ থাকতে হবে। তবে উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান ও মানবিক শাখার শিক্ষার্থীরাও এই ইউনিটে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল বিজ্ঞান শাখার জন্য ন্যূনতম ৮.০, আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.৫ এবং মানবিক শাখার জন্য ন্যূনতম ৭.৫, আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.০ থাকতে হবে।

    ‘চারুকলা ইউনিট’-এর জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৬.৫ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.০ থাকতে হবে।

    সভায় ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষায় বিজ্ঞান ইউনিটের ক্ষেত্রে ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষার্থীদের কারিকুলাম অনুযায়ী আলাদা প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    সভায় ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ক্লাস ২০২৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ মার্চ শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

  • সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে চয়েস ফরম ১ আগস্ট পর্যন্ত

    সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে চয়েস ফরম ১ আগস্ট পর্যন্ত

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংযুক্ত কলেজগুলোতে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ অনার্সের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ১ আগস্ট রাত ১১:৫৯ টা পর্যন্ত অনলাইনে চয়েস ফরম পূরণ করতে পারবেন। কলা ও সমাজবিজ্ঞান, বিজ্ঞান এবং ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে বিষয়, কলেজের নাম ও কোটা-সংক্রান্ত তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) পূরণ করতে পারবে। ভর্তির ফি জমা ও নিশ্চয়নের সময় ৪ আগস্ট থেকে ১২ আগস্ট রাত ১১ টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

    বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দৈনিক শিক্ষাডটকমকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    এছাড়া জানানো হয়েছে, প্রথম মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ১৪ আগস্ট রাত ১০টায়। প্রথম মাইগ্রেশনে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ১৫ আগস্ট থেকে ১৯ আগস্ট রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ভর্তি ফি পরিশোধ, ভর্তি নিশ্চয়ন এবং বিষয় পছন্দ (চয়েস) পরিবর্তনের সুযোগ পাবেন।

    দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ২০ আগস্ট রাত ১০টায়। এ ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ২১ আগস্ট থেকে ২৩ আগস্ট রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ভর্তি ফি পরিশোধ, ভর্তি নিশ্চয়ন এবং বিষয় পছন্দ পরিবর্তন করতে পারবেন।

    বিষয় ও কলেজ উল্লেখ করে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ২৫ আগস্ট রাত ১০টায়। আর নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ সেপ্টেম্বর।

    বিশেষ নির্দেশাবলি:

    ১। অনলাইনে বিষয় চয়েস প্রদান: https://dcuadmission.org ওয়েবসাইটের মাধ্যমে চয়েস ফরম পূরণ করতে হবে।

    ২। ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে প্রদত্ত চয়েস তাদের মনোনীত বিষয় ও কলেজের নাম পছন্দক্রম অনুযায়ী প্রদান করবে।

    ৩। বিষয় ও কলেজের নামসহ তালিকা প্রকাশ করার পর ভর্তিচ্ছুদের সোনালী বিল পেমেন্ট সিস্টেম এর মাধ্যমে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে অনলাইনে ভর্তি ফি বাবদ ৬ হাজার ৫০০ টাকা জমা দিয়ে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে।

    ৪। যেসব শিক্ষার্থী নিশ্চায়ন করেছে তারা অটো মাইগ্রেশন চালু বা বন্ধ রাখতে পারবে। অটো মাইগ্রেশন চালু রাখলে আসন খালি থাকলে স্বয়ংক্রিয় ভাবে তারা আর ভাল পছন্দের কলেজ বা বিষয় এ সুযোগ পাবে।

    ৫। যেসব শিক্ষার্থী নিশ্চায়ন করেনি তারা ভর্তির জন্য আর বিবেচিত হবে না। বাকি সব উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে প্রদত্ত চয়েস (পছন্দ ক্রম) পরিবর্তন করতে পারবে।

