শনিবার গ্রুপ জে-র শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে অস্ট্রিয়া ও আলজেরিয়া। দুই দলই তিন পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে আছে। ড্র করলেও দুটি দলেরই নকআউটে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত। তবু দুই কোচই বলছেন, জয়ের জন্যই মাঠে নামবেন তারা।
ম্যাচ শুরুর আগেই দুই দল জেনে যাবে নকআউটের বাকি ব্র্যাকেট কেমন। গ্রুপ জে-তে দ্বিতীয় হলে মুখোমুখি হতে হবে গ্রুপ এইচ-এর শীর্ষ দলের, যেটি হতে পারে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেন। আর তৃতীয় হলে সামনে পড়বে গ্রুপ বি-র শীর্ষ দল সুইজারল্যান্ড, যাকে তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ বলা যায়। সুইজারল্যান্ডের চেয়ে স্পেন নিশ্চয়ই ধারে-ভারে কঠিন দল, সে কারণে ম্যাচটা জিতলেই বুঝি বেশি কঠিন পরিস্থিতিতে পড়তে হবে দলকে। তাই অনেকেই ভাবছিলেন, দুই দল হয়তো ইচ্ছে করে ড্র খুঁজবে।
কিন্তু অস্ট্রিয়া কোচ রাল্ফ রাংনিক তা সরাসরি নাকচ করলেন। তিনি বললেন, ‘না, একদমই না। ম্যাচ শুরুর পর আমরা পরিস্থিতি বুঝব, কিন্তু সেটা আমাদের খেলাকে প্রভাবিত করবে না। ড্র করলে হয়তো এগিয়ে যাওয়া যাবে, কিন্তু ড্রয়ের জন্য মাঠে নামা যায় না।’
আলজেরিয়া কোচ ভ্লাদিমির পেতকোভিচও একই সুরে বললেন, ‘ফুটবলে কোনো যদি বা কিন্তু নেই। আমাদের সবসময় প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে হয় একই মনোভাব নিয়ে, পারফর্ম করার ইচ্ছা আর জয়ের তীব্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে। ম্যাচের পর কী হবে দেখা যাবে, কিন্তু আগে জেতার চেষ্টা করতে হবে।’
এই ম্যাচটি নিয়ে ১৯৮২ সালের স্মৃতিও উঠে আসছে বারবার। সেবার স্পেনের গিহনে পশ্চিম জার্মানি ও অস্ট্রিয়া এমনভাবে খেলেছিল যে আলজেরিয়া বাদ পড়ে গিয়েছিল। প্রথম গোলের পর দুই দলই যেন চেষ্টা ছেড়ে দিয়েছিল। ইতিহাসে এটি ‘গিহনের কলঙ্ক’ নামে পরিচিত। সেই ঘটনার পরই ফিফা গ্রুপের শেষ দুই ম্যাচ একই সময়ে আয়োজনের নিয়ম চালু করে।
সেই প্রসঙ্গে রানগনিক বলেন, ‘আমার খেলোয়াড়রা হয়তো গত কয়েক দিনে খবরের কাগজে এটা পড়েছে। কিন্তু আমি মনে করি না এটা আগামীকালের ম্যাচে কোনো প্রভাব ফেলবে।’
অস্ট্রিয়া মিডফিল্ডার কনরাড লাইমার বলেন, ‘আমরা মাঠে নামব জেতার জন্য। প্রতিপক্ষ কে সেটা কোনো ব্যাপার না।’
দুই দলই আগে আর্জেন্টিনার কাছে হেরেছে এবং জর্ডানকে হারিয়েছে। জর্ডান ইতোমধ্যে বাদ পড়ে গেছে।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