    ৬। কোটায় ভর্তিচ্ছুদের অনলাইনে বিষয় পছন্দক্রম পূরণের সময় কোটা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য (কোটার যোগ্যতার স্বপক্ষে প্রমাণপত্র আপলোড করে) দিতে হবে। পরবর্তীতে এ বিষয়ে নতুন করে কোনো তথ্য অন্তর্ভুক্ত করলে তা গ্রহণ করা হবে না। শিক্ষার্থী অনলাইনে যে কোটার ঘর পূরণ করবে তাকে সে কোটার যোগ্যতার স্বপক্ষে প্রমাণপত্র, ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র, পূরণকৃত চয়েস ফরম এর প্রিন্ট কপি সংশ্লিষ্ট কলেজে ভর্তির সময় জমা দিতে হবে।

    ৭। ভর্তি নির্দেশিকায় উল্লিখিত ভর্তি সংক্রান্ত নিয়মাবলি অনুসরণ করতে হবে।

    ৮। ভর্তি সংক্রান্ত নিয়ম-নীতির পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন ও সংযোজনের অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

    ৯। সংযুক্ত কলেজগুলো ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের তথ্য ২৫ আগস্ট রাত ১০টা থেকে অনলাইনে ডাউনলোড করতে পারবে।

    ১০। ভর্তির জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের ভর্তি ফরম পূরণ করে পে স্লিপসহ প্রয়োজনীয় কাগজ সংশ্লিষ্ট কলেজের অফিসে ২৬ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত জমা দিতে হবে: (ক) মূল নম্বরপত্র ও নম্বরপত্রের সত্যায়িত কপি

    (খ) প্রার্থী সর্বশেষ যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে উত্তীর্ণ হয়েছে সে প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত প্রশংসাপত্র

    (গ) এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের ফটোকপি

    (ঘ) এসএসসি রেজিস্ট্রেশন কার্ডের ফটোকপি এবং ৫ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।

  • এসএসসির ফল প্রকাশ হচ্ছে না ২০ জুলাই

    এসএসসির ফল প্রকাশ হচ্ছে না ২০ জুলাই

    শিক্ষা ডেস্ক:

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের অপেক্ষায় রয়েছেন লাখ-লাখ শিক্ষার্থী। শিগগির ফল প্রকাশ করা হবে। ফল প্রকাশের প্রস্তুতি নিতে আরো এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। সে অনুযায়ী ফল প্রকাশের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

    শনিবার (১৮ জুলাই) আন্ত:শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির কর্মকর্তারা দৈনিক শিক্ষাডটকমকে এ তথ্য জানিয়েছে।

    আন্ত:শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান দৈনিক শিক্ষাডটকমকে বলেন, আমাদের প্রস্তুতি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে শেষ করা হবে। এরপরই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পেলেই এ ফল প্রকাশ করা হবে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কাজ করবো। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই যাবতীয় আয়োজন শেষ করবো বোর্ডের পক্ষ থেকে।

    চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা চলে ২০ মে পর্যন্ত।এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩১৮, মাদরাসা বোর্ডে (দাখিল) ৩ লাখ ৩ হাজার ২৮৬ এবং কারিগরি বোর্ডে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।

  • প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ পেছাল, হতে পারে ১২ জুলাই

    প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ পেছাল, হতে পারে ১২ জুলাই

    শিক্ষা ডেস্ক:

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষার ফল বৃহস্পতিবার প্রকাশের কথা থাকলেও সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফল পুরোপুরি প্রস্তুত না হওয়া এবং কারিগরি কিছু জটিলতার কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বড় ধরনের কোনো জটিলতা না থাকলে আগামী রোববার (১২ জুলাই) বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে।

    এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী বলেন, ‘আজ বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হচ্ছে না। আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকে ফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে। দিনক্ষণ চূড়ান্ত হলে মন্ত্রণালয় থেকে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।’

  • এইচএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৪ হাজার ৭৮৪ পরীক্ষার্থী

    এইচএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৪ হাজার ৭৮৪ পরীক্ষার্থী

    শিক্ষা ডেস্ক:

    চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রথম দিনের পরীক্ষায় ১১ শিক্ষাবোর্ডের ২৪ হাজার ৭৮৪ জন অনুপস্থিত ছিলেন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি অনুপস্থিতি দেখা গেছে মাদ্রাসা বোর্ডে।

    এদিন নকলসহ বিভিন্ন কারণে ৭ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে কোনো শিক্ষক বহিস্কারের ঘটনা ঘটেনি।

    বৃহস্পতিবার সাধারণ ও কারিগরি বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র এবং কুরআন মাজিদ বিষয়ের মধ্যদিয়ে শুরু হয়েছে পরীক্ষা পর্ব। সারাদেশে ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে দেশের ৯ হাজার ৪৩৯টি প্রতিষ্ঠানের মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। গত বারের তুলনায় যা ২২ হাজার ৭৬৬ জন বেশি।

    আন্ত:শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে পাঠানো পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রথমদিনে সাধারণ ৯টি শিক্ষাবোর্ডের মোট ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ১৭ হাজার ২৩৩ জন (২ দশমিক শূন্য এক শতাংশ)। আর কুমিল্লা, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ বোর্ডে একজন করে ও যশোর বোর্ডে ২ জনসহ মোট ৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    অন্যদিকে মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের ৮৫ হাজার ১৩১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন চার হাজার ৪৭৮ জন (৫ দশমিক ২৬ শতাংশ)। এই বোর্ডের একজন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আর কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের ৮৩ হাজার ৬৭৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন তিন হাজার ৭৩ জন (৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ)। এই বোর্ডেও একজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কার হয়েছেন।

    সূত্রমতে, এবার দেশের সাধারণ সব শিক্ষাবোর্ডে একই প্রশ্নপত্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা। আগামী ৮ আগস্ট পর্যন্ত লিখিত পরীক্ষা চলবে; আর ১৫ আগস্টের মধ্যে শেষ হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

  • এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু

    এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় এ পরীক্ষা শুরু হয়।

    এবার দেশের সাধারণ সব শিক্ষা বোর্ডে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এইচএসসির লিখিত পরীক্ষা চলবে ৮ আগস্ট পর্যন্ত। ১৫ আগস্টের মধ্যে শেষ হবে ব্যাবহারিক পরীক্ষা।

    দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবার এইচএসসি পরীক্ষায় সারা দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি প্রতিষ্ঠানের মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন, গতবারের তুলনায় যা ২২ হাজার ৭৬৬ জন বেশি।

    সাধারণ ৯ শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন। এছাড়া মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে দুই লাখ ৮৬৯ পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ৯২ হাজার ৯০৫ জন। সাধারণ ৯ শিক্ষা বোর্ডে ছাত্রী এবং কারিগরি ও মাদরাসা বোর্ডে ছাত্রের সংখ্যা বেশি।আজ সাধারণ ও কারিগরি বোর্ডে বাংলা এবং মাদরাসা বোর্ডে কুরআন মাজিদ বিষয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে পরীক্ষা পর্ব। এবার দুই হাজার ৬৯৭ কেন্দ্রের মধ্যে ১৪৫টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার ৪০টিই ঢাকায়। এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু করতে প্রশ্নপ্রত্র বিতরণ, খাতা সংরক্ষণ, ক্যালকুলেটরের ব্যবহার, শৌচাগার তল্লাশিসহ ৩৫টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। যদি প্রশ্নফাঁসের মতো ঘটনা ঘটে, তাহলে সারা দেশে সেদিনের পরীক্ষা স্থগিত করে পরে নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

    এদিকে গতকাল বুধবার সচিবালয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন জানান, কোনো পরীক্ষা কেন্দ্রে নকল ধরা পড়লে শুধু পরীক্ষার্থী নয়, ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ২০২৮ সাল থেকে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হচ্ছে।

    শিক্ষাক্রমের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমাদের শিক্ষাক্রমকে এমনভাবে পরিবর্তন করছি, যেখা

    নে পুঁথিগত বিদ্যার পাশাপাশি সংস্কৃতি ও ক্রীড়াকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। সহশিক্ষা কার্যক্রমকে শিক্ষায় আনতে চাইছি।

    সংবাদ সম্মেলনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক।

  • এইচএসসি পরীক্ষার প্রতিটি কক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

    এইচএসসি পরীক্ষার প্রতিটি কক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

    আসন্ন উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুশৃঙ্খল ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে প্রতিটি পরীক্ষার কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    আজ শনিবার রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোর সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে শিক্ষামন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন। রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মিলনায়তনে এই সভার আয়োজন করা হয়।

    সভায় শিক্ষামন্ত্রী আগামী ২ জুলাই শুরু হতে যাওয়া উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনে কেন্দ্রসচিবদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে প্রতিটি পরীক্ষার কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। একই সঙ্গে নকলমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শামীম আরা চৌধুরী। সভায় বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রের সচিবেরাও অংশ নেন।

    সভায় রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শামীম আরা চৌধুরী জানান, এবার রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৮ জেলায় ২০৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় অংশ নেবেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন শিক্ষার্থী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

  • এইচএসসির শনিবারের পরীক্ষা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

    এইচএসসির শনিবারের পরীক্ষা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের এইচএসসির (উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট) শনিবারের পরীক্ষা নিয়ে সব জেলা প্রশাসককে নতুন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সেভেন্থ ডে এভান্টিস্ট সম্প্রদায়ের শনিবারের পরীক্ষা ভিন্ন সূচিতে নেয়ার বিষয়ে তাদেরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

    সোমবার (২২ জুন) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠিটি সব জেলার জেলা প্রশাসককে পাঠানো হয়েছে।

    তে বলা হয়েছে, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় সেভেন্থ ডে এভান্টিস্ট সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষার্থীরা ধর্মীয় বিধি নিষেধের কারণে সময়সূচি অনুযায়ী শনিবার অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষাগুলোতে নির্ধারিত সময়ের পরিবর্তে সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সময়ে পরীক্ষায় অংশ নেবে।

    তবে শর্ত থাকে যে, এ সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষার্থীরা শনিবার সকাল ১০টার আগে পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত হবে ও পরীক্ষা কেন্দ্রের নির্দিষ্ট কক্ষে অবস্থান করবে এবং তাদের জন্য নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষায় অংশ নেবে। পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের পর তাদের সাথে প্রবেশপত্রে বর্ণিত দ্রব্যের বাইরে কিছু থাকবে না। কোন অবস্থাতেই তারা পরীক্ষা কেন্দ্রের নির্দিষ্ট কক্ষের বাইরে যেতে পারবে না এবং বাইরের কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে না।

  • ক্যালকুলেটর-হাতঘড়ি নিয়ে এইচএসসি বোর্ডের নতুন সিদ্ধান্ত

    ক্যালকুলেটর-হাতঘড়ি নিয়ে এইচএসসি বোর্ডের নতুন সিদ্ধান্ত

    শিক্ষো ডেস্ক:

    আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষায় সাধারণ ক্যালকুলেটরসহ নির্ধারিত ৮টি মডেলের সায়েন্টিফিক নন প্রোগ্রামেবল ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। এছাড়াও ব্যবহার করা যাবে নন প্রোগ্রামেবল কাঁটাযুক্ত হাতঘড়ি।

    বুধবার (১৭ জুন) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    নির্ধারিত মডেলগুলো হলো, এফএক্স-৮২এমএস, এফএক্স- ১০০এমএস, এফএক্স-৫৭০এমএস, এফএক্স-৯৯১এমএস, এফএক্স-৯৯১ইএস, এফএক্স-৯৯১ইএক্স, এফএক্স-৯৯১ইএস প্লাস, এফএক্স-৯৯১সিডাব্লিউ। উল্লেখিত মডেলের ক্যালকুলেটর ছাড়াও শিক্ষার্থীরা সাধারণ ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন।

    প্রসঙ্গত, এ বছরের এইচএসসি পরীক্ষা ২ জুলাই শুরু হয়ে শেষ হবে ৮ আগস্ট। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে ১৫ আগস্টের মধ্যে। রুটিন অনুযায়ী, শুরুর দিনে বাংলা প্রথম পত্র (আবশ্যিক) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর ৮ আগস্ট শেষ দিনে ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা – ২য় পত্র, শিশু বিকাশ ২য় পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত দিনে সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলবে। আবার দ্বিতীয় শিফটে বিকেল ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার কক্ষে পরীক্ষার্থীদের আসন গ্রহণ করতে হবে।

  • এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে প্রবেশ নিয়ে নতুন নির্দেশনা

    এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে প্রবেশ নিয়ে নতুন নির্দেশনা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর পরীক্ষার্থীরা সকাল সাড়ে ৮টা থেকে কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন। এ লক্ষ্যে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। কেন্দ্রগুলোর আশপাশের যানজট ও জনদূর্ভোগ কমাতেই এমন সিদ্ধান্ত।

    বুধবার (১৭ জুন) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক চিঠিতে এ বিষয়টি জানানো হয়। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে

    এতে বলা হয়েছে, এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর আশপাশের যানজট ও জনদূর্ভোগ লাঘবের লক্ষ্যে কেবলমাত্র পরীক্ষার্থীদেরকে কেন্দ্রের অভ্যন্তরে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে প্রবেশের ব্যবস্থা নেয়ার জন্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদেরকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। তবে পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশ সংক্রান্ত পূর্বের নির্দেশনা বহাল থাকবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দেশ করা হলো।

    প্রসঙ্গত, এ বছরের এইচএসসি পরীক্ষা ২ জুলাই শুরু হয়ে শেষ হবে ৮ আগস্ট। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে ১৫ আগস্টের মধ্যে। রুটিন অনুযায়ী, শুরুর দিনে বাংলা প্রথম পত্র (আবশ্যিক) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর ৮ আগস্ট শেষ দিনে ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা – ২য় পত্র, শিশু বিকাশ ২য় পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত দিনে সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলবে। আবার দ্বিতীয় শিফটে বিকেল ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার কক্ষে পরীক্ষার্থীদের আসন গ্রহণ করতে হবে।

  • ঘোষিত রুটিন অনুযায়ী হবে এসএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

    ঘোষিত রুটিন অনুযায়ী হবে এসএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে পরামর্শের ঘোষিত রুটিন অনুযায়ী আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। আমরা স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলার পর রোজার আগেই পরীক্ষা শুরু এবং শেষ করার ঘোষণা দিয়েছি। স্টেকহোল্ডারদের কাছ থেকে কোনো বিরোধিতার তথ্য নেই তবে, আপনাদের [সাংবাদিক] কাছ থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর তারিখ নিয়ে একাধিকবার প্রশ্ন শুনেছি। একমাস পেছানোর দাবির কথা শুনেছি। আমাদের মূল লক্ষ্য কোর্স শেষ হওয়ার পরে অহেতুক দেরিতে পরীক্ষা নিয়ে লাখ লাখ শিক্ষার্থীর জীবন থেকে গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট না হয়।

    সোমবার (৮ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণিশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। য

    আরো উপস্থিত ছিলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

    এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, এসএসসি এক্সাম তাদের সিলেবাস শেষ হয়ে যাচ্ছে জুন ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে। আমরা চেয়েছি ২০২৭ এর কোনো একটি সময়, হয় রোজার আগে বা রোজার পরে নেয়ার। আমরা স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলাপ করেছিলাম সেখানে সাজেশন আসছে রোজার আগেই শেষ হয়ে যাক পরীক্ষাটা সেই অর্থে আমরা ৭ জানুয়ারি শুরু করতে চেয়েছিলাম আর ৮ ফেব্রুয়ারি শেষ করতে। বাট ইন দ্য মিনটাইম আপনারা রিঅ্যাক্ট করছেন সেটাও আমরা অবজার্ভ করছি। আমরা চাচ্ছিলাম পরীক্ষাটা হয়ে যাক এবং অনেকেই চাচ্ছেন। অতএব আপাতত আমরা রুটিও দিয়েছি এবং আশাকরছি এটাই রয়েছে এটাই থাকবে যেহেতু স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করেছি।

    তিনি বলেন, পরবর্তীতে যদি আপনারা সবাই মনে করেন এক মাস আগানো পিছানোতে আমাদের কিছু যাবে না, বাট ২০২৭ এসএসসি পরীক্ষাকে বেইজড নিয়ে আগামীদিনের সেশনজট এবং ইউনিভার্সিটিগুলো তাদের টাইমলি কোর্স-কারিকুলাম শেষ করতে হবে। অর্থাৎ থ্রি ইয়ারস কোর্স থ্রি ইয়ারসই হবে আর ফাইভ ইয়ারস কোর্স ফাইভ ইয়ারস হবে কোনো রকম ডিলে ওয়েটিং সেশনজট চলবে না। এট দ্যা সেইম টাইম ইন্টারমিডিয়েড পরীক্ষাও একইভাবে সিম্পটোমাইজ করার চেষ্টা করছি যেনো কোনো রকম সময় নষ্ট না হয়।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট টুয়েন্টি জুলাই আউট করবো সেই নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছি। পরবর্তী এসএসসি পরীক্ষার রুটিন ও সবকিছু আমরা অ্যানাউন্স করেছি।

  • এসএসসির ফল প্রকাশ ২০ জুলাই

    এসএসসির ফল প্রকাশ ২০ জুলাই

    শিক্ষো ডেস্ক:

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    আজ সোমবার ( ৮ জুন) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, নির্ধারিত তারিখে সারাদেশের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীদের ফলাফল প্রকাশ করা হবে।চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে। পরীক্ষা চলে ২০ মে পর্যন্ত। এখন চলছে ব্যবহারিক পরীক্ষা। ব্যবহারিক পরীক্ষা চলবে ১৪ জুন ২০২৬ পর্যন্ত।

    ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় এ বছর পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি।

  • ২০২৭ সালের এসএসসি শুরু ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুন

    ২০২৭ সালের এসএসসি শুরু ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুন

    ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রস্তাব করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। প্রস্তাবিত রুটিন থেকে জানা গেছে, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ৭ জানুয়ারি এবং এইচএসসি শুরু হবে ৬ জুন।

    প্রস্তাবিত এ রুটিনটি অনুমোদনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। যদি মন্ত্রণালয় কোনো সংশোধনী বা পরিবর্তন করে তাহলে সেগুলো সংশোধন করে রুটিন চূড়ান্ত করা হবে। বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডগুলো থেকে যৌথভাবে জারিকৃত দুটি পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি

    প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী, ৭ জানুয়ারি বাংলা (আবশ্যিক) ১ম পত্র এবং সহজ বাংলা-১ম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এই পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু হবে। এসএসসির তত্ত্বীয় বা লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি। এরপর ১১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংগীতসহ অন্যান্য সকল বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    সময়সূচি দেখতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন-

    SSC 2027-20260514154406

    এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি

    ৬ জুন সকালে বাংলা (আবশ্যিক) ১ম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এইচএসসির তত্ত্বীয় বা লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১৩ জুলাই। রুটিন অনুযায়ী, এইচএসসি পরীক্ষা প্রতিদিন দুটি শিফটে অনুষ্ঠিত হবে; সকালের শিফট সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত এবং বিকালের শিফট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে। লিখিত পরীক্ষা শেষে ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে এইচএসসির সকল বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

    সময়সূচি দেখতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন-

    HSC 2027-20260514154407

    শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ তাদের বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে যে, বিশেষ প্রয়োজনে বোর্ড কর্তৃপক্ষ যেকোনো সময় এই সময়সূচি পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে। পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

  • ঢাকা বোর্ডে এসএসসির উত্তরপত্র সংগ্রহে অনীহা

    ঢাকা বোর্ডে এসএসসির উত্তরপত্র সংগ্রহে অনীহা

    পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র সংগ্রহ থেকে মূল্যায়নে সীমাহীন অবহেলা দেখা যায় পরীক্ষকদের মধ্যে। এর খেসারত দিতে হয় পরীক্ষার্থীদের।

    বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা শেষে নির্ধারিত দিনে উত্তরপত্র সংগ্রহ করেননি ২৩৫ জন পরীক্ষক। তাই তাদের আগামীকাল ৫ মে উত্তরপত্র সংগ্রহ করতে বলা হয়। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    সোমবার ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর বাংলা ১ম পত্রের উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য ই-টিআইএফভুক্ত শিক্ষকদের পরীক্ষক হিসেবে বোর্ড থেকে নিয়োগ দেয়া হয়। আজ ৪ মে পরীক্ষার উত্তরপত্র গ্রহণ করার জন্য গত ৩০ এপ্রিল বোর্ড থেকে তাদের মোবাইলে এসএমএস দেয়া হলেও উল্লিখিত পরীক্ষকরা অনুপস্থিত রয়েছেন। ফলে উত্তরপত্র মূল্যায়নে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

    এমন পরিস্থিতি, আপনার প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষকদের আগামী ৫ মে সকাল ১১টার মধ্যে বোর্ডে উপস্থিত হয়ে উত্তরপত্র গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

    এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

    ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ রুটিন প্রকাশ করা হয়।

    রুটিন অনুযায়ী, ২ জুলাই সকাল ১০টায় ‘বাংলা প্রথম পত্র’ (আবশ্যিক) বিষয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে। আর শেষ হবে ৮ আগস্ট ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষার মধ্য দিয়ে। ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে ১৫ আগস্টের মধ্যে।এবারের পরীক্ষা নির্ধারিত দিনে সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলবে।

    আবার দ্বিতীয় শিফটে বিকেল ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত চলবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার কক্ষে পরীক্ষার্থীদের আসন গ্রহণ করতে হবে।পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল, রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।এদিকে ব্যবহারিক বিষয় সংবলিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনি পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২৫ মিনিট এবং ৫০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট।

  • এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর খবর গুজব শিক্ষামন্ত্রী

    এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর খবর গুজব শিক্ষামন্ত্রী

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে অনেক খবর ছড়ানো হচ্ছে। বিষয়টিকে ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    মঙ্গলবার ( ৭ এপ্রিল) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষ্যে বরিশাল অঞ্চলের কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কেউ কেউ ভয়ে এমন গুজব ছড়াচ্ছে। তবে নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এই রুটিন আগের সরকার নির্ধারণ করেছে এবং প্রশ্নপত্রও ইতোমধ্যে মুদ্রণ সম্পন্ন হয়েছে।

    তিনি বলেন, শিক্ষকদের সাত হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বিগত সরকার। এই বিশাল অঙ্কের টাকা আসতে সামনের বাজেট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

    এহছানুল হক মিলন বলেন, বিগত দিনে বিএনপি সরকার এনটিআরসি গঠন করেছিল। কিন্তু বিগত সরকার এটিকে দুর্নীতির আখড়া করে রেখেছিল। বর্তমানে এনটিআরসির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হবে।

  • রাবিতে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু কাল

    রাবিতে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু কাল

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক ও স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন আগামীকাল (২০ নভেম্বর) বেলা ১২টা থেকে শুরু হবে। যা চলবে ৭ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক মো. ছাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, আগামীকাল থেকে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু হবে।

    ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী জানা গেছে, এ বছর ১৬ জানুয়ারি ‘সি’ (বিজ্ঞান) ইউনিট, ১৭ জানুয়ারি ‘এ’ (মানবিক) ইউনিট ও ২৪ জানুয়ারি ‘বি’ (বাণিজ্য) ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১১টা থেকে ১২টা ও বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত দুই শিফটে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর ও বরিশাল অঞ্চলে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।

    আরও জানা যায়, ‘এ’ (মানবিক) ইউনিটে আছে কলা, আইন, সামাজিক বিজ্ঞান ও চারুকলা অনুষদ এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট। ‘বি’ (বাণিজ্য) ইউনিটে আছে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ ও ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট এবং ‘সি’ (বিজ্ঞান) ইউনিটে আছে বিজ্ঞান, কৃষি, প্রকৌশল, জীববিজ্ঞান, ভূ-বিজ্ঞান, ফিশারিজ এবং ভেটেরিনারি এ অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস অনুষদ।

    ২০২৪ ও ২০২৫ সালের এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা যোগ্যতা অনুযায়ী তিন ইউনিটেই আবেদন করতে পারবে। ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থী যে ইউনিটেই আবেদন করুক না কেন সে যে শাখা থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে সেই শাখার জন্য নির্ধারিত যোগ্যতা তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এইচএসসি বা সমমান, ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স, বিএফএ (প্রাক), বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের আওতায় এইচএসসি ভোকেশনাল এবং A লেভেল সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবে।

    আবেদনের যোগ্যতা বিষয়ে বলা হয়েছে, ভর্তির জন্য মানবিক ও বাণিজ্য শাখা থেকে উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় পৃথকভাবে চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ সহ মোট জিপিএ ৭.০০ এবং বিজ্ঞান শাখায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ সহ মোট জিপিএ ৮.০০ থাকতে হবে। ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং পাস শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত জিপিএ ৫.০০ স্কেলে নির্ধারিত হবে। জিসিই O লেভেল পরীক্ষায় ৫টি বিষয়ে এবং A লেভেল পরীক্ষায় অন্তত ২টি বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। উভয় লেভেলে মোট ৭টি বিষয়ের মধ্যে ৪টি বিষয়ে কমপক্ষে Bও ৩টি বিষয়ে কমপক্ষে C গ্রেড পেতে হবে। ইংরেজি প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিতে ইচ্ছুক প্রার্থীকে চূড়ান্ত আবেদন-কালে অবশ্যই ইংরেজি প্রশ্নপত্রের জন্য অতিরিক্ত ফরম পূরণ করতে হবে। এছাড়া ইউনিট/বিভাগ/ইনস্টিটিউট কর্তৃক আরোপিত শর্তও প্রযোজ্য হবে। প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ-সাপেক্ষে আবেদনকারী সকল শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

    আবেদন ফি নিয়ে বলা হয়েছে, ‘এ’ (মানবিক) ইউনিটের আবেদন ফি ১,৩২০ টাকা, ‘বি’ (বাণিজ্য) ইউনিটের আবেদন ফি ১,১০০ টাকা ও ‘সি’ (বিজ্ঞান) ইউনিটের আবেদন ফি ১,৩২০ টাকা। সকল ফি ১০% সার্ভিস চার্জসহ।

    MCQ পদ্ধতিতে ১০০ নম্বরের এক ঘন্টাব্যাপী ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় প্রতি ইউনিটে ৮০টি প্রশ্ন থাকবে। প্রতি চারটি ভুলের জন্য এক নম্বর কাটা যাবে। ভর্তি পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৪০। অনলাইনে প্রদত্ত নির্দেশনা অনুযায়ী কোটায় (মুক্তিযোদ্ধার পুত্র/কন্যা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, শারীরিক প্রতিবন্ধী, খেলোয়াড় ও বিকেএসপি) ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদের আবেদন করতে হবে।

    ভর্তিসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ও প্রযোজ্য শর্ত পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট http://admission.ru.ac.bd থেকে জানা যাবে।
    সূত্র: আমার দেশ

  • স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

    স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

    চলমান এইচএসসি ও সমমান স্থগিত পরীক্ষাগুলোর পরিবর্তিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের মোট চারদিনের স্থগিত পরীক্ষার এ সূচি প্রকাশ করে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী- ২২শে জুলাইয়ের পরীক্ষা ১৭ই আগস্ট এবং ২৪শে জুলাইয়ের পরীক্ষা ১৯শে আগস্ট নেয়া হবে। এছাড়া বন্যা পরিস্থিতির কারণে গত ১০ই জুলাই কুমিল্লা বোর্ডের স্থগিত পরীক্ষাগুলো ১২ই আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। গোপালগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৭ই জুলাই গোপালগঞ্জ জেলায় স্থগিত পরীক্ষা ১৪ই আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা ২১শে আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ৩রা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।